Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

পথ চলতে ইতিকথা

[জ্ঞানের মহাসমুদ্র পরম শ্রদ্ধেয় শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকার, যিনি একাধারে ধর্মগুরু, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ, ইতিহাসতত্ত্ববিদ, ভাষাবিজ্ঞানী, চিকিৎসা বিজ্ঞানী, সঙ্গীতকার ও তার সঙ্গে সঙ্গে যুগান্তকারী সামাজিক–র্থনৈতিক দর্শন–প্রাউটের প্রবক্তা, তিনি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কথা প্রসঙ্গে কত যে বিচিত্র ইতিহাস অনর্গল বলে চলতেন–তা ভাবলে বিস্ময়ের সীমা থাকে না৷ এ থেকে পাঠকের বুঝতে অসুবিধা হবে না যে, তিনি জ্ঞানের অসীম মহাসমুদ্র৷ তাঁর বলা সেই সব বিচিত্র ইতিহাসের কিছু কিছু নোতুন পৃথিবীর পাঠকদের এই কলমে উপহার দিচ্ছি৷ আমরা নিশ্চিত যে এ থেকে পাঠকবৃন্দের জ্ঞানভাণ্ডার অনেক সমৃদ্ধ হবে৷ ]  –সম্পাদক, ‘নোতুন পৃথিবী’

আন্দুল/খুলনা

কচ্ছপ ৰলতে গিয়ে কচ্ছপের খোলার কথা মনে পড়ল৷ প্রাচীনকালে কচ্ছপের খোলা থেকে ঢাল তৈরী হত৷ দেশ-বিদেশে কচ্ছপের খোলার চাহিদা ছিল৷ দক্ষিণ ৰাঙলায় পাওয়া যেত প্রচুর ডাঙার কচ্ছপ ও জলের কচ্ছপ দুইই৷ ডাঙার কচ্ছপ দেখতে কতকটা কাঠের বারকোষের মত হত (বড় হলে বারকোষ ছোট হ’লে কেঠো)৷ মেয়েরা কেঠোয় রান্নাঘরে নুন রাখেন, আর বারকোষে ভোজবাড়ীতে ময়দা মাখা হয় ৷ এক শ্রেণীর জলের কচ্ছপকে কেঠো ৰলা হয় (পূর্ববঙ্গীয় উচ্চারণে ‘কাউটা’)৷ কোষ্ঠক> কাট> কাঠুয়া> কেঠো৷ দক্ষিণ ৰাংলা থেকে কচ্ছপের খোলের এককালে ব্যবসা চলত৷ কচ্ছপকে সংস্কৃতে পুংলিঙ্গে ‘দুলিক’, স্ত্রীলিঙ্গে ‘দুলিকা’ ৰলা হয়৷

‘‘দুলি দুহি পিঠা ধরণ ন জাই

  • Read more about আন্দুল/খুলনা

কূটশীলা

‘কূট’ শব্দের আরেকটি অর্থ হচ্ছে পর্বত৷ পাহাড় ওপরের দিকেই উঠুক আর কোণাকুণিই উঠুক, তার গাত্র আদৌ সরলরেখাকার নয় তাতে রয়েছে অজস্র এৰড়ো খাড়া, অজস্র খানা-খন্দ, অজস্র কন্দর-গহ্বর৷ এই জন্যেই পাহাড়কে ‘কুট’ ৰলা হয়৷ পাহাড়ের জন্যে যদি দীর্ঘ ‘ঊ’-কার দিয়ে ‘কূট’ লেখা হয় সেক্ষেত্রে ‘কূট’ ৰলতে কিন্তু গোটা পর্বতটাকে ৰোঝাবে না---ৰোঝাৰে কেবল তার শিখরাংশ ও তৎসন্নিহিত এলাকাকে৷ গৃধ্রকূট (গৃধ্রকূট> গিউড> গিউড়> গিধৌড়), অন্নকূট (অন্নের পাহাড়), অমরকূট (ভুল করে অনেকে ‘অমরকোট’ ৰলেন), কূটশিলা (অনেকে ভুল করে ‘কোটশিলা’ ৰলে), কূটাসুর (পাহাড়ী অসুর-অনেকে ভুল করে ‘কোটাসুর’ ৰলে থাকে), চিত্রকূট প্রভৃতি বানানগুলিতে ‘কূ’

  • Read more about কূটশীলা

বেলুড় মঠ

পৌরাণিক যুগে দেবদেবীর মূর্ত্তি রাখা হত দুইভাবে৷ এক ঃ মূর্ত্তি বাড়ীর যে কোন শুচিশুদ্ধ স্থানে বা পূজার ঘরে রাখা চলত কিন্তু তাকে মন্ত্র পাঠ করে বা বিশেষ ব্যবস্থার দ্বারা শুদ্ধীকরণ বা প্রতিষ্ঠা করা হত না৷ তাকে অপ্রতিষ্ঠ বা অপ্রতিষ্ঠিত বিগ্রহ ৰলা হত (Non-conscrated)৷ পবিত্রজল বা পবিত্র মন্ত্র শুদ্ধিকরণকে (consecration ৰলা হত, সংস্কৃতে ‘শুদ্ধীকরণ’ বা ‘প্রতিষ্ঠাকরণ৷ যেমন যে উপাসনার স্থানকে ইংরেজী বা লাতিন বা হিব্রু মন্ত্রে বা জর্ডনের জলেতে শুদ্ধীকরণ করা হয় সেই শুদ্ধীকৃত উপাসনা স্থানকে ৰলে ‘চার্চ’ কিন্তু যে স্থানে উপাসনা করা হয়, চার্চের মতই ব্যবহার করা হয় কিন্তু ইংরেজী বা লাতিন বা হিব্রু মন্ত্রে শু

  • Read more about বেলুড় মঠ

ঘৃত (ঘি) ঃ

দুগ্ধ মন্থন করে যে নবনীত বা ননী (cream) পাওয়া যায় অথবা দুধের সর বা দধির সর মন্থন করে যে নবনী বা মাখন (butter) পাওয়া যায়, তাকে একবার জ্বাল দিয়ে গলিয়ে ফেললে হয় কাঁচা ঘি বা butter৷ এই কাঁচা ঘি–তে জলীয় অংশ খুব বেশী থাকে, স্বাদে তেমন ভালো নয়৷ এই জমে যাওয়া কাঁচা ঘি দেখতে কতকটা শীতের দিনে জমে যাওয়া নারকোল তেলের মত৷ এই কাঁচা ঘি দিয়ে কোন কিছু ভাজলে বস্তুর স্বাদ তেমন হয় না, গন্ধও তেমন হয় না৷ আর কোন কিছু ভাজতে গিয়ে কাঁচা ঘি খরচও হয় অনেক বেশী৷ কাঁচা ঘিকে জ্বাল দিলে তার রং কিছুটা হালকা ধরণের পীতাভ হয়ে গেলে তাকে ৰলা হয় পাকা ঘি৷ এই পাকা ঘি–এর গন্ধ ভালো, দানা ৰাঁধে, জমে গেলেও দূর থেকে একটু পীতাভ মনে হয়৷ রন

  • Read more about ঘৃত (ঘি) ঃ

দুগ্ধ (দুধ)

দুহ্ ক্ত ঞ্চ দুগ্ধ অর্থাৎ যা দোহন করে’ পাওয়া যায় তাই–ই দুগ্ধ৷ গোরুই হোক আর উট–ছাগল–মোষ–ভেড়া হোক, এদের দুধ দোহন করে পাওয়া যায়৷ প্রাচীনকালে গোরু যখন মানুষের পোষ মানেনি বা মানুষ তাদের বনজ অবস্থা থেকে গৃহপালিত পশু স্তরে টেনে আনতে পারেনি, তখন মানুষ প্রথম পুষেছিল ঘোড়াকে৷ ঘোড়া দ্রুতগামী পশু৷ দ্রুতগামী পশু দুধ দেয় অত্যন্ত কম৷ মানুষ সেকালে ঘোড়া পুষত তার পিঠে চড়ে লড়াই করবার জন্যে৷

  • Read more about দুগ্ধ (দুধ)

পত্নী/জায়া/ভার্যা/কলত্র

সেকালে মানুষ বাস করত মুখ্যতঃ বনভূমিতে উচ্চবৃক্ষের শীর্ষে – পাখীর বাসার মত বাসা তৈরী করে অথবা পর্বত দেহের গুহায়৷ পর্বত ও অরণ্যানী – দুয়েরই বৈদিক ভাষায় অন্যতম নাম গোত্র৷ গোড়ার দিকে এক–একটি গোত্রের প্রধান হতেন এক–একজন নারী – গোত্রমাতা৷ পরবর্ত্তীকালে এল পুরুষ–প্রাধান্যের যুগ৷ গোত্রপ্রধান হতে লাগলেন এক–একজন ঋষি (পুরুষ)৷ যে ঋষির কাছে অগ্ণি* থাকত সেই ঋষির গোত্রীয় মানুষেরা সেজন্যে বিশেষ গৌরববোধ করতেন৷ অগ্ণি–রক্ষাকারী ঋষিকে সাগ্ণিক বা অগ্ণিহোত্রী বলা হ’ত৷ অগ্ণিকে তারা দেবতা জ্ঞানে পূজা করত৷ তাই অগ্ণির সন্তুষ্টি বিধানের জন্যে উত্তম মানের আহার্য অগ্ণিকে আহুতি দিতেন৷ এই কাজকে তাঁরা ‘হবন’ বলতেন৷ এই হবন–

  • Read more about পত্নী/জায়া/ভার্যা/কলত্র

‘আবাদ

আর্যদের ভারতে আগমণের পর্যায়সমূহ আর্যরা প্রথম উত্তর-পশ্চিম  ভারতে  বসতি  স্থাপন  করেছিলেন৷  তারপর  তাঁরা ক্রমশঃ  পূর্বদিকে  অগ্রসর  হতে শুরু  করেন৷  প্রথম তাঁরা এলেন সপ্তসিন্ধুতে যাকে বর্তমানে পঞ্চাব (পঞ্চ + আব)  বলা  হয়৷  যার  মানে শতদ্রু (Sutlej), বিপাশা (Bias), ইরাবতী (Ravi), চন্দ্রভাগা (Chenub) বিতস্তা (Jhelum) এই  পঞ্চনদীর  দেশ৷  তার  আগে  এই  অঞ্চলের  নাম  ছিল  সপ্তসিন্ধু৷  

  • Read more about ‘আবাদ

রামায়ণের চরিত্র

একটুআগেই বলেছি, ‘খর’ শব্দের একটি অর্থ ‘রাক্ষস’৷ যতদূর মনে হয় প্রাচীনকালের আর্যরা অষ্ট্রিক–নিগ্রোয়েড বা দ্রাবিড়গোষ্ঠীভুক্ত মানুষদের রাক্ষস বলে অভিহিত করতেন৷ কারণ, তাঁদের নিজেদের লেখাতেই ধরা পড়ে যে রাক্ষসদেরও উন্নতমানের সভ্যতা ছিল৷ তারা বড় বড় শহর–নগরীর পত্তন করেছিল....তারা ধর্মাচ

  • Read more about রামায়ণের চরিত্র

রাঢ়ের সভ্যতা

মানুষের উদ্ভব পৃথিবীতে কয়েকটি বিশেষ বিশেষ বিন্দুতে হয়েছিল৷ কে আগে আর কে পরে–এই নিয়ে বিশদ আলোচনা না করেও ৰলতে পারি, রাঢ়ভূমিতে মানুষের উদ্ভব অতি প্রাচীন৷ এর চেয়ে প্রাচীনতর মনুষ্য–নিবাসের কোন সন্ধান পাওয়া যায় না৷ পৃথিবীতে যখন অরণ্য এল রাঢ়ের এই কঠিন শিলা, বিবর্তিত শিলা, আগ্ণেয় শিলা ও পাললিক শিলার ওপরে জন্ম নিল নিবিড় অরণ্য৷ সেই অরণ্যই একদিন মানুষ–জনপদ রাঢ়কে প্রাণ–সুধা জুগিয়েছিল, এই অরণ্যই রাঢ়ের নদীগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করত৷ ওই অরণ্যই বরফ–ঢ়াকা পাহাড়গুলি ক্ষয়ে যাবার পরে আকাশের মেঘকে ডেকে আনত রাঢ়ভূমিতে৷ রাঢ়ভূমিতে পর্জন্যদেবের কৃপাবর্ষণ হ’ত অফুরন্ত, অঢ়েল৷ এই আমাদের রাঢ়ভূমি–অনেক সৃষ্টি–স্থিতি–লয়ের জীবন্ত

  • Read more about রাঢ়ের সভ্যতা

আবাদ

আর্যদের বসতি স্থাপনের ফলে প্রয়াগ অঞ্চলটা শিক্ষা ও সংস্কৃতির গৌরবময় কেন্দ্রে পরিণত হয়েছিল৷ তার অনেক কাল পরে পাঠান–মোগল যুগে এটা একটা ঘিঞ্জি শহরে পরিণত হয়েছিল আর তার সঙ্গে ছিল প্রতি বর্ষাতেই বন্যার তাণ্ডব৷ তাই পাঠান যুগে এরই অনতিদূরে আর একটি নতুন শহর তৈরী করা হ’ল যার নাম দেওয়া হ’ল আল্লাহ–আবাদ অর্থাৎ কিনা ত্ব্প্সস্তুন্দ্ব প্সন্দ্র ট্টপ্তপ্ত্ত্রড়–আল্লাহ্ যেখানে থাকেন৷ এই আল্লাহ্–আবাদ স্থানটিকে পরবর্ত্তীকালে শিয়ারা নাম দিয়েছিলেন ইলাহাবাদ৷ বর্ত্তমান হিন্দী ভাষায় শহরটিকে ইলাহাবাদ বলে৷ উর্

  • Read more about আবাদ
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved