সংবাদ দর্পণ

বিপন্ন মানুষের পাশে আনন্দমার্গ প্রচারক সঙ্ঘ

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

বিশ্বব্যাপী করোণা ভাইরাসের আক্রমণ ও সারা ভারতে লকডাউনে বিপন্ন মানুষের পাশে আনন্দমার্গ প্রচারক সঙ্ঘ সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। কয়েকটি নিদর্শন ছবি সহকারে দেওয়া হলো।

Relief Kakinara
উঃ ২৪ পরগণা জেলার  কাঁকিনাড়া রেল ষ্টশনে

 

Rrlief Krsnagar 1
নদীয়া জেলার গাংনাপুর থানার ৫ টি গ্রামে রিলীফ বিতরণ হয়
Relief Kandi
মুর্শিদাবাদ জেলার কান্দিতে রান্না করা খাবার বিতরণ
Relief Ananda Nagar 1
আনন্দ নগরের পুন্দাগে ২৮শে মার্চ থেকে রোজ রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়

 

পরলোকে আচার্য হরাত্মানন্দজী

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

Dada Haratmananda

গত ৯ই মে, কোলকাতায় সন্ধ্যা ৫টায় আনন্দমার্গের প্রবীণ সন্নাসী আচার্য হরাত্মানন্দ অবধূত হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে পরলোক গমন করেন৷ তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে সারা বিশ্বের আনন্দমার্গী মহলে শোকের ছায়া নেমে আসে৷ তিনি দীর্ঘদিন উত্তর অ্যামেরিকা ও দক্ষিণ আমেরিকা সহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে আনন্দমার্গের আধ্যাত্মিক আর্দশ ও প্রাউটের প্রচার করেছেন৷ মার্গের কেন্দ্রিয় ধর্মপ্রচার সচিব, কার্যালয় সচিব ও গুরুকূল সচিব হিসেবেও দীর্ঘদিন কাজ করেছেন৷ তিনি অনেক নাটক, গীতিনাট্য প্রভৃতিও রচনা  করেছেন ও মঞ্চস্থ করেছেন৷ তাঁর উদ্যোগে ও সুদক্ষ পরিচালনায় পুরুলিয়ায় রাঢ় সংস্কৃতির ওপর বিভিন্ন ট্যাবলো সহযোগে অভূতপূর্ব শোভাযাত্রা, শিলিগুড়িতেও বরেন্দ্র সংস্কৃতির ওপর বিভিন্ন ট্যাবলো নিয়ে তাঁর অভূতপূর্ব শোভাযাত্রা এলাকার মানুষজন ও আনন্দমার্গীদের মনে বিশেষ ভাবে দাগ কেটে রয়েছে ৷ তিনি দেশে-বিদেশে বিভিন্ন বুদ্ধিজীবি মহলে আনন্দমার্গ দর্শনকে পৌঁছে দেওয়ার জন্যে বিশেষ ভাবে সচেষ্ট ছিলেন ৷

গত ১২ই মে কলকাতায় আনন্দমার্গের জাগৃতি ভবনে আনন্দমার্গের বহু সন্ন্যাসী, সন্নাসিনী ও অনুগামীরা মিলিত হয়ে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন৷ শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রভাতসঙ্গীত, কীর্ত্তন ও সাধনার পর সবাই তাঁর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন ৷ পরে দেশ-বিদেশে তাঁর প্রচার, তাঁর অবিস্মরণীয় প্রতিভা, কর্মনিষ্ঠা তথা অবদানের ওপর বক্তব্য রাখেন আচার্য সুতীর্থানন্দ অবধূত, আচার্য ভবেশানন্দ অবধূত, আচার্য সর্বাত্মানন্দ অবধূত, আচার্য তন্ময়ানন্দ অবধূত, আচার্য প্রিয়কৃষ্ণানন্দ অবধূত, অবধূতিকা আনন্দকরুণা আচার্যা, আচার্য রবীশানন্দ অবধূত, আচার্য চিতিবোধানন্দ অবধূত প্রমুখ৷ ইয়ূরোপ, অমেরিকা ও পৃথিবীর নানান দেশ থেকে আচার্য প্রবুদ্ধানন্দ অবধূত ও আরো অনেকে শোক বার্তা পাঠিয়েছিলেন৷ আচার্য চিতিবোধানন্দ অবধূত সেই সব পাঠ করে শোণান ৷ সবশেষে আচার্য প্রিয়শিবানন্দ অবধূত প্রভাত সঙ্গীত পরিবেশন করে হরাত্মান্দজীর অমর আত্মার উদ্দেশে শ্রদ্ধা জ্ঞপন করেন ৷

নদীয়া জেলার আনন্দমার্গ ইউনিভার্সাল রিলিফ টীমের ত্রাণকার্য

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

নদীয়া জেলা আনন্দ মার্গ ইউনিবার্সাল রিলিফ টীমের পক্ষ থেকে লকডাউনের  কারনে নদীয়া জেলার অন্তর্গত গাংনাপুর থানার পাঁচটি গ্রামের পাঁচ শতাধিক দুস্থ পরিবারের মধ্যে  ২৮শে এপ্রিল থেকে ৩রা মে ২০২০ পর্যন্ত শুকনা খাবার সাবান প্রভৃতি বিতরন করা হয়।গ্রামগুলি হল' - বালিয়াডাঙ্গা, মন্ডল পুকুরিয়া, চিনাপুকুরিয়া খরেরমাঠ, এরলি তে দুটিগ্রাম । এই ত্রাণ সামগ্রী বিতরনে নেতৃত্ব দিয়েছেন  নদিয়া জেলার আনন্দমার্গ ইউনিভার্সাল রিলিফ টীমের সদস্য সদস্যা দেবকুমার মন্ডল, হাসিদাস মন্ডল, ওস্থানীয় আশা কর্মী শিপ্রা বৈদ্য। হাসিদাস মন্ডল আর্থিক সহায়তা করেছেন, শিপ্রাবৈদ্য ত্রাণকার্যের জন্যে প্রয়োজনীয় সাবান সরবরাহ করেছেন। নদিয়াজেলা ভুক্তিকমিটির পক্ষ থেকে ও ভুক্তিপ্রধান সর্বশ্রী অনিল বিশ্বাস,মনোরঞ্জন বিশ্বাস,আনন্দ মন্ডল, গোরাচাঁদ দত্ত, বৃন্দাবন বিশ্বাস প্রমুখের যথেষ্ট সহযোগিতায় এই ত্রানকার্য সম্পন্ন হয়।

লকডাউনে বিপন্ন মানুষের পাশে আনন্দমার্গ প্রচারক সঙ্ঘ

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

বিশ্বব্যাপী করোণা ভাইরাসের আক্রমণ ও সারা ভারতে লকডাউনে বিপন্ন মানুষের পাশে আনন্দমার্গ প্রচারক সঙ্ঘ সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। কয়েকটি নিদর্শন ছবি সহকারে দেওয়া হলো।

 

রীলিফ দার্জিলীং ১
আনন্দমার্গের সেবাকার্য — দার্জিলিং
রীলিফ গুয়াহাটি ১
আনন্দমার্গের সেবাকার্য — গুয়াহাটী, আসাম

 

 

 

 

 

 

 

 

 

রীলিফ বারাসাত ১
আনন্দমার্গের সেবাকার্য — বারাসাত, উত্তর ২৪ পরগণা
রীলিফ আনন্দ নগর ১
আনন্দমার্গের সেবাকার্য — আনন্দ নগর
রীলিফ তেজপুর ১
আনন্দমার্গের সেবাকার্য — তেজপুর, আসাম
রীলিফ কলকাতা ১
আনন্দমার্গের সেবাকার্য — ভি.আই.পি. নগর, কলকাতা
রীলিফ বিহার ১
আনন্দমার্গের সেবাকার্য — মধু মগহী, বিহার
রীলিফ হাওড়া ১
আনন্দমার্গের সেবাকার্য — হাওড়া

লকডাউনে আমরা বাঙালীর সেবা কার্য

৫ই মে, কাঁকিনাড়া, উত্তর ২৪ পরগণাঃ লক ডাউনে আটকে সমাজের দুঃস্থ মানুষেরা আজ বিপন্ন। আমরা বাঙালীর পক্ষ গত এপ্রিল মাস থেকে কাঁকিনাড়া জগদ্দল স্টেশনের দুঃস্থ, ভবঘুড়ে ও কর্মহীন শ্রমিকদের রান্নাকরা খাদ্য বিতরণ হচ্ছে।
এর আগে ক্রমান্বয়ে এপ্রিল মাসের ১লা , ৩রা , ৫ই,  ৭ই, ৯ই, ১১ই, ১৩ই, ১৫ই, ১৭ই, ১৯শে, ২১শে, ২৩শে, ২৫শে, ২৭শে, ২৯শে ও মে মাসের ১লা, ৩রা ও আজ ৫ তারিখে রান্নাকরা খাদ্য বিতরণ  হয়েছে। লকডাউনের সময় সীমা আপাততঃ ২১শে মে পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে। আমরা বাঙালীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে এই সেবা কার্যও ২১শে মে পর্যন্ত চলবে ।

রীলিফ আমরা বাঙ্গালী ১

রীলিফ আমরা বাঙ্গালী ২

রীলিফ আমরা বাঙ্গালী ৩

রীলিফ আমরা বাঙ্গালী ৪

রীলিফ আমরা বাঙ্গালী ৫

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

মার্গগুরু শ্রীশ্রী আনন্দমূর্তিজীর ১০০ তম শুভ জন্মতিথি উৎসব

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

আগামী কাল ৭ই মে, আনন্দপূর্ণিমা (বৈশাখীপূর্ণিমা) তিথিতে আনন্দমার্গের প্রতিষ্ঠাতা শ্রী শ্রীআনন্দমূর্তিজীর শুভ শততম আবির্ভাব দিবস পালিত হবে। এবার কভিড-১৯ এর পরিপ্রেক্ষিতে লকডাউনের জন্যে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে কীভাবে এই দিনটিকে পালন করবেন মার্গের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হচ্ছে :

স্থানীয় জাগৃতিতে জড়ো হয়ে গুরুদেবের জন্মোৎসব পালন করুন। অবশ্য পালনীয় নির্দেশিকা--   (১) কোথাও বড় জমায়েত করবেন না।(২) স্থানীয় ইউনিটের মার্গী ভাইবোনদের নিয়ে স্থানীয়ভাবেই জন্মোৎসব পালন করুন। (৩) কীর্তন ও মিলিত সাধনার সময় দুরত্ব বজায় রাখুন। (৪) বর্তমান পরিস্থিতির জন্যে যারা জাগৃতি বা অন্য কোন জায়গায় সকলের সঙ্গে যোগ দিতে পারছেন না, তারা নিজগৃহে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে জন্মোৎসব পালন করুন। (৫) জন্মোৎসব পালনের   *পরমারাধ্য বাবার জন্মলগ্ন আগামীকাল অর্থাৎ ৭ই মে সকাল ৬টা ৭ মিনিটে। (১) আপনারা অবশ্যই চেষ্টা করুন পাঞ্চজন্য থেকে শুরু করে, কীর্তন ৬টা ৭মিনিট পর্যন্ত করে ৬টা ৭মিনিটে জয়ধ্বনি, উলুধ্বনি ও শঙ্খধ্বনির মাধ্যমে জন্মলগ্ন ঘোষণা করুন ও জয়ধ্বনি শেষ হতেই  জন্মদিনের প্রভাত সঙ্গীত ও তৎসঙ্গে অন্যান্য প্রভাত সঙ্গীত করে কিছুক্ষণ কীর্তন ও মিলিত সাধনা করুন। সাধনার পর বাবার বাণী পাঠ করুন। তারপর বাণীর সারমর্ম ব্যাখ্যা করুন ও প্রসাদ বিতরণ ও গ্রহণ করুন।

 

লকডাউনের বিধি নিষেধ মেনে বীজন সেতুতে দধীচি দিবস পালন

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

৩০ শে এপ্রিল নিজস্বপ্রতিনিধিঃ     আনন্দমার্গ প্রচারক সংঘের কেন্দ্রীয় কমিটির জনসংযোগ সচিব আচার্য তন্ময়ানন্দ অবধুত জানান করোণা পরিস্থিতি ও লকডাউনের  কারণেএবছরবিজন সেতুতে জনসমাগম করা সম্ভব হয়নি তবে লকডাউন এর বিধি নিষেধ মেনে তাঁরা পাঁচজন বিজন সেতুতে গিয়ে অমর দধীচিদের শ্রদ্ধা জানিয়ে আসেন।

১৯৮২ সালের ৩০শে এপ্রিল তৎকালীন পশ্চিমবঙ্গের শাসক সিপিএমের ঘাতক বাহিনীর হাতে বীজন সেতু ও বন্ডেল গেটে নৃশংসভাবে খুন হয়েছিলেন আনন্দমার্গের ১৭ জন সন্ন্যাসী সন্ন্যাসিনী। সেই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিচার আজও হয়নি।

     আনন্দমার্গ প্রচারক সংঘের পক্ষ থেকে প্রতি বছর এই দিন প্রকৃত অপরাধীদের বিচারের দাবিতে ও মানব কল্যাণে নিবেদিত প্রাণ সপ্তদশ দধীচির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বিজন সেতুতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। করোণা সংক্রান্ত পরিস্থিতি ও লকডাউনের কারণে এবছর বীজন সেতুতে জনসমাগম করা সম্ভব নয়। তাই এই দিন সকাল ৯ টায় আনন্দমার্গ প্রচারক সংঘের কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে লকডাউনের বিধি নিষেধ মেনে বীজন সেতুতে  উপস্থিত হয়ে সপ্তদশ দধীচির প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করে শ্রদ্ধা জানান। উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় জনসংযোগ সচিব আচার্য তন্ময়ানন্দ অবধূত, আচার্য ভবেশানন্দ অবধুত, আচার্য সুতীর্থানন্দ অবধূত, আচার্য দিব্যচেতনানন্দ অবধূত ও অবধুতিকা আনন্দ করুণা আচার্যা ।    এদিন সকাল দশটায় ভিআইপি নগর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের জাগৃতি ভবনে কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অন্যান্য সন্ন্যাসী ও সকল কর্মীবৃন্দ মিলিত হয়ে সপ্তদশ দধীচির প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। প্রভাত সঙ্গীত,কীর্ত্তন ও মিলিত সাধনার পর শ্রদ্ধাজ্ঞাপন অনুষ্ঠান শুরু হয়। দধীচিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বক্তব্য রাখেন আচার্য রবিশানন্দ অবধূত, আচার্য তন্ময়ানন্দ অবধূত, আচার্য অভিব্রতানন্দ অবধূত, আচার্য প্রসূনানন্দ অবধূত প্রমূখ। কবিতা পাঠ করে শোনান আচার্য সত্যশিবানন্দ অবধূত। দধীচিদের উদ্দেশ্যে নিবেদিত স্বরচিত সংগীত পরিবেশন করেন আচার্য নিত্যসত্যানন্দ অবধূত।

বিশেষ ঘোষণা

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

পৃথিবীব্যপী করোণা বাইরাস আক্রমণে মহামারীতে সকলকে গৃহবন্দী অবস্থায় থাকতে হচ্ছে। দোকান-পাট, জান-বাহন সবই একপ্রকার বন্ধ। এমতাবস্থায় গত একমাসাধিক কাল সাপ্তাহিক নোতুন পৃথিবী পত্রিকা প্রকাশ করা যাচ্ছে না। পাঠকদের এই অসুবিধা হওয়ায় আমরা আন্তরিক ক্ষমা প্রর্থনা করি। ২০২০ সালের ৭ই মে থেকে যতদিন  না নোতুন পৃথিবীর ছাপানো সংস্করণ প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছে ততদিন পর্যন্ত নোতুন পৃথিবীর বৈদ্যুতিন  সংখ্যা প্রকাশিত হবে।

 

 

মার্গীয় বিধিতে শ্রাদ্ধানুষ্ঠান

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

চুঁচুড়া নিবাসী বিশিষ্ট আনন্দমার্গী শ্রীমতী চন্দনা সেনের পিতা শ্রী শৈলেন্দ্র সাহা গত ১২ই মার্চ পরলোকগমন করেন৷ গত ১৬ই মার্চ দ্বিপ্রহরে শ্রীমতী সেন তাঁর পিতার শ্রাদ্ধানুষ্ঠান মার্গীয় বিধিতে করেন৷ অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত৷

রাজ্য সভায় প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি: সমালোচনার ঝড়

সংবাদদাতা
পি.এন.এ .
সময়

মাত্র কয়েক মাস আগে অবসর নিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ৷  প্রধান বিচারপতি থাকাকালীন তিনি বলেছিলেন ---অবসরের পর সরকারি পদের নিয়োগ বিচারবিভাগের স্বাধীনতার গায়ে এক ক্ষত৷ রাষ্ট্রপতি মনোনীত রাজ্যসভার সদস্য হয়ে তিনি নিজেই সেই ক্ষত সৃষ্টি করলেন৷

এরফলে প্রধান বিচারপতি থাকাকালীন শ্রী গগৈয়ের  নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ণ উঠল৷ বিরোধী শিবিরের আইনজীবীদের মতে, গণতন্ত্রের অন্যতম স্তম্ভ বিচার বিভাগের স্বাধীনতার কফিনে শেষ পেরেকটি  পঁুতে দিল মোদি সরকার৷

রামমন্দির মামলা, এন.আর.সি ও রাফাল-কেসের রায় গগৈ-এর আমলেই বেরিয়েছে৷ প্রতিটি রায় কেন্দ্রীয় শাসকদলের পক্ষেই গেছে৷ স্বাভাবিকভাবে বিরোধীেেদর দিক থেকে অভিযোগ উঠছে রাফাল কেসে মোদিকে ক্লিন চিট দেওয়ার পুরস্কার পেলেন রঞ্জন গগৈ৷

সুপ্রিমকোর্ট বার এসোসিয়েশনের সভাপতি দুষ্মন্ত দাভের বলেন--- ‘‘খুবই নক্কারজনক কাজ৷ সরকারকে সুবিধা দেওয়ার পুরস্কার পেল রঞ্জন গগৈ৷ বিচারবিভাগের স্বাধীনতার যেটুকু আবরণ ছিল তাও নগ্ণ হয়ে পড়ল৷ দিল্লীর দাঙ্গার পরিপ্রেক্ষিতে এস.মুরলীধরের রায় বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে যাওয়ায় রাতারাতি বদলী  করা হয়েছিল মুরলীধরকে৷ এবার রাফাল-কেসে, রামমন্দির মামলার রায়, কেন্দ্রীয় শাসকদলের পক্ষে যাওয়ার পরে অবসর নেওয়ার কয়েকমাসের মধ্যেই রঞ্জন গগৈকে রাজ্যসভায় মনোনীত করে  বিজেপি তার গণতন্ত্রের স্বরূপ চিনিয়ে দিল৷ এর আগে অমিত শাহের বিরুদ্ধে ভুয়ো সংঘর্ষের মামলার এফ.আই.আর  খারিজ করে দিয়েছিলেন প্রধান বিচারপতি পি.সদাশিবম্৷ তিনিও অবসর নেওয়ার পর কেরলের রাজ্যপাল নিয়োজিত হন৷

চুঁচুড়ায় সেমিনার

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

গত ১৫ই মার্চ হুগলী জেলার চুঁচুড়া ডিটের সেমিনার অনুষ্ঠিত হয় চুঁচুড়া আনন্দমার্গ স্কুলে৷ চুঁচুড়া ডিটের বিভিন্ন ব্লক থেকে ৬০ জন মার্গী ভাই-বোন এই সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন৷ প্রভাতসঙ্গীত, কীর্ত্তন ও মিলিত সাধনার পর আলোচনা সভা শুরু হয়৷ সভায় আনন্দমার্গ দর্শনের বিভিন্ন বিষয়ের ওপর আলোচনা করেন শ্রী প্রভাত খাঁ ও শ্রী জ্যোতিবিকাশ সিন্হা৷