Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

সম্পাদকীয়

গণতন্ত্রের উৎসব---আতঙ্কের প্রহর

আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

গণতন্ত্রের মহোৎসব শেষ হলো পশ্চিমবঙ্গে৷ শাসক পরিবর্তন হলো৷ কিন্তু ভারতীয় গণতন্ত্র যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয় অনেকগুলো প্রশ্ণ তুলে দিয়ে গেল৷ ভারতীয় যুক্তরাষ্ট্র নানা ভাষা-ভাষী ও ধর্মমতের দেশ৷ বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর পোষাকে, চাল-চলনে, আহার বিহারেও রয়েছে বৈচিত্র্য৷ এই বৈচিত্র্যের মধ্যেই রয়েছে ঐক্যের দিশা৷ কিন্তু ভারতবর্ষের শাসকগণ সেদিকে নজর না দিয়ে ক্ষমতার পেছনেই ছুটে চলে৷ বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকার সারাদেশে ডবল ইঞ্জিন সরকার ঘটনে নানা কৌশল খুঁজতে ব্যস্ত৷ দেশজুড়ে একদলীয় সরকার কায়েম করতে চায়৷ যা গণতন্ত্রের পক্ষে মঙ্গল নয়৷

  • Read more about গণতন্ত্রের উৎসব---আতঙ্কের প্রহর
  • Log in to post comments

প্রাউটের নব্যমানবতাবাদই শেষ আশ্রয়

আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

সব দেশেই একসময় পেশী শক্তি বা অস্ত্র শক্তিতে বলীয়ানরা রাজত্ব চালিয়েছিল৷ তারা ক্ষত্রিয় শ্রেণী নামে পরিচিত৷ তাদের ইচ্ছার ওপর নির্ভর করত অন্যদের বিষয় সম্পত্তি ও জীবন৷ সর্দারদের যুগ থেকেই রাজতন্ত্র সেই ক্ষত্রিয় যুগেরই নমুনা৷ রাজতন্ত্রের পরবর্তী অধ্যায়ে রাজারা রাজসিংহাসনে আসীন ছিলেন বটে, বুকের রক্ত দিয়ে দেশ রক্ষা বা দেশ জয়ও করতেন, কিন্তু তাঁরা চলতেন তীক্ষ্ন বুদ্ধিসম্পন্ন বিপ্রের (ৰুদ্ধি যাদের বল) অঙ্গুলীহেলনে৷ চাণক্যের মত বিপ্রের পদতলেই ছিল এই ক্ষত্রিয়ের স্থান৷ সেটা ছিল বিপ্রযুগ৷ বুদ্ধিজীবী বিপ্রের তৈরী শাস্ত্রে ক্ষত্রিয়কে বিপ্রদাস বলা হয়েছে৷ সে সময় ক্ষত্রিয়রা তা মানতও৷ এরপর আসে বৈশ্য যুগ৷ শাসনতা

  • Read more about প্রাউটের নব্যমানবতাবাদই শেষ আশ্রয়
  • Log in to post comments

বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র আমরা!

আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

প্রায় এককোটি মানুষের বোটাধিকার হরণ করে গণতন্ত্রের উৎসব শেষ হল পশ্চিমবঙ্গে৷ উৎসবই বটে! একই পরিবারে বাবা ভোট দেয় তো ছেলের বিষন্ন মুখ৷ বিপরীত চিত্রও আছে৷ স্বাধীনতার ৭৮বছর ধরে একাধিক সরকার নির্বাচিত করে আজ তার সামনে ডিটেনশন ক্যাম্পের নির্জন অন্ধকার জীবনের হাতছানি৷ যে জাতি স্বাধীনতার বেদীতে সব থেকে বেশী বলিদান দিয়েছে, তথাকথিত স্বাধীনতা ও দেশ ভাগের ৭৮বছর পরেও রাষ্ট্রহীন হবার দুঃস্বপ্ণ থেকে সে বেরিয়ে আসতে পারল না৷ 

  • Read more about বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র আমরা!
  • Log in to post comments

অগ্ণিযুগের ঘুমন্ত আগ্ণেয়গিরি জেগে ওঠার অপেক্ষায়

আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

‘‘একদিকে বিদেশীরা বাঙলাদেশকে অধিকার করেছে৷ অন্যদিকে ব্যবসা-বাণিজ্য করায়ত্ত করে অবাঙালী ব্যবসায়ীরা বাঙলার বৈষয়িক সম্পদ গ্রাস করেছে৷ বড়ো বড়ো বাঙালী ব্যবসায়ী পরিবার চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের কৃপায় জমিদার হয়ে জড় বিলাসীতে রূপান্তরিত হয়েছে৷ আর মধ্যবিত্ত বাঙালী হয়ে দাঁড়িয়েছে কৃতদাস--- দেশী বিদেশী ব্যবসায়ীদের৷’’

  • Read more about অগ্ণিযুগের ঘুমন্ত আগ্ণেয়গিরি জেগে ওঠার অপেক্ষায়
  • Log in to post comments

দানবীয় স্বৈরাচার রুখতে চাই সামাজিক অর্থনৈতিক আন্দোলন

আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

পশ্চিমবঙ্গ দখলে উন্মত্ত কেন্দ্রীয় শাসকদল দানবীয় স্বৈরাচারের পথ ধরেছে৷ গণতন্ত্রের বেদীতে এই দানবীয় স্বৈরাচারের শুরু ২০১৪ সালের মার্চ মাসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হিসাবে জ্ঞানেশ কুমারের নিয়োগ৷ তারও আগে কমিশনার নিয়োগের আইন পরিবর্তন করে কমিশনার নিয়োগের অধিকার প্রধানমন্ত্রী নিজের হাতে তুলে নেয়৷ নিরপেক্ষ প্রশাসন গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার অন্যতম স্তম্ভ৷ কিন্তু মোদি সরকার শাসন ব্যবস্থায় দলীয় প্রভাব বিস্তার করতে একের পর এক আইন পরিবর্তন করছে৷ মোদি সরকার ভুলে যাচ্ছে দানবীয় স্বৈরাচারের শেষ পরিণতি খুবই ভয়ঙ্কর৷ বাঙলা দখল করতে এসে এস.আই.আরের নামে প্রায় এক কোটি বাঙালীকে বাতিল করেছে৷ পুরো প্রশাসনকে বদলে দিয়

  • Read more about দানবীয় স্বৈরাচার রুখতে চাই সামাজিক অর্থনৈতিক আন্দোলন
  • Log in to post comments

ভারতীয় সংবিধানের ছিদ্রপথে স্বৈরাচারের প্রবেশ

আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

রাষ্ট্র একটি সংস্থা যেখানে নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে বসবাসকারী জনগোষ্ঠীর সার্বিক বিকাশের জন্যে শাসন পরিচালনা করা হয়৷ এই সংস্থাই দেশের সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী৷ এই শাসন ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ রাষ্ট্রের নাগরিকদের কাছে অনেক সময় আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়ায়৷ রাষ্ট্রের নাগরিকরা তখন রাষ্ট্রশক্তির নিয়ামকদের হাতে শোষন অত্যাচার নিপীড়ণের শিকার হয়৷ তাই শোষন অত্যাচার নিপীড়ণের হাত থেকে রাষ্ট্রের নাগরিকগণকে রক্ষা করতে এই ক্ষমতাকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্যে রাষ্ট্রের পরিচালকদের আচরণ বিধি, আইন ও আদর্শের প্রয়োজন৷ যে পুস্তকে রাষ্ট্রের আচরণ বিধি, আইন ও আদর্শের কথা লেখা আছে তাহাই রাষ্ট্রের সংবিধান৷

  • Read more about ভারতীয় সংবিধানের ছিদ্রপথে স্বৈরাচারের প্রবেশ
  • Log in to post comments

কুটিল রাজনীতির খড়্গ বাঙলার মাথার উপর

আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

গণতন্ত্রের বেদিতে স্বৈরাচারী দানবীয় শক্তির দাপট৷ এ রাজনীতি বাঙলার নয়৷ বাঙালী এ রাজনীতির বলি, বাঙালী এ রাজনীতির শিকার৷ এ রাজনীতির উত্থান পশ্চিম ভারত থেকে আরো স্পষ্ট করে বললে গুজরাট থেকে৷ এ রাজনীতির প্রথম বলি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু৷ কসাইয়ের ভূমিকায় ছিলেন অহিংসার পূজারী মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী৷ ১৯৩৯ সাল, জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচন৷ দ্বিতীয়বারের জন্য সভাপতি হতে প্রস্তুত সুভাষচন্দ্র বসু৷ কিন্তু গান্ধী নারাজ! কারণ দেশীয় পুঁজিপতিদের পছন্দ নয় সুভাষচন্দ্র বসু৷ তার কি কারণ!

  • Read more about কুটিল রাজনীতির খড়্গ বাঙলার মাথার উপর
  • Log in to post comments

ধনকুবেরদের কাছে দেশ বিকিয়ে যাচ্ছে

আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

সব দেশেই একসময় পেশী শক্তি বা অস্ত্র শক্তিতে বলীয়ানরা রাজত্ব চালিয়েছিল৷ তারা ক্ষত্রিয় শ্রেণী নামে পরিচিত৷ তাদের ইচ্ছার ওপর নির্ভর করত অন্যদের বিষয় সম্পত্তি ও জীবন৷ সর্দারদের যুগ থেকেই রাজতন্ত্র সেই ক্ষত্রিয় যুগেরই নমুনা৷ রাজতন্ত্রের পরবর্তী অধ্যায়ে রাজারা রাজসিংহাসনে আসীন ছিলেন বটে, বুকের রক্ত দিয়ে দেশ রক্ষা বা দেশ জয়ও করতেন, কিন্তু তাঁরা চলতেন তীক্ষ্ন বুদ্ধিসম্পন্ন বিপ্রের (ৰুদ্ধি যাদের বল) অঙ্গুলীহেলনে৷ চাণক্যের মত বিপ্রের পদতলেই ছিল এই ক্ষত্রিয়ের স্থান৷ সেটা ছিল বিপ্রযুগ৷ বুদ্ধিজীবী বিপ্রের তৈরী শাস্ত্রে ক্ষত্রিয়কে বিপ্রদাস বলা হয়েছে৷ সে সময় ক্ষত্রিয়রা তা মানতও৷ এরপর আসে বৈশ্য যুগ৷ শাসনতা

  • Read more about ধনকুবেরদের কাছে দেশ বিকিয়ে যাচ্ছে
  • Log in to post comments

গণতন্ত্রের বেদীতে খেলা হোক রক্তপাতহীন

আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

এই কলঙ্কিত অধ্যায়ের খলনায়ক অবশ্যই নির্বাচন কমিশনার৷ বহুদলীয় গণতন্ত্রে রাজনীতির খেলায় কোন আপত্তি থাকে না৷ তবে তার রক্তপাতহীন হওয়া উচিত৷ কিন্তু সেটাই তো হয় না৷ রাজনীতির এই খেলায় খেলে রাজনৈতিক দলগুলি৷ নির্বাচন কমিশনারের ভূমিকা রেফারীর৷ যা নিরপেক্ষ থাকার কথা৷ কিন্তু এবার রাজনীতির এই খেলায় রেফারীর ভূমিকা নিয়েই প্রশ্ণ উঠে গেছে৷ তার নিরপেক্ষতা&nbs

  • Read more about গণতন্ত্রের বেদীতে খেলা হোক রক্তপাতহীন
  • Log in to post comments

রাজ্যপাল---গণতন্ত্রের কীলক?

আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

গণতন্ত্র সম্বন্ধে বহুল প্রচলিত কথা হচ্ছে--- জনগণের দ্বারা, জনগণের জন্যে, জনগণের সরকার৷ এ নিয়ে কোন বিতর্ক চলে না যে এযাবৎ প্রচলিত রাষ্ট্রপরিচালনার যত পদ্ধতি আছে তার মধ্যে গণতন্ত্র ভালো৷ সোজা কথায় বলা যায়--- গণতন্ত্র মন্দের ভালো৷ কারণ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জনগণের উপর কিছুটা নির্ভর করতেই হয়---বিশেষ করে সেইসব রাষ্ট্রে যেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বিষয়ে খুবই সচেতন৷ জনগণ যদি এইসব বিষয়ে সচেতন না থাকে তবে তারা ধূর্ত চতুর রাজনীতির শিকার হয়ে ভুল পথে চালিত হয়৷ সাম্প্রতিককালে বাঙলাদেশ তার উদাহরণ৷ তবে শেষ পর্যন্ত স্বৈরাচারের পতন একদিন না একদিন হয়ই৷ সে গণতন্ত্র হোক, রাজতন্ত্র

  • Read more about রাজ্যপাল---গণতন্ত্রের কীলক?
  • Log in to post comments
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved