Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

অতীতের ভারতবর্ষের মর্যাদা রক্ষা করাটা প্রতিটি শাসকের কর্তব্য

প্রভাত খাঁ

সৃষ্টিতত্ত্বের বৈচিত্র্য বোঝা বড়ই কঠিন৷ তিনটি গুন মূলত প্রাণী জগতে প্রবল---সেই তিনটি সত্ত্ব রজ ও তমগুণ গাছপালার মধ্যে দেখা যায় এমন গাছ আছে যেগুলি বিষাক্ত, আবার কিছু গাছে কাঁটা আছে, আবার এমন গাছ আছে হাত দিলে কুট কুট করে৷ প্রাকৃতিক নিয়মে উদ্ভিদ জগৎ এই শক্তি পায়, এমন কিছু গাছ আছে যারা জগৎকল্যাণে খাদ্য ঔষধরূপে কাজ করে, তারা নীরবে সেবা দেয়৷ মানুষের মধ্যেও এই তিনটি গুণ আছে৷ তাই গুণগত বৈশিষ্ট্যে মানুষ সংগ্রাম করে বেঁচে থাকে৷ তাই আবার সমাজে সৎ নীতিবাদী কিছু মানুষ আছেন তাঁরা সেবা দিয়ে যান, মানুষের ভালোবাসা পান, তাঁরা সত্ত্বগুণাশ্রিত৷ রজগুণীরা বেশী লড়াই করে, আত্ম অহংকারী হয়, বেশী ভোগবাদী হয় অশান্তি সৃষ্টি করে৷ আর তমোগুণাশ্রিতগণ -এর মধ্যে প্রতিবাদ করার মানসিকতা তেমন থাকে না, মোটা বুদ্ধির হয়, কিছুটা দোষ ত্রুটি করে ফেলে! এই তিনধরনের লোক নিয়েই মানুষের সমাজ গড়ে উঠেছে৷

দেশ, কাল পাত্রের পরিবর্তনের মধ্য দিয়েই আপেক্ষিক জগতে এই পৃথিবীতে প্রায় ২৫৬ টি মানুষের সমাজ এগিয়ে চলেছে লক্ষ লক্ষ বছর ধরে৷ আজ অত্যাধুনিক যুগে মানুষ চরম সংগ্রাম করে হাজির হয়েছে নানা ঘাত প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে৷ আজ অধিকাংশ মানুষ বুঝেছে শিক্ষার বিস্তার আর ভৌতিক বিজ্ঞানের উন্নতির জন্যই এটি সম্ভব হয়েছে৷ সেই অতি পবিত্র ও সত্য কথাটি তা হলো মানুষ মানুষ ভাই ভাই এক জাতি এক প্রাণ একতা৷ অন্তর দিয়ে মানুষকে একথা গ্রহণ করতে হবে৷ একই পৃথিবীতে আমরা সবাই লালিত, এক চন্দ্র, সূর্যের আলোয় আমরা বেঁচে আছি, একই বাতাস আমাদের বাঁচিয়ে রেখেছে৷ আমরা সব কিছু বুঝে ও অনুভব করেও অতীতের জাত পাত ভেদাভেদকে বড়ো করে হিংসায় মত্ত হই কেন? এগুলো তো অতীতের সমাজপতিদের সৃষ্টি৷ আজ তো আর সেই সমাজপতিরা নেই৷ জাতপাতও সমাজ থেকে অনেকটাই মুছে গেছে৷ আজ মানুষ জাত পাত দূরে সরিয়ে রেখে বিবাহ বন্ধনের মাধ্যমে মানুষ ধীরে ধীরে এক বৃহৎ পরিবারে আবদ্ধ হয়েছে৷ তাই আজও যারা স্বার্থান্ধ হয়ে সমাজে মিথ্যা দাদাগিরি করে শাসনের নামে স্বেচ্ছাচারিতা ও নির্মম অত্যাচার ও শোষন করে চলছে সেটা কি সঠিক কাজ হচ্ছে? 

পৃথিবীতে এই ত্রিভুজাকৃতি ভারতযুক্তরাষ্ট্রটি হলো ছোট আকারে একটি পৃথিবী বিশেষ৷ এখানে তো কোন কিছুরই অভাব নেই তবু কেন মিথ্যা জাত পাত সাম্প্রদায়িকতাকে প্রশ্রয় দিয়ে জঘন্য স্বেচ্ছাচারিতা করে চলেছে বার বার সেই কেন্দ্র সরকারগুলি৷ কংগ্রেস ও তৎকালীন কম্যুনিষ্ট ও আর এস এস সবাই দেশীয় পুঁজিপতিদের স্বার্থে দেশভাগকে মেনে নেয়৷ বর্হিবিশ্ব থেকে সুভাষচন্দ্রের সতর্ক বার্র্তয় কর্ণপাত করেনি৷ তারা স্বাধীনতার নামে ব্রিটিশের কাছ থেকে ক্ষমতা হস্তান্তর করে৷ পরিণতিতে দেশ দু-টুকরো হয়৷ পরবর্ত্তীতে পাকিস্তান ভেঙে স্বাধীন বাঙলা দেশ রাষ্ট্র তৈরী হয়৷ 

অতি দুঃখের সঙ্গেই বলি গান্ধীজীই বা কেমন করে সেটাকে মেনে নিলেন ইংরেজের সরকারের দেওয়া প্রথম সেই ডোমিনিয়ন স্ট্যাটার্স কমনওয়েলথের সদস্য রাজ্য হিসাবে! আর পাকিস্তানকে স্বাধীন মুসলীম রাষ্ট্র হিসাবে স্বীকৃতি দিয়ে সেই ১৯৪৭ সালের ১৪ই আগষ্ট৷ তারপর ভারত খণ্ডিত হয়ে পায় সেই ১৫ই আগষ্ট ১৯৪৭ স্বাধীন সার্বভৌম সাধারণতন্ত্র, প্রজাতন্ত্র, পরে ইন্দিরা গান্ধী সংবিধানে সমাজতন্ত্র আখ্যা দিয়ে গেলেন৷ কিন্তুপরবর্তী কেন্দ্রীয় সরকার সেটা মানতে চায় না৷ তাই তাঁরা তো পদে পদে সেই সংবিধানকে পাশ কাটিয়ে এক ধরণের দলের ইচ্ছামত ভারতকে শাসন করে চলেছে৷ এর বিরুদ্ধে বিরোধী দলগুলোর কোন বড় ভূমিকা আজ পর্যন্ত দেখা গেল না৷ বর্তমান কেন্দ্র সরকার রাজ্যের বিরোধী দলের শাসনকে নানাভাবে হেনস্থা করে চলেছে যাতে সারা দেশে ডবল ইঞ্জিন শাসনের নামে এক দলীয় শাসন কায়েম হয়৷ এই ভারত চিরকাল পৃথিবীতে শান্তিরবানী প্রচার করে এসেছে৷ এই স্বেচ্ছাচারিতার জন্যে ভারতকে আংশিক স্বাধীন ও নির্বাচিতদের স্বৈরাচারী শাসন আখ্যা দিয়েছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা৷ তাই সারা বিশ্বে ভারতের একটা আলাদা সম্মান আছে, মর্যাদা আছে৷ শাসনে যেই আসুক বিশ্বের কাছে ভারতের এই মর্যাদা রক্ষা করা তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্যের মধ্যে পড়ে৷

 

  • Log in to post comments
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved