Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

আঞ্চলিক শ্রীবৃদ্ধি সার্বিক উন্নয়নের পথ

মনোজ দেব

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ক্ষমতায় আসার পর থেকেই এক দেশ এক ভাষা এক আইন এক শিক্ষা নীতি---নানা বাহানায় ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করতে চাইছেন৷ যা যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোতে সংহতির ক্ষেত্রে বিপদজনক প্রবণতা৷ বৈচিত্র্য প্রকৃতির ধর্ম তা সে বৈচিত্র্য যেমন ভৌগোলিক গঠনে আছে, জল হাওয়ায় আছে, তেমনি মানুষের আচার-আচরণ ভাষা কৃষ্টি সংস্কৃতিতেও আছে৷ শারীরিক গঠনেও আছে৷ আহার বিহারে আছে৷ সকল বৈচিত্রে্যর বৈশিষ্ট্য বজায় রেখেই সংহতির পথ খুঁজতে হবে৷ নতুবা একের অছিলায় অনৈক্যের ফাটলে ছেনি মারা হবে৷

 আসলে বর্তমান শাসকের একইকরণের মানসিকতার পশ্চাতে রয়েছে ক্ষমতার কেন্দ্রিকরণ ও বৈশ্যের শোষণ৷ যুক্তরাষ্ট্রীয় গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় সুস্থ বলিষ্ঠ সমাজ গড়ে তুলতে শাসক ও বিরোধী পক্ষের ভূমিকা সমান গুরুত্বপূর্ণ৷ কিন্তু ভারতীয় শাসন ব্যবস্থায় শাসক বিরোধী কোনো পক্ষই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে মর্যাদা না দিয়ে নিজের নিজের আধিপত্য বজায় রাখতে চায়৷ শাসক বিরোধী রাজনীতির এই টানাপোড়নে বৈশ্য অবাদে তার শোষণ কার্য চালিয়ে যাচ্ছে৷ সমগ্র মানব সমাজ আজ বৈশিষ্ট্য শোষণে নিষ্পেষিত হচ্ছে৷ অথচ এই বিষয়ে জনগণের সামান্য চেতনা নেই৷ তারা দলমত জাতপাত সম্প্রদায়গত বিবাদে মত্ত৷ পুঁজিবাদের শোষণ আজ মানুষের অস্তিত্বকে চরম বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিয়েছে৷ এই বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে পুঁজিবাদী শোষণ বন্ধ করতে হবে৷ তবে তার আগে সাধারণ মানুষের এই শোষণ সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে৷ প্রাউট প্রবক্তা মহান দার্শনিক শ্রী প্রভাত রঞ্জন সরকার তার প্রাউট দর্শনে মানব সমাজের সার্বিক কল্যাণের সুস্পষ্ট নির্দেশনা দিয়ে গেছেন৷ তিনি শোষণকে শুধু অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখেননি৷ প্রাউটের দৃষ্টিকোণ থেকে শোষক পুঁজিপতিরা দৈহিক শোষণের পাশাপাশি মানসিক ও আত্মিক শোষণ সমান্তরালভাবে চালিয়ে যায়৷ শোষণের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে---একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে অবস্থিত তথাকার জনগোষ্ঠীর দৈহিক মানসিক আধ্যাত্মিক বিকাশকে স্তম্ভিত করে ওই অঞ্চলের প্রাকৃতিক সম্পদের সঙ্গে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর শ্রম ও মানসিক সম্পদের অবাধ লুণ্ঠন হলো শোষণ৷ প্রাউটেই তিন প্রকার শোষনকে প্রতিহত করতে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা দিয়েছে৷ প্রাউট সমগ্র মানব সমাজ কে কয়েক সাধারণ বৈশিষ্ট্যের বৈচিত্র অনুসারে ২৫০টারও বেশি জনগোষ্ঠীর তৈরি করে প্রত্যেকের দৈহিক মানসিক ও আত্মিক বিকাশের জন্য স্বয়ংসম্পূর্ণ সামাজিক অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার পরিকল্পনা দিয়েছে৷ বৈশিষ্ট্য গুলি হল সম অর্থনৈতিক সমস্যা, সমর্থনৈতিক সম্ভাবনা, জনগোষ্ঠীগত (নৃতাত্ত্বিক) বৈশিষ্ট্য, সাধারণ সাংবিধানিক উত্তরাধিকার ও একই ধরনের ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য৷

 এই স্বয়ংসম্পূর্ণ সামাজিক অর্থনৈতিক অঞ্চল গুলি গড়ে উঠবে স্থানীয় সম্পদের ওপর ভিত্তি করে স্থানীয় মানুষের দ্বারা৷ এক কথায় আর্থিক ক্ষমতা থাকবে স্থানীয় মানুষের হাতে৷ এইভাবে পুঁজিবাদ নির্ভর শোষণের দূর্গকেন্দ্রীত অর্থনীতির খোলনলচে পাল্টে বিকেন্দ্রিত আর্থিক ব্যবস্থা গড়ে উঠবে৷ যার দ্বারা প্রতিটি অঞ্চল স্বনির্ভর হয়ে উঠবে এবং এর ভিত্তি হবে নব্য মানবতাবাদ৷ এই ভাবেই আঞ্চলিক শ্রীবৃদ্ধির ধরেই মানব সমাজের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব

 

  • Log in to post comments
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved