Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

জেলায় জেলায় আমরা বাঙালীর কর্মীসভা

নিজস্ব সংবাদদাতা
Sun, 12-04-2026

এই আসন্ন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বাঙালীর আত্মপরিচয়, অধিকার ও মর্যাদার সংগ্রামকে আরও তীব্র ও সুসংগঠিত করতে রাজ্যজুড়ে বিধানসভা ভিত্তিক নির্বাচনী কর্মীসভা আয়োজন করছে ‘আমরা বাঙালী’৷ এই কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বাঙলার মাটি, বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির পক্ষে এক ঐতিহাসিক জনজাগরণের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে সর্বস্তরের মানুষের কাছে৷

ইতোপূর্বে পুরুলিয়া জেলার জয়পুর, আড়ষা, বাঘমুণ্ডি, বান্দোয়ান ও পুরুলিয়া শহর মেদিনীপুর জেলার মেদিনীপুর, খড়গপুর, সবং, শালবনী পূর্ব মেদিনীপুরের পাশকুঁড়া ও কোলাঘাট পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোল দক্ষিণ ও দুর্গাপুর পশ্চিম পূর্ব বর্ধমানের বর্ধমান ও কেতুগ্রাম বাঁকুড়ার শালতোড়া ও ছাতনা বীরভূমের সাঁইথিয়া, সিউড়ী ও রামপুরহাট হুগলির চন্দননগর ও তারকেশ্বর হাওড়ার আমতা, আন্দুল ও পাঁচলা উত্তর ২৪ পরগণার বনগাঁ, বাগদা, গাইঘাটা, বারাসাত, ব্যারাকপুর ও বসিরহাট দক্ষিণ ২৪ পরগণার সোনারপুর কলকাতার মানিকতলা ও শ্যামপুকুর মুর্শিদাবাদের বহরমপুর, ভরতপুর, জলঙ্গী ও কান্দিসহ উত্তরবঙ্গের কোচবিহারের মাথাভাঙা, কোচবিহার, তুফানগঞ্জ, শীতলখুচি আলিপুরদুয়ারের আলিপুরদুয়ার ও ফালাকাটা জলপাইগুড়ির জলপাইগুড়ি, ময়নাগুড়ি, ধূপগুড়ি ও ডাবগ্রাম দার্জিলিংয়ের শিলিগুড়ি ও মাটিগাড়া দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট ও বুনিয়াদপুর উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জ, হেমতাবাদ, করণদিঘি, ইসলামপুর ও চোপড়া এবং মালদার রতুয়া ও সামসিপ্রভৃতি বিধানসভা এলাকায় এই সাংগঠনিক কর্মীসভা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে৷

এই সকল সভায় উপস্থিত হয়ে সংগঠনের কর্মীদের পাশে থেকে হিন্দী সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামের বার্তা দেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সচিব তপোময় বিশ্বাস৷ তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকারের ‘‘হিন্দী তোষণ’’ নীতি ও বাংলা-বাঙালী বিদ্বেষের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ৷ তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান এস.আই.আর-এর নাম করে বাঙালী জাতিকে পুনরায় এই দেশের মাটিতে উদ্বাস্তু করে তোলা এবং তাদের ভোটাধিকার হরণের যে গভীর চক্রান্ত চলছে, তা আসলে এক সুপরিকল্পিত হিন্দী সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনের রূপ৷

তিনি আহ্বান জানান সমস্ত বিভাজন ভুলে বাঙালী জাতিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে, গড়ে তুলতে হবে প্রতিবাদের মঞ্চ৷ বাঙলার ভাষা, কৃষ্টি, ইতিহাস ও অর্থনৈতিক অধিকারের সুরক্ষায় একযোগে আন্দোলনে শামিল হওয়াই সময়ের দাবি৷

একইসঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেন এই সংগ্রাম কেবল রাজনৈতিক নয়, এটি বাঙালীর অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই, বাঙালীর অর্থনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই৷ বাঙলার ভাষা থেকে চাকরী সবকিছুতেই বাঙালী আজ নিজভূমে পরবাসী--বহিরাগত অবাঙালীদের দাসে পরিণত হচ্ছে!! এই শোষণের শৃঙ্খল ভাঙতে সর্বস্তরে বাংলা ভাষা ও ১০০ ভাগ বাঙালীর কর্মসংস্থানের সুনিশ্চিততার দাবীতে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে নিজ নিজ কেন্দ্রে বাঙালীর নিজস্ব সংগঠন ‘আমরা বাঙালী’র প্রার্থীদের বিপুল ভোটে জয়ী করে বাঙলার আত্মমর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামকে শক্তিশালী করার জন্য সর্বস্তরের মানুষের প্রতি আন্তরিক আহ্বান জানান তিনি৷

উত্তরবঙ্গ থেকে প্রবীন আমরা বাঙালী নেতা শ্রীখুশীরঞ্জন মণ্ডল জানান---উত্তরবঙ্গের প্রতিটি জেলায় একাধিক কেন্দ্রে প্রার্থী দিয়ে আমরা বাঙালী প্রচারে নামবে৷ আমরা বাঙালীর মূল লক্ষ্য--- ভূমি স্রেষ্ঠ বরেন্দ্রভূমি বনজ কৃষিজ সম্পদে লুন্ঠন বন্ধ করে কৃষিভিত্তিক ও কৃষিসহায়ক শিল্প গড়ে বরেন্দ্রভূমির তথা উত্তরবঙ্গের প্রতিটি যুবকের কর্ম সংস্থানের ব্যবস্থা করা৷ উত্তরবঙ্গে সম্পদের অভাব নেই৷ অভাব উপযুক্ত পরিকল্পনা ও সততা ও নৈতিকতায় প্রতিষ্ঠিত আদর্শ নেতৃত্বে৷ শ্রী মণ্ডল জানান ---স্বাধীনতার পর ৭৮ বছর পার হয়ে গেল, কেন্দ্র ও রাজ্যের কোন সরকারই উত্তরবঙ্গের উন্নয়নে সেভাবে নজর দেয়নি৷ উত্তরবঙ্গের রেশম, আম, তামাক,পাট প্রভৃতি কৃষি সম্পদকে ভিত্তি করে জেলায় জেলায় ব্লকে ব্লকে শিল্প গড়ে উঠতে পারে৷ কিন্তু স্থানীয় নেতাদের হাত করে অবাঙালীফোড়েরা এই সব কৃষিজ সম্পদ অন্য রাজ্যে নিয়ে চলে যাচ্ছে৷ সেখান থেকে উৎপাদিত পণ্য বাঙলার বাজারে অধিক মূল্যে বিক্রয় করা হচ্ছে৷ এরফলে বাঙলা উভয় দিক থেকে শোষিত হচ্ছে৷ একদিকে তার সম্পদ চলে যাচ্ছে বাঙলার বাইরে অপরদিকে তারই কৃষিজ সম্পদে উৎপাদিত পণ্য তাঁকে অধিক দামে ক্রয় করত হচ্ছে৷ 

আমরা বাঙালী চায় স্থানীয় সম্পদের বহিঃস্রোত বন্ধ করে প্রতিটা জেলার ব্লকে ব্লকে কৃষিভিত্তিক ও কৃষি সহায়ক শিল্প গড়ে স্থানীয় বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা৷ সমবায় ভিত্তিতে গড়ে ওঠা এইসব শিল্পে বহিরাগতের কোন স্থান হবে না৷ এরফলে যেমন শিল্প কারখানায় স্থানীয় বেকারের কর্মসংস্থান হবে তেমনি শিল্পে উৎপাদিত পণ্য স্থানীয় মানুষ অনেক কম দামে ক্রয় করতে পারবে৷ এরফলে বাঙলার আর্থিক বুনিয়দ মজবুত হবে৷

শ্রী খুশীরঞ্জন মণ্ডল বলেন--- আমরা বাঙালী শুধু বাঙালীর কথাই চিন্তা করে না৷ প্রাউটের অর্থনীতি বিশ্বের সর্বশ্রেণীর মানুষের সার্বিক বিকাশের কথা বলে৷ তাই সারা বিশ্ব গড়ে তোলা হয়েছে ২৫০টির বেশী সামাজিক অর্থনৈতিক অঞ্চল৷ ভারতবর্ষে জনগোষ্ঠীগত বিন্যাসের দিকে তাকিয়ে ৪৪টি অর্থনৈতিক অঞ্চল ঘটন করা হয়েছে৷

 

Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved