Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

পথ চলতে ইতিকথা

[জ্ঞানের মহাসমুদ্র পরম শ্রদ্ধেয় শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকার, যিনি একাধারে ধর্মগুরু, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ, ইতিহাসতত্ত্ববিদ, ভাষাবিজ্ঞানী, চিকিৎসা বিজ্ঞানী, সঙ্গীতকার ও তার সঙ্গে সঙ্গে যুগান্তকারী সামাজিক–র্থনৈতিক দর্শন–প্রাউটের প্রবক্তা, তিনি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কথা প্রসঙ্গে কত যে বিচিত্র ইতিহাস অনর্গল বলে চলতেন–তা ভাবলে বিস্ময়ের সীমা থাকে না৷ এ থেকে পাঠকের বুঝতে অসুবিধা হবে না যে, তিনি জ্ঞানের অসীম মহাসমুদ্র৷ তাঁর বলা সেই সব বিচিত্র ইতিহাসের কিছু কিছু নোতুন পৃথিবীর পাঠকদের এই কলমে উপহার দিচ্ছি৷ আমরা নিশ্চিত যে এ থেকে পাঠকবৃন্দের জ্ঞানভাণ্ডার অনেক সমৃদ্ধ হবে৷ ]  –সম্পাদক, ‘নোতুন পৃথিবী’

আম সম্পর্কে

সংস্কৃত আম্র > প্রাকৃতে, আম্ব/অম্বা৷ এর থেকে

  • Read more about আম সম্পর্কে

লিচুরও ইতিকথা আছে

লিচু ভারতে এসেছিল সম্ভবতঃ বৌদ্ধযুগে৷ ভারত ও চীন উভয়েরই দেশজ ফল হচ্ছে অংশুফলম৷ ফলটির অনেক নামের মধ্যে একটি নাম হচ্ছে অংশুফল্৷ এই আঁশফল গাছের পাতা দেখতে লিচু পাতার মত নয়–কিছুটা গোলাকার.......লিচুর চেয়ে একট ছোটও৷ গাছ কিন্তু লিচু গাছের চেয়ে অনেক বড় হয়.....বট, পাকুড়, অশ্বত্থের মত হয়ে যায় বীজ লিচুর চেয়ে কিছুটা ছোট কিছুটা চ্যাপ্ঢা হয়৷ ফল মিষ্টি হলেও তাতে উৎকট ঝাঁঝ ও গন্ধ থাকে৷ ছোটরা ভালবেসে খেলেও বড়রা পছন্দ করেন না৷ এই আঁশফল বাংলার একটি সাবেকি ফল–ব্যাঞ্জালাইটিস বর্গীয়৷ চীন এই আঁশফল নিয়ে চর্চা বা গবেষণা করে তৈরী করেছিল লিচু৷ বর্তমান পৃথিবীতে চীনের লিচুই সবচেয়ে বড় আকারের, অধিক রসযুক্ত ও সুস্বাদু৷ চী

  • Read more about লিচুরও ইতিকথা আছে

‘দুলিক’ / কচ্ছপ

প্রাচীন বাংলার সৈনিকদের একাংশ এই রণপায়ে চড়ে লড়াই করত৷ তাদের পরিধানে থাকত হাঁটুর ওপরে মালকোঁচা করে পরা একটা ধুতি, গায়ে ছোট আকারের ফতুয়া যাতে কাপড়ের বোতাম লাগানো থাকত, মাথায় বাঁধা থাকত বড় আকারের অর্থাৎ প্রমাণ সাইজের একটা গামছা যে গামছা তারা যুদ্ধকালে স্নানের সময়ও ব্যবহার করত, কোমরে বাঁধা থাকত লম্বা সাইজের হালকা খাঁড়া বা দাও বা রামদাও, সামনে পেছনে বাঁধা থাকত ঢ়াল৷ ঢ়ালগুলি তৈরী হত সাধারণতঃ বড় আকারের কচ্ছপের খোলাকে পাতলা লোহার আবরণীতে মুড়ে৷ সংস্কৃতে ‘দুলিক’ মানে কচ্ছপ৷ এই ‘দুলিক’ প্রাচীন বাংলায় হয়ে গেল ‘দুলি’৷ বাংলার যে সকল স্থান থেকে বড় বড় আকারের কচ্ছপ পাওয়া যেত সেই স্থানগুলিকে সেকালের বাংলায় বল

  • Read more about ‘দুলিক’ / কচ্ছপ

বাংলার সেনা

‘‘আমাদের সেনা যুদ্ধ করেছে সজ্জিত চতুরঙ্গে 

দশাননজয়ী রামচন্দ্রের প্রপিতামহের সঙ্গে৷’’

  • Read more about বাংলার সেনা

গঞ্জ

যেখানে গ্রাম আছে, আর সেই সঙ্গে বেচাকেনার জন্যে জমজমাটী বাজারও আছে তাকে বলে ‘গঞ্জ’ (গন্জ্–)৷ ইংরেজরা এর বিকৃত উচ্চারণ করতেন ‘গন্জ্’ (ganje)৷ এইভাবে বেলী সাহেবের নাম থেকে এসেছে বালীগঞ্জ, টলী সাহেবের নাম থেকে এসেছে টালীগঞ্জ৷ আসল উচ্চারণ এর হওয়া উচিত বালীগঞ্জ, টালীগঞ্জ৷ পূর্ব বাঙলার সাধারণ মানুষেরাও নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ বলে থাকেন৷ তাঁরাই ঠিক উচ্চারণ করেন৷ কেউ যদি ভুল উচ্চারণ করে বসেন, আমরাও কি তাঁদের লেজুড় হয়ে বসবো নাকি, না তাঁদের ত্রুটিটাই চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দোব তোমরাই বল না!

 

  • Read more about গঞ্জ

পুর/নগর

ভারত ও দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়ার বহুজনপদের নামকরণ করা হয়েছে ‘পুর’, ‘নগর’ ইত্যাদি শব্দ যোগ করে৷ ছোট শহরকে সংস্কৃতে বলা হ’ত ‘পুর’ (প্রসঙ্গতঃ বলে রাখি, ‘শহর’ শব্দটা কিন্তু ফার্সী), আর বড় বড় শহরকে বলা হত ‘নগর’৷ উভয়ের মধ্যে তফাৎ ছিল এই যে নগরের চারিদিক প্রাচীর দিয়ে ঘেরা থাকত, সংস্কৃতে যাকে বলা হ’ত ‘নগরবেষ্টনীঁ’৷ এই নগরবেষ্টনীর মধ্যে যাঁরা বাস করতেন তাঁদের বলা হ’ত ‘নাগরিক’৷ আজকাল ‘নাগরিক’ শব্দের প্রতিশব্দ হিসেবে যে অর্থে ইংরেজী ‘সিটিজেন’ কথাটি ব্যবহার করা হচ্ছে তার সঙ্গে প্রাচীন ‘নাগরিক’ শব্দের কোন সম্পর্ক নেই কেননা ‘নাগরিক’ মানে নগরের বাসিন্দা, অন্যদিকে ‘সিটিজেন’ বলতে বোঝায় দেশের যে কোন অধিবাসী–তিনি ন

  • Read more about পুর/নগর

বাংলার সঙ্গে সিংহল ও কেরলের যোওসূত্র

সে আজ অনেকদিন আগেকার কথা৷ সেটা সম্ভবতঃ খ্রীষ্টপূর্ব ৫৩৪ সাল৷ রাঢ়ের রাজকুমার বিজয় সিংহ জলপথে সিংহলে আসেন–সঙ্গে নিয়ে আসেন সাত শত–র মত অনুচর৷ তখন রাঢ়ের রাজধানী ছিল সিংহপুর (বর্তমানে হুগলী জেলার সিঙ্গুর)৷ আর বন্দর ছিল সিংহপুরেরই নিকটবর্তী একটি স্থানে৷ পরবর্তীকালে সেই স্থানটির নাম হয়ে যায় সিংহলপাটন (স্থানটি সিঙ্গুরেরই কাছে)৷ বিজয় সিংহ লঙ্কা জয় করেন৷ তিনি ও তাঁর অনুচরেরা স্থায়ীভাবে লঙ্কায় বসবাস করেন৷ এঁরাই হলেন বর্তমান সিংহলী জনগোষ্ঠীর পূর্ব–পুরুষ৷ এই সিংহলীরা চালচলনে রীতিনীতিতে, আচারে ব্যবহারে বাঙালীদের খুবই নিকট৷ মুখাবয়ব বাঙালীদের মতই৷ কথা না বললে কে বাঙালী কে সিংহলী চেনা দায়৷ সিংহলী ভাষা বাংলা

  • Read more about বাংলার সঙ্গে সিংহল ও কেরলের যোওসূত্র

উহ-অবরোহ

‘‘সবকিছুই উহ-অবোহের পথে চলে৷ একদিন এই রাঢ়ও এই রকম ভাবে উহ-তে চলেছিল, দ্রুত গতিতে চলেছিল৷ তারপর নীচে নামল, আবার উপরে উঠবে৷ ৰাঙালী জাতির কথাটাই ভাব তো !

  • Read more about উহ-অবরোহ

‘অষ্ট্রিক-মংলো-নিগ্রোয়েড

‘‘অষ্ট্রিক-মংলো-নিগ্রোয়েড বর্গীয় মানুষ হলেও ৰাঙালীতে নিগোয়েড রক্ত মাত্রাতিরিক্তভাবে কম৷ আকার-আকৃতিতেও নিগোয়েড প্রভাব অতি অল্প৷ তবে সেই প্রভাবও যে আছে এটাও মানতে হবে৷ দ্রাবিড় বর্গীয় জনগোষ্ঠীর সঙ্গে মঙ্গোলিয়ানের সংমিশ্রণ সবচেয়ে বেশী এই ৰাঙলার মাটিতেই হয়েছিল৷ তাই মঙ্গোলিয়ানদের সহজাত প্রবৃত্তি হিসেবে ভাবপ্রবণতা ৰাঙালীর মজ্জাগত৷ এটা যতটা দোষের বলে মনে করা হয় ঠিক ততটাই গুণ বলে মনে করা যেতে পারে৷ এই ভাবপ্রবণতাই ৰাঙালীকে অনেক বড় বড় অগ্ণি পরীক্ষায় পার করে দিয়েছে..... ভবিষ্যতেও দেবে৷’’

    *   *   *   *

 

  • Read more about ‘অষ্ট্রিক-মংলো-নিগ্রোয়েড

আমরা পৃথিবীর

আমরা পৃথিবীর, পৃথিবী আমাদের দেশ৷ আরও ভালভাবে বলতে গেলে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডই আমাদের দেশ৷ এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের এক কোণে পৃথিবী নামে যে ছোট গ্রহটা আছে, সেই পৃথিবীর এক কোণে বাঙালী নামে যে জনগোষ্ঠী আছে সেই জনগোষ্ঠীও অতীতের অন্ধকার থেকে এগোতে এগোতে তার অন্ধকারের নিশা শেষ হয়ে গেছে, তার জীবনে নূতন সূর্যোদয় এসেছে৷ এবার তাকে এগিয়ে চলতে হবে৷

  • Read more about আমরা পৃথিবীর
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved