Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

স্বধর্মে নিধনং শ্রেয়ঃ

প্রত্যেক বস্তুর নিজের নিজের ধর্ম আছে, নিজস্ব স্বাভাবিক লক্ষণ আছে৷ সেই লক্ষণ দেখেই মানুষ সংশ্লিষ্ট বস্তুর সঙ্গে পরিচিত হয়, তার নামকরণ করে৷ প্রত্যেক সত্তার, প্রত্যেক জীবের নিজের নিজের ধর্মে অটুট থাকা শ্রেয়স্কর৷

সোণা ও লোহার নিজেদের পৃথক পৃথক ধর্ম আছে৷ ঠিক তেমনি মানুষেরও নিজের ধর্ম আছে৷ মানুষ যদি নিজের ধর্ম থেকে, মানব ধর্ম থেকে দূরে সরে যায় তবে তাকে মানুষ বলব না৷ মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব তার নিজের ধর্মেই নিহিত৷ তাই তার পক্ষে স্বধর্মে সুদৃঢ় থাকাই বাঞ্ছনীয়৷

  • Read more about স্বধর্মে নিধনং শ্রেয়ঃ

‘ভগবান’ শব্দের তাৎপর্য

দ্বিতীয় গুণটা হ’ল প্রতাপ (administration) অর্থাৎ শাসন আছে৷ সবাই ভালবেসে হোক, ভয়েই হোক, তাঁকে মানবে৷ শাস্ত্রে বলা হয়েছে, বিশ্বৰ্রহ্মান্ডের সবাই পরমপুরুষকে মানছে৷ কেন মানছে – না, না মেনে উপায় নেই৷ তার ভয়ে বায়ু বয়ে চলেছে৷ ভয় না থাকলে হাওয়া হয়তো বলত, খানিকক্ষণ বসে জিরিয়ে নিই৷ সংস্কৃতে হাওয়ার অপর নাম ‘অনিল’৷ সংস্কৃত ‘নিল’ মানে স্থির, স্থাণু, একটা জায়গায় যা স্থির হয়ে বসে আছে আর ‘অনিল’ মানে যা এক জায়গায় স্থির হয়ে বসে নেই৷ পরমপুরুষের প্রতাপ আছে, ঐশ্বর্য আছে – দু’টো গুণ হ’ল৷ ‘‘ভীষাস্মাদ্ বায়ুঃ পবতে’’ অর্থাৎ তাঁর ভয়ে হাওয়া ছুটে বেড়াচ্ছে৷ ভাবছে, দু’টো চোখ আমার পিছনে রয়েছে৷ ‘‘ভীষোদেতি সূর্যঃ’’ অর্থাৎ ত

  • Read more about ‘ভগবান’ শব্দের তাৎপর্য

দীক্ষার পরেই মন্ত্রাঘাত, পুরশ্চরণ, মন্ত্রচৈতন্য বাস্তবায়িত হয়

সাধনায় কুলকুণ্ডলিনীকে ঊর্ধ্বগতি করতে না পারলে মন্ত্র জপ একেবারেই অর্থহীন হয়ে পড়ে৷ কুলকুণ্ডলিনীকে ঊধের্ব নিয়ে যাবার প্রক্রিয়াকে বলা হয় ‘পুরশ্চরণ প্রক্রিয়া’, আর মন্ত্রচৈতন্য বলতে অবশ্য আসলে ৰোঝায় সঠিকভাবে মন্ত্রের ভাব গ্রহণ করা৷ অর্থ ৰুঝে মন্ত্র জপ করলে মন্ত্রচৈতন্য বিধি সহজে নিষ্পন্ন হতে পারে৷ অর্থ না ৰুঝে জপক্রিয়া করা মানে সময়ের অপব্যবহার ছাড়া আর কিছুই নয়৷

  • Read more about দীক্ষার পরেই মন্ত্রাঘাত, পুরশ্চরণ, মন্ত্রচৈতন্য বাস্তবায়িত হয়

মোহন বিজ্ঞান কি?

উচ্চৈঃস্বরে পরমপুরুষের গুণগান করাকে কীর্তন ৰলা হয়৷ সংস্কৃতে ‘কীর্ত’ ধাতুটার মানে হল জোরে উচ্চারণ করা যাতে ধবনিটা অন্যের কর্ণে প্রবেশ করে৷ এইভাবে পরমপুরুষের গুণগান করাকে কীর্তন ৰলা হয়৷

এখন প্রশ্ণ হচ্ছে পরমপুরুষ তো কারও কীর্তনের অপেক্ষায় বসে থাকেন না৷ পরমপুরুষ তো কাউকে বলেন না কীর্তন কর৷ তাহলে কীর্তন মানুষ করে কেন, করবেই বা কেন? এর পেছনে যে বিজ্ঞানটা রয়েছে সেটা হচ্ছে এই মানুষ স্থূল থেকে সূক্ষ্মের দিকে যেতে চায়৷ জীবনের সর্বক্ষেত্রেই মানুষ স্থূলের মধ্যে সূক্ষ্মকে খোঁজে৷ আবার যে সূক্ষ্মটাকে পায় তার ভেতর থেকে সূক্ষ্মতরকে খোঁজে৷ এইভাবে এগিয়ে যায়৷

  • Read more about মোহন বিজ্ঞান কি?

শিব প্রসঙ্গে

শিবের সময় উত্তর-পশ্চিম কোণ দিয়ে ভারতে আর্যদের আগমন শুরু হয়ে গেছল৷ অনেকেই এসেছিলেন, অনেকে আসছিলেন, অনেকে আবার আসবার জন্যে প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন৷ যাঁরা এসেছিলেন তাঁদের সেই বৈদিক ভাষার প্রভাব তৎকালীন ভারতের ভূমিসন্তান ‘কশ, ‘সিথিয়ান’, ‘ইউ-চি’, ‘দক্ষিণ কুষাণ’’ প্রভৃতিদের কথ্য ভাষার ওপর ব্যাপকভাবে পড়েছিল৷ ভারতের তৎকালীন জনভাষা সংস্কৃতের ওপর বৈদিক ভাষার প্রভাবও অবশ্যই পড়েছিল৷ তবে সে প্রভাবটা একতরফা নয় অর্থাৎ সংস্কৃত ভাষার প্রভাবও বৈদিকে পড়েছিল৷

  • Read more about শিব প্রসঙ্গে

মিষ্টিসিজম্ ও যোগ

সূক্ষ্ম নন্দনতত্ত্বের ওপর আধারিত নান্দনিক অভীপ্সা যখন একটা নির্দিষ্ট উচ্চ মানে পৌঁছে যায় তাকে বলে মিষ্টিসিজম্৷ আর এই মিষ্টিসিজম্ যখন মানবীয় গরিমা মহিমার শীর্ষে বা শ্রেষ্ঠত্বের পর্যায়ে চলে আসে তাকে বলে আধ্যাত্মিকতা (spirituality) ৷ এখন মিষ্টিসিজম্ কী মিষ্টিসিজম্ হ’ল সীমার সঙ্গে অসীমের, ক্ষুদ্র ‘আমি’র সঙ্গে ৰৃহৎ ‘আমি’র বা আত্মার সঙ্গে পরমাত্মার সম্পর্ক নির্ণয়ের এক নিরন্তর প্রয়াস৷

  • Read more about মিষ্টিসিজম্ ও যোগ

সৎসঙ্গেন ভবেন্মুক্তি

    ভগবান শংকরাচার্য বলেছিলেন–

    ‘‘ত্যজ দুর্জনসংসর্গং ভজ সাধু সমাগমম্৷

    কুরুপুণ্যম্ অহোরাত্রম্ স্মরনিত্যম্ অনিত্যতাম্৷৷’’

  • Read more about সৎসঙ্গেন ভবেন্মুক্তি

ত্রিভুবনের পরিভাষা

পরমপুরুষের পরম রচনাত্মক শক্তি নিজ আন্তরিকতা তথা ভূমামনের চেতনাশক্তির সাহায্যে ভৌতিক জগতের জড় অথবা জীব সত্তার বিভিন্ন রূপ প্রদান করে থাকে৷ প্রত্যেক বস্তু তাঁরই রচনা, প্রত্যেক বস্তু তাঁরই দ্বারা সংরক্ষিত ও পালিত হয়ে থাকে৷ শেষ পর্যন্ত তাঁরই কারণে বিরাট ভূমামনে সমস্ত জাগতিক সত্তার অন্তিম পরিণতি ঘটে যায়৷ অর্থাৎ পরমসত্তার মানসিক আধার ভূমিতে সব কিছুর লয় হয়ে যায়৷ এই কারণে আমি বলি কোন বস্তুই ক্ষুদ্র নয়, কোন বস্তুই অনাবশ্যক নয়৷ যদি অগুন্তি প্রোটোপ্লাজম দ্বারা এই সামূহিক শরীর তৈরী হয়ে থাকে, তাহলে তোমার মনও একটি সামূহিক মন৷ এছাড়া প্রত্যেক প্রোটোপ্লাজম একটি জীবিত সত্তা৷ আর এই কারণে প্রত্যেক জীবিত সত্তার

  • Read more about ত্রিভুবনের পরিভাষা

পরমপুরুষের কাছে কিছু না চাওয়াই ভাল

পরমপুরুষের কাছ থেকে কোন কিছু প্রার্থনা করা উচিত কি লোকে বলে–

‘‘মাঙ্না মরণ সমান হ্যায় 

মৎ কোই মাঙো ভিখ্৷

বিন মাঙে মোতি মিলে, 

মাঙে মিলে না ভিখ৷৷’’

  • Read more about পরমপুরুষের কাছে কিছু না চাওয়াই ভাল

মানুষ বিশ্বৈকতাবাদী হবে

গতরাতে আমি এই পরিদৃশ্যমান জগতে বিভিন্ন সম্ভাবনাপুর্ণ অস্তিত্ব, যেমন---অণু মানসসত্তা ও চিতিসত্তা সম্পর্কে বলেছিলুম৷ পরম চিতিশক্তির যে অন্তর্মুখী গতি (বহির্মুখী গতিতে পঞ্চভৌতিক জগতের উৎপত্তি) তারই এক স্তরে মানুষের সৃষ্টি৷ এই অন্তর্মুখী গতিতে পঞ্চভৌতিক জগতের উৎপত্তি) তারই এই স্তরে মানুষের সৃষ্টি৷ এই অন্তর্মুখী গতি পরম চিতিশক্তিতে ফিরে আসার জন্যে৷ 

  • Read more about মানুষ বিশ্বৈকতাবাদী হবে
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved