প্রধানমন্ত্রীর বহু বাগাড়ম্বরের একটি আত্মনির্ভর ভারত৷এই নিয়ে দেশব্যাপী প্রচারও কম নেই৷ শুধ আত্মনির্ভর নয়, তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির পথেও অনেকটা এগিয়ে গেছে ভারত এমনই প্রচারে পাড়ামাত করছে মন্ত্রী আমলা থেকে গ্রাম-পঞ্চায়েতের সদস্য সকলে৷ কিন্তু এটা কি দেশের অর্থনীতির প্রকৃত চিত্র! বাস্তব চিত্র হলো এই সরকারের ১২ বছরের রাজত্বে ঋণের বোঝা ক্রমশঃ বাড়ছে৷ দেশের মোট জিডিপির ৫৩ শতাংশই ঋণ৷ বছর শেষে এই ঋণের বোঝা বেড়ে হবে প্রায় ২১৪ লক্ষ ৮২ হাজার কোটি টাকা৷ এর ভেতর বিদেশী ঋণ আছে ৬৫ লক্ষ কোটি টাকা৷ ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের বাজেটে সরকারের খরচ ধরা হয়েছে ৫৩ লক্ষ কোটি টাকা৷ রাজস্ব বাবদ আয়ের পরিমাণ ৩৬ লক্ষ ৫১ হাজার কোটির কিছু বেশী টাকা৷ বাকীটা ঋণ বাড়িয়ে জনগণের মাথায় চাপিয়ে দেওয়া মোদি সরকারের এটাও একটা নজির৷ সরকারী পরিসংখ্যান অনুযায়ী স্বাধীনতার পর থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ঋণের পরিমান ছিল ৭০ লক্ষ কোটি টাকা৷ ২০২৬-২৭ আর্থিক বর্ষে সেই ঋণের বোঝা হবে ২১৪ লক্ষ কোটি টাকার বেশি৷ গত ৬৭ বছরে ঋণের পরিমান ৭০ লক্ষ কোটি টাকা, মাত্র ১২ বছরে তিনগুণের বেশী ঋণের পরিমান বাড়বে৷ এই ঋণের বোঝা বইতে হচ্ছে দেশের ১৪০ কোটি মানুষকে৷ ঋণের এই বোঝা কমাতে গেলে যে পথে হাঁটতে হবে তাতে ধনকুবেরদের গায়ে ঘা পড়বে৷ এতে পুঁজিপতি দরদি প্রধানমন্ত্রীর হৃদয় কেঁপে উঠবে৷ প্রধানমন্ত্রী হাজার হাজার কোটি টাকা ঋণ খেলাপিদের ছেড়ে দিয়েছেন৷ ঘনিষ্ট ধনকুবেরদের হাজার হাজার কোটি টাকা ঋণ মুকুব করে দিয়েছেন৷ তার দায় এখন বইতে হবে দেশের জনগণকে৷