সংবাদ দর্পণ

অর্থমন্ত্রীর কোপে পেনশনভোগীরা

সংবাদদাতা
পি.এন.এ.
সময়

২০১৪ সালে মোদী প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসেন প্রায় ষাট লক্ষ কোটি টাকা ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে৷ সাত বছরে সেই বোঝা বেড়ে হয়েছে ১৯৭ লক্ষ কোটি টাকার ওপর৷ অচ্ছাদিনের আবাজ তুলে মোদী দিল্লীর সিংহাসনে বসেছিলেন৷ সেই অচ্ছা দিন সাতবছরেও আম জনতার নাগালের বাইরে৷ সরকার ইতিমধ্যেই রেল বীমা সহ বিভিন্ন সরকারী সংস্থা বেচে আয়ের পথ করছে৷ আবার ব্যায়ের বহর কমাতেও তৎপর সরকার৷ তাই কোপ পড়তে  চলেছে পেনশন ভোগীদের ওপর৷

সরকারী হিসেবে কেন্দ্রীয় সরকারী কর্মচারীর সংখ্যা ৩১.৪৩ লক্ষ৷ সশস্ত্র বাহিনীর হিসাব ধরলে সংখ্যাটা হবে প্রায় ৪৫ লক্ষ৷ বর্তমানে পেনশন ভোগীদের সংখ্যাটা ৫২ লক্ষের কাছাকাছি৷

২০২১-২২ আর্থিক বাজেটে পেনশনের খরচ ধরা হয়েছে, ১ লক্ষ ৮৯ হাজার ৩২৮ কোটি টাকা৷ ২০২০-২১ অর্থবর্ষে পেনশন দিতে খরচ হয়েছে ২ লক্ষ ৪ হাজার ৩৯৩ কোটি টাকা৷ পেনশন ভোগীদের খরচের পরিমাণ কমানোর পরিকল্পনা করেই বর্তমান আর্থিকবর্ষে পেনশন দিতে খরচ এতটা কম ধরা হয়েছে৷ অর্থাৎ বেহাল আর্থিক দশা সামলাতে এবার পেনশনভোগীদের লক্ষ্য সরকারের

পুকুর নয়, পুল চুরি

সংবাদদাতা
পি.এন.এ.
সময়

বাংলায় বড় কোন চুরি হলে প্রবাদ বাক্যে বলে ‘পুকুর চুরি’৷ সম্ভবত এবার প্রবাদ বাক্যটি পরিবর্তন হয়ে পুল চুরি হয়ে যাবে৷ ১২ই সেপ্ঢেম্বর উত্তর প্রদেশে একটি খবরের কাগজের বিজ্ঞাপনে মুখ্যমন্ত্রী যোগীর উন্নয়নের জৌলুস প্রচার করতে কলিকাতার বিজ্ঞান নগরীর সঙ্গে রবীন্দ্রসদন সংযোগ সেতু ‘মা উড়াল পুল’ চুরি করা হয়৷ বিজ্ঞাপনের ছবিটি কলিকাতার ‘মা’ উড়াল পুলের, পাশে অবশ্য একটি বিদেশী কারখানাও জুড়ে দেওয়া হয়েছে৷ গত বিধানসভা নির্বাচনে প্রচারে এসে যোগী আদিত্যনাথ কলকাতার হতশ্রী চিত্র নিয়ে অনেক কটাক্ষ করেছিলেন৷ এখন নিজের  নির্বাচনী বিজ্ঞাপনে কলিকাতার জৌলুস চুরি করে প্রচার করছে৷ এই নিয়ে গোটা দেশে নিন্দার ঝড় উঠেছে সংবাদপত্রটি অবশ্য ভূল স্বীকার করেছে৷ তবে এতেও নিন্দুকেরা ছেড়ে কথা বলছে না৷ তাদের দাবী যোগী সরকারের চাপের কাছে মাথা নত করেছে ওই সংবাদপত্রটি৷

২১শের ধাক্কায় ভোল বদল শাহের

সংবাদদাতা
পি.এন.এ.
সময়

২০১৯-এর ১৪ই সেপ্ঢেম্বর হিন্দি ভাষা দিবসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছিলেন---দেশের ঐক্যসাধন একমাত্র হিন্দি ভাষার মাধ্যমেই সম্ভব৷ একদেশ এক ভাষার দাবী ও বিজেপিই তুলেছিল৷ মাঝে একটা বছর পার করে ২০২১-এর ১৪ই সেপ্ঢেম্বর হিন্দি দিবসে শাহের সুর বদল হয়ে গেল৷ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে পুরো রাষ্ট্রশক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে ছিল বিজেপি দুশ’র বেশী আসন দাবী করে৷ কিন্তু তৃণমূল গতবারের থেকেও বেশী ভোট ও আসন পেয়ে তৃতীয়বার বঙ্গ দখল করে৷ বঙ্গ নির্বাচনে বড়-সড় ধাক্কা খায় বিজেপি৷ সম্ভবত সেই ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে এবার কি বিজেপি হিন্দি ও হিন্দুত্বের ভোল পাল্টাচ্ছে৷ প্রধানমন্ত্রী উত্তরপ্রদেশে ভোটের আগে তার বাবার  সঙ্গে মুসলিম ব্যাবসায়ীর সখ্যতার গল্প শুনিয়েছেন৷ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও এবার একদেশ একভাষার নীতি থেকে সরে হিন্দিভাষা দিবসে ভিন্ন কথা শোণালেন--- ‘‘আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই হিন্দি ভাষা অন্য কোন ভাষার সঙ্গে লড়াইয়ে নেই৷ হিন্দি ভাষা সব আঞ্চলিক ভাষার বন্ধু ও সমস্ত ভাষার সঙ্গে সহবস্থানেই হিন্দি ভাষা টিকে থাকতে পারবে৷ বিরোধীদের কথায় বঙ্গ নির্বাচনে ধাক্কা খেয়ে শাহজী ভোল পাল্টেছে৷ তবে সেটা কতটা আন্তরিক তা কাজে প্রকাশ পাবে৷ হয়তো এবার হিন্দি ও হিন্দুত্বকরণের পথ পরিবর্তন করবে বিজেপি৷

ঘটক  পুকুরে অখণ্ড কীর্ত্তন

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

১০ই সেপ্ঢেম্বর দক্ষিণ ২৪ পরগণার ঘটকপুকুর জাগুলগাছি গ্রামের বিশিষ্ট আনন্দমার্গী তুহিনিক বিশ্বাস ও সুরজিৎ বিশ্বাসের বাসগৃহে তিনঘণ্টা অখণ্ড ‘ৰাৰা নাম কেবলম্‌’ মহানামমন্ত্র কীর্ত্তন অনুষ্ঠিত হয়৷ ওইদিন দুপুর ২ ঘটিকায় অনুষ্ঠান শুরু হয়৷ প্রথমে কয়েকটি প্রভাতসঙ্গীত পরিবেশিত হয়৷ দুপুর ২-৩০ মিনিটে শুরু হয় কীর্ত্তন৷ কীর্ত্তন উপলক্ষ্যে সুরজিৎ বিশ্বাসের বহু আত্মীয় প্রতিবেশী তাঁর গৃহে সমবেত হন৷ উপস্থিত সকলেই কীর্ত্তনের সুর মুর্চ্ছনায় ও ভক্তিরসের আস্বাদনে তিন ঘন্টা এক স্বর্গীয় আনন্দে অতিবাহিত করেন৷

কীর্ত্তনশেষে মিলিত ঈশ্বর প্রণিধান স্বাধ্যায়ের পর কীর্ত্তন মহিমা আনন্দমার্গ আদর্শ ও দর্শন বিষয়ে বক্তব্য রাখেন অবধূতিকা আনন্দ গতিময়া আচার্যা ও আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত৷ স্বাধ্যায় করেন শ্রীমতি অনিতা চন্দ৷ প্রভাত সঙ্গীত ও কীর্ত্তন পরিবেশন করেন অবধূতিকা আনন্দ কর্মব্রতা আচার্যা, অবধূতিকা আনন্দ গতিময়া আচার্যা, অবধূতিকা আনন্দ চিরমধুরা আচার্যা ও অবধূতিকা আনন্দ পূর্ণপ্রাণা আচার্যা, কালীপদ পোড়ে৷ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন অবধূতিকা আনন্দচন্দ্রশেখরা আচার্যা, শ্রী সুরজিৎ বিশ্বাস শ্রীমতি তুহিনিকা বিশ্বাস৷

মার্গীয় বিধিতে শ্রাদ্ধানুষ্ঠান

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

হাওড়া জেলার আন্দুল মহিয়াড়ীর বিশিষ্ট আনন্দমার্গী বেলা মাঝি (বুলা) গত ৩০শে আগষ্ট পরলোক গমন করেন৷ গত ৯ই সেপ্ঢেম্বর আনন্দমার্গে চর্যাচর্য বিধি অনুযায়ী বেলা মাঝির শ্রাদ্ধানুষ্ঠান তাঁর মহিয়াড়ী বাসভবনে অনুষ্ঠিত হয়৷ অনুষ্ঠান শুরু হয় সকাল ১০ ঘটিকায়৷ বেলামাঝির শোকার্ত পরিবার ও আত্মীয় পরিজনের  সঙ্গে জেলার বহু মার্গী-ভাই বোন অনুষ্ঠানে যোগ দেন৷

প্রভাত সঙ্গীত, কীর্ত্তন ও মিলিত ঈশ্বর প্রণিধানের পর শ্রাদ্ধানুষ্ঠান শুরু হয়৷ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আচার্য কাশীশ্বরানন্দ অবধূত৷ শ্রাদ্ধানুষ্ঠান শেষে আনন্দমার্গ সমাজ শাস্ত্র ও দর্শন বিষয়ে বক্তব্য রাখেন আচার্য কাশীশ্বরানন্দ অবধূত৷ তিনি আনন্দমার্গ সমাজশাস্ত্রের বৈশিষ্ট্যগুলি ব্যাখ্যা করে বলেন৷ এরপর বেলা মাঝির জেষ্ঠ্যপুত্র কুমার মাঝি, কণিষ্ঠ পুত্র পিযুস মাঝিসহ উপস্থিত অনেকেই স্মৃতি চারনায় বেলা মাঝির আদর্শ পরায়ন জীবনের ও নানা ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্যেও মার্গের আদর্শ থেকে বিচ্যুত না হওয়ার কথা তুলে ধরেন৷ সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন লক্ষ্মীকান্ত হাজরা৷

 

অসম কংগ্রেস সভাপতির উক্তির নিন্দা ‘আমরা বাঙালী’র

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

অসম রাজ্য কংগ্রেস সভাপতির অসমে অসমিয়া ব্যতীত অন্য কেউ মুখ্যমন্ত্রী হতে পারবে না উক্তির বিরোধিতায় সরব ‘আমরা বাঙালী’ দল৷ দলের অসম রাজ্য কমিটির সচিব সাধন পুরকায়স্থ এক বিবৃতিতে বলেন---গতকাল অসম প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ভূপেন বরা শিলচরে এসে সাংবাদিকদের বললেন, অসমে অসমিয়া ছাড়া মুখ্যমন্ত্রী হতে পারবেন না৷ একাদশ বাংলা ভাষা শহীদদের বধ্য ভূমিতে দাঁড়িয়ে ভূপেন বরার এই মন্তব্য বাঙালী বিদ্বেষী ছাড়া আর কিছুই নয়৷ গণতান্ত্রিক ভারতবর্ষে এই ধরণের উক্তি স্বৈরাচারিতার পরিচারক বলে আমরা মনে করি৷ অসম একটিড বহু ভাষিক রাজ্য৷ এখানে উপজাতি , জনজাতি, সহ নানা ধর্মমতের  লোক বসবাস করে৷ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় অসমের মুখ্যমন্ত্রী যেকোন ভারতবাসীই হতে পারেন৷ এখানে ভাষা-ধর্মমতের দোহাই দেওয়া একটি সর্বভারতীয় দলের মানায় না৷  ভূপেন বরার এই উগ্র অসমিয়া জাতীয়তাবাদী মানসিকতার আমরা তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানাচ্ছি৷ বাঙালী যারা কংগ্রেস করেন বা অন্যান্য জনগোষ্ঠীর যারা কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত, তাদের নীরবতাকে আমরা তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি৷ আজ আমরা যা দেখছি, কংগ্রেসের মত সর্বভারতীয় দল, শাসক দল বিজেপির মত আঞ্চলিক ভাবধারায় পরিপুষ্ট৷ এই পরিস্থিতিতে আমাদের সমস্তরকম ভেদাভেদ ভুলে বিকল্প চিন্তা করার প্রয়োজন হয়ে দেখা দিয়েছে৷ অসমে বসবাসকারী বাঙালী অধ্যুষিত এলাকা নিয়ে বিকল্প চিন্তা করতে ‘‘আমরা বাঙালী’’ দল আপামর বাঙালী সমাজের কাছে আহ্বান রাখছে৷

পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়ার বাসিন্দা অসমে বিদেশি---জেলবন্দি

সংবাদদাতা
পি.এন.এ.
সময়

পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুরের বাসিন্দা ভারতের নাগরিক গঙ্গাধর প্রামাণিক৷ কিছু একটা কাজের আশায় গিয়েছিল ভারতের আর একটি অঙ্গরাজ্য অসমে৷ সেখানে বাঙালী বলে কাজের বদলে কারাবাস পায় গঙ্গাধর৷ ২০১৭ সালের ১২ই ডিসেম্বর সমস্ত রকম মৌলিক মানবিক নীতি বিসর্জন দিয়ে আদালতের একতরফা রায়ে বিদেশী ঘোষিত হয় গঙ্গাধর প্রামানিক! ভারতীয় প্রমাণের কোন সুযোগ প্রশাসনের পক্ষ থেকে গঙ্গাধরকে দেওয়া হয়নি৷ গঙ্গাধরের কাছ থেকে বাড়ীর ঠিকানা নিয়ে স্থানীয় থানায় খোঁজ নেওয়ার কোন চেষ্টাই করেনি অসমের অমানবিক প্রশাসন৷

গঙ্গাধরের স্থান হয় গোয়ালপাড়া ডিটেনশন ক্যাম্পে৷ অবশেষে চারবছর পর ডিটেনশন ক্যাম্প থেকে মুক্ত দুই আবাসিকের কাছ থেকে গঙ্গাধরের বিসয়টি জানতে পারে সিটিজেনস ফর জাস্টিস অ্যাণ্ড পিস! এদের চেষ্টাতেই ১৪ই সেপ্ঢেম্বর মুক্তি পান গঙ্গাধর৷ ইতিমধ্যে গঙ্গাধরের পিতা মারা গেছেন৷ সিজেপির কো-অর্ডিনেটর নন্দ ঘোষ গঙ্গাধরকে বাড়ী পৌঁছে দেবার দায়িত্ব নিয়েছেন৷ পিতার মৃত্যুর খবর তাকে এখন জানানো হয়নি৷

 

১৪ই সেপ্ঢেম্বর বিশ্বের ১৮২টি দেশে পালিত হলো প্রভাত সঙ্গীত দিবস

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

১৪ই সেপ্ঢেম্বর প্রভাত সঙ্গীত দিবস৷ ১৯৮২ সালের ১৪ই সেপ্ঢেম্বর প্রভাত সঙ্গীতের রচয়িতা ও সুরকার প্রাউট প্রবক্তা পরম শ্রদ্ধেয় শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকার(আধ্যাত্মিক জগতে যিনি শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তি নামে পরিচিত) দেওঘরের শান্ত-স্নিগ্দ পরিবেশে প্রথম প্রভাত সঙ্গীত দিলেন---‘‘বন্ধু হে নিয়ে চলো....’’৷  তারপর মাত্র আট বছরের মধ্যে তিনি দিলেন ভাব-ভাষা-সুর ও ছন্দের বৈচিত্রে ভরা নানা ঘরানার ৮টি ভাষায় ৫০১৮টি গান, সুর সংযোজনাও তিনিই করেন৷ সেই উপলক্ষ্যে প্রতিবছর বিশ্বের প্রতিটি আনন্দমার্গ ইয়ূনিটে ১৪ই সেপ্ঢেম্বর প্রভাত সঙ্গীত দিবস পালিত হয়৷

এইদিন কলিকাতায় আনন্দমার্গ কেন্দ্রীয় আশ্রমে আনন্দমার্গ প্রচারক সংঘের সাংস্কৃতিক শাখা রেনেসাঁ আর্টিস এ্যাণ্ড রাইটার্স এ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে প্রভাত সঙ্গীত দিবস পালিত হয়৷ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন অধ্যাপক গোপালচন্দ্র মিশ্র৷ ওই সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন আচার্য সুতীর্থানন্দ অবধূত, আচার্য দিব্যচেতনানন্দ অবধূত ও আচার্য সুধাক্ষরানন্দ অবধূত৷ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রভাতসঙ্গীত পরিবেশন করেন আনন্দধারা গোষ্ঠীর শিল্পীবৃন্দ অনলাইনে সঙ্গীত পরিবেশন করেন মুম্বাই, তাইওয়ান, মালেশিয়া, আমেরিকা, কোরিয়া প্রভৃতি বিভিন্ন দেশের শিল্পীবৃন্দ৷ প্রভাত সঙ্গীত অবলম্বনে নৃত্যনাট্য পরিবেশন করেন আনন্দমার্গ শিশুসদনের ছেলে মেয়েরা ও নৃত্যশৈলী ড্যান্স এ্যাকাডেমি৷

আচার্য সুতীর্থানন্দ অবধূত তাঁর বক্তব্যে তুলে ধরেন নানা ঘরানার প্রভাত সঙ্গীতের বৈশিষ্ট্য ও বৈচিত্রের কথা৷ অধ্যাপক গোপালচন্দ্র মিশ্র বলেন--- মাত্র আট বছরে ৫০১৮টি সঙ্গীত তিনি রচনা করেন বিভিন্ন ঘরানার বিভিন্ন ভাষায়৷ ভাষা-সুর-ছন্দের বৈচিত্র্যভরা প্রভাত সঙ্গীত মানুষের হৃদয়ের গভীরে পৌঁছে দেয় নবজাগরণের বার্তা৷

কলিকাতা ছাড়াও এইদিন পশ্চিমবঙ্গে জেলায় জেলায় ও অসম, ত্রিপুরা, ঝাড়খণ্ডে প্রভাত সঙ্গীত দিবস পালিত হয়৷ বর্হিঃভারতেও আনন্দমার্গের ইয়ূনিটগুলিতে সঙ্গীত, নৃত্য পরিবেশন ইত্যাদি অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে প্রভাত সঙ্গীত দিবস পালিত হয়৷ আনন্দনগরে রোটান্ডায় এই দিন প্রভাত সঙ্গীত দিবস পালিত হয়৷

১৪ই সেপ্ঢেম্বর প্রভাত সঙ্গীত দিবস

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

সাংস্কৃতিক জগৎ যখন অবক্ষয় আর অশ্লীলতায় তমসাচ্ছন্ন তখন প্রভাত সঙ্গীত এলো সংস্কৃতির জগতে তমসাবৃত নিশীথে আলোর আমেজ নিয়ে৷ শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকার (আধ্যাত্মিক জগতে যিনি শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তিজী নামে পরিচিত) ১৯৮২ সালের ১৪ই সেপ্ঢেম্বর দেওঘরের শান্ত স্নিগ্দ পরিবেশে মনোরম সন্ধ্যায় নোতুন প্রভাতকে আহ্বান জানিয়ে রচনা করলেন---

‘‘বন্ধু হে নিয়ে চলো৷

আলোর ওই ঝর্ণাধারার পাণে৷’’

সেই ধারা প্রবাহিত হলো ১৯৯০ সালের ২০শে অক্টোবর পর্যন্ত৷ ক্ষয়িষ্ণু তমসাবৃত সংস্কৃতির জগতে নিয়ে এলো বৈপ্লবিক চেতনার বার্তা৷ ভাব - ভাষা - সুর-ছন্দের বৈচিত্র্য নিয়ে সঙ্গীত সম্ভার --- যা পরিচিত হলো প্রভাত সঙ্গীত নামে৷  না, এই সঙ্গীত সম্ভার শ্রীপ্রভাতরঞ্জনের রচনা বলে প্রভাত সঙ্গীত নয়৷ সংস্কৃতির জগত থেকে অন্ধকার  সরিয়ে নোতুন আলোর বার্তা নিয়ে এলো যে সঙ্গীত তাই প্রভাত সঙ্গীত৷ প্রভাত সঙ্গীত শুধু সঙ্গীত নয়, আনন্দমার্গ দর্শনের কাব্যিকরূপ প্রভাত সঙ্গীত৷ আধ্যাত্মিক দর্শন, আধ্যাত্মিক অনুশীলন, সামাজিক-অর্থনৈতিক তত্ত্ব, সমাজশাস্ত্র সবই স্থান পেয়েছে প্রভাত সঙ্গীতের ভাব-ভাষায়৷

১৪ই সেপ্ঢেম্বর প্রভাত সঙ্গীতের শুভ জন্মদিন৷ প্রতিবছর এই দিনটা বিশ্বের প্রতিটি আনন্দমার্গ ইয়ূনিটে পালিত হয় প্রভাতসঙ্গীত দিবস---

এই শুভদিনে আমাদের ভাব প্রভাত সঙ্গীতের ভাষায়---

আজ ভুবন ভরিয়া দাও গানে গানে৷

প্রীতি ছড়িয়ে দাও প্রাণে প্রাণে৷৷

জগতে কেউ নহে পর, আত্মীয়ে ভরা চরাচর৷

সব স্থানে তোর আছে ঘর, সবাই সুরভি আনে৷৷

কেউ কোথা নয় অসহায়, পরমপুরুষ যে সহায়৷

মধু বায়ু বহে’ যায় ত্রিলোকের কোণে কোণে৷৷

                              কলিকাতা, ১৪/৫/৮৪

(সঙ্গীত সংখ্যা---১৫১২)

রাজ্যে আংশিক উপনির্বাচন

সংবাদদাতা
পি.এন.এ.
সময়

আগামী ৩০শে সেপ্ঢেম্বর  রাজ্যের আংশিক উপনির্বাচনের দিন ঠিক হয়েছে৷ নির্বাচন কমিশন থেকে জানানো হয়েছে রাজ্যে স্থগিত দুটি কেন্দ্রের সাধারণ নির্বাচন ও একটি কেন্দ্রে উপনির্বাচন আগামী ৩০শে সেপ্ঢেম্বর অনুষ্ঠিত হবে৷ এই তিন কেন্দ্র হলো মুর্শিদাবাদের দুটি কেন্দ্রের সাধারণ নির্বাচন ও ভবানীপুরের উপনির্বাচন৷ এই কেন্দ্রের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় পদত্যাগ করায় উপনির্বাচন হচ্ছে৷ এখানে প্রার্থী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ কংগ্রেস এই কেন্দ্রে মমতার বিরুদ্ধে প্রার্থী দিচ্ছে না৷ অবশ্য তৃণমূল বিরোধী ভোট যাতে বিজেপিতে না যায় সেই যুক্তি দেখিয়ে সিপিএম এই কেন্দ্রে প্রার্থী দিতে পারে৷ রাজ্যে আরও চারটি কেন্দ্রে উপনির্বাচন হওয়ার কথা৷ সে নিয়ে অবশ্য নির্বাচন কমিশন এখনও নীরব৷