Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

আবাদ

শ্রী প্রভাতরঞ্জন সরকার

আর্যদের বসতি স্থাপনের ফলে প্রয়াগ অঞ্চলটা শিক্ষা ও সংস্কৃতির গৌরবময় কেন্দ্রে পরিণত হয়েছিল৷ তার অনেক কাল পরে পাঠান–মোগল যুগে এটা একটা ঘিঞ্জি শহরে পরিণত হয়েছিল আর তার সঙ্গে ছিল প্রতি বর্ষাতেই বন্যার তাণ্ডব৷ তাই পাঠান যুগে এরই অনতিদূরে আর একটি নতুন শহর তৈরী করা হ’ল যার নাম দেওয়া হ’ল আল্লাহ–আবাদ অর্থাৎ কিনা ত্ব্প্সস্তুন্দ্ব প্সন্দ্র ট্টপ্তপ্ত্ত্রড়–আল্লাহ্ যেখানে থাকেন৷ এই আল্লাহ্–আবাদ স্থানটিকে পরবর্ত্তীকালে শিয়ারা নাম দিয়েছিলেন ইলাহাবাদ৷ বর্ত্তমান হিন্দী ভাষায় শহরটিকে ইলাহাবাদ বলে৷ উর্দ্দু ভাষায় আল্লাহবাদ ও ইলাহাবাদ দুই নামই চলে৷ এই প্রসঙ্গে একটা কথা মনে রাখতে হবে, যে সমস্ত শহরের নামের শেষে ‘আবাদ’ শব্দটি যুক্ত রয়েছে সেগুলোর নাম সবই পাঠান বা মোগল যুগে বা তারও পরে দেওয়া হয়েছে৷ যেমন, ফারুখাবাদ, মুজাফ্ফুরাবাদ, জেকোবাবাদ, নাসিরাবাদ (মৈমনসিং), জাহাঙ্গীরাবাদ (ঢ়াকা), ইসলামাবাদ (চট্টগ্রাম), ফৈজাবাদ (অযোধ্যা), শেরশাহাবাদ (মালদা), শরীফাবাদ (বর্দ্ধমান পরগণা৷ বর্দ্ধমান শহরটির নূতন নামকরণ হয় বার–এ দীবান৷ আর পরগণার নাম ‘শরীফাবাদ’)৷ সুতরাং নামের শেষে ‘আবাদ’ দেখলে আমরা সেই শহরের ইতিহাস নির্দ্ধারণে বেশ কিছুটা সুযোগ পেয়ে যাই৷ আর এটা নিশ্চিতভাবেই বুঝতে পারি যে সেই শহরটি ৭০০ বছরের বেশী পুরোনো হতে পারে না৷

 

Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved