সংবাদ দর্পণ

আমরা বাঙালীর নেতা জয়ন্ত দাশের মাতৃবিয়োগ

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

আমরা বাঙালীর কেন্দ্রীয়ক মিটির সদস্য শ্রীজয়ন্ত দাশের মাতৃদেবী গত ১৬ই অক্টোবর অপরাহ্ণে পরলোক গমন করেন৷ মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর৷ তিনি দীর্ঘদিন বার্ধক্য জনিত রোগে ভুগছিলেন৷ তাঁর দুই পুত্র ও এক কন্যা বর্তমান৷

মার্গীয় বিধিতে শ্রদ্ধানুষ্ঠান

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

১৪ই অক্টোবর ঃ বিশিষ্ট আনন্দমার্গী শ্রী দীপক দাসের দিদি শ্রীমতী সুনীলা দাসের শ্রদ্ধানুষ্ঠান আনন্দমার্গের চর্যাচর্য বিধি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হয় নিউ ব্যারাকপুর আনন্দমার্গ আশ্রমে৷ শ্রীমতী সুনীলা দাস গত ৭ই অক্টোবর রাতে তাঁর বাসভবনে পরলোকগমন করেন৷ পানিহাটী মহাশ্মশানে তাঁর শবদেহের সৎকার হয়৷ আনন্দমার্গের সমাজশাস্ত্র বিধি অনুযায়ী৷

এদিন তাঁর শ্রদ্ধানুষ্ঠানে আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয় মার্গী ভাইবোনেরা উপস্থিত ছিলেন৷ শ্রাদ্ধানুষ্ঠান পরিচালনা করেন আচার্য বোধিসত্তানন্দ অবধূত৷ মার্গের সমাজশাস্ত্র বিষয়েবক্তব্য রাখেন উত্তর ২৪ পরগণার ভুক্তিপ্রধান শ্রী সন্তোষ বিশ্বাস৷ এছাড়া স্মৃতিচারণা করেন শ্রীমোহন অধিকারী, শ্রীমিত বিশ্বাস ও শ্রীদীপক দাস৷

গলসীতে আনন্দমার্গের তত্ত্বসভা

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

গত ২রা অক্টোবর বর্ধমান গলসী ২নং ব্লকের অন্তর্গত মিটাপুর গ্রামে স্থানীয় আনন্দমার্গী শ্রীপ্রভাত চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ীতে এক তত্ত্বসভা অনুষ্ঠিত হয়৷ গ্রামের বহু বিশিষ্ট মানুষ এই তত্ত্বসভায় উপস্থিত ছিলেন৷ 
প্রভাত সঙ্গীত, কীর্ত্তন ও ঈশ্বর প্রণিধানের পর শুরু হয় তত্ত্বসভা৷ সভায় বক্তব্য রাখেন আচার্য প্রসূনানন্দ অবধূত, আচার্য মোহনানন্দ অবধূত ও আচার্য প্রমথেশানন্দ অবধূত৷ বক্তারা আনন্দমার্গের সর্বানুসূ্যত জীবন দর্শনের আলোকে ভাগবত ধর্ম, যোগসাধনা ও সামাজিক-অর্থনৈতিক বিষয়ের ওপর জ্ঞানগর্ভ বক্তব্য রাখেন৷ তত্ত্বসভায় উপস্থিত অনেকেই বক্তব্য শুনে আনন্দমার্গের আদর্শের প্রতি আকৃষ্ট হন৷ বিশেষ করে আনন্দমার্গের যোগসাধনা তাদেরকে বিশেষভাবে আকর্ষণ করে৷ অনেকেই আনন্দমার্গের যোগসাধনা অনুশীলন পদ্ধতি শিখে নেন৷ সবশেষে গ্রামবাসীদের প্রীতিভোজে আপ্যায়ন করা হয়৷ অনুষ্ঠানটির পরিচালনায় ছিলেন প্রভাত চট্টোপাধ্যায়, বর্ধমান ডায়োসিস সেক্রেটারী আচার্য নিত্যধ্যানানন্দ অবধূত, অবধূতিকা আনন্দ সুধীরা আচার্যা, অবধূতিকা আনন্দ প্রীতিসুধা আচার্যা, শ্রী চিত্ত বিশ্বাস, বৈদ্যনাথ ঘোষ ও সত্য আইচ প্রমুখ৷ 
 

বসিরহাটে সেমিনার

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

গত ৪ঠা অক্টোবর বসিরহাট খোলাপাতা গ্রামে আনন্দমার্গ ইয়ূনিটের পক্ষ থেকে একটি আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়৷ আলোচনা সভাটি অনুষ্ঠিত হয় খোলাপাতা আনন্দমার্গ স্কুলে৷

শতাধিক মার্গী ভাইবোন ও স্কুলের অভিভাবক-অভিভাবিকারা এই আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন৷ প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উত্তর ২৪ পরগণা জেলার ভুক্তিপ্রধান শ্রীসন্তোষ বিশ্বাস৷ তিনি যোগ সাধনা ও আনন্দমার্গ দর্শনের বিভিন্ন বিষয়ের ওপর আলোচনা করেন৷

আলোচনা শেষে শারদোৎসব উপলক্ষ্যে ৫০ জন দুঃস্থ মানুষের হাতে নতুন বস্ত্র তুলে দেওয়া হয়৷ কীর্ত্তন শেষে নারায়ণ সেবারও আয়োজন করা হয়৷ সমগ্র অনুষ্ঠানটির আয়োজন করেছিলেন খোলাপাতা গ্রামের বিশিষ্ট আনন্দমার্গী শ্রীকনক মণ্ডল৷

বনগাঁয় অখণ্ড কীর্ত্তন

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

১০ই অক্টোবর বনগাঁ হরিদাসপুরে শ্রী অসীম মণ্ডলের বাড়ীতে সকাল ৯টা থেকে ১২টা পর্যন্ত অখণ্ড কীর্ত্তন অষ্টাক্ষরী মহানাম মন্ত্র ‘বাবানাম কেবলম্’ অনুষ্ঠিত হয়৷ শতাধিক মার্গী ভাইবোন ও স্থানীয় প্রতিবেশীরা ভক্তিরসে আপ্লুত হয়ে তিন ঘণ্টা আনন্দে আত্মহারা হয়ে থাকেন৷ কীর্ত্তন পরিচালনা করেন শ্রীকুমুদ দাস, আচার্য ভাবপ্রকাশানন্দ অবধূত ও আচার্য সত্যসাধনানন্দ অবধূত৷ কীর্ত্তন মাহাত্ম্যের ওপর বক্তব্য রাখেন আচার্য বোধিসত্বানন্দ অবধূত, শ্রী সন্তোষ বিশ্বাস ও শ্রী কৃষ্ণশঙ্কর মুখার্জী৷ সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন আচার্য প্রমথেশানন্দ অবধূত৷

অখণ্ড কীর্ত্তন ও তত্ত্বসভা

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

গত ১০ই অক্টোবর মুর্শিদাবাদ জেলার ২ নং ভরতপুর ব্লকে দক্ষিণ খণ্ড গ্রামে আনন্দমার্গ প্রচারক সংঘের পক্ষ থেকে এক তত্ত্বসভার আয়োজন করা হয়৷ আনন্দমার্গ দর্শনের ওপর বক্তব্য রাখেন আচার্য প্রসূনানন্দ অবধূত৷ পরদিন ১১ই অক্টোবর তিন ঘণ্টা ব্যাপী অখণ্ড কীর্ত্তন হয় ও শেষে পুনরায় ধর্মসভা হয়৷ বক্তব্য রাখেন শ্রী নিতাই মণ্ডল, বীরভূম থেকে আগত শ্রী কেশব চন্দ্র সেন ও আচার্য প্রসূনানন্দ অবধূত৷

শ্রীরামপুর আনন্দমার্গ স্কুলে বস্ত্র বিতরণ

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

গত ৩রা অক্টোবর, ২০১৯ তারিখে শ্রীরামপুর আনন্দমার্গ স্কুলের পরিচালনায় শতাধিক দুঃস্থ নারী-পুরুষ ও শিশুগণের মধ্যে নতুন বস্ত্র বিতরণ করা হয়৷ এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রবীণ আনন্দমার্গী শ্রীযুক্ত প্রভাত খাঁ মহাশয়, প্রধান অতিথিরূপে উপস্থিত ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শ্রীকৃষ্ণচন্দ্র ভড় মহাশয় ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আচার্য সুবিকাশানন্দ অবধূত, সর্বশ্রী পশুপতি ঘোষ, অশোক চক্রবর্তী, জ্যোতিবিকাশ সিন্হা ও দিলীপ ঘোষ প্রমুখ ব্যষ্টিগণ৷ শারদোৎসবের দিনগুলিতে অনেকেই নতুন বস্ত্র পরিধান করলেও বহু দুঃস্থ মানুষ নতুন বস্ত্র ক্রয় করতে সমর্থ হন না৷ আনন্দমার্গের এই উদ্যোগের মাধ্যমে দুঃস্থ ব্যষ্টিগণ উপকৃত হন৷ প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথি ও সভাপতি তাঁদের বক্তব্যে উপর্যুক্ত মন্তব্য প্রকাশ করেন৷ বক্তাগণ আনন্দমার্গের বিভিন্ন সেবামূলক কর্মসূচী ও আধ্যাত্মিক সাধনা সম্পর্কে উপস্থিত সকলকে অবহিত করেন ও আনন্দমার্গের কর্মকাণ্ডের ভূয়সী প্রশংসা করেন৷ আপামর জনগণকে আনন্দমার্গের যোগ সাধনা পদ্ধতি গ্রহণ করে নিজেদের জীবনকে আধ্যাত্মিকতার পথে পরিচালিত করে ও সমাজকে সুন্দরভাবে গড়ে  তোলার আহ্বান জানান৷

দুমকায় কীর্ত্তন

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

দুমকা কুরুয়া আনন্দমার্গ স্কুলে কীর্ত্তন দিবস উপলক্ষ্যে গত ৮ই অক্টোর অখণ্ড ‘বাবানাম কেবলম্’ কীর্ত্তন অনুষ্ঠিত হয়৷ এখানে শতাধিক মার্গী ভাইবোন কীর্ত্তনে অংশগ্রহণ করেন৷ অনুষ্ঠানটির আয়োজন করেছিলেন আনন্দমার্গ স্কুলের অধ্যক্ষ আচার্য মক্তিচেতশানন্দ অবধূত৷ কীর্ত্তন শেষে কীর্ত্তন দিবসের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করেন আচার্যা বিকাশানন্দ অবধূত৷

মগরায় অখণ্ড কীর্ত্তন

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

কীর্ত্তন দিবস উপলক্ষ্যে ৮ই অক্টোবর হুগলী জেলার মগরার বিশিষ্ট আনন্দমার্গী শ্রী গোবিন্দ পালের বাসগৃহে সকাল ৬’টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অখণ্ড ‘বাবানাম কেবলম্’ কীর্ত্তন অনুষ্ঠিত হয়৷ শতাধিক মার্গী ভাইবোন দীর্ঘ ছয় ঘণ্টা ভাবতরঙ্গে আপ্লুত হয়ে এক অনবদ্য স্বর্গীয় পরিবেশে কীর্ত্তনের ভক্তিরস আস্বাদন করেন৷

কীর্ত্তন শেষে স্বাধ্যায় করেন আচার্য বাসুদেবানন্দ অবধূত, কীর্ত্তন মাহাত্ম্য ও কীর্ত্তনের শ্রেষ্ঠতার ওপর বক্তব্য রাখেন আচার্য মোহনানন্দ অবধূত ও আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত৷ সমগ্র অনুষ্ঠানটির আয়োজন করেন শ্রীগোবিন্দ পাল৷

কলকাতায় অখণ্ড কীর্ত্তন

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

কলকাতায় আনন্দমার্গ প্রচারক সংঘের কেন্দ্রীয় আশ্রমে কীর্ত্তন দিবস উপলক্ষ্যে অখণ্ড কীর্ত্তনের আয়োজন করা হয়েছিল৷ আশ্রমের সমস্ত দাদা-দিদি ও মার্গী ভাইবোনেরা কীর্ত্তনে যোগ দেন৷

কীর্ত্তন শেষে মিলিত সাধনা ও স্বাধ্যায়ের পর বক্তব্য রাখেন আচার্য সর্বেশ্বরানন্দ অবধূত৷ তিনি ‘বাবানাম কেবলম্’ কীর্ত্তন মন্ত্রকে বাবা সিদ্ধ করেন---সেই কাহিনী বর্ণনা করেন৷ তিনি বলেন কীর্ত্তন সাধনা সহায়ক, কীর্ত্তন মানুষের মনকে পবিত্র করে ও মনের সমস্ত গ্লানি দূর করে দেয়৷