Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

সংবাদ দর্পণ

স্নায়ু চিকিৎসায় ‘আলো এনে নোবেল পেল আমেরিকা এবং জার্মানির ত্রয়ী

পি.এন.এ.
Sun, 18-10-2026

চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেলজয়ীদের নাম ঘোষণা করল রয়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমি (ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউট কমিটি)৷ অপটোজেনটিক্স সংক্রান্ত গবেষণাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার জন্য আমেরিকার কার্ল ডাইসেরথ এবং জার্মানির পেটার হেগেমান ও গেয়র্গ নাগেল যৌথ ভাবে ২০২৬ সালের চিকিৎসা-নোবেলের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে৷

আলোর সাহায্যে নিয়ন্ত্রিত আয়ন চ্যানেলের মাধ্যমে কী ভাবে স্নায়ুকোষ (বিশেষত মস্তিষ্কের নিউরোন)-কে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়, তা নিয়ে গবেষণার জন্য নোবেল পুরস্কার পাচ্ছেন এই ত্রয়ী৷ পুরস্কার হিসেবে ১ কোটি ২০ লক্ষ সুইডিশ ক্রোনা (প্রায় সাড়ে ১১ কোটি টাকা) ভাগ করে দেওয়া হবে তাঁদের মধ্যে৷ ডাইসেরথ আমেরিকার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং হাওয়ার্ড হিউজ মেডিক্যাল ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানী৷ হেগেমান বার্লিনের হুমবোল্ট বিশ্ববিদ্যালয় এবং নাগেল সে দেশেরই ভুর্ৎসবুর্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক৷ হেগেমান ও গেয়র্গ নাগেল এককোষী শৈবালে ‘চ্যানেলরোডপসিন’ নামক একটি বিশেষ প্রোটিন আবিষ্কার করেছিলেন, যা কোষকে আলোর প্রতি সংবেদনশীল করে তোলে৷ পরবর্তী সময়ে ডাইসেরথ এই প্রোটিনটিকে স্নায়ুকোষের জন্য একটি আলো-নিয়ন্ত্রিত সুইচ হিসেবে ব্যবহারের পদ্ধতিটি আবিষ্কার করেন৷ এই প্রযুক্তির মাধ্যমে আলো ব্যবহার করে মস্তিষ্কের সুনির্দিষ্ট জীবন্ত কোষ বা নিউরনের কার‌্যকারিতা মিলিসেকেন্ডের নিখুঁত মাপে চালু বা বন্ধ করা যায়৷ নাগেল এবং হেগেমানের আবিষ্কার করা আলোক-সংবেদনশীল প্রোটিনকেডাইসেরথ স্তন্যপায়ী প্রাণীর (যেমন ইঁদুর) জীবন্ত মস্তিষ্কের নিউরনে সফল ভাবে প্রতিস্থাপন করেন৷ তিনি জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এবং অপটিক্স (আলোকবিদ্যা)-এর মেলবন্ধনে তিনি যে নতুন প্রযুক্তির জন্ম দেন, তাকেই বলা হয় অপটোজেনেটিক্স৷ নোবেল কমিটির দেওয়া তথ্য বলছে এই প্রযুক্তির সবচেয়ে বড় ব্যবহারিক সাফল্য মস্তিষ্ক ও চোখের চিকিৎসায়৷ মস্তিষ্কের কোটি কোটি নিউরনের মধ্যে কোন রোগটির জন্য কোন নির্দিষ্ট নিউরোন-সার্কিট দায়ী, তা আগে চিহ্ণিত করা প্রায় অসম্ভব ছিল৷ অপ্ঢোজেনেটিক্সের মাধ্যমে গবেষকেরা এখন সুনির্দিষ্ট ভাবে দেখতে পাচ্ছেন কী ভাবে কোষগুলির গতিবিধি নিয়ন্ত্রিত হয়৷ এটি পার্কিনসন্স, অ্যালঝাইমার্স এবং মৃগীর (এপিলেপ্সি) মতো জটিল ব্যাধির উৎস বুঝতে সাহায্য করছে৷ অন্য দিকে, চোখের রেটিনাইটিস পিগমেন্টোসা বা স্টারগার্ট ডিজিজের মতো জটিল রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা, যাঁদের চোখের আলো-সংবেদনশীল কোষগুলো নষ্ট হয়ে গিয়েছে, তাঁদের রেটিনার অন্যান্য অবশিষ্ট কোষকে কৃত্রিম ভাবে আলো-সংবেদনশীল কোষে রূপান্তর করা যাচ্ছে৷ মার্কিন-জার্মান ত্রয়ীর গবেষণার উপর ভিত্তি করে অপ্ঢোজেনেটিক জিন থেরাপির মাধ্যমে ইতিমধ্যে অন্ধ মানুষের দৃষ্টিশক্তি আংশিক ফিরিয়ে আনার সফল ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল সম্পন্ন হয়েছে৷

 

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর অতিরিক্ত নির্ভরতার কারণে নিজের কোডই ভুলে গেলেন ইঞ্জিনিয়ার

পি.এন.এ.
Sun, 18-10-2026

তিন বছর ধরে কাজের অভিজ্ঞতা৷ কিন্তু, নিজেই নিজের কোড বুঝতে পারছেন না ইঞ্জিনিয়ার৷ আর তার জন্য তিনি দায়ী করেছেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর অতিরিক্ত নির্ভরতা৷ একটি পোস্টে ওই সফয়্যার ইঞ্জিনিয়ার স্বীকার করেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার পর তিনি আর নিজের কোডই বুঝতে পারছেন না৷ যদিও সেই তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী জানান, তিনি কলেজ শেষ করেই সরাসরি কর্র্পেরেট জগতে প্রবেশ করেছিলেন৷ প্রায় সেই সময়েই বিশ্ব জুড়ে লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল (এলএলএম) জনপ্রিয় হয়ে উঠছিল৷ তার পর থেকে তাঁরা প্রায় সব কিছুর জন্যই এআই-এর উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছিলেন বলে জানিয়েছেন ওই পোস্টে৷ এর শুরুটা হয়েছিল ছোটোখাটো বাগ বা সাধারণ ফিচার ঠিক করার মধ্যে দিয়ে, যেখানে তাঁরা যুক্তিটা বুঝতে পারতেন৷ কিন্তু কাজের পরিধি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি এবং অন্যান্য ইঞ্জিনিয়ারেরা সেটি বোঝার বিষয়ে পিছিয়ে পড়তে শুরু করেন বলে দাবি করেছেন৷

পোস্টে প্রযুক্তিবিদ লিখেছেন, ‘‘আমার কাজ শুধু ক্লডে প্রয়োজনীয়তাগুলো দেওয়া, এটি যা আউটপুট দেয় তা গ্রহণ করা এবং পুশ করা৷ অনেক সময়, আমি এর আর্কিটেকচার বা এটি যে কোড তৈরি করেছে তা পুরোপুরি বুঝিও না৷’’ তিনি বলেন, ‘‘যখন সিনিয়রেরা কোড নিয়ে প্রশ্ণ করেন, তখন আমাদের পেটটা কেমন যেন করে ওঠে৷ কারণ, এলএলএম-এ পুনরায় প্রশ্ণগুলি না জানিয়ে আমরা তার ব্যাখ্যা করতে পারি না৷’’

হতাশার সুরে তিনি বলেছেন, ‘‘বিষয়টা হল, আমার মাথাটা যেন পুরোপুরি অকেজো হয়ে গিয়েছে৷ তাই এই পোস্টটা ঠিক ভাবে গুছিয়ে লিখতেও আমি এআই ব্যবহার করছি৷ আমার মনোযোগ নষ্ট হয়ে গিয়েছে, বিচার-বিশ্লেষণের ক্ষমতা লোপ পেয়েছে বলে মনে হচ্ছে৷ এখন আমি আর শান্ত হয়ে বসে ডকুমেন্টেশন পড়তে বা নিজে হাতে কোড বিশ্লেষণ করতে পারছি না৷ নিজেকে পুরোপুরি অকেজো, ভণ্ড এবং ভয়ঙ্কর ভাবে প্রতিস্থাপনযোগ্য মনে হচ্ছে৷ কাল যদি এআই সরিয়ে নেওয়া হয়, আমার মনে হয় আমি প্রথম সেমেস্টারের একজন নতুন ছাত্রের মতো কোড করব৷ আমার কি সর্বনাশ হয়ে গিয়েছে? আর কেউ কি এই গর্তে পড়েও শেষ পর্যন্ত উঠে আসতে পেরেছেন?’’

এক সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারী বলেন, ‘‘আজকাল এটা খুবই স্বাভাবিক৷ ডেডলাইনের চাপ এতটাই বেশি থাকে যে বিষয়গুলি বোঝার জন্য খুব কম সময় পাওয়া যায়৷’’ আরও এক জন লেখেন, ‘‘আমার সঙ্গেও এমনটা হচ্ছে৷ আমি এআই-এর ব্যবহার কমিয়ে দিয়েছি৷ আমি একে কোড করতে ও টেস্ট লিখতে দিই, কিন্তু পুশ করার এবং পিআর তৈরি করার আগে আমি কোডটি যাচাই করে নিই৷ ডেভ টেস্টিং সব সময় ডিবাগিং-সহ ‘ম্যানুয়ালি’ করা হয়, তাই আমি জানি কোডটি কী কাজ করে৷’’ অপর এক জন মন্তব্য করেছেন, ‘‘এলএলএম-এর অতিরিক্ত ব্যবহারের অন্যতম বড় ঝুঁকি হল জ্ঞানের ঋণ৷ গত তিন মাসে, আমি চারটি কোম্পানিতে তাদের প্রযুক্তি পণ্য বাঁচানোর জন্য চুক্তিবদ্ধ ছিলাম৷ সমস্যাগুলি একই ছিল৷ শত শত বাগ ও রিগ্রেশন, কারণ তাঁরা কী লিখছেন সে সম্পর্কে কারও কোনও ধারণাই ছিল না৷’’

 

বাড়ি মেরামত করতে গিয়ে ঘুরে গেল ভাগ্যের চাকা- মাটি খুঁড়তেই ‘গুপ্তধন

পি.এন.এ.
Sun, 18-10-2026

বাড়ি মেরামত করতে গিয়ে ঘুরে গেল ভাগ্যের চাকা৷ বাড়ির বাইরের অংশে টালি লাগানোর জন্য মাটি খুঁড়তেই উঠে এল ‘গুপ্তধন’৷ প্রায় হাজার বছরের পুরনো সেই গুপ্তধনের হদিস পেলেন বাড়ির মালিক৷ মাটি কোপাতে কোপাতে কোদালের ডগায় উঠে আসে ১৮ কেজি মূল্যবান ধাতুর গয়না, মুদ্রা৷ বাড়ির সামনের অংশ সাজাতে গিয়ে অপ্রত্যাশিত ধনলাভের ঘটনা ছড়িয়ে পড়তেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে গোটা এলাকায়৷

ঘটনাটি ঘটেছে ডেনমার্কে৷ স্যামুয়েল (নাম পরিবর্তিত) নামের এক ব্যক্তি বাড়ির সামনে টালি বসানো জন্য ঘাস, মাটি, কাঁকর ইত্যাদি সরানোর জন্য কোদাল চালাচ্ছিলেন৷ সেই সময় ধাতব কিছুতে আঘাত করেন তিনি৷ ভেবেছিলেন কোনও লোহা বা শক্ত বেড়াজাতীয় কিছু মাটির নীচে চাপা রয়েছে৷ খানিকটা খুঁড়তেই মাটি থেকে উঠে আসতে থাকে রুপোর অলঙ্কার, মুদ্রা ও রুপোর বাট৷ প্রায় সাড়ে ১৮ কেজি রুপোর মূল্যবান সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে মাটির নীচ থেকে৷ উত্তর ডেনমার্কের রিবিল্ডের ওই বাড়ির মালিক স্যামুয়েল সংবাদমাধ্যমে জানান, তিনি ভেবেছিলেন, নতুন টালি বসানোর জন্য বারান্দার জায়গা পরিষ্কার করতে কয়েক ঘণ্টার বেশি সময় লাগবে না৷ কিন্তু ঘাস, পাথর আর কাঁকর সরাতে গিয়ে যা আবিষ্কার করলেন, তা তাঁর কল্পনাতেও আসেনি৷ সামান্য বাগানের কাজ করতে নেমে এমন এক বিস্ময় যে তাঁর জন্য অপেক্ষা করছে তা কস্মিনকালেও ভাবতে পারেননি বলে জানিয়েছেন স্যামুয়েল৷ প্রতিবেদন অনুসারে, মাটির নীচে পুঁতে রাখা ছিল একটি পাত্র এবং প্রায় ৭০০ টি রুপোর সামগ্রী৷ এগুলোর মধ্যে মুদ্রা, রুপোর বাট, চুড়ি, গয়না এবং আরও অনেক প্রত্নসামগ্রী পাওয়া গিয়েছে৷

প্রত্নতাত্ত্বিকদের ধারণা, ৯০-এর দশকের কোনও এক সময় বিপুল এই গুপ্তধন একটি মাটির পাত্রে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল৷ পাত্রটির ভিতরেই ছিল প্রায় ৩২০টি বস্তু, যার সম্মিলিত ওজন প্রায় ৬.৪ কেজি৷ সময়ের সঙ্গে পাত্রটি ভেঙে যাওয়ায় কিছু সামগ্রী আশপাশের মাটিতে ছড়িয়ে পড়ে৷

উদ্ধার হওয়া সম্পদের তালিকাও যথেষ্ট চমকপ্রদ৷ প্রত্নতাত্ত্বিকদের কাছে বেশ কয়েকটি সামগ্রী ‘হ্যাকসিলভার’ নামে পরিচিত৷ এমনকি মিলেছে ছোট্ট একটি থরের হাতুড়িও, যা ওই সময়ের ধর্মীয় বিশ্বাসের সঙ্গে জড়িত বলে মনে করা হচ্ছে৷ তবে আবিষ্কারের সবচেয়ে রহস্যময় অংশগুলোর একটি হল একটি রুপোর বারে খোদাই করা রুনিক লিপি৷ প্রত্নতাত্ত্বিকদের ধারণা, সেখানে ‘হুতু’ শব্দটি লেখা থাকতে পারে৷ এর প্রকৃত অর্থ অবশ্য এখনও নিশ্চিত নয়৷ বিশেষজ্ঞদের অনুমান, এটি হয়তো কোনও ব্যক্তির নাম অথবা ওই সম্পদের মালিকানা বোঝাতে ব্যবহৃত একটি চিহ্ণ৷

 

আন্টার্কটিকার বরফস্তর থেকে ক্রমেই বরফের ভর কমছে যা আগামী দিনে বিপদ ডেকে আনতে পারে

নিজস্ব সংবাদদাতা
Sun, 18-10-2026

বিশ্ব উষ্ণায়নের কারণে তাপমাত্রা যত বাড়ছে, তত উষ্ণ হচ্ছে সমুদ্রের জল৷ আন্টার্কটিকা সংলগ্ণ সমুদ্রের উষ্ণ স্রোতে বরফ গলে যাচ্ছে৷ বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরেই তা নিয়ে আশঙ্কিত৷ সম্প্রতি একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন ব্যাপক ভাবে কমিয়ে আনা হলেও ২১০০ সালের মধ্যে আন্টার্কটিকার বরফক্ষয় অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে৷ সবচেয়ে কম নির্গমনের পরিস্থিতিতেও ২১০০ সালের মধ্যে আন্টার্কটিকার বরফস্তরের নিট বরফের ভর কমে যাওয়ার সম্ভাবনা অন্তত ৯২ শতাংশ৷ অর্থাৎ, নির্গমন কমিয়ে আনলেও বরফক্ষয় পুরোপুরি থামবেএমন নিশ্চয়তা নেই৷ তবে নির্গমনের মাত্রার উপর ভবিষ্যতে বরফক্ষয়ের পরিমাণ অনেকটাই নির্ভর করবে৷

গবেষকেরা দেখিয়েছেন, গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন ব্যাপক ভাবে হ্রাস পেলেও এই শতাব্দীতে, অর্থাৎ ২১০০ সালের মধ্যে আন্টার্কটিকার বরফ ক্ষয় বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা নেই৷ তবে ক্ষয়ের পরিমাণে তারতম্য হতে পারে৷ সেই সংক্রান্ত পরিসংখ্যানের দিকে তাকানোর আগে বোঝা দরকার, কী ভাবে আন্টার্কটিকা মহাদেশের বরফের উপর উষ্ণায়নের প্রভাব কার‌্যকর হচ্ছে৷

আন্টার্কটিকার মূল ভূখণ্ডের ৯৮ শতাংশই বরফাবৃত৷ এই বরফ রয়েছে শক্ত ভূখণ্ডের উপর৷ তার কিনারা বরাবর কিছু ভাসমান বরফের স্তর রয়েছে, যার গুরুত্ব অপরিসীম৷ বিজ্ঞানীদের দাবি, চলমান হিমবাহগুলির গতি কমাতে সাহায্য করে বরফের এই ভাসমান স্তরই৷ স্থলভাগের হিমবাহ ও বরফপ্রবাহ স্বাভাবিক ভাবেই সমুদ্রের দিকে এগিয়ে যায়৷ ভাসমান বরফের স্তর তাদের সেই গতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণ করে৷ অর্থাৎ, তাদের কিছুটা ঠেকিয়ে রাখে ভাসমান বরফের স্তর৷ এতে হিমবাহের গতি পুরোপুরি রুদ্ধ না হলেও অনেকাংশে হ্রাস পায়৷ কিন্তু বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রভাবে এই গুরুত্বপূর্ণ স্তরই বিপন্ন হয়ে পড়েছে৷

গবেষণায় আরও দেখা গিয়েছে, বেশি গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হলে ২১০০ সালের মধ্যে কম নির্গমনের পরিস্থিতির তুলনায় আন্টার্কটিকার বরফক্ষয় বেশি হওয়ার সম্ভাবনা অন্তত ৮৯ শতাংশ৷ অর্থাৎ, এই ৮৯ শতাংশ সমুদ্রের জলস্তর বাড়ার সম্ভাবনা নয়, বরং বেশি নির্গমনের ফলে আন্টার্কটিকার বরফক্ষয় আরও বেশি হওয়ার সম্ভাবনাকেই নির্দেশ করছে৷ গবেষকদের মতে, বরফক্ষয়ের এই অতিরিক্ত মাত্রা ভবিষ্যতে উপকূলীয় এলাকাগুলির সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ঝুঁকিও বাড়াবে৷ ইউচেং এ প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘‘ক্ষতি আটকাতে না পারলেও তার পরিমাণ এখনও আমাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে৷ মনে রাখতে হবে, মানুষের কাজের জন্য বায়ুমণ্ডলে নির্গত এক এক টন গ্রিনহাউস গ্যাসের প্রভাব শত শত বছর ধরে স্থায়ী থাকে৷’’ গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন খুব বেশি থাকলে ২১০০ সালের মধ্যে আন্টার্কটিকার বরফ গলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা গড়ে প্রায় ১৫.৭ সেন্টিমিটার বা ৬.২ ইঞ্চি বাড়তে পারে৷ পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে এই বৃদ্ধি প্রায় ২৫.৪ সেন্টিমিটার বা ১০ ইঞ্চি পর্যন্ত হতে পারে৷ এর ফলে সমুদ্রতীরবর্তী শহরগুলিতে বিপদ বাড়তে পারে৷

 

অখণ্ড কীর্ত্তন

নিজস্ব সংবাদদাতা
Sun, 18-10-2026

গত ২রা অক্টোবর নড়াদার বিশিষ্ট আনন্দমার্গী শ্রীপিন্টু মজুমদার মহাশয়ের বাড়ীতে সকাল ৬.৩০ মি থেকে দুপুর ১২-৩০ মিনিট পর্যন্ত ৬ঘন্টাব্যাপী ৰাৰা নাম কেবলম্‌ অষ্টাক্ষরীয় মহামন্ত্রের মাধ্যমে অখণ্ড কীর্ত্তন অনুষ্ঠিত হয়৷ এই কীর্ত্তনের শেষে সাধনা ও স্বাধ্যায় পাঠ করা হয়৷ অনুষ্ঠানে কীর্ত্তনের গুরুত্ব ও যোগসাধনার গুরুত্ব এবং আনন্দমার্গের বিশ্বব্যাপী কর্মযোগ্য নিয়ে খুব সুন্দরভাবে আলোচনা করেন আচার্য সুধাক্ষরানন্দ অবধূত৷ কীর্ত্তন অনুষ্ঠানে কলিকাতা, নিউব্যারাকপুর, বারাসাত, ঠাকুরনগর, চাঁদপাড়া বনগাঁও ও নড়াদার সকল মার্গী ভাই ও বোনেরা যোগদান করেন৷ কীর্ত্তন উপলক্ষ্যে প্রায় ৬০০ জনকে নারায়ণ সেবা করানো হয়৷ সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন, আচার্য প্রমথেশানন্দ অবধূত৷

 

গৃহপ্রবেশ ও অখণ্ড কীর্ত্তন

নিজস্ব সংবাদদাতা
Sun, 18-10-2026

গত ৪ঠা অক্টোবর বিশর পাড়ার বিশিষ্ট আনন্দমার্গী প্রভাষ রায়ের নবনির্মিত গৃহে প্রত্যুষে গৃহপ্রবেশ অনুষ্ঠিত হয়৷ উক্ত অনুষ্ঠানে পৌরহিত্য করেন অবধূতিকা আনন্দ দীপ্তা আচার্যা উক্ত অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৰাৰা নাম কেবলম্‌ অষ্টাক্ষরীয় সিদ্ধ মহামন্ত্রের মাধ্যমে ৩ঘন্টাব্যাপী অখণ্ড কীর্ত্তন অনুষ্ঠিত হয়৷ কীর্ত্তনের শেষে ঈশ্বর প্রণিধান ও স্বাধ্যায় পাঠ করা হয়৷ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন আচার্য সুধাক্ষরানন্দ অবধূত ও আচার্য অভিব্রতানন্দ অবধূত কীর্ত্তন ও সাধনার গুরুত্ব, মহত্ব ও তাৎপর্য্য নিয়ে আলোচনা করেন৷ অনুষ্ঠানে প্রায় ১০০জনকে উপস্থিত মার্গী-ভাইবোনেদের নারায়ণ সেবায় আপ্যায়িত করা হয়৷ সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনায় আচার্য প্রমথেশানন্দ অবধূত৷

 

অসমে গৃহপ্রবেশ অনুষ্ঠান

নিজস্ব সংবাদদাতা
Sun, 18-10-2026

গত ২৪শে সেপ্ঢেম্বর অসমের শ্রীভূমি জেলার শনবিল কালিবাড়ির বিশিষ্ট আনন্দমার্গী কৃষ্ণধন পাল মহদয়ের নবনির্মিত গৃহে প্রতূ্যষে গৃহ প্রবশে অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়৷ গৃহপ্রবেশ অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ৩ ঘন্টা ব্যাপী ৰাৰা নাম কেবলম্‌ অষ্টাক্ষরীয় সিদ্ধ মহামন্ত্রের উপর অখণ্ড কীর্ত্তন অনুষ্ঠিত হয়৷ কীর্ত্তনে পরে সাধনা ও স্বাধ্যায় পাঠ করা হয়৷ কীর্ত্তন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন আচার্য ভক্তিনিষ্ঠানন্দ অবধূত৷ এই কীর্ত্তন অনুষ্ঠানে, হাইলাকান্দি, শিলচর ও করিমগঞ্জের মার্গী ভাই ও বোনেরা উপস্থিত ছিলেন, কীর্ত্তন গৃহ প্রবেশ অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে ঐ গ্রামের প্রায় ৪০০ জনকে নারায়ণ সেবা করানো হয়৷

 

চারলেনের নোতুন ফরাক্কা সেতু চালু পূজোর আগেই

নিজস্ব সংবাদদাতা
Sun, 18-10-2026

এবারের শারদোৎসবের ছুটিতে যারা দার্জিলিং, সিকিম কিংবা ডুয়ার্সের জলদাপাড়া গরুমারা অভয়ারণ্যে যাবেন ভেবেছেন তাদের জন্য বড় সুখবর৷ পুজোয় ফরাক্কা সেতুর পাশেই গঙ্গার ওপর নবনির্মিত চারলেনের ফরাক্কা সেতু আগামী ১৫ই অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে৷ উত্তরবঙ্গের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ আরও দ্রুত ও মসৃণ হবে এই নোতুন সেতু চালু হলে৷

জাতীয় সড়ক কর্ত্তৃপক্ষ থেকে প্রাপ্তসূত্রে জানা যায় যে ১২ নং জাতীয় সড়কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ এই নোতুন সেতুটি আধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরী৷ কলকাতা থেকে সরাসরি শিলিগুড়ি, দার্জিলিং, কালিম্পং ও ডুয়ার্সের দিকে যাতায়াতকারী সমস্ত যানবাহন এই সেতু দিয়ে চলাচল করবে৷ ২০১৮ সালে সেতুটির নির্মান কাজ শুরু হয়৷ প্রায় ৫১২ কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরী সেতুটির মোট দৈর্ঘ্য ৫.৪৬৮ কিলোমিটার, এর মধ্যে মূল সেতুটি ২.৪৬৮ কিলোমিটার ও দুই প্রান্তের সংযোগকারী সড়ক প্রায় তিন কিলোমিটার পরীক্ষামূলকভাবে সেতুটির একটি লেন যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছিল৷ এবার চারটি লেন দিয়েই গাড়ী চলবে৷

কর্ত্তৃপক্ষের দাবী অনুযায়ী এই সেতু চালুর ফলে সড়কপথের প্রায় দেড় কিমি-২ কিমি অবধি কমবে৷

বর্তমানে পুরোনো হয়ে যাওয়া ফরাক্কা ব্যারেজের ওপর দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৩০ হাজার গাড়ী চলাচল করে৷ তাই দুইলেনের সেতু হওয়ায় প্রায় দিনই যানজট লেগে থাকে৷ বিশেষ করে পুজো, ঈদ বা অন্য লম্বা ছুটির সময় ঘন্টার পর ঘন্টা যাত্রীরা আটকে পড়েন৷ আর মালবাহী ট্রাকের দীর্ঘ লাইন তো অতি পরিচিত ছবি৷ যান জট কমাতে কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যোগে ও জাতীয় সড়ক কর্ত্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে এই সেতুটি তৈরী হয়েছে৷

 

দুঃসাহসিকতার পরিচয় দিয়ে বিমানযাত্রীদের বাঁচিয়ে হিরো স্মিত

নিজস্ব সংবাদদাতা
Sun, 18-10-2026

 সিনেমার পর্দায় ফাইট করা হিরোদের নিয়ে অধিকাংশ সিনেমাপ্রেমী মানুষ মাতামাতি করলেও ফ্লাই দুবাইয়ের ভারতীয় পাইলট জীবনের তোয়াক্কা না করে সহকারী পাইলটের হামলায় গুরুতর জখম হয়েও হাল না ছেড়ে লড়াই করে শেষ পর্যন্ত বাঁচিয়ে দিলো বিমােেনর ১৮০ জন্য বিমানযাত্রীর জীবন৷ প্রকৃত অর্থে তিনিই হিরো৷

গত ৩০শে সেপ্ঢেম্বর দুবাই থেকে ইসরাইলের তেল অবিবগামী ফ্লাই দুবাইয়ের বিমানে মাঝ আকাশে প্রায় ৩৫০০০ ফুট উচ্চতায় বিমানের ককপিটে ওমানের সহকারী পাইলটের হামলায় গুরুতর জখম হন ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছর৷ বিভিন্ন সূত্রে প্রাপ্ত খবরে যানা যায় নাশকতার উদ্দেশ্যে বিমানের নিয়ন্ত্রণ নিতে ওমানের ওই পাইলট ভারতীয় ক্যাপ্ঢেনকে আক্রমণ করেন৷ রক্তাক্ত ও গুরুতর জখম অবস্থাতেও স্মিত ককপিটের দরজা খুলতে সক্ষম হন৷ ফলে বিমানে থাকা অন্যযাত্রীরা ওই হামলাকারীকে বন্দী বানান, বিমানে উপস্থিত থাকা রিজার্ভ পাইলটরা পরে বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করে৷ উল্লেখ্য এই বিমানটির অধিকাংশ যাত্রীই ছিলেন ইসরায়েলের নাগরিক৷ তাদের জীবন বাঁচানোয় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলেন ওই ভারতীয় পাইলট স্মিত শুধু ভারতের হিরোই নন৷ তিনি আমাদেরও হিরো, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাকে হিরো বলে প্রশংসা করেছেন৷

 স্মিতকে তার অকুতোভয় সাহসিকতার জন্য ইসরায়েলের আগামী স্বাধীনতা দিবসে ইসরায়েলের সবের্বাচ্চ অসামরিক সম্মান দেওয়া হবে বলে ঘোষনা করেন সে দেশের প্রধানমন্ত্রী৷

 

দিল্লিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের অমানবিক আচরণ তীব্র প্রতিবাদ জানাল ‘বাঙালী ছাত্র-যুব সমাজ’

নিজস্ব সংবাদদাতা
Sun, 18-10-2026

‘‘গণতান্ত্রিক দেশে ছাত্রসমাজের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ জানানোর অধিকারকে কোনওভাবেই পুলিশি দমন-পীড়নের মাধ্যমে স্তব্ধ করা যায় না৷ নির্বাচনী ব্যবস্থার স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহি নিয়ে প্রশ্ণ তুলে যখন দেশের তরুণ প্রজন্ম রাস্তায় নেমেছে, তখন তাঁদের কণ্ঠরোধ করতে প্রশাসনিক শক্তির প্রয়োগ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থী৷ দিল্লির রাজপথে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উপর পুলিশের যে আচরণের অভিযোগ সামনে এসেছে, তার নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে এবং দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে৷ একই সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সাংবিধানিক অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে৷ দিল্লির রাজপথে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর প্রশাসনের বর্বর আচরণ শুধু কয়েকজন তরুণের ওপর রাষ্ট্রের ক্ষমতা প্রদর্শনের ঘটনা নয় এটি আমাদের গণতন্ত্রের কাছে এক গভীর প্রশ্ণচিহ্ণ৷ মনে রাখা দরকার রাষ্ট্রের শক্তি মানুষের কণ্ঠকে স্তব্ধ করার জন্য নয়, মানুষের অধিকারকে সুরক্ষিত করার জন্য৷

 ইতিহাস বড় নির্মম শিক্ষক- যে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য একদিন বুক ফুলিয়ে বলেছিল---‘‘ব্রিটিশ সাম্রাজ্যে সূর্য অস্ত যায় না’’, সেই সাম্রাজ্যের পতন হয়েছে৷

ভারতের মাটিতে জরুরি অবস্থার অন্ধকারও চিরস্থায়ী হয়নি৷ কংগ্রেসের আজকের করুণ অবস্থা কারুরই অজানা নয়৷ পশ্চিমবঙ্গে ৩৪ বছরের বামফ্রন্ট শাসনের অটল দুর্গও একদিন ভেঙে পড়েছে৷ সিপিএমের গগনচুম্বী অহংকার ধবংস হয়েছে৷ দুর্নীতিতে আকন্ঠ ডুবে গিয়ে তৃণমূল দলটা এখন অবক্ষয়ের শেষ ষ্টেশনে৷ অর্থাৎ ইতিহাসের পাতায় একটি সত্যই বারবার ফিরে আসে৷ ক্ষমতা যত বড়ই হোক, মানুষের ঊর্ধে নয়৷ অহংকার যত প্রবলই হোক, চিরস্থায়ী নয়৷ শাসন যত দীর্ঘই হোক, তারও একদিন হিসাব দিতে হয়৷

আজকের ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকারের কাছেও তাই ইতিহাসের এই শিক্ষা স্মরণ রাখা জরুরি৷ ধর্মীয় আবেগ, পরিচয়ের রাজনীতি কিংবা বিভাজনের উত্তাপ দিয়ে কিছু সময়ের জন্য মানুষের দৃষ্টি অন্যদিকে ঘোরানো সম্ভব হতে পারে কিন্তু চাকরি, বেকারত্ব, মূল্যবৃদ্ধি, আয় ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তার বাস্তব প্রশ্ণকে চিরকাল আড়াল করে রাখা যায় না৷ মানুষকে ভয় দেখিয়ে কিছুদিন শাসন করা যায়, কিন্তু মানুষের প্রশ্ণকে চিরদিন বন্দী করে রাখা যায় না৷ গণতন্ত্রে মানুষ প্রজা নয় নাগরিক৷ সরকার মানুষের প্রভু নয় জনগণের কাছে জবাবদিহি করা প্রতিষ্ঠান৷ ক্ষমতার অলিন্দে বসে ইতিহাসকে ভুলে যাবেন না৷

আমরা দিল্লির শিক্ষার্থীদের গণতান্ত্রিক প্রতিবাদের অধিকারের পাশে আছি৷ প্রশাসনিক দমন-পীড়নের পরিবর্তে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা হোক৷ জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ ও সুপ্রীমকোর্টের নজরদারীতে সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনী ব্যবস্থার আমূল সংস্কার করা, যাতে সম্পূর্ণ অনায্যভাবে বাদ পড়া ভোটাররা পুনরায় স্বাধীনভাবে নিজেদের ভোট দেওয়ার অধিকার ফিরে পায়৷

 

Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য প্রসূনানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য প্রসূনানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved