Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

দেব শিল্পী বিশ্বকর্মা

প্রণবকান্তি দাশগুপ্ত

বিশ্বকর্মা দেব শিল্পী৷ প্রভাস নামক বায়ুর ঔরসে তৎ পত্নী যোগ সিদ্ধার গর্ভে বিশ্বকর্মার জন্ম৷ বিশ্বকর্মা অর্থাৎ বিশ্ব হয়েছে যার কর্ম৷

বিশ্বকর্মা কারিগরি যন্ত্র শিল্প ও সর্বপ্রকার শিল্পকর্মের দেবতা৷ বিশ্বকর্মার শিল্পকীর্তি অসংখ্য৷ বিশ্বকর্মা শুধু শিল্পী নন তিনি স্থপতি ও রামায়ণে উল্লেখ আছে বিশ্বকর্মার লঙ্কাপুরী নির্মাণ করেছিলেন৷ বিশ্বকর্মার বানর পুত্র নল দারোকা পুরী নির্মাণ করেছিলেন৷ পিতার শক্তিতে শক্তিমান হয়ে সমুদ্রের ওপর সেতুবন্ধন করেছিলেন৷ সসৈন্য ভারতের আপ্যায়নের জন্য ভরদ্বাজ মুনি বিশ্বকর্মাকে দিয়ে গৃহ নির্মাণ করিয়েছিলেন৷

 কূর্ম পুরাণ মতে, সূর্যের সপ্ত রশ্মির অন্যতম বিশ্বকর্মা৷ গ্রীষ্ম শেষে যে সূর্য মেঘ তৈরি করে বৃষ্টিপাত ঘটিয়ে কর্মসম্পন্ন করেন তিনি বিশ্বকর্মা৷ বিশ্বকর্মা পুজোয় ঘুড়ি ওড়ানোর প্রথা আছে৷ তার কারণ ঘুড়ি ওড়ানোর সূর্য পূজারই একটা পদ্ধতি ঘুড়ি উড়িয়ে সূর্যকে বন্দনা করা হয়৷ ঘুড়ি ওড়ানো নিছক খেলা নয়৷

বর্ষান্তে ভাদ্র সংক্রান্তিতে বিশ্বকর্মা পূজা অনুষ্ঠিত হয়৷ ইন্দ্রপূজাও ভাদ্র মাসে৷ ইন্দ্র বৃষ্টির দেবতা৷ বিশ্বকর্মাও বর্ষার দেবতা৷ ভাদ্রের শেষে কৃষিকাজ শেষ হওয়ার পর কর্ষকদের ফসলের জন্য অপেক্ষা করতে হয়৷ সেই অবসরে ভাদ্র সংক্রান্তিতে তারা বিশ্বকর্মার প্রতি কৃতজ্ঞতা বসতঃ পুজো করে থাকে৷ ইন্দ্রের মতো বিশ্বকর্মারও বাহন ঐরাবত৷ ঐরাবত আসলে ঐরাবত সদৃশ মেঘ৷ তাই বিশ্বকর্মা শুধু শ্রমিকদেরই দেবতা নন, চাষীদেরও দেবতা৷

বিদেশেও বিশ্বকর্মা আছেন৷ গ্রীকদের বিশ্বকর্মা নাম হেফায়েস্‌তাস৷ হেফায়েস্‌তাস্‌ হেরার পুত্র৷ কদাকার কুৎসিত বদমেজাজীও হলেও তাঁর দেহে অসাধারণ শক্তি৷ আর শিল্পকর্ম সবই নিখুঁত৷ তিনি তার শিল্পকর্মে সহায়তার জন্য কতগুলি সোনার যান্ত্রিক স্ত্রীলোক সৃষ্টি করেছিলেন৷ তাঁর কারখানায় সোনার চাকা লাগানো তিনপাওয়ালা কতগুলি টেবিল ছিল৷ প্রয়োজনীয় দ্রব্যসম্ভার নিয়ে টেবিলগুলো দেবতাদের সভায় দ্রুত যাতায়াত করত৷ প্রাচীন গ্রিক মিশে প্রিয় রোবটে বাস্তবায়িত হয়েছে৷ গ্রীস দেশের মতো রোমেরও বিশ্বকর্মা আছেন৷ তার নাম ভালকান৷ উত্তর ও মধ্য ইউরোপের বিশ্বকর্মা হলেন থর৷

 

  • Log in to post comments
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য প্রসূনানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য প্রসূনানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved