আনন্দমার্গ স্কুলের প্রাক্তন ছাত্রের যুগান্তকারী আবিষ্কার

পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার ছেলে সাবির হোসেন এক বিশেষ ধরণের পাউডার আবিষ্কার করেছেন যা ব্যবহারে খুবই অল্প সময়ের মধ্যে ক্ষতস্থানের রক্তপাত বন্ধ হয়ে যাবে৷ পি.এন.এ.

সুপ্রিম কোর্টে সাতে নেই বাংলা প্রতিবাদে সরব ‘আমরা বাঙালী’

সুপ্রিম কোর্ট তার রায় প্রকাশের মাধ্যম হিসাবে হিন্দী, ইংরাজীর সাথে আরও পাঁচটি ভাষাকে বেছে নিয়েছে৷ তার মধ্যে উড়িয়া, অসমিয়া থাকলেও বাংলা ভাষার স্থান হয়নি নিজস্ব সংবাদদাতা

বিশ্ব পরিবেশ দিবসে আবেদন

‘‘মানুষ যেন মানুষের তরে সবকিছু করে যায়৷

               একথাও যেন মনে রাখে পশুপাখী তার পর নয়

নিজস্ব সংবাদদাতা

বাঙলাদেশে আনন্দমার্গের ধর্মমহাসম্মেলন

গত ১৯, ২০, ২১শে এপ্রিল, ২০১৯ বাঙর্লদেশের দিনাজপুর জেলার অন্তর্গত মুকুন্দপুরে সি.ভি.এ ট্রেনিং সেণ্টারে আনন্দমার্গের ধর্মমহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত হ’ল৷ এটি হ’ল বাঙলাদেশের বার্ষিক ধর্ম মহাসম্মেলন৷ এই… নিজস্ব সংবাদদাতা

সপ্তদশ দধীচি লহ প্রণাম  বিজন সেতুতে সপ্তদশ দধীচির উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন, মৌন মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

সিপিএমের হার্মাদ বাহিনীর দ্বারা সংঘটিত এই পৈশাচিক হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে আয়োজিত মৌন মিছিল ও তৎপরে বিজন সেতুর ওপরে প্রতিবাদ-সভায় সামিল হন কলকাতার বহু বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী সহ হাজার হাজার আনন্দমার্গী ও… নিজস্ব সংবাদদাতা

জম্মু-কশ্মীরে জঙ্গী হামলায় নিহত ৪০ জওয়ান

গত ১৪ই ফেব্রুয়ারী জম্মু-কশ্মীরের পুলওয়ামা সি.আর.পি.এফ. কনভয়ে বিস্ফোরক ভর্তি একটি গাড়ী নিয়ে জঙ্গীরা ঢুকে পড়ে’ ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটায়৷ ফলে,এই সংবাদ লেখা পর্যন্ত, অন্ততঃ ৪০ জন জওয়ান নিহত হয়েছেন৷ আহত প্রায়… পি.এন.এ.

চীনের আগ্রাসন ঠেকাতে উন্নয়নেও নজর দিতে হবে

সুকুমার সরকাব

গালওয়ানে চীন-ভারত মল্লযুদ্ধে কুড়িজন ভারতীয় সেনার মৃত্যু হয়েছে । দাবী করা হচ্ছে চীনেরও অনেক সেনার মৃত্যু হয়েছে। কুড়িজন ভারতীয় সেনার মধ্যে দুজন পশ্চিমবঙ্গের । তারমধ্যে একজন উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ার জেলার। উত্তরবঙ্গ হিমালয়ের পাদদেশে হিমালয়ে নেপাল বাদ দিলে তিববত থেকে এখন চীন আগে তিববতের  সাংসৃকতিক যোগ ভারতের সঙ্গেই বেশি ছিল। সেই বেশিরভাগটাই রক্ষিত হতো এই উত্তরবঙ্গ দি... এখনো চীনের অবৈধ বাণিজিক আগ্রাসনের বেশিরভাগটাই  হয়ে থাকে উত্তরবঙ্গ দিয়েই। উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন শহরে চীনা পণ্যের নির্দিষ্ট বাজার পর্যন্ত আছে। যার বেশিরভাগটাই ওই অবৈধ পথে আসা। সম্প্রতি গলওয়ান কাণ্ডের জের হিসেবে উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়ি শ

আগামী পৃথিবীর ভরসা

বিশ্বদেব মুখোপাধ্যায

বর্তমানে একটি খুবই আলোচিত হচ্ছে, তা হলো সামাজিক  দূরত্ব সমাজবদ্ধ জীব হয়েও আজ আমাদের করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচার জন্য চিকিৎসকগণ সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলতে বলেছেন সাথে সাথে  একথাও তাঁরা বলছেন মানসিক দূরত্ব যেন তৈরি না হয় আমাদের মধ্যে কিন্তু বাস্তবে যে ছবি  দেখছি তা একদিকে যেমন ভয়ঙ্কর, অন্যদিকে তেমনি মর্মান্তিক বাজার, দোকান বাসস্ট্যাণ্ড ইত্যাদি যেসব স্থানে সামাজিক দূবত্ব বজায় রাখার দরকার সেখানে আমরা চিকিৎসক গণের নির্দেশ কে থোড়াই  কেয়ার করে নিজেদের মতো চলছি উল্টে ডাক্তার, নার্স, পুলিশ, কর্মী বা করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি বা তার বাড়ির লোকের সাথে  অমানবিক আচরণ করছি যারা সামনে থেকে করো

কেন্দ্রীয় নব্য শিক্ষাব্যবস্থা-শিক্ষার দলীয়করণ ছাড়া আর কিছুই নয়

এইচ এন মাহাত

আমরা ছোটবেলা থেকেই জেনে এসেছি শিক্ষা নাকি জাতির  মেরুদণ্ড সারাদেশে আক্ষরিক শিক্ষার হার দেখে আমাদের গর্বে বুক ভরে যায় সমাজে শিক্ষিতের সংখ্যা তত্ত্ব বিচার করলে আমরা কেন যে মনে হয় সমাজে অসামাজিক কার্যকলাপে ও বর্তমান প্রজন্মের মধ্যে অমানবিকতার সংখ্যা এত বেশী কেন এর কারণগুলি বিশ্লেষণ করতে গিয়ে আমরা দেখতে পাই শিক্ষা বা জ্ঞান শব্দের অর্থে দুইপ্রকারের উপলদ্ধি তৈরী হয় একটি পরা জ্ঞান অপরটি অপরা জ্ঞান।

শোষণমুক্ত নতুন বিশ্ব কোন পথে

মনোজ দেব

যে প্রশান্ত সরলতা জ্ঞানে সমুজ্জল,

 স্নেহে যাহা রসসিক্ত, সন্তোষে শীতল

 ছিল তাহা ভারতের তপবন তলে

 বস্তু ভারহীন মন সর্ব জলে-স্থলে

 পরিব্যাপ্ত করে দিত উদার কল্যাণ,

 জড়ে জীবে সর্বভূতে অবারিত ধ্যান

 পশিত আত্মীয় রূপে

দলতন্ত্রের চাপে গণতন্ত্রের নাভিশ্বাস উঠছে

প্রভাত খাঁ

বর্তমানে সারা পৃথিবীর গণতন্ত্রের চরম দুর্দ্দশা দেখে সেই বিখ্যাত ইংরেজ সাহিত্যিকের কথা মনে পড়ে তিনিMischife of Party Spirit প্রবন্ধে বলে গেছেনIt is pernicious to the last degree অর্র্থৎ দলীয় প্রবণতা হলো শেষ পর্য্যন্ত অত্যন্ত ক্ষতিকারক কারণ দলীয় মতামতটা অন্য দলকে সহ্য করতে পারে না তাই ইংল্যাণ্ডে ন্যাড়া মাথার দলের সমর্থকগণ (পোপের দলের সমর্থকদের ঘৃণার চোখে দেখতো আর তাদের পোপের কুকুর অর্থাৎ পপীশ্ক্যার আর পোপের সমর্থকগণ ন্যাড়া মাথার দলের লোকদের বলতো দেশীয় কুকুর অর্থাৎ সংগ্রেল ডগ্ দলতন্ত্রের ফলে গণতন্ত্রটাই শ্বাসরুদ্ধ হয়ে পড়েছে দলবাজীটাই আজ গণতন্ত্রের যে সংজ্ঞা সেটাকে  গলা টিপে মারছে প্রায় সবদেশেই

স্বেচ্ছাসেবকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হোক ক্লাবগুলি

বিশবদেব মুখেরজী

রাজ্যে ক্লাবের সংখ্যা ঠিক কত তা আমরা  অনেকেই হয়তো জানি না তবে খবরে প্রকাশ রাজ্য সরকার ষোলো হাজারের অধিক ক্লাবকে আর্থিক অনুদান দিয়েছেন অনুদান পায়নি এমন ক্লাব ও আরো কয়েক হাজার আছে ক্লাব অবশ্যই  একটি সামাজিক প্রতিষ্ঠান অনেকক্ষেত্রে এদের ভূমিকা যথেষ্ট উল্লেখযোগ্য সরকারের আর্থিক অনুদান দেওয়ার উদ্দেশ্য হয়তো সামাজিক ও ক্রীড়া ক্ষেত্রে উন্নয়ন ঘটানো অবশ্য বিরোধী দলের বক্তব্য ভিন্ন তবে আমার জানা অনেক ক্লাবই এই আর্থিক অনুদান পেয়ে ক্রীড়া পরিকাঠামো উন্নত করেছে সরকারী  সাহায্য পেয়ে খেলাধুলার চর্র্চ বেশি করে হোক ছাত্র যুবদের মধ্যে ---এটা অবশ্যই চাই কিছু ক্লাব সাংসৃকতিক চর্র্চ করে তো  কিছু ক্লাব খেলাধুলার চ

তন্মাত্র ও মাইক্রোবাইটাম

সমরেন্দ্র ভৌমিক

পূর্বে প্রকাশিতের পর যে মানুষ তার মনকে উচ্চ সাধনায় রত রাখেন, তাঁর মনকে এই নেগেটিভ মাইক্রোবাইটাম গন্ধ-তন্মাত্র বাহিত হয়ে প্রভাবিত করতে পারে না তবে কখনও কখনও সাধনা করতে করতে যদি স্থূল বিষয়েরপ্রতি মন নিবিষ্ট হয়,  তবে গন্ধ বাহিত এই মাইক্রোবাইটাম সাধককে আক্রমন করে শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকার এই গন্ধবাহিত মাইক্রোবাইটামদের নাম দিয়েছেন---গন্ধপিশাচ শ্রীসরকার আরও বলেছেন এই   গন্ধপিশাচ সহস্র শ্রেণী--- উপশ্রেণীতে বিভক্ত ও এরা অজস্র ছন্দে আবর্তিত হয় নেগেটিভ মাইক্রোবাইটামের মধ্যে যে সকল মাইক্রোবাইটাম গন্ধের দ্বারা বাহিত হয় তারাই হল গন্ধ্পিশাচ মাইক্রোবাইটাম।

শ্রাবণী পূর্ণিমার কথা

মাইতি বিভাংশু

সন্ধ্যায় নির্জনে ভ্রমণের অভ্যাস প্রভাতরঞ্জনের চিরদিনের জামালপুরে থাকাকালীনও তিনি প্রতিদিন সন্ধ্যায় পাহাড়ের পাদদেশে, লেকের ধারে বা বাঘের কবরে যেতেন নির্জনে একাকী বসে কাজের চিন্তায় মগ্ণ থাকতেন কলকাতায় এসেও তাঁর এই অভ্যাসে কোনো পরিবর্তন হয়নি প্রতিদিন সন্ধ্যায় তিনি গঙ্গার ধারে বেড়াতে যেতেন তখনকার গঙ্গার কিনারা আজকের মতো এমন জনবহুল ছিল না শান্ত ছিল, নিস্তব্ধ ছিল।

বাঙালী আর কত কাল ঘুমিয়ে থাকবে

এইচ এন মাহাত

ত্রিপুরার মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর একটি বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সমগ্র বিশ্বের জাঠ ও পঞ্জাবিদের জাতীয়তা বোধ দেখে আমি ব্যষ্টিগতভাবে গর্ববোধ করছি এর পিছনে মনস্তাত্ত্বিকভাবে ধারণাটি হলো ভারতের  স্বাধীনতায় বাঙালীর অবদান যেমন অনস্বীকার্য, তেমনি পঞ্জাবিদের অবদানও কম নয়, অন্যদিকে ভারতের স্বাধীনতায় রাজনৈতিকভাবে বিভাজন হয়েছিল এই দুটি রাজ্য ভারত ভাগের  বলি হওয়া পঞ্জাবিদের পূর্নবাসন হয়েছিল পঞ্জাব, হরিয়ানা উত্তরখণ্ডের একটি লাগোয়া বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে এরফলে তাদের  ভাষা সংসৃকতি ও জাত্যভিমান রক্ষা করতে অন্যের ওপর নির্ভরশীল  হতে হয়নি অন্যদিকে অর্থনৈতিক পূর্ণবাসনের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের তহবিলে কোন খামতি ছিলো না