সংবাদ দর্পণ

মার্গীয় বিধিতে বিবাহ অনুষ্ঠান

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

গত ২১শে মার্চ বোকারো ঝাড়খণ্ড নিবাসী রাজকিশোর কপরদার ও শকুন্তলা কপরদায়ের কন্যা কল্যাণীয়া মনিষার সহিত রাঁচি ঝাড়খণ্ড নিবাসী রামপ্রকাশ মণ্ডল ও অর্চনা মণ্ডলের পুত্র কল্যাণীয় সুশান্তর শুভবিবাহ অনুষ্ঠিত হয় আনন্দমার্গে চর্যাচর্য বিধিমতে৷ অনুষ্ঠানে পৌরহিত্য করেন পাত্রপক্ষে আচার্য মুক্তানন্দ অবধূত ও পাত্রীপক্ষে অবধূতিকা আনন্দ সুমিতা আচার্র্য৷ অনুষ্ঠানে আনন্দমার্গের সমাজশাস্ত্র ও বৈপ্লবিক বিবাহ সম্বন্ধে মূল্যবান বক্তব্য রাখেন আচার্য মোহনানন্দ অবধূত৷

বিভিন্ন কেন্দ্রে নির্বাচনী প্রচারে আমরা বাঙালী

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

প্রথম দফার নির্বাচনে প্রচার শেষ করলেন ‘আমরা বাঙালী’র প্রার্থীরা৷ প্রথম দফার নির্বাচনে জঙ্গলমহল ও পূর্বমেদিনীপুরে  দশটি কেন্দ্রে ‘আমরা বাঙালী’ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে৷ কেন্দ্রীয় সচিব শ্রী বকুলচন্দ্র রায় জানান ‘আমরা বাঙালী’র লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে মানুষকে অবগত করতেই বিভিন্ন কেন্দ্রে প্রার্থী দিয়ে প্রচারে নেমেছেন৷

কোচবিহার জেলার  আট কেন্দ্রে ‘আমরা বাঙালী’ প্রার্থী

১ নং মেঘলীগঞ্জ (তপঃ) কেন্দ্রে শ্রীমতী চীনু রায় বর্মন৷

২ নং মাথাভাঙ্গা (তপঃ) কেন্দ্রে রতন বর্মন৷

৩ নং কোচবিহার উত্তর (তপঃ) কেন্দ্রে  গোপাল রায়৷

৪ নং কোচবিহার দক্ষিণ কেন্দ্রে বাবলা দেব৷

৫ নং শীতলকুচি (তপঃ) কেন্দ্রে কমল বর্মন৷

৬ নং সিতাই  (তপঃ) কেন্দ্রে প্রসন্নকুমার রায়৷

৮ নং নাটাবাড়ী কেন্দ্রে দলেন্দ্রনাথ রায়৷

৯ নং তুফানগঞ্জ কেন্দ্রে জীবন কুমার সাহা৷

 

নারায়ণ পল্লীতে স্বাস্থ্য শিবির

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

গত ২৪শে মার্চ কলকাতার নারায়ণপল্লীতে আনন্দমার্গ ইয়ূনিবার্র্সল রিলিফ টিমের মহিলা শাখার  পক্ষ থেকে একটি চিকিৎসা শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল৷ ওই শিবিরে প্রায় ৮০ জন দুঃস্থ মানুষের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয় অভিজ্ঞ চিকিৎসকের দ্বারা ও প্রয়োজনীয় ঔষধও দেওয়া হয়৷

 

বোলপুরে অখণ্ড কীর্ত্তন

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

গত ২১শে মার্চ বোলপুর নিবাসী বিশিষ্ট আনন্দমার্গী রাধারাণী পালের বাসগৃহে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত তিনঘন্টা অখণ্ড ‘বাবা নাম কেবলম্‌’ মহামন্ত্র কীর্ত্তন অনুষ্ঠিত হয়৷ এই কীর্ত্তন উপলক্ষ্যে রাধারাণী পালের বাসগৃহে বীরভূম জেলার বিভিন্ন প্রান্তের মার্গী ভাই-বোনেরা সমবেত হয়েছিলেন৷ কীর্ত্তন শেষে মিলিত ঈশ্বর প্রণিধানের পর মার্গগুরুদেবের রচনা পাঠ করে শোনানো হয় উপস্থিত ভক্তমণ্ডলীদের৷ এরপর কীর্ত্তন মাহাত্ম্য ও আনন্দমার্গ দর্শনের ওপর আলোচনা করেন ভুক্তিপ্রধান কেশব সিন্‌হা, জিতেন্দ্রনাথ মণ্ডল, শিউড়ি ডিট.এস আচার্য দেবপমানন্দ অবধূত, আচার্য কমের্র্শনন্দ অবধূত ও আচার্য মিতক্ষরানন্দ অবধূত৷

কীর্ত্তনশেষে সমস্ত মার্গী-ভাইবোন ও দাদা দিদিরা একটি কীর্ত্তন শোভাযাত্রা প্রান্তিকের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে৷

 

রাজ্যে বিজ্ঞানচর্র্চয় জোরপূর্বক হিন্দীর অনুপ্রবেশ

সংবাদদাতা
পি.এন.এ.
সময়

ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য কাল্টিভেশন অব সায়েন্স---বাঙলায় বিজ্ঞান গবেষণার জন্য ডঃ মহেন্দ্রলাল সরকার তৈরী করেছিলেন এই প্রতিষ্ঠানটি৷ বর্তমানে এই বিজ্ঞান গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি কেন্দ্রীয় সরকারের অধীন৷ এখানে শিক্ষাকর্মীদের ৯০ শতাংশ বাঙালী৷

সম্প্রতি কাল্টিভেশন অব সায়েন্সের রেজিস্টার পূর্বাশা বন্দোপাধ্যায় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানান প্রতিষ্ঠানের চিঠিপত্রসহ নানা কাজে হিন্দী ব্যবহার করতে হবে৷ নোট, সার্ভিস বুক, ফাইল স্বাক্ষর সবকিছু হিন্দীতে লিখতে হবে৷ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারী ভাষাদপ্তর খতিয়ে দেখেছে প্রতিষ্ঠানটিতে আশানুরূপ হিন্দীর ব্যবহার হচ্ছে না৷

রাজ্য নির্বাচনী প্রচারে এসে প্রধানমন্ত্রী যখন বাংলা প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন তখন পশ্চিমবঙ্গে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানে জোরপূর্বক হিন্দী অনুপ্রবেশের এই চক্রান্ত কেন? কেন্দ্রীয় সরকারের এহেন জোরপূর্বক হিন্দী চাপানোর প্রতিবাদে সরব হয়েছে বিভিন্ন মহল৷ বিশিষ্ট সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় হিন্দী চাপানোর নির্দেশকে ভাষা সন্ত্রাস বলে অভিহিত করেন৷ প্রাক্তন সাংসদ নেতাজী সুভাষচন্দ্রের ভাইপো সুগত বসু বলেন---এই নির্দেশ বিজ্ঞানচর্র্চয় অন্তরায় ও বাংলার পক্ষে অমর্যাদার৷ হিন্দী হিন্দু হিন্দুস্তানের চাপিয়ে দেওয়া এই নির্দেশের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান উচিত৷

 

অসমে ভাষিক আগ্রাসনের প্রতিবাদে ‘আমরা বাঙালী’

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

নির্বাচনের আগেই ভাষিক আগ্রাসনের খাড়া এল৷ ১৭মার্চ সেবা একটি সার্কুলারের মাধ্যমে আসামে অসমিয়া ভাষাটিকে মাধ্যমিক স্তরে অবশ্যপাঠ্য করে দেবার সুচতুর প্রয়াস নিয়েছে৷ খুব বিচক্ষণতার সঙ্গে বরাক এবং বড়ো অঞ্চলকে এর বাইরে রাখার কথা বলেও অন অসমিয়াদের জন্য ইলেকটিভ অসমিয়া বাধ্যতামূলক বলে ঘোষণা করা হল এতে৷ রাজ্যভাষা আইনের সংশোধনী যেখানে বাংলা ভাষার রক্ষাকবচ অর্থাৎ ধারা''5 এরSafeguard of the use of  Bengali language in the District of Cachar'' বলে যে সংস্থান রাখা হয়েছিল এটাকে তার জায়গায় রেখেই এই ভাষিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার এই যে প্রথম পদক্ষেপ তা স্পষ্ট৷ ‘আমরা বাঙালী’র পক্ষ থেকে  রাজ্যসচিব সাধন পুরকায়স্ত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এর প্রতিবাদ জানিয়ে শহিদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত মাতৃভাষার অধিকার হরণের এ চক্রান্তের তীব্র নিন্দা করেছেন, ও বরাকের আপামর জনগণকে ১৯৬১,১৯৭২, ও ১৯৮৬ আন্দোলনের কথা তথা সেদিনের পাঠশালা, এম ই, হাই, এবং মাদ্রাসার শিক্ষক সহ সাধারণ জনগণের ভূমিকার কথা  স্মরণ করিয়ে, এ সার্কুলারে যে বরাক ছাড়াও ব্রহ্মপুত্র উপতক্যার বাঙালীরও ভাষিক অধিকারের উপরও কুঠারঘাত এদিকেও দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন৷ এই আগ্রাসন প্রতিরোধ করতে জাতি ধর্ম নির্বিশেষে গণআন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বানও জানিয়েছেন শ্রী পুরকায়স্ত৷

 

গণতন্ত্রের আড়ালে গোষ্ঠীতন্ত্রের শাসনে  জর্জরিত দেশ - প্রাউটের সদ্‌বিপ্রতন্ত্রই মুশকিল আসান

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

রাজ্যে প্রথম দফার নির্বাচনের আগে প্রাউটিষ্ট ইয়ূনিবার্সালের কেন্দ্রীয় সংঘটন সচিব আচার্য প্রসূনানন্দ অবধূত বলেন--- জনগণ যাতে শান্তিতে বোট দিতে পারেন  রাজনৈতিক দলের নেতাদের তার দায়িত্ব নেওয়া উচিত৷ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে প্রত্যেকেরই মর্যাদা দেওয়া উচিত৷ মানুষ যাতে শান্তিতে ও নির্বাধায় ভোটকেন্দ্রে যেতে পারেন পুলিশ প্রশাসন ও রাজনৈতিক দলগুলোর সেটা দেখা উচিত৷

আচার্য প্রসূনানন্দ অবধূত বলেন--- বর্তমানে দেশে গণতন্ত্রের নামে যে-টা চলছে তাকে গোষ্ঠীতন্ত্র বলা যায়৷ গণতন্ত্র সম্পর্কে বলা হয়ে থাকে--- জনগণের জন্যে, জনগণের দ্বারা জনগণের সরকার৷ তবে ভারতবর্ষে জনগণের মর্যাদা শুধুমাত্র বোটের দিন৷ তাও অনেক সময় রাজনৈতিক মস্তানদের দাদাগিরিতে জনগণ স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ করতে পারেন না৷

তিনি বলেন গণতন্ত্রকে সার্থক করে তুলতে হলে প্রাউটের দৃষ্টিতে জনগণের বৃহত্তর অংশের সামাজিক-অর্থনৈতিক-রাজনৈতিক সচেতনতা একান্ত প্রয়োজন৷ কিন্তু দুঃখের বিষয় স্বাধীনতার ৭৩ বছর পরেও দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মতাদর্শ কর্মসূচী সম্পর্কে জনগণ খুব একটা সচেতন নয়৷ এমন কি নিজের ও সামুহিক সমস্যা সম্পর্কেও চেতনার অভাব আছে জনগণের৷ রাজনৈতিক দলগুলি ঘটা করে নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ করে৷ কিন্তু অধিকাংশ বোটারগণই তাতে কোনো আগ্রহ দেখায় না৷ ইস্তাহার বিষয়টা কি সেটাই অনেকে বোঝে না৷ তারই সুযোগ নিয়ে চতুর রাজনৈতিক নেতারা প্রচার কৌশলে জনগণকে প্রভাবিত করে নির্বাচনে জয়ী হয়ে ব্যষ্টি ও গোষ্ঠী স্বার্থে ক্ষমতার অব্যবহার করে থাকে৷ তাছাড়া গণতন্ত্রে যদিও সংখ্যাধিক্যের শাসনের কথা বলা হয়ে থাকে, কিন্তু ভারতের মতো বহুদলীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় কোনদলই জনগণের প্রকৃত সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় না৷ আইন পরিষদে আসন সংখ্যার ভিত্তিতে গরিষ্ঠতা পেলেই ক্ষমতা অর্জনের অধিকার পেয়ে যায়৷ বর্তমান কেন্দ্রীয় শাসকদল আইনসভায়  তিনশোর বেশি আসন পেয়ে একক গরিষ্ঠতা পেলেও মাত্র ৩৮ শতাংশ বোট পেয়েছেন৷ তাই একে কী জনগণের সরকার বলা যায়৷ তবু একবার ক্ষমতা দখল করতে পারলে পরবর্তীতে আমলা প্রশাসন, এমনকি বিচার বিভাগ পর্যন্ত নিজেদের অনুকূলে নিয়ে আসার চেষ্টা করে ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে৷

আচার্য প্রসূনানন্দ অবধূত বলেন গণতন্ত্রে এইরকম অজস্র ত্রুটি বিচ্যুতি আছে৷ এগুলি দূর করতে না পারলে সার্থক গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব নয়৷ এসম্পর্কে প্রাউট প্রবক্তা কতকগুলি সুস্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন, দেশের বিদগ্দজনের উচিত প্রাউটের চর্র্চ করা ও সার্থক গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলায় রত হওয়া৷ সদা সতর্ক থাকবে হবে গণতন্ত্র যাতে দানবতন্ত্রে পরিণত না হয়৷

আচার্য প্রসূনানন্দ অবধূতের কথায় সব সমস্যার সমাধানের একমাত্র পথ প্রাউটের সদ্‌বিপ্রতন্ত্র৷  কিন্তু এ বিষয়ে মানুষ সচেতন হয়ে না উঠলে প্রাউট প্রতিষ্ঠিত হওয়া সম্ভব নয়৷ প্রাউট প্রবক্তার কথায়--- ‘‘প্রাউটের সদবিপ্রতন্ত্রই একমাত্র মুশকিল আসান.... তবে সদ্‌বিপ্র তন্ত্রের প্রতিষ্ঠা হবে অনেক বৈদুষ্যের মস্তিষ্ক চালনার ফলশ্রুতিতে৷ তা অসির বলে মসীর বলে পেশীর বলে সম্ভব নয়৷’’ প্রসূনানন্দ অবধূত জানান-প্রাউটিষ্টদের এখন কাজ মানুষকে শিক্ষিত ও সচেতন করা৷ প্রাউটিষ্টদের এখন প্রধান কাজই মানুষের মধ্যে এসে শিক্ষার বিস্তার করা৷

 

বঙ্গে বাড়ছে করোনা

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

করোনার প্রকোপ অনেকটাই কমে এসেছিল পশ্চিমবঙ্গে৷ দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা একটা সময় ১৫০-এর নীচে নেমে এসেছিল৷ স্কুল কলেজ বাদ দিলে আর সবকিছুই এখন স্বাভাবিক৷ মানুষের মধ্যেও করোনা সংক্রান্ত স্বাস্থ্যবিধি মানার প্রবণতা কমছে৷ ট্রেনে বাসে অনেকেই মাক্‌স ব্যবহার করছে না৷ নির্বাচনী প্রচারে জনসমাবেশে রাজনৈতিক নেতাকর্মীরাও স্বাস্থ্য দপ্তরের বিধি নিষেধ মান্যতা দিচ্ছেন না৷ এই অবস্থায় রাজ্যে বেশ কয়েকদিন ধরে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা আবার বাড়ছে৷ ১৫০-এর নীচে থেকে ৪০০-এর ওপর উঠে এসেছে৷ গত বুধবার রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ৪৬২ জন৷ যা  স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্তা-ব্যাষ্টিদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে৷

ম্যারাথন নির্বাচনে প্রথম দফার বোট গ্রহণের প্রস্তুতি তুঙ্গে

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম পর্ব শুরু হতে আর মাত্র ২৪ ঘন্টা বাকি৷ প্রকাশ্যে প্রচার পর্ব শেষ৷ রাজ্যে এবার লড়াই মূলত তৃণমূল, বিজেপি৷ রয়েছে বাম কংগ্রেস জোট, ‘আমরা বাঙালী ও আর কয়েকটি দল৷

বোট কর্মীদের বুথে বুথে যাওয়া শুরু হয়েছে৷ রাজ্যে এবার আট দফায় নির্বাচন হচ্ছে৷ নিরাপত্তার অজুহাতে দিল্লীর নেতাদের প্রচারের সুযোগ দিতে এই ব্যবস্থা বলে রাজ্যের শাসকদল ও বুদ্ধিজীবীদের বৃহৎ অংশ মনে করেন৷ যেভাবে এক একটা জেলাকে ভাগ করে একাধিক পর্বে বোট গ্রহণের ব্যবস্থা করা হয়েছে তাতে নিরাপত্তা ও শান্তিতে বোট গ্রহণে কি সুবিধা হবে তার যথার্থ ব্যাখ্যা নির্বাচন কমিশনের কাছে নেই৷ রাজ্য প্রশাসনের এক অংশের বিরুদ্ধে যেমন পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ আছে তেমনি নির্বাচন কমিশন, কেন্দ্রীয় বাহিনীর এক অংশ নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে৷ তাছাড়া নির্বাচনী প্রচারে বিভিন্ন দলের নেতা-নেত্রীদের পরস্পরের প্রতি দোষারোপ কুৎসা  রয়েছেই৷ সব নিয়ে গণতন্ত্রের গাজনের প্রথম পর্ব শেষ৷ এখন জনগণের গোপন মত প্রকাশ কতটা নিরাপদ নিরুপদ্রবে ও শান্তিতে হয় তারই অপেক্ষা রাজ্যবাসী৷

কুরকুড়ি আনন্দমার্গ স্কুলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

গত ২রা এপ্রিল বীরভূম জেলার কুরকুড়ি আনন্দমার্গ এক মনোরম নান্দনিক পরিবেশে বিদ্যালয়ের ছোট ছোট ছাত্র-ছাত্রারা আবৃত্তি, নৃত্য,সঙ্গীত ও নানা সাংস্কৃতিক অভিব্যক্তি পরিবেশনের  মাধ্যমে উপস্থিত দর্শক বৃন্দকে মুগ্দ করে রেখেছিল কয়েকঘন্টা৷

অনুষ্ঠানের শুরুতে  উত্তরীয় ও পুষ্প স্তবক দিয়ে সভাপতি ও অতিথিদের বরণ করে নেয়, ছাত্র-ছাত্রারা৷ এরপর ছাত্র-ছাত্রাদের দ্বারা পরিবেশিত ---‘সবারে করি আহ্বান’ প্রভাত সঙ্গীত দিয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন হয়৷ এরপর অতিথিবৃন্দ তাঁদের বক্তব্যে আনন্দমার্গ স্কুল, তাদের শিক্ষাপদ্ধতির ভূয়সী প্রশংসা করেন৷ অনুষ্ঠানের সভাপতি আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত আনন্দমার্গের নব্যমানবতাবাদ শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর বক্তব্য রাখেন৷ অতিথিদের মধ্যে ছিলেন অবসর প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক লক্ষ্মীকান্ত হাজরা অবসর প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ইমামুল হক, বিশিষ্ট নৃত্য শিল্পী আলোক ঘোষ দস্তিদার অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সঞ্জিত৷ সমস্ত অনুষ্ঠানের  আয়োজন ও ব্যবস্থাপনায় ছিলেন স্কুলের অধ্যক্ষ আচার্য সুচিধানন্দ অবধূত৷