কেন্দ্রের স্বৈরাচারী আচরণ যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো দুর্বল করবে
দেশের প্রধানমন্ত্রী যে গণতন্ত্রের ভাষা বোঝেন না বা বুঝতে চাননা সেটা স্পষ্ট হয়ে গেছে৷ সংখ্যা গরিষ্ঠের মস্তানি দেখিয়ে সংকীর্ণ দলীয় ও ব্যষ্টি স্বার্থপুরণের জন্য একের পর এক আইন পরিবর্তন বা নতুন আইন সংযোজন করেছেন গণতন্ত্রের মর্যাদাকে ধূলিসাৎ করে৷ দেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের নতুন নিয়মও প্রধানমন্ত্রীর একটি স্বৈরাচারী পদক্ষেপ৷ তবে প্রধানমন্ত্রী সম্ভবত বুমেরাং অস্ত্রটির সঙ্গে পরিচিত নন৷ গণতন্ত্রে ঘাতকের অস্ত্রেই ঘাতক ঘায়েল হতে পারে, এ বোধ সম্ভবতপ্রধানমন্ত্ নেই৷ নরেন্দ্র মোদি আজ যে কুর্সিতে বসে আছে গতকাল সেটায় অন্য একজন ছিলেন, আগামীকাল অন্য একজন বসবেন৷ তখন আজকের প্রধানমন্ত্রীর তৈরী অস্ত্রই