Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

বেগুন     

শ্রী প্রভাতরঞ্জন সরকার

অনেকেই ‘বেগুন’ শব্দটির কষ্টকল্পিত অর্থ করেন–ৰে–গুণ অর্থাৎ যার গুণ নেই৷ এখানে বলে রাখা ভাল যে বেগুনের নাম গুণরাহিত্য হেতু হয়নি, বা তা আদৌ ‘ডিসকোয়ালিফিকেশন’ নয়৷ বেগুন একটি সংস্কৃতজাত তদ্ভব শব্দ৷ সংস্কৃত ‘ব্যাঙ্গন’ শব্দ থেকেই ৰাংলায় বেগুন, বাইগন, বাইগুন হিন্দীতে বৈগন শব্দগুলো এসেছে৷ বেগুনের পর্যায়বাচক অন্য সংস্কৃত শব্দ হচ্ছে বার্তাকু, বার্তাকী, বার্তিকী, ৰৃহতী, বৃন্তাক প্রভৃতি৷ সরু লম্বা বেগুনকে (কুলী বেগুন) সংস্কৃতে ৰৃহতী বলে৷ ৰাংলায় প্রচলিত ‘মুক্তকেশী’ বেগুনের সংস্কৃত ‘বার্ত্তাকু’৷ পঞ্জাবীতে বেগুনকে ‘বাতায়ু’ বলে–এসেছে সংস্কৃত ‘বার্ত্তাকু’ থেকে৷ সব বেগুনেরই ভাল ইংরেজী হচ্ছে ‘ৰ্রিঞ্জাল’ (Brinjal)। সমস্ত বেগুনই চীন থেকে এসেছে৷

বেগুন তরকারিটির গুণ আছে৷ বেগুন জিবে লালা (saliva) পৌঁছে দিয়ে খাদ্যে রুচি আনে ও খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে৷ বেগুনের সঙ্গে তিক্ত বস্তু (নিম, উচ্ছে প্রভৃতি) মিশিয়ে একত্র ভক্ষণ করলে তিক্ত বস্তুর দোষ নষ্ট হয়ে যায়৷ বেগুনের যা অল্প একটু দোষ রয়েছে তা হচ্ছে বেগুন ‘বাতর’ পর্যায়ভুক্ত অর্থাৎ অত্যধিক পরিমাণ বেগুন খেলে ‘কন্ডূয়ন’ (চুলকানি) ব্যাধির সম্ভাবনা থাকে৷

‘বৃন্তাক’ মানে শাদা বেগুন (আমেরিকান ইংরেজীতে ‘এগফ্রুট’)৷ এই শাদা বেগুন তামসিক খাদ্য রূপে বিবেচিত হয়–তাই অভক্ষ্য৷ বলা হয়েছে–

      ‘‘কুসুম্ভনালিতা শাক–বৃন্তাকং পোতকীস্তথা৷

      ভক্ষয়ন্ পতিতস্তু স্যাদপি বেদান্তগঃ দ্বিজঃ৷৷’’

অর্থাৎ চিচিঙ্গা, ডাঙ্গার কলমী, শাদা বেগুন ও লাল পুঁই খেলে সর্ববিদ্যায় পারদর্শী ব্রাহ্মণেরও পাতিত্য ঘটে৷ (নালিকা শাক অর্থাৎ পাট শাক কিন্তু অভক্ষ্য নয়)৷

 

 

Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved