একসঙ্গে অনেকগুলো একককে নিয়ে, তৈরী হয় একটি ‘গুচ্ছ’৷ এই গুচ্ছকে বাংলায় বলে ‘ছড়া’৷ যা’ ছড়িয়ে দেওয়া হয় তাকেও বলে ‘ছড়া’৷ পাড়াগাঁয়ের মেয়েরা উঠোনের দোরগোড়ায় গোবর জলের ছড়া দেয়৷ অনেকগুলো গুচ্ছ বা ছড়াকে নিয়ে তৈরী হয় একটি কান্দি বা কাঁদি (এই ছড়া বা কাঁদি, এরা হ’ল খাঁটি বাংলা দেশজ শব্দ)৷ যেমন-কলার কাঁদি, তালের কাঁদি, নারকোলের কাঁদি, সুপুরির কাঁদি৷ এক কাঁদি কলায় অনেক ছড়া কলা থাকে৷ অনেকগুলো গ্রামও তেমনি গুচ্ছাকারে থাকলে তাঁকে বলে ‘ছড়া’---উত্তর বাংলায় বলে ‘গুড়ি’৷ যেমন লক্ষ্মীছড়া, দুর্লভছড়া প্রভৃতি৷ ছড়ার মত কান্দি বা কাঁদি দিয়েও গ্রামের নাম রাখা হয় ওই একই কারণে৷ যেমন---ছাতিনাকাঁদি, কাঁদি, জেমোকাঁদি (মুর্শিদাবাদ), পাথরকাঁদি (প্রাক্তন সিলেট জেলা), হাইলাকাঁদি (কাছাড় জেলা) প্রভৃতি৷