সংবাদ দর্পণ

মার্গীয় বিধিতে শ্রাদ্ধানুষ্ঠান

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

চুঁচুড়া নিবাসী বিশিষ্ট আনন্দমার্গী শ্রীমতী চন্দনা সেনের পিতা শ্রী শৈলেন্দ্র সাহা গত ১২ই মার্চ পরলোকগমন করেন৷ গত ১৬ই মার্চ দ্বিপ্রহরে শ্রীমতী সেন তাঁর পিতার শ্রাদ্ধানুষ্ঠান মার্গীয় বিধিতে করেন৷ অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত৷

রাজ্য সভায় প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি: সমালোচনার ঝড়

সংবাদদাতা
পি.এন.এ .
সময়

মাত্র কয়েক মাস আগে অবসর নিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ৷  প্রধান বিচারপতি থাকাকালীন তিনি বলেছিলেন ---অবসরের পর সরকারি পদের নিয়োগ বিচারবিভাগের স্বাধীনতার গায়ে এক ক্ষত৷ রাষ্ট্রপতি মনোনীত রাজ্যসভার সদস্য হয়ে তিনি নিজেই সেই ক্ষত সৃষ্টি করলেন৷

এরফলে প্রধান বিচারপতি থাকাকালীন শ্রী গগৈয়ের  নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ণ উঠল৷ বিরোধী শিবিরের আইনজীবীদের মতে, গণতন্ত্রের অন্যতম স্তম্ভ বিচার বিভাগের স্বাধীনতার কফিনে শেষ পেরেকটি  পঁুতে দিল মোদি সরকার৷

রামমন্দির মামলা, এন.আর.সি ও রাফাল-কেসের রায় গগৈ-এর আমলেই বেরিয়েছে৷ প্রতিটি রায় কেন্দ্রীয় শাসকদলের পক্ষেই গেছে৷ স্বাভাবিকভাবে বিরোধীেেদর দিক থেকে অভিযোগ উঠছে রাফাল কেসে মোদিকে ক্লিন চিট দেওয়ার পুরস্কার পেলেন রঞ্জন গগৈ৷

সুপ্রিমকোর্ট বার এসোসিয়েশনের সভাপতি দুষ্মন্ত দাভের বলেন--- ‘‘খুবই নক্কারজনক কাজ৷ সরকারকে সুবিধা দেওয়ার পুরস্কার পেল রঞ্জন গগৈ৷ বিচারবিভাগের স্বাধীনতার যেটুকু আবরণ ছিল তাও নগ্ণ হয়ে পড়ল৷ দিল্লীর দাঙ্গার পরিপ্রেক্ষিতে এস.মুরলীধরের রায় বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে যাওয়ায় রাতারাতি বদলী  করা হয়েছিল মুরলীধরকে৷ এবার রাফাল-কেসে, রামমন্দির মামলার রায়, কেন্দ্রীয় শাসকদলের পক্ষে যাওয়ার পরে অবসর নেওয়ার কয়েকমাসের মধ্যেই রঞ্জন গগৈকে রাজ্যসভায় মনোনীত করে  বিজেপি তার গণতন্ত্রের স্বরূপ চিনিয়ে দিল৷ এর আগে অমিত শাহের বিরুদ্ধে ভুয়ো সংঘর্ষের মামলার এফ.আই.আর  খারিজ করে দিয়েছিলেন প্রধান বিচারপতি পি.সদাশিবম্৷ তিনিও অবসর নেওয়ার পর কেরলের রাজ্যপাল নিয়োজিত হন৷

চুঁচুড়ায় সেমিনার

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

গত ১৫ই মার্চ হুগলী জেলার চুঁচুড়া ডিটের সেমিনার অনুষ্ঠিত হয় চুঁচুড়া আনন্দমার্গ স্কুলে৷ চুঁচুড়া ডিটের বিভিন্ন ব্লক থেকে ৬০ জন মার্গী ভাই-বোন এই সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন৷ প্রভাতসঙ্গীত, কীর্ত্তন ও মিলিত সাধনার পর আলোচনা সভা শুরু হয়৷ সভায় আনন্দমার্গ দর্শনের বিভিন্ন বিষয়ের ওপর আলোচনা করেন শ্রী প্রভাত খাঁ ও শ্রী জ্যোতিবিকাশ সিন্হা৷

রাজ্যসভায় পাঁচে পাঁচ

সংবাদদাতা
পি.এন.এ.
সময়

পশ্চিমবঙ্গে রাজ্যসভায়  শূন্য হওয়া পাঁচ আসনে ছয়জন মনোনয়ন জমা দিয়েছিল৷ চারটি আসনে তৃণমূলের জয় নিশ্চিত ছিল৷ কিন্তু অঙ্কের হিসেবে বাম কংগ্রেসের জোটবদ্ধ হওয়ায় পঞ্চম আসনে সি.পি.এমের প্রার্থীর জয়ী হওয়ার কথা৷ কিন্তু তৃণমূল সমর্থিত দীনেশ বাজাজ নির্দল হিসেবে মনোনয়ন জমা দেওয়ায় নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছিল৷ কিন্তু দীনেশ বাজাজের মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় শূন্য পাঁচ আসনের জন্য পাঁচজন প্রার্থী রইলেন৷ নির্বাচনের আর প্রয়োজন থাকল না৷ কংগ্রেসের হাত ধরে পঞ্চম আসনে জয়ী হল সি.পি.এম প্রার্থী৷ প্রসঙ্গতঃ উল্লেখ থাকে বাম জমানায় কংগ্রেসকে ভোট দেওয়ায় হাত কেটে নিয়েছিল সি.পি.এমের ঘাতকরা৷ সেই কংগ্রেসেরই হাত ধরে রাজ্যসভায় যেতে হল সি.পি.এম-কে৷ রাজনীতির কি বিচিত্র চরিত্র!

অভিনবত্বের মাধ্যমে বসন্ত উৎসব

সংবাদদাতা
অম্বর চট্যোপাধ্যায়
সময়

গত ৭ই মার্চ সেরাম থ্যালাসেমিয়া প্রিভেনশন ফেডারেশনের উদ্যোগে বিশেষ আঙ্গিকে বসন্ত উৎসব পরিবেশিত হল নিজস্ব  অডিটোরিয়ামে৷

বিশ্বজুড়ে করোনা ভাইরাসের আক্রমণে মানুষ বিপর্যস্ত৷ সরকারীস্তরে বহু অনুষ্ঠান যেখানে বন্ধ রাখা হচ্ছে সেখানে সেরাম থ্যালাসেমিয়া প্রিভেনশন ফেডারেশনের  অনুষ্ঠান অতিথিবৃন্দকে মুখবন্ধনি (মাস্ক) পরিয়ে শুরু করা হয়৷

বসন্ত উৎসবের শুরুতে রাধাকৃষ্ণের পূজা অর্চনার উদ্যোগ নেন সংঘটনের সদস্য শরদিন্দু চট্যোপাধ্যায়৷ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সঙ্গীত পরিবেশিত  হয়৷ আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষ্যে চারটি মহিলা পরিচালিত সংঘটনকে সম্বর্ধনা দেওয়া হয়৷ উদ্বোধনী সঙ্গীত পরিবেশন করেন সাঙ্গিতিক শিল্পীগোষ্ঠীর শিল্পীরা৷

আন্তজার্তিক নারী দিবসকে লক্ষ্য রেখে বক্তব্য পেশ করেন সংঘটনের সম্পাদক সঞ্জীব আচার্য্য মহাশয়. সমাজসেবী সংঘটন মায়া ফাউন্ডেশনের ডাঃ মীনাক্ষী গাঙ্গুলিকে মঞ্চে ডেকে সম্বর্ধনা জানান হয়৷ তাঁর হাতে  মানপত্র  দান করেন সংঘটনের সভাপতি  ডাঃ ভাস্করমণি চ্যাটার্জি৷

পরবর্তী পর্র্যয়ে প্রতাপাদিত্য মেমোরিয়াল, আমরা মহিলা ও গার্গী পাটুলির সদস্যদের সম্বর্ধনা জানানো হয়৷

সংঘটনের সম্পাদক সঞ্জীব আচার্য মহাশয় সংঘটনের মাহাত্ম্য ও গুরুত্ব ব্যাখ্যা করে এর কর্র্মেদ্যোগে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান৷ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সঙ্গীত শিল্পিরা সঙ্গীত পরিবেশন করেন৷

কাঁকিনাড়ায় বসন্ত উৎসব উপলক্ষ্যে অখণ্ড কীর্ত্তন

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

গত ৯ই মার্চ কাঁকিনাড়া আনন্দমার্গ সুকলে আনন্দমার্গ প্রচারক সংঘের কাঁকিনাড়া শাখার উদ্যোগে বসন্ত উৎসব উপলক্ষ্যে তিন ঘণ্টা অখণ্ড বাবানাম কেবলম্ কীর্ত্তন অনুষ্ঠিত হয়৷ কীর্ত্তন শেষে বসন্ত উৎসব উপলক্ষ্যে শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তিজী লেখা প্রবচন পাঠ, প্রভাত সঙ্গীত পরিবেশনের পর মার্গগুরুচর চরণে আবীর দিয়ে সকলে আবীর খেলায় মেতে ওঠে৷ প্রভাত সঙ্গীত ও কীর্ত্তন পরিবেশন করেন মিতালী মুখার্জী, শঙ্কর সরকার, অবধূতিকা আনন্দ বিভূকণা আচার্যা, আচার্য ভাবপ্রকাশানন্দ অবধূত৷

ঠাকুরনগরে তত্ত্বসভা ও অখণ্ড কীর্ত্তন

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

গত ১৪, ১৫ই মার্চ ঠাকুরনগর কাটাখাল নিবাসী শ্রীপ্রদীপ কুমার মণ্ডলের বাড়ীতে তত্ত্বসভা ও ছয় ঘণ্টা ব্যাপী অখণ্ড কীর্ত্তন অনুষ্ঠিত হয়৷ ১৪ তাবিখ সন্ধ্যায় শতাধিক মার্গীর উপস্থিতিতে ধর্মচক্র অনুষ্ঠিত হয়, এরপর মার্গগুরুদেবের জীবনী ও তাঁর প্রবর্ত্তিত দর্শনের ওপর দীর্ঘ আলোচনা করেন আচার্য তন্ময়ানন্দ অবধূত৷

১৫ তারিখ সকাল ৬টা থেকে শুরু হয় অখণ্ড কীর্ত্তন৷ অনুষ্ঠানের সূচনা হয় ভোর ৪টে থেকে প্রভাত ফেরীর মাধ্যমে গ্রাম পরিক্রমা করে৷ ছয় ঘণ্টা ব্যাপী কীর্ত্তন পরিচালনা করেন আচার্য ভাবপ্রকাশানন্দ অবধূত, শ্রী হরলাল হাজারী, শ্রী কুমুদ দাস৷ কীর্ত্তন, সাধনা ও সাধ্যায় শেষে কীর্ত্তন মাহাত্তের ওপর বক্তব্য রাখেন আচার্য প্রসূণানন্দ অবধূত, অবধূতিকা আনন্দ গতিময়া আচার্যা ও আচার্য বোধিসত্বানন্দ অবধূত৷ সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন উত্তর ২৪ পরগণার ভুক্তিপ্রধান শ্রী সন্তোষ বিশ্বাস৷ অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত চার শতাধিক ভক্তমণ্ডলীকে ধন্যবাদ জানান ও প্রীতিভোজে আপ্যায়িত করেন শ্রী প্রদীপ কুমার মণ্ডল ও পরিবারের সদস্যরা৷

একবিংশ শতাব্দীর মহামারী---কোভিড-১৯

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

এই মুহূর্ত্তে করোনার ত্রাসে কাঁপছে সারা পৃথিবী৷ বিশ্বের ১৬০টিরও বেশী দেশে ছড়িয়ে পড়েছে মারণ ভাইরাস করোনা৷ কয়েক লক্ষ মানুষ আক্রান্ত হয়েছে৷ পরিস্থিতি এখনও চিকিৎসা বিজ্ঞানের নিয়ন্ত্রণের বাইরে৷ এ পর্যন্ত আট হাজারেরও বেশী মানুষ প্রাণ হারিয়েছে৷

গত ৪০০ বছরে এই ধরণের মারণ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব চতুর্থ বার৷ প্রায় প্রতি একশ’ বছর অন্তর একটি করে রোগ মহামারীর আকার ধারণ করে৷ অষ্টাদশ শতাব্দীর দ্বিতীয় দশকের শুরুতে প্রাদুর্ভাব হয়েছিল মারণ ব্যাধী প্লেগের৷ বিশ্বের প্রায় ২০ কোটি মানুষের প্রাণ নিয়েছিল এই মারণ ব্যাধী৷ ঠিক এরই ১০০ বছর পরে প্রাদুর্ভাব হয়েছিল জলবাহিত ব্যাকটেরিয়া ‘কলেরা’৷ কয়েক লক্ষ মানুষের প্রাণ নিয়েছিল এই মারণ ব্যাধী৷ ১৯২০ সালে মহামারীর আকার ধারণ করেছিল স্প্যানিশ ফ্লু---যা ইনফ্লুয়েঞ্জা নামে পরিচিত৷ ৫ কোটি মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছিল এই মারণ ব্যাধী৷ ঠিক ১০০ বছর পরে প্রাদুর্ভাব হয়েছে মারণ ভাইরাস কোভিড -১৯ যা করোনা নামে বিশ্বজুড়ে ত্রাসের সঞ্চার করেছে৷

চীনের উহান প্রদেশ থেকে শুরু করে এই মারণ রোগ বিশ্বের বৃহত্তম অংশকে গ্রাস করে নিয়েছে৷

 তথাকথিত উন্নত দেশগুলিও রেহাই পায়নি৷ বরং অবস্থা সামলাতে হিমসিম খাচ্ছে৷ ইতালির মত দেশেও বেসামাল অবস্থা৷ প্রায় ৩,০০০-এর মত মানুষ প্রাণ হারিয়েছে৷ আমেরিকাতেও মৃতের সংখ্যা ১০০ পার করেছে৷

ভারতে এখনও পর্যন্ত মহারাষ্ট্রেই সব থেকে বেশী মানূষ প্রাণ হারিয়েছে৷ এর পরেই আছে কেরল৷ করোনা সংক্রমনের ৪৭ দিন পর পশ্চিমবঙ্গে এখনও পর্যন্ত একজন করোনা রোগীর দেখা মিলেছে৷ ১৮ বছরের এই তরুণ লণ্ডন থেকে এই রোগের শিকার হয়ে এসেছে৷ চিকিৎসা বিজ্ঞান প্রতিষেধক খুঁজছে৷ এখনও দিন দিন আক্রান্ত সংখ্যা বেড়েই চলেছে৷

 

অর্থনীতিতে ধবস ঃ চরম মন্দার আশঙ্কা করোনা নয়, কেন্দ্রীত অর্থনীতির কুফল

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

গত ১৪, ১৫ই মার্চ কলিকাতায় প্রাউটিষ্ট ইয়ূনিবার্সালের কর্মীদের এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়৷ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে এই প্রশিক্ষণ শিবিরে কর্মীরা অংশ নিয়েছিলেন৷ প্রশিক্ষক ছিলেন প্রাউটিষ্ট ইয়ূনিবার্সালের সেক্রেটারী জেনারেল আচার্য রবিশানন্দ অবধূত ও কেন্দ্রীয় সংঘটন সচিব আচার্য প্রসূনানন্দ অবধূত৷

শিবিরে বর্তমান সামাজিক অবক্ষয় ও অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের কারণগুলি বিশ্লেষণ করেন আচার্য প্রসূনানন্দ অবধূত৷ তিনি বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রাউটের বাস্তবোচিত পরিকল্পনা রূপায়নের মাধ্যমে কীভাবে সংকট থেকে ত্রাণ পাওয়া যাবে তা বিস্তারিত ভাবে বুঝিয়ে বলেন৷  তিনি বলেন বর্তমান অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মূল কারণ করোনা নয়, করোনা ছড়িয়ে পড়ার অনেক আগে থেকেই ভারতে অর্থনৈতিক বিপর্যয় শুরু হয়েছে৷

করোনার মত দুর্যোগ এই প্রথম নয়৷ গত চারশ’ বছরের ইতিহাসে এই ধরণের বিপর্যয় বার বার এসেছে ও আসবে৷ অর্থনীতিবিদদের এই ধরণের বিপর্যয়ের ধাক্কা সামলাবার আগাম ব্যবস্থা থাকা দরকার৷ কিন্তু কেন্দ্রীত অর্থনীতির পক্ষে সেই প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব নয়, কারণ বর্তমান আর্থিক বিপর্যয়ের মূল কারণই পুঁজিবাদের স্বার্থ নির্ভর কেন্দ্রীত অর্থনীতি৷ একথা ঠিক করোনার প্রভাবে বিশ্বের অর্থনীতি ধাক্কা খেয়েছে, তবে করোনার প্রাদুর্ভাব না হলেও ভারতে অর্থনৈতিক বিপর্যয় দেখা দিত৷

আচার্য প্রসূনানন্দ অবধূতের কথায়---প্রাউটের অঞ্চলভিত্তিক বিকেন্দ্রীত ও সুসন্তুলিত পরিকল্পনাই এই অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের প্রতিষেধক ও পরিত্রাণের পথ৷ তিনি প্রাউটিষ্ট ইয়ূনিবার্সালের কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন মানুষকে সজাগ ও সচেতন করতে হবে প্রাউটের আদর্শ তুলে ধরে৷

প্রাউটিষ্ট ইয়ূনিবার্সালের সেক্রেটারী জেনারেল আচার্য রবিশানন্দ অবধূত প্রাউটের বিকেন্দ্রিত অর্থনীতির ব্লক পর্যায়ের পরিকল্পনাগুলি---বিশেষ করে কৃষি ও শিল্পের সমন্বয়ে একটি বলিষ্ঠ অর্থনীতি গড়ে উঠতে পারে তা বিস্তারিত ব্যাখ্যা করেন৷ তিনি বলেন এই অর্থনৈতিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নই মানুষকে উপার্জনক্ষম করে তুলবে ও ক্রয় ক্ষমতার অধিকারী করবে৷ তবে তিনি এসব পরিকল্পনা রূপায়নের ব্যাপারে সদ্বিপ্র নেতৃত্বের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন৷ তিনি বলেন কোন পরিকল্পনাই সে যতই বাস্তবোচিত হোক, আধ্যাত্মিক নীতিবাদে প্রতিষ্ঠিত উপযুক্ত নেতৃত্ব দ্বারা পরিচালিত না হলে সর্বসাধারণের কল্যাণ সম্ভব নয়৷ বর্তমান বিপর্যয়ের কারণ শুধুমাত্র কেন্দ্রীত অর্থনীতি নয়, দুর্নীতিপরায়ণ আমলা ও রাজনীতিবিদরাও এই বিপর্যয়ের দায় অস্বীকার করতে পারবে না৷ আজ অর্থনীতির নিয়ামক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জগতের রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতির বাসা৷ তাই মানুষের ও সমাজের সার্বিক কল্যাণ করতে হলে এই দুর্নীতির বাসা ভাঙতেই হবে৷ সেই জন্যেই প্রাউট তত্ত্বের প্রবক্তা অর্থনৈতিক পরিকল্পনার সঙ্গেই সদ্বিপ্র নেতৃত্বের বিধান দিয়েছেন৷ আধ্যাত্মিক নীতিবাদের প্রতিষ্ঠিত এই নেতৃত্ব হবে শারীরিক দিক দিয়ে সক্ষম, কঠোর দৃঢ়চেতা মানসিকতা ও আধ্যাত্মিক বলে বলীয়ান৷ কোন প্রলোভনের কাছেই এরা মাথা নত করবে না৷ প্রাউট প্রবক্তা এদেরই সদ্বিপ্র নাম দিয়েছেন৷ এই সদ্বিপ্রের হাতেই সমাজ ও রাষ্ট্রের পরিচালনার ভার দিতে হবে৷ তবেই সার্থক মানব সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব হবে৷ শিবিরের শেষে প্রাউটের এই আদর্শকে মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে বেশ কিছু কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়৷

গো-মূত্র খেয়ে অসুস্থ শিবু

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

ঝাড়গ্রাম শহরের চার নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা শিবু গরাই ছোটখাটো কাপড়ের ব্যবসায়ী৷ কয়েকজন বন্ধু মিলে মায়াপুরে বেড়াতে গিয়েছিলেন৷ সেখান থেকেই ১৮০ টাকা দিয়ে কিনে আনেন এক শিশি গো-মূত্র৷ করোনা আক্রমনের ভয়ে ১৭ তারিখ সন্ধ্যায় এক ছিপি গো-মূত্র পান করেন শিবু৷ তারপরেই গলা ও বুকের অসহ্য জ্বালা নিয়ে ঝাড়গ্রাম হাসপাতালে যান৷ আজ পর্যন্ত শিবু সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন৷