সংবাদ দর্পণ

শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকারের শিক্ষা-চিন্তার ওপর এম. এড ডিগ্রী লাভ

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

মহান দার্শনিক শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকারের নব্যমানবতাবাদ ভিত্তিক শিক্ষাদর্শন সারা বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে৷ প্রাচ্যের আধ্যাত্মিক মূল্যবোধ ও পাশ্চাত্ত্যের বিজ্ঞানশিক্ষার  সমন্বয় ঘটেছে এই শিক্ষাদর্শনে৷ এই নোতুন শিক্ষাদর্শনের ভিত্তিতে দেশে বিদেশে শত শত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে ও দেশ বিদেশের  শত শত বুদ্ধিজীবী এই শিক্ষাদর্শনের ভূয়সী প্রশংসাও করেছেন৷ 

সম্প্রতি রামকৃষ্ণ মিশন শিক্ষণ মন্দিরে (বেলুড় মঠ, হাওড়া) পাঠরত শ্রী বীরেশ্বর মাইতি এম.এড ডিগ্রী অর্জনের জন্যে  ডঃ গৌতম বন্দ্যোপাধ্যায়ের (এসোসিয়েটেড প্রফেসর) তত্ত্বাবধানে ‘শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকারের শিক্ষাচিন্তা ও ২১শতকে তাঁর প্রাসঙ্গিকতা বিচার ---একটি অনুসন্ধান’’---এই বিষয়ে গবেষণাপত্র পেশ করেছিলেন৷ গত ১৮.০৬.২০১৯ তারিখে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডঃ সুদেষ্ণা লাহিড়ী (পরীক্ষক) শ্রী বীরেশ্বর মাইতির  উক্ত গবেষণা  পত্রকে এম.এড ডিগ্রী লাভের উপযুক্ত বলে জানিয়েছেন৷ খুব শীঘ্রই  এই গবেষণা কর্মটিকে গ্রন্থাগারে প্রকাশের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে৷

আনন্দমার্গীয় বিধিতে শ্রাদ্ধানুষ্ঠান

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

নিউব্যারাকপুর ঃ গত ১৪ই জুন নিউ ব্যারাকপর নিবাসী শ্রীমতী প্রতিমা দাসের  প্রয়াত  পিতা বিশিষ্ট আনন্দমার্গী  শ্রী প্রতুলচন্দ্র মজুমদারের আনন্দমার্গীয় বিধিতে শ্রাদ্ধানুষ্ঠান হয়৷  শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে পৌরোহিত্য করেন আনন্দমার্গের ডায়োসিস সেক্রেটারী আচার্য বিশ্বগানন্দ অবধূত ৷ উক্ত শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে প্রভাত সঙ্গীত ও কীর্ত্তন পরিচালনা করেন অবধূতিকা  নীতিসুধা  আচার্যা ও শ্রী শুভজিৎ হাজারী৷

বনগাঁ ঃ গত ১০ই জুন গাইঘাটা ব্লকের আংরাইলে  শ্রী তুষার মণ্ডলের  পিতা প্রয়াত শ্রী  নির্মল মণ্ডলেরও আনন্দমার্গীয় বিধিতে শ্রাদ্ধানুষ্ঠান হয়৷  শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে পৌরোহিত্য করেন অবধূতিকা  আনন্দরেখা আচার্যা৷ আনন্দমার্গের  শ্রাদ্ধানুষ্ঠানের  বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বক্তব্য রাখেন মার্গের এই জেলার  ভুক্তিপ্রধান শ্রী সন্তোষ কুমার বিশ্বাস ও আচার্য জগন্মিত্রানন্দ অবধূত৷

নিউব্যারাকপুরে  অখণ্ড কীর্ত্তন

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

গত ৯ই জুন নিউব্যারাকপুরের শ্রী মোহন অধিকারী মহাশয়ের নিজ বাসভবনে বেলা ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৬ পর্যন্ত অখণ্ড ‘‘াা নাম কেবলম্ কীর্ত্তন অনুষ্ঠিত হল৷  উক্ত অনুষ্ঠানে প্রভাত সঙ্গীত ও কীর্ত্তন পরিচালনা করেন  শ্রী শুভজিৎ হাজারী, হরলাল হাজারী, আচার্য সেবাব্রতানন্দ অবধূত, আচার্য চিরাগতানন্দ অবধূত প্রমুখ৷  কীর্ত্তনশেষে  কীর্ত্তন মাহাত্ম্য সম্পর্কে বক্তব্য  রাখেন আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ  অবধূত, অবধূতিকা  আনন্দ নিরুক্তা আচার্যা প্রমুখ৷ অনুষ্ঠান শেষে সকলকে গৃহকর্র্ত আন্তরিক ধন্যবাদ জানান৷

এভাবে দল-বদল কি নীতি সম্মত?

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

গত ১৭ই জুন নোয়া পাড়ার  তৃণমূল বিধায়ক সুনীল সিং ও১৮ই জুন বনগাঁ উত্তরের বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন৷ খবর পাওয়া যাচ্ছে  মুকুল রায়ের  হাত  ধরে  উত্তরবঙ্গের  ৪ জন বিধায়ক  বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন৷

বিজেপির রাজ্য সভাপতি-দিলীপ ঘোষ  বলেন, লোকসভা নির্বাচনের  আগে  পশ্চিমবঙ্গের  বিজেপির ৩জন  বিধায়ক ছিলেন৷ এখন সেই সংখ্যা লাফিয়ে হয়েছে  বারো৷ এক দলের হয়ে, ওই  দলের  আদর্শকে সামনে রেখে যাঁরা  নির্বাচনে জয়লাভ করেছেন, উচিত তো--- ওই দল যখন  বদল করছেন, অর্থাৎ পুরোনো দলের মতাদর্শ যখন  মানছেন না, তখন নূতন মতাদর্শ সামনে রেখে  নির্বাচন প্রার্থী হওয়া তা  না হয়ে  সোজাসুজি  দল-বদল করে নূতন দলের  বিধায়ক হিসেবে বিধানসভায় বসা নীতিগতভাবে অন্ততঃ একেবারে ঠিক নয়৷

কাটমানি ফেরতের দাবীতে দুই নেতার বাড়ী ঘেরাও

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

মমতার কাট মানি ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দানের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বীরভূমের ইলামবাজার থানার শ্রীচন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য উত্তম বাউরী ও বুথ সভাপতি রাজীব আকুরের বাড়ী ঘেরাও করে কাটমানি ফেরতের দাবী জানাল গ্রামবাসীরা৷ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় পুলিশ বাহিনী৷ পুলিশের উপস্থিতিতে এই দুই নেতা কাটমানি ফেরৎ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন৷

কাটমানি সমস্যা ভাবিয়ে তুলেছে মুখ্যমন্ত্রীকেও

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

সরকারী প্রকল্পের সুবিধা বণ্টনের ক্ষেত্রে ও এমনি আরো অনেক ক্ষেত্রে দলের নেতা-কর্মীরা জনগণের কাছ থেকে ‘তোলা তুলছেন’, বিভিন্ন প্রকল্পের টাকা থেকে ‘কাটমানি’ খাচ্ছেন---এবার এই অভিযোগ আনলেন স্বয়ং এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী৷ গত ১৮ই জুন দক্ষিণ কলকাতার নজরুল মঞ্চে রাজ্যের সমস্ত পুরসভার নির্বাচিত দলীয় প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী এই মারাত্মক অভিযোগ এনে দলে যারা এইভাবে দুর্নীতি করছে তাদের ধমক দেন ও যারা কাটমানি নিয়েছে তাদের তা অবিলম্বে ফেরৎ দেওয়ার নির্দেশ দেন৷

এই বৈঠকে তিনি বলেন---নানান জনহিতকর প্রকল্পে জনগণের স্বার্থে সরকার যে অর্থ ব্যয় করছেন, দলীয় নেতা-কর্মীরা তার কমিশন নিচ্ছেন, এটা তাঁর অজানা নয়৷ তাঁর দাবী ‘বাঙলার বাড়ী’ প্রকল্পে টাকা পাইয়ে দিয়ে ২৫ শতাংশ কমিশন নেওয়া হয়েছে৷ এমনকি কন্যাশ্রী, সমব্যথীর মত প্রকল্পেও কমিশন কাটা হয়েছে৷ সমব্যথী প্রকল্পে ২০০০ টাকা দেওয়া হয়, সেখানেও ২০০ টাকা কমিশন দিতে হচ্ছে বলে তার কাছে খবর আছে৷ মমতা বলেন, এসব বরদাস্ত করা হবে না৷ তাড়িয়ে দেওয়া হবে৷ তিনি আরো বলেন, যাঁরা টাকা নিয়ে ধরা পড়েছে, তারা অন্য দলে চলে যাচ্ছে৷ তবে যাঁরা দলে থাকতে চান, তাঁদের অবিলম্বে কাট মানির টাকা ফেরৎ দিতে হবে৷

১১ বছরে ২ লক্ষ কোটি টাকা ব্যাঙ্ক জালিয়াতি

সংবাদদাতা
পি.এন.এ.
সময়

জনসাধারণ তাদের  অর্জিত অর্থ তিল তিল করে সঞ্চয়  করে রাখেন ব্যাঙ্কে৷ আর এক শ্রেণীর  পূঁজিপতি একের পর  এক ব্যাঙ্ক জালিয়াতি করে গরীব-মধ্যবিত্তের  সেই  সঞ্চিত ধন আত্মসাৎ করেন৷ লোকসভা নির্বাচনের  পূর্বেই বিজয় মালিয়া, নীরব মোদি, মেহুল চোক্সিদের  ব্যাঙ্ক  জালিয়াতির  খবর প্রকাশিত হয়েছিল৷ নির্বাচন পর্ব মিটে  যাওয়ার  পর ব্যাঙ্ক  জালিয়াতি নিয়ে আরও  বিস্তারিত  ও ভীষণ চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে৷

গত ১২ই জুন  রিজার্ভ ব্যাঙ্ক থেকে জানানো হয়েছে, ২০০৮-০৯ সাল থেকে  ২০১৮-১৯ এই ১১ অর্থবর্ষে এদেশে  মোট ব্যাঙ্ক  জালিয়াতির  সংখ্যা ৫৩ হাজার ৩৩৪৷ আর এতে ব্যাঙ্ক থেকে জালিয়াতি মারফৎ উধাও হয়েছে  ২.০৫ লক্ষ কোটি  টাকা৷  খোয়া যাওয়া টাকার বিচারে সবচেয়ে বেশি  ক্ষতি হয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলি জানা গেছে, গত আর্থিক বছরে মোট ৬,৮০১ টি জালিয়াতির ঘটনা ঘটেছিল৷ এতে বাণিজ্যিক  ব্যাঙ্ক ও আর্থিক  প্রতিষ্ঠানগুলি থেকে  জালিয়াতি হয়েছে ৭১ হাজার ৫৪২ কোটি ৯৩ লক্ষ টাকা৷

গত ১২ই জুন  রিজার্ভ ব্যাঙ্ক  যে জালিয়াতির  তথ্য প্রকাশ  করেছে  তাতে দেখা গেছে, ২০০৮-০৯ সাল থেকে  ২০১১-১২ সাল পর্যন্ত  জালিয়াতির দরুণ উধাও হয়েছে ৪ হাজার ৫০১ কোটি ১৫ লক্ষ টাকা৷ ২০১৩-১৪ সালে  খোয়া গিয়েছিল ১০ হাজার ,১৭০ কোটি ৮১ লক্ষ টাকা৷  কেন্দ্রে মোদি সরকার ক্ষমতায় আসার পর  ২০১৪-১৫ সালে  জালিয়াতির অংকটা এক লাফে  পৌঁছে  যায়  ১৯ হাজার ৪৫৫ কোটি ৭ লক্ষ টাকায়৷

২০১৫-১৬ ও ২০১৬-১৭ সালে জালিয়াতির পরিমাণ যথাক্রমে  ১৮ হাজার ৬৯৮ কোটি ৮২ লক্ষ টাকা ও ২৩ হাজার  ৯৩৩ কোটি ৮৫ লক্ষ টাকা৷  ২০১৭-১৮ সালে  ব্যাঙ্ক  জালয়াতিতে উধাও হওয়া টাকার পরিমাণ আগের সব হিসেবকে ছাপিয়ে  পৌঁছে  যায় ৪২ হাজার ১৬৭ কোটি ৩ লক্ষ টাকায়৷

এক গরীব বা মধ্যবিত্ত চাষী ঋণের  টাকা  ঠিক সময়ে শোধ করতে না পারলে  তাকে  নানানভাবে হেনস্থার  সম্মুখীন  হতে হয়, তাদের পুরোনো ঋণ শোধ না করলে  নূতন ঋণ দেওয়াও  হয় না৷ তদুপরি স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করা হয়৷  কিন্তু  এই সমস্ত  পূঁজিপতিদের ক্ষেত্রে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ বার বার  পুরোনো  ঋণ শোধ না হলেও  নূতন করে ঋণ দিয়ে যান৷ এইভাবে  বিশাল  অংকের  টাকা ঋণ নিয়ে  আর ঋণশোধের  নামটি করেন না৷ পুরো ঋণটা গায়েব করে দেন৷ অথচ  দু’একটি  ঘটনা  ছাড়া  অধিকাংশ  ক্ষেত্রে  এই ব্যাঙ্ক জালিয়াতরা বহাল তবিয়তে  ঘুরে বেড়ায়৷ তাদের  কোনো শাস্তিও হয় না , আবার  তাদের কে দেওয়া ঋণের  টাকা ফেরৎ  নেওয়ার  কোনো সেরকম কড়া  ব্যবস্থা  গ্রহণ করা হয় না৷

লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা অধীর চউধুরী

সংবাদদাতা
পি.এন.এ.
সময়

লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা হিসাবে নির্বাচিত হলেন পশ্চিমবঙ্গ থেকে নির্বাচিত সাংসদ অধীররঞ্জন চউধুরী৷ ১৮ই জুন সকালে সোনিয়া গান্ধী তাঁকে ১০ নং জনপথে ডেকে লোকসভার নতুন এই দায়িত্বর কথা জানিয়ে দেন৷

সেই সঙ্গে কংগ্রেসের মুখ্য সচেতক করা হ’ল কেরলের এম.পি. কে. সুরেশকে৷

লোকসভা স্পিকার ওম বিড়লা

সংবাদদাতা
পি.এন.এ.
সময়

লোকসভায় স্পিকার নির্বাচিত হলেন বিজেপির সাংসদ ওম বিড়লা৷ ১৯শে জুন কোনো নির্বাচন ছাড়াই সর্বসম্মতভাবে সব দলের নেতারাই তাঁকে স্পিকার হিসাবে মেনে নেন৷ এদিন নতুন স্পিকার হিসেবে তাঁর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে প্রস্তাব করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷ সব দলই তা মেনে নেন৷

যোগ সাধনাই সমাজের নৈতিক মানোন্নয়নের মুখ্য মাধ্যম

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

২১শে জুন : আজ ‘যোগ দিবস’ উপলক্ষ্যে আনন্দমার্গের ধর্মপ্রচার সচিব আচার্য বিকাশানন্দ অবধূত এক প্রেস বিবৃতিতে বলেন, বর্তমানে সমাজের সর্বস্তরে নৈতিকতার অধঃপতনটাই সমাজে মূল সমস্যা, আর যোগ সাধনাই  নৈতিক মানোন্নয়নের প্রধান মাধ্যম৷ তাই আজ যোগ দিবসের দিন, যোগ সাধনা অর্থাৎ যোগাসন ও যোগ-ধ্যান সহ অষ্টাঙ্গিক যোগ সাধনা সম্পর্কে সর্বসাধারণকে সচেতন হতে হবে৷ জানতে হবে যোগ কোনো বিশেষ সম্প্রদায়ের সম্পদ নয়, এটা বিজ্ঞান৷ যেমন বিদ্যুৎ, কম্পিউটার বিজ্ঞান এসবের সঙ্গে কোনো সম্প্রদায়ের সম্পর্ক নেই, এগুলো যেমন মানব জাতির সম্পদ, যোগও তেমনি সমগ্র মানব জাতির সম্পদ৷ জৈব-মনোবিজ্ঞান (Bio-psychology)-এর ভিত্তি৷ প্রকৃতপক্ষে সমস্ত জাত-পাত- সম্প্রদায়ের ঊধের্ব উঠে মানসিক বিস্তার ঘটানো ও মনকে বিশ্ব চৈতন্যের সঙ্গে যুক্ত করার মাধ্যমই হ’ল যোগ৷ তাই যোগের আদর্শই মানুষে মানুষে মিলন ঘটাতে পারে ও  যথার্থ বিশ্বৈকতাবাদের প্রতিষ্ঠা করতে পারে৷ যোগ সাধনার নিয়মিত অনুশীলনের দ্বারা মানুষ শরীরকে যেমন সুস্থ ও নীরোগ রাখতে পারে, দুর্বার মানসিক তথা নৈতিক শক্তি অর্জন করতে পারে ও আধ্যাত্মিক পরিপূর্ণতাও লাভ করতে পারে৷

যোগের আদি প্রবক্তা আদিগুরু সদাশিব৷ এজন্যে সদাশিবকে যোগীশ্বরও বলা হয়ে থাকে৷ বলা বাহুল্য অন্যান্য দেবদেবীর মত সদাশিব কোনো কাল্পনিক দেবতা নন৷ আজ থেকে সাত হাজার বৎসর পূর্বে মানব শরীর নিয়ে, এই বিরাট পুরুষের আবির্ভাব হয়েছিল৷ যেমন আজ থেকে প্রায় সাড়ে তিন হাজার বছর পূর্বে কৃষ্ণের আবির্ভাব হয়েছিল৷ যাইহোক, সদাশিবের পর আরও অনেক যোগী-মুনি-ঋষি এই যোগ সাধনাকে অনুসরণ করেছেন৷ বর্তমান যুগে মানুষের শারীরিক ও মানসিক পরিস্থিতি বিচার করে যোগীশ্বর শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তিজী অষ্টাঙ্গিক যোগ সাধনাকে যুগোপযোগী করে, প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ও পরিবর্ধন করে বর্তমান সমাজকে উপহার দিয়েছেন৷ এই যোগ সাধনাকে প্রারম্ভিক যোগ, সহজ যোগ, বিশেষ যোগ প্রভৃতি বিভিন্ন ভাগে বিন্যস্ত করে আনন্দমার্গ প্রচারক সংঘের তরফ থেকে প্রশিক্ষিত আচার্য ও আচার্যাগণ জনসাধারণকে শিক্ষা দিচ্ছেন৷

তথাকথিত জাত-পাত-সম্প্রদায় নির্বিশেষে সবাই এই যোগ সাধনা শিখতে পারেন৷ এর জন্যে কোনও অর্থের প্রয়োজন হবে না৷ কেবল আগ্রহ থাকলেই আনন্দমার্গের আচার্য ও আচার্যাদের কাছে তাঁদের আগ্রহ প্রকাশ করলেই তাঁদের শিখিয়ে দেওয়া হবে ও নিয়মিত এ ব্যাপারে তাঁদের পরামর্শও দেওয়া হবে৷