প্রবন্ধ

চাই কর্মসংস্থান, ক্রয়ক্ষমতা ও সুষ্ঠু বণ্টন ব্যবস্থা

জ্যোতিবিকাশ সিন্হা

গত ৫ই জুলাই ২০১৯ বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়ী দ্বিতীয় দফায় মোদী সরকারের অর্থমন্ত্রী শ্রীমতী নির্মলা সীতারামন সংসদে বাজেট পেশ করেছেন৷ অন্যান্য বছরের মত বাজেটের কাগজপত্র বহনকারী ব্রীফকেস পরিত্যাগ করে নতুন অর্থমন্ত্রী ফিতে বাঁধা কাপড়ের থলি হাতে সংসদে প্রবেশ করে এক নব দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন৷ লোকসভা নির্বাচনে দেশবাসীর হাত-উপুড় করা ভোট পাওয়ার পর স্বাভাবিকভাবেই জনমানসে প্রত্যাশার আগ্রহ ছিল৷ যদিও প্রত্যাশা অনুপাতে প্রাপ্তির দিকটা খুব বেশী আলোকোজ্জ্বল নয়৷বাজেটের আগেই এক প্রস্থ স্বল্প সঞ্চয়ে সুদ কমানো হয়েছে৷ স্বল্প সঞ্চয়ে সাধারণতঃ কোনও বড় পুঁজিপতি অর্থলগ্ণী করে না---বরং অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীবৃন্দ, স

গণতন্ত্রের প্রধান স্তম্ভগুলো দিন দিন নড়বড়ে হচ্ছে

আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

ভারতে কদর্য রাজনীতি ও দুর্নীতি ব্রিটিশ আমলেই শুরু হয়েছে৷  অহিংসা ও গণতন্ত্রের মুখোশের আড়ালে স্বৈরাচারী একনায়কতন্ত্র সেদিনই কংগ্রেসের মধ্যে আত্মপ্রকাশ করেছিল৷ বিশেষ করে আদর্শে ও কর্তব্যে অটল সুভাষচন্দ্রের জেদী আপোষহীন মনোভাবকে মেনে নেওয়া সম্ভব হয়নি কংগ্রেসের আপোষকামী সুবিধাবাদী নেতৃত্বের পক্ষে৷  তাই সুভাষকে কংগ্রেস থেকে উচ্ছেদ করতে স্বৈরাচারের পথই তারা বেছে নিয়েছিল৷

দার্জিলিংয়ে নেপালী-গোর্খাদের বিচ্ছিন্নতাবাদী দাবীকে কেন্দ্র যেন আদৌ সমর্থন না করেন

প্রভাত খাঁ

সমস্যা সংকুল পশ্চিমবাঙলায়  বিভিন্ন সমস্যাগুলোর সৃষ্টি হয়েছে নানাকারণে৷ এদেশে যে শাসনব্যবস্থা চলছে সেটা মূলত যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসন ব্যবস্থা৷ এই শাসন ব্যবাস্থায় দেশের নিরাপত্তা যৌথভাবে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের দ্বারা রক্ষিত হয়৷ কিন্তু দীঘকাল ধরে দেখা যাচ্ছে বিদেশী সাম্রাজ্যবাদী ইংরেজ চলে যাওয়ার পর যে যে দল কেন্দ্রে ও রাজ্যে শাসনে এসেছে তারা কিন্তু আন্তরিকতার সঙ্গে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করেনি৷ বরং কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার  দলীয় স্বার্থে সীমান্তের নিরাপত্তায় অবহেলা দেখিয়েছে৷ যার দরুণ বর্তমানে সীমান্ত এলাকায় রাজ্যগুলি নানা সমস্যায় ভুগছে৷ যেটা সারা ভারতের পক্ষে চরম ক্ষতিকর৷ এই ধরণের ভয়ঙ্কর সমস্যার কবলে

শৃঙ্খলা

দাদাঠাকুরের চিঠি

জীবনে সফল হবার জন্যে শৃঙ্খলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ উপাদান৷ ঘরে, সুক্লে, খেলার মাঠে শৃঙ্খলার অভাব দেখা দিলেই অশান্তি ঘটে৷ যে ছেলে–মেয়েরা শৃঙ্খলা মানে না, তারা জীবনে কখনও বড় হতে পারে না, তাদের কেউ ভালবাসে না৷ তাই আমাদের জীবনে সর্বক্ষেত্রে শৃঙ্খলা মেনে চলতে হবে৷

১৷ তুমি তোমার ক্লাশে কখনও গণ্ডগোল করবে না, সবসময় শান্ত হয়ে থাকবে৷

২৷ কেউ কিছু লোকের মধ্যে বসে কিছু বলতে থাকলে তখন তুমি চুপ করে থাকবে৷ তার কথা বলা শেষ হলেই তুমি কথা বলবে৷ যেমন–

৩৷ তোমারা সবাই ছুটির পরে ক্লাশ থেকে এক সঙ্গে বেরোবে না, এক একজন করে বের হবে৷

৪৷ তোমরা কখনও তোমাদের জামা, প্যাণ্ঢ নোংরা করবে না৷

মনে পড়ে

মন্ত্র আনন্দ

আলিপুর সেন্ট্রাল জেল, ৭ই জুলাই, ১৯৩১

বউদি,

এইমাত্র তোমার চিঠিখানা পাইলাম৷ আমার জীবন কাহিনী জানাইবার সুযোগ হইল না৷ কী-ই বা জানাই বলোতো? আমার সকল কথাই তো তোমাদের বুকে চিরকাল আঁকা থাকিবে৷ তুচ্ছ কালির আঁচড় কি তাহাকে আরও উজ্জ্বল করিয়া তুলিতে পারিবে? আমার যত অপরাধ ক্ষমা করিবে৷ এ জন্মের মত বিদায়৷    তোমার ঠাকুরপো

বাঙালীর দুঃখ মোচন হয়নি কেন জবাব চাই, জবাব কই?

ভবেশ বসাক

সময়ের স্রোতে বয়ে গেছে কত কিছু! সুখ-দুঃখের জীবন তরীতে আমরা বাঙালীরা শুধু দিয়েই গেলাম৷ পিছন ফিরে তাকালে স্পষ্ট হয়  কত শত ঘটনা৷ বাঙালী জাতি নিঃস্বার্থভাবে সেবা করে গেছে সমাজের উন্নতির লক্ষ্যে৷ নিজ ভূমিতে স্থান দিয়েছে অন্য অনেক জাতিকে, অন্নহীনকে অন্ন দিয়েছে, গৃহহীনকে স্থান দিয়েছেন নিজ গৃহে৷ লক্ষ্য সকলকে নিয়ে সুখে শান্তিতে বেঁচে থাকা৷ 

জল চাই আরও জল চাই

আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

প্রকৃতির নির্মম পরিহাস!  মানুষের  সীমাহীন লোভের পরিণতি! প্রকৃতিকে জয় করার বিজ্ঞানের  ব্যর্থ প্রচেষ্টা !  পৃথিবীর তিন ভাগ জল এক ভাগ স্থল,সেই পৃথিবীর মানুষ জলের জন্য হাহাকার  করছে৷ কোথাও এক বুক জলে দাঁড়িয়ে মানুষ  এক ফোঁটা জলের জন্যে হাহাকার করছে৷ কোথাও রুক্ষ্ম-শুক্ষ মরুভূমিতে মানুষ এক বিন্দু জলের জন্যে বুক চাপড়াচ্ছে৷  জল থেকেও জল নেই অবস্থা!

কেন্দ্রের বর্তমান দিশাহীন আয়-ব্যয়মাতৃকা (বাজেট) কোনও আশার আলো তুলে ধরতে পারেনি

প্রভাত খাঁ

এটি দেশের এক অপরিচ্ছন্ন ঘাটতি আয়-ব্যয়মাত্রিকা (বাজেট), যা কোটি কোটি মানুষের জীবনে কোনও আর্থিক উন্নয়নের দিশা দেখাতে পারবে না, কারণ এই আয়-ব্যয় মাত্রিকা  দেশের বেকার সমস্যা সমাধানের কোনও পরিচ্ছন্ন দিশার সন্ধান দিতে পারেনি৷ এতে চরমভাবে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পাবে, নারী না পুরুষ কে বাজেট পেশ করলেন সেটা বড় কথা নয়, এই বাজেটে পেট্রোল ও ডিজেলের মূল্য লিটার প্রতি দুই টাকা করে তাতে সর্বক্ষেত্রে আরও মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েই গেল৷

কেন নিরামিষ ভোজন করা বাঞ্ছনীয়

পূর্ণানন্দ রায়

ইংরাজীতে একটা প্রবাদ বাক্য আছে,‘‘If wealth is lost, nothing is lost, is health is lost something is lost, if character is lost, everything is lost’’ অর্থাৎ ধনসম্পত্তি হারালে কিছু ক্ষতি নাই, স্বাস্থ্য হারালে কিছু হারাল, কিন্তু চরিত্র হারালে সবই গেল৷ স্বামী বিবেকানন্দের মূল মন্ত্র ছিল---‘তোরা চরিত্রবান হ৷’