খেলার খবর

একই টুর্র্ণমেন্টে নাদাল ও জেকোভিচকে হারাতে পারলেন না ফেডেরার, উইম্বলডনে চ্যাম্পিয়ন হলেন জেকোভিচ

১৬ তম গ্রান্ড স্ল্যাম জিতে জেকোভিচ উচ্ছসিত নন, কিন্তু তিনি আনন্দিত৷ কারণ বিশ্বসেরা  টেনিস খেলোয়াড় ফেডেরারকে হারিয়ে তিনি চ্যাম্পিয়ান হয়েছেন৷ ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ দর্শক ফেডেরার পক্ষে চিৎকার করছিলেন,সেন্টার কোর্টে তখন ম্যাচ ফিফটি ফিফ্টি সেই অবস্থায় মাথা ঠাণ্ডা রেখে সার্বিয়ার টেনিস তারকা জেকোভিচ তাঁর স্বপ্ণের উইম্বলডন ছিনিয়ে নিলেন৷ তার জয়ের মুকুটে আর একটি পালক জ্বল জ্বল করবে৷ তবু বরাবরের মতো জেকোভিচ তেমন উচ্ছসিত নন৷ সাংবাদিক সম্মেলনে বিনয়ী জেকোভিচ জানালেন রাফায়েল নাদাল ১৮টি  ও ফেডেরার ২০টি গ্রান্ডস্ল্যাম জিতেছেন৷ সেদিক থেকে বিচার করলে তিনি তাঁদের থেকে পিছিয়ে৷ তাই ভবিষ্যতে আরও খেলার স্বপ্ণ দেখেন তিন

জার্র্মনিতে এয়ার রাইফেলে এবার সোনা জয় করলেন ‘বাঙালী কন্যা’ মেহুলি ঘোষ

জার্র্মনিতে জুনিয়র বিশ্বকাপে বিশ্বরেকর্ড গড়ে দলগত ইভেন্টে স্বর্ণজয়ী হলেন বাঙালী কন্যা মেহুলি ঘোষ৷  জুনিয়র বিশ্বকাপে গত ১৫ই জুলাই সোমবার জামার্নিতে এয়াররাইফেল প্রতিযোগিতায়  মেহুলি, এলাভেনিল ভালারিভালান ও শ্রেয়া আগরওয়ালের  দল ১০ মিটারে সোনা জেতার পথে  বিশ্ব রেকর্ড করে ফেলেন৷  এরপর ব্যক্তিগত ইভেন্টেও সোনা পান এলাভেনিল৷ রুপো জেতেন মেহুলি৷

২০১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেটের নিয়ম-বিধি নিয়ে নানান প্রশ্ণ ইংলণ্ড বিশ্বসেরা হ’ল নাকি ইংলণ্ডকে বিশ্বসেরা করা হ’ল

শেষ ম্যাচ দিয়েই শুরু করা যাক৷ বিশ্বকাপ ফাইনাল৷ উপভোগ্য লড়াই দেখা গেছে ব্যাটে বলে৷ ৫০ ওভারের ম্যাচে দুই দলই ২৪১ রান করেছে৷ ম্যাচ টাই হ’ল৷ এবার সুপার ওভার৷ সেখানেও টাই---দু-দলের রান সমান সমান৷ নিয়ম ছিল সুপার ওভারে যে দল বেশী বাউণ্ডারী মারবে সেই দলই জয়ী হবে---যদি দু-দলেরই রান সমান সমান হয়৷ এই নিয়মে চ্যাম্পিয়ন হয়ে গেল ইংলণ্ড৷ যে ম্যাচে বিশ্বসেরা হওয়ার লড়াই সেই ম্যাচে এই নিয়ম কতটা গ্রহণযোগ্য তা নিয়ে ক্রিকেট বোদ্ধাদের মধ্যে মতবিরোধ থাকবেই৷ ফুটবলে তো পেনাল্টি হয়৷ সেখানে ফল সমান সমান হলে ‘সাডেন-ডেথ’ বলে একটি নিয়ম রয়েছে৷ ক্রিকেটেও সেই ধরণের ব্যাটে-বলের ক্ষুদ্র প্রতিযোগিতা সুপার ওভারের পরে করা যেত না

উইম্বলডনের সেমিফাইনালে দুই ঐতিহাসিক টেনিস প্রতিদ্বন্ধী

গত বুধবার ফেডেরার কোয়ার্টার ফাইনালে চার সেট লড়াই-এর পর  জাপানের ‘কেই নিশিকোরিকে’৷ ফল ৪-৬, ৬-১,৬-৪,৬-৪৷ সঙ্গে একই গ্র্যাণ্ড স্ল্যামে প্রথম খেলোয়াড়  হিসেবে শততম ম্যাচও জিতেছেন৷  নাদাল শেষ আটে স্ট্রেট সেটে হারিয়ে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের স্যাম কোয়েরিকে৷ ফল ৭-৫, ৬-২,৬-২৷  সেরিনা ইউলিয়াম ও  অ্যান্ডি মারে  জুটি মিক্সড ডবলসে ছিটকে গিয়েছেন৷

সেমি ফাইনাল নিয়ে  ফেডেরার বলেন, ‘‘আমরা  দু’জনেই  পরস্পরকে খুব ভাল করে চিনি৷ দু’জনের কাছেই একে অপরের বিষয়ে  প্রচুর তথ্য আছে৷ আজ সেমিফাইনাল ট্যাকটিক্স নিয়ে প্রচুর চিন্তা ভাবনা ও করা হবে৷ তবে এটাতো ঘাসের কোর্টের টেনিস, খেলায় চেষ্টার কোনো ত্রুটি রাখব না৷’’

২০১৫ বিশ্বকাপের মত সেমিফাইনালে বিদায় স্বপ্ণের দল নিয়েও স্বপ্ণভঙ্গ, তীরে এসেও তরী ডুবল ভারতের

শুরুটা দারুণ হয়েছিল মিশন বিশ্বকাপের লক্ষ্যে৷ অষ্ট্রেলীয়দের বিরুদ্ধে জয়ী হয়েছিল ভারত৷ তারপর পাকিস্তান, দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েষ্ট ইণ্ডিজের মত দলকে হারিয়ে দিয়েছিল ভারত৷ রাউণ্ড রবিন লীগে ইংলণ্ডের কাছে হার মানতে হলেও অন্যান্য সব দলকে হারিয়েছে ভারত৷ লীগের খেলায় নিউজিল্যাণ্ডের বিরুদ্ধে ভারত মাঠে নামতে পারেনি বৃষ্টির কারণে৷

২০১৯-এর বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার বিদায় মেনে নিতে পারছেন না ক্ষুব্ধ জন্টি রোডস্

চলমান বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার পারফরম্যান্স দেখে দুঃখ পেয়েছেন সেই দেশের খ্যাতনামা প্রাক্তন খেলোয়াড় জণ্টি রোডস৷ কারণ শ্রীলঙ্কা  ও আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে জয়  ছাড়া আর কোনও সাফল্য সাউথ আফ্রিকারএই দলটি অর্জন করতে পারেনি৷ বিশ্বসেরা হবার মত ছাপ রাখতে ব্যর্থ হয়েছে ডুপ্লেসির দল৷

এর কারণ কী? এ প্রশ্ণের উত্তর দিতে গিয়ে অসহিষ্ণু জণ্টি জানালেন দল নির্বাচনটাই ঠিক হয়নি দক্ষিণ আফ্রিকার৷ ডেভিলিয়ার্সের মত খেলোয়াড়কে বাদ দিয়ে এই দল গড়াতে ক্ষুব্ধ দক্ষ ফিল্ডার জণ্টি রোডস৷

বিশ্বসেরা হওয়ার স্বপ্ণকে বাস্তবায়িত করতে গেলে প্রতি ম্যাচেই অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠতে হয়

বার্মিংহ্যামে বাঙলাদেশকে  হারিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল ইণ্ডিয়া৷ ইংল্যাণ্ড ও বাঙলাদেশের বিরুদ্ধে বুমরা ছাড়া কেউই বিপক্ষের ত্রাস হয়ে উঠতে পারেননি৷ যদিও রোহিত-কোহলি-পাণ্ডিয়ারা ভাল খেলেছেন---কিন্তু বিপক্ষকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার যে কিলার-ইন্সটিংট তা দেখা যায়নি কোহলি ব্রিগেডের মধ্যে৷ তবে একথা ঠিক যে বিপক্ষের কয়েকজন খেলোয়াড় ভাগ্যের সহায়তা পেয়েছেন৷

বিশ্বকাপের উত্তেজনা এখন তুঙ্গেl চলছে শেষ চারে যাওয়ার জোর লড়াই চ্যাম্পিয়নের লক্ষ্যে অঙ্ক কষে এগোচ্ছে ভারত

বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১৯-এর রাউণ্ড রবিন লীগের খেলাগুলি চলছে৷ ইংল্যাণ্ডের বিভিন্ন স্টেডিয়ামে৷ মোটামুটিভাবে খাতায-কলমে ভাল দলগুলি ঠিকমত শুরু করেছে৷  কিন্তু তার মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকা আশানুরুপ খেলতে পারেনি৷ ওয়েষ্ট ইণ্ডিজও বেশ কয়েকটি ম্যাচে নিজেদের ভুলে বিপক্ষের  কাছে হার স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছে৷ তবে অষ্ট্রেলিয়া, ভারত, নিউজিল্যাণ্ড ও ইংল্যাণ্ড নিজেদের সুনাম অনুযায়ী পারফরম্যান্স করেছে৷ দিন যত গড়াচ্ছিল ততই স্পষ্ট হচ্ছিল অষ্ট্রেলিয়া, ভারত, নিউজিল্যাণ্ড ও ইংল্যাণ্ডই সেমিফাইনালে যাবে৷ প্রত্যেক দলের যখন পাঁচটি বা ছয়টি করে ম্যাচ খেলা হয়ে গেছে তখন এই চিত্র পরিলক্ষিত হয়েছে৷ ঠিক এমন সময় ছন্দপতন ঘটে গেল৷ শক্ত

বিশ্বকাপের আসরে এত চোট-আঘাত কেন?

বিশ্বকাপের মত বড়ো আসরে, যেখানে বিশ্বের সেরা দলগুলি পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে সেখানে প্রতিটি খেলোয়াড়েরই একশ’ শতাংশ সুস্থ থাকতে হবে৷ মনে রাখতে হবে কোনও একজনের ওপর একটি দলের সাফল্য নির্ভর করবে না, তেমনি কোন একটি একজন খেলোয়াড়ের অসুস্থতা বা খেলার মধ্যে ভুল করাটা সেই দলের কাছে বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে৷ উদাহরণ হিসেবে বলা যায় একটি ক্যাচ মিস মানে ম্যাচ মিস হতে পারে, একটি রান আউট বা একটি স্ট্যাম্পের সুযোগ হাতছাড়া হলে দল বিপদে পড়তে পারে এমনকি সংশ্লিষ্ট দল পরাজিতও হতে পারে৷ তাই এই মহারণে একটি রান বাঁচানোর জন্যে শরীরকে ছঁুড়ে দিচ্ছেন খেলোয়াড়রা৷ তাই ক্রিকেটে এখন সেই সকল খেলোয়াড়েরাই সাফল্য পাবেন যাঁরা শ

জমে উঠছে বিশ্বকাপ ২০১৯

বিশ্বকাপে এই প্রথম রাউণ্ড রবিন লীগ পদ্ধতিতে প্রথম পর্যায়ের ম্যাচ গুলি হচ্ছে৷ উদ্দেশ্য ধারাবাহিকভাবে ভাল খেলে চ্যাম্পিয়ন হতে হবে৷ সেমিফাইনালের আগে প্রত্যেকটি দল একে অপরের বিরুদ্ধে লড়াই করবে৷ এবার দশটি দলের মধ্যে বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়নশীপ প্রতিযোগিতা হচ্ছে৷ আয়োজক দেশ ইংলণ্ড ছাড়া রয়েছে ভারত, অষ্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যাণ্ড, পািিকস্তান, ওয়েষ্ট ইণ্ডিজ, শ্রীলঙ্কা, বাঙলাদেশ, দক্ষিণ আফ্রিকা ও আফগানিস্তান৷ এখনও পর্যন্ত যে ক’টি ম্যাচ হয়েছে তার মধ্যে ভারত অষ্ট্রেলিয়ার ম্যাচটি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ৷ এই ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ভারত সাড়ে তিনশোর গণ্ডি অতিক্রম করে অষ্ট্রেলিয়াকে চাপে ফেলে৷ অষ্ট্রেলিয়াও অঙ্ক কষে ম্যাচ