২০১৪ সালে মোদি জমানার শুরুতে প্রতিশ্রুতি ছিল বছরে দু-কোটি চাকরী৷ সে এখন অতীত৷ সাধারণ মানুষ এখন মোদি গ্যারান্টি নিয়ে ঠাট্টা তামাসা করে৷ তবে মোদি জমানায় বছরে দু-কোটি চাকরি না হলেও দেশে বেকারত্বের হার কিন্তু বেড়েই চলেছে৷ গত ১৫ই জুন সরকারী সমীক্ষার প্রকাশিত প্রতিবেদন চলতি বছরের মে মাসে দেশে বেকারত্বের হার ছিল ৫.৫ শতাংশ৷ যা গত ১১ মাসের হিসেবে সর্বাধিক৷ গত এপ্রিল মাসে বেকারত্বের বেকারত্বের হার ছিল ৫.২ শতাংশ৷ শহর অঞ্চলে এপ্রিলে বেকারত্বের হার ছিল ৪.৬ শতাংশ৷ মে মাসে হয়েছে ৫.১ শতাংশ৷
বেকারত্বের বৃদ্ধির অন্যতম কারণ দেখান হয়েছে পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি৷ জ্বালানি সংকটের জন্যে দেশে বহু কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে৷ যার ফলে বহু পরিযায়ী শ্রমিক কাজ হারিয়েছে৷ জাতীয় পরিসংখ্যান কার্যালয় পিরিয়াডিক লেবার ফোর্স সার্ভের (পি.এল.এফ.এস) যে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে তাতেই বেকারত্বের এই করুণ চিত্র ধারা পড়েছে৷ দেশের অন্যতম সংঘটিত কর্মসংস্থান তথ্য প্রযুক্তি ক্ষেত্রে মে মাসের কাজের চাহিদা ২শতাংশ কমে গেছে৷ এই বেকারত্বের হার ৪.৭ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ৫.২ শতাংশ৷ শহর অঞ্চলে বেকারত্বের হার অবশ্য এপ্রিল মাসের তুলনায় বাড়েনে৷ প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে ব্যয় কমিয়ে সংযত জীবন যাপনের নির্দেশ দিয়েছেন৷ কিন্তু বেকারত্বের হার ফেরার কোন দিশা দেখাতে পারেননি৷
বিশিষ্ট আমরা বাঙালী নেতা খুশীরঞ্জন মণ্ডল বলেন পুঁজিবাদ নির্ভরকেন্দ্রিত অর্থনীতি এই বেকারত্ব সৃষ্টি বলেন অধিক মুনাফার দিকে লক্ষ্য রেখে৷ তিনি বলেন যতদিন না পুঁজিবাদী অর্থনীতির বিনাশ ঘটিয়ে প্রাউটের বিকেন্দ্রিত আর্থিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে ততদিন যুবসমাজের এই বেকারত্বের জ্বালা থেকে মুক্তি নেই৷