Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

ভাষা প্রসঙ্গে

ৰ

(১৫) ‘ৰল্‌’ ধাতুর অর্থ ৰেঁচে থাকা, শক্তি সঞ্চয় করা৷ ‘ৰল্‌’ ধাতুর উত্তর ‘ণিনি’ প্রত্যয় করে পাই ‘ৰলী’---ভাবারূঢ়ার্থে ‘যার ৰল আছে’, যোগারূঢ়ার্থে ‘দৈত্যরাজ মহাৰলী’---পৌরাণিক ইতিহাসে যিনি অতিশয় দাতারূপে চিহ্ণিত ৰলা হয়ে থাকে ঃ

‘‘অতিদর্পে* হতা লঙ্কা অতি মানে চ কৌরবাঃ৷

অতি দানে ৰলীর্ৰদ্ধঃ অতি সর্বথা বর্জয়েৎ৷৷’’

অতিরিক্ত অহংকারের জন্যে লঙ্কার পতন হয়েছিল৷ অতিরিক্ত সম্মানৰোধের জন্যে কৌরবেরা ধবংস হয়েছিল৷ অতিরিক্ত দানে দৈত্যরাজ ৰলীকে পাতালে যেতে হয়েছিল৷ অতিরিক্ত সবকিছুকে বর্জন করে চলৰে৷ অতিশয় সবকিছু নিন্দার যোগ্য৷

  • Read more about ৰ

ঔ

ঔপল ঃ উপ-লা+ ড = উপল৷ ইংরেজীতে যাকে ৰলে ‘পেৰ্‌ল্‌’ (pebble) ‘ৰাংলায় ‘নুড়ি’, হিন্দীতে ‘রোড়ে’, উর্দুতে ‘সংরেজে’৷ এই নুড়ি সংক্রান্ত বিষয়কে ৰলৰ ‘ঔপল’৷ যে পার্বত্য পথ নুড়িতে ভর্তি তাকে আমরা অনায়াসে ‘ঔপল পথ’ ৰলতে পারি৷ উপল পথ ‘ঔপল’ শব্দ পাচ্ছি৷ উপল মানে যে কেবল নুড়ি তাই নয়৷ যে কোন ক্ষুদ্রাকৃতি কঠোর বস্তুকেই ‘উপল’ ৰলা চলে৷ এমনকি যে বস্তু আগে কঠোর ছিল না, এখন কঠোর হয়ে গেছে, তাকেও উপল বলা চলে৷ উপলী/উপলি হচ্ছে সংস্কৃত ভাষায় ঘুঁটের একটি নাম৷ পর্যায়বাচক শব্দ হচ্ছে ‘ঘুন্টক’ (যার থেকে ‘ঘুঁটে’ শব্দ এসেছে), কাণ্ডক (যার থেকে উত্তর ভারতে ‘কাণ্ডা’), কুরীষ, ঘোসকী (যার থেকে ৰাংলায় ‘ঘোসি’---ঘুসি নয়৷ ঘুসি মানে ‘ক

  • Read more about ঔ

প

(১৪) বিবাহিত মানুষের জীবনকে একটি অখণ্ডকালাবস্থা ৰলে গণ্য করলে সেই মানুষের এক একটি বিবাহ কালকে এক একটি পক্ষ বলে গণ্য করা হয়৷ যেমন প্রথম পক্ষের স্ত্রী, দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রী, তৃতীয় পক্ষের স্ত্রী৷ কথ্য বাংলায় সাধারণতঃ যে পুরুষ প্রথমবার বিয়ে করে, তাকে ৰলে ৰর বা একৰরে৷ যে দ্বিতীয়বার বিয়ে করে তাকে ৰলে দোজবরে৷ যে তৃতীয়বার বিয়ে করে তাকে ৰলে ‘তেজৰৱে’৷ যে চতুর্থবার বিয়ে করে তাকে বলে ‘চারবরে’৷ তোমরা সেই প্রাচীন কালের বহুবিবাহপ্রথাসম্প কুলীন ঘরের ছড়া জানতো ---

    ‘একৰরে সোয়ামী স্ত্রী পাতে বসে খায়

    দোজৰরে সোয়ামী স্ত্রী সাথে বসে খায়

  • Read more about প

ধ

(১) ‘ধা’ ধাতু অনেকগুলি অর্থে ব্যবহৃত হয়ে থাকে৷ একটি হ’ল অধিকারে পাওয়া to own, to possess) দ্বিতীয় হ’ল ব্যবস্থা দেওয়া, তৃতীয় হ’ল দেখাশোনা করা বা তত্ত্বাবধান করা, চতুর্থ হ’ল প্রতিপালন করাto nourish)৷

  • Read more about ধ

ড

 ঋগ্বেদীয় ভাষায় ‘ডপ’ একটি প্রাচীন ধাতু৷ সংস্কৃতে এর মানে জড়ো করা, জমিয়ে রাখা, স্তূপাকার করা প্রভৃতি৷ যে বিরাট পুরুষের মধ্যে গুণ-সমাবেশ দেখে মানুষ অবাক বিস্ময়ে বিস্ফারিত নেত্রে তাকিয়ে থাকত---ৰলত, এঁর গুণের শেষ নেই, এঁর এত গুণ যে এঁকে গুণাতীত ৰলাই সঙ্গত, ত্রিভুবনের সব গুণের এই একের মধ্যে সমাবেশ ও সমাহার ঘটেছে---তাই এই বিরাট পুরুষের জন্যে ‘ডপ্‌’ ধাতু +‘ড’ প্রত্যয় করে যে ‘ড’ শব্দ পাচ্ছি তার মানে শিব৷ কবি পদ্মদন্ত’ ৰলছেন---

‘‘অসিতগিরিসমং স্যাৎ কজ্জলং সিন্ধুপাত্রে৷

সুরতরুৰরশাখা লেখনীপত্রমুর্ৰী৷৷

লিখতি যদি গৃহীত্বা সারদা সর্বকালম্‌৷

  • Read more about ড

গ

গণ : ‘গণ’ ধাতুর অর্থ হ’ল ‘গোণা’ to count)৷ ‘গণ’+ ‘অচ প্রত্যয় করে ‘গণ’ শব্দ আসছে৷ ভাবারূঢ়ার্থে ‘গণ’ হচ্ছে বহুবচনের রূপ৷ শব্দের শেষে ‘গণ’ সংযুক্ত থাকলে শব্দটি বহুবচন হয়ে যায়৷ কিন্তু তা গণ্য হয় একবচন রূপে ও রূপও থাকে একবচনের৷ যেমন ‘নর’ শব্দের বহুবচন হচ্ছে ‘নরাঃ’, মানে মানুষেরা৷

  • Read more about গ

খ

 খড়িকা ঃ ভাবারূঢ়ার্থে ‘যে ভেঙ্গে ভেঙ্গে চলে’, যোগারূঢ়ার্থে ‘খড়ি’ (চক)৷ ‘খড়কে কাঠি’ অর্থেও ‘খড়িকা’ ব্যবহৃত হয়৷ ভোজনান্তে প্রাচীনকালে লোকে খড়কে-কাঠির সাহায্যে দাঁত পরিষ্কার করত এখনও কেউ কেউ করে৷

‘‘মনে পড়ে ভাল-মন্দ খাওয়ার মাঝে মাঝে

  • Read more about খ

ণ

‘ণিশ্‌’ ধাতুর অর্থ দীর্ঘকাল ধরে ধ্যান করা বা তপস্যা করা৷ ‘ণিশ্‌’ ধাতু+ ‘ক্কিপ্‌’+‘স্ত্রিয়াম্‌ আপ’ করে ‘নিশা’ শব্দ পাই৷ এর অর্থ হ’ল, যে নারী দীর্ঘকাল ধরে তপস্যারতা বা ধ্যানমগ্ণা৷ দিনের কলকোলাহলের পরে আসে রাত্রির প্রশান্তি৷ মনে হয় যেন রাত্রি হচ্ছে ধ্যানমগ্ণা তপস্বিনী৷ তাই রাত্রির কাব্যিক নাম দেওয়া হয়েছিল ‘নিশা’৷ ‘ণিশা’ ৰানানটিও সেই গুপ্তযুগ থেকে ‘ন’ দিয়ে লিখিত হয়ে আসছে৷ নিশাচর, নিশাকর, নিশানাথ প্রভৃতি শব্দগুলির সঙ্গে তোমরা ভালভাবেই পরিচিত৷ এই ‘ণিশ্‌’ ধাতু+ ‘ড’ প্রত্যয় করে ‘ণ’ শব্দ পাচ্ছি৷ তার মানে হচ্ছে দীর্ঘকালের তাপস৷ প্রসঙ্গতঃ ৰলে রাখি ‘নিশি’ শব্দটি বৈয়াকরণিক বিচারে ভুল৷ সংস্কৃতে কোথাও কোথ

  • Read more about ণ

ভ

ভূমিষ্ঠ ঃ যে এ যাবৎ মাতৃগর্ভে ছিল, এইমাত্র ধরিত্রী মাতার আশ্রয়ে এল, আমরা ৰলৰ সে ভূমিষ্ঠ হ’ল৷ ৰলা হয়ে থাকে মানুষ দশ মাস দশ দিন মাতৃগর্ভে বৃদ্ধি পায় ও বৃদ্ধির চরম পর্যায়ে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে ভূমিষ্ঠ হয়৷ ভূমিষ্ঠ হবার পর ভূমিগর্ভে বা পৃথিবীতে ৩৯ বছর বয়স পর্যন্ত বদর্িত হতে থাকে৷ এইভাবে যতদিন সে বদর্িত হতে থাকে ততদিন তার অবয়বকে ‘তনু’ ৰলা হয়৷ ‘তনু’ শব্দটি ‘তন ধাতু থেকে এসেছে যার মানে স্বভাবগতভাবে যে ৰেড়ে চলে৷ ঊনচল্লিশ বছর বয়সের পর থেকে শরীর ক্রমশঃ ক্ষয়প্রাপ্ত হতে থাকে৷ মানুষ ও অন্যান্য স

  • Read more about ভ

বাংলা বানান সংস্কার

ছাত্রী নয়, ছাত্রা

‘ছদ্’ ধাতুর অর্থ আচ্ছাদন দেওয়া৷ যে বস্তু আচ্ছাদন দেয় তা–ই ‘ছত্র’৷ গুরুর ছত্রছায়ায় যে আশ্রিত তাকে ছত্র  অণ করে ‘ছাত্র’ বলা হয়৷ ‘ছাত্র’ শব্দের স্ত্রীলিঙ্গে দু’টি রূপ রয়েছে–‘ছাত্রী’ ও ‘ছাত্রা’৷ ‘ছাত্রী’ মানে ‘ছাত্রের পত্নী’৷ তিনি নিজে পড়ুয়া হতেও পারেন, নাও হতে পারেন৷ ‘ছাত্রা’ মানে যিনি নিজে পড়ুয়া কিন্তু তিনি কারও স্ত্রী হতেও পারেন, নাও পারেন৷

সঠিক নয়, ঠিক

ঠিক একটি বিশেষণ৷ সাধারণ নিয়মে বিশেষণের আগে ‘স’–এর সংযুক্তি হয় না৷ যেমন ‘সচকিত’ ভূল তেমনি ‘সঠিক’–ও ভুল৷ ‘ঠিক’ বলাই ঠিক৷

  • Read more about বাংলা বানান সংস্কার
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved