সংবাদ দর্পণ

ত্রিপুরায় তৃণমূল ফোবিয়া

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

অতিমারী যখন গোটা দেশের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গেও দাপিয়ে বেড়াচ্ছিল সেই সময় অতিমারীর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বঙ্গজয়ের নেশায়পশ্চিমবঙ্গে দাপিয়ে বেড়াচ্ছিলেন প্রধানমন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সারাদেশের বিজেপির নেতা মন্ত্রীরা৷ ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবও সেই দলে ছিলেন৷ তখন কিন্তু  কারো মনে অতিমারী আতঙ্ক ছিল না৷ যদিও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে সেই সময় পশ্চিমবঙ্গে কোভিড সংক্রমণ মহামারীতে রূপ নেওয়ার অন্যতম কারণ ছিল ম্যারাথন নির্বাচন৷

তবে বিজেপির বঙ্গ জয়ের আশায় ছাই ঢেলে আরও বেশী ভোট ও আসন পেয়ে তৃতীয়বারের জন্যে পশ্চিমবঙ্গ দখলে রাখে তৃণমূল৷ বিজেপির প্রচারে সব থেকে বেশী বিদ্ধ হয়েছিলেন পিসি-ভাইপো (মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়)৷ তবে পশ্চিমবাঙলার মানুষ যে সেই প্রচারকে আমল দেয়নি৷ বরং পিসি ভাইপোকেই বেছে নিয়েছে নির্বাচনী ফলাফলে তা স্পষ্ট৷ সেইসঙ্গে গোটা দেশবাসীর কাছে বার্র্ত গেছে বিজেপি আর অপ্রতিরোধ্য নয়৷ নরেন্দ্র মোদিকেও হারানো যায় দেশবাসী এখন সেটা বিশ্বাস করতে শুরু করেছে৷ যা বিজেপি নেতা মন্ত্রীদের মনে আতঙ্ক ধরিয়েছে৷

তৃণমূল বঙ্গ দখলে রেখে আর এক বাঙালী অধ্যুষিত রাজ্য ত্রিপুরার দিকে নজর দিয়েছে৷ ইতিমধ্যে তৃণমূলের বঙ্গের নেতা নেত্রীরাও ত্রিপুরায় আসা যাওয়া শুরু করেছেন৷ ত্রিপুরার বিজেপি বিরোধী মানুষ এতদিন ছন্নছাড়া হয়ে ছিল৷ পশ্চিমবঙ্গের নির্র্বচন পরবর্তী পরিস্থিতিতে ত্রিপুরার মানুস এখন তৃণমূলের দিকে ঝুঁকছে৷ পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে ভাইপো অভিষেক ব্যানার্জীকে ডায়মণ্ডহারবার থেকে সারা দেশের নেতা বানিয়ে দিয়েছে বিজেপি৷ এই পরিস্থিতিতে অভিষেক ব্যানার্জী ত্রিপুরায় পা রাখতেই বিজেপি বিরোধী জনতা নতুন করে জোট বাঁধছে তৃণমূলের ছত্রছায়ায়৷ ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজন বিরোধী নেতা তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন৷ এই অবস্থায় ত্রিপুরার বিজেপি নেতা মন্ত্রীরা তৃণমূল আতঙ্কে সংক্রমিত হয়ে পড়েছে৷ কোনমতেই তারা অভিষেক ব্যানার্জীকে এক ইঞ্চি জমি ছাড়তে নারাজ৷ তাই সবরকম গণতান্ত্রিক রীতি নীতিকে উপেক্ষা করে তৃণমূলকে রুখতে অগণতান্ত্রিক দাওয়াই কেই হাতিয়ার করছে বিজেপি৷ এক বিধায়ক তো হুমকি দিয়েছেন তালিবানী কায়দায় তৃণমূলকে রুখবে বলে৷ ইতিমধ্যে বেশ কয়েকবার তৃণমূলের পশ্চিমবঙ্গের নেতা মন্ত্রীরা শাসকদলের ক্যাডারদের হাতে আক্রান্ত হয়েছেন৷ পুলিশ প্রশাসনও নানা মামলায় জড়িয়ে হেনস্থা করছেন৷ এই অবস্থায় গত ২২ তারিখে অভিষেক ব্যানার্জী ত্রিপুরায় মহামিছিলের ডাক দিয়েছিলেন৷

বিপ্লব দেবের প্রশাসন অতিমারীর অজুহাত দেখিয়ে সেই মিছিলের অনুমতি দেয়নি৷ তৃণমূল উচ্চআদালতে গেলে আদালতও প্রশাসনের বক্তব্য মেনে মিছিলের অনুমতি দেয়নি৷

এই পরিস্থিতিতে বিরোধী নেতাদের ও রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের অভিমত তৃণমূলকে ভয় পেয়েছে বিপ্লব দেবের সরকার৷ এমনিতেই যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিজেপি ত্রিপুরায় ক্ষমতায় এসেছিল তার কোনো প্রতিশ্রুতি এখনো পর্যন্ত পালন করেনি৷  বিরোধীদের ওপরও নানা অত্যাচার  চলছে৷ এইসব কারণে জনগণের একটা বড় অংশ এখন বিজেপির বিরুদ্ধে৷ যে উপজাতিদের উপর ভর করে বিপ্লব দেব ক্ষমতায় এসেছিলেন সেই উপজাতিরাও বিজেপি থেকে মুখ ফিরিয়েছে৷ এ.ডি.সি নির্বাচনে বিজেপি পর্যদুস্ত হয়েছে৷ প্রদ্যুত দেব বর্মনের নেতৃত্বে  নতুন দল তিপ্রামথা এডিসির ক্ষমতা দখল করেছে৷

 এখন যদি  তৃণমূল ত্রিপুরায় ঘাঁটি গাড়তে পারে তবে  ২০২৩ শে নির্বাচনে বিজেপির ফিরে আসা মুসকিল হবে৷ দলের মধ্যে একটা বড় অংশ বিপ্লব দেবের বিরুদ্ধে চলে গেছে৷ পশ্চিমবঙ্গে যেভাবে  নির্বাচনের পরে দল বদলের  উল্টোস্রোত শুরু হয়েছে ত্রিপুরাতেও সেই আশঙ্কা বিজেপির মধ্যে আছে৷ ইতিমধ্যে দল বদলে বিজেপিতে যাওয়া বেশকিছু নেতা তলে তলে তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন৷

তাই ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী এখন ত্রিসংকটে পড়েছেন৷ জনগণের আশাপূরণ না হওয়ার ক্ষোভ, দলের বিক্ষুদ্ধ গোষ্ঠী, আবার তৃণমূলের ত্রিপুরার মাটিতে ঘাঁটি গাড়ার চেষ্টা৷ ইতিমধ্যে কংগ্রেসের বরাক বঙ্গের জনপ্রিয় নেত্রী সুস্মিতা দেব তৃণমূলে যোগ দিয়ে ত্রিপুরার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিষেকের সঙ্গে৷ সব মিলিয়ে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী এখন তৃণমূল আতঙ্কে আতঙ্কিত ৷

 

গোড্ডায় অখণ্ড কীর্ত্তন

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

গত ২০শে সেপ্ঢেম্বর ঝাড়খণ্ডের গোড্ডায় ছয় ঘন্টা অখণ্ড ‘ৰাৰা নাম কেবলম্‌’ মহানাম মন্ত্র কীর্ত্তন অনুষ্ঠিত হয়৷ সকাল ৭-৩০ মিনিটে কীর্ত্তন শুরু হয় ও অপরাহ্ণ ১-৩০ মিনিটে কীর্ত্তন শেষ হয়৷ কীর্ত্তন উপলক্ষ্যে গোড্ডা ডিটের মার্গী ভাই বোন ও বহু সাধারণ মানুষ সমবেত হয়েছিলেন৷ সকলেই কীর্ত্তনের সুর মুর্চ্ছনায় এক স্বর্গীয় পরিবেশে ছয় ঘন্টা অতিবাহিত করেন৷ কীর্ত্তন ও মিলিত সাধনা শেষে জেলার ভুক্তি প্রধান শ্রী ভূপাল পণ্ডিত কীর্ত্তন মাহাত্ম্য ও  আনন্দমার্গ দর্শন বিষয়ে বক্তব্য রাখেন৷

কীর্ত্তন শেষে স্থানীয় দুঃস্থ মানুষের হাতে বস্ত্র বিতরণ করা হয়৷ সমগ্র অনুষ্ঠানটির আয়োজন করেন গোড্ডার ডিট এস আচার্য সুধাময়ানন্দ অবধূত ও স্থানীয় ইয়ূনিটের মার্গী ভাই বোনেরা৷

চিকিৎসা শিবির

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

আনন্দমার্গ ইয়ূনিবার্র্সল রিলিফটিমের  উদ্যোগে বিভিন্ন জেলার মানুষকে স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পর্কে সচেতন করতে ও অসুস্থদের চিকিৎসা করতে চিকিৎসা শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে৷ সম্প্রতি উত্তর দিনাজপুর জেলার দুয়ারিনে ও কাটিহার লতিপুরে দুটি স্বাস্থ্য শিবিরের আয়োজন করা হয়৷ দুই স্বাস্থ্যশিবিরে শতাধিক মানুষ স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান৷ তাদের প্রয়োজনীয় ঔষধ দেওয়া হয়৷

গত ২১শে সেপ্ঢেম্বর উত্তর দিনাজপুর গৌরভাসায় একটি স্বাস্থ্য শিবিরের আয়োজন করা  হয়েছিল৷ এখানে ১৫৬ জন রুগ্ণ মানুষের চিকিৎসা করা হয় ও প্রয়োজনীয় ঔষধ দেওয়া হয়৷ স্বাস্থ্য শিবিরগুলি পরিচালনা করেন অবধূতিকা আনন্দ রসপ্রজ্ঞা আচার্যা৷

প্রভাত সঙ্গীত অবলম্বনে সঙ্গীত, নৃত্য ও অঙ্কন প্রতিযোগিতা

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

গত ১৯শে সেপ্ঢেম্বর পাঁশকুড়া ‘‘শুভমণ্ডপ’’ অতিথি নিবাসে রেণেসাঁ আর্টিষ্ট এ্যাণ্ড রাইটার্স এ্যাসোসিয়েশনের পাঁশকুড়া শাখার উদ্যোগে প্রভাত সঙ্গীত অবলম্বনে নৃত্য,গীত ও অঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিল৷ বিভিন্ন বিভাগে মোট ৯১জন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেছিলেন৷

অনুষ্ঠান শেষে অপরাহ্ণ পাঁচটায় সফল প্রতিযোগীদের হাতে  পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়৷ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন পূর্ব মেদিনীপুর ভুক্তির রাওয়া সম্পাদিকা শ্রীমতি অলোকা বর্মন, জেলার ভুক্তি প্রধান মানস কালসার ও আনন্দমার্গ প্রচারক সংঘের মহিলা বিভাগের ডায়োসিস সচিব অবধূতিকা আনন্দ উৎপলা আচার্যা৷ সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন জেলার রাওয়া যুগ্ম সম্পাদিকা শ্রীমতি চন্দনা পণ্ডিত, শ্রীমতি সুচেতা  জানা৷

রেলের হকার উচ্ছেদের বিরুদ্ধে ‘আমরা বাঙালী’র ডেপুটেশন

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

পূর্বরেলের বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজারের পক্ষ থেকে একটি  বিজ্ঞপ্তি জারি করে হকার উচ্ছেদের কথা বলা হয়৷ সেই অনুসারে ব্যারাকপুর ষ্টেশনে হকার উচ্ছেদের একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়৷  গত ২০শে সেপ্ঢেম্বর ‘আমরা বাঙালী সংঘটনের কয়েকজন নেতা কর্মী হকার উচ্ছেদের প্রতিবাদ জানিয়ে রেলের ব্যারাকপুর ষ্টেশন মাষ্টারের কাছে একটি স্মারকলিপি  প্রদান করা হয়৷

ব্যারাকপুর ষ্টেশন সংলগ্ণ অঞ্চলে দীর্ঘবছর  ধরে প্রায় ২০০ বাঙালী হকার ব্যবসা বাণিজ্য করে জীবিকা নির্বাহ করে৷ বর্তমানে করোনা পরিস্থিতিতে এমনিতেই সাধারণ মানুষের আর্থিক  অবস্থা সংকটজনক৷

এই পরিস্থিতিতে হকার উচ্ছেদ হলে ওই পরিবার গুলি আর্থিক দুর্দশায় পড়বে৷ তাই আমরা বাঙালীর দাবী বিকল্প জীবিকার ব্যবস্থা না করে হকার উচ্ছেদ করা চলবে না৷ ডেপুটেশনে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয়, সংঘটন সচিব জয়ন্ত দাশ, সমতটের  সংঘঠন সচিব অরূপ মজুমদার, ছাত্র-নেতা তপোময় বিশ্বাস, বাঙালী মহিলা সমাজের  নেত্রী সাগরিকা পাল, মিন্টু বিশ্বাস, সুশীল জানা প্রমুখ৷

সামাজিক  বিভাজন অর্থনৈতিক  বৈষম্য নীতিভ্রষ্ট নেতৃত্ব প্রগতির পরিপন্থী--- প্রাউটিষ্ট ইয়ূনিবার্র্সল

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

প্রবীণ প্রাউটিষ্ট নেতা ও প্রাউটিষ্ট ইয়ূনিবার্সালের সক্রীয় কর্মী শ্রী প্রভাত খাঁ হুগলী শ্রীরামপুরে  এক আলোচনায় বলেন--- সমাজে আজ সৎ-নীতিবাদী মানুষের  অভাব৷ রাজনৈতিক নেতাদের আদর্শ বলে কিছু নেই৷ গয়ারাম-আয়ারামের মত এ-দল ও-দল করে বেড়াচ্ছে৷ আদর্শ-ভ্রষ্ট এই নেতাদের দ্বারা মানুষের কল্যাণ করা সম্ভব নয়৷ সমাজকে সঠিকপথে পরিচালনা করতে আজ একদল সৎ-নীতিবাদী আদর্শ নেতৃত্বের প্রয়োজন৷ সেই নেতৃত্ব হবে প্রাউটের আদর্শে দীক্ষিত ও আধ্যাত্মিক নীতিবাদে প্রতিষ্ঠিত৷

শ্রী খাঁ বলেন--- স্বাধীনতার ৭৪ বছর পরেও দেশ থেকে  সামাজিক বিভাজন ও অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করার কোন প্রয়াস কোন শাসক দলই করেনি৷ করেননি কারণ গয়ারাম আয়ারাম নেতারা শোষকের হাতের  ক্রীড়ানক৷ সামাজিক বিভাজন ও অর্থনৈতিক বৈষম্যই শোষণ বজায় রাখার অনুকূল পরিবেশ৷ তাই পুঁজিপতি শোষকরা কৌশলে রাজনৈতিক নেতাদের হাতিয়ার করে বিভাজনের রাজনীতি করে যাচ্ছে৷ তাই আজ মানব সমাজে নারী-পুরুষ বিভাজন, জাত-পাতের  বিভাজন, বর্ণগত, জন্মগত বিভাজন৷ এইভাবে বিভেদ সৃষ্টি করে মানুষে মানুষে সংঘাত বজায় রেখে পুঁজিপতিরা সমাজের  বুকে শোষণ চালিয়ে যাচ্ছে৷ তিনি বলেন সমস্ত প্রকার বিভাজন ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রাউটিষ্টরা আন্দোলন করে যাচ্ছে মানুষের মধ্যে জাগরণ ঘটাতে৷ শ্রী খাঁ বলেন শুধু মানুষের সমাজে নয় প্রাউটিষ্টরা সমস্ত প্রকার জৈব সংরচনাগত পার্থক্য মুছে দিতে চায়৷ মানুষের কাছে মানুষের প্রাণ যতটা প্রিয়, সমস্ত প্রকার জীবের কাছেই তাদের  প্রাণ ততটাই প্রিয়৷ মানুষের যেমন বেঁচে থাকা জন্মগত অধিকার, তেমনি উদ্ভিদ জগত-পশুজগতেরও বেঁচে থাকা জন্মগত অধিকার৷ প্রাউটিষ্টরা যেমন মানুষের অধিকার অর্জনের  জন্যে আন্দোলন করে যাবে তেমনি পশুপক্ষী জীবজগতকেও তাদের অধিকার ফিরিয়ে দিতে সংগ্রাম করে যাবে৷

পরিশেষে শ্রী খাঁ বলেন অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও আজ চরম শোষণ ও বৈষম্য বজায় রয়েছে৷ ব্রিটিশ পরবর্তী ভারতে -ঔপনিবেশিক শোষণ স্বাধীন ভারতে ফ্যাসিষ্ট শোষণের রূপ ধারণ করেছে৷ সমাজ থেকে এই শোষণ নির্মূল করে মানুষকে নূ্যনতম প্রয়োজন পূর্ত্তির নিশ্চিততা দিতে হবে, ক্রয় ক্ষমতার নিশ্চিততা দিতে হবে৷ এ ব্যাপারে প্রাউটিষ্টরা কোন আপোষের পথে যাবে না৷ সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে প্রাউটিষ্টরা আন্দোলন করে যাবে যত দিন না মানুষের অধিকার অর্জিত হয়৷

প্রভাতসঙ্গীত অবলম্বনে সাংস্কৃতিক  সন্ধ্যা

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

৩৯তম প্রভাত সঙ্গীত দিবস উপলক্ষ্যে গত ১৯শে সেপ্ঢেম্বর অনলাইনে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা উপহার দেয় রেনেসাঁ আর্টিস্ট এ্যাণ্ড রাইটার্স এ্যাসোসিয়েশন৷

প্রভাত সঙ্গীতের রচয়িতা ও সুরকার প্রাউট প্রবক্তা মহান দার্শনিক শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকার আধ্যাত্মিক জগতে যিনি         শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তি  নামে পরিচিত৷

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন--- রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ব বিদ্যালয়ের সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক গোপালচন্দ্র মিশ্র, সম্মানীয় অতিথি ছিলেন গুয়াহাটি আই.আই.টির  অধ্যাপক শুভেন্দু শেখর বাগ৷

অধ্যাপক মিশ্র বলেন- ৮টি ভাষায় রচিত প্রভাতসঙ্গীত- প্রভাত কালের সঙ্গীত নয়৷  সঙ্গীত ও সংস্কৃতির জগতে নূতন প্রভাত এনেছে যে সঙ্গীত তাই প্রভাতসঙ্গীত৷ অধ্যাপক শুভেন্দু শেখর  বাগ বলেন---প্রভাতসঙ্গীত এমনই উচ্চাঙ্গের ভক্তিমূলক গান যা মানুষের হৃদয়ের গভীরে স্পর্শ করে৷ অনুষ্ঠানে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের শিল্পীরা ভারতের বিভিন্ন ঘরানার নৃত্য পরিবেশন করেন প্রভাতসঙ্গীত অবলম্বনে৷ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিল্পীরা অনলাইনে প্রভাতসঙ্গীত পরিবেশন করেন৷ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ছিলেন আনন্দমার্গ প্রচারক সংঘের কেন্দ্রীয় জনসংযোগ সচিব আচার্য দিব্যচেতনানন্দ অবধূত৷

 

ধর্মস্য গ্লাণির্ভবতি

সংবাদদাতা
পি.এন.এ.
সময়

‘‘গ্লাণি শব্দের অর্থ--- কোন জিনিসের যা স্বীকৃত মান তার চেয়ে নীচু হলে তাকে বলে---গ্লাণি৷’’

মানবধর্মের স্বীকৃত মান অনুযায়ী--- নারী-পুরুষ, জাত-পাত-সম্প্রদায় ধনী-দরিদ্র সর্বপ্রকার বৈষম্যের ঊধের্ব ধর্মের স্থান, ধর্মের দোহাই দিয়ে যেখানে নারী-পুরুষের বৈষম্য, উঁচু জাত -নীচু জাতের বৈষম্য,ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য --- সেখানে ধর্মের গ্লাণি বর্বর রূপ ধারণ করেছে৷

অর্থমন্ত্রীর কোপে পেনশনভোগীরা

সংবাদদাতা
পি.এন.এ.
সময়

২০১৪ সালে মোদী প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসেন প্রায় ষাট লক্ষ কোটি টাকা ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে৷ সাত বছরে সেই বোঝা বেড়ে হয়েছে ১৯৭ লক্ষ কোটি টাকার ওপর৷ অচ্ছাদিনের আবাজ তুলে মোদী দিল্লীর সিংহাসনে বসেছিলেন৷ সেই অচ্ছা দিন সাতবছরেও আম জনতার নাগালের বাইরে৷ সরকার ইতিমধ্যেই রেল বীমা সহ বিভিন্ন সরকারী সংস্থা বেচে আয়ের পথ করছে৷ আবার ব্যায়ের বহর কমাতেও তৎপর সরকার৷ তাই কোপ পড়তে  চলেছে পেনশন ভোগীদের ওপর৷

সরকারী হিসেবে কেন্দ্রীয় সরকারী কর্মচারীর সংখ্যা ৩১.৪৩ লক্ষ৷ সশস্ত্র বাহিনীর হিসাব ধরলে সংখ্যাটা হবে প্রায় ৪৫ লক্ষ৷ বর্তমানে পেনশন ভোগীদের সংখ্যাটা ৫২ লক্ষের কাছাকাছি৷

২০২১-২২ আর্থিক বাজেটে পেনশনের খরচ ধরা হয়েছে, ১ লক্ষ ৮৯ হাজার ৩২৮ কোটি টাকা৷ ২০২০-২১ অর্থবর্ষে পেনশন দিতে খরচ হয়েছে ২ লক্ষ ৪ হাজার ৩৯৩ কোটি টাকা৷ পেনশন ভোগীদের খরচের পরিমাণ কমানোর পরিকল্পনা করেই বর্তমান আর্থিকবর্ষে পেনশন দিতে খরচ এতটা কম ধরা হয়েছে৷ অর্থাৎ বেহাল আর্থিক দশা সামলাতে এবার পেনশনভোগীদের লক্ষ্য সরকারের

পুকুর নয়, পুল চুরি

সংবাদদাতা
পি.এন.এ.
সময়

বাংলায় বড় কোন চুরি হলে প্রবাদ বাক্যে বলে ‘পুকুর চুরি’৷ সম্ভবত এবার প্রবাদ বাক্যটি পরিবর্তন হয়ে পুল চুরি হয়ে যাবে৷ ১২ই সেপ্ঢেম্বর উত্তর প্রদেশে একটি খবরের কাগজের বিজ্ঞাপনে মুখ্যমন্ত্রী যোগীর উন্নয়নের জৌলুস প্রচার করতে কলিকাতার বিজ্ঞান নগরীর সঙ্গে রবীন্দ্রসদন সংযোগ সেতু ‘মা উড়াল পুল’ চুরি করা হয়৷ বিজ্ঞাপনের ছবিটি কলিকাতার ‘মা’ উড়াল পুলের, পাশে অবশ্য একটি বিদেশী কারখানাও জুড়ে দেওয়া হয়েছে৷ গত বিধানসভা নির্বাচনে প্রচারে এসে যোগী আদিত্যনাথ কলকাতার হতশ্রী চিত্র নিয়ে অনেক কটাক্ষ করেছিলেন৷ এখন নিজের  নির্বাচনী বিজ্ঞাপনে কলিকাতার জৌলুস চুরি করে প্রচার করছে৷ এই নিয়ে গোটা দেশে নিন্দার ঝড় উঠেছে সংবাদপত্রটি অবশ্য ভূল স্বীকার করেছে৷ তবে এতেও নিন্দুকেরা ছেড়ে কথা বলছে না৷ তাদের দাবী যোগী সরকারের চাপের কাছে মাথা নত করেছে ওই সংবাদপত্রটি৷