সংবাদ দর্পণ

৭ই জুলাই ১৯৩১--- ফাঁসির ঠিক আগে প্রতুষ্যে দীনেশ তাঁর বৌদিকে শেষ চিঠি লিখলেন

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

বৌদি,

               এইমাত্র তোমার চিঠিখানা পাইলাম৷ আমার জীবন কাহিনী জানাইবার সুযোগ আর হইল না৷ কি-ই বা জানাইব বল তো? আমার সকল কথাই তো তোমাদের বুকে চিরকাল আঁকা থাকিবে তুচ্ছ কালির আঁচর  কি তাহাকে আরও উজ্জ্বল করিয়া তুলিতে পারিবে? আমার যত অপরাধ ক্ষমা করিবে এ জন্মের মতো বিদায়! ভালোবাসা ও প্রণাম জানিবে---

চিঠিটা শ্বেতাঙ্গ সাজেন্টের হাতে তুলে দিয়ে দীনেশ ধীর বলিষ্ট পদক্ষেপে এগিয়ে চলল ফাঁসির মঞ্চের দিকে৷

ভারতীয় রেল ১০৯টি রুটে প্যাসেঞ্জার ট্রেন বেসরকারী করণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

গত ২রা জুলাই এই সিদ্ধান্ত রেলমন্ত্রক নিয়েছে৷ রেলের সার্বিক উন্নয়নে৷ গতি বৃদ্ধি হবে ও প্রায় ১৪০ মাইল বেগে রেলগাড়ি চলবে৷ এর উন্নয়নে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা  বিনিয়োগ করা হবে৷ এতে বিরোধী দলগুলি তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে৷ লোকসভা বন্ধ , সরকার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে৷ এখন প্রশ্ণ বেসরকারী করণে নিশ্চয় ধনী গোষ্ঠী এর মালিক হবে৷ তা হলে গরীব দেশের জনগণের উপর আর্থিক কোটা নিশ্চয়ই বেশি পড়বে৷ টিকিটের দাম অবশ্যই  আকাশ ছোঁয়া হবে৷ যেটি তাঁদের নাগালের বাহিরে যাবে৷

ভারতের গণতন্ত্রকে সার্থক করতে হলে সমবায় পদ্ধতিকে অগ্রাধিকার দিতে হবে৷ তাছাড়া বেসরকারী করণে যে হাল সেটাকে তো দেখা যাচ্ছে অনেক ক্ষেত্রেই৷ বিদ্যুৎ ব্যাপারে ইউনিটের দাম আকাশ ছোঁয়া৷ সরকার কি সবকিছুর দায়িত্ব এড়িয়ে চলতে চাইছে?

তাছাড়া প্যাসেঞ্জার ট্রেনকে প্রতিটি রাজ্যের নিয়ন্ত্রণে রাখলে কি ভালো হয় না? সেখানেও জনসেবায় জনগণ উৎসাহিত হবে৷ কারণ সেবামূলক বিষয়গুলিতে সমবায়কে উৎসাহিত করাটাই গণতন্ত্রের পক্ষে কল্যাণকর৷ সমতলের নরম মাটিতে ১৪০ কিমি ঘন্টায় ট্রেনের গতিবেগটা ক্ষতিকারক হয়ে দাঁড়াবে৷

ভারতের মতো গরীব জনবহুল দেশে সরকার যাই করুন সেটা যেন কল্যাণকর হয়৷ দেখা যাচ্ছে কেন্দ্রের সরকার যাতে হাত দিচ্ছে সেটাই যেন চরম সংকটের কারণ হয়েই দাঁড়াচ্ছে৷ এই সরকার নতুন কিছু করতে  মনে হয় যেন খুব আগ্রহী  কারণ এঁদের রাজত্ব হলো আসল স্বর্ণযুগ! এদিকে অর্থ ভাণ্ডার তো ভাঁড়ে মা ভবানী৷ টাকা আসবে কোথা থেকে? বেসরকারী করণে প্যাসেঞ্জার ট্রেন এ কেমন পরিকল্পনা! এ কেমন জন দরদী সরকার!

চীনা দূতাবাসের সামনে ‘আমরা বাঙালী’র বিক্ষোভ

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

৩রা জুলাই  ‘আমরা বাঙালী’ সংঘটনের পক্ষ থেকে চীনা দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন ও প্রতিবাদ সভা করে, সম্প্রতি লাদাখ সীমানা চীনা কম্যুনিষ্ট সরকারের আগ্রাসন ও ২০জন ভারতীয় জোয়ানকে হত্যার প্রতিবাদে ‘আমরা বাঙালী বিক্ষোভ দেখায়৷ নিহত ২০ সেনার দুজন পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা৷

লক্ডাউনের বিধি নিষেধ থাকায় কোন বড় জমায়েত ‘আমরা বাঙালী’ করেনি৷ বেলা ১টা নাগাদ ‘আমরা বাঙালী’ কেন্দ্রীয় সচিব বকুলচন্দ্র রায় ১৫জন সদস্যসহ চীনা দূতাবাসের  সামনে উপস্থিত  হন৷ সেখানে চীনা দ্রব্য পুড়িয়ে  চীনা বিরোধী বিক্ষোভ প্রদর্শনের  পর প্রতিবাদ সভা শুরু হয়৷ বকুল রায় সহ বিভিন্ন বক্তা লাদাখ সীমান্তে আগ্রাসন ও ভারতীয় সৈন্যদের হত্যার তীব্র প্রতিবাদ করে বক্তব্য  রাখেন৷ সকলেই চীনা দ্রব্য বয়কটের ডাক দেন৷

মেঘালয় আক্রান্ত ছয় বাঙালী যুবক উত্তরপূর্বাঞ্চল স্তব্ধ করে দেবার হুমকি বাঙালী ছাত্র যুব সমাজের

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

মেঘালয়ে বাঙালী নির্যাতন প্রতিদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে, গত ৩রা জুলাই শিলং শহরের লউসুথুনে দুপুর ১২টা নাগাদ, ছয় জন বাঙালী যুবক স্থানীয় বাস্কেটবল কোর্টে খেলছিলেন অকস্মাৎ একদল উন্মত্ত খাসিয়া যুবক ধারালো অস্ত্র লোহার বড় প্রভৃতি নিয়ে তাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে৷ জখম অবস্থায় ওই ছয়জনকে হাসপাতালে ভর্ত্তি করা হয়৷ ওই ছয় যুবক অরিন্দমদেব (২২), সুভর্ষি দাস পুরকায়স্থ (২০) ও সপ্তর্ষি দাসপুরকায়স্থ (২২) পিনাকীদেব (২৩) পৃথ্বীশদেব (২২) বিশাল ঘোষ (২৪)৷

১৯৭২ সালে মেঘালয়ে রাজ্য ঘটিত  হবার পর  থেকেই মেঘালয়ে বাঙালী নির্যাতন চলে আসছে, সম্প্রতি তা ভয়ঙ্কর রূপধারন করেছে৷ গত মার্চ মাসে একটি ছাত্র সংঘটন মেঘালয়ে বাঙালীর রক্তে ভাসিয়ে দেবার হুমকি দেয়৷

বাঙালী ছাত্র-যুবসমাজ ঘটনায় প্রচণ্ড ক্ষুদ্ধ৷ তারা হুমকি দিয়ে বলে অবিলম্বে মেঘালয়সহ উত্তর পূর্বাঞ্চলে বাঙালী নির্যাতন বন্ধ না হয়ে উত্তর পূর্বাঞ্চলকে স্তব্ধ করে দেওয়া হবে৷ ছাত্রযুবসমাজের  এক নেতা বলেন আমরা কোন জাতি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে নয়৷ কিন্তু বাঙালীর উপর অত্যাচার আমরা সহ্য করবো না৷

আমরা বাঙালীর কেন্দ্রীয় সচিব বকুলচন্দ্র রায় মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে  দাবী জানায় অবিলম্বে অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে উপযুক্ত শাস্তি দিতে হবে  ও মেঘালয়ে বাঙালী নির্যাতন বন্ধ করতে হবে৷ মুখ্যমন্ত্রী ঘটনার নিন্দা করে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবার আশ্বাস দেন৷

বাঙলায় বেকারত্ত্বের হার কম

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

গত ৩রা জুলাই সেন্টার ফর মনিটারিং ইন্ডিয়ান ইকোনমি (সি এম আইই) দেশের  বেকারত্ব হারের একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে৷ সেই প্রতিবেদনে দেখা যাচ্ছে দেশের বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির তুলনায় পশ্চিমবঙ্গে  বেকারত্বের হার অনেক কম৷ বর্তমানে সারা দেশে বেকারত্বের হার যেখানে ১১ শতাংশ সেখানে পশ্চিম বাঙলায় বেকারত্বের হার ৬.৫ শতাংশ৷ সিএম আই-ইর প্রতিবেদন অনুযায়ী গত মে মাসে বাঙলায় বেকারত্বের হার ছিল ১৭.৪১ শতাংশ, একমাসে প্রায় ১১ শতাংশ কমে তা দাঁড়িয়েছে ৬.৫ শতাংশে৷ বিজেপি শাসিত রাজ্য উত্তর প্রদেশে  বেকারত্বের  হার ৯.৬ শতাংশ, ত্রিপুরায় ২১.৩ শতাংশ, উত্তরাখণ্ডে ৮.৭ শতাংশ, কর্ণাটকে ৯.২ শতাংশ, মধ্যপ্রদেশে ৮.২ শতাংশ৷ দক্ষিণের রাজ্যগুলি থেকেও বাঙলায় বেকারত্বের হার কম৷ তামিলনাড়ুতে বেকারত্বের হার ১৩.৫ শতাংশ৷ বিজেপি জোটের  শাসনে থাকা বিহারে ১৩.৫ শতাংশ , তবে বেকারত্বের হার সব থেকে বেশী বিজেপি শাসিত হরিয়ানায়---৩৩.৬শতাংশ৷

রাজ্য সরকারের অর্থদপ্তর সূত্রে জানা গেছে লক্ডাউনের মাঝেও রাজ্যসরকারের কিছু বাস্তবমুখী পরিকল্পনা ও কর্মসূচির ফল এটা৷

করোনার থাবা  - দেশের ৬টি শহরের বিমান যোগাযোগ বন্ধ

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

ভিন্রাজ্য থেকে করোনা বহে আনা বন্ধ করতে আগামী ১৯শে জুলাই পর্যন্ত  সংক্রমন প্রভাবিত ৬টি শহরের সঙ্গে কলিকাতার বিমান যোগাযোগ বন্ধ থাকছে৷ এই শহরগুলি হল পুনে, মুম্বাই নাগপুর, দিল্লী, চেন্নাই  আমেদাবাদ কলিকাতা বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায় রাজ্যসরকারের দাবী মেনে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে

কলকাতা নেপাল ভবনে ‘আমরা বাঙালী’র স্মারকলিপি পেশ

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

কলকাতা ঃ গত ৩রা জুলাই কলকাতার নেপাল ভবনে ‘আমরা বাঙালী’র কেন্দ্রীয় সচিব শ্রী বকুলচন্দ্র রায়ের নেতৃত্বে নেপাল সরকারের ভারত বিরোধী কার্য্যের প্রতিবাদে স্মারকলিপি পেশ করা হয়৷ তাঁর সঙ্গে ছিলেন দলের কয়েকজন কর্মী ও নেতা৷ কিছু তরুণ কলেজের ছাত্র ও ছাত্রা ছিলেন৷ রাজ্য সরকারের পুলিশ বাহিনী তাঁদের গ্রেফ্তার করে করে লালবাজারে নিয়ে যান  ও কয়েকঘন্টার পর মুক্তি দেন৷

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য নেপালের নতুন মানচিত্রে ভারতের গুরুত্ব পূর্ণস্থান অন্তর্ভুক্ত করে নেপালের পার্র্লমেন্টে পাশ করিয়ে নিয়েছেন৷ তাছাড়া নেপালের  পরমবন্ধু  ভারতের সীমানায় অবস্থিত যে সব পোষ্ট স্থায়ীভাবে পোঁতা ছিল সেগুলির কয়েক শ উপড়ে দিয়ে নিজেদের সীমানা বাড়িয়ে ভারতে নতুন  সীমানা চিহ্ণিতকরন করেছে৷ ভারতের কোন প্রতিবাদ গ্রাহ্য করেনি ওলি সরকার৷ নেপালে ওলি সরকারের বিরুদ্ধে বিরোধী দলগুলি ওলির ইস্তফা জোরদার করেছে৷ স্থগিত হয়ে গেছে নেপালের পার্র্লমেন্টের অধিবেশন৷

লক্ডাউনের মধ্যে আমরা বাঙালীর নেপাল ভবনে প্রতিবাদে  বাঙলার জনগণ খুবই অনুপ্রাণিত৷ সকলের জানা আছে, যে সীমান্তে অবস্থিত পশ্চিমবাঙলার উত্তরে দার্জির্লিং জেলায়  বহু বছর ধরে নেপালী চীনপন্থীরা যে পৃথক এলাকা গড়ার ষড়যন্ত্র করে আসছে  আমরা বাঙালী দল দীর্ঘ ধরে শুধু প্রতিবাদ নয়, মহামান্য আদালতে একাধিক মামলা রুজু করেছে৷ বাম আমলে দার্জিলিং এতে যে আন্দোলন বিদেশী গোর্খাদের রাজনৈতিক  স্বীকৃতি দান করা হয় গোর্খা নেতা সুবাস ঘিসিংকে৷ তার তীব্র প্রতিবাদ করেছিল একমাত্র ‘আমরা বাঙালী’ দলের নেতারাই ও কলকাতার উচ্চ আদালতে মামলাও করে৷ তৎকালীন রাজ্য ও কেন্দ্র  সরকারের দুর্বল নীতিই আজ ভারতে বুমেরাং হয়ে দাঁড়িয়েছে৷

বেলাগাম সংক্রমণ রুখতে বিশেষ বিশেষ অঞ্চলে কঠোর লক্ডাউন

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

সংক্রমণ থামছে না, বরং দিন দিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে৷ জনগণের বেপরোয়া চাল -চলন ও সচেতনতার অভাব সংক্রমন বৃদ্ধির অন্যতম কারন৷ সংক্রমণ প্রভাবিত অঞ্চল এবার মানুষের চলা-ফেরায় কঠোর বিধিনিষেধে বাঁধছে রাজ্য সরকার৷

এই বিধি-নিষেধ আপাতত ৯ই জুলাই থেকে ৭দিনের জন্যে৷ ৭দিন পর পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে৷ সব থেকে বেশী সংক্রমন প্রভাবিত কলিকাতা, উত্তর ২৪ পরগণা, হাওড়ার কন্টেনমেন্ট জোনের  কিছু কিছু নিয়ে এক-একটি অঞ্চল করে লক্ ডাউনের জন্যে চিহ্ণিত করা হয়েছে৷ কলকাতার ৩৩ টি কন্টেনমেন্ট জোনকে বর্ধিত করে ২৫টি করা হয়েছে৷ একইভাবে উত্তর ২৪ পরগণার ২১৯ টিকে ৯৫টিও হাওড়ার ১২১টিকে ৫৬ টি জোন করে লক্ডাউনের আওতায় আনা হবে৷

এদিন মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন সার্বিকভাবে রাজ্যে লক্ডাউন করার পরিকল্পনা সরকারের নেই৷ তবে সংক্রমন রুখতে রোগাক্রান্ত অঞ্চলগুলি চিহ্ণিত করে কঠোর বিধিনিষেধ কার্যকর করা হবে৷

দক্ষিণ ২৪ পরগণার  তালিকায় কিছু অতিরিক্ত অঞ্চল যুক্ত হয়েছে৷ তাই সংশোধন করে প্রকাশিত হবে৷ অন্যান্য জেলার তালিকাও তৈরী করে সরকারী বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে৷

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে এবার লক্ডাউন নিষেধ কঠোরভাবে যাতে মানা হয় তা দেখবে প্রশাসন৷ তবে কোনরকম আর্থিক জরিমানা করা যাবে না৷ মাস্ক না পরে বেরুলে তাকে বাড়ীতে পাঠিয়ে দিতে হবে৷ লক্ডাউন চলাকালীন ওইসব অঞ্চলে যাওয়া আসাও বন্ধ থাকবে৷

বাঙালী চিকিৎসকের আন্তর্জাতিক সম্মান

সংবাদদাতা
পি.এন.এ.
সময়

দিল্লী এইমসের সার্জিকাল অঙ্কোলজির  অধ্যাপক  ডাঃ মকুর দীপি রায়৷ সম্প্রতি তিনি ক্যান্সার  আক্রান্তদের মানসিক অবসাদের  বিষয়টি নিয়ে গবেষণা করেন৷  ক্যান্সার  আক্রান্তদের জীবনের স্বাভাবিক ছন্দ হারিয়ে যায়, তারা হতাশায় ভুগতে থাকে৷

ডাঃ রায়ের গবেষণায় ধরা পড়ে অস্ত্রোপচারের সময় বাড়তি যত্ন নিয়ে হাইপোগ্যাসট্রিক নার্ভ বাঁচাতে পারলে ক্যান্সার রোগীকে স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে দেওয়া যায়৷ সাধারণত হাই অ্যালার্ট জোনে  থাকা এই নার্ভ অস্ত্রোপচারের সময় নষ্ট হয়ে যায় হতাশা, অবসাদগ্রস্ত হওয়ার এটাই অন্যতম কারণ৷ অস্ত্রপচারের সময় এই নার্ভ রক্ষা করতে পারলে সফলতা আসে৷ আর্ন্তজাতিক মেডিকাল জার্র্নল ডাঃরায়ের এই গবেষণাকে স্বীকৃতি দেয়৷

আনন্দমার্গ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রের কৃতিত্ব

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

পশ্চিম ত্রিপুরা আনন্দমার্গ  স্কুলের নবমশ্রেণীর ছাত্র সৌনিকশঙ্কর রায়  লক্ডাউন চলাকালীন একটি অনলাইন প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছে৷ গত ২২শে মে ত্রিপুরা সরকারের ত্রিপুরা বায়োসাইবার সিটি বোর্ড  ইন্টারন্যাশন্যাল ডে ফর বায়োলজিক্যাল ডাইভারসিটি উপলক্ষ্যে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে৷