Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

চারটি মনস্তত্ত্বের আধিপত্যের যুগ–বৈশিষ্ট্য

অর্থাৎ বৈশ্য–যুগেই বস্তুর বৈবহারিক মূল্য সবচাইতে কমে’ যায়। বস্তু স্ব–ভাবে বা টাকার অঙ্কে ক্রমশঃ স্থানু হয়ে পড়তে থাকে। বৈশ্য যুগে এইটেই সব চেয়ে বড় অভিশাপ। কারণ ভোগ্য বস্তুর গতিশীলতা যেখানে যত কম, বা অন্য ভাষায় বলতে গেলে, বিশেষ বিশেষ প্রকোষ্ঠে তার স্থিতিশীলতা যত বেশী, ততই তা জনসাধারণের পক্ষে অধিকতর ক্ষতির কারণ হতে থাকে।

  • Read more about চারটি মনস্তত্ত্বের আধিপত্যের যুগ–বৈশিষ্ট্য

নেতৃত্বের অভ্যুদয়

সমাজ–চক্রের পরিঘূর্ণনে, একটা বিশেষ যুগে তার পরবর্ত্তী যুগ আসার আগে একটা বিশেষ শ্রেণীর আধিপত্য থাকে, গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে৷ এই বিশেষ শ্রেণী যখন রাজনৈতিক ক্ষমতায় থাকে, তাদের দ্বারা সমাজে শোষণ চলার সমূহ সম্ভাবনা থেকে যায়৷ ইতিহাসের শিক্ষা এই যে, শোষণের সম্ভাবনাই শুধু নয়, যুগে যুগে এই শোষণের পুনরাবির্ভাব ঘটেছে৷ 

  • Read more about নেতৃত্বের অভ্যুদয়

গণহনন

গণহনন’ শব্দটির অর্থ হ’ল এক সঙ্গে অনেক মানুষকে হত্যা করা (mass murder or massacre) ৷ যদি একসঙ্গে অনেক অপরাধীকে হত্যা করা হয় তাকেও ‘গণহনন’ বলা হয়৷ কারণ বিশুষ্ক সৈদ্ধান্তিক বিচারে কে অপরাধী, কে নিরপরাধ তা যাচাই করে’ দেখা এক দুরূহ ব্যাপার৷ অনেক সময় কাগজে–কলমে দলিল–দস্তাবেজে ভুল তথ্য থেকে যায় যার ফলে নিরীহ মানুষের ওপর নেবে আসে কঠোর দণ্ডব্যবস্থার খড়গাঘাত৷ অনেক সময় বিচারকের বিচারেও ভ্রান্তি–দোষ থাকতে পারে বা থাকেও, সেক্ষেত্রে নিরপরাধকে হত্যা করা হয়৷ অনেক সময় বিচারের নামে প্রহসন ঘটিয়ে নির্দোষকে বা অল্প দোষীকে হত্যা করা হয়৷ সেগুলো কোনমতেই সমর্থনযোগ্য নয়৷ সক্রেটিসকে হত্যা করা সমর্থন করা যায় না, মহারা

  • Read more about গণহনন

ভাবজড়তা থেকে সাবধান

সংরচনাগত অখণ্ডতার ব্যাপারে ৰলা যেতে পারে, সর্বোৎকৃষ্ট আকৃতি হচ্ছে ডিম্বাকৃতি৷ লাতিন ‘ওবাম’ শব্দটির অর্থ হচ্ছে ডিম৷ তাই ‘ওবাল’ শব্দের অর্থ ডিমের মত অর্থাৎ পুরোপুরি না হলেও কিছুটা ডিমের মত৷ পুরোপুরি ডিম্বাকৃতি নয়, তৰে প্রায় ডিম্বাকৃতি৷ সকল জ্যোতিষ্কই এই আকৃতির৷ সংস্কৃতে তাই বিশ্বকে ৰলা হয়  ব্রহ্মাণ্ড৷ ‘অণ্ড’ মানে ডিম৷ সংস্কৃত ‘অণ্ড’ শব্দ থেকে উর্দু ‘অল্ডা’ শব্দটি এসেছে৷ এখন, আমাদের এই বিশ্বটা খুৰই বড় কিন্তু অনন্ত নয় ও এর আকৃতিটা দেখতে ডিম্বাকার, অর্থাৎ এর একটা সীমারেখা আছে৷

  • Read more about ভাবজড়তা থেকে সাবধান

বসন্তোৎসব

বসন্তোৎসব সারা ভারতের উৎসব–উত্তর ভারতে ‘হোলি’, বিহার অঞ্চলে ‘ফাগুয়া’ ও বাংলায় ‘দোলযাত্রা’৷ আদিতে এই উৎসব ছিল মূলতঃ আর্যদের৷ প্রাচীন আর্যদের বাসভূমি ছিল মধ্য এশিয়ায়৷ এই অঞ্চলটা ছিল ভীষণ ঠাণ্ডা৷ সারা শীতকাল কেবল বরফ পড়তো, এটা ছিল আর্যদের দুঃসহ কষ্টের কাল৷ নিদারুণ ঠাণ্ডায় মানুষ জবু–থবু হয়ে মরার মত পড়ে থাকতো, কোন কাজকর্ম করতে পারতো না৷ এই শীতকালটা যখন বিদায় নিত, আর্যরা তখন আনন্দে উৎসবে মেতে উঠতো৷ ‘উৎ’ মানে আনন্দে লাফিয়ে ওঠা আর ‘সব’ মানে ‘জন্মগ্রহণ করা’৷ আক্ষরিক অর্থেই বসন্তের আগমনে আর্যরা প্রাণচঞ্চল হয়ে উঠতো, হৈ–হুল্লোড় ও কর্মচাঞ্চল্যে মেতে উঠতো৷

  • Read more about বসন্তোৎসব

দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলো

এই পৃথিবীতে সারা বিশ্বে হাওয়া আমাদের অনুকূলে৷ বর্ত্তমান ও ভবিষ্যৎ মানবতার জন্যে কোনো কিছু করার এটাই উপযুক্ত সময়৷ এই সন্ধিক্ষণে এক মুহূর্ত একশত বৎসরের সমান৷ তাই বর্তমান পরিস্থিতিকে কাজে লাগাও৷ প্রবল উৎসাহের সঙ্গে তোমার কর্তব্য করে যাও৷ তোমাদের কাজের গতিকে দ্রুততর করতেই হবে৷

ৰুদ্ধি আর জাগতিকতা–এই দু’টির মধ্যে অচ্ছেদ্য সম্পর্ক একটি ছাড়া আর একটির অস্তিত্ব থাকতেই পারে না৷ আরকোনো জড় বস্তু যেমন জল, তার নিজস্ব ৰুদ্ধি নেই৷ জড়বস্তু ভূমাসত্তার ইচ্ছায় পরিচালিত হয়৷ কিন্তু প্রতিটি জীবিত সত্তার অণুমন আছে৷ তাই মানুষ পরমপুরুষ ছাড়া থাকতে পারেনা৷ 

  • Read more about দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলো

নন্দন বিজ্ঞান ও সঙ্গীত

নন্দনবিজ্ঞান মোটামুটি তোমরা জান Aesthetic Seience৷ কোন একটা জিনিসকে অভিব্যক্ত করা হচ্ছে স্বাভাবিক ভাষায় নয়, সূক্ষ্মতর অনুভূতিকে সূক্ষ্মতম ব্যক্তিকরণের মাধ্যমে৷ কোন একটা জিনিস আপাততঃ দেখলুম, ভালো লাগল৷ সেই যে ভালোলাগা, সেই ভালো লাগার পেছনে যে ভাবটুকু রয়েছে, কেন ভালো লাগল, সেইটাকে মাধুর্যপূর্ণ সূক্ষ্ম ভাষায় যেখানে অভিব্যক্ত করা হ’ল সেটা হ’ল ‘নন্দনবিজ্ঞান’৷ 

  • Read more about নন্দন বিজ্ঞান ও সঙ্গীত

সামাজিক–অর্থনৈতিক গোষ্ঠীবদ্ধতা

বর্তমানে ছোট ছোট রাষ্ট্র অস্তিত্ব রক্ষার জন্যে সংগ্রাম করে’ চলেছে৷ মানুষ ছোট ছোট রাষ্ট্র অপেক্ষা বড় বড় সামাজিক–অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে’ তুলে সকলের কল্যাণ নিশ্চিত করতে আগ্রহী৷ সংকীর্ণ সেণ্টিমেণ্ট ধীরে ধীরে সরে’ যাচ্ছে৷ মানুষের মনে বিশ্বৈকতাবাদী ভাবধারার উদয় হচ্ছে৷ যে সমস্ত অন্ধ বিশ্বাস ও ভাবজড়তা এতদিন সমাজের অনেকের শ্বাসরুদ্ধ করে’ রেখেছিল আজ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিদ্যার বিকাশ তাদের মুখোশ খুলে দিয়েছে৷ যুক্তি–বিচার ও ‘সর্বজনহিতায়’ ভাবনাকে মানবতা এখন গুরুত্ব দিতে শুরু করেছে৷ তাই প্রাউট বর্তমান পৃথিবীর সামাজিক–অর্থনৈতিকপ্রবণতা

  • Read more about সামাজিক–অর্থনৈতিক গোষ্ঠীবদ্ধতা

অর্থনীতিতে গতিতত্ত্ব

এই মহাবিশ্বে চলমানতা মাত্রই সংকোচ–বিকাশী৷ জগতের কোনো কিছুই সরলরেখা ধরে’ চলে না৷ সংকোচ–বিকাশী গতিধারার জন্যেই প্রতিটি সত্তায় আভ্যন্তরীণ সংঘর্ষ ও সমিতি সংঘটিত হয়ে চলেছে৷ এই সংকোচ–বিকাশী নীতির ফলেই সামাজিক–র্থনৈতিক জীবনের বিভিন্ন পর্বে (অধ্যায়ে/যুগে) ঘটে চলেছে উত্থান ও পতন৷ গতিধারার সংকোচন বা বিরতির স্তরটা যদি বেশী দীর্ঘায়ত হয়, তবে সমাজকেও প্রলম্বিত এক গতিহীনতার স্তর অতিক্রম করে’ এগোতো হয়৷ এক্ষেত্রে এমনও ঘটতে পারে যে, সমাজ তার গতিশীলতা একেবারেই খুইয়ে ফেলেছে, বা তার মৃত্যু ঘটেছে৷ বিরতির স্তরে যদি সমাজের অভ্যন্তরে গতিশক্তির অভাব ঘটে, তবে পরবর্ত্তী স্তরে তার স্বাভাবিক গতিধারা ক্রিয়াশীল নাও হতে পা

  • Read more about অর্থনীতিতে গতিতত্ত্ব

তিন প্রকারের জীবিকা

মানুষের রয়েছে তিন ধরনের জীবিকা –– শারীরিক, মানসিক ও আধ্যাত্মিক জীবিকা৷ কিন্তু পশুদের জীবিকা হ’ল কেবল একটি –– শারীরিক জীবিকা৷ তাই পশুদের যদি খাবার জুটে গেল তো তারা দিব্যি খুশীতে দিন কাটিয়ে দেয়৷ কিন্তু মানুষের তেমনটি হয় না, মানুষ কেবল দু’মুঠো খাবার পেলে অর্থাৎ তার দৈহিক জীবিকার পূর্ত্তি ঘটলেই সে তৃপ্ত হতে পারে না৷ মানুষ চায় তার মনের জীবিকা পূরণ করতে, আধ্যাত্মিক ক্ষুধার আত্যন্তিকী নিবৃত্তি বা আত্মিক জীবিকারও পূর্ত্তি ঘটাতে৷ মানসিক জীবিকা বলতে এখানে কি ৰোঝান হচ্ছে মানসিক জীবিকা হ’ল সেই সব মানসিক কর্ম যা মানুষের মনকে বিষয়ভাবে নিযুক্ত করে চলেছে৷ আর আধ্যাত্মিক বা ধার্মিক জীবিকা বলব তাকেই যা মানব ম

  • Read more about তিন প্রকারের জীবিকা
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved