জম্মু-কশ্মীরে জঙ্গী হামলায় নিহত ৪০ জওয়ান

গত ১৪ই ফেব্রুয়ারী জম্মু-কশ্মীরের পুলওয়ামা সি.আর.পি.এফ. কনভয়ে বিস্ফোরক ভর্তি একটি গাড়ী নিয়ে জঙ্গীরা ঢুকে পড়ে’ ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটায়৷ ফলে,এই সংবাদ লেখা পর্যন্ত, অন্ততঃ ৪০ জন জওয়ান নিহত হয়েছেন৷ আহত প্রায়… পি.এন.এ.

বইমেলায় আনন্দমার্গের পুস্তক সম্পর্কে ক্রমবর্ধমান আগ্রহ

এবারে সল্টলেক সেন্ট্রাল পার্কে ৩১শে জানুয়ারী থেকে ১১ই ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত  আয়োজিত  বইমেলায়  আনন্দমার্গ পাবলিকেশনে বেশ ভিড় হয়েছিল৷  বলা বাহুল্য, এখানে মার্গগুরু শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তি রচিত ‘আনন্দমার্গ… নিজস্ব সংবাদদাতা

ডিমডিহা জলবন্ধ (Dam)

আনন্দ নগরে ডিমডিহা ও ঘাগরা গ্রামদ্বয়ের মধ্যবর্ত্তী স্থানে গুয়াই নামে পাহাড়ী নদী আছে৷ গত ৮ই ডিসেম্বর সকাল সাড়ে দশটায় প্রভাত সঙীত, বাবানাম কীর্ত্তন ও মিলিত সাধনার পর এই জলবন্ধের অনুষ্ঠানিক উদ্বোধন… নিজস্ব সংবাদদাতা

নববর্ষের শুভেচ্ছা

নোতুন পৃথিবীর সমস্ত কর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও পাঠক-পাঠিকাদের আন্তর্জাতিক নববর্ষ ২০১৯-এর আগাম প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানাই৷ নর্

নিজস্ব সংবাদদাতা

‘রাওয়া’র উদ্যোগে নৈহাটী ঐকতান মঞ্চে শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তিজী অবদানের ওপর আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

নৈহাটী ঃ ২১ নভেম্বর, ২০১৮ বুধবার সন্ধ্যায় নৈহাটীর ‘ঐকতান’  মঞ্চে বিশ্ববন্দিত মহান দার্শনিক ও কালজয়ী সঙ্গীতগুরু শ্রীপ্

নিজস্ব সংবাদদাতা

শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তিজী পার্থিব দেহের মহাপ্রয়াণ দিবসে কলকাতায় আনন্দমার্গীদের মহাসমাবেশ

২১শে অক্টোবর মহাসম্ভূতি শ্রীশ্রীআনন্দ–মূর্ত্তিজ্ পার্থিব দেহের মহাপ্রয়াণ দিবস৷ ১৯৯০ সালের ২১শে অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৩টার সময় কলকাতাস্থিত মার্গগুরুভবন ‘মধুকোরকে’ তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন৷ পত্রিকা প্রতিনিধি

প্রাউট প্রতিষ্ঠায় মাইক্রোবাইটামের ভূমিকা

সমরেন্দ্রনাথ ভৌমিক

নেগেটিভ মাইক্রোবাইটাম প্রকৃতি সঞ্জাত৷ আর এই প্রকৃতি হতে উৎপন্ন নেগেটিভ মাইক্রোবাইটাম থেকে প্রেরণা পেয়ে মানব আকাঙ্ক্ষা বা এষণা স্থূল জড়ভাবের দিকে এগিয়ে চলে৷ কিন্তু পজেটিভ  মাইক্রোবাইটাম পরম তথা সদ্গুরু সৃষ্ট৷ আর সদ্গুরু সৃষ্ট মাইক্রোবাইটামের  কাছ থেকে প্রেরণা পেয়ে পার্থিব জীবনের নানান দিকে সাফল্য লাভে সাহায্য করে৷ নেগেটিভ মাইক্রোবাইটাম মানুষকে ক’রে তোলে স্বার্থপর কিন্তু  পজেটিভ  মাইক্রোবাইটামের প্রভাবে মানুষ হ’য়ে ওঠে  উদার ও বিশ্বৈকতাবাদী৷ কোন বড় কাজ বা মহান কাজের জন্য যে আগ্রহ  বা উদ্দীপনা  দরকার তার পিছনে  সাহায্য করে মাইক্রোবাইটাম৷ এই পজেটিভ  মাইক্রোবাইটামের  প্রভাবেই  সাধক হয়ে  ওঠে সদ্বি

নিষ্ঠুর হিংস্র পাকিস্তানী প্রতিহিংসা বন্ধ হোক

প্রভাত খাঁ

পাকিস্তানের জন্মই হয়েছিল অখণ্ড ভারতবর্ষের বুকে৷ সাম্প্রদায়িকতার বিষে দেশের ঐক্য, সংহতিকে চিরকালের মত ধবংস করে পশ্চিমী শক্তির দাদাগিরিকে প্রতিষ্ঠিত করতে সাম্রাজ্যবাদী শক্তি ইংরেজ ও আমেরিকা তা করে গেছে৷ কিছু ইয়ংম্যানের সহায়তায়৷ আর যারা ভারতবর্ষের পূর্ণ স্বাধীনতার জন্য আন্দোলন করে গেছেন তাদের আন্তরিক প্রচেষ্টাকে নস্যাৎ করে দিয়েছে তারাই৷ তাই তো পাকিস্তানপন্থীরা সেদিন দেশভাগের জন্য দাবী তুলেছিলেন৷ যেমন সংযুক্ত কমিউনিষ্ট দলের নেতারা যেমন জ্যোতিবসুরা৷

আজকের জটিল অর্থনৈতিক সমস্যার সমাধান কোন পথে?

অরুণাভ সেনগুপ্ত

‘‘বল বল বল সবে শত বীণা বেণু রবে

ভারত আবার জগৎসভায় শ্রেষ্ঠ আসন লবে৷

ধর্মে মহান হবে, কর্মে মহান হবে,

নব দিনমণি উদিবে আবার

পুরাতন এ পূরবে৷’’

ভারতবর্ষ যখন ব্রিটিশের পদানত ছিল, যখন পরাধীনতার শৃঙ্খল মোচনের জন্যে দেখা দেয় দেশজুড়ে উত্তাল আন্দোলন৷ সেই সময়কার স্বাধীনতাকামী বীর বিপ্লবীদের আশা-আকাঙ্ক্ষা প্রতিধবনিত হয়েছিল এই কবিতাটিতে৷ তাদের অপরিসীম ত্যাগের বিনিময়ে আমরা স্বাধীনতা লাভ করলুম৷ কিন্তু তাঁদের আশা আকঙ্ক্ষা আজও পূর্ণ হয়েছে কি? দ্বিধাহীনভাবে বলা যায়--- আদৌ হয়নি৷ কেন হল না? আজ তা বিশ্লেষণ করার সময় এসেছে!

ভারত আমার ভারতবর্ষ

মন্ত্র আনন্দ

ভারত নামটা নিয়েই রয়েছে বিতর্ক, কেউ কেউ বলে ভরত নামে কোন রাজার নাম থেকে ভারত নামটা হয়েছে৷ এটা সম্ভব নয়, কারণ ভরত নামে যদি কোন রাজা থেকেও থাকে তিনি ছিলেন ভারতের রাজা ৷ তাই তার নাম থেকে ভারত নাম হয়েছে,এটা বিশ্বাসযোগ্য নয়৷ ভারত নাম প্রসঙ্গে দার্শনিক ঋষি শ্রী প্রভাতরঞ্জন সরকারের কথাটাই যুক্তিযুক্ত ‘ভারত’ শব্দটি তৈরী হয়েছে ---‘ভর্’ ধাতু থেকে ‘ভার’ এসেছে যার মানে যে বা যিনি ভরণ পোষণ করেন বা যেখানে ভরণ-পোষণের পূর্ণ সুযোগ রয়েছে৷ আর ‘ত’ এসেছে ‘তন্’ ধাতু থেকে যার মানে যেখানে মানসিক বিস্তারের সমস্ত সুবিধা রয়েছে--- সেই স্থান৷

মহান আদর্শের জন্যে যাঁরা জীবন উৎসর্গ করেন তাঁদেরই বলা হয় দধীচি

আচার্য সত্যশিবানন্দ অবধূ্ত

পুরাণে দধীচি ঋষির কাহিনী রয়েছে৷ এখানে বলা প্রয়োজন, প্রাচীনকালে ৪ ধরণের পুস্তক রচনা করা হ’ত৷ কাব্য, পুরকথা বা ইতিকথা, ইতিহাস ও পুরাণ৷ কাব্য হ’ল ছন্দ, উপমাদি সংযোগে রসসমৃদ্ধ আকর্ষণীয় রচনা৷ ‘বাক্যং রসাত্মক কাব্যম্’৷

দধীচি দিবসের শ্রদ্ধার্ঘ্য

জ্যোতিবিকাশ সিন্হা

তাহারা যুগে যুগে আসে

বিধাতার নির্দেশে

সত্য, ধর্ম প্রতিষ্ঠা লাগি

পরার্থে সর্বস্ব ত্যাগি’

মৃত্যুসাথে করে আলিঙ্গন৷

সশ্রদ্ধ চিত্তে তাহাদের করি’ স্মরণ

নিতে হবে সবে কঠিন শপথ

জগৎ কল্যাণে দধীচি-ব্রত৷

সোশ্যাল মিডিয়ার ভালো-মন্দ

আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

এর আগে এই শিরোণামায় একটি প্রবন্ধ লিখেছিলুম৷ কিন্তু সেটা ছিল আংশিক৷ তার পর পুরোটা লেখা হয়ে ওঠেনি৷ তাই এবার পরিবর্তিত আকারে এই বিষয়ের ওপর আবার লিখছি৷ আগে লিখেছিলুম--- প্রিন্ট মিডিয়া, ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়া নামক একটি নোতুন জগতের সাথে আমাদের পরিচিতি ঘটেছে৷ এক বিংশ শতাব্দীর সূচনা লগ্ণ থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ার পথ চলা শুরু৷ বর্তমান সময়ে এর প্রভাব ও বিস্তার উপেক্ষা করার মতো নয়৷ আট থেকে আশি সকলের কাছেই সমাদর লাভ করেছে সোস্যার মিডিয়া পরিবারের সদস্যবৃন্দ যেমন--- ফেসবুক , হোয়াটস আপ, টুইট্যার, ইন্সটাগ্রাম ইত্যাদি ৷

বিদ্যার্থী ও বিদ্যা সাধনা

আচার্য সত্যশিবানন্দ অবধূত

পূর্ব প্রকাশিতের পর

মনের বিকাশ বলতে একদিকে যেমন জ্ঞান-বিজ্ঞান, সঙ্গীত, সাহিত্য-কলা এসব বিষয়ে মনের ব্যাপ্তি ঘটাতে হবে, তাঁর সঙ্গে সঙ্গে নৈতিক ও আত্মিক বিকাশও অত্যন্ত জরুরী৷ বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞানার্জন করে মানুষ নোতুন নোতুন অনেক কিছু আবিস্কার করে৷ কিন্তু আবার মানুষের মনে যদি শুভ ভাবনা না থাকে, নৈতিক মান যদি উন্নত না হয়, তাহলে সেই নোতুন নোতুন আবিষ্কার মানুষের হিতসাধন না করে অহিত করবে, মানব সমাজকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেবে৷ তা’ মানুষের কাছে কখনই কাম্য হতে পারে না৷ অনেক জ্ঞানের অধিকারী হয়েও মানুষ যদি পশুর পর্যায় নেমে গেলো, তাই তাকে যথার্থ মানসিক বিকাশ বলা চলে না৷

‘‘একুশে ফেব্রুয়ারী’-এক জাগরণের দিন’’

বরুণ বন্দ্যোপাধ্যায়

আন্তর্জাতিক ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাসে ‘একুশে ফেব্রুয়ারী’ এক স্মরণীয় ও বরণীয় দিন৷ ‘একুশে ফেব্রুয়ারী’ ভাষাগত মূল্যবোধে এক জাগ্রত প্রহরী৷ একুশ ধন্য হওয়ার একটি দিন, একুশ আমাদের চেতনার রঙে রাঙানো একটি দিন৷ একুশের কোন সীমাবদ্ধতা নেই, পেশীর বাঁধনে একুশকে বন্দী করা যায় না, একুশ অমর অজেয় ও অসীম৷

ইতিহাসের সরণী বেয়ে ও প্রকৃতির চিরায়ত আবর্ত্তনের পথ ধরে একুশ যখন আমাদের চেতনা আর চিত্তের আকাশে আত্মপ্রকাশ করে তখন আমরা প্রাণিত ও উজ্জীবিত হই৷ একুশে ফেব্রুয়ারীর সূর্য্যস্নাত সকাল আমাদের চিত্তের দুয়ারে টোকা দেয় ও আমাদের ভাষাগত মূল্যবোধের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়৷

 

কশ্মীরে জঘন্য জঙ্গী হানা ও প্রাসঙ্গিক আলোচনা

জ্যোতিবিকাশ সিন্হা

গত ১৪ই ফেব্রুয়ারী ২০১৯ বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে তিনটে নাগাদ কশ্মীরের জম্মু থেকে শ্রীনগর যাওয়ার সময় পুলওয়ামার অবন্তীপোড়ায় সি.আর.পি. জওয়ানদের ৭৮টি গাড়ীর কনভয়ের ওপরে গাড়ীবোমার দ্বারা আত্মঘাতী হামলা চালায় আদিল আহমেদ ওরফে ওয়াকাস নামে এক জৈশ-ই-মহম্মদ জঙ্গী৷ সংবাদে প্রকাশ, ২৫৪৭ জন সি.আর.পি.