প্রবন্ধ

বিদ্বংসী রাজনীতি

বিশ্বদেব মুখোপাধ্যায়

এখন বাঙলা তোলপাড় বিধবংসী আম্ফান ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের ক্ষতিপূরণের টাকা পাওয়াকে কেন্দ্র করে৷ ক্ষমতাসীন দলের একাংশের  পাশাপাশি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি চিৎকার জুড়েছে..দুর্নীতি ও স্বজন পোষণ হয়েছে বলে, কিছু কিছু প্রকাশ্যেও এসেছে  সংবাদ মাধ্যম-এর দৌলতে৷ বিরোধীদের দাবী-যারা প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত তারাই যেন সরকারী সাহায্য কুড়ি হাজার টাকা করে  পায়৷ বিরোধীদের এ দাবীর প্রতি যে কোনো শুভ বুদ্ধিসম্পন্ন মানুষই সহমত পোষণ করবেন৷ এ নিয়ে কোনো বিতর্কই থাকতে পারে না৷ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীও এব্যাপারে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন৷

বাঙলা বাঁচলে ভারতও বাঁচবে

এইচ. এন. মাহাত

স্বাধীনতার আগে দেশটার নাম ছিল ভারতবর্ষষ হিন্দি সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন, মূলত গান্ধী নেহেরু প্যাটেল জিন্নাহ প্রভৃতি নেতারা বৃদ্ধ অবস্থায় এসে সংগ্রামী মানসিকতা হারানোর ফলে গদির লোভ পেয়ে বসে৷ তখন তাদের একটাই লক্ষ্য--- গদি চাই! যে কোনো মূল্যে গদি চাই৷ পরিণতিতে ভিক্ষালব্ধ স্বাধীনতার পরিণাম খণ্ডিত ভারত৷

ইউ এন ও কে বর্তমান বিশ্বে চীনের আগ্রাসী নীতি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রন করতে হবে মানবতা রক্ষায়

প্রভাত খাঁ

পৃথিবীর বয়স হয়েছে কয়েক লক্ষ বছর৷ আর মানুষ এসেছে সুপ্রাচীনকালে কিন্তু সবার শেষে৷ এসেছে একটা স্নায়বিক সেল৷ তার সাথে সাথে ধীরে ধীরে এসেছে সেই জলজ ক্ষুদ্রতম প্রাণী৷ তারপর গুল্ম জাতীয় গাছপালা, জীবজন্তু পরে পরিবর্ত্তনের  ধারা বেয়ে মানুষ মেরুদণ্ডী প্রাণী এসেছে৷ তাদের বোধবুদ্ধি  ও হতে হাজার হাজার বছর লেগেছে৷ সংগ্রাম করে এগিয়ে আসতে হয়েছে মানুষকে৷ এরমধ্যে ১৫/২০ হাজার বছর আগে কিছুটা সভ্যতা বলতে যা বলা হয় তার উন্মেষ হয়৷ তাও এক সঙ্গে নয়৷ ত্রিভুজাকৃতি এই যে ভারতবর্ষ তারই কোলে গণ্ডয়ানা ল্যাণ্ডের পূর্ব দিকে  মানব সভ্যতার বিকাশ ঘটে প্রথম দিকে৷ তবে  এ ব্যাপারে  নানা মুনির নানামত আছে৷ কেউ কেউ বলেন পিকিং ম্যান

কলুষ মুক্ত সমাজ গড়তে চাই আধ্যাত্মিক  শিক্ষা ও অনুশীলন

আচার্য সত্যশিবানন্দ অবধূ্ত

বর্তমানে শিল্প, সাহিত্য সংসৃকতি অর্থনীতি রাজনীতি--- সমাজের সর্বস্তরে চরম অবক্ষয় চলছে৷  প্রতিদিন পত্রপত্রিকায়  দুর্নীতি, মহিলাদের শ্লীলতাহানি, ধর্ষণ সহ নানান্ জঘন্য ধরনের অপরাধের খবর প্রকাশিত হচ্ছে৷ যখন কোন একটি জঘন্য ধরনের অপরাধের বা দুর্নীতির খবর বেরোয় বিভিন্ন সংবাদপত্রে বা বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে ওই বিশেষ অপরাধীর বিরুদ্ধে বিষোদগার করা হয়, বুদ্ধিজীবীরাও ওই অপরাধ কান্ডের বিরুদ্ধে সরব হয়ে ওঠেন৷ তারপর সবাই চুপচাপ৷ আবার পরদিন নোতুন অপরাধের  খবর বেরোয়, আবার ওই অপরাধীর বিরুদ্ধে সমালোচনায় সবাই তৎপর হয়ে ওঠেন৷

এক ঝাক স্বপ্ন

রাম দাস বিশ্বাস

এক ঝাঁক স্বপ্ণ আকাশ ঘিরে

হাওয়া চিরে যায় ফিরে পাখিরা নীড়ে৷৷

উচ্ছ্বল ছল ছল নদী ধায় সাগরে

ঝড় ঝড় বারি ধারা ঝড়ে শুধু অঝোরে

নীলাকাশ নিঃসীম যায় হারিয়ে

আমার হৃদয়ে ভরা গানের ভীরে৷৷

ফুল হাসে অবিরাম

মধুময় অভিরাম

সুরভিতে মাতায় বিশ্ব

জানে না কি আছে তার

কার তরে সম্ভার

ঢেলে দিয়ে হয়ে যায় নিঃশ্ব

মাতাল মনটা কারে চায় কে জানে৷

কারতরে দশদিক ভরে সে গানে৷

আনন্দে হারা হিয়া আসে যে ফিরে

যখন রাগিনী জাগে মধুর নীড়ে৷৷

নেতাজী সম্পর্কে কিছু জানার বিষয়

(১)  নেতাজী সুভাষচন্দ্রের জন্ম কবে ও কোথায়?

উত্তর ঃ ১৮৯৭ খ্রীষ্টাব্দের ২৩শে জানুয়ারী, কটকে,

(২)  নেতাজীর পিতা ও মাতার নাম কী?

উত্তর ঃ পিতা---জানকীনাথ বসু,   

        মাতা---প্রভাবতী দেবী,

(৩)  তিনি কার কাছে দেশসেবার ব্রতে দীক্ষা লাভ করেন?

উত্তর ঃ দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের কাছে,

(৪)  তিনি কবে কলকাতা কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন?

উত্তর ঃ ১৯২৪ খ্রীষ্টাব্দের ১৪ই এপ্রিল

(৫)  তিনি কবে ছদ্মবেশে দেশত্যাগ করেন?

উত্তরঃ ১৯৪১খ্রীষ্টাব্দের জানুয়ারীতে,

দুঃখের আঁধার পেরিয়ে

কনিকা দেবনাথ

সালটা ১৮৮৩, পোল্যাণ্ডের একটি দরিদ্র পরিবার৷ বাড়ীর সকলেই আনন্দে আত্মহারা৷ বাড়ীর সবচেয়ে ছোট্ট মেয়েটি স্কুল ফাইনাল পরীক্ষায় সর্বাধিক নম্বর পেয়ে পাশ করেছে৷ বাড়ীতে আদরের নাম  মানিয়া, স্কুলের খাতায় নাম মারিয়া স্ক্লোভোভস্কি৷ চার বোন ও এক ভাই, মানিয়াই সবার ছোট৷ আনন্দের মাঝে বিষাদ--- এই আনন্দ ভাগ নেবার জন্যে মা আজ আর এই পৃথিবীতে নেই৷ মা ছিলেন গার্লস স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা৷ বাবা একটি স্কুলের দরজি শিক্ষক৷ যা বেতন তাতে সংসার চলে না৷ একমাত্র ছেলে ডাক্তারী পাশ করে বসে আছে৷ অর্থের অভাবে ডাক্তারখানা খোলা হচ্ছে না৷ কি করবে মানিয়া৷ মেজদি ব্রোনিয়ার সঙ্গে শলা-পরামর্শ হতো, সেও প্যারিস চলে গেছে৷

প্রাউটের স্বয়ংসম্পূর্ণ সামাজিক-অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার পরিকল্পনা

সত্যসন্ধ দেব

প্রাউটের মতে কোন বড় দেশের সমগ্র এলাকার সুষ্ঠু অর্থনৈতিক পরিকল্পনার জন্যে প্রাথমিক পর্যায়ে ওই দেশকে প্রয়োজনে একাধিক সামাজিক–অর্থনৈতিক অঞ্চলে  (socio-economic unit) বিভক্ত করা উচিত ও প্রতিটি অঞ্চলের জনগোষ্ঠীকে তাদের নিজ নিজ এলাকার সার্বিক উন্নয়নের জন্যে পৃথক পৃথক ভাবে অর্থনৈতিক পরিকল্পনা গ্রহণের সুযোগ প্রদান করা বাঞ্ছনীয়৷ যে সমস্ত বিষয়গুলির ভিত্তিতে এই বিভাজন করা হবে তা হ’ল,

১. একই ধরণের অর্থনৈতিক সম্পদ ও সমস্যা৷ তার সঙ্গে সঙ্গে অবশ্যই স্বয়ংসম্পূর্ণ অর্থনৈতিক অঞ্চল হওয়ার সম্ভাবনা (potentiality)।

সদ্বিপ্রের নেতৃত্ব

সংকলন ঃ জ্যোতিবিকাশ সিন্হা

(প্রাউট প্রবক্তা মহান দার্শনিক শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকারের রচনা সম্ভার থেকে সংগৃহীত)

প্রতিটি চলমান সত্ত্বাকে নির্দ্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছে দেওয়ার জন্যে প্রয়োজন সার্থক নেতৃত্ব৷ গন্তব্যে পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে নৌকার জন্যে একজন কাণ্ডারী, ট্রেন-বাসের জন্যে ড্রাইভার যেমন প্রয়োজন, ঠিক তেমনই মানব সমাজের প্রগতির জন্যেও প্রয়োজন প্রকৃত নেতৃত্বের যাঁরা সমগ্র সমাজকে নির্ভুল দিশায় এগিয়ে নিয়ে যাবেন৷ সমাজ সম্পর্কে আলোচনায় প্রাউট প্রবক্তা মহান দার্শনিক শ্রদ্ধেয় শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকার বলেছেন---