May 2018

পঞ্চায়েত নির্বাচনে আবার হাইকোর্টের  ধাক্কা

পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে রাজ্য নির্বাচন  কমিশন  ও রাজ্য সরকার আবার ধাক্কা খেল৷  পঞ্চায়েত নির্বাচনের  মনোনয়নপত্র পেশে বাধাদানকে  কেন্দ্র করে সুপ্রিমকোর্ট ও হাইকোর্টের মধ্যস্থতায় রাজ্যকমিশন রাজ্য সরকারের সঙ্গে পরামর্শ করে ১৪ই মে এক দফায় পঞ্চায়েত নির্বাচনের  দিন ঘোষণা করেছিল৷ যদিও নির্বাচকমন্ডলীর নিরাপত্তা নিয়ে রাজ্যকমিশন  ও রাজ্যসরকারের মধ্যে  বাদানুবাদ চলছিলই৷ ৩০শে এপ্রিল আবার রাজ্য নির্বাচন কমিশন  নির্বাচনের সময়  নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে যে প্রতিবেদন  আদালতে পেশ  করল তাতে অসন্তুষ্ট হয়ে বিচারপতি ঘোষণা করলেন, ১৪ই মে দির্ধারিত পঞ্চায়েত নির্বাচনের যে তারিখ দির্ধারিত হয়েছে  সেই তারিখ  চূড়ান্ত নয়৷ র

বজবজ ভাগাড় কান্ডের ছায়া সারা দেশ জুড়ে

বজবজের  ভাগাড় কান্ডের  অদৃশ্য দানবের  দেখা মিলেছে রাজ্যের বিভিন্নস্থানে, এমনকি  এ রাজ্য পেরিয়ে সুদূর চেন্নাই পর্যন্ত এর  গতিবিধি লক্ষ্য করা যাচ্ছে৷ অভিজ্ঞ মহলের ধারণা এই দানবের রাজত্ব চলছে  সারা দেশ জুড়ে৷

বজবজ ভাগাড় থেকে মৃত গোরু, ভেড়া, কুকুর, বেড়ালের পচা মাংস হোটেল-রেস্তোরাঁয়  পাচারের ঘটনা ধরা পড়ার পর ব্যাপক পুলিশী তদন্ত যতই এগুচ্ছে ততই সত্যিই কেঁচো খুড়তে বিষধর  সমস্ত  সাপের  দেখা মিলছে৷

ভাগাড় কান্ডে অভিযুক্ত প্রাক্তন সিপিএম নেতা

ভাগাড়ের মরা গোরু, ভেড়া, কুকুর, বেড়াল প্রভৃতির মাংস সংগ্রহ করে নানান্ হোটেল-রেস্তোরাঁয় পাচারের মত ঘৃণ্য কাজ করত--- এমনি  ৬ জন  অভিযুক্তকে পুলিশ  গ্রেফতার করেছে৷  এঁদের মধ্যে  আবার একজন ছিলেন  প্রাক্তন সিপিএম-এর কাউন্সিলার  মাণিক মুখোপাধ্যায়৷ অন্যান্যদের  মধ্যে  আছে  সানি মল্লিক, সারাবত হোসেন প্রভৃতি৷ একজন জননেতার  এই ধরণের চরিত্র --- এই সংবাদে জনগণ বিস্মিত!

একদিনেই ব্রজপাতে ১২জনের মৃত্যু

৩০ শে এপ্রিল সকালে রাজ্যের বেশ কয়েকটি জেলায় বজ্রপাত সহ প্রবল ঝড়বৃষ্টি হয়৷ বজ্রপাতের ফলে প্রায় ১২ জনের প্রাণহানি হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে৷ কোথাও শিলাবৃষ্টিতেও বহু ঘরবাড়ির ক্ষতি হয়েছে৷

বিশ্বের ১৮২টি দেশে পালিত হ’লশ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তি জন্মতিথি উৎসব

গত ২৯শে এপ্রিল, ২০১৮ আনন্দপূর্ণিমার (বৈশাখী পূর্ণিমা) Baba birthda-18পুণ্য তিথিতে আনন্দমার্গের প্রবক্তা ও প্রতিষ্ঠাতা শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তিজী ৯৮ তম শুভ জন্মতিথি তথা ৯৭ তম জন্মবার্ষিকী উৎসব উদযাপিত হ’ল৷ বিশ্বের ১৮২ টি দেশে আনন্দমার্গীরা মহাসমারোহে এই দিনটিকে পরম ভক্তি ও শ্রদ্ধার সঙ্গে পালন করেন৷

বিজন সেতুতে সপ্তদশ দধীচির উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন, মৌন মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

Bijon Setu 1১৯৮২ সালের ৩০শে এপ্রিল কলকাতার বিজন সেতু এলাকায় ও বণ্ডেল গেটে আনন্দমার্গের ১৭জন সন্ন্যাসী-সন্ন্যাসিনীকে নৃশংসভাবে হত্যার প্রতিবাদে ও সেই সপ্তদশ ‘দধীচি’র প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করতে, সঙ্গে সঙ্গে ‘মানবতা বাঁচাও’ শ্লোগান তুলে গত ৩০শে এপ্রিল দুপুর দু’টোয় দেশপ্রিয় পার্ক থেকে বিজন সেতুর উদ্দেশ্যে এক মৌন মিছিল বের হয়৷ সিপিএমের হার্মাদ বাহিনীর দ্বারা সংঘটিত এই পৈশাচিক হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে আয়োজিত মৌন মিছিল বিজন সেতু

আচরণাৎ ধর্ম

ধর্ম বৈবহারিক, সৈদ্ধান্তিক নয়৷ কে ধার্মিক, কে ধার্মিক নয়–তা তার বিদ্যা, বুদ্ধি বা পদমর্যাদা থেকে প্রমাণিত হয় না৷ কে ধার্মিক তা প্রমাণিত হয় তার আচরণ থেকে৷ কে অধার্মিক তাও প্রমাণিত হয় তার আচরণ থেকে৷ যে ধার্মিক হতে চায়, তাকে তার আচরণ ঠিক করতে হবে৷

প্রাউট ও নব্যমানবতাবাদ

অস্তিত্বের সকল ক্ষেত্রে ক্রমবর্ধমান গতিশীলতার দ্রুতি থাকতেই হবে৷ গতির দ্রুতিই জীবনের মূল পরিচয় বহন করে৷ মানুষের দৈহিক সংরচনা পাঞ্চভৌতিক কিন্তু মানব জীবনের লক্ষ্য হচ্ছে পরমপুরুষ (Supreme Entity)¼৷ সেই লক্ষ্যে পৌঁছাতে হলে আধ্যাত্মিক সাধনার মাধ্যমেই আমাদের যেতে হবে৷

প্রাউটের মূলেও রয়েছে এই গতিশীলতা৷ প্রাউট হচ্ছে একটি সামাজিক–অর্থনৈতিক দর্শন যা মানবজাতিকে অপূর্ণতা থেকে পূর্ণতার দিকে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে৷ পরমপুরুষের দিকে এগিয়ে চলা সকলের পক্ষেই একটা বিরামহীন প্রক্রিয়া৷ এই প্রক্রিয়ার অন্তে তুমি পরমপুরুষের সঙ্গে একীভূত হয়ে যাবে৷

কেন এই আক্রমণ?

অাচার্য সত্যশিবানন্দ অবধূত

১৯৮২ সালের ৩০শে এপ্রিল৷ গত কয়েক শতাব্দীর ইতিহাসে বোধকরি সবচেয়ে পৈশাচিকতম ঘটনা ঘটে গেল আজকের সভ্যতার পীঠভূমি কলকাতার বিজন সেতু ও বণ্ডেল গেটের মত জনাকীর্ণ এলাকায়৷ প্রকাশ্য দিবালোকে৷ আনন্দমার্গের ১৬জন সন্ন্যাসী ও ১জন সন্ন্যাসিনীকে বর্ণনার অতীত নৃশংসতম ভাবে খুন করল তৎকালীন শাসকদল সিপিএম’এর গুণ্ডাবাহিনী৷ পুলিশ নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করল৷ স্পষ্টই বোঝা যায় এই হত্যার ষড়যন্ত্র একেবারে ওপর মহল থেকেই করা হয়েছিল৷

শতাব্দীরপৈশাচিকতম্ ঘটনা

সত্যসন্ধ দেব

১৯৮২ সালের ৩০শে এপ্রিল৷ তখন সবেমাত্র আকাশ আলো করে পূর্ব দিগন্তে উঁকি দিচ্ছে সূর্য, আনন্দমার্গের আসা–যাওয়ার পথের ধারে ওৎ পেতে বসেছিল সিপিএমের হিংস্র হার্মাদ বাহিনী, ঠিক যেন হিংস্র হায়নার দল৷ আনন্দমার্গের বেশ কিছু সন্ন্যাসী ও সন্ন্যাসিনী কয়েকটি ট্যাক্সিতে করে হাওড়া থেকে তিলজলা আশ্রমে যাচ্ছিলেন৷ বণ্ডেল গেট ও বালিগঞ্জের বিজন সেতু দিয়েই তিলজলা আশ্রমে যাওয়ার রাস্তা৷ ওই এলাকায় যেই ট্যাক্সিগুলো পৌঁছলো অমনি কিছু বুঝে ওঠার আগেই ট্যাক্সি থেকে এক এক করে সন্ন্যাসীদের টেনে হিঁচড়ে বের করে শাবল দিয়ে মাথায় আঘাত করে, ছোরা দিয়ে চোখ উপড়ে ফেলে, গায়ে এ্যাসিড ও পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে মেরেছিল ১৭ জন সন্ন্যাসী–সন্ন্যাস