সংবাদ দর্পণ

গঙ্গানগরে অখণ্ড কীর্ত্তন

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

গত ১৪ই জুলাই উত্তর ২৪ পরগণার গঙ্গানগর নিবাসী শ্রী অরবিন্দ করের বাড়ীতে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টা অখণ্ড কীর্ত্তন অনুষ্ঠিত হয়৷ শতাধিক ভক্তের সমাগমে ‘বাবা নাম কেবলম্’ মহামন্ত্রে মুখরিত হয়ে ওঠে অরবিন্দ করের গৃহ প্রাঙ্গণ৷ অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রভাত সঙ্গীত পরিবেশন করেন আচার্য ভাবপ্রকাশানন্দ অবধূত ও মার্গী ভাইবোনেরা৷ এরপর শুরু হয় অখণ্ড কীর্ত্তন৷ তিন ঘণ্টা ব্যাপী এই অখণ্ড কীর্ত্তনের কীর্ত্তন পরিবেশন করেন শ্রীহরলাল হাজারি, শুভজিৎ হাজারি ও দাদা আচার্য ভাবপ্রকাশানন্দ অবধূত৷

কীর্ত্তন শেষে কীর্ত্তন মহিমার ওপর বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় মাষ্টার ইয়ূনিট সেক্রেটারী আচার্য ভাবপ্রকাশানন্দ অবধূত৷ শ্রী মোহন অধিকারী আনন্দমার্গ জীবন দর্শন ও কীর্ত্তনের প্রয়োজনীয়তার ওপর বক্তব্য রাখেন৷ সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন উত্তর ২৪ পরগণার ভুক্তিপ্রধান শ্রী সন্তোষ বিশ্বাস৷

নিউ ব্যারাকপুরে রক্তদান শিবির

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

গত ৭ই জুলাই আনন্দমার্গ ইয়ূনিবার্সল রিলিফ টীমের নিউ ব্যারাকপুর ইয়ূনিটের পক্ষ থেকে একটি রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়৷ শিবিরটি হয় নিউ ব্যারাকপুর আনন্দমার্গ আশ্রমে৷ এই শিবিরে ২৫ জনের মত রক্ত দান করেন৷ আরও কয়েকজন রক্ত দিতে চাইলেও শারীরিক কারণে তাঁদের রক্ত গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি৷ উত্তর ২৪ পরগণার ভুক্তিপ্রধান শ্রীসন্তোষ বিশ্বাস ও ডিট.এস. আচার্য ভাবপ্রকাশানন্দ অবধূত এই শিবিরটি পরিচালনা করেন৷ মুমুর্ষু মানুষকে সুস্থ করে তুলতে স্থানীয় মার্গী ভাইবোনেরা রক্তদান করতে এগিয়ে আসেন৷

ডায়োসিস স্তরের সেমিনার চলছে

সংবাদদাতা
নিজস্ব প্রতিনিধি
সময়

আনন্দ নগরে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার সঙ্গে ধর্ম মহাসম্মেলন শেষের পর বিভিন্ন ডায়োসিসে সেমিনার হয়ে চলেছে৷ এই সেমিনারগুলো স্থানীয় ডি.এস., ডি.এস. (এল) ও মার্গী ভাইবোনদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে৷ সেমিনারের আলোচ্য বিষয়গুলি হ’ল---‘আনন্দপ্রাপ্তির পথ’, ‘ষড়দোষাঃ পুরুষেনেহ হন্তবাঃ’, সামাজিক মূল্য ও মানবিক মৌলনীতি ও আদর্শ সংবিধানের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান৷

মানুষের আধ্যাত্মিক উন্নতিও প্রগতির পথে অগ্রসরের দিশা দেখাতে আলোচ্য বিষয় ছিল ‘আনন্দ প্রাপ্তির পথ’৷ মানুষের ব্যষ্টি ও সমষ্টি জীবনের দোষগুণের ওপর আলোকপাত ও মানুষের কী করণীয় সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতেই ‘ষড়দোষাঃ পুরুষেনেহ হন্তবাঃ’ বিষয়ের ওপর আলোচনা হয়৷ মানুষ সভ্যতার বড়াই করলেও আজ পর্যন্ত মানুষ শুধু মানুষের সামাজিক-মর্যাদাকে মূল্য দিয়েছে, সম্মান করেছে৷  মানবিক মূল্যবোধকে কখোনোই মর্যাদা দেয়নি৷ এ বিষয়ের ওপর বিস্তারিত আলোচনা করতে ও সঠিক দিশা দেখাতেই আলোচিত হয় আলোচ্য বিষয়টি৷ আদর্শ সমাজ গড়তে গেলে অন্যতম উপাদান আদর্শ সংবিধান৷ আদর্শ সংবিধান কেমন হওয়া উচিত---এই বিষয়ে বিশেষভাবে আলোচনা করা হয়৷ আলোচনা সভায় প্রশিক্ষক ছিলেন আচার্য চিতিবোধানন্দ্য অবধূত, আচার্য রবীশানন্দ অবধূত ও আচার্য বোধিসত্তানন্দ অবধূত৷

৪, ৫ ও ৬ই জুলাই হুগলী ডায়োসিসের সেমিনার অনুষ্ঠিত হয় চাপাডাঙ্গা আনন্দমার্গ সুকলে৷ সেমিনারটি আয়োজন করেন হুগলীর ডি.এস. আচার্য সুবিকাশানন্দ অবধূত ও ডি.এস.(এল) ও হুগলীর ভুক্তিপ্রধান৷ প্রশিক্ষক ছিলেন আচার্য চিতিবোধানন্দ অবধূত৷ একই ভাবে ১২, ১৩ ও ১৪ই জুলাই বর্ধমান শহরে বোরহাট আনন্দমার্গ সুকলে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়৷ এই সেমিনারের আয়োজন করেন বর্ধমান ডিএস., ডি.এস.(এল) ও ভুক্তিপ্রধান৷ প্রশিক্ষক ছিলেন আচার্য চিতিবোধানন্দ অবধূত৷ একই তারিখে মেদিনীপুর ডায়োসিসেরও সেমিনার অনুষ্ঠিত হয় কেরাণীটোলা আনন্দমার্গ সুকলে৷ এখানে প্রশিক্ষক ছিলেন আচার্য রবিশানন্দ অবধূত৷ সেমিনারটির আয়োজন করেন ডি.এস., ডি.এস.(এল) ও ভুক্তিপ্রধান৷ ১৩ই জুলাই অপরাহ্ণে মেদিনীপুর শহরে মার্গী ভাই-বোন ও সন্ন্যাসী দাদা-দিদিরা কীর্ত্তন পরিক্রমা করেন৷

ভাটপাড়া বাঙলার লজ্জা

সংবাদদাতা
নিজস্ব প্রতিনিধি
সময়

উত্তর ২৪ পরগণার শিল্প শহর ভাটপাড়া৷ একসময় এই ভাটপাড়া ছিল বাঙালী সংস্কৃত পণ্ডিতদের বাসগৃহ৷ ভাটপাড়া তখনও শিল্প শহর হিসেবে গড়ে ওঠেনি৷ বহু সংস্কৃত পণ্ডিত বাঙলার মুখ উজ্জ্বল করে এখানে বাস করতেন৷ ভাটপাড়ার নিকটেই নৈহাটী, সাহিত্য সম্রাট ঋষি বঙ্কিমচন্দ্রের জন্মস্থান৷ নৈহাটীর পরের ষ্টেশনই হালিশহর৷ এই হালিশহরেই ছিল সাধক রামপ্রসাদের বাসগৃহ৷ বাঙলার গর্বের এই অঞ্চল এখন কদর্য রাজনীতির আঁতুর ঘর৷ বাঙলার সেই গৌরব আজ বিলীন হয়েছে৷ শিল্পের হাত ধরে এই স্থান দখল করে বসে ভিন রাজ্যের বাসিন্দারা৷ ক্রমে তারাই এখানে আধিপত্য বিস্তার করে৷ বাঙলা ও বাঙালীর স্বার্থ চিন্তা না করে সব নেতারাই রাজনৈতিক স্বার্থে যে যখন ক্ষমতায় এসেছে এই বহিরাগতদেরই তোষণ করেছে৷ সেই সুযোগ নিয়ে রাজনৈতিক ক্ষমতা ও কাঁচা পয়সার জোরে ভাটপাড়া এখন বহিরাগত মাফিয়াদের রাজত্বে পরিণত হয়েছে৷ স্বার্থের হিসাব কষে এরা গিরগিটির মত রাজনৈতিক রং পরিবর্তন করে৷ বিবেকহীন, আদর্শবোধ লুপ্ত দ্বিপদ দানবের দাপট চলছে ভাটপাড়ায়৷ দিনে-দুপুরে বোমা, গুলি চলছে, অসহায় মানুষ নির্বিকারে মরছে৷

প্রশাসন নিষ্ক্রিয়! ব্যর্থ! না-কি রাজনীতির অন্য হিসাব কষে পুলিশ প্রশাসন নীরব দর্শক৷ মাফিয়া গুণ্ডাদের গায়ে রাজনীতির যে রঙের জামাই থাক পুলিশ প্রশাসন তাদের দমন করতে পারছে না---এটা বিশ্বাস করা কষ্টসাধ্য৷ কোথাও একটা রাজনীতির অন্য খেলা চলছে৷ সাধারণ মানুষের স্বার্থকে বিসর্জন দিয়ে, তাদের জীবন অতিষ্ঠ করে দিল্লী ও রাজ্যের সরকার উভয়েই কদর্য রাজনীতির হিসাব কষে চলছে৷ বাঙলার গর্ব ধুলুণ্ঠিত করে রাজনীতির রঙবাজী অবাধে চলছে৷ একদা বাঙলার গর্ব ভাটপাড়া আজ বাঙালীর কাছে একরাশ লজ্জার৷ বাঙালী এই রঙবাজী আর কতদিন সহ্য করবে?

দার্জিলিংয়ে জিটিএ-র বিরুদ্ধে ‘আমরা বাঙালী’র বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

১৮ই জুলাই গোর্খাল্যাণ্ড  টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিষ্ট্রেশন (জিটিএ) বাতিলের দাবীতে ‘আমরা বাঙালী’র পক্ষ থেকে দার্জিলিং জেলার শিলিগুড়িতে একটি বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা করা হয়৷ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে ‘আমরা বাঙালী’র কর্মী সমর্থকরা এদিন সকাল থেকেই শিলিগুড়ির ভক্তিনগরে ‘আমরা বাঙালী’র কার্যালয় ---বরেন্দ্র ভবনে এসে জমায়েত হয়৷

বিকেলে কয়েক হাজার কর্মী-সমর্থক নিয়ে দলীয় কার্যালয় থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়৷ বিক্ষোভকারীদের শ্লোগান ছিল---অবিলম্বে জিটিএ বাতিল করতে হবে, বাঙালীদের পকেট কেটে  বিদেশী গোর্খাদের পিণ্ডি গেলানো চলবে না, বাঙলা ভাগের চক্রান্ত রুখছি, রুখবো৷  শহরের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে মিছিলটি হাসমিচকে এসে জমায়েত হয়৷ সেখানে একটি বিক্ষোভ সভা অনুষ্ঠিত হয়৷ সভায় সভাপতিত্ব করেন ‘আমরা বাঙালী’র কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও উত্তরবঙ্গের প্রতিনিধি নীরদ অধিকারী৷

উদ্বোধনী সঙ্গীত দিয়ে সভা শুরু হয়৷ উদ্বোধনী সঙ্গীত পরিবেশন করেন স্পান্দনিক শিল্পী গোষ্ঠীর প্রকাশ সাহা, প্রীতম সাহা, শুক্লা সাহা প্রমুখ শিল্পীবৃন্দ৷ এরপর স্বাগত ভাষণ দেন ‘আমরা বাঙালী’র দার্জিলিং জেলা সচিব শ্রীবাসুদেব সাহা৷ এরপর বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় সচিব বকুল রায়, বাঙালী মহিলা সমাজের সচিব শ্রীমতী সাগরিকা পাল, তারাপদ বিশ্বাস, খুশীরঞ্জন মণ্ডল, উজ্জ্বল ঘোষ, তপোময় বিশ্বাস, সুবোধ বর্মন প্রমুখ বক্তারা৷ সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন দিব্যেন্দু চউধুরী৷

বক্তারা দাবী করেন গোর্খাল্যাণ্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিষ্ট্রেশন আইন অসাংবিধানিক ও জাতীয় স্বার্থবিরোধী৷ বিদেশী গোর্খাদের হাতে দার্জিলিং সঁপে দিলে তা একদিন জাতীয় সংহতিকে বিপন্ন করতে পারে৷ ১৯৫০ সালের ভারত-নেপাল চুক্তি অনুযায়ী নেপালীরা জীবিকা অর্জনের জন্য ভারতে এসে বসবাস করতে পারে, কিন্তু নাগরিকত্ব পাবে না৷ দুর্ভাগ্যের বিষয় নেপাল থেকে আগত গোর্খারা শুধু নাগরিকত্বই পাননি, আজ তারা  বাঙলা ভাগ করে পৃথক গোর্খাল্যাণ্ডের দাবী তুলছে৷ গোর্খাল্যাণ্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিষ্ট্রেশন তাদের সেই দাবীকে বাস্তবায়ন করতে সাহায্য করবে৷ এইভাবে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকার জিটিএ চুক্তি করে বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনকে মদত দিচ্ছে৷ ‘আমরা বাঙালী’ কোনওভাবেই দার্জিলিংকে পশ্চিমবাঙলা থেকে বিচ্ছিন্ন হতে দেবে না৷ বক্তারা অবিলম্বে জিটিএ বাতিলের দাবী তুলেছে৷ নইলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে আমরা বাঙালী৷

‘আমরা বাঙালী’ পুরুলিয়া জেলা কমিটির পক্ষ থেকেও পুরুলিয়া শহরে জিটিএ বাতিলের দাবীতে পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটর সদস্য লক্ষ্মীকান্ত মাহাতর নেতৃত্বে এক বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়৷ সভায় বিভিন্ন বক্তা জিটিএ বাতিলের জোরালো দাবী তোলেন৷

আন্তর্জাতিক  আদালতে  ভারতের জয়

সংবাদদাতা
পি.এন.এ.
সময়

আন্তর্জাতিক  আদালতে  ভারতের জয় হ’ল৷ ১৭ই জুলাই  কুলভূষণ যাদবের  মৃত্যুদণ্ড  পুনর্বিবেচনায়  ভারতের  আর্জি মেনে আন্তর্জাতিক   ন্যায় আদালত ভারতের  পক্ষে  রায় দিয়ে শ্রী যাদবের  মৃত্যুদণ্ড স্থগিত রাখার  নির্দেশ দিল৷ আন্তর্জাতিক আদালত  পাকিস্তানে  ‘গুপ্তচর বৃত্তি ও সন্ত্রাস সৃষ্টি’র  অভিযোগে কারাবন্দী  ভারতের প্রাক্তন নৌসেনা  কুলভূষণ যাদবের মৃত্যুদন্ড পুনর্বিবেচনার আদেশ দিয়েছে পাকিস্তান  সরকারকে৷ 

এখানে উল্লেখ্য, গত  ২০১৬ সালের মার্চ মাসে কূলভূষণকে পাকিস্তানী সেনা গ্রেফতার করে৷ পাকিস্তানী সেনার অভিযোগ, কূলভূষণ পাকিস্তানে অনুপ্রবেশ করে  গুপ্তচরবৃত্তি  করছিল৷ বছরখানেক  পর পাক সামরিক আদালত  কুলভূষণের  মৃত্যুদণ্ড দেয়৷ ভারতের পক্ষে এর বিরোধিতা করে আন্তর্জাতিক  আদালতে  যায়৷ ভারতের  বক্তব্য, নৌবাহিনী থেকে অবসর নেওয়ার পর কূলভূষণ ব্যবসা  শুরু করে ও ব্যবসার  কাজে  সে ইরাণ যায়৷ সেখান থেকে  পাকিস্তানী গোয়েন্দারা তাকে অপহরণ করে নিয়ে গিয়ে গ্রেফতার করে৷ ভারতের  অভিযোগ, ভিয়েনা কনভেনসন লঙ্ঘন  করে  পাকিস্তান কুলভূষণের সঙ্গে  ভারতের হাইকমিশনের  সদস্যদের দেখাও করতে দেয়নি৷

পরলোকে বিশিষ্ট আনন্দমার্গী মাণিক ঘাঁটি

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

পশ্চিম বর্ধমান জেলার অন্তর্গত আসানসোলের দামোদর গ্রামের বাসিন্দা জনপ্রিয় আনন্দমার্গী শ্রী মাণিক ঘাঁটি গত ১৮ই জুন ইহলোক ত্যাগ করে পরমপিতার কোলে চিরশান্তি লাভ করেছেন৷ মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর৷ তিনি একজন সক্রিয় আনন্দমার্গী ছিলেন৷ বিশেষ করে পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান জেলায় মার্গের যে কোনও অনুষ্ঠানে ও যে কোনও সেবামূলক কাজে মাণিকবাবুর সগৌরব উপস্থিতি সকলের কাছে অতিরিক্ত উৎসাহ ও প্রেরণাদায়ক ছিল৷ দীর্ঘকায় ধুতি-পাঞ্জাবী পরিহিত আপাদমস্তক বাঙালী সদাহাস্যময় মাণিকবাবুকে মার্গের আর কোনও অনুষ্ঠানে দেখা যাবে না৷ একথা ভাবতে খুবই কষ্ট হচ্ছে---জানালেন এলাকার বিশিষ্ট মার্গীরা৷

মাণিকবাবুর অন্তেষ্টিক্রিয়া ও শ্রাদ্ধানুষ্ঠান আনন্দমার্গীয় বিধিতে অনুষ্ঠিত হয় গত ২৮শে জুন তাঁর বাসভবনে৷ আচার্য কাশীশ্বরানন্দ অবধূতের পৌরোহিত্যে শ্রাদ্ধানুষ্ঠান সম্পন্ন হয়৷ অনুষ্ঠানে প্রভাত সঙ্গীত ও কীর্ত্তন পরিচালনা করেন আচার্য শুভপ্রসন্নানন্দ অবধূত৷ শ্রাদ্ধানুষ্ঠানের পরে মাণিকবাবুর স্মৃতিচারণা করেন দেশবন্ধু মাইতি, অবধূতিকা আনন্দ সর্বাণি আচার্যা, ভুক্তিপ্রধান শ্রী কাজল দাশ, কাজল ঘোষ প্রমুখ৷ এই অনুষ্ঠানে শতাধিক মার্গী উপস্থিত থেকে পরমপিতার চরণে প্রয়াত মাণিক ঘাঁটির আত্মার চিরশান্তি প্রার্থনা করেন৷

রেজ্জাক মোল্লার ছেলের বিরুদ্ধে তিন লক্ষ টাকা কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ উঠল

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

তিন লক্ষ টাকা কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ উঠল রেজ্জাক মোল্লার ছেলের বিরুদ্ধে৷ রেজ্জাক পুত্র মুস্তাক আহমেদের বিরুদ্ধে কে. এল. টি. থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ভাঙ্গড়ের তৃণমূল নেতা আরাবুল ইসলামের ঘনিষ্ঠ দুই দলীয় কর্মী৷

রক্ষকই যেখানে ভক্ষক

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

আমরা চোর, ডাকাতের হাত থেকে রক্ষা পেতে পুলিশের ওপর ভরসা করি৷ সাধারণের রক্ষক তারাই৷ কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে রক্ষকই ভক্ষক হয়ে উঠেছে৷ গত ৪ঠা জুলাই নদীয়ার এক স্বর্ণ ব্যবসায়ী বাবলু নাথ সঙ্গে প্রায় এক লক্ষ টাকা, ৩৫০ গ্রাম সোনা নিয়ে কলকাতার বহুবাজার সোনাপট্টিতে এসেছিলেন৷ তখন দুপুর বারোটা৷ নিজেদের পুলিশ অফিসার পরিচয় দিয়ে একজন টাটা সুমো থেকে নেমে এসে বাবলু নাথকে জোর করে টাটা সুমোতে তুলে নিয়ে দ্রুত এয়ারপোর্টের দিকে চলে যায়৷ সেখানে বাবলু নাথকে ভয় দেখিয়ে তাঁর কাছ থেকে সমস্ত টাকা, সোনা এমনকি তাঁর হাতের আঙটিটাও কেড়ে নিয়ে পালায়৷

এ অবস্থায় মুচিপাড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করলে মুচিপাড়া থানার সিসিটিভি ফুটেজের সূত্র ধরে গাড়ীর মালিক ও তার চালককে খুঁজে পায়৷ চালকের বক্তব্যের সূত্র ধরে তদন্তকারী দল পালের গোদা আশীষ চন্দ নামে এক পুলিশ অফিসারকে গ্রেফতার করে৷

এইভাবে রক্ষকই যদি ভক্ষক হয় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়? জনসাধারণ শঙ্কিত৷

‘আমরা বাঙালী’র কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের নিয়ে আলোচনা সভা

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

কলিকাতা, ঃ জুলাই ঃ গত ৪ঠা জুলাই বৃহস্পতিবার ‘আমরা বাঙালী’র কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ২ নং বল্লভ ষ্ট্রীটে বিভিন্ন রাজনৈতিক মতাবলম্বীর প্রতিনিধিদের সাথে প্রায় ৪ ঘণ্টা আলোচনা সভা সংঘটিত হয়৷ উক্ত প্রতিনিধিদের প্রধান আগ্রহ ছিল ‘বাঙালীস্তান’৷ তাঁদের আলোচনার মূল প্রশ্ণ ছিল বাঙালীদের নিজস্ব বাসভূমিকে একত্রিত করে বাঙালীস্তান কীভাবে বাস্তবে রূপ নেবে৷ এর সঙ্গে ‘প্রাউট’ দর্শন নিয়েও আলোচনা হয়৷ কারণ ‘আমরা বাঙালী’ ‘প্রাউট’ দর্শনের ওপর আধারিত৷

আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন---কেন্দ্রীয় সচিব বকুল চন্দ্র রায়৷ এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কার্যালয় সচিব স্বপন দে, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য তারাপদ বিশ্বাস, অনিতা চন্দ প্রমুখ৷