সম্পাদকীয়

প্রভাত সঙ্গীত---সাংস্কৃতিক বিপ্লবের অগ্রদূত

আচার্য সত্যশিবানন্দ অবধূ্ত

আজকে সারা দেশজুড়ে, শুধু দেশ নয়, সমগ্র মানবসমাজ জুড়েই দেখা দিয়েছে এক ভয়ঙ্কর সাংস্কৃতিক অবক্ষয়৷ সংস্কৃতি কী?

রাষ্ট্রহীন নাগরিক---অমানবিক রাষ্ট্র

আচার্য সত্যশিবানন্দ অবধূ্ত

গিলোটিন, গ্যাস চেম্বার নরহত্যার নানা নৃশংস পদ্ধতি ইতিহাসে উল্লেখ আছে৷ কিন্তু মানুষকে এমন তিলে তিলে দগ্ধে দগ্ধে মারা এও তো কম নৃশংস নয়৷ কার দোষ আর কে বলি হচ্ছে! সভ্য গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে মধ্যযুগীয় বর্বরতার চেয়ে এ কম কীসে? অসহায় মানুষগুলোর কি দোষ! দোষ যদি কারো হয় সে তো রাষ্ট্রের কর্ণধারদের৷ ক্ষমতার লিপ্সা, সাম্প্রদায়িক জিঘাংসা, অপরিণামদর্শী দিশাহীন নেতৃত্ব, বিভেদ, সংঘাত আর দায়ী দেশভাগ৷ তবু সেই নেতৃত্বকে কোন জবাব দিতে হয়নি৷ কোনও প্রমাণ দাখিল করতে হয়নি৷ নিস্ব হয়ে আদালতের দুয়ারে গিয়ে দাঁড়াতে হয়নি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব পাওয়ার আশায়৷

পটোলের উপকারিতা

পটোল একটি সুস্বাদু, নির্দোষ সব্জী ও সর্বরোগে সমপথ্য৷ বিশেষ করে অর্শ, আমাশয়, ক্ষহুমূত্র ও অম্লরোগে প্রাত্যহিক ভোজন তালিকায় পটোলের তরকারী সুপথ্য৷ (২) পটোলের লতার ডগার অংশকে পলতা ক্ষলে৷ পলতা একটি তিক্ত ভোজ্য ও ঔষধীয় গুণে পরিপূর্ণ৷ পলতা লিবার তথা যকৃতের পক্ষে উপকারী, এ রক্ত–পরিষ্কারক, রক্ত–ক্ষর্দ্ধক, ক্ষুধা–ক্ষর্দ্ধক ও নিদ্রাহীনতার ঔষধ৷ প্রমেহ (গণোরিয়া), উপদংশ (সিফিলিসগ্গ, চর্মরোগে, কুষ্ঠে ও ক্ষহুমূত্র রোগে পলতার তরকারী আবশ্যিক ভোজন৷

ভারতীয় অর্থনীতিতে  মন্দার ছায়া---সমাধান কোন্ পথে

আচার্য সত্যশিবানন্দ অবধূ্ত

কেন্দ্রের প্রধানমন্ত্রী বা অর্থমন্ত্রী ভারতীয় অর্থনীতির উন্নতির উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করলেও নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যান রাজীব কুমার কিন্তু স্বীকার করেছেন ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার ক্রমাগত হ্রাস পাচ্ছে৷ এখন যে পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে বিগত ৭০ বছরে এমন দূরবস্থা আসেনি৷ তাঁর মন্তব্য উৎপাদন শিল্প থেকে কৃষি---সর্বক্ষেত্রে মন্দার পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে৷ অটোমোবাইল থেকে বিসুকট শিল্প প্রায় সব ক্ষেত্রে বিভিন্ন ইয়ূনিট বন্ধ হয়ে যাচ্ছে৷ পার্লে জি.

কশ্মীরের ৩৭০ ধারা বাতিল প্রসঙ্গে

আচার্য সত্যশিবানন্দ অবধূ্ত

গত ৫ই আগষ্ট কেন্দ্রীয় সরকার কশ্মীরে ৩৭০ ধারা  ও ৩৫এ ধারা বাতিল করার পর এ নিয়ে  সারা দেশজুড়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে৷ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান তো এই ইস্যুকে কেন্দ্র করে ভারতের বিরুদ্ধে তোপ দেগে চলেছেন৷ ভারতের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রসংঘ, আমেরিকা প্রভৃতি দেশে এ নিয়ে অভিযোগও করা হয়েছে৷ কিন্তু তাঁরা পাকিস্তানের কথায় কান  দেয়নি৷

আদর্শ নেতৃত্ব

আচার্য সত্যশিবানন্দ অবধূ্ত

পৃথিবীর সমস্ত প্রাণীকুল সমান দুই ভাগে বিভক্ত৷ এককচারী ও যূথবদ্ধ৷ অতি পরিচিতদের মধ্যে  ছাগল, মুরগী জাতীয় কয়েকটি প্রাণী এককচারী৷ আবার হাতী, ভেড়ার মত কিছু প্রাণী আছে তারা যূথবদ্ধ৷ এককচারী জীবেরা সাধারণতঃ আত্মস্বার্থ কেন্দ্রিক হয়৷ সব সময় নিজের স্বার্থ রক্ষার্থেই ব্যস্ত থাকে৷ অন্য কারোর দিকে ফিরেও চায় না৷ পাশে কেউ বিপদে পড়লেও তাদের কোন ভ্রূক্ষেপ থাকে না৷ এই ধরণের জীবকে গৃহে পোষ মানাতে গেলেও তারা কখনোই পালক প্রভুর অনুগত হয় না৷ যেখানেই থাকুক যাই করুক,নিজের স্বার্থটাই  কেবল তার কাছে প্রাধান্য পায়৷

ধর্ম ও রেলিজন এক নয়

আচার্য সত্যশিবানন্দ অবধূ্ত

ধর্মের নামে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষই আজ বিভিন্ন সামাজিক ব্যাধীর মূল কারণ৷ আর এর পেছনে রয়েছে মানুষের অন্ধবিশ্বাস, ডগ্মা বা যুক্তিহীন ভাবজড়তা৷

চাই নোতুন নীতি, নোতুন নেতা

কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন শুধু মোদি সরকারের আমলেই বা বলি কেন স্বাধীনতার পর থেকে অর্থাৎ সেই গান্ধী নেহেরুর আমল থেকে বর্তমানে মোদির আমল পর্যন্ত এই ৭২ বছর ধরে দেশীয় শাসনে ভারতের ২৭ কোটি মানুষ স্বাধীনতার প্রকৃত স্বাদ পায় নি---এখন তারা ক্ষুধার শিকার৷ তারা প্রত্যহ রাতে ক্ষুধা নিয়ে ঘুমোতে যায়--- ক্ষুধা নিয়ে জাগে৷

অথচ ভারতের ১০০ জন শীর্ষস্থানীয় বিত্তবানের  মোট সম্পদ ২০১১ সালে ছিল ১৩ লক্ষ ৪৯ হাজার  ৬০০ কোটি টাকা৷ ২০১২ সালে তা বৃদ্ধি হয়েছে ১৪ লক্ষ কোটি টাকা৷

চাই নোতুন নীতি, নোতুন নেতা

আচার্য সত্যশিবানন্দ অবধূ্ত

কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন শুধু মোদি সরকারের আমলেই বা বলি কেন স্বাধীনতার পর থেকে অর্থাৎ সেই গান্ধী নেহেরুর আমল থেকে বর্তমানে মোদির আমল পর্যন্ত এই ৭২ বছর ধরে দেশীয় শাসনে ভারতের ২৭ কোটি মানুষ স্বাধীনতার প্রকৃত স্বাদ পায় নি---এখন তারা ক্ষুধার শিকার৷ তারা প্রত্যহ রাতে ক্ষুধা নিয়ে ঘুমোতে যায়--- ক্ষুধা নিয়ে জাগে৷

অথচ ভারতের ১০০ জন শীর্ষস্থানীয় বিত্তবানের  মোট সম্পদ ২০১১ সালে ছিল ১৩ লক্ষ ৪৯ হাজার  ৬০০ কোটি টাকা৷ ২০১২ সালে তা বৃদ্ধি হয়েছে ১৪ লক্ষ কোটি টাকা৷

বাঙলার প্রতি কোনও অবহেলা চলবে না

আচার্য সত্যশিবানন্দ অবধূ্ত

সম্প্রতি ভারতের শীর্ষ আদালত নির্দেশ জারী করেছে যে, এখন থেকে সুপ্রিম কোর্টের রায়  ইংরেজী ও হিন্দী সহ তেলেগু, মারাঠি, কন্নড়, ওড়িয়া ও অসমিয়া ভাষাতেও মিলবে৷ এই মোট ৭টি ভাষাতে সুুপ্রিম কোর্টের এই রায় বিস্ময়জনক৷ দেশের শীর্ষ আদালত অন্ততঃ দেশের সমস্ত ভাষাভাষীদের  প্রতি নিরপেক্ষভাবে আচরণ করবে৷ এটাই আমরা আশা করব৷ সমস্ত নিরপেক্ষ বিচারশীল মানুষও এই আশা করে৷ কিন্তু অসমীয়া, ওড়িয়া  প্রভৃতি  আঞ্চলিক ভাষাতে সুপ্রিম কোর্টের  রায় দেওয়া হবে, অথচ ১৩ কোটি বাঙালীর মাতৃভাষা  বাংলাতে তা দেওয়া হবে না৷ অথচ, রাষ্ট্রসংঘেও যে ভাষায়  বত্তৃণতা দেওয়া যায়, যে ভাষাকে  রাষ্ট্রসংঘ পৃথিবীর মধুরতম  ভাষা হিসেবে  স্বীকৃতি  দিয়েছে,