ডিমডিহা জলবন্ধ (Dam)

আনন্দ নগরে ডিমডিহা ও ঘাগরা গ্রামদ্বয়ের মধ্যবর্ত্তী স্থানে গুয়াই নামে পাহাড়ী নদী আছে৷ গত ৮ই ডিসেম্বর সকাল সাড়ে দশটায় প্রভাত সঙীত, বাবানাম কীর্ত্তন ও মিলিত সাধনার পর এই জলবন্ধের অনুষ্ঠানিক উদ্বোধন… নিজস্ব সংবাদদাতা

নববর্ষের শুভেচ্ছা

নোতুন পৃথিবীর সমস্ত কর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও পাঠক-পাঠিকাদের আন্তর্জাতিক নববর্ষ ২০১৯-এর আগাম প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানাই৷ নর্

নিজস্ব সংবাদদাতা

‘রাওয়া’র উদ্যোগে নৈহাটী ঐকতান মঞ্চে শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তিজী অবদানের ওপর আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

নৈহাটী ঃ ২১ নভেম্বর, ২০১৮ বুধবার সন্ধ্যায় নৈহাটীর ‘ঐকতান’  মঞ্চে বিশ্ববন্দিত মহান দার্শনিক ও কালজয়ী সঙ্গীতগুরু শ্রীপ্

নিজস্ব সংবাদদাতা

শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তিজী পার্থিব দেহের মহাপ্রয়াণ দিবসে কলকাতায় আনন্দমার্গীদের মহাসমাবেশ

২১শে অক্টোবর মহাসম্ভূতি শ্রীশ্রীআনন্দ–মূর্ত্তিজ্ পার্থিব দেহের মহাপ্রয়াণ দিবস৷ ১৯৯০ সালের ২১শে অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৩টার সময় কলকাতাস্থিত মার্গগুরুভবন ‘মধুকোরকে’ তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন৷ পত্রিকা প্রতিনিধি

উপযুক্ত রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে মাঝেরহাটে আবার সেতুভঙ্গ

গত ৪ঠা সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বিকেলে হঠাৎ বিকট শব্দে চারদিক কাঁপিয়ে যানবাহন নিয়ে ধসে পড়ল মাঝেরহাট সেতু৷ ব্রীজের ওপর তখন ছিল একটি চার চাকা গাড়ী, একটি মিনিবাস ও কয়েকটি মোটর সাইকেল৷ ব্রীজের নীচেও কয়েকজন… নিজস্ব সংবাদদাতা

আদর্শ ও জীবন–সাধনা প্রসঙ্গে

নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু

প্রত্যেক  ব্যষ্টির বা জাতির একটা ধর্ম বা আদর্শ আছে৷ সে Ideal বা আদর্শকে অবলম্বন বা আশ্রয় করিয়া সে গড়িয়া ওঠে৷ সেই Ideal–কে সার্থক করাই তার জীবনের উদ্দেশ্য এবং সেই Ideal বা আদর্শকে বাদ দিলে তার জীবন নিষ্প্রয়োজন ও অর্থহীন হয়ে পড়ে৷ দেশ ও কালের গণ্ডীর মধ্যে আদর্শের ক্রমবিকাশ বা অভিব্যক্তি একদিনে বা এক বৎসরে হয় না৷....আদর্শ একটা প্রাণহীন বস্তু নয়৷ তার বেগ আছে, গতি আছে৷ প্রাণ–সঞ্চারিণী শক্তি আছে৷....

তোমার আসন শূন্য আজও, হে তাপস নেতাজী

প্রভাত খাঁ

কালচক্রের বিরাম নেই৷ সে চলে চলেছে অসীমের পানে৷ আমরাও চলে চলেছি তার সাথে৷ এই চলার পথে আমাদের মতো অতি সাধারণ মানুষের মধ্যে কখনো কখনো এমন ক্ষণজন্মা মহামানব জন্মগ্রহণ করেন যাঁরা তাঁদের ত্যাগ, নিষ্ঠা, চারিত্রিক দৃৃতা, নৈতিকতা ও অন্যায়–শোষণের বিরুদ্ধে আপোষহীন সংগ্রামের জন্যে মানুষের সমাজে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকেন৷ ঘুরে ঘুরে সেই ২৩ শে জানুয়ারী আবার আসছে আমাদের জানাতে–কৈ, তোমরা তৈরী হয়েছো তো দেশবরেণ্য নেতাজী সুভাষচন্দ্রকে শ্রদ্ধা জানাতে, তাঁর অসমাপ্ত কর্মকে সমাপ্ত করতে?

ধূমপান অতি বিপজ্জনক

যোগাচার্য্য

ধূমপান করা যে কত বিপজ্জনক তা শুনে ধূমপায়ীরা আঁতকে উঠবেন৷ ব্রিটেনের রয়েল কলেজ অব্ ফিজিসিয়ান্স্(Britain's Royal College of Physicians) ধূমপানের কুফল সম্বন্ধে যে সকল সত্য উদ্ঘাটিত করেছেন তা সত্যিই উদ্বেগজনক৷

ধূমপানের বহু মারাত্মক রোগের বহুল প্রমাণ এইসব রিপোর্টে দেখান হয়েছে৷ যেমন ঃ  ফুসফুসে ক্যানসাব, হৃদরো, ব্রঙ্কাইটিস্(Bronchitis) অর্থাৎ শ্বাসনালীর ঝিল্লীর প্রদাহজনিত রোগ বা কফ্ রোগ, পরিপাক যন্ত্রের বিভিন্ন রকম রোগ (যেমন ঃ পরিপাকযন্ত্রে ঘা(Peptic ulcer) ইত্যাদি৷

নব্যমানবতাবাদী শিক্ষা প্রসঙ্গে

আচার্য প্রসূনানন্দ অবধূত

আনন্দমার্গের নব্যমানবতাবাদী শিক্ষা প্রসঙ্গে আলোচনা করার আগে বর্তমান সমাজের শিক্ষা ব্যবস্থার হাল হকিকত একটু দেখে নেওয়া প্রয়োজন৷ কয়েকমাস আগে খবরের শিরোণামে আসা ভাগাড়ের মরা পশুর মাংস শহরের রেস্তোরায় বিক্রি তথা ভাগাড় কাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিতে আমি ‘নোতুন পৃথিবী’ পত্রিকায় একটা প্রবন্ধ লিখেছিলুম৷ যার শিরোণাম ছিল ‘সমাজের ভাগাড়ায়ন---উত্তরণ কোন্ পথে’৷ সেখানে অবক্ষয় অর্থে ভাগাড়ায়ন শব্দটি ব্যবহার করেছিলুম৷  সমাজের সর্বক্ষেত্র কীভাবে অবক্ষয়ের চূড়ান্ত সীমায় পৌঁছেছে তা বলতে গিয়ে আমি শিক্ষাক্ষেত্র, রাজনৈতিক ক্ষেত্র ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রের ভাগাড়ায়ন কীভাবে সম্পন্ন হয়েছে তার ব্যাখ্যা করেছিলুম৷ বর্তমানে ভারতের নামী

সকল মানুষের  ধর্ম এক

অরুণাভ সরকার

‘‘স্বধর্মে নিধনং শ্রেয়ঃ, পরধর্র্মে ভয়াবহঃ৷’’ গীতোক্ত এই  আপ্তবাক্যের  সাধারণভাবে  যে অর্থ করা হয় তা হলো --- যে যে ধর্মমতে  বিশ্বাসী তার কাছে  সেই ধর্মটি  শ্রেষ্ঠ৷ অপরের ধর্ম  গ্রহণ করা বা ধর্র্মন্তরিত  হওয়া ভয়াবহ৷ তাই বিভিন্ন  ধর্ম মতাবলম্বীই  এ আদর্শ গ্রহণ করে নিজ নিজ ধর্মমতের  স্বপক্ষে অকাট্য যুক্তির  অবতারণা  করে থাকেন৷ কিন্তু  প্রকৃত অর্থ কি তাই?

গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ও নীতিহীন রাজনীতি

নিজস্ব প্রতিনিধি

বর্তমান রাজনীতি যে কতটা আদর্শহীন প্রত্যক্ষ প্রমাণ আমরা  অহঃরহ  পাচ্ছি  সংবাদপত্রের বিবিধ প্রতিবেদনের  মাধ্যমে৷ প্রায়শই প্রতিবেদনের খবরে দেখা  যাচ্ছে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের খবর৷ এই জাতীয়  খবর সংশ্লিষ্ট অঞ্চল অর্র্থৎ যেসব এলাকায়  ঘটনাগুলি  সংঘটিত  হয় সেইসব অঞ্চলে তৈরী হয় রাজ্যের ক্ষমতাসীন দল সম্পর্কে একটা  নেতিবাচক মনোভাব৷ মুখে  কেউ কিছু  বলার  সুযোগ  পান না কিন্তু  এটা ভুললে চলবে না যে নেতিবাচক  মনোভাব  থেকে জনবিস্ফোরণ  ঘটতে  বেশি  দেরি হবে না৷

এভাবে বন্ধ ডেকে কার ভালো করতে চায় নেতারা

আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

৪৮ ঘণ্টার ভারত বন্ধ ডেকেছে কয়েকটি রাজনৈতিক দল ও তাদের লেজুর শ্রমিক সংঘটনগুলি৷ কিন্তু এই বন্ধ কার স্বার্থে? জনগণের কী লাভ এই বন্ধে? যাদের বিরুদ্ধে ডাকা এই বন্ধ, তাদেরই বা কী ক্ষতি? এদেশের মানুষের ৯০ শতাংশের সামাজিক-অর্থনৈতিক-রাজনৈতিক চেতনা নেই বললেই চলে৷ থাকলে বন্ধের নামে রাজনীতি ব্যবসা অনেক দিন আগেই লাটে উঠত৷

বাঙালিদের নিজস্ব বাসভূমি কোথায়?

সুকুমার সরকার

বাঙালির দেশ কোনটি? এই প্রশ্ণ  আজ বাঙালিদের  সামনে  বড় হয়ে  দেখা দিয়েছে৷  অসম, বিহার, মণিপুর, ঝাড়খণ্ড, ওড়িষ্যা, ত্রিপুরা, আন্দামান, দণ্ডকারণ্য সহ বর্তমান ভারতের  বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বাঙালি  বিতাড়ণ চলছে৷  বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গে  দেশ ভাগের  কুফল হিসেবে  আজও হিন্দু  বাঙালি মুসলমান  বাঙালি বিতাড়িত হয়ে চলেছে৷ পশ্চিমবঙ্গে কুর্মী বাঙালী, রাজবংশী বাঙালী , মতুয়া বাঙালী করে  বাঙালীদের বিচ্ছিন্ন করার পাঁয়তারা চলছে৷ আরাকান  বাঙলার  বাঙালিদের দুর্দশার  চিত্র  তো বিশ্ব  বিবেক  কেড়েছে৷ কিন্তু  কেন?  বাঙলা ও বাঙালির  এত  দুরাবস্থার  পিছনে  কারনটাই  বা কী?

চলুন, সুখী সমৃদ্ধ ত্রিপুরা গড়ে তুলি!

জহরলাল সাহা

১০ই ডিসেম্বর ২০১৮ ইং তারিখে  ত্রিপুরার   অন্যতম  দৈনিক  স্যন্দন পত্রিকায়  শ্রদ্ধেয় শম্ভূদেববর্মা ‘‘প্রসঙ্গ এন.আর.সি ও ত্রিপুরা’’  শিরোনামের প্রবন্ধটি সাম্প্রতিককালে একটি উৎকৃষ্ট সমালোচনামূলক  আলোচনা৷  এতে তিনি  সম্মানিত  হরিগোপাল  দেবনাথ, রঘুবীর দাস, জহরলাল সাহা, গৌরাঙ্গরুদ্র পাল, রঞ্জিত  বিশ্বাস,  শংকর দাশ, কপিল  তালুকদার, সংবাদ  প্রতিনিধি  ও জগদীশ  মন্ডল  মহাশয়গণের  লেখার  কিছু সমর্থক  ও কিছু  বিরোধিতা করেছেন৷ সমালোচনা  এক তরফা  হওয়া  উচিত  নয়৷  শ্রী দেববর্মার  গতি ছিল উভয় দিকেই৷ এটা  অবশ্যই  ধন্যবাদই৷

প্রথমেই  আমি মাননীয় শম্ভুবাবু যে যে  কথাগুলো  সমর্থন  করেছেন৷  তা হলো ---