সংবাদ দর্পণ

আনন্দমার্গীয় বিধিতে শ্রাদ্ধানুষ্ঠান

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

গত ১৫ই মার্চ হুগলী জেলার গোপীনগরে এখানকার বিশিষ্ট আনন্দমার্গী দিবাকর মিত্রের শ্রাদ্ধানুষ্ঠান আনন্দমার্গীয় বিধিতে অনুষ্ঠিত হয়৷ গত ৫ই মার্চ তিনি পরলোক গমন করেছিলেন৷

৫ই মার্চ শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে কীর্ত্তন ও প্রভাত সঙ্গীত পরিচালনা করেন আচার্য সেবাব্রতানন্দ অবধূত৷ শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে পৌরোহিত্য করেন আচার্য অভিব্রতানন্দ অবধূত৷ প্রয়াত দিবাকর মিত্রের পুত্র অভীক মিত্র অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন৷ শ্রাদ্ধানুষ্ঠানের পর আচার্য সুতীর্থানন্দ অবধূত প্রয়াত আনন্দমার্গী দিবাকর মিত্রের স্মৃতিচারণ করেন ও আনন্দমার্গের সমাজশাস্ত্রের ওপর আলোকপাত করেন৷

নিউজিল্যাণ্ডের মসজিদে জঙ্গী হামলা, নিহত ৪৯

সংবাদদাতা
পি.এন.এ.
সময়

এতদিন খবর পাওয়া যেত মুসলিম জঙ্গীরা এখানে ওখানে সন্ত্রাসবাদী হামলা চালাচ্ছে৷ গত ১৫ি মার্চ নিউজিল্যাণ্ডের নিকটস্থ দু’টি মসজিদে উপাসনারত মুসলিমদের ওপর হামলা চালায় মুসলিম বিদ্বেষী কয়েকজন বন্দুকধারী৷ জানা গেছে সেদিন ক্রাইস্টচার্চের আল-নুর মসজিদে ও কিছুদূরে লিনউডের মসজিদে জড়ো হয়েছিল বহু মুসলিম৷ তারা নামাজ পড়ার সময়ই হঠাৎ বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরা এক শেতাঙ্গ এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে থাকে৷ ঘটনার আকস্মিকতায় সবাই হকচকিয়ে প্রাণ বাঁচাতে এদিক-ওদিক ছোটাছুটি শুরু করে৷ এই হামলায় ক্রাইস্টচার্চের মসজিদে ৪২ জন ও লিনউডের মসজিদে ৭ জন প্রাণ হারান৷ অল্পের জন্যে রক্ষা পেয়েছেন নিউজিল্যাণ্ডে সফররত বাঙলাদেশের ক্রিকেট দলের খেলোয়াড়রা৷ যে সময় বন্দুকবাজদের হামলা চলে তার একটুখানি পড়েই বাঙলাদেশের ক্রিকেটাররা জুম্মার নমাজের জন্যে ঘটনাস্থলে যাওয়ার কথা ছিল৷ একটুর জন্যে প্রাণে বেঁচে গেলেন তাঁরা৷ পরে আতঙ্কিত ক্রিকেটাররা সফল বাতিল করে দেশে ফিরে যান৷

আনন্দমার্গের আনন্দমঞ্জুষা মাষ্টার ইয়ূনিটে  আনন্দমার্গ স্কুলের  সুবর্ণ জয়ন্তী উৎসব

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

গত ১১ই মার্চ থেকে ১৪ই মার্চ তিনদিন ব্যাপী পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়িপাড়ায় অবস্থিত আনন্দমঞ্জু মাষ্টার ইয়ূনিটে আনন্দমার্গ স্কুলের ৫০ বর্ষপূর্ত্তি  উপলক্ষ্যে মহাড়ম্বরে সুবর্ণ জয়ন্তী উৎসব পালিত হয়৷ অনুষ্ঠানের  প্রথম দিন ১১ই মার্চ সকাল  ৭টায়  পতাকায় উত্তোলনের পর সকাল সাড়ে সাতটায়  ১২ ঘন্টা ব্যাপী অষ্টাক্ষরীয় ‘‘বাবা নাম কেবলম্’’ মহামন্ত্রের অখণ্ড কীর্ত্তন শুরু হয়৷ কীর্ত্তন চলে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা পর্যন্ত৷ স্থানীয় আনন্দমার্গীরা ছাড়াও সমস্ত  জেলা থেকে আনন্দমার্গীরা এই অখণ্ড কীর্ত্তনে যোগদান  করে সারাদিন  ধরে কীর্ত্তনানন্দে  বিভোর হ’ন৷ সঙ্গে সঙ্গে  নারায়ণ সেবার আয়োজন করা হয়৷

পরদিন, ১২ই মার্চ স্কুলের  বর্তমান  ও প্রাক্তন  ছাত্র-ছাত্রাবৃন্দ, অভিভাবক, অভিভাবিকা ও শুভানুধ্যায়ীরা এক বর্র্ণঢ্য শোভাযাত্রা  ও কীর্ত্তন পরিক্রমা  করেন৷  দুপুরে মিলিত আহারের পর বিকেলে স্কুলের বর্তমান  ও প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রারা  এক মনোরম সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা উপহার  দেন৷ এই অনুষ্ঠানে স্কুলের প্রাক্তন ও বর্তমান  ছাত্র-ছাত্রারা প্রভাত সঙ্গীত, প্রভাত সঙ্গীত অবলম্বনে নৃত্য, ছড়া, কবিতা আবৃত্তি, ইংরেজী রাইমস, সংস্কৃত  শ্লোক প্রভৃতি  পরিবেশন করে’ দর্শকদের  বিপুল আনন্দ দেয়৷

১৩ই মার্চ সকালে প্রথমে একটি  আধ্যাত্মিক  আলোচনা সভায় ‘যোগ ও মানবজীবনের সার্বিক বিকাশে’র ওপর বক্তব্য রাখেন আচার্য বিকাশানন্দ অবধূত ও আরও অনেকে৷ আচার্য বিকাশানন্দ অবধূত বলেন---মানুষের জীবন ত্রিস্তরীয়৷ মানুষের শরীর, মন ও আত্মা রয়েছে৷ এ তিনেরই বিকাশ ঘটাতে হবে৷ তবেই মানব জীবন সার্থক হবে৷ আর এই তিনের বিকাশের জন্যে প্রতিটি মানুষের অষ্টাঙ্গিক যোগ সাধনা করা একান্ত কর্তব্য৷

 বিকেলে সাংস্কৃতিক  অনুষ্ঠান  ও বিদ্যালয়ের পুরস্কার  বিতরণী অনুষ্ঠান হয়৷ সভায় সভাপতিত্ব করেন আচার্য বিকাশানন্দ অবধূত৷

এছাড়া বিশিষ্ট অতিথিবর্গের মধ্যে  ছিলেন আনন্দমার্গের মাষ্টার ইয়ূনিট সেক্রেটারী আচার্য বোধিসত্তানন্দ অবধূত, মেদিনীপুরের ডায়োসিস সেক্রেটারী আচার্য নিত্যতীর্থানন্দ অবধূত , খড়িপাড়া আনন্দমার্গ ইয়ূনিটের  সেক্রেটারী  শ্রীযুক্ত  গণেশচন্দ্র রাউৎ প্রমুখ৷

প্রধান অতিথি  ছিলেন মাননীয়  বিধায়ক  শ্রীযুক্ত  পরেশ মুর্মু৷ অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথিবর্গের মধ্যে ছিলেন পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলা পারিষদের  শিক্ষাকর্মাধ্যক্ষা শ্রীমতী  মামণি মান্ডী, অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক (কেশিয়াড়ী ১ নং চক্র) শ্রীযুক্ত  দেবাশিস ভট্টাচার্য, বাঘাস্তি ইয়ূনিয়ন  হরিচরণ এস. সি উচ্চ মাধ্যমিক হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক শ্রীযুক্ত  শ্যামসুন্দর বিশ্বাস, স্থানীয়  বিশিষ্ট শুভানুধ্যায়ী হরেকৃষ্ণ সিং প্রমুখ৷

অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিবৃন্দ  তাঁদের  সংক্ষিপ্ত  বক্তব্যে  আনন্দমার্গ স্কুলের শিক্ষাব্যবস্থার উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন৷ স্কুলের ছাত্র-ছাত্রারা এক  সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করে৷ সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন স্কুলের অধ্যক্ষ আচার্য ভূবনেশানন্দ অবধূত৷ সবশেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান হয় ও সম্মানীয় অতিথিবৃন্দ ছাত্রছাত্রাদের হাতে পুরস্কার তুলে দিয়ে তাদের উৎসাহিত করেন৷

ধনীদের হাতে সম্পদের অপচয়

সংবাদদাতা
পি.এন.এ.
সময়

পুঁজিপতিরা গরীব জনসাধারণের  কঠোর পরিশ্রম থেকে অর্জিত সম্পদ শোষণ  করে  কোটি কোটি টাকা সঞ্চয় করে৷ আর সেই টাকা  কীভাবে অপব্যয় করে তার একটি  সাম্প্রতিক  উদাহরণ হ’ল ভারতের ধনীতম শিল্পপতি  মুকেশ আম্বানির ছেলে আকাশের চোখ ধাঁধানো ‘রাজকীয় বিবাহ’৷

গত ৯ই মার্চ মুকেশ-পুত্র আকাশের  বিয়ে হয় হীরে ব্যবসায়ী  রাসেল মেহেতার  কন্যা শ্লোকা মেহেতার  সঙ্গে৷

সে বিবাহে আমন্ত্রিতদের মধ্যে ছিলেন প্রাক্তন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার, ছিলেন রাষ্ট্রসংঘের প্রাক্তন মহাসচিব বান কি মুন ও তাঁর স্ত্রী ইয়ূসুন তায়েক৷ গুগলের সিইও সুন্দর পিচাইও ছিলেন এই বিবাহে আমন্ত্রিত অতিথি৷

দেশের বড় বড় শিল্পপতি থেকে শুরু করে ---চলচ্চিত্র  দুনিয়া থেকে শুরু করে---রাজনৈতিক দুনিয়ার বহু মহামহা তারকা এই বিয়েতে আমন্ত্রিত ছিলেন৷  এক-এক জনের এক-একটি খাবারের প্লেটের জন্যে খরচ করা হয়েছিল কমপক্ষে ২৬০০০ টাকা৷

অথচ যাদের পরিশ্রমের টাকায় এঁদের এত রমরমা সেই গরীব মানুষদের দৈনন্দিন  আহারও জোটে না৷

প্রধানমন্ত্রী, অন্যান্য মন্ত্রী ও আমলাদের-দুর্নীতি রোধে ভারতের প্রথম লোকপাল নিয়োগের সিদ্ধান্ত

সংবাদদাতা
পি.এন.এ.
সময়

দীর্ঘ ৪৮ বছর প্রতীক্ষার পর অবশেষে গত ১৫ই জানুয়ারী ভারতের প্রথম লোকপাল নিয়োগের সিদ্ধান্ত  পাকা হ’ল৷ প্রথম লোকপাল  নির্বাচিত হচ্ছেন অবসরপ্রাপ্ত বাঙালী বিচারপতি পিনাকিচন্দ্র ঘোষ৷

কেন্দ্রের প্রধানমন্ত্রীসহ বিভিন্ন মন্ত্রী  ও আমলাদের দুর্নীতি ব্যাপারে তদন্তের জন্যে এই লোকপাল নিয়োগ৷

১৯৬৩ সাল থেকেই কেন্দ্রীয় সরকারের উচ্চ পর্যায়ে দুর্নীতি প্রতিরোধের  জন্যে লোকপাল নিয়োগের দাবী নিয়ে আলোচনা  হয়ে আসছিল, কিন্তু  বাস্তবে এই প্রস্তাব কার্যকর  করার জন্যে কোনো সময়ই  সরকার আগ্রহী হননি৷ অবশেষে   সমাজকর্মী আন্না হাজারের অনশন আন্দোলনের পর সরকার নড়ে চড়ে বসেছিলেন৷ তাও আন্না হাজারের চাপে ২০১৪ সালের ১৬ই জানুয়ারী  লোকপাল  আইন পাশ হলেও  লোকপাল নিয়োগের ব্যাপারটা ঝুলেই ছিল৷ পুনর্বার আন্না হাজারে সম্প্রতি অনশন আন্দোলনে বসেন৷ তারপর প্রশান্ত ভূষণের সংস্থা ‘কমন কজ’ এই লোকপাল  নিয়োগ ব্যাপারে টালবাহানার অভিযোগ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করলে সুপ্রিম কোর্টের চাপে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়৷

১৫ই মার্চ লোকপাল  নিয়োগ কমিটির  এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময়  সদস্যদের মধ্যে বৈঠকে হাজির ছিলেন প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ,লোকসভার স্পীকার সুমিত্রা মহাজন ও আইনজীবী মুকুল রোহতগি৷ বিরোধী দলনেতা হিসেবে কংগ্রেস সাংসদ মল্লিকার্জুন খাড়গেকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও তিনি বৈঠকে হাজির হননি৷ এই বৈঠকে সুপ্রিমকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি  পিনাকিচন্দ্র  ঘোষকে লোকপাল  পদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হ’ল৷

সপ্তাহখানেকের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে  তাঁকে ভারতের ১ম লোকপাল রূপে নিয়োগ  করা হবে৷

লোকপাল নিয়োগ ব্যাপারে  আন্না হাজারের প্রতিক্রিয়া ঃ ‘‘লোকপাল নিয়োগ  হচ্ছে শুণে আমি খুব খুশি৷ ৪৮ বছর পর জনতার আন্দোলন সফল হয়েছে৷ লোকপালের  কাছে  কোনো একজন সাধারণ মানুষও দুর্নীতির  প্রমাণ দিলে প্রধানমন্ত্রী  বা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী, অন্যান্য মন্ত্রী  বা আমলার  বিরুদ্ধে  তদন্ত  হবে৷’’ আন্না হাজারে আরও বলেন, ‘‘অচিরেই মানুষ এর  শক্তি বুঝতে পারবেন৷’’

প্রাক্তন বিচারপতি পিনাকিচন্দ্র ঘোষ ২০১৭ সালের মে মাসে বিচারপতির  পদ থেকে  অবসর নিয়েছিলেন৷ বর্তমানে তিনি জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্য৷

বলা বাহুল্য বাঙালী বিচারপতি  হিসেবে পিনাকি চন্দ্র ঘোষ কর্মজীবনে অনমনীয়, আপোষহীন  মনোভাবের পরিচয় দিয়েছিলেন৷ দুর্নীতিরোধে তা সে যে কেউ হোক না কেন, তাঁর বিরুদ্ধে  কঠোর পদক্ষেপ নিতে  পিছপা  হননি৷  ২০১৫ সালে আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন  সম্পত্তি  মামলায় তামিলনাড়ুর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী  জয়ললিতার  কারাদন্ডের  আদেশ দিয়েছিলেন তিনি৷

দুর্নীতি বর্তমান দেশের বোধকরি সবচেয়ে  বড় সমস্যা৷ বিশেষ করে প্রশাসনের শীর্ষে৷ তাই  লোকপাল কতটা দেশকে দুর্নীতিমুক্ত  করতে পারবে, সেদিকে উৎসুকভাবে  তাকিয়ে থাকবে  দেশের জনসাধারণ৷

বলাবাহুল্য, কেন্দ্রে যেমন লোকপাল নিয়োগের কথা,তেমনি প্রতিটি রাজ্যেই  সরকারের ওপর মহলের দুর্নীতিরোধের  জন্যে লোকায়ুক্ত নিয়োগের প্রস্তাব রয়েছে৷

বর্তমান বিশ্বে হৃদরোগে মৃত্যুর হার সবচেয়ে বেশী

সংবাদদাতা
পি.এন.এ.
সময়

বর্তমান বিশ্বে হৃদরোগে মৃত্যুর হার ৩২.৩ শতাংশ৷ প্রতি বছর ৩জন পিছু একজন করে মারা যায় হৃদরোগে৷  এরপর মৃত্যু ক্যানসারের কারণে৷ ক্যানসারের মৃত্যুর হার ১৬.৩ শতাংশ৷ এরপর মৃত্যুর  কারণ হল শ্বাসকষ্ট জনিত রোগ (৬.৫শতাংশ)৷ তারপর ডায়াবেটিসে মৃত্যু (৫.৮ শতাংশ)৷ নবজাতকের  মৃত্যু ৩.২ শতাংশ৷ ডায়রিয়া জনিত  অসুখের ফলে মৃত্যু ৩ শতাংশ, পথ দুর্ঘটনায়  মৃত্যু ২.৫ শতাংশ৷ যকৃতের রোগে মৃত্যু-২.৩ শতাংশ৷

নির্বাচনের পূর্বে বিপুল পরিমাণ কালো টাকার  আমদানি

সংবাদদাতা
পি.এন.এ.
সময়

গত ১০ই মার্চ কলকাতার  নিউ মার্কেট থানার  সদর ষ্ট্রীটে গোয়েন্দা বিভাগের অফিসাররা এক যুবককে বিপুল অংকের  টাকা  ভরা একটি ব্যাগ সমেত  গ্রেফতার  করে৷ ওই ব্যাগে ৮৭ লক্ষ ৫০ হাজার  টাকা ছিল অথচ ওই টাকার কোনো বিশ্বাসযোগ্য বৈধ কাগজপত্র ছিল না৷ বোঝা গেল ওই টাকা  ছিল সমস্ত কালো টাকা৷ কী কারণে কে ওই টাকা পাঠাচ্ছে সে ব্যাপারে কোনো সন্তোষজনক উত্তর পাওয়া  যায়নি৷ গোয়েন্দাদের অনুমান, নির্বাচনের পূর্বে  নির্বাচকদের  প্রভাবিত করতেই এই কালো টাকার আমদানি করা হচ্ছে৷

কয়েকদিন আগে পোস্তা এলাকাতেও একজনের কাছে এভাবে ১৩ লক্ষ বেহিসেবী টাকা পাওয়া গিয়েছিল৷

নামী ব্রাণ্ডের  মোড়কে ভেজাল দুধের কারবার

সংবাদদাতা
পি.এন.এ.
সময়

কলকাতা ঃ নামী দুধের মোড়কে  ভেজাল দুধের কারবারের সন্ধান পাওয়া গেল কলকাতার বড়বাজারে৷ গত ১৩ই  মার্চ পুলিশ বড় বাজারের এক কারখানায় হানা  দিয়ে ভেজাল  দুধ তৈরী  করার সময় হাতে নাতে ধরল দুজনকে৷ পুলিশ যখন  কারখানায় হানা দেয় তখন তারা ভেজাল একধরণের শাদা পাউডার ও আরও  কিছু উপাদান মিলিয়ে  ভেজাল দুধ বানাচ্ছিল৷ সামনে  পড়ে ছিল একাধিক কন্টেনার ও প্যাকেট৷ কারখানা থেকে দুধ তৈরীর কোন বৈধ কাগজপত্র কেউ দেখাতে পারে নি৷ ওদের পাশে পড়েছিল দামী ব্রাণ্ডের  দুধের ফাঁকা কন্টেনার৷ জানা যায়,ওই সব ভেজাল দুধের প্যাকেট বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হত৷ এর আগেও এইভাবে ভেজাল দুধ  তৈরীর খোঁজ মিলেছিল৷

আনন্দনগরে প্রাউট প্রশিক্ষণ শিবির

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

আনন্দনগর ঃ গত ৮,৯ ও ১০ মার্চ আনন্দনগরে প্রাউট প্রশিক্ষণ শিবির অনুষ্ঠিত হয়৷ এই প্রাউট প্রশিক্ষণ শিবিরে আনন্দনগরের চতুর্ষ্পাশ্বের ৫২টি গ্রাম থেকে শতাধিক প্রতিনিধি যোগ দিয়েছিলেন৷ এই প্রশিক্ষণ শিবিরে আচার্য প্রসূনানন্দ অবধূত ও আচার্য রবীশানন্দ অবধূত যথাক্রমে মূলতঃ প্রাউটের বৈশিষ্ট্যের ওপর ও আদর্শ নেতৃত্বের ওপরে বিস্তারিত আলোচনা করেন৷ আচার্য প্রসূনানন্দ অবধূত বলেন---বর্তমানের সামাজিক-অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে দু’টি তত্ত্ব চালু রয়েছে৷ একটা হ’ল পুঁজিবাদ, অন্যটা মার্কসবাদ৷ বলা বাহুল্য বর্তমানে প্রায় সমস্ত রাজনৈতিক দল এই দু’টি তত্ত্বের যে কোনও একটিকে মানে৷ কিন্তু এই দু’টিই আজকের পৃথিবীর ভয়াবহ সামাজিক-অর্থনৈতিক সমস্যা সহ অজস্র সমস্যার সমাধান করতে ব্যর্থ হয়েছে৷ এই পরিস্থিতিতে একমাত্র মহান দার্শনিক শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকারের ‘প্রাউট’ দর্শনই আজকের মানব সমাজের এই ভয়ঙ্কর সামাজিক-অর্থনৈতিক সমস্যা সহ সমস্ত সমস্যারই সমাধান করতে সক্ষম৷

আচার্য রবীশানন্দ অবধূত বলেন---প্রাউটের  গোড়ার কথা হ’ল আজকের সমাজের বলতে গেলে সবচেয়ে বড় সমস্যা সৎ ও নীতিবাদী মানুষের অভাব৷ একমাত্র নৈতিক ও আধ্যাত্মিক শিক্ষার মাধ্যমেই সৎ ও নীতিবাদী মানুষ গড়ে তোলা যায়৷

শিলিগুড়িতে আনন্দমার্গের সেমিনার

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

শিলিগুড়ি ঃ  গত ৮, ৯ ও ১০ মার্চ শিলিগুড়িতে আনন্দ- মার্গের এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হ’ল৷ এটি ছিল আনন্দমার্গের সেকেণ্ড ডায়োসিস স্তরের সেমিনার৷ এই সেমিনারে দার্জিলিং জলপাইগুড়ি ও কোচবিহার জেলার বিভিন্ন ব্লক থেকে দুই শতাধিক আনন্দমার্গী এই সেমিনারে যোগদান করেন৷ সেমিনারে মুখ্য প্রশিক্ষক হিসেবে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত আনন্দমার্গের আধ্যাত্মিক ও সমাজিক-অর্থনৈতিক দর্শন ‘প্রাউট’-এর ওপর বিস্তারিত আলোচনা করেন৷ তিনি আনন্দমার্গের অষ্টাঙ্গিক যোগ সাধনা সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে বলেন---যোগ সাধনার নিয়মিত অভ্যাসের দ্বারাএকজন শারীরিক সুস্থতা, দুর্বার মনঃশক্তি অর্জন করে ও আধ্যাত্মিক ক্ষেত্রে উন্নতি ঘটাতে পারেন৷ যোগ বলতে কেবল আসন নয়, তার সঙ্গে রয়েছে যমনিয়ম, প্রাণায়াম, প্রত্যাহার ধারণা ধ্যান প্রভৃতি৷ যোগের দ্বারা মনের প্রসারতা ঘটানো যায়৷ যোগের মুখ্য উদ্দেশ্য, চঞ্চল মনকে একাগ্র করে পরমপুরুষের দিকে চালিত করা ও অবশেষে পরমপুরুষের সঙ্গে মিলেমিশে এক হয়ে যাওয়া৷ প্রকৃত যোগ সাধনা যাঁরা করেন তাঁরা সর্বজীবে ব্রহ্ম ভাবনার অধ্যারোপ করেন৷ তখন তাঁদের কাছে জাত-পাত-সম্প্রদায়ের কোনও ভেদ থাকে না৷ তাঁদের কাছে মানব সমাজ এক ও অবিভাজ্য৷ সমস্ত মানুষ পশু-পক্ষী-তরুলতা সবাইকেই তারা ভালবাসেন৷ সবার প্রতি তাঁরা মমত্ববোধ রাখেন৷ তাই যাঁরা যোগ সাধনা অনুসরণ করেন তাঁরা জাত-পাত-সম্প্রদায় ও সমাজের কুসংস্কারগুলোকে কখনোই প্রশ্রয় দেন না৷