আন্দুল/খুলনা
কচ্ছপ ৰলতে গিয়ে কচ্ছপের খোলার কথা মনে পড়ল৷ প্রাচীনকালে কচ্ছপের খোলা থেকে ঢাল তৈরী হত৷ দেশ-বিদেশে কচ্ছপের খোলার চাহিদা ছিল৷ দক্ষিণ ৰাঙলায় পাওয়া যেত প্রচুর ডাঙার কচ্ছপ ও জলের কচ্ছপ দুইই৷ ডাঙার কচ্ছপ দেখতে কতকটা কাঠের বারকোষের মত হত (বড় হলে বারকোষ ছোট হ’লে কেঠো)৷ মেয়েরা কেঠোয় রান্নাঘরে নুন রাখেন, আর বারকোষে ভোজবাড়ীতে ময়দা মাখা হয় ৷ এক শ্রেণীর জলের কচ্ছপকে কেঠো ৰলা হয় (পূর্ববঙ্গীয় উচ্চারণে ‘কাউটা’)৷ কোষ্ঠক> কাট> কাঠুয়া> কেঠো৷ দক্ষিণ ৰাংলা থেকে কচ্ছপের খোলের এককালে ব্যবসা চলত৷ কচ্ছপকে সংস্কৃতে পুংলিঙ্গে ‘দুলিক’, স্ত্রীলিঙ্গে ‘দুলিকা’ ৰলা হয়৷
‘‘দুলি দুহি পিঠা ধরণ ন জাই