প্রবন্ধ

বন্ধু হে, নিয়ে চলো.......

জ্যোতিবিকাশ সিন্হা

বর্তমান পৃথিবীর এক সংকটময় মুহূর্ত্তে মানব সভ্যতা যখন ক্রমশঃ মর্র্মন্তিক পরিণতির দিকে এগিয়ে চলেছে, চতুর্দিকে অস্ত্রের ঝনঝনি, রাসায়নিক-পারমানবিক অস্ত্রের বিষবাষ্প, মানুষের লোভ, অহংকার ও বর্বরতা বিশ্বপিতার সুন্দর সৃষ্টি পৃথিবীর সর্বনাশে উদ্যত--- এই যুগসন্ধিক্ষণে আবির্ভূত মহান দার্শনিক শ্রী প্রভাতরঞ্জন সরকার মানব সমাজের কল্যাণে প্রদান করলেন যুগান্তকারী ‘‘প্রভাত সংগীত’’ যার প্রথম গানটি রচিত হল ১৯৮২ সালের ১৪ই সেপ্ঢেম্বর দেওঘরের মনোরম প্রাকৃতিক ও আধ্যাত্মিক পরিমন্ডলে ঃ

 ‘‘বন্ধু হে নিয়ে চলো,

আলোর ওই ঝর্ণাধারার পানে৷৷

আঁধারের ব্যথা আর সয় না প্রাণে৷৷

প্রভাত  সঙ্গীত ও শ্রীশ্রী আনন্দমূর্ত্তি

শ্রীজ্যোতির্ময় পাহাড়ী

বিবর্তনের ধারা পথ বেয়ে উদ্ভিদ, পশু-পাখীর স্তর অতিক্রম করে পশু-মানব আজকের আধুনিক মানবে পরিণত হয়েছে, পশুমানবরূপে বনে জঙ্গলে বিচরণ  করার সময় পাশবিক বৃত্তির দেহসবর্বস্বতাই ছিল তার চরিত্রের প্রধান বৈশিষ্ট্য৷ তবে সৃষ্টিকর্তা মানুষকে ‘মন’ দিয়েছিলেন যা পশু-পাখীকে প্রদান করেননি৷ কালক্রমে মানুষের শরীরেরও মনের পরিবর্তন হয়েছে৷ ধীরে ধীরে তার বুদ্ধির  বিকাশ ঘটেছে  বিবেকবোধ  জাগ্রত হয়েছে ও ভালমন্দ বিচার  করতে শিখেছে৷ তবুও আজকের মানুষের  মধ্যে জন্মজন্মান্তরের  পশুজীবনের সংস্কার ও অভ্যাস সুপ্ত অবস্থায় বিরাজ করছে৷ অপরদিকে জীবাত্মা যেহেতু পরমাত্মার অংশবিশেষ সেই কারণে মানুষের মধ্যে দেব সুলভ গুণাবলী পরিলক্ষিত হ

এন আর সি--- রাষ্ট্রের মানবিক হওয়া উচিত

প্রভাত খাঁ

গত ১৯৭১ সালের ২৪শে মার্চের  আগে অসমে যাঁরা ভারতীয়  ছিলেন সেই ৩কোটি  ৩০ লক্ষ মানুষকে প্রমান দিতে হয়েছে৷ এই এন.আর.সি খসড়ায় ৪১ লক্ষ মানুষ  বাদ গেছে৷  গত ৩১ শে আগষ্ট তাঁদের  তালিকা  প্রকাশিত হয়েছে৷ এতে সারা অসমে  জনগণের  মধ্যে এক চরম আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে৷ চুড়ান্ত তালিকায় যাদের  নাম বাদ যাবে ---কেন্দ্রীয়  স্বরাষ্ট্র দফতর গত ২০শে আগষ্ট এক বিজ্ঞপ্তিতে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করার মেয়াদ ১২০ দিন বাড়িয়েছে৷ জানানো হয়েছে এন.আর.সিতে নাম না থাকলেই তারা বিদেশী নয়, এই বিজ্ঞপ্তিতে অবশ্য মানুষের আতঙ্ক সামান্য পরিমাণেও কাটেনি৷ ২০১৮ সালের জুলাই মাসে  প্রকাশিত খসড়ার পরিপ্রেক্ষিতে অসমের রাজনৈতিক দলগুলির আশঙ্কা ছিল যে

প্রভাত সঙ্গীত---সাংস্কৃতিক বিপ্লবের অগ্রদূত

আচার্য সত্যশিবানন্দ অবধূ্ত

আজকে সারা দেশজুড়ে, শুধু দেশ নয়, সমগ্র মানবসমাজ জুড়েই দেখা দিয়েছে এক ভয়ঙ্কর সাংস্কৃতিক অবক্ষয়৷ সংস্কৃতি কী?

প্রভাত সঙ্গীত--- নবজাগরণের সঙ্গীত

আচার্য সত্যশিবানন্দ অবধূত

১৪ই সেপ্ঢেম্বর প্রভাত সঙ্গীত দিবস৷ ১৯৮২ সালের এই দিনে পরমশ্রদ্ধেয় মহান দার্শনিক শ্রী প্রভাতরঞ্জন সরকার যিনি ধর্মগুরু শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তিজী রূপে সমগ্র বিশ্বে পরিচিত৷ তিনি এই দিন শুরু করেন তাঁর যুগান্তকারী প্রভাত সঙ্গীত রচনা৷ যিনি মাত্র আট বছর এক মাস সাত দিনের মধ্যে ৫০১৮টি প্রভাত সঙ্গীত রচনা করেন ও তাতে নিজেই সুরারোপ পরেন৷ আর তাঁর প্রতিটি সঙ্গীতই ভাব-ভাষা-সুর ও ছন্দে অভিনবত্বের দাবীদার৷

প্রতি বছর ৫০ লাখ লোক মারা যায় ধূমপানের কারণে

ওয়ার্ল্ড হেলথ্ অর্গানাইজেশনের মতে নিকোটিন গ্রহণের কারণে সারা বিশ্বে প্রতি বছর প্রায় ৫০ লাখ লোক মারা যায়৷ ডব্লিউ–এইচ–ও–র মতে ধূমপান বন্ধের ব্যাপারে কোন দেশের সরকার তেমন কড়াকড়ি করে না৷ মৃত্যুহারের মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে৷ সারা বিশ্বের মোট ধূমপায়ীর প্রায় ৯৫ শতাংশই কোন নিয়ম কানুনের ধার ধারে না৷ ধূমপান করে৷ এ পরিস্থিতি চলতে থাকলে ২০৩০ সালের মধ্যে এই মৃত্যুহার গিয়ে দাঁড়াবে ৮০ লাখে৷ তাদের তথ্য থেকে আরো জানা যায়, সেকেণ্ড হ্যাণ্ড ধূমপান অর্থাৎ ধূমপানের ধোঁয়া থেকে আক্রান্ত হয়ে প্রতি বছর মারা যায় প্রায় ৬ লাখ লোক৷ ধূমপানের ভয়াবহতা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর জন্যে ডব্লিউ–এইচ–ও ২০০৩ থেকে সারা বিশ্বের প্রায় ১৭০

মনে পড়ে

পথিক বর

১৯৪৩ সাল ৪ঠা জুলাই, সিঙ্গাপুরের ক্যাথে বিল্ডিং৷ চারিদিকে লোকে লোকারণ্য৷ প্রেক্ষাগৃহে তিল ধারণের স্থান নেই৷ আনন্দ উচ্ছ্বল মুখগুলো অপেক্ষা করছে কোনও একজনের জন্যে৷ এত ভীড়, এত কষ্ট তবু মুখে কারো কোনও বিরক্তির ছাপ নেই৷ সবাই অধীর আগ্রহে বসে আছে আকাঙ্ক্ষিত মানুষটির জন্যে৷

রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ণে সারা বিশ্ব আজ সংকটে, নব্যমানবতাবাদই মানবসমাজ ও  সৃষ্টিকে বাঁচাতে পারে

প্রভাত খাঁ

ভারতের আয়তন বেশ বড়ো৷ এখানে নানা ভাষা-ভাষী ও ধর্মমতের মানুষ বাস করেন৷ তারমধ্যে ভারতের সুপ্রাচীন কাল থেকে যাঁরা বাস করছেন তাঁরা আছেন, আর আছেন দেশের বাহির থেকে আসা   বিভিন্ন ধর্মমতের  বাসিন্দারা ও তাঁদের বংশোধর গণ৷ যাঁরা  সুপ্রাচীন কাল থেকে বাস করছেন তাঁরা সেই প্রাচীন কালের ধর্মকেই অর্থাৎ সনাতন ধর্মের বার্র্ত্তবহ৷ সেই ধর্মই হলো আধ্যাত্মিক ধর্ম৷ যেটি সব মানুষের ধর্ম৷ কারণ মানব সমাজ হলো এক ও অবিভাজ্য৷ দেশ কাল  পাত্রের আপেক্ষিক জগতে যে আপাত দৃষ্টিতে পার্থক্য দেখা যায় সেটা বাহ্যিক৷ কিন্তু মূলতঃ সকল মানুষের চাওয়া পাওয়াটি একই৷  এমন কোন মানুষ কী আছেন এই পৃথিবী গ্রহে যিনি আনন্দ পেতে চান না!

পলিটিক্যাল স্টেট নয়–সামাজিক অর্থনৈতিক  অঞ্চলই সমাধানের পথ

আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

রাষ্ট্র শব্দটির সঙ্গে ভারতবর্ষের পরিচয় খুব বেশীদিনের নয়৷ বিদেশী বণিকের নানা আদব–কায়দার সঙ্গে রাষ্ট্র শব্দটি ভারতবর্ষে অনুপ্রবেশ করে৷ ভারতীয় সভ্যতার মূলে ছিল সমাজ৷ ভারতবর্ষে অসংখ্য ছোট ছোট রাজ্য ছিল, তথাপি রাজার আইন অপেক্ষা সামাজিক বিধিনিষেধকে মানুষ অনেক ক্ষেশী মর্যাদা ও মান্যতা দিত৷ রাজার আইন মানুষ ভয়ে মানতো৷ কিন্তু সামাজিক বিধিকে মানুষ ঈশ্বরের বিধান বলেই বিশ্বাস করতো৷ যদিও ওই সব সামাজিক বিধিনিষেধের মধ্যে অনেক ভাবজড়তা ও কুসংস্কার ছিল৷ তথাপি ভারতীয় সমাজে ঐক্যের যে বাঁধন ছিল তা ওই সব সামাজিক বিধি–নিষেধের ডোরেই  বাঁধা ছিল৷ ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী ভাবাবেগই ভারতবর্ষকে একটি রাষ্ট্রীয় কাঠামোর

জোট শরিকের ত্রিপুরা  ভাঙার ষড়যন্ত্র

আকাশ দেবনাথ

 ত্রিপুরা ঃ ত্রিপুরায় বিজেপি জোট সরকারের শরিফ আই.পি.এফটি নেতারা ত্রিপ্রাল্যাণ্ডের দাবীতে অনড়৷  গত ২৮ শে আগষ্ট বিজেপি শাষিত জোট সরকারের শরিফ দল  আই.পি.এফ.টির নেতারা দিল্লী গিয়ে  ত্রিপ্রাল্যাণ্ডের দাবী জানিয়ে আসলেন৷ ত্রিপুরার উপজাতি কল্যাণমন্ত্রী মঙ্গল দেববর্র্ম, আই পি এফটির সহকারী সাধারণ সম্পাদক মেবার কুমার জামাতিয়া প্রমুখ নেতৃবৃন্দ৷

কেন্দ্রীয় উপজাতি কল্যাণমন্ত্রী অর্জুন সিং মুণ্ডার সঙ্গে দেখা করে পাঁচ দফা দাবী সম্বলিত একটি দাবী সনদ পেশ করেন৷ ত্রিপ্র্যাল্যাণ্ড ঘটনের আন্দোলন উপজাতিদের দীর্ঘদিনের আন্দোলন৷ অবিলম্বে এই দাবী পূরণের  জন্যে তাঁরা অর্জুন সিং মুণ্ডার কাছে আবেদন করেন৷