Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

সংবাদ দর্পণ

আনন্দমার্গ সমাজশাস্ত্র মতে শ্রাদ্ধানুষ্ঠান

নিজস্ব সংবাদদাতা
Mon, 01-06-2026

 আনন্দমার্গের সমস্ত প্রকার সামাজিক উৎসব ও অনুষ্ঠান মার্গগুরু শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তি প্রবর্ত্তিত আনন্দমার্গের সমাজশাস্ত্র ‘আনন্দমার্গে চর্যাচর্য গ্রন্থের প্রথম খণ্ডের নির্দেশিত পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হয়৷ সেই অনুযায়ী গত ১০ই মে হুগলী জেলার সিঙ্গুর হাবাসপোতা গ্রামের বিশিষ্ট আনন্দমার্গী শ্রী দীনেশ প্রামাণিকের পরলোক গত পিতৃদেব গোবিন্দ প্রামানিকের শ্রাদ্ধানুষ্ঠান আনন্দমার্গে চর্যাচর্য নির্দেশিত পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হয়৷

ওই দিন সকাল থেকেই শ্রী দীনেশ প্রামাণিকের বাসভবনে আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও মার্গী ভাই বোনেরা সমবেত হন৷ শ্রী গোবিন্দ প্রামাণিক গত ৪ঠা মে সকাল ১০টার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে পরলোক গমন করেন৷ তিনি স্ত্রী, এক পুত্র পুত্রবধু ও এক নাতনি রেখে গেছেন৷ মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৭ বৎসর৷

অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রভাতসঙ্গীত ও কীর্ত্তন পরিবেশন করেন আচার্য শুভপ্রসূনানন্দ অবধূত৷ এরপর মিলিত ঈশ্বর প্রণিধানের পর শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তিজী শ্রাদ্ধ বিষয়ে প্রবচনের অংশ পাঠ করে শোনান শান্তনু বা গুই৷ এরপর শ্রাদ্ধানুষ্ঠান পরিচালনা করেন আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত৷ তিনি অনুষ্ঠান শেষে আনন্দমার্গের সমাজ শাস্ত্রের বৈশিষ্ট্য ও শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে প্রয়োজনের ওপর বক্তব্য রাখেন৷ পরিশেষে স্মৃতিচারণায় পরলোক গত গোবিন্দ প্রামাণিকের সহজ সরল অনাড়ম্বর জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন পুত্র শ্রীদীনেশ প্রামাণিক ও পুত্রবধূ শ্রীমতি মমতা প্রামাণিক৷ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন স্থানীয় বিশিষ্ট আনন্দমার্গী শ্রী দেশবন্ধু মাইতি৷

 

 

শব্দের জোরে ধবংস হবে ভাইরাস

পি.এন.এ.
Mon, 01-06-2026

ইনফ্লুয়েঞ্জা এ (এইচ১এন১), সার্স-কোভ-২, নিউমোনিয়া ভাইরাসকে গবেষণাগারে শব্দের আঘাতে চূর্ণবিচূর্ণ করার দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা৷ জানিয়েছেন, শব্দতরঙ্গই এ বার হয়ে উঠতে পারে মারণ ভাইরাসের যম৷ উচ্চ কম্পাঙ্কের তরঙ্গ দিয়ে ভাইরাসের বাইরের আবরণী ভেঙে ফেলা সম্ভব৷ গবেষকেরা দেখেছেন, শব্দের জোর যত বেশি হবে, তার অভিঘাতে ভাইরাসের ভিতরে দ্রুত বদল ঘটতে থাকবে৷ ওলটপালট হবে জিনের বিন্যাস৷ ধীরে ধীরে তারা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়বে৷

শব্দের ধাক্কায় ভাইরাস ধবংস করার এই প্রচেষ্টা বহু দিন থেকেই চলছে৷ ঠিক যে ভাবে চিকিৎসার কাজে আলট্রাসাউন্ডকে কাজে লাগানো হয়, সে ভাবেই শব্দতরঙ্গ পাঠানো হবে শরীরের ভিতরে৷ এতে শুধু ভাইরাসগুলিই নষ্ট হবে, আশপাশের সুস্থ কোষের কোনও ক্ষতি হবে না৷

শব্দ ছুড়ে ভাইরাসকে কী ভাবে জব্দ করা যাবে, তার একটি উপায় পেয়েছেন গবেষকেরা৷ সেটিকে বলা হয় অ্যাকুস্টিক রেজোন্যান্স৷ প্রতিটি জীব বা জড়বস্তুর নিজস্ব স্বাভাবিক কম্পাঙ্ক থাকে৷ যদি সেই কম্পাঙ্কের সমান কম্পাঙ্ক বিশিষ্ট শব্দতরঙ্গ দিয়ে তাদের আঘাত করা হয়, তা হলে সেই জীব বা জড়ের মধ্যে কম্পন তৈরি হবে৷ ধীরে ধীরে সে কম্পন বাড়তে থাকবে৷ একেই বলে অ্যাকুস্টিক রেজোন্যান্স৷

ভাইরাসের ক্ষেত্রে যেমন করোনা বা ইনফ্লুয়েঞ্জার যে কোনও উপরূপ, তাদের একটি আবরণী থাকে, যা সুরক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে৷ বিজ্ঞানীরা আলট্রাসাউন্ড ব্যবহার করে এমন একটি কম্পাঙ্ক তৈরি করেন, যা ঠিক ওই ভাইরাসের আবরণের স্বাভাবিক কম্পাঙ্কের সঙ্গে মিলে যায়৷ ফলে ভাইরাসের আবরণটি তীব্র ভাবে কাঁপতে শুরু করে এবং এক সময় সহ্যক্ষমতার বাইরে গিয়ে ফেটে যায়৷

গবেষকেরা জানাচ্ছেন, ভাইরাসে যদি মিউটেশন বা রাসায়নিক বদল ঘটে, তা হলে শব্দতরঙ্গ দিয়ে তাকে ধবংস করা সম্ভব৷ কারণ সে ক্ষেত্রে ভাইরাসের জিনের বিন্যাস বদলে গেলেও তাদের আকারে বদল হয় না৷ ফলে সহজেই তাদের শব্দের আঘাতে কাবু করা সম্ভব৷

 

 

আন্টার্কটিকায় বরফ গলায় ক্রমশ বাড়ছে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা

পি.এন.এ.
Mon, 01-06-2026

বিশ্বের একেবারে দক্ষিণ প্রান্তের এই মহাদেশ হল পৃথিবীর বৃহত্তম তুষার মরুভূমি৷ চার দিকে চাঁই চাঁই বরফ৷ সমুদ্রেও ভেসে বেড়াচ্ছে বরফ৷ আন্টার্কটিকায় কোনও স্থায়ী মনুষ্যবসতি নেই৷ গবেষণার জন্য সেখানে সাময়িক আস্তানা তৈরি হয়৷ এখন অবশ্য আন্টার্কটিকায় পর্যটনও শুরু হয়েছে৷ তবে দৃশ্যত জনমানবহীন এই মহাদেশে উঁকি মারতে শুরু করেছে এক লুকানো বিপদ৷

আন্টার্কটিকা মহাদেশের মূল ভূখণ্ড সংলগ্ণ সমুদ্রে ছড়িয়ে রয়েছে ‘আইস শেল্ফ’ (বরফের তাক)৷ এগুলি হল আন্টার্কটিকার মূল ভূভাগে থাকা হিমবাহের অংশ, যা প্রসারিত হয়ে সমুদ্র পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছে৷ হিমবাহ রক্ষায় এই বিশালাকার ভাসমান বরফের চাদরগুলির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে৷ এই বরফের তাকগুলি মূল হিমবাহকে সমুদ্রে মিশে যাওয়া আটকায়৷ এগুলিকে মূল হিমবাহ এবং সমুদ্রের মাঝে একটি ‘বাঁধ’ বলা যেতে পারে৷ এই বরফের তাকগুলি না থাকলে আন্টার্কটিকার মূল ভূভাগের হিমবাহ আরও দ্রুত সমুদ্রে মিশে যেত৷

সম্প্রতি এই বরফের তাকগুলিকে নিয়ে একটি গবেষণা করেন নরওয়ের আইসি৩ পোলার রিসার্চ হাবের টোর হ্যাটারম্যান এবং আকভাপ্লান-নিভা সংস্থার কিন ঝোউ৷ তাঁদের ওই গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে ‘নেচার কমিউনিকেশন্স’-এর জার্নালে৷ নতুন এই গবেষণায় আশঙ্কা করা হচ্ছে, আগে যা ভাবা হয়েছিল, তার চেয়েও দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পেতে পারে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা৷ কারণ, অনুমানের চেয়ে অনেক দ্রুত হারে গলে যাচ্ছে অ্যান্টার্কটিকার বরফের তাকগুলির নীচের (সমুদ্রে নিমজ্জিত) অংশ৷ এই ‘আইস শেল্ফ’গুলির নীচে বিভিন্ন ছোট-বড় প্রণালী বা ‘চ্যানেল’ থাকে৷ সেখান থেকে সমুদ্রের জল প্রবাহিত হয়৷ গবেষণায় দেখা গিয়েছে, দীর্ঘ প্রণালীগুলিতে সমুদ্রের জল অপেক্ষাকৃত উষ্ণ, যা সেখানে বরফ গলার হারকেও বৃদ্ধি করে৷

হ্যাটারম্যান, ঝোউ এবং তাঁদের সহযোগীরা পূর্ব আন্টার্কটিকার ফিম্বুলিসেন আইস শেল্ফে গবেষণটি চালান৷ এখানে বরফের নীচে গভীর প্রণালী রয়েছে৷ গবেষণায় দেখা যায়, সমুদ্রের উষ্ণ জল বরফ-প্রণালীর মধ্যে আটকা পড়ে যায়৷ এর ফলে কোনও কোনও অঞ্চলে বরফ গলার হার প্রায় দশ গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে৷ জলবায়ুগত ধাক্কার দিক থেকে পূর্ব আন্টার্কটিকাকে তুলনামূলক কম ঝুঁকিপূর্ণ অংশ বলে ধরে নেওয়া হয়৷ কিন্তু সাম্প্রতিক এই গবেষণা বলছে, সেখানেও দ্রুত হারে গলে যেতে পারে বরফ৷ গবেষকদলের প্রধান হ্যাটারম্যানের কথায়, ‘‘আমরা দেখেছি ফিম্বুলিসেন আইস শেল্ফের নীচে সামান্য পরিমাণ উষ্ণ জলও বরফ গলার হারকে উল্লেখযোগ্য ভাবে বৃদ্ধি করতে পারে৷ এর ফলে প্রণালীগুলি ক্রমশ বড় হওয়ার সম্ভাবনা থাকে৷ ধীরে ধীরে পুরো আইস শেল্ফটিকেই দুর্বল করে দিতে পারে৷’’

এই গবেষণার জন্য হ্যাটারম্যানেরা ফিম্বুলিসেন ‘আইস শেল্ফ’-এর নীচের অংশের ম্যাপিং করেন৷ সমুদ্রে নিমজ্জিত অংশের কোথায় কী গহ্বর রয়েছে, কোথায় কতটা গভীর প্রণালী রয়েছে, সব ধরা পড়ে ওই কম্পিউটার মানচিত্রে৷ গবেষণার জন্য হ্যাটারম্যান নিজে কয়েকশো দিন কাটিয়েছেন আন্টার্কটিকায়৷ যে প্রণালীগুলি অপেক্ষাকৃত ছোট, সেগুলিতে আটকে থাকা জলও পরীক্ষা করে দেখেন তাঁরা৷

গবেষকদের আশঙ্কা, প্রণালীগুলির মধ্যে বরফের গলনের হার বৃদ্ধি পেলে তার প্রভাব বিপজ্জনক হতে পারে৷ প্রণালীগুলি আরও প্রশস্ত হতে থাকলে বরফের স্তর বিভিন্ন অংশে অসম ভাবে পাতলা হয়ে যেতে পারে৷ একটি পর্যায়ে গিয়ে আইস শেল্ফগুলি এতটাই দুর্বল হয়ে পড়বে যে সেগুলির আর পিছনের মূল হিমবাহকে সমুদ্রের দিকে এগিয়ে আসার গতি কমানোর মতো শক্তি থাকবে না৷ এখন আন্টার্কটিকার এই আইস শেল্ফগুলি নিয়ে আরও বিশদ গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছেন তাঁরা৷ ওই বিশদ গবেষণা থেকেই বোঝা যেতে পারে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা আগের চেয়ে কতটা দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পাবে৷

 

 

হান্টা ভাইরাস নিয়ে আতঙ্ক ক্রমশ বাড়ছে

পি.এন.এ.
Mon, 01-06-2026

আর্জেন্তিনা থেকে আটলান্টিক মহাসাগরে ভেসে কাবো ভার্দে যাওয়া এমভি হন্ডিয়াস নামের ওই প্রমোদতরীতে দু’জন ভারতীয় নাগরিক ছিলেন৷ জানা গিয়েছে, এ বার ওই ভাইরাসে তাঁরও আক্রান্ত হয়েছেন৷ যদিও রবিবার স্পেনে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস জানিয়েছে, এমভি হন্ডিয়াস জাহাজে থাকা ভাইরাসে আক্রান্ত দুই ভারতীয় নাগরিক উপসর্গহীন এবং সুস্থ রয়েছেন৷

দূতাবাস একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, হান্টা ভাইরাস-সংক্রান্ত সেই জাহাজে ক্রু হিসাবে কর্মরত দুই ভারতীয় নাগরিককে নেদারল্যান্ডে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি অনুযায়ী তাঁদের নিভৃতবাসে রাখা হয়েছে৷

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘‘স্প্যানিশ কর্তৃপক্ষ এবং এই দুই ভারতীয় নাগরিকের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রাখছেন৷ ভারতীয় নাগরিকদের সুস্থতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন৷’’

ফ্রান্স জানিয়েছে, ওই জাহাজে পাঁচ জন ফরাসি যাত্রীর মধ্যে একজন হান্টা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন৷ রবিবার তাঁর উপসর্গ দেখা গিয়েছে৷ ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকর্নু এক্স হ্যান্ডলে জানান, পাঁচ জনের মধ্যে এক জনের উপসর্গ দেখা গিয়েছে৷ এই পাঁচ জন যাত্রীকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত অবিলম্বে নিভৃতবাসে রাখা হয়েছে৷

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) মহামারি ও অতিমারি বিভাগের ডিরেক্টর মাকিয়া ফন কেরখোডে ইতিমধ্যেই আশ্বাস দিয়েছেন, হান্টা ভাইরাস করোনা ভাইরাসের মতো কিছু নয়৷ ফলে সংক্রমণের মাত্রা তার ধারেপাশে যাওয়ার কোনও কারণ নেই৷ আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তাঁরা বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছেন৷

১২টি দেশকে সতর্ক করেছে হু৷ যে জাহাজে এই সংক্রমণ হয়েছে, তার যাত্রীরা আতঙ্কিত হয়ে গন্তব্যে পৌঁছোনোর আগেই নেমে গিয়েছেন৷ তাঁদের মাধ্যমে ভাইরাস ছড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে বলে আমেরিকা, কানাডা, ডেনমার্ক, জার্মানি, নেদারল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস, সিঙ্গাপুর, সুইডেন, সুইৎজারল্যান্ড, তুরস্ক, ব্রিটেনকে সতর্ক করা হয়েছে৷

আর্জেন্তিনা থেকে আটলান্টিক মহাসাগরে ভেসে কাবো ভার্দে যাচ্ছিল এমভি হন্ডিয়াস নামের ওই প্রমোদতরী৷ হু জানিয়েছে, ওই জাহাজে আট জন হান্টা ভাইরাসে সংক্রামিতকে শনাক্ত করা গিয়েছে৷ তাঁদের মধ্যে তিন জনের মৃত্যু হয়েছে৷ জাহাজে সওয়ার পাঁচ জনের সংক্রমণ নিয়ে নিশ্চিত রিপোর্ট দিয়েছে গবেষণাগার৷ তিন জনের নিশ্চিত রিপোর্ট মেলেনি৷ ৬ এপ্রিল ওই জাহাজে প্রথম সংক্রামিতের খোঁজ মেলে৷ ১১ এপ্রিল তাঁর মৃত্যু হয়৷ পরে ওই ব্যক্তির স্ত্রীও আক্রান্ত হন৷ সেন্ট হেলেনায় তিনি জাহাজ থেকে নেমে যান৷ উড়ান যাত্রার পরে তাঁর অবস্থান অবনতি হয়৷ ২৫ এপ্রিল দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে তাঁর মৃত্যু হয়৷

গেব্রিয়েসাস জানিয়েছেন, সংক্রামিত ইঁদুর বা ওই জাতীয় প্রাণীর মূত্র, লালারস, নাক বা চোখের জল থেকে এই সংক্রমণ ছড়ায়৷ এই ভাইরাসে সংক্রামিত হওয়ার ঘটনা মূলত লাতিন আমেরিকাতেই চোখে পড়ে৷ হু জানিয়েছে, কেউ সংক্রামিতের সংস্পর্শে দীর্ঘ ক্ষণ থাকলে তবেই আক্রান্ত হতে পারেন৷ সে ক্ষেত্রে সংক্রামিতের সঙ্গে একই বাড়িতে বাস করলে, তাঁর সঙ্গী হলে বা তাঁকে সেবা করলে সেই ব্যক্তিও আক্রান্ত হতে পারেন৷

 

 

৮০ লক্ষ ভোটার বাদ---বিচার ব্যবস্থার ব্যর্থতা

নিজস্ব সংবাদদাতা
Mon, 01-06-2026

 ভারতের শীর্ষ আদালতের প্রবীন আইনজীবী ও সুপ্রিমকোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের প্রাক্তন সভাপতি দুষ্যন্ত দাভে মন্তব্য করেন---সম্প্রতি শেষ হওয়া পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে বিচার ব্যবস্থার ব্যর্থতার কারণে ৮০ লক্ষ ভোটার ভোট দিতে পারলো না৷ গণতন্ত্র সুরক্ষার অন্যতম দুই নিরপেক্ষ স্তম্ভ বিচার ব্যবস্থা ও সংবাদ মাধ্যম নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ণের সম্মুখীন৷ ২০১৪ সালে নরেন্দ্রমোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার স্তম্ভগুলির নিরপেক্ষতা দেশজুড়ে সন্দেহর বাতাবরন তৈরী করে৷ বিশেষ করে বিচার ব্যবস্থা আজ গভীর সংকটের সৃষ্টি করেছে৷ সম্প্রতি কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংস্থা তাদের সমীক্ষার প্রতিবেদনে ভারতকে আংশিক স্বাধীন রাষ্ট্র ও নির্বাচিতদের স্বৈরাচারের দেশ বলে উল্লেখ করেছে৷

ভারতের বিচার ব্যবস্থার কাঠামোগত দুর্বলতা ও বিচার ব্যবস্থার কার্যকর প্রক্রিয়া নিয়ে মুখ খুলেছেন৷ তিনি বলেন স্বাধীনতার পরিবর্তে বিচার ব্যবস্থায় এখন আইনের রাশ স্বার্থান্বেষীদের হাতে৷ বাঙলার নির্বাচন শেষ হওয়ার পর সমাজ মাধ্যমে একটি পোষ্টে বিচারপতি দাভে বলেন ভারতের বিচার ব্যবস্থা যেভাবে দেশকে ব্যর্থ করেছে তা আর কেউ কোনদিন করেনি৷ তিনি বলেন--- মোদি, শাহ, আম্বানি, আদানি, জ্ঞানেশ সংবাদ মাধ্যম কেউ করেনি৷

রাজ্যের ৮০ লক্ষ ভোটার ভোট দিতে পারেননি৷ এর জন্যে তিনি বিচারব্যবস্থাকেই দায়ী করেন৷ তিনি বলেন সুপ্রীম কোর্ট এই দেশকে নরকের দিকে ঠেলে দিচ্ছে--- এটাই সত্য ---ভারতের এই মহাপতনের এটাই আসল সত্য৷ এর আগেও ২০২৪ সালে তিনি সুপ্রীম কোর্টের সমালোচনা করেছিলেন৷

 

 

২০২৪-এর পর আবার নিটের প্রশ্ণ ফাঁস এন.টিএ. কোচিং ইন্ড্রাস্ট্রি ও সরকারী কর্তাদের আঁতাতের অভিযোগ

নিজস্ব সংবাদদাতা
Mon, 01-06-2026

 রাজ্যের শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে সদ্য প্রাক্তন হওয়া সরকারের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে কম বিষোদগার হয়নে৷ রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী দীর্ঘদিন কারাবাসে ছিলেন৷ কিন্তু দেশের বৃহত্তম প্রবেশিকা পরীক্ষা নিটের প্রশ্ণ বার বার ফাঁস হলেও খুব একটা উচ্চবাচ্য হয় না সংবাদ মাধ্যমে৷ সরকার ও নীরব থাকে৷ ২০২৪ সালে নীটের প্রশ্ণ ফাঁসের সঙ্গে হাজার কোটি টাকার কেলেঙ্কারীর অভিযোগ উঠেছিল৷ লোক দেখানো একটা তদন্ত সিবিআইকে দিয়ে করানো হয়৷ কিন্তু সিবিআইকে দিয়ে করানো হয়৷ কিন্তু সিবিআই-এর ব্যর্থতায় প্রশ্ণ ফাঁস কেলেঙ্কারীর মূল সঞ্জীব মুখিয়া জামিন পেয়ে যায়৷

এক বছর পরে আবার নিটের প্রশ্ণ ফাঁস৷ প্রায় ২৩ লক্ষ ছাত্রের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত করে নিট পরীক্ষা বাতিল ঘোষনা করা হয় বার বার প্রশ্ণ পত্র ফাঁস ও পরীক্ষা বাতিলে প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ রাজ্যের পরীক্ষার্থীরা৷ তারা প্রবেশিকা পরীক্ষা আবার রাজ্যের হাতে ফিরিয়ে দেবার দাবী তুলছে৷

মোদি ক্ষমতায় আসার পর ২০১৯ সাল থেকে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সারা ভারতে এক সাথে এই পরীক্ষা নেওয়া শুরু হয়৷ এই পরীক্ষার তত্ত্বাবধানে থাকে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি-এন.টি.এ৷ ২০২৪-এর পর আবার প্রশ্ণ ফাঁসের কারণে নিট বাতিল হওয়ায় পশ্চিমবঙ্গের ছাত্ররা ক্ষুব্ধ৷ ছাত্রদের একাংশের অভিযোগ আমাদের কেরিয়ার নিয়ে ছেলেখেলা হচ্ছে৷ তাদের অভিযোগ এন.টিএ এই পরীক্ষা চালাতে অক্ষম৷ রাজ্যের হাতেই প্রবেশিকা পরীক্ষার দায়ীত্ব তুলে দেওয়া হোক৷

এবার নিট পরীক্ষার ২২ লক্ষেরও বেশী পরীক্ষায় বসেছিলেন৷ পশ্চিমবঙ্গের ছাত্ররা জানান---তারা ভালোভাবে সফল হওয়ার জন্যে প্রচু অর্থব্যয় করে নাম করা কোচিং সেন্টারে কোচিং নিয়েছে৷ কিন্তু কর্ত্তৃপক্ষের গাফিলতিতে অনিশ্চিততার মধ্যে পড়ে গেলাম৷

ইউনাইটেড ডক্টর্স ফ্রন্ট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রমোদিকে এক পত্র দিয়ে নিট কেলেঙ্কারির যৌথ তদন্তের দাবী জানান৷ সংঘটনের চেয়ার পার্সন ডঃ লক্ষ্য মিত্তল বলেন--- ২০২৪-এ কেলেঙ্কারীর তদন্ত হয়েছিল৷ কিন্তু প্রধান অপরাধী আইনের ফাঁক দিয়ে জামিন পেয়ে যায়৷ সেদিন ঠিকমত তদন্ত করে অপরাধীকে সাজা দিত আজ এই দিন দেখতে হতো না৷ মেডিকেল সার্ভিস সেন্টার উচ্চ পর্যায়ের বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবী জানান৷ তাদের বক্তব্য এন.টিএ কোচিং ইন্ডাস্ট্রি ও সরকারী কর্তাদের যোগ উঠিয়ে দেওয়া যায় না৷ কেন্দ্রীয় শিক্ষাদপ্তরকে এই কেলেঙ্কারীর দায়ীত্ব নিতে হবে৷

 

 

যুদ্ধবাজ রাষ্ট্র ও পুঁজিবাদী আগ্রাসনে বিপন্ন সমাজ বাঁচার পথ দেখাবে প্রাউট

নিজস্ব সংবাদদাতা
Mon, 01-06-2026

আজ সারা পৃথিবীতে সামাজিক বিভেদ, অর্থনৈতিক বৈষম্য রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও শিক্ষা-সংস্কৃতির অবক্ষয় মানব সমাজকে বিপন্ন করে তুলেছে৷ দারিদ্রের জ্বালা এক শ্রেণীর ছাত্র-যুব সমাজের উশৃঙ্খলতা, সমাজকে কলুষিত করছে৷ পুঁজিবাদী শোষণ ও গণতন্ত্রের মুখোশে ফ্যাসিষ্ট শাসক মানব সমাজের অধঃপতনের মূল কারণ৷

প্রবীন প্রাউটিষ্ট নেতা শ্রীপ্রভাত খাঁ বলেন--- বর্তমান রাজনৈতিক দলগুলি আদর্শহীনতায় ভুগছে৷ পুঁজিবাদী আগ্রাসন রুখতে ব্যর্থ হয়েছে সাম্যবাদ৷ সোভিয়েত ইয়ূনিয়নের পতন ও ইয়ূরোপীর দেশগুলো থেকে সাম্যবাদ বিদায় নেবার পর কম্যুনিষ্টদের প্রচারিত সমাজতন্ত্র সম্পর্কে মানুষের মোহভঙ্গ হয়েছে৷ কম্যুনিষ্ট শাসিত রাষ্ট্রগুলো আদর্শগত ত্রুটি ঢাকতে গিয়ে স্বৈরাচারী শাসকে পরিণত হয়৷ তারই পরিনামে ইয়ূরোপীয় দেশ থেকে কম্যুনিষ্টরা মুছে যায়৷

শ্রী খাঁ বলেন--- মানুষের আজ নতুন আদর্শ নতুন পথের প্রয়োজন৷ প্রাউট দর্শনই সেই আদর্শ সেই পথ দেখাবে৷ মহান দার্শনিক শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকার প্রবর্তিত আধ্যাত্মিক দর্শন, আধ্যাত্মিক সাধনা পদ্ধতি, তন্ত্র, যোগ, নব্যমানবতাবাদ ভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা, সামাজিক অর্থনৈতিক তত্ত্ব প্রভৃতি বিষয়গুলি সম্পূর্ণ নতুন, প্রচলিত ব্যবস্থা থেকে সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র৷ এক আদর্শ সুসন্নিবদ্ধ সমাজ ব্যবস্থায় অর্থনৈতিক, সামাজিক ও আধ্যাত্মিক ক্ষেত্রে দৃঢ় সংযোগ প্রচলিত কোন দর্শনেই পরিলক্ষিত হয়নি৷

শ্রী খাঁ আরও বলেন আনন্দমার্গের আধ্যাত্মিক দর্শন ও আধ্যাত্মিক অনুশীলন পদ্ধতি আদর্শ মানুষ ঘটন করবে ও নব্যমানবতাবাদ ভিত্তিক সামাজিক অর্থনৈতিক তত্ত্ব প্রাউট সর্বগ্লাণিমুক্ত সর্ব কলুষমুক্ত ও সর্বশোষনমুক্ত এক সুসন্নিবদ্ধ সমাজ ঘটনে সক্ষম হবে যা বিশ্বের সর্বস্তরের মানুষ, সর্বজীবের তথা সর্ব অস্তিত্বের সার্বিক বিকাশ ঘটাতে সক্ষম হবে৷ তাই প্রাউটিষ্টদের কাছে এটাই উপযুক্ত সময় প্রাউট দর্শন বাস্তবায়নের৷ তাই প্রাউটিষ্টদের উচিত অবিলম্বে প্রাউটের বার্র্ত মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া

 

 

কেমো ছাড়া সম্ভব ক্যান্সার চিকিৎসা

পি.এন.এ.
Sun, 31-05-2026

ক্যানসারকে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ধবংস করার নানা পদ্ধতিই এসেছে এত দিন৷ কিন্তু এতে শত্রুনাশ যেমন হয়, তেমন সুস্থ কোষেরও ক্ষতি হয় বিস্তর৷ একটি কোষকে পোড়াতে গিয়ে, পুড়ে যায় চারপাশের নিরীহ কোষগুলিও৷ দহনজ্বালা সইতে হয় গোটা শরীরকেও৷ তাই জ্বালানো বা পোড়ানোর দিকে আর যেতে চাইছেন না গবেষকেরা৷ বদলে এখন লক্ষ্য হাড়হিম ঠান্ডায় আক্রান্ত কোষগুলিকে জমিয়ে বরফ করে দেওয়া৷ এতে সাপও মরবে, আবার লাঠিও ভাঙবে না৷ টিউমার জমে বরফ হয়ে নিষ্ক্রিয় হবে, তার আশপাশের কোষও শীতল হবে৷

জন্স হপকিন্স ইউনিভার্সিটি, স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ক্রায়ো্যাবলেশন নিয়ে গবেষণা চালাচ্ছে৷ থেরাপিটি মানুষের শরীরে প্রয়োগও করা হচ্ছে৷ এমন থেরাপি এ দেশেও হয়৷ ক্রায়ো্যাবলেশনের প্রক্রিয়া ক্রায়োথেরাপির মতোই৷ চিকিৎসকেরা একে ফ্রিজ থেরাপিও বলেন৷ কিডনি, লিভার, ফুসফুস, স্তন এবং হাড়ের ক্যানসারের চিকিৎসায় এর প্রয়োগ করা হচ্ছে৷ প্রথমে আলট্রাসাউন্ড ও সিটি স্ক্যানের সাহায্যে টিউমারের সঠিক অবস্থান নির্ণয় করা হয়৷ তার পর খুব সূক্ষ্ম সুচ ফুটিয়ে তরল নাইট্রোজেন, হিলিয়াম বা আর্গন গ্যাস টিউমারে ঢুকিয়ে দেওয়া হবে৷ এই তরল গ্যাসের তাপমাত্রা হিমাঙ্কের চেয়েও ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসেরও কম৷ ফলে টিউমারের চারপাশে বরফের গোলক তৈরি হবে৷ তরল গ্যাস ক্যানসার কোষের যত ভিতরে ঢুকতে শুরু করবে, ততই তা জমতে থাকবে৷ শেষে ক্যানসার কোষের ভিতরে ও বাইরে বরফের ক্রিস্টাল তৈরি হবে৷ এই ক্রিস্টাল এমন প্রাচীর তৈরি করবে, যা ভেদ করে রক্ত ও শরীরের পুষ্টি উপাদান কোষগুলিতে পৌঁছোতে পারবে না৷ ফলে একটা সময়ে গিয়ে কোষগুলি নিস্তেজ হয়ে পড়বে, তাদের বাইরের আবরণী বা কোষের পর্দা ফেটে যাবে ও কোষগুলি বিভাজিত হতে না পেরে নষ্ট হতে থাকবে৷

কেন লাভজনক ক্রায়ো্যাবলেশন? কাটাছেঁড়া নেই বলে অস্ত্রোপচারের পরবর্তী যন্ত্রণা কম হবে৷ ক্যানসার চিকিৎসক শুভদীপ চক্রবর্তী জানিয়েছেন, এই থেরাপিতে শরীরের ভিতরে কোনও রশ্মি ঢুকবে না, তাই সুস্থ কোষগুলির ক্ষতি হবে না৷ তরল নাইট্রোজেন বা অন্য গ্যাস এত কম মাত্রায় ঢোকানো হবে, যার কোনও ক্ষতিকর প্রভাব শরীরে পড়বে না৷ এই থেরাপির একমাত্র উদ্দেশ্য হল ক্যানসার কোষকে জমিয়ে বরফ করে ধবংস করে দেওয়া৷ শুধু সেই কাজটুকুই করা হবে৷ কিডনির টিউমারের ক্ষেত্রেও এই থেরাপিটি বিশেষ ভাবে উপযোগী বলে জানিয়েছেন গবেষকেরা৷ রোগীদের উপর পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, ক্রায়ো্যাবলেশনে টিউমারকে জমিয়ে তার অপসারণও সম্ভব হয়েছে৷ শুধু তা-ই নয়, চিরদিনের মতো ক্যানসার ফিরে আসার পথটিকেও বন্ধ করে দেওয়া গিয়েছে৷ এই থেরাপির কারণে রোগীর আর ডায়ালিসিস করার প্রয়োজনও হয়নি৷ গবেষকেরা জানিয়েছেন, স্তন ক্যানসারের চিকিৎসায় থেরাপিটি করলে ফের ক্যানসার ফিরে আসার আশঙ্কা কমবে৷ চিরকালের মতো রোগমুক্তি ঘটবে৷

 

ওজন কমাতে প্লাস্টিক খাচ্ছেন চিনের মানুষ

পি.এন.এ.
Sun, 31-05-2026

ওজন বেশি হলেই শরীরে হাজার ধরনের রোগ বাসা বাঁধতে শুরু করে৷ ডায়াবিটিস হোক বা কোলেস্টেরল, উচ্চ রক্তচাপ হোক বা বাতের সমস্যা চিকিৎসকের কাছে গেলেই তাঁরা সবার আগে সাধারণত ওজন কমানোর পরামর্শ দেন৷ ছিপছিপে শরীর পেতে অনেকেই সমাজমাধ্যম দেখে রকমারি ডায়েটের স্রোতে গা ভাসান৷ ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং থেকে শুরু করে কিটো ডায়েট, মেডিটেরেনিয়ান থেকে ওম্যাড ডায়েট সমাজমাধ্যম খুললেই ওজন কমানোর একাধিক পন্থা চোখে পড়ে৷ সম্প্রতি চিনের বাসিন্দাদের মধ্যে ওজন কমানোর নতুন ট্রেন্ড শুরু হয়েছে৷ রোগা হতে প্লাস্টিক খেতে শুরু করেছেন তাঁরা!

শুনতে অবাক লাগলেও চিনে প্লাস্টিক খেয়ে ওজন ঝরানোর প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেছে৷ লোকে খাবার খাওয়ার আগে একটি পাতলা প্লাস্টিকের টুকরো পুরে দিচ্ছেন মুখে৷ তার পর তাঁরা খাবারটি চিবিয়ে কিছু ক্ষণ মুখে রাখছেন এবং শেষে গিলে ফেলার পরিবর্তে প্লাস্টিক-সহ খাবারটি মুখ থেকে বার করে আনছেন৷ এর ফলে খাবার পেটে না গেলেও মস্তিষ্কে খাবার খাওয়ার সংকেত পৌঁছে যায়৷ যাঁরা লোভনীয় খাবার দেখে নিজেদের আটকাতে পারেন না, তাঁদের জন্য এই টোটকাটি বেশ কাজের৷ এর ফলে, বেশি খাওয়ার প্রবণতা কমে৷

না খেয়েই পেট ভরা অনুভব করার ধারণার উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে এই প্রবণতাটি৷ তবে চিকিৎসকেরা ওজন কমানোর এই প্রক্রিয়াটি আদৌ ভাল চোখে দেখছেন না৷ তাঁদের মতে, অনেকেই হয়তো বুঝতে পারেন না যে, ওজন কমানোর নামে তাঁরা প্রয়োজনীয় পুষ্টির পরিবর্তে ইচ্ছাকৃত ভাবে নিজেদের শরীরে মাইক্রোপ্লাস্টিক প্রবেশ করাচ্ছেন৷ এই ভাবে ডায়েট করে সাময়িক ভাবে ওজন কমলেও শেষমেশ শরীরের বড় ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে৷ বাড়ছে ক্যানসারের মতো রোগের ঝুঁকি৷ এই ওজন ঝরানোর প্রক্রিয়াটি স্বাস্থ্যকর নয়৷ এই পদ্ধতি মেনে খেলে শরীরের ফ্যাট গলতে পারে না, শরীর পর্যাপ্ত পুষ্টি পায় না৷ ফলস্বরূপ পেশি আর শরীর দুর্বল হতে শুরু করে৷

চিকিৎসক শুভম সাহার পরামর্শ, এ ভাবে প্লাস্টিক খেয়ে ওজন কমানোর পরিবর্তে ডায়েটে ফাইবার, প্রোটিন আর জলীয় পদার্থ বেশি করে রেখে ওজন কমানোর প্রক্রিয়া অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর৷ ফাইবার প্রোটিন বা জলীয় উপাদানে সমৃদ্ধ খাবারে ক্যালোরি কম থাকা সত্ত্বেও তা দীর্ঘ ক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখতে পারে৷ অন্যদিকে, অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত বা চিনিযুক্ত খাবারে ক্যালোরির পরিমাণ বেশি হলেও তা খেলে অল্প সময়ের মধ্যেই আবার খিদে পেয়ে যায়, যার ফলে আমরা অতিরিক্ত খেয়ে ফেলি৷ তাই সমাজমাধ্যম দেখে ডায়েট না করে, পুষ্টিবিদের থেকে পরামর্শ নিয়ে ডায়েট করাই স্বাস্থ্যসম্মত৷ আপনার ওজন, উচ্চতা আর শারীরিক সমস্যার কথা বিবেচনা করে তাঁরাই বলতে পারবেন যে, কোন খাবার, কতটা পরিমাণে খেলে শরীরে পুষ্টির ঘাটতিও হবে না আর ওজনও ঝরবে দ্রুত৷

 

শুধু শাসক পরিবর্তন নয়, সামাজিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে হবে

পি.এন.এ.
Sun, 31-05-2026

প্রবীন প্রাউটিষ্ট নেতা শ্রীপ্রভাত খাঁ শ্রীরামপুরে এক আলোচনায় বলেন শুধু শাসক পরিবর্তন করলেই হবে না, সামাজিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে হবে৷ তিনি বলেন শাসক আসে যায় কিন্তু সাধারণ মানুষের ভাগ্যের কোন পরিবর্তন হয় না৷ তারা যে তিমিরে ছিল সেই তিমিরেই আছে৷ শ্রীখাঁ বলেন, জনমতের রায়ে শাসক পরিবর্তন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় স্বাভাবিক ব্যাপার৷ কিন্তু যেখানে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের দায়ীত্ব আইন পরিবর্তন করে প্রধানমন্ত্রী নিজের হাতে নেন সেখানে নির্বাচনী ব্যবস্থায় নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ণ উঠতেই পারে৷ তবু পরিবর্তন যখন হয়েছে নতুন শাসক তখন আসবেন৷ কিন্তু জনগণের ভাগ্যের কোন পরিবর্তন কি আসবে! রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনে জেতার জন্যে যে বিপুল অর্থ ব্যয় করে সে টাকা যোগায় ধনকুবেররা৷ তাই শাসনে এসে নতুন শাসককে সবার আগে ধনকুবেরদের স্বার্থ দেখতে হবে৷ দেশের বর্তমান শাসক ধনকুবেরদের দ্বারাই পরিচালিত হন৷ গত বার বছরে প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুতির একটাও রাখতে পারেননি এবার সাঁজোয়া বাহিনী নিয়ে বাঙলা জয় করতে এসে তিনি যত প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তার কতটা রাখবেন সেটা সময় বলবে৷

শ্রী খাঁ প্রশ্ণ করেন এভাবে শাসক পরিবর্তন হলেই জনগণের কি লাভ৷ শুধু শাসক পরিবর্তন করলেই হবে না৷ জনগণের ভাগ্য পরিবর্তন করতে হলে পুঁজিবাদ নিয়ন্ত্রিত অর্থনৈতিক কাঠামোয় আমূল পরিবর্তন আনতে হবে৷ কেন্দ্রীয় অর্থনীতির খোলনলচে পাল্টে প্রগতিশীল সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিকেন্দ্রিত আর্থিক পরিকল্পনার বাস্তবায়ন করতে হবে৷ এ ব্যাপারে সুস্পষ্ট পথ নির্দেশনা দিয়েছেন মহান দার্শনিক শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকার তাঁর প্রবর্তিত সামাজিক অর্থনৈতিকতত্ত্ব প্রাউট৷ প্রাউটের পরিকল্পিত সামাজিক অর্থনৈতিক অঞ্চল ঘটন করে স্থানীয় সম্পদ স্থানীয় মানুষের হাতে তুলে দিতে হবে৷ তার জন্যে নতুন করে সামাজিক অর্থনৈতিক কাঠামোয় আমূল পরিবর্তন আনতে হবে৷ তবে পুঁজিপতিরা এ কাজ সহজে করতে দিবে না৷ তাই প্রাউটিষ্টদের সমস্ত নীতিবাদী মানুষকে সঙ্গে নিয়ে চলতে হবে৷

 

Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved