February 2018

ভারতের সাধারণতন্ত্রের ৬৮-তম বর্ষ পূর্ত্তিতে দেশের ৭৩%সম্পদ ১% ধনকুবেরের কুক্ষিগত

 ভারতবর্ষ ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদীদের শাসন থেকে মুক্ত হ’ল ১৯৪৭ সালের ১৫ই আগষ্ট৷ এরপর ১৯৫০ সালের ২৬শে জানুয়ারী নিজস্ব সংবিধান আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকরী করে ভারতে প্রজাতন্ত্র বা সাধারণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা করা হ’ল বলে ঘোষণা করা হয়৷ প্রজাতন্ত্র বা সাধারণতন্ত্র মানে জনসাধারণের শাসন ব্যবস্থা৷ তা অবশ্য জনসাধারণের স্বার্থে হবে৷ গণতন্ত্রেরও মূল ভাবখানা হ‘ল জনগণের স্বার্থসিদ্ধির জন্যে যে শাসন ব্যবস্থা৷ কিন্তু স্বাধীনতার ৭১ বছর পরে ও সাধারণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ৬৮ বছর পরে সমীক্ষায় আজ যা উঠে আসছে তাতে চোখে চারিদিকে সর্ষে ফুল দেখার মত অবস্থা!

আসন্ন নির্বাচনে ‘আমরা বাঙালী’ ত্রিপুরায় ২৪টি আসনে প্রার্থী দিচ্ছে

 ত্রিপুরায় আগামী ১৮ই ফেব্রুয়ারী বিধানসভা নির্বাচন৷ তার সঙ্গে  সঙ্গে মেঘালয় ও নাগাল্যাণ্ডের বিধানসভা নির্বাচন ২৭শে ফেব্রুয়ারী৷ তিন রাজ্যের বোট গণনা ৩রা মার্চ৷

বাঙালী জাতিকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে সমস্ত অন্যায়ের  বিরুদ্ধে লড়তে হবে

আচার্য সত্যশিবানন্দ অবধূ্ত

ভারতের স্বাধীনতা  সংগ্রামে  সবচেয়ে  বেশী রক্ত ঢেলেছে বাঙালীরা৷  ক্ষুদিরাম-প্রফুল্লচাকী থেকে  শুরু করে , বাঘা-যতীন-মাষ্টার সূর্যসেন  সহ শত শত বাঙালী বীর ব্রিটিশ  পুলিশের গুলিতে  প্রাণ দিয়েছেন, ফাঁসীকাঠে ঝুলেছেন, চরম আত্মত্যাগ করেছেন৷ অথচ স্বাধীন  ভারতে  সেই বাঙালীরাই  নাকি বিদেশী, তাদের এদেশে স্থান নেই! যারা স্বাধীনতার জন্যে কোনো সংগ্রামই করেনি, তারাই নাকি এদেশের  সাচ্চা বৈধ নাগরিক!

ঊণসত্তরতম প্রজাতন্ত্র দিবসে কিছু মৌলিক ভাবনা

জ্যোতিবিকাশ সিন্হা

২০১৮ সনের ২৬শে জানুয়ারী ভারতের ৬৯-তম প্রজাতন্ত্র দিবস সমগ্র ভারতবর্ষে মহা সমারোহে পালিত হ’ল৷ ১৯৫০ সালের ২৬শে জানুয়ারী থেকেই স্বাধীন ভারতের শাসনকার্য সুচারুভাবে পরিচালনা করার উদ্দেশ্যে ভারতের সংবিধান কার্য্যকর হয় ও অদ্যাবধি বহুবার সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়েছে৷ প্রজাতান্ত্রিক তথা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জনগণের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য প্রদান করাই দেশের শাসকবর্গের একমাত্র লক্ষ্য৷ তাই বিধানসভা, লোকসভার সদস্যগণ, রাষ্ট্রপতি, উপরাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যপাল ও সকল মন্ত্রীগণ ভারতীয় সংবিধানের নামে শপথ নিয়ে জনগণকে নিরপেক্ষ ও নিঃস্বার্থভাবে সেবার অঙ্গীকার করেন কারণ গণতন্ত্রে মূল প্

ড্রাইভারের দায়িত্বজ্ঞানহীনতায় ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা

গত ২৯শে জানুয়ারী সকালে মুর্শিদাবাদ ও দৌলতাবাদের  থানা সীমান্তে বালিরঘাটে সেতুর রেলিং ভেঙ্গে ভাণ্ডারদহ বিলের জলে এক সরকারী বাস পড়ে যায়৷  তাতে ৪২ জনের মৃত্যু সংবাদ পাওয়া গেছে৷

প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণে জানা যায়, গাড়ী চালক মোবাইল ফোনে কথা বলতে বলতে  গাড়ী চালাচ্ছিল৷ ওই বাসের সামনে ছিল একটা লরি৷ বাসচালক ফোনে কান দিয়ে কথা বলতে বলতে এক হাতে ষ্টিয়ারিং ধরে বাস চালাচ্ছিল৷ তার ওপর সামনের গাড়ীটিকে ওভারটেক করতে গিয়েই ড্রাইভার গাড়ীর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে৷ তখনই বাসটি বিলের জলে পড়ে যায় ও  বাসযাত্রীদের সলিল সমাধি হয়৷ ড্রাইভার নিজেও মারা যায় ও ৪২ জনের প্রাণহাণি ঘটায়৷

 

নেতাজীর জন্মজয়ন্তীতে বিভিন্ন স্থানে বাঙালী বাহিনী, বাঙালী নারী বাহিনী, আমরা বাঙালী ও বাঙালী মহিলা সমাজের নেতাজী জয়ন্তী পালন

কোলকাতা ঃ গত ২৩শে জানুয়ারী নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর ১২২তম জন্মদিবস পালন উপলক্ষ্যে ইয়ূনিফর্ম পরিহিত বাঙালী বাহিনী ও বাঙালী নারী বাহিনী সহ আমরা বাঙালীর সমর্থকদের এক বর্ণাঢ্য মিছিল চেতলা পার্ক থেকে হাজরা পার্ক, ভবানীপুর হয়ে এলগিন রোডের দিকে সুসজ্জিত ট্যাবলো নিয়ে নেতাজীর নামে জয়ধবনি দিতে দিতে এগিয়ে চলে৷ পথিমধ্যে ভবানীপুর ক্লাবের পক্ষ থেকে তাঁদের সম্বর্ধনা জানানো হয়৷ এলগিন রোডে নেতাজীর বাসভবনে এসে তাঁরা নেতাজীর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করেন৷ এরপর সেখানে বক্তব্য রাখেন বাঙালী বাহিনীর পক্ষ থেকে প্রদীপ গুহ, এস পি সিং, সুশীল জানা, আমরা বাঙালী কলকাতা জেলাসচিব সুনীল চক্রবর্তী, সাগরিকা পাল,

বাঙালী বাহিনীর  প্রতিষ্ঠা দিবস পালন

 গত ১৬ই জানুয়ারী বাঙালী বাহিনীর প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষ্যে বাহিনীর পক্ষ থেকে উলুবেড়িয়া শহরে এক বর্ণাঢ্য মিছিল  বেরোয়৷ বাহিনীর  স্বেচ্ছাসেবীরা  শোভাযাত্রা সহকারে  শহর পরিক্রমা করে উলুবেড়িয়া হাইস্কুলের সামনে  জমায়েত হয়৷ এখানে মহান্ দার্শনিক শ্রী প্রভাত রঞ্জন সরকারের উদ্দেশ্যে তাঁর প্রতিকৃতির সামনে  গার্ড অব অনার প্রদর্শন করা হয়৷

এখানে উল্লেখ্য, ১৯৭৯ সালের ১৬ই জানুয়ারীতে বাহিনীর  প্রতিষ্ঠা দিবসে বাহিনীর পক্ষ থেকে প্রাউট-প্রবক্তা পরম শ্রদ্ধেয় শ্রী প্রভাত রঞ্জন সরকারকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়েছিল৷

সংগ্রাহক---মাধব চন্দ্র বসাক

১৯৪৪ সালের ২৬শে জানুয়ারী রেঙ্গুনের মিউনিসিপ্যাল বিল্ডিং প্রাঙ্গনে  নেতাজীর সম্মানে আয়োজিত হয়েছিল এক বিশেষ সভা৷ বার্র্ময় এটি প্রথম জনসভা৷ গণ্যমান্য ব্যষ্টি থেকে সাধারণ মানুষের  মিলনে  সভা তখন জনসমুদ্র৷ নেতাজী নামের এমনি জাদু, সভার প্রথমে বার্র্মর অধিবাসীদের  তরফ থেকে  নেতাজীকে  একটি মালা পরানো হয়৷  তারপর নেতাজী প্রায় দুঘন্টা বলে গেলেন... কখন যে  এতটা সময় কেটে গেছে কেউ টেরও পায়নি--- শ্রোতারা মন্ত্রমুগ্ধ৷

কাবুলে ধর্মের নামে জঘন্য হত্যালীলা

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে এবার সাম্প্রতিককালের মধ্যে বৃহত্তম হামলা ঘটিয়ে তালিবান জঙ্গীরা কম করে ১০০ জনকে হত্যা করে৷ আহত ২৩৫ এরও বেশী৷ তালিবান্ জঙ্গীরা ধর্মের  নামে এবার চরম হিংস্রতা দেখাল৷ যে এ্যাম্বুল্যান্স  শত্রু-মিত্র সবাইকে জরুরী চিকিৎসা পরিষেবার প্রতীক সেই এ্যাম্বুল্যান্সকে হাতিয়ার করেছে জঙ্গীরা৷ এ্যাম্বুল্যান্সের চড়ে জঙ্গীরা প্রথমে চেক পয়েন্টকে  ধোঁকা দিতে সমর্থ হয়৷ তারপর আগ্ণেয়াস্ত্র ভর্তি এ্যাম্বুলেন্সটিকে বিস্ফোরণ  ঘটিয়ে উড়িয়ে দেয়৷ এরপর আবার সেনা এ্যাকাডেমীতে আত্মঘাতী জঙ্গী হানা ঘটে৷ তাতেও  ৫জন নিহত হয়৷ এরপর সেনা জঙ্গী সংঘর্ষের ২জন  জঙ্গীর মৃত্যু হয়৷ ধর্মের নামে এইভাবে হত্যালীলা

হোমিওপ্যাথিক ঔষধ ও মাইক্রোবাইটাম

সমরেন্দ্রনাথ ভৌমিক

স্বভাব অনুযায়ী মৌমাছিদের উপযুক্ত স্থান হ’ল ফুলের ওপর অর্থাৎ পবিত্র ও সুগন্ধ পরিবেশই  হ’ল থাকার প্রিয় স্থান৷ অপরপক্ষে  মশা-মাছি এরা পচাগলা দুর্গন্ধ পরিবেশেই থাকতে ভালবাসে৷ ঠিক তেমনি পজিটিভ মাইক্রোবাইটাম এদের  স্বভাব অনুযায়ী সাত্ত্বিক পরিবেশই হ’ল থাকার  প্রিয় স্থান৷ অর্থাৎ পজেটিভ মাইক্রোবাইটামেরা সাত্ত্বিক পরিবেশেই প্রভাব বিস্তার করে৷ কিন্তু নেগেটিভ মাইক্রোবাইটামেরা সাত্ত্বিক পরিবেশে থাকতে পারে না৷ এই কারণেই সাত্ত্বিক মানুষ যদি সাত্ত্বিক পরিবেশে হোমোপ্যাথ ঔষধের  উপাদান বা মাদার টিংচার  থেকে হোমেপ্যাথ ঔষধ  তৈরী  করেন  তা হ’লে  ঐ ঔষধের  মধ্যে পজেটিভ মাইক্রোবাইটা আকৃষ্ট হয়৷  হোমোপ্যাথ ঔষধের মধ্য