সংবাদ দর্পণ

পরলোকে আচার্য জ্যোতিশ্বরানন্দ অবধূত

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

গত ২রা জানুয়ারী প্রত্যুষে ৪ ঘটিকায় পার্থিব জগৎ ছেড়ে লোকাতীতে পাড়ি দিলেন আচার্য জ্যোতিশ্বরানন্দ অবধূত৷ মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮১ বছর৷ দীর্ঘ ৫৪ বছর তিনি সংঘের বহু গুরুত্বপূর্ণপদে থেকে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে গেছেন৷ ১৯৬৬ সালে তিনি পার্থিব জীবনের সুখ-স্বাচ্ছন্দ ত্যাগ করে আনন্দমার্গের মহান আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে সর্বত্যাগী কর্মী হয়ে সংঘে যোগ দেন৷ তাঁর দীর্ঘ সংঘ জীবনে তিনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আনন্দমার্গের আদর্শ ও বাণী পৌঁছে দিয়েছেন মার্গগুরুদেবের প্রতিনিধি হয়ে৷ তিনি বেশ কিছু দিন অসুস্থ হয়ে চেন্নাই আশ্রমে ছিলেন৷ সেখানেই তিনি গত ২রা জানুয়ারী দেহত্যাগ করেন৷ ওইদিনই অপরাহ্ণ ৫ ঘটিকায় তাঁর অন্ত্যোষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হয় চেন্নাইতে৷

বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী দেবে ‘আমরা বাঙালী’

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

আসন্ন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে অংশ নেবে ‘আমরা বাঙালী’৷ ‘আমরা বাঙালী’ দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সচিব বকুল রায় জানান ১০০টি কেন্দ্রে প্রার্থী দেবে ‘আমরা বাঙালী’৷ তিনি  বলেন পশ্চিমবাঙলায় আজ  বাঙালীর অস্তিত্বই বিপন্ন৷ বাংলা ভাষা দ্বিতীয় ভাষায় পরিণত হয়ে গেছে৷ তাঁর অভিযোগ তথাকথিত রাজনৈতিক দলগুলো ক্ষমতা দখলের লড়াইতে মত্ত, এ দিকটা নিয়ে চিন্তা করার সময় নেই৷ উল্টে ভোটের স্বার্থে হিন্দী তোষণ করে চলেছে৷ এই হিন্দির কারণেই বাঙলা আজ বিপন্ন৷ পাশাপাশি পুঁজিবাদ নির্ভর কেন্দ্রীত অর্থনীতির কারণেই মানুষ অর্থনৈতিক সমস্যায় ভুগছে৷ প্রাউটের বিকেন্দ্রিত অর্থনৈতিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেই সমস্যার সমাধান সম্ভব৷ ‘আমরা বাঙালী’ ভোটের প্রচারে এই প্রসঙ্গগুলিই তুলে ধরবে বলে বকুল রায় জানান৷

মার্গীয় বিধিতে অন্নপ্রাশন

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

পশ্চিম মেদিনীপুরের রাঙামাটি গোপগড় নিবাসী শ্রী সৌমেন পাল ও সৌমিতা পালের কন্যার অন্নপ্রাশন ও নামকরণ অনুষ্ঠান মার্গীয় বিধিতে অনুষ্ঠিত হয় গত ১৭ই ডিসেম্বর৷ প্রভাত সঙ্গীত, কীর্ত্তন ও মিলিত সাধনার পর নামকরণ অনুষ্ঠানের সূচনা হয়৷ অনুষ্ঠানের পৌরহিত্য করেন অবধূতিকা আনন্দ শতদীপা আচার্যা৷ কন্যার নাম রাখা হয় সৌম্যাশ্রী৷

হাইলা কান্দিতে অখণ্ড কীর্ত্তন

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

অসমে বরাক বাঙলার হাইলাকান্দি জেলার কাটলিছড়া গ্রামের নিষ্ঠাবান আনন্দমার্গী শ্রী সুবোধ দাসের বাড়ীতে গত ৩রা জানুয়ারী অষ্টাক্ষরী মহানাম মন্ত্র বাবা নাম কেবলম্‌’ অখণ্ড কীর্ত্তন অনুষ্ঠিত হয়৷ সকাল দশটায় প্রভাত সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুভারম্ভ হয়৷ এরপর তিনঘন্টা অখণ্ড কীর্ত্তন শেষে  মিলিত সাধনা ও শ্রীশ্রী আনন্দমূর্ত্তিজীর রচনা থেকে পাঠ করে শোনান হয়৷ এরপর কীর্ত্তন ও ভক্তিযোগের ওপর মূল্যবান বক্তব্য রাখেন সুবোধ দাশ প্রমুখ৷ কীর্ত্তন উপলক্ষ্যে শ্রী দাশের গৃহে বহু মার্গী ভাই-বোন, আত্মীয় পরিজন পরিচিতের সমাবেশ ঘটে৷ সকলেই কয়েক ঘন্টা কীর্ত্তনের সুরমুর্চ্ছনায় এক স্বর্গীয় আনন্দঘন পরিবেশে অতিবাহিত করেন৷

মেদিনীপুরে অখণ্ড কীর্ত্তন

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

আনন্দমার্গ প্রচারক সংঘের মেদিনীপুর ভুক্তির পক্ষ থেকে ৪ ও ৫ই জানুয়ারী মেদিনীপুর শহরে কেরানীটোলায় অবস্থিত আনন্দমার্গ জাগৃতিতে ২৪ঘন্টা অখণ্ড ‘‘বাবা নাম কেবলম্‌’’ কীর্ত্তন অনুষ্ঠিত হয়৷ কীর্ত্তন শেষে মিলিত সাধনা ও  শ্রীশ্রী আনন্দমূর্ত্তিজীর রচনা থেকে পাঠ করা হয়৷ এরপর আনন্দমার্গ দর্শন ও কীর্ত্তন মাহাত্মর ওপর বক্তব্য রাখেন আচার্য সুদীপানন্দ অবধূত ও আচার্য নিত্যতীর্র্থনন্দ অবধূত৷ কীর্ত্তন উপলক্ষ্যে মেদিনীপুর ভুক্তির বিভিন্ন প্রান্তের মার্গী ভাই-বোন সমবেত হন জাগৃতিতে৷ প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে গত ২৫ বছরের বেশী সময় ধরে মেদিনীপুর ভুক্তিতে প্রতিমাসের ৪ ও ৫ তারিখে ২৪ ঘন্টা অখণ্ড কীর্ত্তন অনুষ্ঠিত হয়৷

হুগলীতে  বর্ষবরণ

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

বিশ পার করে বিশ একুশের প্রথম সকালে পবিত্র চিত্তে দিনটি উদ্‌যাপন করলো হুগলী জেলার শ্রীরামপুর আনন্দমার্গ সুকল ও চাতরা আনন্দমার্গ ইয়ূনিট৷ ওই দিন সকাল থেকেই বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সুকল প্রাঙ্গণে সমবেত হন স্থানীয় মার্গীভাইবোনেরা,সুকলের শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ ও ছাত্র-ছাত্রাবৃন্দ৷ অনুষ্ঠানের সূচনায় মার্গগুরুদেব রচিত বর্ষবরণের প্রভাত সঙ্গীত পরিবেশন করেন সমবেতভাবে উপস্থিত মার্গী ভাইবোনেরা৷ এরপর ‘‘াা নাম কেবলম্‌’’ মহানামমন্ত্র কীর্ত্তন ও মিলিত সাধনার পর স্বাধ্যায় (মার্গগুরুদেবের রচনা থেকে পাঠ) করা হয়৷ পরিশেষে বিশিষ্ট প্রাউটিষ্ট নেতা শ্রী প্রভাত খাঁ মার্গ দর্শনের মূল লক্ষ্য জগতের কল্যাণ ও দিব্যস্বরূপে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার বিষয়ে মূল্যবান বক্তব্য রাখেন৷

 

পরলোকে আচার্য কেশবানন্দ অবধূত

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

গত ৫ই জানুয়ারী সন্ধ্যা ৫টা.৫৫মিনিটে পার্থিব জগতের কর্ম সমাধা করে পরলোকে পাড়ি দিলেন আনন্দমার্গ প্রচারক সঙ্ঘের প্রবীন সন্ন্যাসী আচার্য কেশবানন্দ অবধূত৷ মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর৷ গত চারদিন কলিকাতার একটি বেসরকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন৷ ১৯৬৬ সালে তিনি আনন্দমার্গে সর্বত্যাগী কর্মী হয়ে যোগ দেন, তাঁর সহজ সরল ও সদা হাস্যময় আচরণ সকলকে সহজেই আপন করে নিত৷ তিনিও সকলের খুব প্রিয় ও শ্রদ্ধাভাজন ছিলেন৷ দীর্ঘ ৫০ বছরেরও বেশী সংঘ জীবনে তিনি মার্গের বহু গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব ও কর্তব্য নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছেন৷ তিনি দীর্ঘদিন মার্গগুরুদেবের আপ্ত সহায়ক ছিলেন৷ তাঁর মৃত্যুতে সঙ্ঘের সহকর্মী ও পরিচিত মহল শোকাচ্ছন্ন হয়ে পড়েন৷

আন্তর্র্জতিক নববর্ষকে স্বাগত জানিয়ে শেষ হল ধর্মমহাসম্মেলন

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

২০২১কে স্বাগত জানিয়ে আনন্দনগরে অনুষ্ঠিত হলো ধর্মমহা সম্মেলন৷ কোভিড আতঙ্কের পরিবেশেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কয়েক হাজার আনন্দমার্গী আনন্দনগরে সমবেত হয়েছিলেন৷ বিশ্বের প্রাচীনতম ভূখণ্ড পশ্চিম রাঢ়ে পুরুলিয়া জেলায় অবস্থিত আনন্দনগর৷ সুপ্রাচীন সুউচ্চ পর্বতমালার ধবংসাবশেষ ডুংরি পাহাড়ে আর মহুল পলাশের জঙ্গলে ঘেরা আনন্দনগরে মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশে গানে, কীর্ত্তনে আধ্যাত্মিক আলোচনায় পুরাতন বছরের গ্লানি মুছে পবিত্র হৃদয়ে নববর্ষকে বরণ করে নিল-আনন্দনগরে উপস্থিত কয়েক হাজার মার্গী ভাই-বোন৷

তিন দিনের এই সম্মেলন মার্গের পুরোধা প্রমুখ আচার্য কিংশুকরঞ্জন সরকার প্রত্যহ দুইবেলা মার্গ দর্শনের আধ্যাত্মিক বিষয়ের ওপর প্রবচন দেন৷ তাঁর প্রবচনের বিষয়বস্তু ছিল মূলত জ্ঞান-কর্ম-ভক্তি যোগের ওপর৷ তবে বর্তমান কোভিড পরিস্থিতিতে তিনি শ্রীশ্রী আনন্দমূর্ত্তিজী প্রবর্তিত মাইক্রোবাইটাম তত্ত্বের বিস্তৃত ব্যাখ্যা করে বাইরাস ঘটিত রোগ প্রতিরোধে মাইক্রোবাইটামের ভূমিকা,স্বাত্ত্বিক আহার৷ সাত্ত্বিক জীবন-যাপন ও আধ্যাত্মিক অনুশীলনের ওপর জোর দেন৷ ২৯,৩০,৩১শে ডিসেম্বর তিন দিনের এই সম্মেলনে প্রত্যহ সন্ধ্যায় বর্ণাঢ্য সাংসৃকতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন ছিল৷ প্রভাত সঙ্গীত অবলম্বনে নৃত্য,গীত ও গীতি-নাট্য পরিবেশন করেন কলিকাতা থেকে আগত শিল্পীবৃন্দ ও মার্গীভাইবোনরা৷ কলিকাতা থেকে আগত সাংসৃকতিক গোষ্ঠীর বিশিষ্ট শিল্পীবৃন্দ সাংসৃকতিক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে ছিলেন৷

গত ১লা জানুয়ারী ২০২১ এর বর্ষারম্ভের দিনটিকে বরণ করতে  আনন্দনগরে অবস্থিত মার্গগুরুর স্মৃতিসৌধে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল৷ বিশিষ্ট শিল্পীদের দ্বারা প্রভাত সঙ্গীত পরিবেশন, কীর্ত্তন ও সাধনার পর মার্গগুরু দেবের বাণী পাঠ করা হয়৷ পরিশেষে আচার্য প্রিয়শিবানন্দ অবধূত মার্গগুরুদেবের বাণীর বিস্তৃত ব্যাখ্যা করে শোণান৷

অর্থমন্ত্রকের ঘুরে দাঁড়ানোর আশা - উপদেষ্টা সংস্থার দুরাশার বার্তা প্রাউটের সামাজিক অর্থনৈতিক বিকেন্দ্রীকরণই পথ

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

নববর্ষের প্রথম প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদনে দুর্দিনের অবসানের আশার কথা শোনাল কেন্দ্রীয় সরকারের অর্থমন্ত্রক৷ তবে একই সঙ্গে আশাহতের বার্তা ছিল আর্থিক  উপদেষ্টা সংস্থা৷ অর্থমন্ত্রকের দাবী যেভাবে কোভিড সংক্রমণের হার কমছে তাতে অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়ানোর আশা স্পষ্ট হচ্ছে৷ অর্থাৎ কেন্দ্রীয় সরকার এখনও পর্যন্ত অর্থনীতির মুখ থুবড়ে পড়ার দায় করোনার ঘাড়েই চাপিয়ে রাখছে৷ তাই করোনা বিদায় নিলেই আর্থিক সুদিন ফিরে আসবে বলে মনে করছে অর্থমন্ত্রক৷

আর্থিক উপদেষ্টা সংস্থা সি.এম.আই অর্থমন্ত্রকের আশায় জল ঢেলেছে৷ সংস্থার এম.ডি-সিইও মহেশ ব্যাস জানান বেকারত্ব বৃদ্ধি ও মূল্যবৃদ্ধির হার উদ্বেদ বাড়াচ্ছে৷ নভেম্বরে বেকারত্বের হার ছিল ৬.৫০ শতাংশ৷ ডিসেম্বরে তা বেড়ে হয়েছে ৯.০৬ শতাংশ৷ অর্র্থৎ প্রায় তিন শতাংশ বেকারত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে৷ ব্যাসের মত করোনার কারণে অনেকেই কাজ ছেড়েছে৷ কলকারখানা বন্ধ হয়েছে, অফিস আদালত বন্ধ ছিল,তাই অনেকেই কাজের সন্ধান করা ছেড়ে দিয়েছিল৷ কিন্তু অবস্থা স্বাভাবিক হলে কাজের সন্ধান বাড়বে৷ কিন্তু অর্থনীতির এমন অবস্থা নেই যে রাতারাতি কর্মসংস্থান হয়ে যাবে৷ তাই বেকারত্ব বাড়ার আশঙ্কা প্রবল হচ্ছে৷ এই অবস্থায় অর্থনীতির পক্ষে ঘুরে দাঁড়ান কতটা সম্ভব সেটাই সংশয়ের৷

প্রবীন প্রাউটিষ্ট নেতা শ্রী প্রভাত খাঁ বলেন ১০০ শতাংশ মানুষের  কর্মসংস্থান ও মানুষের হাতে ক্রয় ক্ষমতা না এলে অর্থনীতি কিভাবে  ঘুরে দাঁড়াবে? যে সরকার মুষ্টিমেয় ধনকুবেরের প্রতিনিধি হয়ে কাজ করছে তাদের পক্ষে অর্থনীতিতে সুদিন ফেরানো সম্ভব নয়,সে করোনা থাক বা না থাক৷

শ্রী খাঁ বলেন---কেন্দ্রীত অর্থনীতির খোল-নলচে পাল্টে প্রাউটের সামাজিক অর্থনৈতিক বিকেন্দ্রীকরণের পথেই অর্থনীতির পক্ষে ঘুরে দাঁড়ান সম্ভব৷ তিনি বলেন প্রতিটি বেকারের কাজ চাই, প্রতিটি মানুষের হাতে ক্রয় ক্ষমতা থাকা চাই৷ পুঁজিবাদী শোষকরা সেটা কখনই চাইবে না৷ আর্থিক সংস্থাগুলো যে হিসাব প্রকাশ করে সেটা কেন্দ্রীত অর্থ ব্যবস্থায় পুঁজিপতিদের ওঠা নামার হিসাব৷ সাধারণ জনগণের সঙ্গে এর কোন সম্পর্ক নেই৷ জনগণের ন্যূনতম চাহিদা (অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা) পুরণ না হওয়া পর্যন্ত আর্থিক সুদিনের কথা প্রলাপ বকা ছাড়া কিছু নয়৷

অরাজনৈতিক রাজনীতি

সংবাদদাতা
পি.এন.এ.
সময়

কোন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নন৷ কোন রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্খা নেই৷ তবে বাঙলার ভালোমন্দ ভেবে আন্দোলনে নামেন৷ এরকম একদল গণআন্দোলন ও মানবাধিকার কর্মী পথে নাবছেন---‘‘যাঁকে খুশি ভোট দিন, বিজেপিকে নয়’’ এই ডাক দিয়ে যৌথ মঞ্চ তৈরী করে৷ মঞ্চের কর্মীরা বলেন---বিজেপির বিদ্বেষের রাজনীতি বাঙলার সংস্কৃতিকর সঙ্গে খাপ খায় না৷ আমরা ক্ষমতা দখলের রাজনীতি করি না৷ কিন্তু কোন সাম্প্রদায়িক শক্তি বাঙলায় ভূমি দখল করুক, এটাও  চাই না৷

তাই আমরা বিজেপিকে দ্বিতীয় তৃতীয় স্থানেও দেখতে চাই না৷ বাঙলার কিছু উচ্চাকাঙ্খী নেতা বিজেপির দিকে ঝুঁকছে বলেই বাঙলার বিপদটা মানুষকে আলাদা করে বোঝানো দরকার৷ ভারতের অন্যান্য রাজ্যে সাংসদ বিধায়ক কেনা-বেচা হলেও বাঙলায় এ সংস্কৃতিক ছিল না৷ কিন্তু এখন হঠাৎ ভোটের মুখে কিছু সাংসদ বিধায়ক নেতা বিজেপি মুখী হচ্ছে নীতিবাদের প্রশ্ণ তুলে, এটা খুবই হাস্যকর ব্যাপার৷ বাঙলায় সাম্প্রদায়িক বিভাজনের পথ প্রশস্ত হচ্ছে ভিনরাজ্যের কিছু নেতার হাত ধরে৷ ১৯৪৬-এর ক্ষতের জ্বালা এখনও বাঙালীকে বয়ে বেড়াতে হচ্ছে৷ এন.আর.সি, সিএএ সেই ক্ষতেরই পুঁজ রক্ত৷ এর ওপর নোতুন করে আর ক্ষত সৃষ্টি হোক আমরা চাই না৷ সেজন্যে আমরা যৌথমঞ্চ করে পথে নামছি মানুষ যাতে ভুল না করে৷