প্রবন্ধ
মানব জীবনের চরম লক্ষ্যই হলো ধর্ম পালন করা
সারা পৃথিবীর জীব জন্তু গাছপালার মুলত বেঁচে থাকার যে প্রবণতা বৃহৎ অর্থে তাকেই ধর্ম বলে৷ এটা এক ধরনের গুরুত্বপূর্ণ মানসিকতা যা না থাকলে জীব জগৎ সুখ নেই৷ বাঁচতেই পারবে না৷ তবে মূলত এর প্রধান অর্থ সেই জগত যেথা থেকে যে সৃষ্টি হয়েছে তাকে পেতে ধর্মকথাটি ব্যবহৃত হয়, সর্ব জিনিসের ধর্ম, আছে, জীবের ধর্ম, জলের ধর্ম, আগুনের ধর্ম ইত্যাদি৷ ধর্ম শব্দটির ব্যুৎপত্তিগত অর্থ হল সৃষ্টি এটি ছাড়া কোন শব্দই এত বৃহৎ অর্থে ব্যবহৃত হয় না আবার সেই ধর্ম থেকেই নানা ধর্মমতের সৃষ্টি৷ হিন্দু মুসলমান খ্রীষ্টান ইত্যাদি৷ শব্দের অর্থ সৃষ্টি হয়েছে৷ তাই বৈচিত্র্যে ভরা এই পৃথিবী একে নিয়ে যত ভেদাভে তো মতবিরোধ এই মহান ভারতবর্ষেই হল
- Read more about মানব জীবনের চরম লক্ষ্যই হলো ধর্ম পালন করা
- Log in to post comments
মানব জীবনের সর্বাত্মক আদর্শের পথ
বর্তমান যুগে কি সামাজিক, কি অর্থনৈতিক, কি রাজনৈতিক, কি সাংস্কৃতিক, কি মানসাধ্যাত্মিক – সর্বক্ষেত্রেই দেখা দিয়েছে দারুণ বিপর্যয়৷ সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এক সঙ্গে এগিয়ে চলার নাম সমাজ৷ (সমানম্ এজতি ইতি সমাজঃ)৷ কিন্তু আজ এই সহযোগিতার ভাব, এই সহমর্মিতার ভাবের সম্পূর্ণ অভাব৷ আজ জাত–পাত–সম্প্রদায় প্রভৃতি নানান সংকীর্ণতা, পারস্পরিক বিদ্বেষ, অসহিষ্ণুতা, পারস্পরিক লড়াই মানব সমাজকে ধ্বংসের অতল গহ্বরের সামনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে৷ অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে মুষ্টিমেয় মানুষের বিপুল ঐশ্বর্য ও চরম বিলাসিতার পাশাপাশি বিরাজ করছে চরম অভাব–দারিদ্র্য, যদিও বিশ্বের সমস্ত সম্পদের প্রকৃত মালিক বিশ্বস্রষ্টা, আর বিশ্বের সবাই তাঁরই স
- Read more about মানব জীবনের সর্বাত্মক আদর্শের পথ
- Log in to post comments
স্বৈরাচারের পতন হবেই
ন্যায় ও সত্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়ে শাসক ও শাসিত রাষ্ট্রের কল্যাণ না করে শাসক যদি দুর্নীতি পরান হয়, শাসিত যদি সেই অন্যায় সহ্য করে চলে, তাতে রাষ্ট্রের যেমন অকল্যাণ হয় শাসক ও শাসিত উভয়েরই প্রতি ঈশ্বর বিরূপ হয়৷
- Read more about স্বৈরাচারের পতন হবেই
- Log in to post comments
সময়ের স্রোতে বিপাশা
হিমালয় পর্বতের বুক চিরে বয়ে যাওয়া এক জলধারার নাম বিপাশা, একটি জীবন্ত ইতিহাস, একটি প্রাচীন স্মৃতির ভাণ্ডার৷ নদীর শরীরে মিশে আছে সভ্যতার পদচিহ্ণ, মানুষের হাসি-কান্না, আধ্যাত্মিক সাধকের ধ্যান, সাধনা, কবির কল্পনা আর অগণিত অজানা মানুষের জীবনগাথা৷
- Read more about সময়ের স্রোতে বিপাশা
- Log in to post comments
বিনা ভাড়ায় সরকারি বাসে মহিলাদের যাতায়াত প্রকল্প - মুখ থুবড়ে পড়বে না তো?
পশ্চিম বঙ্গের নতুন সরকার বিধানসভা নির্বাচনের আগে দেওয়া তাদের প্রতিশ্রুতিমতো ১লা জুন থেকে সরকারি বাসে মহিলাদের বিনা ভাড়ায় যাতায়াতের ব্যবস্থা করেছেন বলে জানা গেছে৷ জনগণকে দেওয়া এই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করার জন্য নতুন সরকারকে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন৷ সমস্ত মহিলারাই অর্থাৎ অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী ও যাঁরা স্বাবলম্বী নন প্রত্যেকেই এই সুবিধা পাবেন বলে জানা গেছে৷ স্বাভাবিকভাবে মহিলাদের এই ব্যাপারে খুশি হওয়ারই কথা, কিন্তু সমাজ মাধ্যমে কিছু মহিলা জানান তাঁরা এই সুবিধা নিতে আগ্রহী নন৷ এটা তাঁদের ব্যষ্টিগত মতামত বলেও তাঁরা জানিয়েছেন৷ তবে তাঁরা যে যুক্তি দেখিয়েছেন এই সুবিধা না নেওয়ার পক্ষে সেটাও ফেলে দেওয়ার মত
ভয়শূন্যতাঃ ধর্মসাধনার মূলমন্ত্র
চিত্ত যেথা ভয় শূণ্য, উচ্চ সেথা শির,
জ্ঞান যেথা মুক্ত, যেথা গৃহের প্রাচীর৷
উল্লিখিত পংক্তিদ্বয় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত নৈবেদ্য কাব্যগ্রন্থের ‘প্রার্থনা’ শীর্ষক কবিতা থেকে সঙ্কলিত৷
- Read more about ভয়শূন্যতাঃ ধর্মসাধনার মূলমন্ত্র
- Log in to post comments
ধর্ম, ধর্মনিরপেক্ষতা ও আধ্যাত্মিকতা
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
- Read more about ধর্ম, ধর্মনিরপেক্ষতা ও আধ্যাত্মিকতা
- Log in to post comments
গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থাকে সঠিকভাবে পরিচালনা করুক শাসকগণ
স্বাধীনতার সময় ভারত বর্ষু সাম্প্রদায়িকতার ভিত্তিতে ভাগ হয়৷ পাকিঙস্তান আর ভারত যুক্তরাষ্ট্র৷ পাকিস্তান মূলত ইসলাম ধর্মমত ভিত্তিক রাষ্ট্র হয় পুবে পশ্চিমে, দুটি রাজ্য নিয়ে৷ মাঝে থেকে যায় ভারত বর্ষ তথা ভারতীয় যুক্তরাষ্ট্র ধর্মনিরপেক্ষ হিসেবে৷ পরবর্তী সময়ে পূর্ব পাকিস্তান পৃথক রাষ্ট্র হয়ে যায়, যার বর্তমান নাম বাংলাদেশ৷ চতুর ইংরেজ ও দিল্লির শাসকগণ গোটা ভারত যুক্তরাষ্ট্রকে হিন্দুস্তান বলে প্রচার করলেও ভারতের সংবিধান ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র বলে মান্যতা দেয়নি৷
২০২৬-এর হকার উচ্ছেদ বিতর্ক উচ্ছেদ নয়, জীবিকা ও জনস্বার্থের সমন্বয় প্রাউটের দৃষ্টিভঙ্গি
২০২৬ সালে কলকাতা ও তার পার্শবর্তী এলাকাগুলি যাদবপুর, দমদম, ডানকুনি, হাওড়া প্রভৃতি হকার উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসে৷ রেল ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে অবৈধ দখলমুক্ত করার উদ্যোগ এবং অন্যদিকে হাজার হাজার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর জীবিকা রক্ষার দাবির মধ্যে সংঘাত তীব্র আকার ধারণ করে৷
কলকাতা হাইকোর্টও পর্যবেক্ষণ করে যে, জমির সুনির্দিষ্ট চিহ্ণিতকরণ এবং বিকল্প পুনর্বাসনের প্রশ্ণ বিবেচনা না করে উচ্ছেদ অভিযান চালানো উচিত নয়৷ এর ফলে বিষয়টি শুধুমাত্র আইন-শৃঙ্খলা বা জায়গা দখলের প্রশ্ণে সীমাবদ্ধ না থেকে সামাজিক ন্যায়বিচার ও জীবিকার অধিকারের প্রশ্ণে পরিণত হয়েছে৷