গত নির্বাচনে ৯১লক্ষ ভোটারের নঙাম বাদ পড়ে এস.আই.আরে৷ তাদের মধ্যে প্রায় ২৭ লক্ষ ভোটার ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেন৷ তাদের আবেদনের নিষ্পত্তির জন্য সুপ্রিম কোর্ট ২০ টি ট্রাইবুনাল গঠনের নির্দেশ দেন৷ এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায় দেওয়া হয় ২৩ জন বিচারপতিদের যারা কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি৷ নির্বাচনের আগেই দুজন বিচারপতি পদত্যাগ করেন বিশেষ কারণে৷ ১৮ টি ট্রাইবুনালের মাধ্যমে বাঙলার বর্তমানে ২৮ টি জেলার শুনানি চলছে৷ মাননীয় অধীররঞ্জন চৌধুরীর আইনজ্ঞগণ মহামান্য সুপ্রিম কোর্টকে জানান যে এইভাবে ধীরগতিতে ট্রাইব্যুনালের কাজ চললে হয়তো চার-পাঁচ বছর লেগে যাবে৷ তাতে আবার নির্বাচন এসে যাবে৷ তাই মালদা মুর্শিদাবাদে বিচারাধীন ভোটারদের সংখ্যা অত্যাধিক৷ তাই ওই দুই জেলার ব্লক গুলিতে দ্রুত নিষ্পত্তির ট্রাইব্যুনালের ব্যবস্থা করার৷ সেই সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি বলেন অদ্যাবধি কতগুলি নিষ্পত্তি হয়েছে সেটাও মহামান্য সুপ্রিমকোর্টকে জানাতে হবে সেই ট্রাইবুনালকেই৷ তা ছাড়া যারা আটক আছেন তারাও এই ব্যাপারে হাইকোর্টে যেতে পারেন৷
গত মঙ্গলবার এর শুনানিতে, মাননীয় অধীর চৌধুরীর আইনগ্য অভিযোগ করেন যাদের শুনানিতে নাম বাদ পড়েছে তাদের রেশন বন্ধ করা হয়েছে৷ এমনকি অন্য সামাজিক বিষয় প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে৷ এই কথা শুনে মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং বলেছেন এস আই আর মামলার পরিধির মধ্যে এই সব বিষয় আনায় রাজি হননি শীর্ষ আদালত৷ এদিকে কলকাতা হাইকোর্টের বেশ কয়েকজন ট্রাইব্যুনালের কাজ থেকে সরে গেছেন৷ তাছাড়া যেসব বঞ্চনার কথা বলা হচ্ছে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি বলেছেন---এইসবের প্রতিকারে তারা কলকাতা হাইকোর্ট যেতে পারেন৷ আগামী ২৫শে আগস্ট এর এই মামলাটি শুনানি হবে
অতি লজ্জার ও দুঃখের কথা যে শাসকগণ ভোটারদের ভোট সংখ্যা কমানোর কথা বলে সেই নিজেদের মনোনীত প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে সে যেটা সংবাদপত্রে আসে৷ তাই কেন শাসকগণ এমন কথা বলেন এ বুঝতে না পারাটা কঠিন নয়৷ অতি বোকা ও সরল বুঝতে পারেন৷ তাই সেই শাসকগণ প্রায়ই বলেন নির্বাচনে বড়ই খরচ৷ এই খরচটা মূলত কার৷ সারা ভারত যুক্তরাষ্ট্রটি হলো একটি ছোট্ট মহাদেশ৷ নানাভাবে ঋতু পরিবর্তন হয় একে মেনেই ভোট হয়৷ যারা প্রবীন তারা জানেন সেই প্রথম দিকেই কংগ্রেস একসঙ্গে ভোট করেন৷
কিন্তু তাতে নানা অসুবিধে আছে তখন উত্তর ও দক্ষিণ ভারতে সেই প্রাকৃতিক পরিবেশকে মানবতা দিয়ে ভোট হয়৷ মূলত গণতন্ত্রের নেতারা জনমতকেই অস্বীকার করতে বড়ই আগ্রহী কারণ দলতান্ত্রিকরা সহসা ক্ষুদ্র স্বার্থের পশ্চাতে ছুটে চলে৷ তাই এখানেই গণতন্ত্রটাই অস্বীকৃত কি নয়৷ কারণ নীতিহীন শাসক জনমতকে ভয় পায়৷ তাই অগণতান্ত্রিক উপায়ে এত মানুষকে বোটদানে বঞ্চিত রেখে ক্ষমতা দখল করতে হয়েছে৷
- Log in to post comments