Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

পথ চলতে ইতিকথা

[জ্ঞানের মহাসমুদ্র পরম শ্রদ্ধেয় শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকার, যিনি একাধারে ধর্মগুরু, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ, ইতিহাসতত্ত্ববিদ, ভাষাবিজ্ঞানী, চিকিৎসা বিজ্ঞানী, সঙ্গীতকার ও তার সঙ্গে সঙ্গে যুগান্তকারী সামাজিক–র্থনৈতিক দর্শন–প্রাউটের প্রবক্তা, তিনি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কথা প্রসঙ্গে কত যে বিচিত্র ইতিহাস অনর্গল বলে চলতেন–তা ভাবলে বিস্ময়ের সীমা থাকে না৷ এ থেকে পাঠকের বুঝতে অসুবিধা হবে না যে, তিনি জ্ঞানের অসীম মহাসমুদ্র৷ তাঁর বলা সেই সব বিচিত্র ইতিহাসের কিছু কিছু নোতুন পৃথিবীর পাঠকদের এই কলমে উপহার দিচ্ছি৷ আমরা নিশ্চিত যে এ থেকে পাঠকবৃন্দের জ্ঞানভাণ্ডার অনেক সমৃদ্ধ হবে৷ ]  –সম্পাদক, ‘নোতুন পৃথিবী’

বাংলার সঙ্গে সিংহল ও কেরলের যোওসূত্র

সে আজ অনেকদিন আগেকার কথা৷ সেটা সম্ভবতঃ খ্রীষ্টপূর্ব ৫৩৪ সাল৷ রাঢ়ের রাজকুমার বিজয় সিংহ জলপথে সিংহলে আসেন–সঙ্গে নিয়ে আসেন সাত শত–র মত অনুচর৷ তখন রাঢ়ের রাজধানী ছিল সিংহপুর (বর্তমানে হুগলী জেলার সিঙ্গুর)৷ আর বন্দর ছিল সিংহপুরেরই নিকটবর্তী একটি স্থানে৷ পরবর্তীকালে সেই স্থানটির নাম হয়ে যায় সিংহলপাটন (স্থানটি সিঙ্গুরেরই কাছে)৷ বিজয় সিংহ লঙ্কা জয় করেন৷ তিনি ও তাঁর অনুচরেরা স্থায়ীভাবে লঙ্কায় বসবাস করেন৷ এঁরাই হলেন বর্তমান সিংহলী জনগোষ্ঠীর পূর্ব–পুরুষ৷ এই সিংহলীরা চালচলনে রীতিনীতিতে, আচারে ব্যবহারে বাঙালীদের খুবই নিকট৷ মুখাবয়ব বাঙালীদের মতই৷ কথা না বললে কে বাঙালী কে সিংহলী চেনা দায়৷ সিংহলী ভাষা বাংলা

  • Read more about বাংলার সঙ্গে সিংহল ও কেরলের যোওসূত্র

উহ-অবরোহ

‘‘সবকিছুই উহ-অবোহের পথে চলে৷ একদিন এই রাঢ়ও এই রকম ভাবে উহ-তে চলেছিল, দ্রুত গতিতে চলেছিল৷ তারপর নীচে নামল, আবার উপরে উঠবে৷ ৰাঙালী জাতির কথাটাই ভাব তো !

  • Read more about উহ-অবরোহ

‘অষ্ট্রিক-মংলো-নিগ্রোয়েড

‘‘অষ্ট্রিক-মংলো-নিগ্রোয়েড বর্গীয় মানুষ হলেও ৰাঙালীতে নিগোয়েড রক্ত মাত্রাতিরিক্তভাবে কম৷ আকার-আকৃতিতেও নিগোয়েড প্রভাব অতি অল্প৷ তবে সেই প্রভাবও যে আছে এটাও মানতে হবে৷ দ্রাবিড় বর্গীয় জনগোষ্ঠীর সঙ্গে মঙ্গোলিয়ানের সংমিশ্রণ সবচেয়ে বেশী এই ৰাঙলার মাটিতেই হয়েছিল৷ তাই মঙ্গোলিয়ানদের সহজাত প্রবৃত্তি হিসেবে ভাবপ্রবণতা ৰাঙালীর মজ্জাগত৷ এটা যতটা দোষের বলে মনে করা হয় ঠিক ততটাই গুণ বলে মনে করা যেতে পারে৷ এই ভাবপ্রবণতাই ৰাঙালীকে অনেক বড় বড় অগ্ণি পরীক্ষায় পার করে দিয়েছে..... ভবিষ্যতেও দেবে৷’’

    *   *   *   *

 

  • Read more about ‘অষ্ট্রিক-মংলো-নিগ্রোয়েড

আমরা পৃথিবীর

আমরা পৃথিবীর, পৃথিবী আমাদের দেশ৷ আরও ভালভাবে বলতে গেলে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডই আমাদের দেশ৷ এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের এক কোণে পৃথিবী নামে যে ছোট গ্রহটা আছে, সেই পৃথিবীর এক কোণে বাঙালী নামে যে জনগোষ্ঠী আছে সেই জনগোষ্ঠীও অতীতের অন্ধকার থেকে এগোতে এগোতে তার অন্ধকারের নিশা শেষ হয়ে গেছে, তার জীবনে নূতন সূর্যোদয় এসেছে৷ এবার তাকে এগিয়ে চলতে হবে৷

  • Read more about আমরা পৃথিবীর

কাঁটাল সম্পর্কে

কাঁটাল ভারত ও দক্ষিণ – পূর্ব এশিয়ার একটি নামকরা ফল৷ শব্দটির উৎপত্তি সংস্কৃত ‘কন্টকীফিলম্’ থেকে অর্থাৎ যে ফলের গায়ে কাঁটা আছে৷ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে প্রায় ৪৭ প্রজাতির কাঁটাল পাওয়া যায়৷ কাঁটাল একটি পুষ্টিকর খাদ্য, তবে কিছুটা দুষ্পাচ্য৷ কাঁচা কাঁটাল (যাকে বাংলায় এঁচোড় বলা হয়) গুণগত বিচারে মাংসের সমান, অথচ মাংসের তামসিক দোষ এতে নেই৷ বাংলায় কাঁচা কাঁটালকে অনেকে ‘গাছপাঁঠা’ বলে থাকেন৷ কাঁটালের বীজ আলুর চেয়েও অনেক বেশী পুষ্টিকর ও সুস্বাদু৷ ভারতে আলু আসবার আগে পর্যন্ত ভারতের মানুষ কাঁটাল বীজই মুখ্য তরকারীরূপে ব্যবহার কর

  • Read more about কাঁটাল সম্পর্কে

দুলিক’ / কচ্ছপ

প্রাচীন বাংলার সৈনিকদের একাংশ এই রণপায়ে চড়ে লড়াই করত৷ তাদের পরিধানে থাকত হাঁটুর ওপরে মালকোঁচা করে পরা একটা ধুতি, গায়ে ছোট আকারের ফতুয়া যাতে কাপড়ের বোতাম লাগানো থাকত, মাথায় বাঁধা থাকত বড় আকারের অর্থাৎ প্রমাণ সাইজের একটা গামছা যে গামছা তারা যুদ্ধকালে স্নানের সময়ও ব্যবহার করত, কোমরে বাঁধা থাকত লম্বা সাইজের হালকা খাঁড়া বা দাও বা রামদাও, সামনে পেছনে বাঁধা থাকত ঢ়াল৷ ঢ়ালগুলি তৈরী হত সাধারণতঃ বড় আকারের কচ্ছপের খোলাকে পাতলা লোহার আবরণীতে মুড়ে৷ সংস্কৃতে ‘দুলিক’মানে কচ্ছপ৷ এই ‘দুলিক’ প্রাচীন বাংলায় হয়ে গেল ‘দুলি

  • Read more about দুলিক’ / কচ্ছপ

“আমাদের সেনা যুদ্ধ করেছে সজ্জিত চতুরঙ্গে / দশাননজয়ী রামচন্দ্রের প্রপিতামহের সঙ্গে৷”

পৌরাণিক কথানুযায়ী আজ থেকে প্রায় ৪০০০ বছর আগে বাংলায় সগর নামে এক রাজা ছিলেন৷ আজ যাকে বাংলার বদ্বীপ বলি অর্থাৎ ইংরেজ আমলের মুর্শিদাবাদের পূর্বাংশ (পশ্চিমাংশ রাঢ়), নদীয়া (বর্ত্তমান কুষ্ঠিয়া সহ), যশোর (বর্ত্তমান বনগ্রাম সমেত), ২৪ পরগণা, খুলনা, ফরিদপুর ও বাখরগঞ্জ জেলা নিয়ে হচ্ছে বাংলার বদ্বীপ বা ডেলটা (স্তুন্দ্বপ্তব্ধ্ত্র) বা বাগড়ি বা সমতট৷ এই সমতটের রাজা সগর ছিলেন বিরাট এক প্রভাবশালী রাজা৷ বঙ্গোপসাগরে ছিল তাঁর এক বিরাট নৌবাহিনী৷ বঙ্গোপসাগরে সর্বজনস্বীকৃত তাঁর প্রতিপত্তির দরুণ, সগর কর্ত্তৃক অধিকৃত এই অর্থে সগরূষ্ণ করে ‘সাগর’–যার মানে হচ্ছে সগর রাজার দ্বারা শাস

  • Read more about “আমাদের সেনা যুদ্ধ করেছে সজ্জিত চতুরঙ্গে / দশাননজয়ী রামচন্দ্রের প্রপিতামহের সঙ্গে৷”

রামায়ণের চরিত্র

একটু আগেই বলেছি, ‘খর’ শব্দের একটি অর্থ ‘রাক্ষস’৷ যতদূর মনে হয় প্রাচীনকালের আর্যরা অষ্ট্রিক–নিগ্রোয়েড বা দ্রাবিড়গোষ্ঠীভুক্ত মানুষদের রাক্ষস বলে অভিহিত করতেন৷ কারণ, তাঁদের নিজেদের লেখাতেই ধরা পড়ে যে রাক্ষসদেরও উন্নতমানের সভ্যতা ছিল৷ তারা বড় বড় শহর–নগরীর  পত্তন করেছিল....তারা ধর্মাচরণ করত....তারা শিবভক্ত ছিল....তারা শিবের আশীর্বাদে অমিত প্রতিভা ও শক্তিসম্পদের অধিকারী হয়েছিল৷ তাদের হেয় করবার জন্যে বিভিন্ন পুস্তকে তাদের সম্বন্ধে বহু অবাঞ্ছিত মন্তব্য কর হয়েছে৷ তবে হ্যাঁ, একথাটি ঠিকই যে তারা আর্যদের বেদ ও যাগ–যজ্ঞের বিরোধী ছিল৷ আর সম্ভবতঃ যজ্ঞে মূল্যবান খাদ্যবস্তুর অপচয় হ’ত বলে তারা কোথাও যজ্

  • Read more about রামায়ণের চরিত্র

জেল

সাধু ৰাংলার ‘কারাগার’, হিন্দুস্তানী ‘ফাটক’, --- সব শব্দকে সরিয়ে দিয়ে আজ ইংরেজী ‘জেল’ শব্দটি ব্যাপকভাবে চলছে৷ ‘জেল’-এর পুরনো ইংরেজী ৰানান Gaol ও আধুনিক ইংরেজী বানান Jail দুই ৰানানই চলছে৷ ‘জেল’ শব্দটি ইংরেজী হলেও ‘খানা’ শব্দটি ফার্সী৷ তাই ‘জেলখানা’ শব্দের অর্দ্ধেক ভাগ ইংরেজী, অর্দ্ধেক ভাগ ফার্সী৷ 

  • Read more about জেল

জামাতৃ

জা+ মা+ তৃচ= জামাতৃ৷ ‘জা’ মানে জায়া অর্থাৎ পত্নী৷ ‘মা’ ধাতুর অর্থ গ্রহণ করা/ধারণ করা/ পরিমাণ দেওয়া/ সম্মান দেওয়া৷ যিনি পত্নী গ্রহণ করেছেন অর্থাৎ দার পরিগ্রহ করেছেন তিনি ‘জামাতৃ’---প্রথমার একবচনে ‘জামাতা’৷ জামাত > জামাআ> জামাএ> জামাই৷ ‘জামাতৃ’ শব্দের অন্য অর্থ ‘ৰর’ (bridegroom), সহায়ক, বন্ধু৷ ‘জামাতা’ শব্দের অপর মানে সূর্যমুখী ফুল৷

  • Read more about জামাতৃ
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved