Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

স্বাস্থ্য বিজ্ঞান

নিরামিষ আহারে শরীরে রোগ সংক্রমণ কমে

ভক্ত রাজর্ষি

সাম্প্রতিক বিশ্বব্যাপী গবেষণায় আবার জানা গেছে যে, নিরামিষ শুদ্ধ সাত্ত্বিক আহারাদির ফলে মানুষের শরীরের রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকা সম্ভব হয়৷ একসময়ে আধুনিক ডাক্তাররা সকলকে ঢ়ালাও পরামর্শ দিয়ে যেতেন যে, শরীরে প্রোটিন অর্থাৎ খাদ্যশক্তি সঞ্চয় করতে হলে আমিষ খাদ্য খেতে হবে৷ সেসব উঠতি ডাক্তারেরাই এখন আবার বলতে শুরু করেছেন–ডিম, মাছ, মাংস না খেলেই ভাল৷ কারণ ওই ধরনের আমিষ খাদ্য থেকেই খুব বেশী রক্তচাপ বাড়তে থাকে৷ তাছাড়া মাছ, মাংস, ডিম বাহিত নানা রোগ সংক্রমণ হয়৷ 

  • Read more about নিরামিষ আহারে শরীরে রোগ সংক্রমণ কমে
  • Log in to post comments

সদ্যোজাত শিশুর যত্ন

সাধারণতঃ মাতৃগর্ভে আট মাসের কম থাকার পরে শিশু জন্মগ্রহণ করলে সে মৃত অবস্থাতেই জন্মগ্রহণ করে, অথবা জন্মের সঙ্গে সঙ্গেই মারা পড়ে৷ মৃতবৎসা নারীরা তাই সাত মাসে বা তার চেয়ে কম বয়সে শিশু প্রসব করে’ থাকে৷ আট মাসে জন্মালে বেশীর ভাগ শিশু প্রাণে বেঁচে থাকে, তবে আট মাসে জন্মায় খুব কম শিশু৷ তার চেয়ে বরং ন’মাসে জন্মায় বেশী শিশু৷ অধিকাংশ ক্ষেত্রে শতকরা ৯৫ শতাংশ ভাগ জন্মায় দশ মাসে, ক্বচিৎ কখনো দু’–একটা জন্মায় একাদশ মাসের গোড়ার দিকে৷ প্রথম সন্তান কোন কোন ক্ষেত্রে ন’মাসের শেষের দিকে জন্মে থাকে৷ নয় মাসের শেষে যারা জন্মায় তারা মোটামুটি সুস্থ অবস্থায় থাকে৷ তাদের স্বাস্থ্যহানি বড় একটা হয় না৷ তবে গোড়ার দিকে তাদে

  • Read more about সদ্যোজাত শিশুর যত্ন

বাঁশপাতা ও তার ঔষধীয় গুণ

পরিচয় ও প্রজাতি ঃ তৃণ বর্গের সবচেয়ে বৃহৎ প্রজাতি হচ্ছে বাঁশ৷ জাওল বাঁশ, মুঠি বাঁশ, মূলী বাঁশ, তলতা বাঁশ, পলকা বাঁশ–এরা সবাই অতি দীর্ঘকায় তৃণ ছাড়া আর কিছুই নয়৷ সেই সকল বৃহৎ তৃণকে বাঁশ বলি যাদের ফুল–বীজ হোক না হোক, পাশ থেকে কোঁড় বের হয়, ঝুড়ি তৈরী হয় ও অধিকাংশ ক্ষেত্রে ভেতরটা থাকে ফাঁপা৷ সাধারণতঃ যে সকল বাঁশ বেশী দীর্ঘকায় হয় তারা বেশী ফাঁপা৷ যে সকল বাঁশেরা ছোট (এই ধরনের বাঁশ থেকেই লাঠি তৈরী হয়) তারা আকারে অতি ৰৃহৎ হয় না–ওজনে হয় ভারী৷ গাছগুলিও লোহার মত শক্ত৷

  • Read more about বাঁশপাতা ও তার ঔষধীয় গুণ

স্নানবিধি

স্নানকে প্রধানতঃ তিনটি স্তরে ….. ১) ছেদ্য ধারা, ২) অচ্ছেদ্য ধারা, ৩) অবগাহন

  • Read more about স্নানবিধি

তুলসীর গুণাগুণ

ৰাংলার গ্রামে রাধাতুলসী যতটা জনপ্রিয়, বাবুই তুলসী বা কৃষ্ণতুলসী ততটা জনপ্রিয় নয়৷ সব তুলসীর ঔষধীয় গুণ প্রচুর৷ তবে ঔষধীয় গুণে সবার সেরা রাধাতুলসী, তারপর বাবুইতুলসী, তারপরে চন্দন তুলসী, তারপরে কৃষ্ণতুলসী৷ রাধাতুলসী মানুষের বয়স যত কম থাকে তার ওপরে তত বেশী প্রভাব বিস্তার করে৷ যত বয়স ৰাড়ে রাধাতুলসীর ঔষধীয় প্রভাব তার তুলনায় তত কম হয়৷ মানুষের বয়স যত বেশী হবে কৃষ্ণতুলসীর ঔষধীয় গুণের প্রভাব তত বেশী কাজে লাগবে৷ আর বয়স যত কমতে থাকবে ঔষধীয় গুণের প্রভাব তত কমতে থাকবে ঙ্ম দ্রব্যগুণের ভিত্তিতে চিকিৎসার ক্ষেত্রে কোন বিশেষ রোগে যে প্রকার তুলসী বেশী কার্যকরী, তা না পাওয়া গেলে অন্য প্রকার তুলসী ব্যবহার করলে তত

  • Read more about তুলসীর গুণাগুণ

হরিতকীর উপকারিতা

পরিচয় ও প্রজাতি ঃ যে বস্তু রোগ হরণ করে ইত্যর্থে হরি/হরী, আবার শরীরকে তকতকে করে দেয় এই অর্থে তকি/তকী৷ এই ভাবে ‘হরিতকী’ শব্দ পাচ্ছি৷ বানানটি তোমরা চারভাবে লিখতে পার–হরিতকি, হরীতকি, হরিতকী, হরীতকী৷

  • Read more about হরিতকীর উপকারিতা

জীবঃ জীবস্য ভোজনম্‌

ভাবার্থ :- ‘জীবঃ জীবস্য ভোজনম কথাটি সোজা অর্থ জীব জীবের আহার৷ কথাটা সত্য, কিন্তু তার মানে আবার এই নয় যে সমস্ত জীব সমস্ত জীবের আহার৷ মাংসাশী জীব অন্য জীবের মাংস ভক্ষণ করে৷ কিন্তু মানুষ মাংসাশী জীবের মধ্যে পড়ে না৷ মানুষের দাঁত ও পরিপাক যন্ত্রের (যেমন দীর্ঘ ক্ষুদ্রান্ত) সঙ্গে শাকাহারী বা ফলাহারী জীবেরই সাদৃশ্য বেশী৷ গাছ-পাতা, ফল-ফুল, শাক-সব্জীও জীবন্ত জীবকোষের সমাহার৷ তাই বুদ্ধিমান তথা বিবেকবান মানুষের কর্তব্য, অপেক্ষাকৃত উন্নত জীবকে হত্যা না করে অবিকশিত বা অল্পবিকশিত সত্তাকে আহার হিসেবে গ্রহণ করা৷

  • Read more about জীবঃ জীবস্য ভোজনম্‌

ফোঁড়া ও তার নিরাময়

ফোঁড়া কেন হয় ঃ

  • Read more about ফোঁড়া ও তার নিরাময়

শ্বিত্র (শ্বেত কুষ্ঠ বা ধবল)

লক্ষণ ঃ শ্বিত্র রোগটি কুষ্ঠের অন্তর্ভুক্ত হলেও জীবনীশক্তির পক্ষে ততটা ঘাতক নয় ও রসস্রাবী নয় বলে সংক্রামকও নয়৷ সপ্ত ধাতুর বিকৃতির ফলে যে কুষ্ঠ সৃষ্ট হয় তা’ মানুষের শরীর ও মনে অল্প কালের মধ্যেই মারাত্মক প্রভাব বিস্তার করে, কিন্তু এই শ্বেত কুষ্ঠ বা শ্বিত্রে সাধারণতঃ রক্ত, মাংস ও মেদ কেবলমাত্র এই তিনটি ধাতুই বিকৃতিপ্রাপ্ত হয়৷ 

  • Read more about শ্বিত্র (শ্বেত কুষ্ঠ বা ধবল)

শিশুর অপুষ্টিজনিত রোগ কোয়াশিয়রকর

যোগাচার্য

দেখা যায়, এশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার বহু দেশের মত ভারতেরও বেশীর ভাগ মানুষ অপুষ্টিতে ভোগে৷ সবচেয়ে বেশী শিকার শিশুরা৷ আমাদের দেশের জনসংখ্যার একটা বড় অংশ পাঁচ বছর বা তার কম বয়সের শিশু৷ অনেক শিশু পাঁচ বছর পূর্ণ করার আগেই মারা যায়৷ এর বড় কারণ হ’ল অপুষ্টি৷

পুষ্টির ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ও ব্যাপক সমস্যা হচ্ছে শিশুদের ‘প্রোটিন–ক্যালরির অভাবজনিত অপুষ্টি’৷ যাকে বলে ‘প্রোটিন–এনার্জি ম্যালনিউট্রিশন’ বা প্রোটিন ক্যালরির অপুষ্টি৷ এই অপুষ্টির প্রাদুর্ভাব বাঙলাদেশ সহ ভারত, দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়া, আফ্রিকা, দক্ষিণ ও মধ্য আমেরিকায় বেশী৷ কোটি কোটি শিশু এ রোগের শিকার৷ 

  • Read more about শিশুর অপুষ্টিজনিত রোগ কোয়াশিয়রকর
  • Log in to post comments
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য প্রসূনানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য প্রসূনানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved