জীবনযুদ্ধের পাশাপাশি ২২ গজেও বিশ্বকাপ জয় জন্মাবধি সিমুর
সিমু দাস অসমের নগাঁও জেলার কোঠিয়াতলির বাসিন্দা৷ রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর, সঙ্গে বিশ্বকাপজয়ী ভারতীয় মহিলা দলের সদস্য৷ তবে এই বিশ্বকাপ একটু পৃথক৷ সিমু জন্মাবধি দৃষ্টিহীন৷ তাঁর দাদাও তাই৷ সঙ্গে বধিরও৷ দুই সম্তানকে নিয়ে ব্যাংকের রান্নাঘর সামলে সংসার চালিয়েছেন মা৷ মাসিক মাত্র ৩ হাজার টাকায়৷ কারণ, সিমুর জন্মের আগেই বাবা তাঁদের ফেলে চলে যান৷ তাই দৃষ্টিহীনদের ২২ গজে ইতিহাস সৃষ্টি করে সব কৃতিত্ব মাকেই দিচ্ছেন উত্তর-পূর্ব ভারতের অখ্যাত এক গ্রাম থেকে উঠে আসা সিমু৷