Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

সংবাদ দর্পণ

মোতায়েন ‘গুপ্তচর-রোবট’! বড় অপারেশনের ছক কষছে চিন

নিজস্ব সংবাদদাতা
Sat, 21-02-2026

ঠিক যেন রক্ত-মাংসের মানুষ৷ কথাবার্তা ও হাঁটাচলা এতটাই সাবলীল যে, সাধারণ নাগরিকের সঙ্গে এর পার্থক্য বোঝার জো নেই! এ-হেন অত্যাধুনিক যন্ত্রমানবের সাহায্যে এ বার ভারতীয় সেনার গতিবিধির উপর নজরদারি চালাচ্ছে চিন? মনুষ্যরূপী রোবটগুলিকে ‘প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা’ বা এলএসিতে (লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্েন্টাল) মোতায়েন করেছে বেজিং? সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিয়োকে ঘিরে তুঙ্গে উঠেছে জল্পনা৷

চলতি বছরের ২ ডিসেম্বর এক্স হ্যান্ডলে (সাবেক টুইটার) ভারত-চিন সীমান্তের একটি ভিডিয়ো শেয়ার করেন জুনশিগুয়ানচা নামের এক নেটাগরিক৷ এর কিছু ক্ষণের মধ্যেই ৩৩ সেকেন্ডের ক্লিপটি ভাইরাল হয়ে যায়৷ পোস্টে জুনশিগুয়ানচা লেখেন, ‘‘নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে এই ভিডিয়ো পেয়েছি৷ এলএসিতে নজরদারি ডিভাইসের সাহায্যে আমাদের বাহিনীর উপর গুপ্তচরবৃত্তি করছে চিন৷’’ এর পরই সংশ্লিষ্ট ইস্যুতে বিভিন্ন রকমের মতামত ব্যক্ত করতে থাকেন সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারীরা৷

এক্স হ্যান্ডল থেকে ভাইরাল হওয়া ৩৩ সেকেন্ডের ক্লিপে সাদা পোশাক পরিহিত অবস্থায় একটি যন্ত্রমানবকে দুর্গম পাহাড়ি ভূখণ্ডে স্থির ভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গিয়েছে৷ ভিডিয়োয় কাউকে হিন্দিতে কথা বলতে শোনা গিয়েছে৷ তবে সেটা মনুষ্যরূপী রোবটের কণ্ঠস্বর কি না, তা অবশ্য স্পষ্ট নয়৷ ভিডিয়োটি প্রায় ৩,৪৮৮ কিলোমিটার লম্বা এলএসির কোথায় এবং কবে তোলা হয়েছে, তা-ও জানা যায়নি৷ এর সত্যতাও যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম৷

নেটাগরিকদের একাংশ অবশ্য কথিত চিনা গুপ্তচর রোবটকে বিজ্ঞানভিত্তিক ছায়াছবির অংশ বলে উল্লেখ করেছেন৷ কারও আবার সম্পূর্ণ ভিন্ন মত রয়েছে৷ তাঁদের দাবি, অরুণাচল প্রদেশ বা লাদাখের কাছে নিয়মিত টহলের সময় ভারতীয় সৈনিকদের নজরে পড়ে বেজিঙের ওই যন্ত্রমানব৷ তবে অধিকাংশ সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারী একে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স) নির্ভর ভিডিয়ো বলে দাবি করেছেন৷

তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, এ বছরের নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে যন্ত্রমানব নির্মাণে অভূতপূর্ণ সাফল্যের কথা জানিয়ে চিনা রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ পেতেই দুনিয়া জুড়ে শুরু হয় হইচই৷ ওই ঘটনার মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যেই এলএসিতে কথিত মনুষ্যরূপী গুপ্তচর রোবটের ভিডিয়ো সামনে আসায় বিষয়টিকে একেবারেই হালকা ভাবে নিচ্ছেন না এ দেশের সাবেক সেনাকর্তারাও৷ তাঁদের দাবি, ‘প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা’য় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাব্যবস্থা গড়ে তুলতে দিল্লির আরও বেশি সতর্ক হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে৷

ড্রাগনের সরকারি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৬ নভেম্বর যন্ত্রমানবের সফল পরীক্ষা চালায় সাংহাইয়ের সংস্থা ‘অ্যাজিবট’৷ তাদের তৈরি মনুষ্যরূপী রোবটটি চিনের জিয়াংসু প্রদেশের সুঝোর জিনজি হ্রদ থেকে সাংহাইয়ের বুন্ড পর্যন্ত ১০৬ কিলোমিটার বিরামহীন ভাবে ট্রেক করতে পেরেছে বলে জানা গিয়েছে৷ শুধু তা-ই নয়, একটানা লম্বা রাস্তা পাড়ি দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট দ্বিপদ যন্ত্রটির নামও উঠে গিয়েছে গিনেস ওয়ার্ল রেকর্ডে৷

 

 

৮৫০০০ ভিসা বাতিল করল ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন

পি.এন.এ.
Sat, 21-02-2026

৮৫ হাজার ভিসা বাতিল করেছে আমেরিকা! জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রায় এক বছরে ভিসা বাতিলের সংখ্যা জানিয়েছে আমেরিকার বিদেশ দফতর৷ তার জন্য কৃতিত্ব দেওয়া হয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনান্ড ট্রাম্পের কঠোর অভিবাসন নীতিকে৷ একই সঙ্গে জাতীয় নিরাপত্তা স্বার্থে ভিসার অনুমোদনের ক্ষেত্রে যাচাই-বাছাইয়ের প্রসঙ্গও উল্লেখ করা হয়েছে৷

গত মঙ্গলবার এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে ৮৫ হাজার ভিসা বাতিলের কথা জানিয়েছে মার্কিন বিদেশ দফতর৷ সেই সঙ্গে একটি বার্তাও দিয়েছে তারা৷ ওই পোস্টের সঙ্গে ট্রাম্পের একটি ছবিও দেওয়া হয়৷ তাতে লেখা, ‘আমেরিকাকে আবার নিরাপদ করে তুলুন!’

আমেরিকার বিদেশ দফতরের এক আধিকারিককে উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, বাতিল হওয়া ভিসার মধ্যে আট হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী রয়েছেন৷ গত বছর যত সংখ্যক পড়ুয়াদের ভিসা বাতিল করেছে আমেরিকা, এই সংখ্যা তার দ্বিগুণ৷ কেন ভিসা বাতিল করা হল? ওই আধিকারিক জানিয়েছেন, সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ভিসা বাতিল হয়েছে অপরাধমূলক কাজের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে৷ চুরি-ছিনতাইয়ের মতো ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে অনেকের ভিসা বাতিল করেছে মার্কিন প্রশাসন৷

শুধু তা-ই নয়, কোনও কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যাম্পাসে গাজা নিয়ে বিক্ষোভের কারণেও বহু বিদেশি পড়ুয়াকে তাঁদের দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে৷ ইহুদি বিদ্বেষ বা চরমপন্থী গোষ্ঠীর সমর্থনের অভিযোগেও অনেক বিদেশি পড়ুয়ার ভিসা বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওই আধিকারিক৷

মার্কিন প্রশাসন ইতিমধ্যেই বিশ্বের ১৯টি দেশের নাগরিকের ভিসা অনুমোদন বন্ধ করেছে৷ সেই তালিকা আরও বাড়তে পারে৷ আমেরিকার স্বরাষ্ট্র দফতরের সেক্রেটারি ক্রিস্টি নোয়েম জানিয়েছেন, ৩০ থেকে ৩২ দেশের ক্ষেত্রে একই নিয়ম প্রযোজ্য হতে পারে৷ আমেরিকায় বৈধ ভিসাধারীরাও রয়েছে প্রশাসনের আতশকাচের নীচে৷ সেই সংখ্যাটা নেহাত কম নয়৷ প্রায় পাঁচ কোটি ৫০ লক্ষ বিদেশি নাগরিকের উপর নজর রাখা হয়েছে৷ চলছে যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়াও৷ ফলে ভিসা বাতিলের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছে আমেরিকার বিদেশ দফতর৷

 

 

ইন্ডিয়ান বুক রেকর্ডসে জায়গা করে নিলেন বাঁকুড়ার দুই কন্যা

পি.এন.এ.
Sat, 21-02-2026

বিশ্বের সর্র্বেচ্চ মোটরবাইক চলাচলের উপযোগী বলে পরিচিত গিরিপথ উমলিঙ লা৷ তা জয় করে ইন্ডিয়ান বুক রেকর্ডসে জায়গা করে নিলেন বাঁকুড়ার দুই কন্যা৷ বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের চিকিৎসক সুনীতা বাগদী এবং বাঁকুড়া মিশন গার্লস হাই স্কুলের শিক্ষিকা মুন্না পাল অন্য দুই সহযাত্রীর সঙ্গে এই গিরিপথ দখল করেন গত ১৬ অক্টোবর৷

চলতি বছরের ৩ অক্টোবর বাঁকুড়া এক্সপ্লোরেশন নেচার একাডেমির সদস্য তথা বাঁকুড়া শহরের বাসিন্দা সুনীতা ও মুন্না অন্য দুই সহযাত্রী শেখ আলিমুদ্দিন (ব্যবসায়ী) ও সুকান্ত পাল(শিক্ষক)কে সঙ্গে নিয়ে আলাদা আলাদা করে বাইকে রওনা দেন উমলিঙ লা গিরিপথের উদ্দেশে৷ শ্রীনগর, কার্গিল ও লে হয়ে গত ১৬ অক্টোবর প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যে বাইক চালিয়ে চার জনে পৌঁছে যান লাদাখের ১৯ হাজার ২৪ ফুট উচ্চতায় থাকা পৃথিবীর সর্র্বেচ্চ মোটরবাইক চলাচলের উপযুক্ত গিরিপথে৷ পথে সিয়াচেনের বেস ক্যাম্পও ছুঁয়ে যান তাঁরা৷ ১৪ দিনের দীর্ঘ বাইক যাত্রা শেষে গত ২৫ অক্টোবর ওই চার অভিযাত্রী সুস্থ শরীরে ফিরে আসেন বাঁকুড়ায়৷ যুগ্ম ভাবে প্রথম বাঙালি মহিলা অভিযাত্রী দু’চাকায় এই সাফল্য অর্জন করেছে জানতে পেরে এলাকার বাসিন্দারা খুশি হন৷ বাঁকুড়ার ওই দুই মহিলাকে এই সাফল্যের জন্য স্বীকৃতি দিল ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস৷ অতি সম্প্রতি তাঁদের কাছে এসে পৌঁছোয় স্বীকৃতিপত্র৷ এতে উচ্ছসিত দুই মহিলা ও তাঁদের পরিবার৷

সুনীতা বলেন, ‘‘এর আগে ২০১৯ সালে পাহাড়ে ট্রেকিং করেছি৷ কিন্তু অনেকদিনের ইচ্ছা ছিল বাইক চালিয়ে লাদাখে যাব৷ সেই সুযোগ আসতেই বাইক কিনে অভিযানে বেরিয়ে পড়ি৷ অভিযানের শুরুতে একটু ভয় করছিল৷ পরবর্তীকালে ভয়ের থেকে ইচ্ছা অনেক বেশি গুরুত্ব পেয়েছিল৷ দলের অন্যেরা প্রতি মূহুর্তে সাহস জুগিয়ে গিয়েছিলেন৷ শেষ পর্যন্ত আমাদের অভিযান সফল হয়েছে৷ কোনও দিন ভাবিনি এই কাজের জন্য ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস স্বীকৃতি দেবে৷ সেই স্বীকৃতির আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন৷ সুযোগ পেলে ভবিষ্যতেও আবার এই ধরনের অভিযানে বেরিয়ে পড়ব৷’’

 

 

ফের জোরালো ভূমিকম্প জাপানে

পি.এন.এ.
Sat, 21-02-2026

এর ধাক্কায় দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের উপকূলে জারি করা হল সুনামি সতর্কতা৷ জাপানের আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, গত সোমবার উত্তরাঞ্চলের উপকূল এলাকা ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে৷ রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৭.২৷ উপকূলবর্তী শহর আওমোরির কাছে হোক্কাইডো উপকূলে ভূমিকম্প আঘাত হানে৷ সোমবার স্থানীয় সময় রাত এগারোটা (ভারতীয় সময় ৭.৪৫) নাগাদ কম্পন অনুভূত হয়৷ কম্পনের কেন্দ্র ছিল সমুদ্রপৃষ্ঠের ৫০ কিমি নীচে৷ এর পরিপ্রেক্ষিতে সংলগ্ণ উপকূলগুলিতে ১০ ফুট পর্যন্ত সুনামি আছড়ে পড়ার সতর্কতা জারি হয়েছে৷ এই অঞ্চলের পরমাণু বিদ্যুৎ প্রকল্পগুলির সুরক্ষা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখার কাজ শুরু করেছে প্রশাসন৷

 

 

বাঙালী জনগোষ্ঠীর প্রতি প্রধানমন্ত্রী মোদিজীর যে নিষ্ঠুর আচরণ

প্রভাত খাঁ

প্রতিটি মানুষকে এই পরিবর্তন জগতে বাধ্য হতে হবে পরিবর্ত্তন মেনে নিতে৷ তাই অতীতের যে অবস্থা এই পৃথিবীতে ছিল আজ আর তার চিহ্ণ দেখা যাবে না৷ মানুষের সামাজিক পরিবেশ পরিস্থিতি আজ দ্রুত তালে এগিয়ে চলেছে৷ তাই আজকের যে সংবিধান ভারত যুক্তরাষ্ট্রের সেটিতে সেই পরিবর্ত্তনশীলতাকে মান্যতা দিয়ে সংবিধানের নির্দেশনা মূলক প্রধান বিষয় হলো যেকোন ব্যষ্টি এই দেশের শাসনে আসবেন তাঁকে অবশ্যই ধর্ম নিরপেক্ষ নীতিকে মান্যতা দিয়ে জাত,পাত, ধর্মমত, নির্বিশেষে মানুষ হিসাবে সকলকে সেই জনসেবা দিয়ে যেতে হবে মানবতাবাদী হয়ে৷ তবে নিজের ধর্মমত ব্যাষ্টিজীবনে পালনে কোন বাধা নেই৷ এর কারণটা কি? সেটা বুঝে নিতে হবে প্রকৃত মানবতাবাদী হিসাবেই৷ তবেই তিনি সুষ্ঠু শাসক হতে পারবেন৷ ভারতযুক্তরাষ্ট্র-এর সংবিধানটি গড়ে তোলেন বিশেষ কোন রাজনৈতিক দল নয় এটি ভারতযুক্ত রাষ্ট্রের ২৪৮ জন জ্ঞানী ও গুণী মহিলা ও পুরুষ সমবেতভাবে সারা পৃথিবীর সংবিধানকে নিয়ে একেবারে নিরপেক্ষ আলাপ আলোচনা করে ভারতের নানা ভাষাভাসী ও নানা ধর্মমতের মানুষের কথা গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করেই৷ সেই সংবিধানকে সেই কংগ্রেস সরকার লোকসভায় সর্বসম্মতি ক্রমে স্বীকৃতি দান করেন৷ তাতে স্বাক্ষর দেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি মাননীয় রাজেন্দ্রপ্রসাদ মহাশয়৷ ১৯৫০ সালের ২৬শে জানুয়ারী৷ ভারতযুক্ত রাষ্ট্র হয় সেই দিন থেকে পরে এটিতে সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসাবে ঘোষনা করা হয় প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর শাসনে৷ যেটিকে বর্তমান হিন্দুত্ববাদী এন.ডি.এ সরকার মানতে চাননা৷ এই মহান ভারত যুক্তরাষ্ট্রে সেই রামমন্দিরে দাঁড়িয়ে মোদিজী ইংরেজ আমলের মেকলেন শিক্ষানীতিকে কঠোর সমালোচনা করেন৷ তিনি তাঁর মতামত দান করেন৷ কিন্তু সেটি ছিল বিদেশী ইংরেজ সরকার যাঁদের ভাষা ছিল ইংরাজী৷ তাই ইংরাজী শিক্ষার নির্দেশ দান করেন৷

শুধু তাই নয় সারা পৃথিবীতে ইংরেজ তার রাজত্ব বিস্তার করে রেখেছিল৷ তাই বলা হত ইংরেজ রাজত্বে সূর্য অস্ত যায় না৷ যাই হোক শিক্ষা নীতিতে ত্রি-ভাষা সূত্র আরোপ করা হয়--- মাতৃভাষা, সংস্কৃত ও ইংরেজী৷ তাই চলে আসে দেশ স্বাধীন হওয়ার আগে পর্যন্ত৷ দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ভাষা শিক্ষানীতির কিছুটা পরিবর্তন হয়৷ কিন্তু ইংরেজ বাংলা ভাষাকে বিশেষ গুরুত্ব দিত৷ এমন কি প্রশাসনের সঙ্গে যারা যুক্ত ছিল তাঁরাও বাংলা শিখে প্রশাসন চালাত৷ সেই সময় বিশ্বের কাছে ভারতের শিক্ষিত সমাজ বলতে বাঙালীকেই চিনতো৷ বাঙালী জনগোষ্ঠীর মধ্যে জাতপাতের বিভেদ অনেক কম ছিল৷ বাঙালী জনগোষ্ঠী উদার মানসিকতায় পুষ্ট৷ তাই আজও এই বাঙলায় সব প্রদেশের সব সম্প্রদায়ের মানুষ নিরাপদে বাস করেন৷ এই বাঙলার বীর সন্তান রামমোহন রায় হিন্দু ধর্মমতের নিষ্ঠুর নির্মম সতীদাহ প্রথা আন্দোলন করে বন্ধ করতে বাধ্য করান তৎকালীন ভারতের ইংরেজ শাসন কর্তা লর্ড বেন্টিঙ্ককে দিয়ে৷ বাংলা ভাষার প্রাণপুরুষ দয়ার সাগর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বিধবা-বিবাহ প্রথা চালু করে অকাল বৈধ্যব্যের দুঃখ-দুর্দশার হাত থেকে হিন্দু বিধবাদের রক্ষা করেন৷ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর রচনায় বাংলা ভাষাকে বিশ্বদরবারে শ্রেষ্ঠত্বের আসনে বসান৷ এক কথায় শিল্প, সাহিত্য, বিজ্ঞানে, অর্থনীতিতে, রাজনীতিতে বাঙলাই ছিল ভারতের পরিচয়৷ ভারতবর্ষের স্বাধীনতা সংগ্রামেও বাঙলার অবদানের ধারে কাছে নেই অন্য কোন রাজ্য৷ দেশবন্ধু, সুভাষচন্দ্রের দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগ অন্য কোন রাজ্যের নেতার মধ্যেও দেখা যায় না৷ অথচ স্বাধীনতার পর সেই সব রাজ্যগুলো দেশকে লুটে খাচ্ছে স্বাধীনতা সংগ্রামে যাদের কোন অবদান নেই৷ একদিন দেশ ভাগ করে তারাই ব্রিটিশের হাত থেকে ক্ষমতা গ্রহণ করেছিল৷ দেশ ভাগের বলি হয়েছিল কয়েক কোটি বাঙালী৷

আজ মোদিজী ও তার দল বল নানা ছলে বলে যেমন বাঙালীদের হেনস্থা করছে, বাংলা কথা শুণলেই বাঙালীকে বাংলাদেশী আখ্যা দিচ্ছে৷ নানা অছিলায় বাঙালী মনিষীদের অসম্মান করছে, যা বাঙালী জনগোষ্ঠীর পক্ষে সহ্য করা অসহ্য হচ্ছে৷ মোদিজীর মনে রাখা দরকার বাঙালী কোন স্বৈরাচারী শাসককে কোন দিন মেনে নেয় না৷

 

  • Log in to post comments

গণপরিবহনের রেজিস্ট্রেশন শুধুমাত্র বাঙ্গালীদের দেওয়ার দাবিতে আমরা বাঙালীর স্মারকলিপি প্রদান

নিজস্ব সংবাদদাতা
Sat, 21-02-2026

বাঙলায় একদিকে চরম বেকারত্ব অপরদিকে ক্রমাগত চলছে বহিরাগতদের অনুপ্রবেশ!! বাঙালীর হকের অধিকার আজ বহিরাগতদের দখলে, তাই ১০০ ভাগ বাঙালীর কর্মসংস্থানের স্বার্থে বাঙলায় ‘টোটো’ সহ সমস্ত গণ-পরিবহনের রেজিস্ট্রেশন শুধুমাত্র ভূমিপুত্র বাঙালীদের দেওয়ার দাবীতে পশ্চিমবঙ্গের পরিবহন মন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি প্রদান করে ‘আমরা বাঙালী’ সংগঠন৷

১১ই ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে পশ্চিমবঙ্গ পরিবহন ভবনে এসে স্মারকলিপি জমা দেয় সংগঠনটি৷ আমরা বাঙালীর কেন্দ্রীয় সচিব জ্যোতিবিকাশ সিনহা ও কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সচিব তপোময় বিশ্বাস জানান- দীর্ঘদিন ধরেই বহিরাগত অনুপ্রবেশের ফলে কলকাতা মহানগর সহ হাওড়া, টিটাগড়,ব্যারাকপুর,আসানসোলের মতন বাঙলার বিভিন্ন অঞ্চলে বাঙালীরা ক্রমশ সংখ্যালঘু ও ‘নিজভূমে পরবাসী’তে পরিণত হচ্ছেন! ফলে বাঙলার জনবিন্যাস মারাত্মকভাবে বদলে গিয়ে স্থানীয় ভূমিপুত্র বাঙালীদের কর্মসংস্থান, জীবিকা ও ন্যায্য অধিকারে ক্ষতিগ্রস্ত হতে হচ্ছে৷ ফুটপাত থেকে ছোট ব্যবসায়িক ক্ষেত্রের মতন বহু কর্মক্ষেত্র আজ বহিরাগতদের দখলে৷ ক্রমাগত বহিরাগতদের সংখ্যা বৃদ্ধির ফলে বাঙলার বেকারত্ব পরিস্থিতি চরমে পৌঁছেছে৷

সম্প্রতি রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ‘টোটো’ যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন নম্বর বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে৷ এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে বাঙালীদের ন্যায্য অধিকার সুরক্ষিত করার স্বার্থে ‘আমরা বাঙালী’ সংগঠনের পক্ষ থেকে আবেদন রাখছি-- বাঙলায় বহিরাগতদের নয়, টোটো সহ সমস্ত গণ-পরিবহনের রেজিস্ট্রেশন শুধুমাত্র ভূমিপুত্র বাঙালীদের প্রদান করতে হবে৷ এছাড়াও ‘আমরা বাঙালী’ থেকে দাবী জানানো হয়---- বাঙালীদের কর্মসংস্থান রক্ষার স্বার্থে অন্য ভাষাভাষী বহিরাগতদের টোটো সহ বাঙলার সমস্ত গণ-পরিবহনের রেজিস্ট্রেশন প্রদান বন্ধ করতে হবে৷ টোটোর রেজিস্ট্রেশন, নামফলকসহ সমস্ত নথিপত্র বাংলা ভাষায় বাধ্যতামূলক করতে হবে৷ বাংলা আমাদের রাজ্যের সরকারি ভাষা অতএব সকল দাপ্তরিক ও যানবাহন-সংক্রান্ত পরিচিতি বাংলায় লিখতেই হবে৷ যারা টোটো চালাবেন, তাদের বাংলা ভাষা অবশ্যই জানতে হবে৷ এটি যাত্রী ও প্রশাসনিক যোগাযোগের স্বার্থে জরুরি৷ প্রত্যেক চালক ও মালিকের নাম অবশ্যই বাঙলার ভোটার তালিকায় নথিভুক্ত থাকতে হবে৷ অর্থাৎ,বাঙলার স্থায়ী বাসিন্দা হওয়াই রেজিস্ট্রেশনের পূর্বশর্ত হতে হবে৷ ভূমিপুত্র বাঙালীদের স্বীকৃতি নির্ধারণে ‘বাঙালী জনগোষ্ঠীয় পদবী’ হলেই রেজিস্ট্রেশন দেওয়া৷ বাঙলায় ভূমিপুত্র বাঙালীদের অধিকার,কর্মসংস্থান এবং বাংলা ভাষার মর‌্যাদা রক্ষার স্বার্থে উপরিলিখিত দাবীগুলি দ্রুত কার‌্যকর করার লক্ষে আমরা বাঙালী আন্দোলনে ছিলো-আছে ও থাকবে৷ এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন ‘আমরা বাঙালী’ কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক সচিব অনিতা চন্দ, কলিকাতা জেলা সচিব সুদীপ দাশগুপ্ত, কেন্দ্রীয় প্রকাশন সচিব প্রণতি পাল, জয়ন্ত দাশ, বাপী পাল, প্রবীণ নেতা সুবোধ কর প্রমুখ নেতৃবৃন্দ

 

 

সমবায় সপ্তাহ পালনেই দায়ীত্ব শেষ নয় সমবায়ের সাফল্যের অপরিহার্য তত্ত্ব মানতে হবে

নিজস্ব সংবাদদাতা
Sat, 21-02-2026

প্রবীন প্রাউটিষ্ট নেতা শ্রী প্রভাত খাঁ এক আলোচনায় বলেন---গত ১৪ই নভেম্বর থেকে ২০শে নভেম্বর রাজ্যে মহা আড়ম্বরে পালিত হল সমবায় সপ্তাহ৷ প্রতিবছর এই এক সপ্তাহ গোটা দেশেই সমবায় সপ্তাহ পালিত হয়, কিন্তু এতে সমবায় ব্যবস্থা কতটা সফল হয়েছে৷ তিনি বলেন ঘটা করে সমবায় দিবস পালন করলেই সমবায় সফল হয় না৷ পুঁজিবাদী অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় কেন্দ্রীত অর্থনৈতিক কাঠামোয় সমবায়ের সাফল্য এক প্রকার অসম্ভব৷

কারণ পুঁজিবাদ নিয়ন্ত্রিত বহুদলীয় গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় অর্থনীতি প্রত্যক্ষভাবে ও রাজনীতি ও গণতন্ত্রের স্তম্ভগুলিকে পরোক্ষভাবে পুঁজিপতিরাই নিয়ন্ত্রণ করে৷ সমবায় ব্যবস্থা সার্থক রূপায়ন হলে দেশের আর্থিক ক্ষমতা স্থানীয় মানুষের হাতে চলে যাবে৷ এই আর্থিক ব্যবস্থা পুঁজিপতিরা কখনই মেনে নেবে না৷ তাছাড়া সমবায়গুলি পরিচালনার দায়ীত্বে থাকে রাজনৈতিক দলের নেতারা৷ তাই সমবায় ষোল-আনা দুর্নীতিমুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা কম৷

শ্রী প্রভাত খাঁর ভাষায়--- প্রাউট প্রবক্তার দৃষ্টিতে সমবায়ের সাফল্যের অপরিহার্য তত্ত্ব হল--- নীতিবাদ কঠোর তত্ত্বাবধান ও জনগণের আন্তরিক গ্রহণ যোগ্যতা৷ এর জন্যেও যে ধরনের পরিকল্পনা দরকার তা ধনতান্ত্রিক কাঠামোয় গড়ে তোলা সম্ভব নয়৷ উপরিউক্ত তিনটি তত্ত্ব ছাড়াও বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর চাহিদা, খাদ্যাভ্যাস, ভৌগোলিক ও জলবায়ু গত অবস্থান অর্থনৈতিক সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখে সমবায় গড়তে হবে৷ কারণ একই অর্থনৈতিক কাঠামোয় যুক্ত জন মণ্ডলীর শ্রম ও বুদ্ধি দিয়ে সমবায় গড়ে তুলতে হয়৷ অর্থাৎ সমবায়ের অংশীদার ও পরিচালনার বহিরাগতের কোনস্থান হবে না৷ কিন্তু ভারতবর্ষের সমবায়গুলি গড়ে তোলা হয় আর্থিক বিকাশের দিকে তাকিয়ে নয়, রাজনৈতিক স্বার্থে৷ তাই এখানে সমবায় সফল না হওয়াটা আশ্চর্যজনক নয়৷

সমবায়কে সফল করে তুলতে হলে পুঁজিবাদী আর্থিক কাঠামোর আমূল পরিবর্তন আনতে হবে৷ বর্তমান আর্থিক ব্যবস্থার খোল-নলচে পাল্টে বিকেন্দ্রিত আর্থিক ব্যবস্থায় ব্লকে ব্লকে কৃষি সহায়ক ও কৃষি ভিত্তিক শিল্প গড়ে তুলতে হবে প্রাউটের নীতিতে সমবায়ের মাধ্যমে৷ সমবায়গুলির পরিচালনার দায়ীত্ব সমবায়ের অংশীদারদের হাতেই রাখতে হবে৷ পরিশেষে শ্রী খাঁ বলেন---সমবায় সপ্তাহ পালনে সমবায়কে সফল করে তোলার বিষয়গুলি অবশ্যই আলোচনা হওয়া দরকার৷

 

 

আমরা বাঙালীর জেলা সম্মেলন

নিজস্ব সংবাদদাতা
Sat, 21-02-2026

 গত ৭ই ডিসেম্বর ২০২৫ হাওড়া রাণীহাটিতে ‘আমরা বাঙালী’র হাওড়া জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়৷ সম্মেলনে জেলার কর্মী সদস্য ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সচিব জ্যোতি বিকাশ সিনহা ও কেন্দ্রীয় কমিটির সংঘঠন সচিব তপোময় বিশ্বাস৷ সূচনায় বিগত কর্মসূচির পর্যালোচনা করা হয় ও জেলা সংগঠনের বর্তমান অবস্থা নিয়েও আলোচনা হয়৷ বর্তমান সামাজিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর আলোকপাত করেন কেন্দ্রীয় সচিব জ্যোতি বিকাশ সিনহা৷ সম্মেলনের শেষ পর্যায়ে জেলা কমিটি তৈরী হয়৷ এই কমিটি সক্রিয় থাকবে ৩০ মার্চ ২০২৫ থেকে ২৯ মার্চ ২০২৭ পর্যন্ত, অর্থাৎ দুই বছর৷

এর পরে বিকি হাকোলা বাজারে একটি পথ সভা হয়৷ যাতে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় সচিব শ্রী জ্যোতিবিকাশ সিনহা কেন্দ্রীয় সাংঘটানিক সচিব শ্রী তপোময় বিশ্বাস৷ এছাড়াও বক্তব্য রাখেন হাওড়া জেলা সচিব শ্রী অর্ণব কুন্ডু চৌধুরী, মহিলা সমাজের নেত্রী শ্রীমাতি গোপা শীল, দক্ষিণ কলিকাতা থেকে আগত কলকাতার প্রাক্তন জেলা সচিব শ্রী গোপাল রায়চৌধুরী প্রমুখ৷

আমরা বাঙালী হাওড়া জেলা কমিটি (৩০ মার্চ ২০২৫ থেকে ২৯ মার্চ ২০২৭) ১) সচিব -অর্ণব কুন্ডু চৌধুরী ২) যুগ্ম সচিব- অমিয় পাত্র, ৩) কার্যালয় অধ্যক্ষ- দীপ্তি বিশ্বাস ৪) অর্থ সচিব- প্রশান্ত শীল, ৫) প্রচার ও জনোসংযোগ সচিব- প্রদীপ খাড়া, ৬) সাংগঠনিক সচিব- প্রসেনজিৎ মণ্ডল ৭) আন্দোলন সচিব- মইনুদ্দিন শেখ, ৮) উন্নয়ন সচিব- দেবব্রত দাস, ৯) ছাত্র - যুব সচিব- তুলিকা ঘোড়ুই, ১০) সাংস্কৃতিক সচিব- অঞ্জনা সাহা, ১১) মহিলা সচিব- গোপা শীল৷ সদস্য ও সদস্যা--- ১) অভিজিৎ মাইতি, ২) মনিকা ঘোড়ুই,৩) নবনীতা নস্কর, ৪) মধুমিতা কোলে, ৫)অপর্ণা বৈতালিক, ৬) মায়া বড়৷

 

যোগী রাজ্যের জাল ওষুধের কারবারী কলকাতায় গ্রেপ্তার

নিজস্ব সংবাদদাতা
Sat, 21-02-2026

নভেম্বর মাসে জাল ওষুধ খেয়ে চারটি রাজ্যের ২০ জনের মৃত্যু হয়েছিল৷ তদন্তে উঠে আসে জাল ওষুধের কারখানাটি যোগীরাজ্য উত্তরপ্রদেশে৷ গত ১৫ই নভেম্বর বারানসীর কোতোয়াল থানায় ওই জাল ওষুধের কারখানার দুই মালিকের নামে লিখিত অভিযোগ করা হয়৷ ঘটনার পর থেকেই ওই জাল ওষুধ কারখানার দুই মালিক প্রতীক মিশ্রা ও বিশাল কুমার সোনকার গা ঢাকা দেয়৷ টাওয়ার লোকেশনের সূত্র ধরে পুলিশ জাল ওষুধের কারখানার মালিকদের অবস্থান খোঁজ করতে থাকে৷ কিন্তু দুই অপরাধী বারে বারে মোবাইল নম্বর পরিবর্তন করতে থাকে৷ কয়েকদিন আগে পুলিশ দুই অপরাধীর টাওয়ার লোকেশন করে খোঁজ করে তাদের অবস্থান জানতে পারে৷ দুই অপরাধী কলকাতায় এসে তিলজলায় তাদের এক বন্ধুর বাড়ীতে আশ্রয় নিয়েছে৷ গত ৭ই নভেম্বর রবিবার উত্তরপ্রদেশ পুলিশ কলকাতায় আসে৷ রাতে তিলজলা এলাকা থেকে দুজনকে গ্রেপ্তার করে৷ ধৃতদের ট্রানজিট রিমাণ্ডে কলিকাতা থেকে উত্তরপ্রদেশে নিয়ে যাওয়া হয়৷

 

 

মেদিনীপুরে প্রবন্ধ প্রতিযোগিতা

নিজস্ব সংবাদদাতা
Fri, 20-02-2026

অলিগঞ্জ ঋষি রাজনারায়ণ বালিকা বিদ্যালয়ের (উচ্চ মাধ্যমিক) সভাগৃহে ১২ই নভেম্বর, বুধবার অনুষ্ঠিত হল রেণেশাঁ ইউনিবার্সাল ক্লাব, মেদিনীপুর আয়োজিত প্রবন্ধ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান৷ প্রবন্ধের বিষয় ছিল--- ‘মানব জীবনে নৈতিকতার গুরুত্ব’৷ দুপুর আড়াইটায় অনুষ্ঠান শুরু হয় অতিথি বরণের মধ্য দিয়ে৷ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা শ্রীমতী সুজাতা গোস্বামীর স্বাগত ভাষণের পর উক্ত সংস্থার সম্পাদক শ্রী রঞ্জিত কুমার ঘোষ প্রবন্ধ প্রতিযোগিতায় ছাত্রারা কীভাবে বিষয়টিকে ব্যাখ্যা করেছে সেই বিষয়গুলি উল্লেখ করে তাদের সহজ ভাবে বুঝিয়ে বলেন৷ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অবধূতিকা আনন্দ শিবধ্যানা আচার্যা৷ তিনি অত্যন্ত সহজভাবে বর্তমান সামাজিক অবস্থা বিষয়ে যেমন সচেতন করেন ছাত্রাদের, তেমনি কীভাবে নিজেকে তৈরি করতে হবে সেই বিষয়েও আলোকপাত করেন৷ প্রকৃত শিক্ষা থেকে যে ছাত্র ছাত্রারা বঞ্চিত তাও তিনি বলেন৷ ছোটো চারাগাছকে বড়ো করে তোলার জন্য যেমন বেড়ার প্রয়োজন, তেমনি কিছু নিয়মকানুন মেনে চলা দরকার যা খাঁটি মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে সাহায্য করবে৷ এই প্রসঙ্গে তিনি ‘যম নিয়ম’এর কথা আলোচনা করেন৷ শেষে প্রতিযোগিতায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে যারা রয়েছে তাদের নাম ঘোষণা করা হয় ও মঞ্চ থেকে তাদের শংসাপত্র সহ স্মারক তুলে দেওয়া হয়৷ প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছে মসম্মত রিফা খাতুন, দ্বিতীয় নেহা মণ্ডল ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে অদ্রিজা মাইতি৷ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী সকলেই শংসাপত্র সহ পুরস্কার পায়৷ 

 

Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved