Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

বঙ্গ জয়ের এমন মরিয়া প্রচেষ্টা বাঙালী অনেককাল দেখেনি

বিশ্বদেব মুখোপাধ্যায়

এবারের পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন কেমন যেন একটা যুদ্ধ যুদ্ধ ভাব! দিল্লির সম্রাট ও তাঁর সেনাপতি যেভাবে বঙ্গ জয়ের জন্য ঘুঁটি সাজিয়েছেন তা দেখে আমাদের ইতিহাসে পড়া আগেকার দিনের রাজা রাজড়াদের রাজ্য জয়ের ঘটনাই মনে করিয়ে দিচ্ছে৷ পূর্বাঞ্চলের অঙ্গ,বঙ্গ ও কলিঙ্গ এই তিন রাজ্যের মধ্যে দুটো রাজ্য ইতিপূর্বেই দিল্লির শাহেনশাহের কাছে মাথানত করেছে৷ ফলে তিনি সহজেই দখল করে নিয়েছেন৷ এবারে লক্ষ্য বঙ্গ৷ সম্রাট ও তাঁর প্রধান সেনাপতি ঘন ঘন রাজ্যে আসছেন,নতুবা তাঁদের দূত পাঠাচ্ছেন৷ সেনাপতিতো আগাম ঘোষণা করে দিয়েছেন জয় করার জন্য যা যা করার প্রয়োজন তা তো তিনি করছেনই, সাথে সাথে টানা ১৫দিন এখানেই ঘাঁটি গেড়ে বসে থেকে তিনি রাজ্য জয় করে তবেই ফিরে যাবেন রাজধানীতে৷ অনেক পরিকল্পনা করে এবারে সম্রাট লড়াইতে নেমেছেন৷ সঙ্গে তাঁর যত পারিষদ( কেন্দ্রীয় দপ্তরসমূহ,মন্ত্রীবর্গ) সবাইকেই মাঠে নামিয়ে দিয়েছেন৷ যেন তেন প্রকারে বঙ্গ তাঁর চাই-ই চাই৷ বঙ্গবাসীর সাথে সরাসরি যুদ্ধে যদি তাঁর সৈন্য সামন্ত পর্যুদস্ত হয়,তাই প্রথমে বঙ্গ বাসীদের নাম কাটানোর ব্যবস্থা করালেন তালিকা থেকে (প্রধানতঃ যাঁরা তাঁর তাঁবেদারি মানবে না),তারপরে তাদের লাইনে দাঁড় করিয়ে শারীরিক- মানসিক ভাবে দুর্বল করার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে গেলেন৷ সহজে জমি ছাড়বে না বঙ্গ বাসীরা বুঝতে পেরে বিশাল সৈন্যবাহিনী কে পাঠিয়ে দিয়েছেন বেয়াড়া বঙ্গবাসীকে শায়েস্তা করার জন্য৷ সাঁজোয়া গাড়িও এসেছে৷ চারিধারে শুধু ভারি বুটের শব্দ! কাশ্মীরেও বোধহয় এত বাহিনী নেই ! কোনো কোনো জায়গায় বাহিনীর লোকেদের আবার সম্রাটের পতাকাও বয়ে নিয়ে যেতে দেখা যাচ্ছে৷ ইদানীংকালে বঙ্গবাসী এসব জিনিস দেখে নি, সম্রাট ও সেনাপতি সবসময় বুঝিয়ে দিচ্ছেন বাঙালী মাথা না ঝুঁকালে কি পরিনতি তাদের হতে পারে! ইতিহাস বইতে পড়া রাজা বা সম্রাটদের সাম্রাজ্য বিস্তারের সাথে বেশ মিল খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে৷ বর্তমান সম্রাটের বেশভূষা দেখলেও অনেকসময় আগেকার দিনের সম্রাটদের মতোই মনে হয়৷ জানি না উনিও হয়তো মনে মনে নিজেকে সত্যি সত্যিই সম্রাট বলে ভেবে থাকেন !!

উনি ভাবতেই পারেন নিজেকে সম্রাট বলে,তবে রাজতন্ত্র আমাদের দেশ থেকে তো অনেক আগেই বিদায় নিয়েছে৷ তাই উনি সম্রাটের মতো আচরণ করলেই ওনার ইচ্ছেমত সব হয়ে যাবে না,আর হয়ে যাচ্ছেও না৷ বঙ্গের মানুষদের সম্বন্ধে ওনাদের ধারনা খুব কাঁচা৷ এখানের অধিবাসীরা যেমন বুদ্ধি ধরে,তেমনি সহজে মাথা নীচুও করতে চায় না৷ সাহস একটু বেশিই বলা যায়! সম্রাট যদি ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসটা পড়ে নিতেন তাহলে ভালো করতেন৷ তাঁর কৌশলকে কিভাবে ভোঁতা করে দিতে হয় সব জানে এখানের মানুষ৷ মানুষ তৈরি হয়ে আছে সম্রাট,তার সেনাপতি সহ সভাসদদের কিভাবে বঙ্গ থেকে বিদায় করবেন তার অপেক্ষায়! শুধু দেখতে থাকুন শাহেনশাহ৷

যুদ্ধের মনোভাব না নিয়ে যদি বঙ্গবাসীর হৃদয় জয় করার চেষ্টা করতেন সম্রাট, বঙ্গের উন্নয়নে কাজ করতেন তাহলে হয়তো বঙ্গবাসী এতটা বিরূপ হত না! যেহেতু এঁদের রক্তে বাঙালী বিদ্বেষ,তাই এঁরা বাংলা ও বাঙালীর ভালো করবে রাজ্যের গুটিকয় মানুষ ছাড়া কেউই বিশ্বাস করে না৷ ব্রিটিশরা বাঙালীদের সঙ্গে এঁটে উঠতে না পেরে ধর্মীয় বিভাজন ঘটিয়ে যেমন লড়াই লাগিয়ে দিয়েছিল,তা আজও অব্যাহত রয়েছে সম্রাট ও তাঁর সাগরেদদের কারণে৷ সেই কৌশল নিয়েই বর্তমান সম্রাট ও তাঁর সাগরেদরা কিছু মীরজাফর পেয়েছে এখানে৷ কিছু কিছু গণমাধ্যমকে কিনে নিতে পারলেও জব্দ করতে পারছেন না এক নারীশক্তিকে৷ তাঁর কাছে বারবার নাস্তানাবুদ হতে হচ্ছে দিল্লীর বাবুদের৷ এবার তাঁরা ’করঙ্গে ইয়ে মরেঙ্গে’নীতি গ্রহণ করেছেন৷ তাই দিল্লীর সম্রাটের এবারের যুদ্ধ কিভাবে শেষ হয় তা দেখার জন্য শুধু এখানকার (ভারতের) রাজ্যগুলো নয় সারা বিশ্ব তাকিয়ে আছে৷ বাঙালী জিতবে নাকি দিল্লির সম্রাট? বর্তমান দিল্লীশ্বর (বিশ্বগুরু) এর পরাজয় ঘটলে বিশ্বগুরুর সম্মান ধুলোয় মিশে যাবে যে! তাই মরণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন সম্রাট ও তাঁর সব এজেন্সি একযোগে৷ আগামী মাসের ৪তারিখ পর্যন্ত সবাইকে অপেক্ষা করতেই হবে - সম্রাটের জয় অথবা পরাজয় দেখার জন্য!

 

  • Log in to post comments
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved