Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

জীবঃ জীবস্য ভোজনম্‌

শ্রী প্রভাতরঞ্জন সরকার

ভাবার্থ :- ‘জীবঃ জীবস্য ভোজনম কথাটি সোজা অর্থ জীব জীবের আহার৷ কথাটা সত্য, কিন্তু তার মানে আবার এই নয় যে সমস্ত জীব সমস্ত জীবের আহার৷ মাংসাশী জীব অন্য জীবের মাংস ভক্ষণ করে৷ কিন্তু মানুষ মাংসাশী জীবের মধ্যে পড়ে না৷ মানুষের দাঁত ও পরিপাক যন্ত্রের (যেমন দীর্ঘ ক্ষুদ্রান্ত) সঙ্গে শাকাহারী বা ফলাহারী জীবেরই সাদৃশ্য বেশী৷ গাছ-পাতা, ফল-ফুল, শাক-সব্জীও জীবন্ত জীবকোষের সমাহার৷ তাই বুদ্ধিমান তথা বিবেকবান মানুষের কর্তব্য, অপেক্ষাকৃত উন্নত জীবকে হত্যা না করে অবিকশিত বা অল্পবিকশিত সত্তাকে আহার হিসেবে গ্রহণ করা৷

শরীর-মনের ওপর খাদ্যের প্রভাব অপরিসীম৷ কথায় বলে You are what you eat. গুণানুসারে আহার তিনভাগে বিভক্ত---সাত্ত্বিক, রাজসিক ও তামসিক৷ এদের মধ্যে সাত্ত্বিক আহারই মানুষের পক্ষে সর্বাত্মক কল্যাণকর৷ তাই রসনাতৃপ্তির জন্যে জীবহত্যা করে মাছ-মাংস না খেয়ে বা তামসিক আহার গ্রহণ না করে ফল-ফুল, শাক-সব্জী, দুধ-দই ও শস্যজাতীয় সাত্ত্বিক আহার গ্রহণ করাই বুদ্ধিমানের কাজ৷ সাত্ত্বিক আহার স্বাস্থ্যর্দ্ধক, শরীর-মনের উৎকর্ষসাধক৷

আর, অহিংসানীতিও শরীর, মন ও বাক্য দ্বারা অন্যকে কষ্ট না দেওয়া মানুষের পক্ষে এক অবশ্যপালনীয় বিধি৷ তাই ‘জীব জীবের ভোজন’ হলেও খাদ্য নির্বাচনের ক্ষেত্রে বিবেকবুদ্ধির প্রয়োগ করে যথার্থ খাদ্যগ্রহণ করাই শ্রেয়৷

                                           (স্তোত্রমঞ্জুষা থেকে সংগৃহীত)

 

 

Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved