সংবাদ দর্পণ

দুর্গাপুরে সেমিনার

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

গত ৭, ৮ই সেপ্ঢেম্বর দুর্গাপুর, ঝাঁঝরা কলোনীর আনন্দমার্গ স্কুলে একটি দ্বিদিবসীয় সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়৷ ডায়োসিস সেক্রেটারী আচার্য নিত্যনবীনানন্দ অবধূত ও ভুক্তিপ্রধান কাজল ঘোষ এই সেমিনারের আয়োজন করেন৷ সেমিনারে প্রশিক্ষণ দেন আচার্য প্রসুনানন্দ অবধূত ও আচার্য মোহনানন্দ অবধূত৷ প্রত্যেক বক্তাই সমাজের কুসংস্কারগুলিকে দূর করার কাজে সকলকে অগ্রণী হওয়ার জন্যে আহ্বান করেন৷ উপস্থিত সকলেই শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকারের আদর্শকে বাস্তবে রূপায়িত করার কাজে প্রত্যেক আনন্দমার্গীকে সচেষ্ট হওয়া জরুরী বলে মনে করেন৷ ৮ই মার্চ মিলিত সাধনা, স্বাধ্যায়, ঈশ্বর প্রণিধাণ ও মিলিত আহারের পর সেমিনারের সমাপ্তি হয়৷

তত্ত্বসভা ঃ আনন্দমার্গ স্কুল, ঝাঁঝরাতে অনুষ্ঠিত তত্ত্বসভায় আচার্য প্রসূনানন্দ অবধূত সমাজের সার্বিক অবক্ষয় ও তা থেকে উত্তোরণের উপায়---এই বিষয়ের ওপর সুদীর্ঘ বক্তব্য রাখেন৷ ৭ই সেপ্ঢেম্বর শনিবার এই তত্ত্বসভাটিতে আনন্দমার্গ স্কুলের বহু সংখ্যক  অভিভাবক-অভিভাবিকা ও মার্গী ভাইবোন উপস্থিত ছিলেন৷

 

জলপাইগুড়ি ষ্টেশনে আমরা বাঙালীর বিক্ষোভ

রেলের বিভিন্ন কাজে বাংলা ভাষা ব্যবহারের দাবীতে ৩১শে আগষ্ট জলপাইগুড়ি টাউন ষ্টেশনে আমরা বাঙালী জেলা কমিটি বিক্ষোভ প্রদর্শন করে৷ জলপাইগুড়ি টাউন ষ্টেশন ম্যানেজার মারপথ একটি স্মারকলিপিও তারা রেলমন্ত্রকে পাঠায়৷ এই বিক্ষোভ প্রদর্শনে নেতৃত্ব দেয় আমরা বাঙালীর সংঘটন সচিব খুশীরঞ্জন মণ্ডল৷ এছাড়া কেশব সিংহ, ধীরেন্দ্রনাথ রায়, বিনয় সরকার, হরেন্দ্রনাথ রায়, বিপুল দাস প্রমুখ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন৷

কৌষিকী দিবস পালন

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

৬ই সেপ্ঢেম্বর ঃ আনন্দমার্গ দর্শনের প্রবর্ত্তক পরম শ্রদ্ধেয় শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তি মানব সমাজের সার্বিক কল্যাণের জন্যে যেমন দিয়েছেন নতুন জীবন দর্শন, তেমনি দিয়েছেন নতুন এক জীবন ধারা তথা জীবন চর্চা৷ মানুষের দৈনন্দিন জীবন চর্চায় তিনি যেসব বিধি বিধান দিয়েছেন তার মধ্যে নবতর সংযোজন হ’ল কৌষিকী নৃত্য৷

মানুসের জীবনধারা নীতিবাদে প্রতিষ্ঠিত হয়ে সাধনার দ্বারা দিব্য স্বরূপের দিকে এগিয়ে চলা৷ নোতুন এই জীবন ধারায় অষ্টাঙ্গিক যোগ সাধনার সঙ্গে শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তির নবতর সংযোজন এই কৌষিকী নৃত্য৷ আজ থেকে সাড়ে সাত হাজার বছর আগে ভগবান সদাশিব দিয়েছিলেন তাণ্ডব নৃত্য৷ তবে সে শুধু পুরুষদের জন্যে৷ কৌষিকী নৃত্য নারী পুরুষ উভয়েই করতে পারবে৷ তবে পুরুষ অপেক্ষা মহিলারাই বেশী উপকৃত হবেন এই নৃত্য নিয়মিত অভ্যাস করলে৷

মানুষের শরীর বহু সংখ্যক কোষ দিয়ে তৈরী৷ সাধনার দ্বারা দিব্য স্বরূপের দিকে এগিয়ে চলতে বহু সংখ্যক কোষ দিয়ে গঠিত এই ভৌতিক শরীরকে সুস্থ ও সবল রাখতে হবে৷ তার জন্য প্রয়োজন নিয়মিত আসন অভ্যাস করা৷ আসনের সঙ্গে সঙ্গে পুরুষদের জন্যে তাণ্ডব ও কৌষিকী নৃত্য ও মহিলাদের জন্যে কৌষিকী নৃত্য আবশ্যিক৷ মূলত কোষের উন্নতি বিধানের জন্যে এই নৃত্য৷ তাই এর নাম কৌষিকী নৃত্য৷ নিয়মিত অভ্যাস করলে মহিলাদের ২২টি রোগের নিরাময় হতে পারে৷ সেই সঙ্গে মানসিক ও আত্মিক উন্নতিও হবে৷

৬ই সেপ্ঢেম্বর কৌষিকী দিবস উপলক্ষ্যে আনন্দমার্গের কেন্দ্রীয় আশ্রমে তাণ্ডব ও কৌষিকী নৃত্য প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিল৷ বিভিন্ন জেলাতেও ৬ই সেপ্ঢেম্বর কৌষিকী দিবস উপলক্ষ্যে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল৷ কেন্দ্রীয় আশ্রমে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় কলিকাতা ও পার্শ্ববর্তী জেলাগুলো থেকে বহু সংখ্যক মার্গী ভাইবোন অংশগ্রহণ করেছিলেন৷ প্রতিযোগিতায় বিচারকের আসনে ছিলেন আচার্য গুরুদত্তানন্দ অবধূত, আচার্য সর্বজয়ানন্দ অবধূত ও অবধূতিকা আনন্দ অভীষা আচার্যা৷ এই প্রতিযোগিতায় সফল প্রতিযোগীরা আগামী ২৭শে অক্টোবর কলকাতা কেন্দ্রীয় আশ্রমে আয়োজিত চূড়ান্ত পর্বের প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবেন৷

সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনার মুখ্য দায়িত্বে ছিলেন আচার্য পরিতোষানন্দ অবধূত৷ তাঁকে সহযোগিতা করেন আচার্য মোহনকৃষ্ণানন্দ অবধূত, অবধূতিকা আনন্দ প্রেমদীপ্তা আচার্যা, শ্রীমতী সুনন্দা সাহা, কেশব মণ্ডল, বীরেন মণ্ডল, জয়ন্ত মহান্তি, মোহন মণ্ডল প্রমুখ৷

সেরাম থ্যালাসেমিয়া প্রিভেনশন ফেডারেশনের  উদ্যোগে প্রচার অভিযান

সংবাদদাতা
অম্বব চট্টোপাধ্যায়
সময়

প্রতিবছরের মতো এবছর গত ১৫ই আগষ্ট সেরাম থ্যালাসেমিয়া প্রিভেনশন ফেডারেশনের উদ্যোগে ‘‘সচেতনতা কার র্যালী’’ ‘‘রাখী বন্ধন’’ উৎসব অনুষ্ঠিত হল৷

সকালে শ্যামবাজার পাঁচমাথার  সংযোগস্থল থেকে মোটর গাড়ীগুলি যাত্রা শুরু করে গন্তব্যস্থল ছিল হুগলী জেলার ‘‘বোড়াল’’৷ শ্যামবাজার  মঞ্চ থেকে শপথ বাক্য পাঠ করে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন সংঘটনের  সভাপতি  ডাঃ ভাষ্করমণি চট্টোপাধ্যায়, সহসভাপতি স্বামী সারদানন্দ মহারাজ ও সম্পাদক সঞ্জীব আচার্য্য মহাশয়৷ গন্তব্য পথে এই  গাড়ীগুলিকে বিভিন্ন স্থানে  সম্বর্ধনা দেওয়া হয়৷ শেষে বোড়াল একটি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে থ্যালাসেমিয়া সচেনতা শিবির ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়৷ এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সম্পাদক সঞ্জীব আচার্য্যসহ বিশিষ্ট ব্যষ্টিবর্গ৷

ঝালদায় প্রাউট প্রশিক্ষণ শিবির

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

পুরুলিয়ার ঝালদা শহরে প্রাউটিষ্ট ইয়ূনিবার্সালের পুরুলিয়া জেলা কমিটির পক্ষ থেকে ১০ই সেপ্ঢেম্বর প্রাউট প্রশিক্ষণ শিবির অনুষ্ঠিত হয়৷ ওই প্রশিক্ষণ শিবিরে ৯০ জন কর্মী সমর্থক উপস্থিত ছিলেন৷ প্রশিক্ষক ছিলেন আচার্য প্রসুনানন্দ অবধূত ও আচার্য সত্যস্বরূপানন্দ অবধূত৷ তাঁরা প্রাউট দর্শনের বিভিন্ন সামাজিক অর্থনৈতিক পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে বলেন বর্তমান অর্থনৈতিক ও সামাজিক সঙ্কট থেকে মানুষকে মুক্তি দিতে একমাত্র প্রাউটের পক্ষেই সম্ভব৷ উপস্থিত ছাত্র-যুবদের মধ্য থেকেই সদ্বিপ্র নেতৃত্ব গড়ে তুলতে আধ্যাত্মিক যোগ সাধনার গুরুত্ব সম্পর্কে আলোচনা করেন৷

এন আর সি-র থাবা

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

এক--- ধীরাজ চন্দ্র৷ সেনাবাহিনীর চাকরী থেকে অবসর নিয়ে এখন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দমকল বিভাগে কর্মরত৷ থাকেন উত্তর ২৪ পরগণা জেলার কাঁচরাপাড়ায়৷ ধীরাজবাবুর পিতা  অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক৷ তিনি অসমে সরকারী স্কুলের শিক্ষক ছিলেন৷ আদি বাসিন্দা অসমের মারিগাঁাও জেলায়৷ ধীরাজের ঠাকুরদা ১৯৫৪ সালের কেনা জমির দলিল, ১৯৬৫ সালের ভোটার লিস্টে থাকা নামের তালিকা, ধীরাজের বাবার স্কুল-কলেজের নথি, ধীরাজের উচ্চ মাধ্যমিক পাশ ও স্নাতক হওয়া সবই ১৯৭০ সালের আগে৷ সেনাবাহিনীর চাকরী সহ সমস্ত নথি জমা দিয়েও ধীরাজ ও তার পরিবার আজ বিদেশী৷

দুই---অপরূপা মুখোপাধ্যায়৷ পিতা পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপুরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক---নাম অপূর্ব মুখোপাধ্যায়৷ অপরূপা দেবীর মা অনিন্দিতা মুখোপাধ্যায় দুর্গাপুর পুরসভার ডেপুটি মেয়র৷ অপরূপা দেবীর ঠাকুরদা প্রয়াত আনন্দগোপাল মুখোপাধ্যায় ছিলেন কংগ্রেসের সাংসদ৷ অপরূপা দেবী এন আর সি-র কোপে পড়ে আজ বিদেশী৷ কারণ বিবাহ সূত্রে তিনি অসমের গুয়াহাটীর বাসিন্দা৷ যদিও তাঁর স্বামী হিমাংশু বর্মন এন আর সি-তে নাম নথিভুক্ত হয়েছে৷ তবু অপরূপ দেবী ও তাঁর ছেলে বিদেশী৷ আজব এন আর সি!

তিন--- অবিনাশ চন্দ্র দেব৷ অসমের তেজপুরের বাসিন্দা৷ ১৯৭০ সালের মে মাসে বায়ূসেনায় যোগ দিয়েছিলেন৷ সাহসিকতার সঙ্গে সংগ্রামের জন্যে তিনটি পদকও পেয়েছিলেন৷ সেই দেব পরিবার এখন বিদেশী৷ দেওয়ালে ঝোলানো পদকগুলো এন আর সি-র কোপের ক্ষততে নূনের ছিটে দিচ্ছে৷ দেব পরিবার পদক ফিরিয়ে দেবার কথা ভাবছেন৷

চার--- অসমের জোরহাটের বাসিন্দা চিত্তরঞ্জন চট্টোপাধ্যায়৷ ১৯৪৮ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে পরেই ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন৷ সেই চিত্তরঞ্জন বাবুর পরিবারও আজ বিদেশী৷

পাঁচ--- বিদেশী ব্রিটিশ শাসকের বিরুদ্ধে লড়াই করে অসমে প্রাণ দিয়েছিলেন মদন মল্লিক, মৃণাল ভৌমিকরা৷ অসম সরকার তাদের জাতীয় শহীদের মর্যাদাও দিয়েছিলেন৷ তাদের পরিবারের হাতে পাঁচ লক্ষ টাকা ও স্মারকপত্রও দিয়েছেন৷ সেই পরিবারগুলোও আজ বিদেশী৷

তালিকা আরও অনেক দীর্ঘ৷ সেই তালিকা না বাড়িয়ে একটি প্রশ্ণ---দেশ নেতারা বড়ো গলা করে চিৎকার করে বলছেন ’৭১ সাল ভিত্তি বর্ষ৷ কিন্তু উপরের উল্লিখিত সবার কাছেই ’৭১ সালের আগে থেকে বসবাসের নথিপত্র আছে৷ তারপরেও তাঁরা বিদেশী৷ তাহলে ভিত্তি বর্ষ কি সাল না একটি জনগোষ্ঠী? তবে অসমের মন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বশর্মা হিন্দুদের আশ্বাস দিয়েছেন মোদী, অমিত শা আছেন---চিন্তা করবেন না!

বারাসত, বনগাঁয় বিক্ষোভ

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

উত্তর ২৪ পরগণার বারাসত শহরে ষ্টেশন হরিতলা ছোটবাজারে আমরা বাঙালী গত ৬ই সেপ্ঢেম্বর এন আর সি-র প্রতিবাদে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে৷ সেখানে বক্তব্য রাখেন আমরা বাঙালীর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জয়ন্ত দাশ, তপোময় বিশ্বাস, জ্যোতিবিকাশ সিন্হা, অরূপ মজুমদার, বাপী পাল প্রমুখ নেতৃবৃন্দ৷

১০ই সেপ্ঢেম্বর বনগাঁ মহকুমার গোপাল নগরেও বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন আমরা বাঙালীর কর্মী সমর্থকরা৷ এখানে বক্তব্য রাখেন জয়ন্ত দাশ, অরূপ মজুমদার, শ্যামল বিশ্বাস  প্রমুখ নেতৃবৃন্দ৷

আগরতলায় আমরা বাঙালীর বিক্ষোভ মিছিল

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

৭ই আগষ্ট এন আর সি-র নামে বাঙালীদের রাষ্ট্রহীন করার প্রতিবাদে আমরা বাঙালী ত্রিপুরা রাজ্য কমিটি আগরতলা শহরে মিছিল ও জনসভা করে৷ বৈকাল তিন ঘটিকায় শিবনগরে অবস্থিত আমরা বাঙালীর রাজ্য সদর দপ্তর থেকে একটি মিছিল বের হয়ে শহরের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে শকুন্তলা রোডে জমায়েত হয়৷ সেখানে সভায় বক্তব্য রাখেন রাজ্যসচিব হরিগোপাল দেবনাথ, গৌতম ঘোষ, কেশব মজুমদার প্রমুখ নেতৃবৃন্দ৷

রাজ্য সচিব হরিগোপাল দেবনাথ এক প্রশ্ণের উত্তরে সাংবাদিকদের বলেন জাতীয় নাগরিকপঞ্জীর নামে বাঙালীকে রাষ্ট্রহীন করার চক্রান্ত চলছে৷ আমরা বাঙালী এর তীব্র প্রতিবাদ করে রাজ্যে রাজ্যে বিক্ষোভ সমাবেশ করছে৷ তিনি বলেন দুঃখের বিষয় আজ বাঙলা ও বাঙালীকে নিয়ে সব দলই রাজনীতি করলেও আজ বাঙালীর দুঃসময়ে তার পাশে কোনও রাজনৈতিক দলই নেই৷ একমাত্র ‘আমরা বাঙালী’ দলই এর বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলনের পথে নেমে প্রতিবাদ জানাচ্ছে৷ আমরা বাঙালীর অঙ্গীকার যে কোনও মূল্যে বাঙালীকে রাষ্ট্রহীন করার এই ঘৃণ্য চক্রান্ত রুখবেই৷

বিনা পয়সায় চিকিৎসা সম্ভব নয়

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

‘পূজো করতে যেমন চাঁদা দিতে হয়, রোগ সারাতেও রোগ সারাতেও খরচা করতে হয়৷’ কথাগুলি বলেছেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব৷ বিনা পয়সায় চিকিৎসা আর সম্ভব নয়৷ আচ্ছে দিনের ফেরিওয়ালার দল ত্রিপুরায় সরকার গঠন করে অনেক প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন৷ এখন বুঝছেন কথা দেওয়া আর কথা রাখা এক জিনিস নয়৷ অবশ্য কথা দিয়ে না রাখাটাই রাজনীতির রেওয়াজ হয়ে গেছে৷

বিনা পয়সায় সাধারণ মানুষ আর চিকিৎসার সুযোগ পাবেন না৷ সব শ্রেণীর মানুষকেই পয়সা দিয়েই চিকিৎসা করাতে হবে---এমনটাই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ত্রিপুরা সরকার৷ তবে শ্রেণীগত ভাবে অর্থের তারতম্য আছে৷ যেমন প্রায়োরিটি হাউস হোল্ডদের ক্ষেত্রে কুড়ি টাকা ও বিপিএল শ্রেণীর মানুষদের দশ টাকা দিয়ে কাড করে আউটডোরে চিকিৎসা করাতে হবে৷ সব ওষুধও আর বিনাপয়সায় পাওয়া যাবে না৷ বাড়ছে কেবিন,খাওয়ার খরচও৷ অক্সিজেন সিলিণ্ডারের ক্ষেত্রেও ঘণ্টা পিছু পঁচিশ থেকে পঞ্চাশ টাকা দিতে হবে৷ গরীব মানুষের ওপর এই বোঝা চাপানো হ’ল কেন? বিরোধীদের এই প্রশ্ণে মুখ্যমন্ত্রী নীরব থাকেন৷ স্বাস্থ্য দপ্তর তাঁরই হাতে৷

মদনপুরে প্রভাত সঙ্গীত আধারিত সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

গত ৮ই সেপ্ঢেম্বর রবিবার নদীয়া জেলা রেণেশাঁ আর্টিষ্টস্ অ্যাণ্ড রাইটার্স এ্যাশোসিয়েশন (রাওয়া)-র সচিব ডাঃ নিখিল কুমার দাস মহাশয়ের উদ্যোগে ও মদনপুর আনন্দমার্গ স্কুলের শিক্ষকবৃন্দের ঐকান্তিক সহযোগিতায় ১৬১ জন প্রতিযোগীকে নিয়ে মদনপুর রাওয়া আয়োজিত প্রভাত সঙ্গীত আধারিত সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হ’ল৷  সফল প্রতিযোগীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন নদীয়ার ভুক্তিপ্রধান শ্রী অনিল চন্দ্র বিশ্বাস, মনোরঞ্জন বিশ্বাস, আনন্দ মণ্ডল, গোরাচাঁদ দত্ত, শ্রীমায়া দাস, ডা নিখিল কুমার দাস, গৌরাঙ্গ ভট্টাচার্য প্রমুখ৷

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন শ্রী মনোরঞ্জন বিশ্বাস ও ডাঃ নিখিল চন্দ্র দাস৷ সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মদনপুর আনন্দমার্গ স্কুলের টীচার-ইন চার্জ শ্রী তাপস কুমার দাস৷

আইনের পথে নেশা করার পক্ষে ত্রিপুরার আবগারি মন্ত্রী

সংবাদদাতা
আকাশ দেবনাথ
সময়

নকল মদ খেলে স্বাস্থ্যহানী হয়, লিভার খারাপ হয়, চোখ অন্ধ হয়, সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে---আরও কত কি হয়! কথাগুলি বলেন ত্রিপুরা রাজ্য সরকারের আবগারি মন্ত্রী যিষ্ণু দেববর্মা৷

ত্রিপুরা সরকার ফলাও করে বিজ্ঞাপন দিয়ে নেশা বিরোধী অভিযান করছে৷ আবার বিলিতি মদের দোকান খুলতে ঢালাও লাইসেন্সও দিচ্ছে৷ ইতোমধ্যে ২৪টি নতুন বিলিতি মদের দোকান খোলার লাইসেন্সও দেওয়া হয়েছে৷

বিধানসভায় বিষয়টি তোলেন শাসক দল বিজেপির বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মণ৷ বিধায়কের প্রশ্ণের জবাব দেন আবগারি মন্ত্রী৷ মন্ত্রীর জবাব শুনে বিরোধী দলের বিধায়ক ভানুলাল সাহা বলেন---আপনারাই নেশা বিরোধী অভিযান করছেন, আবার মদের দোকান খেলার লাইসেন্সও দিচ্ছেন৷ বিলিতি মদ খেলে কি নেশা হয় না? জবাবে আবগারি মন্ত্রী বলেন নেশামুক্ত মানে---বে-আইনী নেশামুক্ত৷ অর্থাৎ মন্ত্রীর কথায় স্পষ্ট লাইসেন্স প্রাপ্ত আইনী দোকানে বসে নেশা করা যাবে৷