আত্ম-বলিদানের অগ্ণিশিখায়
বন্দিত মহাপ্রাণ,
সপ্তদশ দধীচি স্মরণে বিনম্র মনে
জানাই সহস্র প্রনাম৷
মানব-কল্যানে নিবেদিত প্রাণ
চির মৃত্যুঞ্জয়ী বীর,
আদর্শ অনুসরণে মৃত্যু বরণে
চির উন্নত তব শির৷
সমুখের পানে অগগমনে
নাই কোনো সংশয়,
বীরের মরণে জনগন মনে
চিরস্থায়ী আশ্রয়!
প্রকাশ্য দিবালোকে সংঘটিত হয়
পৈশাচিক হত্যাকাণ্ড,
চণ্ডশক্তির উধম নৃত্য
শূণ্য করুণা-ভাণ্ড!
সাক্ষী সূর্য, নীচে রেলপথ
ব্যস্ত শকট, গাড়ি,
রাজপথে শুধু রক্ত লোলুপ
হায়নার পায়চারি!
সুপরিকল্পিত হত্যালীলার
যারা ছিল কুশীলব
নিশ্চিন্তে দিবসে ঘুরিয়া বেরায়
নাই মানবিক অনুভব!
মনুষ্যত্বের শেষ পরিচয় টুকু
সেদিন হয়েছিল অবসান,
মায়া-মমতার আকাল সেথায়
মানবতার তিরোধান৷!
বাঙালির সাংস্কৃতিক শহরে-
দেখলাম অভূতপূর্ব
সংস্কৃতির বহর,
বীরপুঙ্গব লুকায়েছে মুখ
মানবিকতার অক্ষম বিবরে!
যেথা নীরব জনতা স্তব্ধ মানবতা
কত আর্তনাদ বীভৎসতা
এক কুখ্যাত বৈশাখী দুপুরে!
প্রশাসন, সুশিক্ষিত ভূমিপুত্র
লুকায়ে নিরাপদ আশ্রয়ে,
শান্তশিষ্ট নীতিনিষ্ঠ সুশীল সমাজ
সঙ্কুচিত ভয়ে!
আজও বিজন সেতু
নিরবে গুমরে কাঁদে,
কি নারকীয় হিংসার সাক্ষী,
চায় সুবিচার পেতে৷
বিজন সেতু কৈফিয়ত চায়
তাই জনসমাবেশ,
রোদে-জলে তবু মিছিল এগোয়
বিবেকের নির্দেশ৷
বিচারের বাণী বড় অভিমানী
কাঁদেনা নীরবে নিভৃতে,
দৃপ্ত কণ্ঠে প্রকাশিছে সে’’ বাণী
পাও কি তোমরা শুনিতে!
- Log in to post comments