খেলার খবর

অলিম্পিক্সে কুস্তিতে যোগ্যতা অর্জন করলেন সোনম মালিক ও অংশু মালিক

কাজাখস্তানের আলমাটিতে  এশীয় অলিম্পিক্স যোগ্যতা অর্জনের প্রতিযোগিতায় চমকে দিয়েছেন সোনাম মালিক৷ তিনি লড়েন ৬২ কেজি বিভাগে৷ এই বিভাগে বিশেষজ্ঞেরা এগিয়ে রেখেছিলেন কাজাখস্তানেরই আয়ালিম কাসিমোভাকে৷ তাঁর বিরুদ্ধে  নির্ণায়ক লড়াইয়ে  শুরুতেই ০-৬ পিছিয়ে পড়েন সোনম৷ কিন্তু তার পরেও অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে ৯-৬ ফলে ম্যাচ জিতে নেন৷ সাম্প্রতিক  চারটি ট্রায়ালে সোনম তাঁর অসাধারণ আবির্ভাব ঘোষণা করেন সাক্ষীকে  হারিয়ে৷ যার ফলে রিয়োয় সফল কুস্তিগির আলমাটিতে নামার সুযোগ হারান৷ তবু অনেকেই ভাবতে পারেনি এশীয় প্রতিযোগিতা থেকে সোনমই টোকিয়োর  টিকিট নিশ্চিত করবেন৷ যা সাক্ষীর  এ বারের অলিম্পিক্সে যাওয়ার দরজা পুরোপুরি

অলিপিক্সের হকি প্রতিযোগিতায় ভারতের জয়

প্রায় একবছর পর ভারত প্রো লিগ ম্যাচে খেলতে নেমেছিল৷ ম্যাচ ড্র হওয়ার ফলে দুই দলেরই এক পয়েন্ট পাওয়া নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল৷ কিন্তু ভারত এর পরে বোনাস পয়েন্টও পায়৷ যার কৃতিত্ব দাবি করতে পারেন ভারতের গোলকিপার পি আর সৃজেশ৷ প্রতিযোগিতার নিয়ম অনুযায়ী শুট আউটে যে দল জিতবে তারাই বোনাস পয়েন্ট পাবে৷ লুকাস ভিয়া,মার্টিন ফেরেইরো ও ইগনাসিয়ো অরটিজের প্রয়াস বাঁচান সৃজেশ৷ এর পরে দিলপ্রীত সিংহ ৩-২ জয় নিশ্চিত করেন অভিজ্ঞ আর্জেন্টি নার গোলকিপার খুয়ান ভিভাল্ডির বিরুদ্ধে গোল করেন৷

ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলো সর্ব ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন

ফুটবলারদের বকেয়া না মেটানোর কারণে নতুন মরসুমে ইষ্টবেঙ্গলের ওপর ঘনিয়ে এসেছিল কালো মেঘ৷ বলা হয়েছিল যে আসন্ন জুন ও জানুয়ারি মাসের ফুটবলারদের সই করানোর ক্ষেত্রে যে নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল তা প্রতাহ্যার করে নেয় সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন৷ তাই এখন খুশির খবরে ভাসছে লাল-হলুদ শিবির৷

আই.এস.এস.এফ-এর চলতি মরসুমে শুটিংয়ে সোনা জিতলেন ভারতীয়েরা

গত সোমবার মিক্সড টিম ইভেন্টে ১০ মিটার এয়ার পিস্তল ও ১০ মিটার এয়ার রাইফেল ইভেন্টে জোড়া সোনা জিতলেন ভারতীয়েরা৷ সবদিক থেকে মোট  এদিন ভারতের তিনটি সোনা প্রাপ্তি ঘটে৷ যার ফলে ছটি সোনা, চারটি রূপো ও চারটি ব্রোঞ্জ-সহ ভারতের মোট পদক ১৪টি৷ তিনটি সোনা, দু’টি রুপো ও একটি ব্রোঞ্জ সহ দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র৷

সংবাদ সূত্রে জানা গেছে যে কাদের দরুণ এই সোনা প্রাপ্তি  প্রথম যার নাম বলতে হয় তিনি হলেন মনু ভাক ও সৌরভ চৌধুরি জুটি৷ মাত্র ১৮ বছরের সৌরভ ও ১৯ বছরের মনু ০-৪ পিছিয়ে গিয়েও ইরানের গোলনাউশ সেভাতোল্লাহি ফারোঘি জুটিকে হারান এই পাঁচবার মিক্সড টিম ইভেন্টে সোনা জিতলেন৷

বাঙলার ক্লাব ক্রিকেটে থার্ড অ্যাম্পায়ার

সাধারণত প্রতিটি ক্রিকেট খেলাতেই সঠিক জাজমেন্ট দেওয়ার জন্য একজন অতিরিক্ত অ্যাম্পায়ার রাখার সিদ্ধান্ত বহুকাল প্রচলিত আছে যাকে আমরা থার্ড আম্পায়ার বলে থাকি৷ কিন্তু সর্বক্ষেত্রে তা ছিল না৷ অর্থাৎ ক্লাব ক্রিকেটের ক্ষেত্রে দুজন আম্পায়ারই এতদিন ছিল, কিন্তু এবার বাঙলার ক্লাব ক্রিকেটেও নিয়ে আসা হল থার্ড আম্পায়ার অর্র্থৎ তৃতীয় আম্পায়ার৷ এর আগে সি.এবি পরিচালিত ঘরোয়া ক্রিকেটে  তৃতীয় আম্পায়ার থাকতেন না৷ কিন্তু গত সোমবার জে.সি মুখোপাধ্যায় ট্রফির দুই সেমিফাইনালেই ছিলেন তৃতীয় আম্পায়ার৷ ইডেন গার্ডেন্সে মুখোমুখি হয় ইষ্টবেঙ্গল মোহনবাগান৷

ভারতীয় টেস্ট দলের প্রশংসায় সুনীল গাভাস্কর

এমএল জয়সীমা স্মৃতি সভায় আবেগে গা ভাসিয়ে দিলেন পুরনো বন্ধু গাওস্কর৷ জয়সীমার নামাঙ্কিত অ্যাকাডেমিতে বক্তব্য রাখছিলেন তিনি৷ সেখানেই ভারতীয় দল সম্পর্কে, ‘‘ভারতের সর্বকালের সেরা টেস্টদল এটাই৷’’ সভায় কোহালীর সুরে সুর মেলাতে দেখা যায় ভারতের প্রাক্তণ অধিনায়ককে৷ মাঠের আম্পায়ারের আপাত দৃষ্টিতে নেওয়া সিদ্ধান্ত নিয়ে খুশি নন গাওস্কর৷ ইংল্যাণ্ড সিরিজের সময় কোহালী বলেছিলেন ‘‘মাঠের আম্পায়ারদের আপাত দৃষ্টিতে নেওয়া সিদ্ধান্ত অনেক সময়ই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে যায় ম্যাচের জন্য৷ পাল্টে দিতে পারে ফলাফল৷ এ বার আমাদের ক্ষতি হয়েছে, পরের বার অন্য কোনও  দলেরও হতে পারে৷’’

সরঞ্জাম পুড়ে যাওয়া সত্ত্বেও তিনটি পদক জিতলেন দুই ক্ষুদে তীরন্দাজ

গত শনিবার হঠাৎই নয়াদিল্লি-দেহরাদূন শতাব্দী এক্সপ্রেসের সি-৪, সি-৫ কামরাটিতে ভয়ঙ্কর অগ্ণিকাণ্ড ঘটে তার দরুণ কামরা দুটি পুরো ভস্মীভূত হয়ে যায়৷ ওই কামরাতেই যাত্রা করছিলেন ওই দুই ক্ষুদে তীরন্দাজ নাম অমিত কুমার ও সোনিয়া ঠাকুর৷ তারা কোন ট্রেনটি থেকে বেরিয়ে আসে কিন্তু তাঁদের সমস্ত সরঞ্জাম পুড়ে যায়৷ খুবই ক্ষতি হয় তাদের৷  কিন্তু এমন চরম পরিস্থিতিকে উপেক্ষা করে বিরাট মনের জোড় নিয়ে তারা এই প্রতিযোগিতায় গিয়ে তিনটি পদক জয় করেন ও তা দেখে সমস্ত ক্রীড়ামহলে নূতন চমকের সৃষ্টি হয়েছে৷

খো খো-তে ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের সিনিয়র ও অনুধর্ব-১৮ খেলোয়াড়দের মধ্যে দুই বাঙালী নজর কাড়ছে

২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রশিক্ষণ শিবির আয়োজন করা হয়েছিল৷ জাতীয়স্তরে ও প্রশিক্ষণ শিবিরে পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে তালিকাভুক্ত করা হবে ১৫০ জন খেলোয়াড়দের তাদের মধ্যে  দুই বাঙালী খেলোয়াড় অনুকূল সরকার ও অভীক সিংহ৷ বাঙলা থেকে নজরে এবার দুই বাঙালী খেলোয়াড়৷ সারা ভারতের মধ্যে এই দুইজনই সকলকে নিজেদের ক্রীড়াপ্রতিভা দেখিয়ে নজর কেড়েছেন৷

বিজয় হাজারে ট্রপিতে জিতল মুম্বাই

প্রয়াত অরুণ স্টেডিয়ামে টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন উত্তর প্রদেশের অধিনায়ক কর্ণ শর্র্ম৷ ওপেনার  মাধব শর্র্মর ১৫৬ বলে অপরাজিত ১৫৮, সমর্থ সিংহের ৫৫ ও আকাশদীপ নাথের ৫৫ রানের উপর ভর করে নির্র্ধরিত ৫০ ওভারে ৪ উইকেটে ৩১২ রান তোলে উত্তরপ্রদেশ৷

মহিলা ক্রিকেটের জন্য বড় পদক্ষেপ নিল আইসিসি

আগামী ২০২৩ থেকে মহিলা ক্রিকেটে আরও বেশি দেশকে সুযোগ দেওয়ার কথা ঠিক করেছে আইসিসি৷ তাদের কর্তা মনু সহানে বলেন, ‘‘মহিলাদের  ক্রিকেট নিয়ে আমাদের পরিকল্পনা আছে, এগুলো দীর্ঘকালীন ভাবনা৷ মহিলাদের ক্রিকেটের সম্প্রচারের দিকে আমরা জোর দিচ্ছি৷’’

গত ২০২০ সালে মহিলাদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে রেকর্ড দর্শক হয়েছিল৷ মেলবোর্নে ফানিাল দেখতে হাজির ছিলেন প্রায় ৮৬০০০ জনগণ৷ তাই আইসিসি মহিলা ক্রিকেট যাতে আরও বেশি করে দেশ আসে, তার জন্য আর বেশী করে উদ্যোগী হতে চাইছে আইসিসি৷