Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

খণ্ডজীবন ও পূর্ণজীবন

কিছুদিন আগে ‘মানসাধ্যাত্মিক সাধনার স্তরবিন্যাস’ পুস্তকে বলা হয়েছে যে মানুষের অগ্রগতির চারটে স্তর রয়েছে–যতমান, ব্যতিরেক, একেন্দ্রিয় ও বশীকার৷ এই চারটে স্তরের ভেতর দিয়ে মানুষকে এগিয়ে চলতে হয়৷ এ সম্বন্ধে যা বক্তব্য তা ওই বইয়ে স্পষ্ট ভাষায় লিখে দিয়েছি৷ এখন, মানুষের জীবনটা কী রকম! কোথা থেকে তার শুরু, কোথায় বা তার শেষ

  • Read more about খণ্ডজীবন ও পূর্ণজীবন

জ্ঞানং যোগাত্মকং বিদ্ধি যোগাঙ্কাষ্টাঙ্গ সংযতম্‌৷

জ্ঞানং যোগাত্মকং বিদ্ধি যোগাঙ্কাষ্টাঙ্গ সংযতম্‌৷

সংযোগঃ যোগ ইত্যুক্তো জীবাত্মা পরমাত্মনোঃ৷৷

----(যোগী যাজ্ঞবল্ক)

Ánanda Vacan´amrtam)

                  ‘‘যোগশ্চিত্তবৃত্তির্নিরো’’---পতঞ্জলি

                  ‘‘সর্বচিন্তা পরিত্যাগঃ নিশ্চিন্তো যোগ উচ্যতে’’--- যোগশাস্ত্র

  • Read more about জ্ঞানং যোগাত্মকং বিদ্ধি যোগাঙ্কাষ্টাঙ্গ সংযতম্‌৷

সৎসঙ্গেন ভবেন্মুক্তি

      ভগবান শংকরাচার্য বলেছিলেন–

      ‘‘ত্যজ দুর্জনসংসর্গং ভজ সাধু সমাগমম্৷

      কুরুপুণ্যম্ অহোরাত্রম্ স্মরনিত্যম্ অনিত্যতাম্৷৷’’

  • Read more about সৎসঙ্গেন ভবেন্মুক্তি

ভক্তির সর্ব্বোচ্চ ধাপ

‘আমি পরমপুরুষের দাসানুদাস, তাঁর কাজ তিনিই করছেন, আমি তাঁর যন্ত্রমাত্র’–এই যে মানসিকতা একেই বলে ‘প্রপত্তি’৷ ‘প্রপত্তি’ শব্দের ব্যুৎপত্তি হ’ল ঃ প্র–পত্+ক্তিন্ = প্রপত্তি৷ প্রপত্তিভাবের সাধক দুঃখকে দুঃখ, সুখকে সুখ বলে আদৌ মনে করেন না বস্তুতঃ সুখ–দুঃখকে তিনি সমভাবে প্রসন্নচিত্তে গ্রহণ করেন৷

  • Read more about ভক্তির সর্ব্বোচ্চ ধাপ

সমস্ত মলিনতা থেকে মনকে মুক্ত রাখো

গতরাতে আমি মানুষ জীবনের বিভিন্ন স্তরে, বিভিন্ন দিশায় যে চলে সে সম্বন্ধে কিছু ৰলেছিলুম৷ এখন, জীবনের সফলতা লাভের প্রসঙ্গে এক চিরন্তর প্রশ্ণ আছে৷ কিছু মানুষ অনেক কিছু করেও শেষপর্যন্ত ব্যর্থ হয়, আবার কিছু মানুষ অল্প সময়ের জন্যে কিছু করে আর সাফল্যের শিরোপায় ভূষিত হয়৷ এর পিছনে রহস্যটি কী? কেন একজন সফল হয়, আর একজন তা হয় না?

  • Read more about সমস্ত মলিনতা থেকে মনকে মুক্ত রাখো

পরমপুরুষ সবার মধ্যে রয়েছেন

প্রতিটি কাজেই তোমাদের জানা উচিত কোন্টা কী ও কীজন্যে, কেন কেন এটা করছ, কেন ওটা করছ না৷ অতীতে আমি অনেকবারই বলেছি যে মানবসমাজ একটা একক সত্তা৷ এটা অবিভাজ্য, এটাকে নানান টুকরোয় বা অংশে ভাগ করা যায় না, কারণ মূলতঃ মানবতা এক৷ 

  • Read more about পরমপুরুষ সবার মধ্যে রয়েছেন

ভক্তের আনন্দ

সংস্কৃত ‘নার’ শব্দের কয়েকটিই মানে হয়৷ একটা মানে হ’ল ‘জল’ আরেকটা মানে হ’ল ‘পরমাপ্রকৃতি’–সৃষ্টির আদি মাতৃকা অপর অর্থ হ’ল ‘ভক্তি’৷

সাধক মাত্রেরই মুখ্য তথা চরম লক্ষ্য থাকে এই যে, সে নিজেই যে ভক্তিসুধা পান করবে তা নয়, বরং অন্যেও যাতে সেই ভক্তিরসামৃতের অংশ পায় সে দিকেও তাঁর বেশী আগ্রহ থাকে৷ সাধক নিজে যে আনন্দ উপভোগ করছে সেটা সে অন্যের সঙ্গেও ভাগ–বাঁটোয়ারা করতে চায়৷

  • Read more about ভক্তের আনন্দ

আত্মোপলব্ধি

গড়পড়তা ৰৌদ্ধিক মাপের একজন মানুষের কাছে জল ও বরফ দু’টি পৃথক সত্তা কিন্তু যারা সত্য সম্পর্কে অল্পকিছু জানে তারা ৰোঝে জলের ঘনীভূত রূপই বরফ৷ একইভাবে সাধারণ মানের মানুষ যখন একটা পাত্র ও কুম্ভকারের ঙ্মযে পাত্রটি তৈরী করেছেৰ মধ্যে একটা বিরাট পার্থক্য দেখে, ব্রহ্মজ্ঞানী সেখানে দুই–কে একইভাবে দেখে৷ এই যে জগত আর ব্রহ্ম–এ দু’টো কি পৃথক সত্তা না তারা অবিভাজ্য, একটা সত্য আর অন্যটা কি মিথ্যা এ দু’টো সত্তার মধ্যে যে পার্থক্য চোখে পড়ে তা কি সত্য না মায়া–এ ধরনের প্রশ্ণ বা চিন্তা–ভাবনা ব্রহ্মজ্ঞদ

  • Read more about আত্মোপলব্ধি

মানুষের কর্তব্য

‘‘চৈতন্য রহিতাঃ মন্ত্রাঃ প্রোক্তা বর্ণাস্তু কেবলম্৷ ফলং নৈব প্রযচ্ছন্তি লক্ষ কোটি জপৈরপি৷৷’’

অর্থাৎ মন্ত্রচৈতন্য যদি না হয়, তান্ত্রিক পদ্ধতি অনুসারে যদি সাধনা করা না হয়, এ অবস্থায় লক্ষ বার বা কোটি বার মন্ত্র জপ করলেও কিছুই হবে না৷ যখন কুলকুণ্ডলিনীর ঘুম ভেঙ্গে যায়, তখন সাধক দীপনী ও মন্ত্রচৈন্যের দ্বারা কুলকুণ্ডলিনীকে ওপরে ওঠানোর প্রয়াস করেন এটাই হচ্ছে সাধনার প্রথম স্তর, যাকে মনোবৈজ্ঞানিক দিক থেকে বলা হয় ‘যতমান’ স্তর৷

  • Read more about মানুষের কর্তব্য

স্বধর্মে নিধনং শ্রেয়ঃ

প্রত্যেক বস্তুর নিজের নিজের ধর্ম আছে, নিজস্ব স্বাভাবিক লক্ষণ আছে৷ সেই লক্ষণ দেখেই মানুষ সংশ্লিষ্ট বস্তুর সঙ্গে পরিচিত হয়, তার নামকরণ করে৷ প্রত্যেক সত্তার, প্রত্যেক জীবের নিজের নিজের ধর্মে অটুট থাকা শ্রেয়স্কর৷

সোণা ও লোহার নিজেদের পৃথক পৃথক ধর্ম আছে৷ ঠিক তেমনি মানুষেরও নিজের ধর্ম আছে৷ মানুষ যদি নিজের ধর্ম থেকে, মানব ধর্ম থেকে দূরে সরে যায় তবে তাকে মানুষ বলব না৷ মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব তার নিজের ধর্মেই নিহিত৷ তাই তার পক্ষে স্বধর্মে সুদৃঢ় থাকাই বাঞ্ছনীয়৷

  • Read more about স্বধর্মে নিধনং শ্রেয়ঃ
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved