ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত সিকিমের একাংশ৷ বহু জায়গায় ধস নামার খবর পাওয়া গিয়েছে৷ উত্তর সিকিমে বেশ কয়েকটি জায়গায় ধস নামার ফলে বহু পর্যটক রাস্তায় আটকে পড়েছেন৷ জেলাশাসক অনন্ত জৈন জানিয়েছেন, গ্যাংটক থেকে লাচেন এবং চুংথাং থেকে লাচেন যাওয়ার পথে অনেক জায়গায় ধস নেমেছে৷ ফলে যে সব পর্যটক লাচেন যাচ্ছিলেন, তাঁরা চুংথাংয়ে আটকে পড়েছেন৷ শতাধিক পর্যটক সেখানে আটকে রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে৷ তবে রাস্তা থেকে ধস সরানোর কাজ শুরু হয়েছে৷ যত দ্রুত সম্ভব সেই ধস সরিয়ে ফেলা যায় তার চেষ্টা হচ্ছে৷
জেলাশাসক জৈন জানিয়েছেন, আটকে পড়া পর্যটকদের আইটিবিপি শিবির এবং গুরুদ্বারে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে৷ লাচেন যাওয়ার পথ পুরোপুরি স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে৷ রাস্তায় অনেক গাড়ি আটকে রয়েছে৷ আবহাওয়া পরিস্থিতির একটু উন্নতি হলেই পর্যটকদের যাতায়াতের অনুমতি দেওয়া হবে৷ তবে লাচুংয়ের পথে যে ধস নেমেছিল, তা পরিষ্কার করে দেওয়া হয়েছে৷ ওই পথে আটকে থাকা পর্যটকেরা গ্যাংটকে ফিরছেন ধীরে ধীরে৷ আবহাওয়ার পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে৷ পর্যটকদের জন্য সতর্কবার্তাও জারি করা হয়েছে৷
অন্য দিকে, আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের বেশির ভাগ জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে৷ ২৭ মার্চ দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে৷ ২৮ এবং ২৯ মার্চ এই জেলাগুলিতে ৪০-৫০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে৷