Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

সংবাদ দর্পণ

দুর্দিনে পথ দেখাচ্ছে রান্নার গ্যাসে আত্মনির্ভর উত্তর ভারতের গ্রাম

পি.এন.এ.
Thu, 23-04-2026

পঞ্জাবের হশিয়ারপুর জেলার লম্ব্রা কাঙ্গরী গ্রাম৷ বিগত দশ বছর এই গ্রামের বেশির ভাগ মানুষ এলপিজি ব্যবহারকে বয়কট করেছেন৷

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতি৷ তাতে শামিল হয়েছে আমেরিকাও৷ পশ্চিম এশিয়ায় অশান্তি মানেই বিশ্বে জ্বালানি তেলের সঙ্কটের আভাস ওঠা অবশ্যম্ভাবী৷ এরই সঙ্গে রান্নার গ্যাস বা এলপিজি নিয়েও মধ্যবিত্তের কপালে চিন্তার ভাঁজ দেখা দিচ্ছে৷ বাণিজ্যিক গ্যাসের আকালের জন্য দেশের বহু জায়গায় ছোটখাটো রেস্তরাঁর বন্ধ হয়ে যাওয়ার খবরও দেখা দিয়েছে৷

এখনও পর্যন্ত বহু জায়গাতেই সে ভাবে রান্নার গ্যাস বা জ্বালানি তেলের সমস্যা না দেখা দিলেও, ভারতে ইতিমধ্যে এলপিজির মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে৷ তারই সঙ্গে যুদ্ধ পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে তা-ও বলা যাচ্ছে না৷ এমতাবস্থায় ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগে ভোগা অস্বাভাবিক কিছু নয়৷

বর্তমান যুগে নিম্নমধ্যবিত্ত থেকে উচ্চবিত্ত, ভারতের বেশির ভাগ পরিবারই রান্নার জন্য এলপিজির উপর নির্ভরশীল৷ অর্ধেকেরও বেশি সংখ্যক বাড়িতেই বিকল্প উপায় নেই বললেই চলে৷ ইন্ডাকশন অভেনের চল থাকলেও অনেকেই এখনও সে পথে পা বাড়াননি৷

কিন্তু ভবিষ্যতে ভারতে যদি রান্নার গ্যাসের আকাল ভয়াবহ রূপেও দেখা যায়, তা-ও একটি গ্রামের মানুষজনের জীবনধারায় তার কোনও প্রভাব পড়বে না৷ তাঁদের আগেও যেমন সব চলছিল, ভবিষ্যতেও সবই তেমন দিব্য চলবে৷ রান্নার গ্যাসের না থাকা এঁদের ভাবাবে না৷

কথা হচ্ছে পঞ্জাবের হশিয়ারপুর জেলার লম্ব্রা কাঙ্গরী গ্রাম নিয়ে৷ বিগত দশ বছর ধরে এই গ্রামের বেশির ভাগ মানুষ এলপিজি ব্যবহারকে বয়কট করেছেন৷

তবে রান্নার গ্যাসের উপর রাগ করে বা অন্য কোনও নেতিবাচক কারণে সেটিকে বাদ দেননি এঁরা৷ এলপিজির বিকল্প পেয়ে যাওয়ার এঁরা আর সেটির দিকে ফিরে তাকানোর প্রয়োজন মনে করেননি৷

সাল ২০১৬৷ লম্ব্রা কাঙ্গরী মাল্টিপারপস কোপারেটিভ সোসাইটির তরফ থেকে বানানো হয়েছিল একটি জৈব গ্যাস প্ল্যান্ট৷ প্রতি দিন আনুমানিক ২৫০০ কেজি গোবর সেই প্ল্যান্টে দেওয়া হয়৷ সেখানে তৈরি হয় মিথেন, যা পাইপের সাহায্যে গ্রামের বাড়িগুলিতে পাঠানো হয়৷

গ্রামের মোট ৪৪টি বাড়ি সেই গোবরগ্যাসের সাহায্যে নিজেদের জীবন এগিয়ে নিয়ে চলেছেন৷ গত দশ বছর ধরে তাঁরা এই গ্যাসের উপর নির্ভর করেই রান্না করছেন৷

প্রতি দিন সকালে গ্রামের এই ৪৪টি বাড়ি থেকে গোবর সংগ্রহ করে এনে জৈব গ্যাসের প্ল্যান্টে ফেলা হয়৷ তার পর সেখান থেকে মিথেন উৎপন্ন হয়ে পাইপের সাহায্যে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে যায়৷ একটা রান্নার গ্যাস কিনতে যেখানে হাজার টাকার কাছাকাছি বেরিয়ে যায়, সেখানে জৈব গ্যাস উৎপাদনে মাসিক ২০০-৩০০ টাকা মতো খরচ হয়৷

লম্ব্রা কাঙ্গরীর বাসিন্দা জসবিন্দ্র সিংহ সৈনীর মাথায় সবার প্রথমে গ্রামকে পরিবেশবান্ধব করে তোলার ভাবনা ডানা মেলেছিল৷ তিনি শিক্ষামূলক ভ্রমণের সূত্রে দক্ষিণ কোরিয়া গিয়েছিলেন৷ দক্ষিণ কোরিয়ার লোকেদের বর্জ্য পদার্থ থেকে শক্তি উৎপাদনের চল নজর কাড়ে জসবিন্দ্রের৷ তিনি তখনই ঠিক করে নেন যে নিজের গ্রামে ফিরে তিনি এই ব্যবস্থা প্রয়োগের চেষ্টা করবেন৷ গ্রামে ফেরার পর জসবিন্দ্র দেখেন যে কী ভাবে শয়ে শয়ে গরুর বর্জ্য লম্ব্রা কাঙ্গরীর জলনিকাশি ব্যবস্থাকে দুর্বল করে তুলছে৷ গোবর জমে নর্দমা, খাল প্রভৃতির মুখ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে৷ জল বেরোতে পারছে না৷ তাই দেখে জৈব গ্যাস প্রকল্পের স্বপ্ণকে বাস্তবায়িত করার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠেন জসবিন্দ্র৷ তিনি লুধিয়ানায় অবস্থিত পঞ্জাব কৃষি বিদ্যালয় এবং পঞ্জাব দূষণ নিয়ন্ত্রক বোর্ডের থেকে কারিগরি সহায়তা পাওয়ার জন্য কথা বলেন৷ সেখান থেকে জসবিন্দ্রকে সাহায্যও করা হয়৷

এ ছাড়া কেন্দ্রীয় পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি মন্ত্রণালয় থেকে তিনি ২ লক্ষ টাকা সরকারি অনুদান পেয়েছিলেন৷ এরই সঙ্গে লম্ব্রা কাঙ্গরী কো-অপারেটিভ সোসাইটি জসবিন্দ্রকে বেশ বড় অঙ্কের অনুদান দেন৷ সে সবের সাহায্যে ২০১৬-তে তিনি নিজের গ্রামে জৈব গ্যাসের প্ল্যান্ট বানানোর স্বপ্ণ পূরণ করতে সফল হন৷

লম্ব্রা কাঙ্গরীর জৈব গ্যাস প্ল্যান্টটি চালনা করার জন্য আলাদা কর্মীর প্রয়োজন পড়ে না৷ গ্রামের মানুষেরাই সেটি চালনা করতে পারেন৷ সকালে সেখানে গোবর ফেলে দিলেই তাঁদের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায়৷ তার পর প্ল্যান্ট সংলগ্ণ ভূগর্ভস্থ পাইপের মাধ্যমে বাড়িগুলিতে মিথেন পৌঁছে যায়৷ কোন বাড়িতে কী পরিমাণ গ্যাস ব্যবহার করা হচ্ছে সেটি পরিমাপেরও ব্যবস্থা করা আছে৷ ৪৪টি পরিবারের প্রতিটিতে মাসিক কতটা করে জৈব গ্যাসের প্রয়োজন পড়ে সেটি হিসাব করা হয় ডিজিটাল মিটারের সাহায্যে৷ তার পর তাঁদের বাড়িতে রসিদ পৌঁছে যায়৷

 

৩০ বছর ধরে ডুবুরি বন্ধুর ঋণশোধ করছে একটি মাছ

পি.এন.এ.
Thu, 23-04-2026

 পেশাগত কারণে উপকূলবর্তী এলাকায় গিয়ে সমুদ্রে ডুব দিয়ে কাজ সারছিলেন তরুণ ডুবুরি৷ তখনই একটি আহত মাছ দেখে সমুদ্রের তলা থেকে উদ্ধার করেন তিনি৷ সেই মাছটিকে খাইয়েদাইয়ে সুস্থ করে আবার সমুদ্রে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন ডুবুরি৷ মানুষ-বন্ধুর এই উপকার ভুলতে পারেনি মাছটি৷ ৩০ বছর ধরে বন্ধুর ‘ঋণশোধ’ করতে ডুবুরির সঙ্গে দেখা করে যায় সে৷ ডুবুরিও সেই মাছটির জন্য খাবার নিয়ে যান৷ সমুদ্রের তলায় ভাসতে ভাসতে দুই বন্ধু দেখাসাক্ষাৎ সারে৷ ‘আর/মাইল্ডিইন্টেরেস্টিং’ নামের অ্যাকাউন্ট থেকে রেডিটের পাতায় একটি ভিডিয়ো পোস্ট করা হয়েছে৷ সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে যে, এক ডুবুরির সামনে বিশাল একটি মাছ ঘোরাফেরা করছে৷ ডুবুরি সেই মাছের মুখের ভিতর খাবার পুরে দিলেন৷ তার পর মাছটিকে আদর করতে শুরু করলেন তিনি৷ এই ঘটনাটি সম্প্রতি জাপানের চিবা প্রিফেকচার তাতেইয়ামা উপকূলের নিকটবর্তী শিন্তো গেটের কাছে ঘটেছে৷ ৩০ বছর আগে দৈনন্দিন নজরদারির কাজ সারতে সেই এলাকায় ডুব দিয়েছিলেন ডুবুরি হিরোউকি আরাকাওয়া৷ জাপানের বাসিন্দা তিনি৷

নজরদারি করার সময় এশীয় শিপ্সহেড র‌্যাস প্রজাতির একটি মাছকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করেন তিনি৷ মাছটিকে খাইয়েদাইয়ে সম্পূর্ণ সুস্থ করে আবার সমুদ্রে ছেড়ে দিয়েছিলেন হিরোউকি৷ ভালবেসে মাছটির নাম ইওরিকো রেখেছিলেন হিরোউকি৷ তার পর থেকে যখনই তিনি ওই এলাকায় ডুব দেন, তখনই ইওরোকি তাঁর কাছে চলে আসে৷ ডুবুরির চারদিকে পাক খেয়ে সাঁতার কাটতে থাকে সে৷ হিরোউকিও তাঁর বন্ধুর জন্য নিয়মিত খাবার নিয়ে যান৷ ৩০ বছর ধরে জলের তলায় বন্ধুত্ব বজায় রেখেছেন তিনি৷ ভিডিয়োটি সমাজমাধ্যমের পাতায় ছড়িয়ে পড়লে তা ভালবাসায় ভরিয়ে দেন নেটপাড়ার অধিকাংশ৷ এক নেটাগরিক লিখেছেন, ‘‘মাছটি তার বন্ধুর উপকার ভুলতে পারেনি৷ নিয়ম করে বন্ধুর সঙ্গে দেখা করে যায়৷ 

 

পাঁচ বছরে মানবজাতিকে নিশ্চিহ্ণ করতে পারে কৃত্রিম মেধা! সতর্কবার্তা প্রাক্তন গবেষকের

পি.এন.এ.
Thu, 23-04-2026

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বাড়বাড়ন্ত মানবসভ্যতাকে যে বিপদের সম্মুখীন করবে, পরমাণু অস্ত্রের আঘাতের চেয়েও তা হবে ভয়ঙ্কর৷ উন্নত এআই ভুল হাতে পড়লে বা নিজে থেকে সিদ্ধান্ত নিতে শুরু করলে তা বিশ্ব জুড়ে বিধবংসী সাইবার আক্রমণ বা স্বয়ংক্রিয় যুদ্ধের সূচনা করতে পারে৷

এই আশঙ্কার কথা শুনিয়েছেন খোদ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে কাজ করা বিশেষজ্ঞ৷ তিনি কৃত্রিম মেধা সংস্থা ওপেনএআইয়ের গভর্ন্যান্স টিমের প্রাক্তন গবেষক ড্যানিয়েল কোকোতাজলো৷ সম্প্রতি আমেরিকার টিভির জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘দ্য ডেইলি শো’-তে কথা বলতে গিয়ে হতাশার কথাই শুনিয়েছেন তিনি৷ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এই গবেষক৷ তাঁর মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই ঝুঁকিগুলি প্রকট হতে আর বেশি দেরি নেই৷ আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই সমস্যা দেখা দিতে পারে৷ এআইয়ের ভবিষ্যৎ নিয়েও খুব একটা আশাবাদী নন কোকোতাজলো৷ বরং একটি হতাশাজনক চিত্রই তুলে ধরেছেন তিনি৷ কী ভাবে দ্রুত উন্নত হওয়া কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবস্থাগুলি মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে তা নিয়ে বিশদ আলোচনা করেছেন এই গবেষক৷ তাঁর এই সতর্কবার্তা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা নিয়ে চলমান বৈশ্বিক উদ্বেগেরই প্রতিফলন৷

কোকোতাজলোর বক্তব্যের মূল সুরটি হল, এআই ব্যবস্থাকে যদি মানুষের নৈতিকতা ও নিয়ন্ত্রণ কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তোলা না হয়, তবে তা অচিরেই মানবজাতির অস্তিত্বের জন্য হুমকির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে৷ ‘আর্টিফিশিয়াল জেনারেল ইন্টেলিজেন্স’-এর (এজিআই) নিরলস সাধনার চেয়ে নিরাপত্তার অগ্রাধিকারের পক্ষে সওয়াল করেছিলেন তিনি৷ কিন্তু এআই প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করা সংস্থাগুলির উপর আস্থা বজায় রাখতে পারেননি তিনি৷

যদি এআই সিস্টেমের লক্ষ্য এবং মানুষের নৈতিকতা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে সামঞ্জস্য না থাকে, তবে এটি অনিয়ন্ত্রিত হয়ে উঠতে পারে৷ যদি এআই-এর নিয়ন্ত্রণ মানুষের হাত থেকে চলে যায়, এর পরিণাম মানবজাতির বিলুপ্তি৷ আর এর আশঙ্কা ৭০ শতাংশের কাছাকাছি৷ এমনটাই মত কোকোতাজলোর৷ ‘বিলুপ্তি’ শব্দটির উপর জোর দিতেও শোনা গিয়েছে তাঁকে৷

এই ধরনের ভবিষ্যদ্বাণী মানবজাতিকে আতঙ্কগ্রস্ত করে তুললেও এআই গবেষক জোর দিয়ে বলেছেন যে, এআই-এর গতি শুধু দ্রুতই নয় বরং আগ্রাসী৷ প্রতি বছর তা আরও বাড়ছে৷ তিনি বলেন, ‘‘এআই-এর অগ্রগতি অত্যন্ত দ্রুত হবে এবং এটি নাটকীয় ভাবে ত্বরান্বিত হবে৷’’ শুধু তা-ই নয়, কৃত্রিম মেধার বাড়বাড়ন্তের সময়সীমাই তাঁর সতর্কবার্তাকে আরও বেশি উদ্বেগজনক করে তুলেছে৷ তাঁর উদ্বেগের মূল কারণ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষেত্রে মানবজাতির ক্ষমতা কমে যাওয়া৷ এই বিষয়টিই সবচেয়ে বেশি ভাবাচ্ছে ওপেনএআইয়ের প্রাক্তন গবেষককে৷ বর্তমানে একটি এআই সিস্টেম বন্ধ করতে হলে তা প্লাগ খুলে ফেলার মতোই সহজ মনে হতে পারে৷ কিন্তু কোকোতাজলো সতর্ক করেছেন যে, ভবিষ্যতে এই বিকল্প না-ও থাকতে পারে৷

যেহেতু এআই সিস্টেমগুলো প্রতিরক্ষা ও সামরিক নেটওয়ার্কের মতো পরিকাঠামোর গভীরে আরও বেশি করে গেঁথে যাচ্ছে, তাই সেগুলিকে থামানোর যে কোনও প্রচেষ্টা অনেক বেশি জটিল হয়ে উঠতে পারে৷ এমন পরিস্থিতিতে, মানুষ হয়তো বিচ্ছিন্ন যন্ত্রের সঙ্গে নয়, বরং এমন সিস্টেমের সঙ্গে মোকাবিলা করবে যা স্বাধীন ভাবে এবং বৃহৎ পরিসরে কাজ করতে সক্ষম৷

উন্নত এআই ভুল হাতে পড়লে বা নিজে থেকে সিদ্ধান্ত নিতে শুরু করলে তা বিশ্ব জুড়ে বিধবংসী সাইবার আক্রমণ বা স্বয়ংক্রিয় যুদ্ধের সূচনা করতে পারে, এই আশঙ্কা বেশি করে ভাবাচ্ছে কোকোতাজলো ও তাঁর সমমনস্ক কৃত্রিম মেধা গবেষকদের৷ একাধিক বিশেষজ্ঞ ‘ভবিষ্যদ্বাণী’ করছেন যে, ২০২৭ বা ২০২৮ সালের মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রায় সমস্ত ক্ষেত্রে মানুষের সমতুল্য বুদ্ধি বা ক্ষমতায় পৌঁছোবে৷ এর পরবর্তী ‘বুদ্ধিমত্তার বিস্ফোরণের’ মধ্যেই বিপদটি নিহিত৷ 

 

রাজ্যে ৩৫টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে আমরা বাঙালী

নিজস্ব সংবাদদাতা
Thu, 23-04-2026

 আসন্ন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে আমরা বাঙালী প্রথম দফার ভোটে ৩৫টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে৷ দলের কেন্দ্রীয় সংঘটন সচিব শ্রীতপোময় বিশ্বাস বলেন পশ্চিমবঙ্গ আজ এক ভয়ঙ্কর বিপদের সম্মুখীন৷ সংকীর্ণ সাম্প্রদায়িক বিজেপি নখ ও দন্ত উদ্যত করে বাঙলায় ধেয়ে আসছে৷ একদিকে বাঙলার সম্পদ লুন্ঠন করা ও অন্যদিকে সাম্প্রদায়িকতার বিষ ঢুকিয়ে বাঙালী জাতির সংহতি ধবংস করে বাঙালীকে বিলুপ্ত করার ষড়যন্ত্র করছে বিজেপি৷ এই কাজে বিজেপির প্রধান সহায় নির্বাচন কমিশনারও বিজেপিকে সাহায্য করছে৷ অর্ধকোটির বেশি বাঙালীর বোটাধিকার কেড়ে নিয়েছে নির্বাচন কমিশনার৷ 

শ্রী বিশ্বাস বলেন---রাজ্য বিধানসভায় বাঙালীর ন্যায্য দাবী তুলে ধরার কোন প্রতিনিধি নেই৷ রাজ্যের শাসক ও বিরোধী কোন পক্ষই বাঙলার সার্বিক বিকাশের কথা চিন্তা করে না৷ তাই গুজরাট মহারাষ্ট্রসহ বহুরাজ্যেই সেই রাজ্যের স্থানীয় ভাষা শিক্ষা বাধ্যতামূলক হলেও বাঙলায় কয়েককোটি বহিরাগত পরিযায়ী বাঙলা ভাষা না শিখেই অবাধে জীবিকা নির্বাহ করছে৷ অপরদিকে অন্যরাজ্যে বাঙালী শ্রমিকরা বাঙলা বললেই মার খাচ্ছে৷ আমরা বাঙালী এ জিনিস বন্ধ করতে চায়৷ রাজ্যে সরকারী বেসরকারী প্রতিটি শিক্ষাক্ষেত্রে বাংলা শিক্ষা বাধ্যতামূলক করতে হবে৷ সমস্ত কাজ বাংলা ভাষায় করতে হবে৷ সরকারী বেসরকারী সমস্ত প্রতিষ্ঠানে চাকুরীতে বাঙালীদের অগ্রাধিকার দিতে হবে৷ আমরা বাঙালী কোন ভাষা ও কোন জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে নয়৷ কিন্তু আমরা বাঙালী ভারতে দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক হয়ে থাকতে চায়না৷ তার ন্যায্য অধিকার অর্জন করতেই আমরা বাঙালী সংঘটনের জন্ম হয়েছে৷

 

ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়ে নব্যমানবতাবাদ তত্ত্বের ওপর আলোচনা সভা

নিজস্ব সংবাদদাতা
Thu, 23-04-2026

গত ৮ই এপ্রিল ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগ ও আনন্দমার্গ প্রচারক সংঘের বিদ্ব্যৎ সমাজ শাখা রেণেসাঁ ইয়ূনিবার্সালের উদ্যোগে পরমশ্রদ্ধেয় শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকারের নব্যমানবতাবাদ তত্ত্বের ওপর এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়৷

সভায় সম্মানীয় অতিথি ছিলেন ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্টার অধ্যাপক সমীর কুমার শীল, বিশেষ অতিথি ছিলেন রেনেসাঁ ইয়ূনিবার্সালের কেন্দ্রীয় সচিব আচার্য দিব্যচেতনানন্দ অবধূত, সভায় স্বাগত ভাষণ দেন আলোচনা সভার সংঘটক ডঃ সিন্ধু পড়িয়াল৷ আচার্য দিব্যচেতনানন্দ অবধূত ক্রম বিবর্তনের ধারণা ও নব্যমানবতাবাদের ওপর বক্তব্য রাখেন৷ সম্মানীয় অতিথি সমীর কুমার শীলের আলোচনার বিষয় ছিল শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকারের ভাবনায় বিজ্ঞান, আধ্যাত্মিকতা ও দর্শনের সমন্বয় সাধনে সভ্যতার বিকাশ৷ বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক মোহন দেববর্র্ম আলোচনা করেন সমসাময়িক বিশ্বে শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকারের নব্যমানবতাবাদ তত্ত্বের প্রাসঙ্গিকতা৷

দ্বিতীয় অধ্যায়ে আচার্য দিব্যচেতনানন্দ আলোচনা করেন ক্রমবিবর্তনের তিনটি স্তরে ভৌতিক স্তরে সংঘর্ষ ও বিকাশ মানসিক স্তরের সংঘর্ষ ও বিকাশ আধ্যাত্মিক স্তরে উত্তীর্ণ ও বৃহতের প্রতি আকর্ষণ৷ ডঃ সিন্ধু পড়িয়াল ডারউইনের জীবন সম্পর্কে দৃষ্টিকোণ, পারস্পরিক নির্ভরশীলতা ও শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকারের নব্যমানবতাবাদ৷ এছাড়াও সমসাময়িকতত্ত্ব ও শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকারের দর্শন ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মানবতাবাদ ও পরিবেশ বিষয়ে বক্তব্য রাখেন মিঃ শ্যামসুন্দর সরকার, হিমাদ্রী সিংহ প্রমুখ৷

 

নিরঙ্কুশ পুঁজিবাদ ও রাজনীতিতে দুর্বৃত্তায়ণ রুখতে সংবিধান সংশোধনের প্রয়োজন

নিজস্ব সংবাদদাতা
Thu, 23-04-2026

আমরা বাঙালী কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শ্রী জয়ন্ত দাস বলেন--- আমরা বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ বলে বড়াই করি কিন্তু এদেশে জনগণের শাসন বলে কিছু নেই৷ রাজনৈতিক নেতাদের ঘাড়ে বন্ধুক রেখে কয়েকজন পুঁজিপতি দেশ চালায়৷ ভারতবর্ষে গণতন্ত্রের ব’কলমে ধনতন্ত্র দেশ শাসন করে৷ পুঁজিপতিরাই তাদের স্বার্থে রাজনীতিতে দুর্বৃত্তের অনুপ্রবেশ ঘটায়৷ শ্রীদাস বলেন তথাকথিত রাজনৈতিক দলগুলি পুঁজিপতিদের দুর্বৃত্ত পোষার খাঁচায় পরিণত হয়েছে৷ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বিধবস্ত জাপান আজ উন্নত দেশ আর সবরকম সম্পদ ও সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও ভারত তৃতীয় বিশ্বের তকমা আঁটা একটি দেশ৷ এর অন্যতম কারণ স্বাধীনতার জন্মলগ্ণ থেকেই দেশ শাসনের ভার ক্ষমতালোভী রাজনৈতিক নেতা ও শোষক পুঁজিপতিদের হাতে চলে যায়৷ আজ ভারতবর্ষের সম্পদের সিংহভাগ মুষ্টিমেয় কয়েকজন পুঁজিপতিদের কুক্ষিগত৷ প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে সবকা বিকাশের কথা শোনায়, কিন্তু গত ১২ বছরে পুঁজিপতিদের আর বেড়েছে কয়েকগুন করে, বিজেপির দলীয় তহবিল উপচে পড়েছে আর সাধারণ মানুষ আরও গরীব হয়েছে, বেকারত্ব বাড়ছে, আর্থিক বৈষম্য বাড়ছে৷

শ্রীদাসের কথায় আদর্শ নেতৃত্ব ও উপযুক্ত পরিকল্পনার মাধ্যমে পুঁজিবাদের হস্তগত কেন্দ্রীত অর্থনীতির খোলনলচে পাল্টাতে হবে ও রাজনীতিকে দুর্নীতিমুক্ত করতে হবে৷ এর জন্যে প্রয়োজন জনগণের সচেতনতা, বিকেন্দ্রিত আর্থিক পরিকল্পনা ও ভারতীয় সংবিধানকে ত্রুটিমুক্ত করতে হবে৷ এ বিষয়ে প্রাউট প্রবক্তা শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকার তাঁর সামাজিক অর্থনৈতিক তত্ত্বে সুনির্দিষ্ট পথ নির্দেশনা দিয়েছেন৷ অর্থনীতির প্রাথমিক পরিকল্পনায় তিনি বলেছেন বৈচিত্র্যময় ভারতে জাতিগত বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী প্রতিটি জনগোষ্ঠীর সার্বিক বিকাশের জন্যে নিজস্ব সামাজিক অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে ১০০ শতাংশ কর্ম সংস্থান ও ক্রয়ক্ষমতা দিতে হবে৷ এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করতে প্রয়োজন আদর্শ নেতৃত্ব ও আদর্শ সংবিধান৷ নেতৃত্বকে হতে হবে শারীরিক সক্ষম, মানসিকতায় দৃঢ় ও আধ্যাত্মিকতায় প্রতিষ্ঠিত উদায় অসম্প্রদায়ীক৷

আদর্শ সংবিধান বিষয়ে শ্রী দাস বলেন প্রাউটের দৃষ্টিতে শোষন প্রতিহত করতে ও রাজনীতিতে দুর্বৃত্তায়ন রুখতে সংবিধানের সাধারণ ত্রুটিগুলি দূর করতে হবে৷ প্রথম কথা জনগণের কমপক্ষে ৫১ শতাংশ মানুষকে সামাজিক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বিষয়ে সচেতন হতে হবে৷ তবেই তারা বোটাধিকার পাবে৷ নতুবা অসচেতন নাগরিকদের বিভ্রান্ত করে অসৎ লোকেরা নির্বাচনে জিতে আসতে পারে, আসছেও৷ দ্বিতীয়ত পুঁজিপতি শোষন প্রতিহত করার ব্যবস্থা সংবিধানে রাখতে হবে৷ নতুবা দেশীয় পুঁজিপতিদের সীমাহীন শোষণে লাগাম টানা যাবে না৷ এরপর সুস্থ জীবন ধারণের নূ্যনতম প্রয়োজন পূর্তির জন্য প্রতিটি মানুষের ক্রয়ক্ষমতায় নিশ্চিততা দিতে হবে৷ সামাজিক অর্থনৈতিক উন্নতির জন্যে ব্লকভিত্তিক পরিকল্পনার ব্যবস্থা রাখতে হবে৷ তাই রাজনীতি থেকে দুর্বৃত্তদের বিতাড়ণ করতে ও নিরঙ্কুশ পুঁজিপতি শোষণ রুখতে ভারতীয় সংবিধানের ত্রুটিগুলি সংশোধন করতে হবে৷

 

কান্দি আনন্দমার্গ স্কুলের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

নিজস্ব সংবাদদাতা
Wed, 22-04-2026

গত ৩১শে মার্চ মুর্শিদাবাদ জেলার কান্দি আনন্দমার্গ স্কুলের বাৎসরিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরনী সভা অনুষ্ঠিত হয় কান্দি পুরসভা হলে৷ অপরাহ্ণ ৪টা৩০মিনিটে অনুষ্ঠান শুরু হয়৷ প্রথমে নব্যমানবতাবাদ শিক্ষা ব্যবস্থার প্রবর্তক শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকারের প্রতিকৃতিতে মাল্যার্পণ করেন অনুষ্ঠানের সভাপতি আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত৷ এরপর প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে অনুষ্ঠানের শুভসূচনা করেন কান্দি আনন্দমার্গ স্কুলের অধ্যক্ষ আচার্য ব্রজমোহনানন্দ অবধূত৷ এরপর স্কুলের ছাত্রছাত্রারা সবারে করি আহ্বান প্রভাত সঙ্গীত পরিবেশন করে৷ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন কান্দি বালিয়া হাইস্কুলের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক শ্রীগৌতম চ্যাটার্জী ৷ তিনি বর্তমান সমাজ ব্যবস্থায় আদর্শ শিক্ষানীতি ছাত্র শিক্ষক অভিভাবকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা বলেন৷ সহস্রাধিক অভিভাবক অভিভাবিকা ও স্থানীয় মানুষের উপস্থিতিতে স্কুলের কচি-কাঁচা ছাত্র-ছাত্রাদের আবৃত্তি, গান, নৃত্যের মাধ্যমে নান্দনিক অভিপ্রকাশ সকলকে মুগ্দ করে৷ অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল আচার্য সত্যসাধনানন্দ রচিত নাটক আনন্দ পরিবার৷ ছাত্র-ছাত্রাদের অভিনয় উপস্থিত দর্শকবৃন্দের কাছে খুবই প্রশংসিত হয়৷ সভাপতি আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত বর্তমান শিক্ষার সংকট ও আনন্দমার্গের নব্যমানবতাবাদী শিক্ষার প্রয়োজনের কথা বলেন৷ সবশেষে অধ্যক্ষ আচার্য ব্রজমোহনানন্দ অবধূত অনুষ্ঠানকে সার্থক ও সফল করতে যাদের অবদান আছে--- সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষনা করেন৷ সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সিদ্ধার্থ কর্মকার৷ তাঁর শ্রুতিমুর কন্ঠে সংলাপ ও ব্যঞ্জনাময় প্রকাশ অনুষ্ঠানকে আরও আকর্ষিত করে৷

 

মাগুরী স্কুলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

নিজস্ব সংবাদদাতা
Wed, 22-04-2026

বিগত ৬ই মার্চ মাগুরী আনন্দমার্গ স্কুলের বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সুসম্পন্ন হল৷ সভাপতির আসন অলংকৃত করেন আচার্য কৃষ্ণনাথানন্দ অবধূত৷ অন্যান্য অতিথিরা হলেন আচার্য সুবোধানন্দ অবধূত, শ্রী সুভাষ প্রকাশ পাল, বিশিষ্ট সাংবাদিক শ্রী নিশীথ ফদিকার প্রমুখ বিশিষ্ট ব্যষ্টিবর্গ৷ শহর থেকে দূরে গ্রামীণ পরিবেশে গড়ে ওঠা আনন্দমার্গ বিদ্যালয়টি এলাকার সুধীজনদের দৃষ্টি আকর্ষন করে চলেছে৷

 

যশোড়া আনন্দমার্গ স্কুলের প্রতিষ্ঠা দিবস

নিজস্ব সংবাদদাতা
Wed, 22-04-2026

গত ২৮শে ফেব্রুয়ারি যশোড়া আনন্দমার্গ স্কুলের ৪১তম প্রতিষ্ঠাদিবস উপলক্ষে একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা উপভোগ করলেন বিদ্যালয়ের অভিভাবক-অভিভাবিকা ও এলাকার অধিবাসীবৃন্দ৷ অনুষ্ঠানে পৌরোহিত্য করেন আচার্য সুবোধানন্দ অবধূত৷ অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথিরা হলেন ডাঃ অনিরুদ্ধ মাইতি (প্রাক্তন ছাত্র), শ্রী সমীর কুমার মাজী, শ্রী গোকুলচন্দ্র বেরা প্রমুখ বিশিষ্ট ব্যষ্টিবর্গ৷

 

রামরাজাতলায় শুভ পদার্পণ দিবস পালন

নিজস্ব সংবাদদাতা
Wed, 22-04-2026

১৯৮৫ সালের ১৫ই মার্চ আনন্দমার্গ দর্শনের প্রবর্তক ও আনন্দমার্গ প্রচারক সংঘের প্রতিষ্ঠাতা শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তিজী হাওড়ার রামরাজাতলায় পদার্পণ করেছিলেন৷ সেখানে শংকর মঠেমার্গী ভাইবোনদের সামনে প্রবচন দিয়েছিলেন ‘প্রকৃত গুরু কে’৷ প্রতিবছর ১৫ই মার্চ হাওড়া রামরাজাতলা ইউনিটের পক্ষ থেকে এই দিনটি মার্গ গুরুর পদার্পণ দিবস হিসেবে পালিত হয়৷ এই দিন শংকরমঠ থেকে মার্গী ভাই-বোনদের একটি সুসজ্জিত শোভাযাত্রা শুরু করে রামরাজাতলা ইউনিটে পৌঁছায়৷ ওখানে তিন ঘন্টা অখণ্ড বাবানাম কেবলম কীর্তন অনুষ্ঠিত হয়৷ বাবার শুভ পদার্পণ দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রভাত সঙ্গীত ও কীর্তনে অংশ গ্রহণ করেন সুপ্রিয়া ভৌমিক, শঙ্কর সরকার, গুনাতিতা দত্ত, শুভ্রা ভৌমিক প্রমুখ৷ মিলিত সাধনার পর সাধ্যায় পাঠ করেন ভূক্তি প্রধান ভারতী কুন্ডু৷ স্বাধ্যায়ের বিষয় ছিল ১৯৮৫ সালের ১৫ ই মার্চ বাবা শঙ্করমঠে যে প্রবচন দিয়ে ছিলেন ‘প্রকৃত গুরু কে’৷

রামরাজাতলা ইউনিটের পক্ষ থেকে তপন ভৌমিক, সুপ্রিয়া ভৌমিক ভক্তবৃন্দের জন্য সুস্বাদু নিরামিষ আহারের ব্যবস্থা করে ছিলেন৷ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন অমিয় পাত্র৷ অনুষ্ঠান শেষে সন্ধ্যায় সুন্দর প্রভাত সঙ্গীত অবলম্বনে সঙ্গীত, নৃত্য ও নাটক মঞ্চস্থ হয় পরিচালনায় ছিলেন সুপ্রিয়া ভৌমিক ও শুভ্রা ভৌমিক ও তপন ভৌমিক৷ উপস্থিত ছিলেন সুব্রত সাহা, বিজলী মন্ডল, শ্যামাপদ মন্ডল, অজিত পাত্র, অশোকাদি,গোপাদি, প্রশান্তদা, সুশান্ত শীল গৌতম দত্ত , অবধূতিকা আনন্দ ঋতুবুদ্ধা আচার্যা ও মহাব্রত ব্রহ্মচারী সহ অন্যান্য মার্গী ভাই বোন, প্রতিবেশীরা ও কলাকূশলীবৃন্দ ও আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ৷

 

Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved