খেলার খবর

চাঁদের পাহাড় জয় করে গিনেস বুকে উজ্জ্বল হলেন বীরভূমের বঙ্গসন্তান উজ্জ্বল পাল

আমরা সকলে বাঙালীরা একটা জিনিস খুব পছন্দ করি তা হলো ‘এ্যাডভেঞ্চার’ , তাই তো আমাদের লেখকদেরও   সেই দিকেই  বিশেষ আকর্ষণ থাকে৷ যেমন বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছিলেন চাঁদের পাহাড় তাঁর স্বপ্ণ৷ আর সেই স্বপ্ণই জয়ে করে ফিরেছেন এক বঙ্গসন্তান উজ্বল পাল৷  শৈশব থেকে যুবক হওয়া পর্যন্ত বিভূতিভূষণের একটাই স্বপ্ণ ছিল৷ এই স্বপ্ণ পূরণ করলেন উজ্জ্বল৷

রামচন্দ্রপুর আনন্দমার্গ স্কুলে  বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা

৯ই ফেব্রুয়ারী  তারিখে  আনন্দমার্গ স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়৷  এই  ক্রীড়া প্রতিযোগিতায়  শিশুর পড়াশোণা খেলাধূলা ও স্বাস্থ্য সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত  বক্তব্য রাখেন আচার্য কাশীশ্বরানন্দ অবধূত৷ প্রতিযোগিতায় গ্রামের  ছেলেমেয়েরাও অংশগ্রহণ করে৷ বিজয়ী প্রতিযোগীদের পুরস্কার  দিয়ে অনুপ্রাণিত করা হয়৷ ক্রীড়া প্রতিযোগিতায়  অংশগ্রহণকারী সবাইকে আনন্দমার্গ স্কুলের ক্রীড়াদিবসের মেডেল দেওয়া হয়৷

হাইলাকান্দি আনন্দমার্গ স্কুলে বার্ষিক ক্রীড়ানুষ্ঠান

গত ২৬ শে জানুয়ারী অসমের হাইলাকান্দি আনন্দমার্গ স্কুলে বার্ষিক ক্রীড়ানুষ্ঠান হয়৷ স্কুলের ছাত্র-ছাত্রারা বিভিন্ন  খেলায় ও স্পোর্টস-এর বিভিন্ন আইটেমে অংশগ্রহণ করে৷ খেলাধূলার  পর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে আচার্য দীপ্তিময় ব্রহ্মচারী, আচার্য বিশ্বমিত্রানন্দ অবধূত,আচার্য শুভ্রজ্যোতিষানন্দ  অবধূত,ভুক্তিপ্রধান মাধবী  শর্মা প্রমুখ স্কুলের ছাত্র-ছাত্রাদের  হাতে পুরস্কার  তুলে দেন ও তাঁরা তাঁদের  বক্তব্যে ছেলেমেয়েদের  মন দিয়ে  লেখাপড়ার  করার সঙ্গে সঙ্গে  নিজেদের জীবনকে সুন্দর করে গড়ে  তুলতে উৎসাহিত করেন---যাতে তাঁরা প্রত্যেকেই  সমাজের  সম্পদে পরিণত হন৷

আসন্ন ২০১৯ বিশ্বকাপে টিম ইণ্ডিয়ার তুরুপের তাস হবে কে?

ডন ব্রাডম্যান ও রির্র্চড হ্যাডলির  দেশে বিজয়ধবজা উড়িয়ে নোতুন ইতিহাস লেখার পরে এখন প্রধান লক্ষ্য বিশ্বকাপের পনেরো  জনের দল চূড়ান্ত করা৷ আসন্ন বিশ্বকাপ ক্রিকেটে এই দলটিই চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্যে মাঠে নামবে৷ ক্রিকেটে দলের সকলকেই ভাল খেলতে হবে সেরার মুকুট জয় করা জন্যে---তবুও দেখা গেছে বিশ্বকাপের মহারণে দু’একজন খেলোয়াড় অন্য সকলের থেকে ছাপিয়ে গিয়ে ফারাক গড়ে দেয় প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলির মধ্যে৷ এই খেলোয়াড়রাই হন বিশ্বকাপের তুরুপের তাস৷ যেমন ১৯৮৩-র বিশ্বকাপে কপিল দেব, মহিন্দর অমরনাথ ছিনিয়ে আনলেন বিশ্বকাপ৷ তার কয়েক বছর পর শচীন-বিরাট-ধোনীরা তুরুপের তাস হয়ে সেরা খেলাটা খেললেন এক-একজন এক-একটি ম্যাচে৷ দ্বিত

রাজ্য মহিলা ফুটবলে এবার সেরার সেরা বাঙালী মহিলা ফুটবল দল

ইউনিফায়েড  ফুটবলে এবার চ্যাম্পিয়ন  হল রাজ্যের হয়ে প্রতিনিধিত্ব কারী বীরভূমের মেয়েদের ফুটবল দল৷ গত মঙ্গলবার ওড়িশার ভূবনেশ্বরে  কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে  অন্ধ্রপ্রদেশকে হারিয়ে বীরভূমের মেয়েরা  সেরার শিরোপা পাওয়ায় খুবই উচ্ছসিত বাঙলার ফুটবল ব্যষ্টিত্বরা ও রাজ্যের ক্রীড়াবিভাগের কর্তাব্যষ্টিরা৷

শ্রীরামপুর  আনন্দমার্গ প্রাইমারী স্কুলে বাৎসরিক ক্রীড়ানুষ্ঠান

গত ২৯শে জানুয়ারী শ্রীরামপুর আনন্দমার্গ প্রাইমারী স্কুলের বাৎসরিক ক্রীড়ানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়৷ স্থানীয় ময়দানে অনুষ্ঠানটি পালিত হয় ও বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ সুন্দরভাবে অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন৷ সকালে মার্গগুরুর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান ও পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়৷

সারাদিন অধিকাংশ ছাত্র-ছাত্রা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন৷ শেষে পুরস্কার বিতরণ করা হয়৷

এমিলিয়ানো নিখোঁজে শোকে মুহ্যমান গোটা বিশ্ব

হয়তো এমিলিয়ানো আর সশরীরে ফিরে আসবেন না৷ কঠোর এই বাস্তবকে মেনে নিয়ে শোকে পাথর আর্জেণ্টিনার প্রতিটি ফুটবল ক্লাব থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ৷ ফুটবল দুনিয়া যখন তাঁর খোঁজ-খবর রাখছে ভাল স্ট্রাইকার হবার জন্যে, যখন অনেক ফুটবল পাগল মানুষ তাঁর খেলায় অভিভূত, তিনি নিজেও জানেন তিনি একজন প্রতিষ্ঠিত ফুটবলার তখনই ছন্দপতন ঘটে গেল৷

জাঁকজমকপূর্ণ ভাবে অনুষ্ঠিত হ’ল ‘পার্থ চট্টরাজ স্মৃতি শীল্ড’ ফুটবল টুর্র্ণমেন্ট

গত ১৮ই জানুয়ারী ২০১৯ শুক্রবার সকাল ৮টা-৩০ মিনিটে ‘‘পার্থ চট্টরাজ স্মৃতি শীল্ড’’ ফুটবল টুর্র্ণমেন্টে স্থানীয় ৮টি ফুটবল টিম অংশগ্রহণ করে৷

টুর্র্ণমেন্টে ঘটকগ্রাম  ফুটবল টিম প্রথমস্থান  (চ্যাম্পিয়ান) অধিকার করে৷ রানার আপ হয় দুর্লভপুর তারা মা সংঘ৷ অপরাহ্ণে খেলা শেষে  পুরস্কার  বিতরনী অনুষ্ঠানে সভাপতির  আসন গ্রহণ করেন আচার্য তন্ময়ানন্দ অবধূত৷ বিশিষ্ট অতিথি  হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট  ফুটবল বিশেষজ্ঞ পরেশ কুন্ডু মহাশয়৷

ইস্টবেঙ্গল খুব শক্তিশালী দল তাই এটিকে আরও এগিয়ে থাকতে হবে---বলছেন খালিদ জামিল

ব্রিগেডে একটি রাজনৈতিক  সমাবেশের জন্য শনিবার অনুশীলন বন্ধ ছিল দিপান্দা ডিকাদের৷ গত রবিবার থেকে ফের ইস্টবেঙ্গল ম্যাচের প্রস্তুতি শুরু করেছেন সনি নর্দেরা৷ ফোনে খালিদ বলে দিয়েছেন, ‘‘এই ম্যাচটা জিততে হবে৷ জিতলে খেতাবের  লড়াইতে ফেরার রাস্তা তৈরি হলেও হতে পারে৷ এই ম্যাচটা না জিততে পারলে তো আর কোনও অঙ্কই কাজে লাগবে না৷’’ তাঁর কোচিংয়ে কোনও গোল না খেয়ে পরপর দু’ম্যাচ জিতলেও  ডার্বির  সঙ্গে  তাঁর  যে ওই ম্যাচগুলির যে কোনোও তুলনা হয়না, জানেন খালিদ৷ গত মরসুমে  ইস্টবেঙ্গলকে কোচিং করিয়ে একবারও এই ম্যাচ জিততে পারেননি তিনি৷ সে জন্যই এবার প্রচণ্ড সতর্ক খালিদ৷ বলছিলেন, ‘‘ওমর এলহুসেইনি সুস্থ হয়ে গিয়েছে৷ গত রবি