Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

সংবাদ দর্পণ

বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি সভা---আমরা বাঙালী

পি.এন.এ.
Wed, 04-03-2026

 আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে আমরা বাঙালী৷ সেই উপলক্ষ্যে জেলায় জেলায় ঘুরে কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করছেন আমরা বাঙালীর কেন্দ্রীয় সচিব জ্যোতিবিকাশ সিন্‌হা ও কেন্দ্রীয় সংঘটন সচিব তপোময় বিশ্বাস৷ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলা সফর করে বর্তমানে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলি সফর করছেন৷ মালদা দুই দিনাজপুর, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও দার্জিলিং জেলার কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করেন৷ দুই কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে উত্তরবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত খুশিরঞ্জন মণ্ডল, নীরোধ অধিকারী ও অন্যান্য কর্মীরা সভাগুলিতে উপস্থিত ছিলেন৷

 

সমুদ্রের অক্সিজেন শুষে নিচ্ছে দক্ষিণ চিন সাগরের রহস্যময় ড্রাগন গর্ত?

পি.এন.এ.
Wed, 04-03-2026

সমুদ্রের বুকে একটা নীল গর্ত৷ আর সেটিকে কেন্দ্র করে ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য৷ কী আছে ওই গর্তের অন্দরে? কোনও অদৃশ্য শক্তি কি সেখানে পাহারা দিচ্ছে যকের ধন? গর্তটির ভিতরে অক্সিজেন ফুরিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত মিলতেই এই নিয়ে তুঙ্গে ওঠে জল্পনা৷ বিজ্ঞানীদের থেকে অবশ্য এ ব্যাপারে একাধিক তত্ত্ব সামনে এসেছে৷

দক্ষিণ চিন সাগরের ওই গর্তটির নাম ‘সানশা ইয়ংলে’৷ সমুদ্র বিজ্ঞানীদের কাছে অবশ্য সেটি ড্রাগন হোল বা ড্রাগনের গর্ত নামে বেশি পরিচিত৷ গত এক দশকের বেশি সময় ধরে এটিকে নিয়ে চলছে গবেষণা৷ তাতে রহস্য দূর হওয়া তো দূরে থাক, উল্টে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা আরও বেড়েছে৷ গর্তটার গভীরতা নিয়েও যথেষ্ট অস্পষ্টতা রয়েছে৷ গবেষকদের কথায়, সমুদ্রের তলদেশে এই ধরনের গর্ত তৈরি হওয়া একেবারেই আশ্চর‌্যজনক নয়৷ কারণ, প্রবাল প্রাচীর বা ছোট টিলায় ধাক্কা খেয়ে প্রায়ই সেখানকার জলে তৈরি হয় ঘূর্নি৷ খুব ছোট এলাকা জুড়ে সেটা গোল হয়ে ঘুরতে থাকলে ওই ধাক্কায় জন্ম নেয় ছোট ছোট বর্তুলাকার গর্ত৷ কিছু কিছু জায়গায় সেগুলি বেশ অগভীর৷ আবার কয়েকশো মিটার নীচে চলে যাওয়া গর্তও রয়েছে৷

দক্ষিণ চিন সাগরে ড্রাগন হোল বা ড্রাগনের গর্তের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়ার পর এর রহস্য উদঘাটনে বিজ্ঞানীদের মধ্যে হুড়োহুড়ি পড়ে গিয়েছিল৷ গোড়ার দিকে একে পৃথিবীর গভীরতম নীল গর্ত বলে মনে করেছিলেন তাঁরা, যেটা প্রায় ৩০১ মিটার নীচে চলে গিয়েছে৷ যদিও পরবর্তীকালে মেক্সিকো উপসাগরে আরও গভীর সামুদ্রিক গর্তের হদিস মেলে৷দুনিয়ার তাবড় নীল গর্তগুলির মধ্যে শীর্ষস্থান হারালেও গঠন শৈলীর দিক থেকে ড্রাগন হোল কিন্তু অনন্য৷ বিজ্ঞানীরা কখনওই একে শুধুমাত্র রেকর্ডের তালিকায় থাকা কোনও প্রাকৃতিক ঘটনা হিসাবে দেখননি৷ বরং জলবায়ু পরিবর্তন এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কী ভাবে সেটা প্রাকৃতিক ভাবে সংরক্ষণ পেল, সেটা বোঝার চেষ্টা করেছেন তাঁরা৷ সমুদ্রের বুকে তৈরি হওয়া নীল গর্তকে সাধারণ ভাবে উল্লম্ব খাদ বলা যেতে পারে৷ কিন্তু ড্রাগন হোল একেবারেই সে রকম নয়৷ বিস্তারিত জরিপে দেখা গিয়েছে, যত নীচে নেমেছে, ততই কাত হয়ে গিয়েছে ওই গর্ত৷

২০১৭ সালে ড্রাগন হোলের রহস্য উদঘাটনে কোমর বেঁধে লেগে পড়েন বিজ্ঞানীরা৷ সামুদ্রিক দিকনির্ণয়কারী সরঞ্জাম এবং উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন রোবট নামিয়ে সংশ্লিষ্ট গর্তটির ত্রিমাত্রিক এক মানচিত্র তৈরির চেষ্টা করেন তাঁরা৷ তাঁদের পরিশ্রম বৃথা যায়নি৷ মানচিত্র তৈরির ব্যাপারে অনেকটাই সাফল্য পায় ওই গবেষকদের দল৷ সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানীদের দাবি, গর্তটির সঠিক গভীরতা হল ৩০১.১৯ মিটার৷ ড্রাগন হোলের ভিতরের দেওয়াল বাঁকানো এবং এর ভিতরে খাড়া কৌণিক বিন্দুতে কঠিন পাথুরে জমি রয়েছে৷ তা ছাড়া গর্তটির ভিতরে কিছু কিছু জায়গায় ধসের চিহ্ণ মিলেছে৷ গবেষকেরা মনে করেন, ড্রাগন হোল একেবারেই নতুন গজিয়ে ওঠা গর্ত নয়৷ এর জন্মের ইতিহাস বেশ পুরনো৷ দ্বিতীয় পর্যায়ে ড্রাগন হোলে অত্যাধুনিক ডুবো রোবট নামায় গবেষকদের দল৷ তার গায়ে আবার দিক নির্ণয়ের একাধিক সরঞ্জাম লাগানো ছিল৷ রোবটটি খুব দ্রুত নীল গর্তটির ভিতরে ঢুকে যায়নি৷ বরং ধীরেসুস্থে, কিছুটা সন্তর্পণে এগিয়েছে বলা যেতে পারে৷ ওই ডুবো রোবটের পাঠানো তথ্যের উপর ভিত্তি করে ত্রিমাত্রিক মানচিত্র আঁকতে পেরেছেন বিজ্ঞানীরা৷ তবে মানচিত্র তৈরি হলেও ড্রাগন হোলের রহস্যভেদ যে করা গিয়েছে, এমনটা নয়৷ কারণ গবেষকদের দাবি, গর্তটির ভিতরে রয়েছে অসংখ্য সুরু খাঁজ ও ঘরের মতো জায়গা৷ হাজার হাজার বছর আগে সেগুলি কী ভাবে তৈরি হল, তা নিয়ে যথেষ্ট ধোঁয়াশা রয়েছে৷

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, ড্রাগন হোলের ভিতরে সিঁড়ির ধাপের মতো একটা জায়গা রয়েছে৷ সেটা কিছুটা এঁকেবেঁকে নীচের দিকে নেমে গিয়েছে৷ এই বৈশিষ্ট্যগুলি প্রাচীন সমুদ্রপৃষ্ঠের সঙ্গে সারিবদ্ধ, যেটা শীতকালে তৈরি হয়েছিল বলে মনে করা হচ্ছে৷

দক্ষিণ চিন সাগরের ওই গর্তটির সবচেয়ে রহস্যজনক বিষয় হল এর রসায়ন৷ ড্রাগন হোলের উপরের দিকের ৯০ থেকে ১০০ মিটার পর্যন্ত অক্সিজেন রয়েছে৷ ফলে এখনও সেখানে সামুদ্রিক জীবের অস্তিত্ব দেখতে পাওয়া যায়৷ কিন্তু, তার চেয়ে নীচে নামলে আর সেটা পাওয়া যায় না৷ ফলে সেখানে কোনও প্রাণের অস্তিত্ব নেই৷

ড্রাগন হোলের গভীরতম স্তরে হাইড্রোজেন সালফাইডের অস্তিত্ব খুঁজে পেয়েছেন গবেষকেরা৷ এটি জীবন ধারণকে অত্যন্ত কঠিন করে তুলেছে৷ গর্তটির ভিতরের জলস্তরের মধ্যেও একাধিক রাসায়নিক জটিলতা রয়েছে, যা অন্যান্য সামুদ্রিক নীল গর্তে প্রায় বিরল, বলছেন বিশ্লেষকেরা৷

 

হোয়াটস্যাপকে পুরোপুরি নিষিদ্ধ করল রাশিয়া

পি.এন.এ.
Wed, 04-03-2026

 হোয়াটস্যাপকে পুরোপুরি নিষিদ্ধ করল রাশিয়া৷ ক্রেমলিনের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, দেশের আইন না মানার জন্যই মেসেজিং প্ল্যাটফর্মটির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে৷ পালটা হোয়াটস্যাপ কর্তৃপক্ষের দাবি, রাশিয়ার তৈরি ম্যাক্স অ্যাপের প্রসার করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷ যার ফলে সেদেশের মানুষের সাইবার স্পেসে সরকারের নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ আরও বেশি মজবুত হবে৷

২০২২ সালে ইউক্রেনে হামলার পর থেকেই একাধিক বিদেশি প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে দ্বন্দ্ব শুরু হয় মস্কোর৷ প্ল্যাটফর্মগুলি থেকে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য চেয়েছিল ক্রেমলিন৷ যা দিতে নারাজ ছিল সংস্থাগুলি৷ যদিও রুশ কর্তৃপক্ষের দাবি, সন্ত্রাসবাদ, প্রতারণা সহ অন্যান্য অপরাধ থেকে দেশের মানুষকে সুরক্ষা দিতেই তথ্য চাওয়া হয়েছিল৷ তারপরেই একের পর এক বিদেশি অ্যাপের উপর পদক্ষেপ নিচ্ছে রুশ প্রশাসন৷ ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে হোয়াটস্যাপ৷ এক্স হ্যান্ডলে তারা লিখেছেন, ‘রাশিয়ার জনতার উপর নজরদারির জন্য তৈরি অ্যাপ ম্যাক্সের প্রসার বাড়াতেই এই কাজ করেছে ক্রেমলিন৷ সেদেশের ১০ কোটি মানুষ ব্যক্তিগত ও সুরক্ষিত যোগাযোগের মাধ্যম হারাবে৷’ তবে দেশের নিয়ম কানুন মানলে হোয়াটস্যাপ ফিরে আসতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছে ক্রেমলিন৷ ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ জানিয়েছেন, যদি মেটা নিজের অবস্থান থেকে সরে এসে রুশ প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে বসে৷ তবে তাঁদের ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে৷ প্রসঙ্গত, গত ডিসেম্বরেই অ্যাপেলের ভিডিও কলিং প্ল্যাটফর্ম ফেসটাইমকে বন্ধ করেছে মস্কো৷ আংশিক বন্ধ করা হয়েছে টেলিগ্রামকেও৷ 

 

বাংলাদেশে আপাতত স্বস্তি শাসন-ক্ষমতায় বি.এন.পি

পি.এন.এ.
Wed, 04-03-2026

ভোটপর্ব শেষ৷ রেকর্ড সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদ পেলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান৷ আর সেই সঙ্গেই ভাঙলো চেনা প্রথা৷ বঙ্গভবনের দরবার হলের পরিবর্তে এই প্রথম জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় হচ্ছে সরকার প্রধান ও মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান৷ গত মঙ্গলবার বিকাল চারটেয় সেখানে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন তারেক৷ সঙ্গে মন্ত্রিসভার অন্য সদস্যরাও৷ সংসদ সচিবালয় সূত্রে খবর, শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মহম্মদ সাহাবুদ্দিন৷ ২০০১ সালে বিএনপির মন্ত্রিসভা ছিল ৬০ সদস্যের৷ সূত্রের খবর, এবার নতুন মন্ত্রিসভা হয় ৩৭ জনের৷ এর মধ্যে ২৬-২৭ জন পূর্ণ মন্ত্রী এবং ৯-১০ জন প্রতিমন্ত্রী৷ মন্ত্রী হিসাবে যাঁদের নাম প্রাথমিকভাবে আলোচনায় ছিলেন, তাঁরা হলেন ফজলুর রহমান, শহিদউদ্দিন চৌধুরী অ্যানি, আন্দালিব রহমান পার্থ, মাহদি আমিন, সাঈদ আল নোমান এবং ইশরাক হোসেন৷ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য ঢাকার বেইলি রোড, মিন্টো রোড ও হেয়ার রোডে ৩৬টি বাংলো ও অ্যাপার্টমেন্ট প্রস্তুত রাখা হয়েছিল৷

গত মঙ্গলবার সকাল ১০টায় সংসদ ভবনে নতুন এমপিদের শপথ পাঠ করান প্রধান নির্বাচন কমিশনার৷ পরে বিকেলে দক্ষিণ প্লাজায় হয় প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথগ্রহণ৷ অন্তত ১৩টি দেশকে সেই অনুষ্ঠানে অতিথি হিসাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল৷ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অবশ্য যাননি৷ প্রতিনিধি হিসাবে যান লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা৷ এছাড়া ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, শ্রীলঙ্কার স্বাস্থ্যমন্ত্রী নলিন্দা জয়তিসার সহ প্রায় ১ হাজার ২০০ দেশি-বিদেশি অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল৷ 

বিএনপি ক্ষমতায় এলে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক কোন খাতে বইবে, তা নিয়ে জল্পনা চলছে৷ এর মধ্যেই বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর৷ সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক কোনো ‘একটি বিষয়ে’ আটকে থাকবে না৷ ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারতে থাকার বিষয়টিও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে বাধা হবে না৷ ফখরুলের কথায়, ‘আমরা বিশ্বাস করি, শেখ হাসিনা গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছেন৷ তাঁকে শাস্তি দেওয়ার জনদাবি রয়েছে৷ আমরা মনে করি, ভারতের উচিত তাঁকে আমাদের কাছে হস্তান্তর করা৷ কিন্তু তা বাণিজ্য সম্পর্ক সহ বৃহত্তর সম্পর্ক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে কোনো বাধা হবে না৷ আমরা আরও ভালো সম্পর্ক গড়তে চাই৷’

সদ্য সমাপ্ত সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ আসন থেকে ভোটে লড়েছিলেন বিএনপির চেয়ারম্যান৷ দু’টি আসনেই জয়লাভ করেন তিনি৷ বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দেওয়ার জন্য তারেক চিঠি পাঠিয়েছেন নির্বাচন কমিশনে৷ এদিন বিএনপির গুলশানে কার্যালয়ে তারেকের সঙ্গে দেখা করেন নতুন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি৷ শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের বিষয়ে তাঁদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে৷

গণভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা নেতৃত্বাধীন সরকার পতনের পর গত দেড় বছর ধরে বাংলাদেশের দায়িত্বভার ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুসের কাঁধে৷ সেই পর্ব শেষের মুখে৷ গত সোমবার কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে বিদায়ী ভাষণ দেন ইউনুস৷ তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গেও দেখা করেন ইউনুস৷ পরে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন তিনি৷ সেখানে ইউনুস বলেন, বাংলাদেশকে আবার স্বাভাবিক জীবনে ফেরানোর জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল৷ তিনি গত ১৮ মাসে সেই দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করে গিয়েছেন৷

 

শিলচরে কামাক্ষাগুড়িতে আনন্দমার্গের সেমিনার

নিজস্ব সংবাদদাতা
Wed, 04-03-2026

গত ১৩,১৪,১৫ই ফেব্রুয়ারী বরাকভ্যালির শিলচর আনন্দমার্গ স্কুলে আনন্দমার্গ দর্শনের সামাজিক অর্থনৈতিক ও আধ্যাত্মিক বিষয়ের ওপর এক মনোজ্ঞ আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়৷ আনন্দমার্গ দর্শনের উদার ও অসাম্প্রদায়ির চিন্তাধারা মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে ও আনন্দমার্গের সর্বস্তরের কর্মীদের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও আধ্যাত্মিক চেতনায় উদ্ধুদ্ধ করতে এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছিল৷

শিলচরের সেমিনারে বরাকভ্যালির প্রতিটি জেলার মার্গীভাইবোনেরা অংশগ্রহণ করেছিল৷ সেমিনারের আয়োজন করেছিলেন কাছাড় ভুক্তি প্রধান শ্রী পান্না রায় ভুক্তি কমিটির সদস্যবৃন্দ ও আচার্য অমৃতবোধানন্দ অবধূত৷ তিনদিনের এই সেমিনারে আলোচ্য বিষয় ছিল--- সাধনা, মন ও তার সদুপযোগ’ ভক্তিতত্ত্ব ও নব্যমানবতাবাদ ও মানব সমাজকে কিভাবে একতাবদ্ধ করা যাবে৷ আলোচনা সভায় প্রশিক্ষক ছিলেন আচার্য শুভমিত্রানন্দ অবধূত৷

অনুরূপ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয় কলিকাতা সার্কেলে আলিপুর ডায়োসিসের কামাক্ষাগুড়ি আনন্দমার্গ স্কুলে৷ স্থানীয় ভুক্তি কমিটি, ভুক্তিপ্রধান ও আচার্য চিরঞ্জয়ানন্দ অবধূত এই সেমিনারের আয়োজন করেন৷ প্রশিক্ষক ছিলেন আচার্য তথাগতানন্দ অবধূত ও আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত৷ সেমিনারগুলিতে তাত্ত্বিক আলোচনা ছাড়াও প্রত্যহ নগরকীর্ত্তন, প্রভাতফেরী ও মিলিত সাধনা হয়৷ সেমিনার শেষে ব্লকস্তর পর্যন্ত সেমিনার ও মার্গের আদর্শ ব্যাপক বিস্তারের কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়৷

 

মুখ্যমন্ত্রীর ‘মাটির সৃষ্টি’ কর্মসূচীকে রাষ্ট্র সংঘের স্বীকৃতি

পি.এন.এ.
Wed, 04-03-2026

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সরকার রাষ্ট্র সংঘের কাছ থেকে আরও একটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেল৷ রাজ্য সরকারের ‘মাটির সৃষ্টি’ প্রকল্পকে রাষ্ট্রসংঘের ফুড এ্যাণ্ড এগ্রিকালচার অর্গানাইজেশন সেরা জনমুখী প্রকল্পের স্বীকৃতি দিল৷ বাঙলার বিখ্যাত সুগন্ধি চাল--- গোবিন্দ ভোগ, তুলাইপাঞ্জি ও কনকচুরকে আন্তর্জাতিক খাদ্য ও সংস্কৃতির হেরিটেজের স্বীকৃতি দিয়েছে৷

মুখ্যসচিব নিজে সমাজ মাধ্যমে সংবাদ দিয়ে লেখেন---অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, UN আবারও আমাদের একটি পথিকৃৎ উদ্যোগকে স্বীকৃতি দিয়েছে৷ ইউনাইটেড নেশনসেব Food and Agriculture Organization FAO) আমাদের ‘মাটির সৃষ্টি’ কর্মসূচীকে দিয়েছে এই আন্তর্জাতিকভাবে মূল্যবান স্বীকৃতির শংসাপত্র৷ 

আমাদের রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে ২০২০ সালে আমরা যে পথপ্রদর্শক ‘মাটির সৃষ্টি’ প্রকল্প শুরু করেছিলাম, তার বিপুল সাফল্যের জন্যই আন্তর্জাতিক স্তরের এই প্রশংসাপত্র৷

প্রাকৃতিক ঐতিহ্য এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের ক্ষেত্রে কার‌্যকর এই বহুমুখী প্রকল্পটিকে একটি অনন্য জনমুখী উদ্যোগ হিসেবে UN স্বীকৃতি দিল৷

‘মাটির সৃষ্টি’ প্রকল্পের মাধ্যমে, এক অনন্য বীক্ষায়, আমরা জমি, সেচ এবং পঞ্চায়েত ব্যবস্থার নানা প্রকরণকে এক সূত্রে গেঁথেছি৷ আমাদের মূল লক্ষ্য থেকেছে পশ্চিমাঞ্চলের রুক্ষ, অনুর্বর এবং একফসলি জমিকে উর্বর, বহুফসলি, ও বছরভর চাষযোগ্য করে তোলা৷ সুজলা ও উর্বর এইসব জমিতে এখন শাকসবজির ফলন ও ফলের চাষও হচ্ছে৷ পুকুর খনন ও অন্যান্য নতুন সেচ ব্যবস্থার মাধ্যমে জলের জোগান নিশ্চিত করা হয়েছে৷ এর ফলে লক্ষ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে এবং গ্রামীণ পরিবারগুলির আয় বহুগুণ বেড়েছে৷

আমি আনন্দের সঙ্গে আরও জানাচ্ছি যে, UN FAO) এর পাশাপাশি বাংলার বিখ্যাত সুগন্ধি চাল গোবিন্দভোগ, তুলাইপাঞ্জি এবং কনকচুরকে আন্তর্জাতিক ‘খাদ্য ও সংস্কৃতি ঐতিহ্য’ Food & Culture Heritage) হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে৷

রাষ্ট্রপুঞ্জের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার ডিরেক্টর জেনারেলের কাছ থেকে পাওয়া এই সার্টিফিকেটগুলো আমি আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করছি৷

প্রাকৃতিক সম্পদ, জীববৈচিত্র্য এবং আমাদের খাদ্য সংস্কৃতি রক্ষার ক্ষেত্রে এইসব আন্তর্জাতিক সম্মান বাংলার কাজের এক বিশাল স্বীকৃতি৷

এই গৌরব আমি গ্রামবাংলার সকল মানুষ, বিশেষ করে বাংলার কৃষক ভাই-বোনদের উৎসর্গ করছি৷

 

পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে সতর্ক করলেন প্রাক্তন আর.এস.এস নেতা

পি.এন.এ.
Wed, 04-03-2026

প্রাক্তন আর এস.এস নেতা পার্থ বন্দ্যোপাধ্যায় বর্তমানে নিউইয়র্কের ব্রুকলিনে থাকেন৷ সেখানে তিনি একজন মানবধিকার কর্মী৷ তিনি আমেরিকার নাগরিক হলেও নিজেকে হৃদয় থেকে ভারতীয় বাঙালী ভাবতে ভালোবাসেন৷ সেই ভালোবাসার টানেই তিনি সম্প্রতি পশ্চিমবাঙলায় এসেছেন আর এস.এস. সম্পর্কে তাঁর দীর্ঘ ২০ বছরের তিক্ত অভিজ্ঞতা শেয়ার করে বাঙালীকে সতর্ক করতে৷

পার্থ বন্দ্যোপাধ্যায় ছোট থেকেই পৈতৃকসূত্রে আর.এস.এসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন৷ তাঁর পিতাও আর.এস.এসের সক্রিয় কর্মী ছিলেন৷ পার্থবাবুও আর.এস.এসের সক্রিয় সদশ্য ছিলেন আর.এস.এসের ছাত্রশাখা এবিভিপির নেতা ছিলেন৷পরবর্তী সময়ে আর.এস.এসের বাঙালী বিদ্বেষী হিন্দুত্ববাদ মেনে নিতে পারেননি, তাই আর এস.এসের সঙ্গে সব সম্পর্ক ছিন্ন করেন৷

বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে থেকে আর.এস.এসের বিপদ থেকে পশ্চিমবঙ্গবাসীকে সতর্ক করতে সমাজ মাধ্যমে প্রচার করছেন৷ পার্থবাবুর অভিজ্ঞতায় আর.এস.এস বাঙালী বিদ্বেষী, রবীন্দ্র বিদ্বেষী, এরা কখনই বাঙলার ভালো চায় না৷ এক সাক্ষাৎকারে তিন জানান জ্যোতিবাবু, বুদ্ধদেব বাবুর থেকেও সেরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী৷ তিনি জানান জ্যোতিবাবু বুদ্ধবাবুরা গরীব মানুষের জন্য কিছু করেননি৷ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গরীব মানুষের উপার্জন বাড়াতে অনেক সামাজিক প্রকল্প নিয়েছেন যাতে রাজ্যের গরীব মানুষ উপকৃত হচ্ছেন৷ পার্থ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে আর এস.এস হিন্দুর সব থেকে বড় শত্রু৷ পশ্চিমবঙ্গে আর.এস.এস কিছুতেই ক্ষমতায় আসতে পারবে না৷ যদি আর.এস.এস ক্ষমতায় আসে হিন্দু, মুসলিম সব বাঙালীর বিপর্যয় নেমে আসবে৷ দীর্ঘ কুড়ি বছর আর.এস.এস করার অভিজ্ঞতা তিনি লিপিবদ্ধ করেছন তাঁর রচিত পুস্তক---‘দানবের পেটে দু দশক’ ‘ভারত---শেষ ধবংসের সন্ধিক্ষণে’ ইত্যাদি গ্রন্থে৷ এই পুস্তকে তিনি আর.এস.এস বিজেপির হিংস্র হিন্দুত্বকে যেভাবে দেখেছেন তা লিপিবদ্ধ করেছেন৷

 

বিবেকহীন ধর্মান্ধতাই সমাজকে ধবংসের পথে নিয়ে যাচ্ছে প্রকৃত মানব ধর্মই ঐক্যবদ্ধ মানব সমাজ গড়বে

পি.এন.এ.
Wed, 04-03-2026

 গত ১৫ই ফেব্রুয়ারী অপরাহ্ণে আলিপুর দুয়ার জেলার কামাক্ষাগুড়ি আনন্দমার্গস্কুলে যোগ,তন্ত্র ও শিবতত্ত্ব নিয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়৷ এই আলোচনা সভায়, যোগ ও তন্ত্র নিয়ে আলোচনা করেন আচার্য সুধাব্রতানন্দ অবধূত৷ তিনি বলেন যোগ মানে শুধু কিছু আসন আর প্রাণায়াম নয়৷ যোগের প্রকৃত অর্থ জীবাত্মার সঙ্গে পরমাত্মার মিলন৷ জীবের লক্ষ্যই হচ্ছে যোগ সাধনার মাধ্যমে পরমপুরুষের দিকে এগিয়ে যাওয়া৷ আসলে এই যোগসাধনার মাধমেই মানুষকে মনুষ্যত্ব অর্জন করতে হয়, মানুষ সত্যিকারের মানুষ হয়ে ওঠে৷ মনুষ্যত্ব অর্জনের ও বিশ্বমানবত্বে প্রতিষ্ঠিত হওয়াই প্রকৃত মানব ধর্ম৷ তিনি বলেন--- সাধনার মাধ্যমে পরমপুরুষের দিকে চলতে গেলে শারীরিক মানসিক যে সকল বাধা আছে তা দূর করতে সাহায্য করে আসন প্রাণায়াম৷ এরপর তিনি মানুষের শরীরের বিভিন্ন গ্রন্থির সঙ্গে বৃত্তির সম্পর্ক ও আসন-প্রাণায়ামের মাধ্যমে বিভিন্ন গ্রন্থি ও বৃত্তি সমূহের নিয়ন্ত্রণের অনুশীলন বিষয়ে বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা করেন৷

আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত মানব সভ্যতার বিকাশে শিবের অবদান ও বর্তমান সমাজে ধর্মান্ধতার পরিনাম নিয়ে আলোচনা করেন৷ তিনি বলেন যোগতন্ত্রের আদি প্রবর্তক সদাশিব৷ যিনি আজ থেকে প্রায় সাত হাজার বছর আগে ভারতে আবির্ভূত হয়েছিলেন৷ শিবই প্রথম বিবাহিত পুরুষ ও সমাজে বিবাহ প্রথা চালু করে সমাজের ভিত্তি নির্মান করে যান৷ তিনি সুর সপ্তকের আবিষ্কার করে নৃত্য গীত ও বাদ্যকে সুর লয় ও ছন্দে বেঁধে দেন৷ শিবই প্রকৃত পক্ষে মানবসভ্যতার জনক৷ আজকের মানুষ শিবের পথ থেকে দূরে সরে গিয়ে তথাকথিত ধর্মমতকে আঁকড়ে ধরে পরস্পরে হানাহানি করছে৷ অন্ধবিশ্বাস ও কুসংস্কারকে আঁকড়ে ধরে মানুষ যুক্তিবর্জিত বিবেকহীনের মতো ছুটে চলেছে৷ মোক্ষের আশায় মহেন্দ্রক্ষণে স্নান করলেই মানুষ মুক্তি পাবে এই অন্ধবিশ্বাসে ছুটতে গিয়ে শত শত মানুষকে পদপিষ্ট করে মেরে দিচ্ছে৷ সে দিকে তার হুঁস নেই৷ এই কি মানবধর্ম? না একোন ধর্ম নয়৷ অন্ধবিশ্বাস আর কুসংস্কারের আবর্জনায় ভরা ধর্মমত৷ প্রকৃত ধর্ম সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথ বলেছেন--- পশু বলছে---সহজ ধর্মের পথে ভোগ কর৷ মানুষ বলছে মানব ধর্মের সাধনা করো৷ এই মানব ধর্মের সাধনাই সকল মানুষের ধর্ম৷ আনন্দমার্গ এই মানবধর্মের যেমন যুক্তিসঙ্গত ব্যাখ্যা দিয়েছে তেমনি বিজ্ঞানসম্মত অনুশীলন পদ্ধতি দিয়েছেন৷ মানুষ যেদিন তথাকথিত ধর্মমতের হানাহানি সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ভুলে শিবের পথ ধরে প্রকৃত মানব ধর্মের অনুশীলন করবে সেদিনই প্রকৃত মানব সমাজ প্রতিষ্ঠিত হবে৷

 

আমরা বাঙালীর মালদার জেলা সম্মেলন

নিজস্ব সংবাদদাতা
Wed, 04-03-2026

গত ৯ই ফেব্রুয়ারী আমরা বাঙালী সংঘটনের মালদা জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় মালদা লস্করপুর ইস্কুলে৷ জেলার প্রতিটি ব্লকের কর্মীবৃন্দ এই সম্মেলনে উপস্থিত হন৷ সকাল ৮ ঘটিকায় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে সম্মেলনের শুভ সূচনা হয়৷ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সচিব জ্যোতিবিকাশ সিন্‌হা৷ কেন্দ্রীয় সংঘটন সচিব তপোময় বিশ্বাস ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য খুশীরঞ্জন মণ্ডল৷

সম্মেলনের সূচনায় জেলা সাংবিধানিক পর্যালোচনা করেন আশুতোষ সরকার নির্মল দাস প্রমুখ জেলার নেতৃবৃন্দ৷ এরপর বক্তব্য রাখেন সংঘটন সচিব তপোময় বিশ্বাস৷ তিনি বর্তমান পরিস্থিতিতে বাঙলার ওপর যে দিল্লির আঘাত নেমে আসছে, এস.আই.আরের মাধ্যমে বাঙালী কে নাগরিকহীন করার যে ষড়যন্ত্র চলছে ও বাঙলার প্রতি দিল্লির আর্থিক বঞ্চনার বিরুদ্ধে আমরা বাঙালীকে সর্বতোভাবে প্রতিবাদ আন্দোলন শুরু করার কথা বলেন৷ কেন্দ্রীয় সচিব বর্তমান পরিস্থিতিতে কর্মীদের সতর্ক করে দিয়ে বলেন কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনা ও বাঙালী জনগোষ্ঠীকে নির্মুল করার গভীর ষড়যন্ত্র করে চলেছে দিল্লীর বাঙালী বিদ্বেষী শাসক৷ এই পরিস্থিতিতে বাঙালী জনগোষ্ঠীকে জাত-পাত সম্প্রদায় সমস্ত প্রকার বিভেদ ভুলে রুখে দাঁড়াতে হবে নতুবা ভারতে বাঙালী জনগোষ্ঠীর অস্তিত্ব বিপন্ন হয়ে পড়বে৷ এস.আই.আরের নামে একটি বাঙালীও জাতে নাগবিকত্বহীন না হয় তার দিকে কর্মীদের সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে৷ 

সম্মেলনের অন্তিমলগ্ণে প্রবীন আমরা বাঙালী কর্মী শ্রীআশুতোষ সরকার ও খুশীরঞ্জন মণ্ডলের পরিচালনায় জেলার কর্মীরা আলোচনায় বসেন৷ সকলের সম্মতিতে নতুন জেলা কমিটি তৈরী হয় ১৭জন সদস্যকে নিয়ে৷ জেলা সচিব নির্বাচিত হন নির্মল দাস৷

 

 

কলকাতায় সামান্য বাড়ল তাপমাত্রা, তবে শীতের আমেজ

পি.এন.এ.
Wed, 04-03-2026

 কলকাতায় তাপমাত্রা সামান্য বাড়ল৷ তবে এখনও পারদ স্বাভাবিকের নীচেই রয়েছে৷ শহরে রয়েছে শীতের আমেজ৷ ভোরের দিকে কোথাও কোথাও কুয়াশাও থাকছে৷ আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আরও কিছু দিন শীতের আমেজ অনুভূত হবে কলকাতা-সহ গোটা রাজ্যেই৷ তার পর ধীরে ধীরে তাপমাত্রা বাড়বে৷

গত সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়ে ১.১ ডিগ্রি কম৷ রবিবার শহরের সর্র্বেচ্চ তাপমাত্রা ২৭.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে ওঠেনি৷ তা-ও স্বাভাবিকের চেয়ে ০.৬ ডিগ্রি কম৷ গত কয়েক দিনে ধারাবাহিক ভাবে কলকাতার পারদ ছিল নিম্নমুখী৷ গত রবিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস৷ সোমে তার চেয়ে কিছুটা বাড়ল তাপমাত্রা৷ আপাতত রাজ্যের কোথাও বৃষ্টি বা তুষারপাতের সম্ভাবনা নেই৷ উত্তরবঙ্গের দু’একটি জেলায় কুয়াশার সমস্যা থাকতে পারে৷ বাকি রাজ্যের সর্বত্র থাকবে শুকনো আবহাওয়া৷

গত সোমবার দার্জিলিঙের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, রাজ্যে শীতলতম৷ কালিম্পঙের তাপমাত্রা নেমেছিল ৯ ডিগ্রিতে৷ দক্ষিণবঙ্গে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল নদিয়ার কল্যাণীতে, ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস৷ এ ছাড়া, শ্রীনিকেতনে ১১.৭, বাঁকুড়ায় ১১.৯, বহরমপুরে ১২.৪, ক্যানিংয়ে ১২.৬, সিউড়িতে ১২ ডিগ্রিতে নেমেছিল পারদ৷ দক্ষিণের বাকি অংশে পারদ ছিল ১৩ ডিগ্রির উপরে৷

কলকাতার উপকণ্ঠে দমদমে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস৷ সল্টলেকে পারদ ১৬ ডিগ্রির নীচে নামেনি৷ ব্যারাকপুরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা হয়েছিল ১৩.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস৷

হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী দিনগুলিতে রাজ্যের উত্তর থেকে দক্ষিণে রাতের তাপমাত্রায় বড় কোনও পরিবর্তন হবে না৷ তার পরের চার দিনে পারদ চড়তে পারে দুই থেকে তিন ডিগ্রি পর্যন্ত৷ কোচবিহার, দার্জিলিং এবং জলপাইগুড়িতে আগামী কয়েক দিন হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস৷ সকালের দিকে কুয়াশার কারণে এই জেলাগুলিতে দৃশ্যমানতা কমে যেতে পারে ৯৯৯ মিটার থেকে ২০০ মিটার পর্যন্ত৷

 

 

Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved