Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

বাড়ি মেরামত করতে গিয়ে ঘুরে গেল ভাগ্যের চাকা- মাটি খুঁড়তেই ‘গুপ্তধন

পি.এন.এ.
Sun, 18-10-2026

বাড়ি মেরামত করতে গিয়ে ঘুরে গেল ভাগ্যের চাকা৷ বাড়ির বাইরের অংশে টালি লাগানোর জন্য মাটি খুঁড়তেই উঠে এল ‘গুপ্তধন’৷ প্রায় হাজার বছরের পুরনো সেই গুপ্তধনের হদিস পেলেন বাড়ির মালিক৷ মাটি কোপাতে কোপাতে কোদালের ডগায় উঠে আসে ১৮ কেজি মূল্যবান ধাতুর গয়না, মুদ্রা৷ বাড়ির সামনের অংশ সাজাতে গিয়ে অপ্রত্যাশিত ধনলাভের ঘটনা ছড়িয়ে পড়তেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে গোটা এলাকায়৷

ঘটনাটি ঘটেছে ডেনমার্কে৷ স্যামুয়েল (নাম পরিবর্তিত) নামের এক ব্যক্তি বাড়ির সামনে টালি বসানো জন্য ঘাস, মাটি, কাঁকর ইত্যাদি সরানোর জন্য কোদাল চালাচ্ছিলেন৷ সেই সময় ধাতব কিছুতে আঘাত করেন তিনি৷ ভেবেছিলেন কোনও লোহা বা শক্ত বেড়াজাতীয় কিছু মাটির নীচে চাপা রয়েছে৷ খানিকটা খুঁড়তেই মাটি থেকে উঠে আসতে থাকে রুপোর অলঙ্কার, মুদ্রা ও রুপোর বাট৷ প্রায় সাড়ে ১৮ কেজি রুপোর মূল্যবান সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে মাটির নীচ থেকে৷ উত্তর ডেনমার্কের রিবিল্ডের ওই বাড়ির মালিক স্যামুয়েল সংবাদমাধ্যমে জানান, তিনি ভেবেছিলেন, নতুন টালি বসানোর জন্য বারান্দার জায়গা পরিষ্কার করতে কয়েক ঘণ্টার বেশি সময় লাগবে না৷ কিন্তু ঘাস, পাথর আর কাঁকর সরাতে গিয়ে যা আবিষ্কার করলেন, তা তাঁর কল্পনাতেও আসেনি৷ সামান্য বাগানের কাজ করতে নেমে এমন এক বিস্ময় যে তাঁর জন্য অপেক্ষা করছে তা কস্মিনকালেও ভাবতে পারেননি বলে জানিয়েছেন স্যামুয়েল৷ প্রতিবেদন অনুসারে, মাটির নীচে পুঁতে রাখা ছিল একটি পাত্র এবং প্রায় ৭০০ টি রুপোর সামগ্রী৷ এগুলোর মধ্যে মুদ্রা, রুপোর বাট, চুড়ি, গয়না এবং আরও অনেক প্রত্নসামগ্রী পাওয়া গিয়েছে৷

প্রত্নতাত্ত্বিকদের ধারণা, ৯০-এর দশকের কোনও এক সময় বিপুল এই গুপ্তধন একটি মাটির পাত্রে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল৷ পাত্রটির ভিতরেই ছিল প্রায় ৩২০টি বস্তু, যার সম্মিলিত ওজন প্রায় ৬.৪ কেজি৷ সময়ের সঙ্গে পাত্রটি ভেঙে যাওয়ায় কিছু সামগ্রী আশপাশের মাটিতে ছড়িয়ে পড়ে৷

উদ্ধার হওয়া সম্পদের তালিকাও যথেষ্ট চমকপ্রদ৷ প্রত্নতাত্ত্বিকদের কাছে বেশ কয়েকটি সামগ্রী ‘হ্যাকসিলভার’ নামে পরিচিত৷ এমনকি মিলেছে ছোট্ট একটি থরের হাতুড়িও, যা ওই সময়ের ধর্মীয় বিশ্বাসের সঙ্গে জড়িত বলে মনে করা হচ্ছে৷ তবে আবিষ্কারের সবচেয়ে রহস্যময় অংশগুলোর একটি হল একটি রুপোর বারে খোদাই করা রুনিক লিপি৷ প্রত্নতাত্ত্বিকদের ধারণা, সেখানে ‘হুতু’ শব্দটি লেখা থাকতে পারে৷ এর প্রকৃত অর্থ অবশ্য এখনও নিশ্চিত নয়৷ বিশেষজ্ঞদের অনুমান, এটি হয়তো কোনও ব্যক্তির নাম অথবা ওই সম্পদের মালিকানা বোঝাতে ব্যবহৃত একটি চিহ্ণ৷

 

Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য প্রসূনানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য প্রসূনানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved