সংবাদ দর্পণ

রাজ্যে হলে চুরি, কেন্দ্রে হলে ভুল

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

আম্ফান বিপর্যয়ে ক্ষতিপূরণের  টাকা এমন অনেক ঘরে পৌঁচেছে যারা আম্ফানে কোনরকম ক্ষতির মুখে পড়েনি৷ এই নিয়ে রাজ্য সরকারকে চোর অপবাদ দিয়ে বিরোধীরা অনেক সোরগোল করেছে৷ রাজ্যপাল থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় নেতামন্ত্রীরাও আম্ফান প্রসঙ্গ তুলে রাজ্যসরকারকে বিঁধেছে৷

ক্ষুদ্রচাষীদের সাহায্যের জন্যে বছর দু’য়েক আগে প্রধানমন্ত্রী করেছেন পি.এম.কিষান (কিষান সম্মান নিধি) প্রকল্প৷ প্রকল্পের শর্তানুযায়ী যে সব চাষীদের দুই হেক্টর জমি আছে তাঁরাই এই সাহায্য পাবেন৷ তবে  ১০ হাজার টাকার বেশী পেনসন পেলে ও করদাতারা এই সুবিধা পাবেন না৷

সম্প্রতি বেঙ্কটেশ নায়েক নামে জনৈক ব্যষ্টি তথ্যের অধিকার আইনে কেন্দ্রের কাছে জানতে চেয়েছিলেন পি.এম কিষানের টাকা প্রকৃত কর্ষকদের হাতে গেছে কিনা? বেঙ্কটেশের প্রশ্ণের উত্তরে কেন্দ্রীয় সরকার জানান প্রকল্পের ১৩৬৪কোটি টাকা ভুল হাতে চলে গেছে৷ শুধু টাকার অঙ্কে নয়, অযোগ্য কর্ষকের সংখ্যাটাও ২০ লক্ষের  বেশী৷ এদের বেশীরভাগই আয়কর দেয় অথবা অন্য শর্র্তনুযায়ী পি.এম কিষানে সুবিধা পাওয়ার যোগ্য নয়৷ রাজ্যে এরকমটা হলে যারা চোর চোর চিৎকার  করে তারা এখন বলছে এটা ভুল করে হয়েছে৷ এখন প্রশ্ণ কি করে কাদের ভুলে এমনটা হলো৷ যে সব রাজ্যে কিষান সম্মান নিধি প্রকল্পে জালিয়াতি হয়েছে তার মধ্যে যেমন অবিজেপি শাসিত পঞ্জাব, মহারাষ্ট্র রয়েছে, আবার বিজেপি শাসিত গুজরাট, উত্তরপ্রদেশ অসম রয়েছে৷

 

দমদমে ‘আমরা বাঙালী’র বিক্ষোভ

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

গত ৯ই জানুয়ারী দমদম স্টেশনে ‘আমরা বাঙালী’ দলের উত্তর ২৪ পরগণা জেলা কমিটি নয়া কৃষিআইন বাতিলের দাবীতে ও দিল্লীতে আন্দোলনরত কর্ষকদের সমর্থনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে ও  পথ সভা করে৷ তাদের অন্যতম দাবী ছিল অবিলম্বে পুঁজিপতিদের স্বার্থ রক্ষাকারী নয়া কৃষি আইন বাতিল করতে হবে ও কৃষিকে সমবায়ের আওতায় আনতে হবে৷ সভায় বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জয়ন্ত দাশ, তপোময় বিশ্বাস, বিপ্রতীক সরকার, শৈলেন মোদক, বাপী পাল প্রমুখ৷

 

অজ্ঞতায় কর্মীরা বিপাকে

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

রবীন্দ্রনাথ বলেছেন দেশজ্ঞান না থাকলে দেশপ্রেম হয় না৷ বাঙলা দখলের নেশায় বিজেপির পরিযায়ী নেতারা দিনে দিনে বাঙলা প্রেমিক হয়ে উঠছেন৷ তবে তাঁদের বাঙলা-জ্ঞানের বহর দেখে দলের নীচু তলার কর্মীরাও চরম অস্বস্তিতে৷ বিদ্যাসাগর সহজপাঠ লিখেছেন, রবীন্দ্রনাথ শান্তিনিকেতনে জন্মেছেন, নেতাদের জ্ঞানগর্ভ বত্তৃণতায় এসব শোণা গেছে৷ এবার দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার মন্তব্যে গ্রামবাঙলার অজ্ঞ লোকটিও হাসছেন৷ এই যদি বাঙলাজ্ঞানের বহর হয়, বাঙলা প্রেম তবে কত না জানি!

গত ৯ই জানুয়ারী নাড্ডা কাটোয়ায় গিয়েছিলেন জনসভা করতে৷ কাটোয়ার জগদানন্দপুরে জনসভার আগে পাশের রাধাগোবিন্দের পঞ্চরত্ন মন্দিরে গিয়েছিলেন৷ সভায় উঠে তিনি বলেন আমি যে মন্দিরে গিয়েছিলাম সেখানেই মহাপ্রভু দীক্ষা নিয়েছেন৷ নাড্ডার এই কথাই বিজেপি কর্মীদের লজ্জায় ফেলেছে, কারণ কাটোয়ার ওই মন্দিরটি তৈরীই হয়েছে চৈতন্য মহাপ্রভুর মৃত্যুর প্রায় ৩০০ বছর পরে৷ এই যাদের বাঙলার ইতিহাসে জ্ঞানের বহর, তাদের বাঙলা প্রেমে না-জানি কতই জল!

 

আগরতলায় বিবেকানন্দের জন্মদিবস পালন

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

 ১২ই জানুয়ারী স্বামী বিবেকানন্দের জন্মোৎসব পালন করা হয় ‘আমরা বাঙালী’ দলের পক্ষ থেকে৷ বিবেকানন্দের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাজ্য সচিব গৌরাঙ্গরুদ্র পাল, যুব সচিব কল্যাণ পাল, রঞ্জিত বিশ্বাস প্রমুখ৷ স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিন উপলক্ষ্যে দলের পক্ষ থেকে আগরতলা শহরে দুঃস্থদের হাতে খাবার তুলে দেওয়া হয়৷

জন্মদিনে বিবেকানন্দের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

হুগলী ঃ স্বামী বিবেকানন্দের পুণ্য জন্মদিনে হুগলী জেলার শ্রীরামপুরে ‘‘আমরা বাঙালী’’, ‘হুগলী জেলার পক্ষ থেকে স্বামীজীর মূর্তিতে মাল্যদান করেন জেলা সচিব শ্রী জ্যোতিবিকাশ সিনহা ও প্রবীণ প্রাউটিষ্ট শ্রী প্রভাত খান মহোদয়৷ ওই অনুষ্ঠানে তাঁরা সংক্ষিপ্ত বক্তব্যের মাধ্যমে বীর সন্ন্যাসীর জীবন, আদর্শ ও কর্ম সম্পর্কে আলোচনা করেন৷ যুবসমাজকে স্বামীজীর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে সমাজ সেবায় এগিয়ে আসতে তাঁরা আহ্বান জানান৷ এছাড়াও হুগলী জেলার চন্দননগর ও বালিপুরে ‘‘আমরা বাঙালী’’র পক্ষে স্বামী বিবেকানন্দের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন ও মাল্যদান করা হয়৷

কলকাতা ঃ ১২ই জানুয়ারী স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিন৷ এইদিন জেলায় জেলায় ‘আমরা বাঙালী’ কর্মী-সমর্থকরা শ্রদ্ধার সঙ্গে বিবেকানন্দের জন্মোৎসব পালন করেন৷ এদিন ছিল বিবেকানন্দের ১৫৮তম জন্মদিবস৷ এইদিন সকালে আমরা বাঙালী কর্মী-সমর্থকরা বিবেকানন্দের পৈত্রিক বাড়ীতে গিয়ে তাঁর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন৷ এখানে উপস্থিত ছিলেন-কেন্দ্রীয় সচিব বকুল রায়,কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জয়ন্ত দাশ, অরূপ মজুমদার, তপোময় বিশ্বাস, এস.পি.সিং, গোপাল রায় চৌধুরী, হিতাংশু ব্যানার্জী, স্বাগতা ব্যানার্জী, সুশীল রায় চৌধুরী প্রমুখ৷

বারাসাত ঃ বারাসাতেও এদিন ‘আমরা বাঙালী’র পক্ষ থেকে শ্রদ্ধার সঙ্গে দিনটি পালন করা হয়৷ এখানে স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শ ও জীবনের  ওপর বক্তব্য রাখেন তপোময় বিশ্বাস, অরূপ মজুমদার, বাপী পাল, রাজু বিশ্বাস, মোহন অধিকারী প্রমুখ৷

এই দিন কাঁকীনাড়ায় আমরা বাঙালীর পক্ষ থেকে বিবেকানন্দের  জন্মদিবস শ্রদ্ধার সঙ্গে পালন করা হয়৷ দলের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শ্রী জয়ন্ত দাশ বিবেকানন্দের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন৷

 

আনন্দমার্গের আদর্শ ও দর্শনের  প্রচারে শুরু হচ্ছে প্রথম ডায়োসিসসেমিনার

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

ষান্মাসিক ধর্ম মহাসম্মেলনের শেষে মার্গ-দর্শন মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে শুরু হয় আলোচনাসভা৷ করোনা ও লক্‌ডাউনের কারণে গত গ্রীষ্মকালীন ধর্মমহাসম্মেলন ও সেমিনারের আয়োজন করা সম্ভব হয়নি৷ তবে এবার করোনার প্রকোপ অনেকটা কমে যাওয়ায় ও লক্‌ডাউন উঠে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক নববর্ষের ধর্মমহাসম্মেলন সাফল্যের সঙ্গে সমাপ্ত হওয়ার পর আয়োজন চলছে আলোচনাসভার৷ কলিকাতা ও শিলং সার্কেলকে চারটে করে জোনে ভাগ করে এই আলোচনাসভা শুরু হচ্ছে৷

আগামী ২২,২৩ ও ২৪শে জানুয়ারী কলিকাতা সার্কেলে মেদিনীপুর ও শিলং সার্কেলে গুয়াহাটিতে আলোচনা সভা শুরু হচ্ছে প্রথম ডায়োসিস স্তরে৷ পরবর্তী সেমিনার হবে বর্ধমান ও লামডিং-এ আগামী ২৯,৩০,৩১শে জানুয়ারী৷ তৃতীয় দফার সেমিনার হবে কলিকাতা সার্কেলে বনগাঁ ও শিলং সার্কেলে শিলচরে আগামী ৫,৬ ও ৭ই ফেব্রুয়ারী৷ চতুর্থ তথা শেষ দফার সেমিনার অনুষ্ঠিত হচ্ছে ১২,১৩ ও ১৪ই ফেব্রুয়ারী শিলিগুড়ি ও আগরতলায়৷ এইভাবে ব্লক ও পঞ্চায়েত স্তর পর্যন্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে৷

তিন দিবসীয় এই আলোচনাসভাগুলিতে মার্গদর্শনের আধ্যাত্মিক ও সামাজিক অর্থনৈতিক তত্ত্বের বিভিন্ন বিষয়ের ওপর আলোচনা হবে৷ আধ্যাত্মিক বিষয়ের মধ্যে থাকছে ‘আধ্যাত্মিক অনুশীলনই সূচ্যগ্র স্তরে পৌঁছানোর পথ’ ও ‘স্বগত অভিভাবন ও পরগত অভিভাবন’৷ সামাজিক অর্থনৈতিক বিষয়ে আলোচনা হবে ‘সামাজিক মনস্তত্ব’ ও ‘অর্থনীতির চারটি ধারা’৷

এছাড়া সাংঘটনিক পর্যালোচনা,সংঘটনের ও মার্গের দর্শন ও আদর্শের প্রচার ও প্রসারে আগামী ছয় মাসের কর্মসূচী গ্রহণ করা হবে ও সদস্যদের মধ্যে দায়িত্ব বন্টন করা হবে৷ প্রত্যহ থাকছে মিলিত আধ্যাত্মিক অনুশীলন,কীর্ত্তন,সান্ধ্যকালীন সাংসৃকতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন৷ স্থানীয় কর্ষক, শ্রমিক ও ছাত্রযুবদের নিয়ে বিশেষ আলোচনা ও বিতর্কসভার আয়োজনও করা হবে৷

ভোটের ভণ্ডামী!

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের রণদামামা বেজে গেছে৷ ভোটের ভাঁড়ার ভরতে অনেকেই এখন ভোল পাল্টাচ্ছে৷ গত নির্বাচনে যিনি বাঙালীকে উইপোকা ঘুষপেটিয়া বলেছিলেন তিনি নিজেই এখন বাঙালী হতে চাইছেন৷ ২০১৪ লোকসভা নির্বাচনে যিনি বাঙালীকে বাক্স-প্যাঁটরা নিয়ে তৈরী থাকতে  বলেছিলেন বাংলাদেশ যাওয়ার জন্য, খবরে প্রকাশ তিনিও এখন বাংলা শিখছেন বাঙালী হওয়ার জন্যে৷ ভিনরাজ্য থেকে পঞ্চরত্ন এসেছেন বাঙলায় নির্বাচন সামলাতে৷ কারণ ভূমিজ রত্নদের প্রতি খুব একটা আস্থা নেই৷ আসলে তৃণমূল না হলেও ভূমিজরা তো বাঙালীই৷ তাই বাঙালীতে আস্থা না রেখে বাঙালী সাজার চেষ্টা ষোল আনাই ভণ্ডামী!

ইতিমধ্যে গোল বেধেছে বহিরাগত নিয়ে৷ কারণ ভিন্ন রাজ্য থেকে এক ঝাঁক নেতা আসছেন বাঙলায় ভোটযুদ্ধে অংশ নিতে৷ এদের বিরুদ্ধেই মূলত বহিরাগতের অভিযোগ৷ তবে এ বিষয়ে সোস্যাল মিডিয়ায় অনেকের অভিমত বহিরাগতের পরিবর্তে পরিযায়ী শব্দটি ব্যবহার করার৷ তাঁদের মত যদি একরাজ্য থেকে অন্যরাজ্যে কাজে গেলে পরিযায়ী শ্রমিক বলা হচ্ছে, তেমনি একরাজ্য থেকে অন্যরাজ্যে ভোট করতে গেলে তাদের পরিযায়ী নেতা বলা হোক৷ তবে বহিরাগত বা পরিযায়ী যাই হোক বাঙালী হওয়ার চেষ্টাটা যে ভোটের ভণ্ডামী এ নিয়ে কোন বিতর্ক নেই৷

 

কৃষি আইনে কর্ষকের ভাগ্য পরিবর্তন হবে না - চাই বাস্তবমুখী পরিকল্পনা

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

কর্ষক আন্দোলনে পর্যদস্তু কেন্দ্রীয় সরকার সুপ্রিম কোর্টের রায়ে স্বস্তি পেলেন৷ কার্যত আন্দোলনে অবরূদ্ধ সরকার একটা বেরোবার রাস্তা বার করলেন৷ কৃষি আইনের ওপর মতামত জানাতে গিয়ে এমনটাই মন্তব্য করলেন ‘আমরা বাঙালী’ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জয়ন্ত দাশ৷ তবে সুপ্রিম কোর্টের রায় কতটা কার্যকর হবে সে ব্যাপারেও সন্দিহান শ্রী দাশ৷ তিনি বলেন আন্দোলনরত কর্ষকরা সুপ্রিমকোর্টের রায় কে ভালো চোখে দেখছেন না৷ আইন রূপায়ণে সুপ্রিমকোর্ট স্থগিত আদেশ দিলেও সরকার ও আন্দোলনরত কর্ষকদের বক্তব্য শোনার জন্যে সুপ্রিমকোর্ট যে চার সদস্যের কমিটি তৈরী করেছে বিতর্ক দানা বেঁধেছে তাদের নিয়েও৷ যে চারজন কে নিয়ে কমিটি তৈরী হয়েছে তাঁদের দু’জন হলেন কৃষি অর্থনীতিবিদ অশোক গুলাটি ও প্রমোদ জোশী৷ দুজনেই এই কৃষি আইনের কট্টর সমর্থক৷ এঁরা একাধিকবার কৃষি আইনের পক্ষে বক্তব্য রেখেছেন৷ অপর দুজন কর্ষক নেতা ভূপেন্দ্র সিংহমান ও  অনিল ধনওয়াত আগেই কৃষি আইনে সমর্থন জানিয়ে কৃষি মন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে৷ শ্রী জয়ন্ত দাশ বলেন এমন চার জনকে নিয়ে কমিটি তৈরী হয়েছে যাদের ভূমিকা নিয়ে সন্দেহ জাগতেই পারে৷ আন্দোলনরত কর্ষকরা জানিয়েও দিয়েছেন তাঁরা তাঁদের বক্তব্য রাখতে কমিটির কাছে যাবেন না৷  আন্দোলনরত কর্ষকরা মনে করছেন সুপ্রিমকোর্টের এই রায় ও কমিটি তৈরী কর্ষকদের সামনে আন্দোলন ভাঙার ফাঁদ৷ প্রশ্ণ উঠছে কমিটির নিরপেক্ষতা নিয়েও৷ কারণ কমিটির চারজনই ইতিমধ্যে কৃষি আইনের পক্ষে স্পষ্টমত দিয়েছেন৷ এদের নিয়ে কমিটি  একটা প্রহসন বলে মনে করছেন আন্দোলনরত কর্ষকরা৷ শ্রী দাশের বক্তব্য এইধরনের সমস্যা সমাধানে নিরপেক্ষ ব্যষ্টিদের নিয়ে কমিটি করা উচিত ছিল৷  কমিটির ভূমিকা নিয়ে তো সন্দেহ জাগছেই, এই কমিটি ঘটনে বিচার ব্যবস্থার প্রতিও মানুষ আস্থা হারাবে৷ পরিশেষে শ্রী জয়ন্ত দাশ বলেন এই আইন ও আন্দোলন কোনটাই কৃষি সমস্যা সমাধানের পথ নয়, তিনি বলেন শুধু অর্থনীতি নয়, শিল্প সাহিত্য সংস্কৃতি,এমনকি খেলাধূলার জগৎটাও পুঁজিপতিদের কুক্ষিগত হয়ে গেছে৷ ধনকুবেরদের শোষণের জাল সমাজের সর্বস্তরে বিছানো আছে৷ এই অবস্থায় শুধু কৃষি আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে বা কৃষি আইনের পরিবর্তন করে কোন সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়৷ তিনি বলেন এই পুঁজিবাদ নির্ভর কেন্দ্রীত অর্থনীতির বিনাশ ঘটিয়ে অর্থনীতিতে আমূল পরিবর্তন করতে হবে বিকেন্দ্রীত আর্থিক পরিকল্পনার মাধ্যমে৷ কৃষিব্যবস্থা সম্পূর্ণ সমবায়ের আওতায় এনে কৃষিকাজ, কৃষিভিত্তিক শিল্প, কৃষি সহায়ক শিল্প গড়ে বাস্তবমুখী আর্থিক পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে৷ তাতেই সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সার্বিক কল্যাণ হবে৷ কৃষি সমস্যা সমাধানে ও বাস্তবমুখী আর্থিক পরিকল্পনার সুস্পষ্ট পথ নির্দেশনা আছে শ্রদ্ধেয় দার্শনিক  শ্রী প্রভাতরঞ্জন সরকারের প্রগতিশীল উপযোগতত্ত্বে৷ এর বাইরে অন্য কোনো পথ আজ আর নেই৷

কলিকাতায় করোনা প্রতিষেধক

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

নিজস্ব সংবাদদাতা ঃ গত ১২ই জানুয়ারী অপরাহ্ণ পৌনে দুটো নাগাদ দমদম বিমানবন্দরে মাটি স্পর্শ করে একটি বেসরকারী বিমান, ওই বিমানেই এসেছে বহু প্রতিক্ষিত করোনা প্রতিষেধক কোভিশিল্ড৷ বিমান পৌঁছানোর অনেক আগে থেকেই বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যদপ্তরের শীর্ষস্থানীয় কর্র্ত-ব্যষ্টিসহ পুলিশ কর্তৃপক্ষ৷ বিমান থেকে কোভিশিল্ডের ৮৩টি বড় বাক্স নামিয়ে দিয়ে বিমানটি উড়ে যায় গুয়াহাটির পথে৷ ওই রাতেই হাওড়া,হুগলিসহ কলিকাতার পার্শ্ববর্তী জেলাগুলিতে পৌঁছে যায় কোভিশিল্ড৷ শনিবার থেকে শুরু হচ্ছে টিকা দেবার কাজ৷

পরলোকে আচার্য জ্যোতিশ্বরানন্দ অবধূত

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

গত ২রা জানুয়ারী প্রত্যুষে ৪ ঘটিকায় পার্থিব জগৎ ছেড়ে লোকাতীতে পাড়ি দিলেন আচার্য জ্যোতিশ্বরানন্দ অবধূত৷ মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮১ বছর৷ দীর্ঘ ৫৪ বছর তিনি সংঘের বহু গুরুত্বপূর্ণপদে থেকে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে গেছেন৷ ১৯৬৬ সালে তিনি পার্থিব জীবনের সুখ-স্বাচ্ছন্দ ত্যাগ করে আনন্দমার্গের মহান আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে সর্বত্যাগী কর্মী হয়ে সংঘে যোগ দেন৷ তাঁর দীর্ঘ সংঘ জীবনে তিনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আনন্দমার্গের আদর্শ ও বাণী পৌঁছে দিয়েছেন মার্গগুরুদেবের প্রতিনিধি হয়ে৷ তিনি বেশ কিছু দিন অসুস্থ হয়ে চেন্নাই আশ্রমে ছিলেন৷ সেখানেই তিনি গত ২রা জানুয়ারী দেহত্যাগ করেন৷ ওইদিনই অপরাহ্ণ ৫ ঘটিকায় তাঁর অন্ত্যোষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হয় চেন্নাইতে৷