সংবাদ দর্পণ

তৃণমূল থেকে দুই সাংসদের পদত্যাগ

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

বিষ্ণুপুরের তৃণমূল সাংসদ সৌমিত্র খাঁ তৃণমূল ছেড়ে গত ৯ই জানুয়ারী বিজেপিতে যোগ দিলেন৷ সাংবাদিক সম্মেলনে  সৌমিত্র খাঁ এই ঘোষণা করেন৷ তাঁর  অভিযোগ, ‘‘পশ্চিমবঙ্গে  গণতন্ত্র বলে কিছু নেই৷ পিসি-ভাইপো দল চালাচ্ছে৷ তাই আমি  বিজেপি-তে যোগদান করছি৷’’

অন্যদিকে, বীরভূম জেলার তৃণমূল সাংসদ অনুপম হাজরাও তৃণমূল ত্যাগ করলেন৷ তবে তিনি  এখনও  অন্য কোনো দলে  যোগদানের কথা ঘোষণা করেন নি৷ তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বক্তব্য, ,ওই দু’জন দীর্ঘদিন থেকে সংঘটনের কাজকর্মের সঙ্গে যুক্ত নয়৷ সংঘটনের বিরুদ্ধেও নানা কিছু বলেছেন৷ তাই তাঁদের বহিষ্কার করা হয়েছে৷

পাট ঝালদায় কপিল মেলা

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

মহর্ষি কপিলের জন্মস্থান পুরুলিয়া জেলার ঝালদা মহকুমার অন্তর্গত পাটঝালদা গ্রামে গত পৌষ সংক্রান্তিতে আনন্দমার্গ প্রচারক সংঘের পক্ষ থেকে মহাসমারোহে কপিল মেলা উৎসব পালিত হয়৷ এই মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংঘের প্রবীণ সন্ন্যাসী, সন্ন্যাসিনীগণ, স্থানীয় বিধায়ক মাননীয় নেপাল মাহাত৷ অনুষ্ঠানে প্রভাত সঙ্গীত, টুসু সঙ্গীত, ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের খেলাধূলা, বসে আঁকো প্রতিযোগিতা হয় ও স্থানীয় দরিদ্র মানুষদের মধ্যে কম্বল বিতরণ করা হয়৷

অখণ্ড কীর্ত্তন

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

গত ১৩ই জানুয়ারী নিউ ব্যারাকপুরের বিশিষ্ট আনন্দমার্গী শ্রী মোহন অধিকারীর বাসভবনে ছয় ঘণ্টা ব্যাপী অখণ্ড ‘বাবানাম কেবলম্’ মহানাম সংকীর্ত্তন অনুষ্ঠিত হয়৷ অনুষ্ঠানে কীর্ত্তন পরিচালনা করেন আচার্য বাসুদেবানন্দ অবধূত, শ্রীহরলাল হাজরা প্রমুখ৷ কীর্ত্তন ও মিলিত সাধনার পর কীর্ত্তন মাহাত্ম্য সম্পর্কে বক্তব্য রাখেন আচার্য কাশীশ্বরানন্দ অবধূত, আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত ও মোহন অধিকারী৷ সবশেষে সমস্ত ভক্তদের মধ্যে প্রসাদ বিতরণ করা হয়৷

শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তিজী শুভ পদার্পণ দিবস নিউ ব্যারাকপুরে

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

নিউ ব্যারাকপুর ঃ গত ১৪ই জানুয়ারী মার্গগুরু শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তিজী শুভ পদার্পণ দিবস উপলক্ষ্যে নিউ ব্যারাকপুর আনন্দমার্গ আশ্রমে সকাল ৯টা ৩০ থেকে দুপুর ১২টা ৩০ পর্যন্ত অখণ্ড ‘বাবানাম কেবলম্’ কীর্ত্তন অনুষ্ঠিত হয়৷ উত্তর ২৪ পরগণার বিভিন্ন ব্লক থেকে আনন্দমার্গীরা এই কীর্ত্তনে যোগদান করেন৷ কীর্ত্তন, সাধনা ও গুরুপূজার পর ‘‘আনন্দমার্গ ও শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তিজী’’ সম্পর্কে বক্তব্য রাখেন আচার্য কাশীশ্বরানন্দ অবধূত ও আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত৷ অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন এই জেলার ভুক্তিপ্রধান শ্রীসন্তোষ কুমার বিশ্বাস৷

উলুবেড়িয়ায় মার্গগুরু শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তিজী শুভ পদার্পণ দিবস পালন

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

গত ১৬ই জানুয়ারী হাওড়া জেলার উলুবেড়িয়ায় মহাসমারোহে মার্গগুরু শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তিজী শুভ পদার্পণ দিবস পালিত হয়৷ এখানে উল্লেখ্য, ১৯৭৯ সালের ১৬ই জানুয়ারী উলুবেড়িয়া বিটি কলেজে মার্গগুরু শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তিজী পদার্পণ করেছিলেন ও ধর্ম মহাসম্মেলন করেছিলেন৷ এই উপলক্ষ্যে এবছরও যথারীতি হাওড়া জেলার আনন্দমার্গীরা পরম শ্রদ্ধার সঙ্গে এই দিনটিকে পালন করেন৷ অনুষ্ঠানের শুভারম্ভ হয় শ্রী নরহরি মণ্ডল কর্তৃক পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে৷ তৎপরে অখণ্ড কীর্ত্তন ও মিলিত সাধনার পর স্বাধ্যায়ে জেলার ভুক্তিপ্রধান সুব্রত সাহা উলুবেড়িয়ায় মার্গগুরুদেব যে প্রবচন দিয়েছিলেন সেটি পাঠ করে শোণান৷ তারপর বকুল রায় মার্গগুরুদেবের আগমণের বর্ণনা দিয়ে স্মৃতিচারণ করেন৷ এরপর আনন্দমার্গের আদর্শ ও মার্গগুরুদেবের ওপরে বক্তব্য রাখেন শ্রীশুভেন্দু ঘোষ, আচার্য অভিব্রতানন্দ অবধূত,  অবধূতিকা আনন্দরেখা আচার্যা, আচার্য সুবিকাশানন্দ অবধূত ও স্থানীয় কিছু বরিষ্ঠ আনন্দমার্গী৷ এরপর দুঃস্থদের মধ্যে কম্বল বিতরণ করা হয় ও সবশেষে আনন্দমার্গীরা শহরে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করে শহর পরিক্রমা করেন৷

রথযাত্রার নাম করে রাজনৈতিক প্রচারে সুপ্রিম কোর্টের---না

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

সুপ্রিম কোর্টে নাকচ হয়ে গেল বিজেপির প্রস্তাবিত  রথযাত্রা৷ সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, রথযাত্রা বাদ দিয়ে বিজেপি জনসভা করতে চাইলে  তা করতে পারে৷

তাঁরা রাজনৈতিক মিছিল মিটিং করতে চান করুন, কিন্তু ‘রথযাত্রা’র নাম করে কেন? এতো ধর্মের আবেগকে  রাজনৈতিক প্রচারে কাজে লাগানো --- যা অনুচিত৷ এভাবে  রাজ্যে শান্তি-শৃঙ্খলা  নষ্ট করা কাম্য নয় বলেই আদালতে  জানিয়েছে৷

উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেসকে বাদ দিয়ে বিএসপি ও সপা-র আসন ভাগাভাগি

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

আগামী লোকসভা নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে আছে সমস্ত  রাজনৈতিক  দলসহ  সমস্ত দেশবাসী৷ সবচেয়ে বড় এই রাজ্যটির লোকসভা আসন ৮০৷ উত্তর প্রদেশের মায়াবতীর  বিএসপি ও মুলায়েম সিংয়ের  সমাজবাদী পার্টির  মধ্যেকার চরম বিবাদ ও বিশৃঙ্খলার ফলে গত লোকসভা নির্বাচনে আসন- ভাগাভাগির কারণে বিজেপি ৮০-র মধ্যে ৭৩ টি আসন লাভ করেছিল৷ একরাজ্যেই  এই বিশাল আসনের পুঁজি বিজেপি’র জয়লাভকে সহজ করে দিয়েছিল৷

এবারে তাই আগে ভাগেই  বহু জন সমাজ পার্টির (বি এস পি) প্রধান মায়াবতী ও বর্তমান সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ  যাদবের  মধ্যে সমঝোতা পাকা হওয়ার  ফলে  কংগ্রেসকে বাদ দিয়েই তাঁরা জোটবদ্ধ  হয়ে গেছেন৷

সিদ্ধান্ত হয়েছে দুই দল উনিশের নির্বাচনে ৮০টি’র ৩৮টি করে আসনে প্রার্থী দেবে৷ কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী ও কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর জন্যে  রায়বেরিলি ও আমেথি আসন দুটিই তাঁরা ছেড়ে দেবে৷ আর দুটি আসন পরবর্তী সময় অন্য কোনো ছোট দলকে দেওয়া হবে৷

বি এস পি ও এসপি কংগ্রেসকে বাদ দিয়ে আসন ভাগাভাগির সিদ্ধান্ত ঘোষণা করায় গত ১৩ই জানুয়ারী কংগ্রেস নিজেই ৮০টি আসনে  লড়বার  সিদ্ধান্ত ঘোষণা করল৷ কংগ্রেসের উত্তরপ্রদেশ শাখার ইনচার্জ গুলাম নবি আজাদ তাঁদের এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছেন৷

দুর্নীতি দমনের সর্বোচ্চ দায়িত্ব যার সেই সিবিআই এখন দুর্নীতি-গড়

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

দেশে আজ সবচেয়ে বড় সমস্যা দুর্নীতির সমস্যা৷ ব্যাপক দুর্নীতির জন্যে  দেশের  দরিদ্র জনসাধারণের কাছ থেকে তিল তিল করে সংগৃহীত সরকারী ট্যাক্স--- যা রাজকোষে জমা পড়ে--- তা জনসাধারণের স্বার্থে ব্যয়িত না হয়ে তা লুঠ করে’ নিয়ে যাচ্ছে এক শ্রেণীর পুঁজিপতি লুঠেরারা৷ দেশের সংবিধান অনুসারে দেশের বিভিন্ন জটিল দুর্নীতি ও অপরাধের তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় সিবিআই-কে৷ কিন্তু দেখা যাচ্ছে  সে সিবিআই-ই বিশাল দুর্নীতির গড়৷ আর তার সঙ্গে সরাসরি যুক্তি দেশের শাসকবর্গ৷ এ অভিযোগ সিবিআইয়ের সর্বোচ্চ পর্যায়ের  আধিকারিকদেরই৷

গত ৩ মাস ধরে এই দুর্নীতি নিয়ে সিবিআই-এর ডাইরেক্টর আলোক ভার্মার সঙ্গে  দ্বৈরথ চলছে সিবিআই স্পেশাল ডাইরেক্টর  রাকেশ আস্থানার৷ শেষ  পর্যন্ত তাতে জড়িয়ে পড়েন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তথা  প্রধানমন্ত্রীর  নেতৃত্বাধীন  উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন প্যানেল৷

৩ মাস আগে সিবিআইয়ের  এই দুই শীর্ষ আধিকারিকের দ্বৈরথ সবার নজরে  আসে৷  সিবিআইয়ের স্পেশাল ডাইরেক্টর রাকেশ আস্থানার বিরুদ্ধে  গুরুতর অভিযোগ  ওঠে৷ এই উচ্চপদস্থ  সিবিআই আধিকারিক  হায়দ্রাবাদের মাংস রফতানীকারক মইন কুরোশির বিরুদ্ধে কালো টাকা সংক্রান্ত এক গুরুতর অভিযোগ তদন্ত বন্ধ করার জন্যে মোটা অংকের ঘুস নিয়েছিলেন৷

 এই মর্মে উক্ত সিবিআই আধিকারিকের বিরুদ্ধে  এফ.আই.আর দায়ের করা হয়৷

রাকেশ আস্থানাও সিবিআই  ডাইরেক্টর আলোক ভার্মার  বিরুদ্ধে  ওই একই অভিযোগসহ  নানান্ গুরুতর  অভিযোগ আনেন৷ এই পরিপ্রেক্ষিতে ২৩শে অক্টোবর  মধ্যরাতে  আচমকাই  প্রধানমন্ত্রী  মোদি সিবিআইয়ের ডাইরেক্টর আলোক ভার্মা ও স্পোদাল  ডাইরেক্টর  রাকেশ আস্থানা--- উভয়কেই  ছুটিতে  পাঠিয়ে দিলেন ও আলোকভার্মার  জায়গায়  সিবিআইয়ের

অন্তবর্তীকালীন ডাইরেক্টরের দায়িত্ব দেওয়া হ’ল  অন্যতম জয়েন্ট ডাইরেক্টর এম নাগেশ্বেরকে৷

কেন্দ্রের এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে’ আলোক ভার্মা সুপ্রিম কোর্র্টের দ্বারস্থ হন৷ গত ৮ই জানুয়ারী সুর্প্রিম কোর্ট জানিয়ে দেন, আলোক ভার্মাকে ছুটিতে পাঠানো বে-আইনী হয়েছে৷ তাই সুপ্রিমকোর্টের নির্দেশ---তাঁকে  অবিলম্বে সিবিআইয়ের  ডাইরেক্টরের পদে পুনর্বহাল করতে হবে৷  তবে শীর্ষ আদালত জানায়, ভার্মার বিরুদ্ধে  ওঠা দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তিনি নীতিগতভাবে কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে  পারবেন না৷ এই পরিপ্রেক্ষিতে  আলোকভার্মা স্বপদে ফিরে আসেন৷

কিন্তু এরপর  দু-দিনের  মাথায় ৯ই জানুয়ারী রাতে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন প্যানেল আলোকভার্মাকে আবার সিবিআই ডাইরেক্টরের পদ থেকে সরিয়ে দিলেন৷ তাঁকে বদ্লি করা হ’ল কার্যতঃ গুরুত্বহীন দমকলের ডিজি পদে৷

এরপর, সিবি আই প্রধানের  পদ থেকে সরিয়ে  দেবার ২ দিন পরে ১১ই জানুয়ারী আলোক ভার্মা চাকরীই ছেড়ে ছিলেন৷ তিনি দমকলের ডিজি পদ প্রত্যাখ্যান করে ইণ্ডিয়ান পুলিশ সার্ভিস (আই পি এস) থেকেই পুরোপুরি  ইস্তফা দিলেন৷

তাঁর বক্তব্য, তাঁকে মিথ্যা, প্রমাণ নেই---এমন অভিযোগের ভিত্তিতে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে৷ তিনি বলছেন, ‘সিবিআইয়ের মতো প্রতিষ্ঠানকে বাইরের প্রভাবমুক্ত হয়ে কাজ করা উচিত৷ কিন্তু সেটা  ধবংস করার চেষ্টা হয়েছে৷’

বিরোধীদের অভিযোগ, আলোক ভার্মা আসলে রাফায়েল  সম্পর্কিত  দুর্নীতির  তদন্তে উদ্যোগী হয়েছিলেন বলেই আর এক মুহূর্ত আলোকভার্মাকে সিবিআই পদে রাখা হ’ল না৷

সে আই হোক না কেন, সিবিআইয়ের ঘরোয়া বিবাদে  এটা  অন্ততঃ এতটা পরিষ্কার যে এই সিবিআই এখন  দুর্নীতি-গড়ে পরিণতি হয়েছে৷ কথায় বলা হয়,  যে সরষে  দিয়ে ভুত তাড়ানো  হয়,  সেই সরষের  মধ্যেই  যদি ভুত লুকিয়ে থাকে, তাহলে ভুত আর তাড়ানো  যায় না৷

মোবাইলের ক্ষতিকর প্রভাব

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

বিজ্ঞানের যুগে এখন মোবাইল ফোন মানুষের হাতে হাতে৷ গতির যুগে এই ফোন একরকম অতি প্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছে৷ কিন্তু এই মোবাইল মানব সমাজ তথা এই পৃথিবীকে যে একদিন ধবংসের মুখে ঠেলে দিতে পারে তা নিয়ে বিজ্ঞানী মহলে যথেষ্ট আলোচনা চলছে৷ জানা গেছে, মোবাইলের যে ইলেকট্রোম্যাগনেটিভ ফিল্ড রয়েছে তা মানুষের কান, চোখ, চামড়া এমনকি হার্টের যথেষ্ট ক্ষতি করে৷

সাম্প্রতিক এক চাঞ্চল্যকর তথ্য থেকে জানা যাচ্ছে যে পাখী ও মৌমাছিদের শরীরের ওপর এই রেডিয়েশনের মারাত্মক প্রভাব কী ভয়ঙ্কর!

সম্প্রতি নেদারল্যাণ্ডে বহু পাখীর মৃতদেহ পাওয়ার পর বিজ্ঞানীরা এই পাখীগুলির মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছেন৷ জানা গেছে নেদারল্যাণ্ডে ৫ জি মোবাইল নেট ওয়ার্কের পরীক্ষায় ব্যবহৃত  ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ফিল্ডের মাইক্রোওয়েভ রেডিয়েশন ওই পাখীদের হার্ট এ্যাটাকের প্রধান কারণ৷ বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন এই নেটওয়ার্ক ব্যবহারের ফলে ২৯৭টি পাখীর একই সঙ্গে হার্ট এ্যাটাক হয় ও তারা মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে৷ মোবাইল নেটওয়ার্কের ভয়ঙ্কর রেডিয়েশনের ফলে পাখী ও মউমাছি ভয়ঙ্করভাবে কমে আসছে৷ পবযিায়ী পাখীরা সাবলীলভাবে চলাচল করতে পারছে না বলেই দেশে দেশে পরিযায়ী পাখীদের দেখা যাচ্ছে না৷ উদ্ভিদ ও অন্যান্য প্রাণীদের ক্ষেত্রে এই রেডিয়েশনের প্রভাব পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে৷

৩৫ লক্ষ মানুষের সাগর স্নান

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

গঙ্গাসাগর ঃ সাগরে ডুব দিলেই সমস্ত পাপ ক্ষয় হয়ে যাবে আর পুণ্যের থলি ভরে যাবে--- এই লোভে  লক্ষ লক্ষ মানুষ পৌষ সংক্রান্তিতে  সাগর সঙ্গমে এলেন৷ মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ৩৫ লক্ষ পুণ্যার্থীর  ভিড় হয়েছে৷ জেলায় ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ প্রত্যেকটি মৃত্যু স্বাভাবিক বলে জানানো হয়েছে৷

যদিও শাস্ত্রেই বলা হয়েছে, অন্যের উপকার  করলে পুণ্য আর অন্যের  ক্ষতি করলেই পাপ৷ অপরের উপকার  না করে, শীতের সকালে  সাগরে ডুব দিলেই জীবনের সব পাপ হয়ে যাবে ও পুণ্যের থলি পূর্ণ হয়ে যাবে--- এটা অন্ধবিশ্বাস বলেই প্রকৃত  সাধকদের  মত৷ আবার অনেকে  তো সামান্য কয়েকটা টাকা খরচ করে গোরুর লেজ ধরে বৈতরণী পার হয়ে সমস্ত পাপ ক্ষয় করে অক্ষয়  স্বর্গবাসের  ব্যবস্থা  করেছেন৷ অনেককেই সারিরবদ্ধভাবে এইভাবে গোরুর লেজ ধরে বৈতরণী পার হতে দেখা  গেল৷ তাতে গোরুর মালিকদের ও পুরোহিতদেরও মোটা আয় হ’ল৷

দেশের বুদ্ধিজীবী গোষ্ঠী যাঁরা  মুখে ধর্মকে সমর্থন করেন না বলে বলেন, তাঁরা কিন্তু এই অন্ধবিশ্বাস,  কুসংস্কার  তথা  ডগ্মার বিরুদ্ধে  কেউ মুখ খোলেন না৷ বুদ্ধিজীবীদের এই ভূমিকাও আশ্চর্যজনক৷ সেই সঙ্গে আশ্চর্যজনক দেশের বিশিষ্ট নেতৃবর্গের আচরণও৷ তাঁরা দেশবাসীর কতটা কল্যাণ চান---এটা এখন প্রশ্ণ!