Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

সংবাদ দর্পণ

জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে কীর্ত্তন ও গ্রন্থ প্রকাশ

নিজস্ব সংবাদদাতা
Tue, 29-09-2026

স্নেহময় দত্ত: গত ৪ সেপ্ঢেম্বর জন্মাষ্টমীর দিনে প্রবীণ আনন্দমার্গী স্নেহময় দত্ত -র বাড়িতে সন্ধ্যায় চুঁচুড়া -চন্দননগরের মার্গের সাধক-সাধিকাদের মিলিত প্রচেষ্টায় কীর্তনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলে আধ্যাত্মিকভাবে স্পন্দিত হয়৷

অনুষ্ঠান শেষে স্নেহময় দত্ত -এর সঙ্কলিত গ্রন্থ প্রবন্ধ বিচিত্রা প্রকাশিত হয়৷ গ্রন্থটি প্রকাশ করেন প্রবীণ আনন্দমার্গী মহাদেব কুন্ডু৷

 

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) প্রগতিতে নেতৃত্বের রাশ থাকবে কার হাতে?

পি.এন.এ.
Tue, 29-09-2026

আমেরিকা ও চীনের মধ্যে চলছে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা৷ সেই আবহেই এবার নয়া বিতর্ক৷ মানুষের ইনপুট ছাড়াই কোডিং ব্যবহার করে নিজেকে আরও আপডেট করে তুলছে এআই৷ সেল্ফ ডেভেলপমেন্টের এই প্রক্রিয়া নিয়ে অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন৷ বিশ্বের শীর্ষ এআই সংস্থা অ্যানথ্রোপিক থেকে ইস্তফা দিয়ে ভয়ংকর ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন গবেষক জ্যাকব কক্সন৷ তাঁর সতর্কতা, রাশ না টানলে এক দশকেই পৃথিবীকে মানবশূন্য করে দেবে এআই৷ কক্সনের আশঙ্কা নিয়ে সহমত প্রকাশ করেছেন অ্যানথ্রোপিকের সিইও দারিও আমোদেই৷ বলেছেন, ‘এখনই সতর্ক হতে হবে৷ এআই নিয়ে অত্যাধুনিক গবেষণার গতিতে রাশ টানতে হবে৷ যাতে নজরদারি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যায়৷ সুরক্ষাবিধি আরও জোরদার করা যায়৷’ যদিও মার্কিন এআই শীর্ষকর্তাদের এইসব যুক্তিকে আমল দিতে নারাজ চীন৷ এব্যাপারে আমোদেইয়ের পরামর্শের তীব্র সমালোচনা করল চীনের সরকারি সংবাদ মাধ্যম গ্লোবাল টাইমস৷ তাদের তোপ, এইসব সতর্কবার্তা নিছক ‘ঠান্ডাযুদ্ধের কৌশল’৷ এর উদ্দেশ্য, চীনের প্রযুক্তিগত উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে প্রতিহত করা৷

শীর্ষ মার্কিন এআই কর্তাদের সতর্কবাণী সম্পর্কে চীনা সংবাদমাধ্যমে বলা হয়েছে, এই নীরব এআই ঠান্ডাযুদ্ধ ভণ্ডামি ও অদূরদর্শীতায় ভরা৷ ঘটনাচক্রে, দেশের এআই সংস্থাগুলির শীর্ষকর্তাদের আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়েছেন স্বয়ং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও৷ ট্রাম্প বলেছেন, ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আমরা চীনকে ছাড়িয়ে গিয়েছি৷ আমরা বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত দেশ এবং সত্যি বলতে আমি এই অবস্থাটা বজায় রাখতে চাই৷ কারণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় যে জিতবে, সেই আসল বিজয়ী হবে৷’ এই বিষয়টি শীঘ্রই আমেরিকা-চীন সরাসরি আলোচনার অংশ হয়ে উঠতে পারে৷ ট্রাম্প এবং চীনের প্রেসিডেন্ট জি জিনপিংয়ের মধ্যে ২৪ সেপ্ঢেম্বরের বৈঠকেও এই ইস্যুটি আলোচনায় উঠতে পারে বলে খবর৷

 

প্রতিশ্রুতি পালন করে চলেছেন মহরাষ্ট্রের ৫৫ বছরের এক শিক্ষক

পি.এন.এ.
Tue, 29-09-2026

স্কুলটি জেলা পরিষদের৷ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়৷ ২০১৩ সালের ২৬ জুলাই খানিক জেদ করেই ওই স্কুলে শিক্ষক হিসাবে যোগদান করেছিলেন জীবন মিঠারি৷ আজও সেই প্রতিশ্রুতি পালন করে চলেছেন৷

ক্লাসে বসে খাতা খুলে ছাত্র-ছাত্রীর নাম ডাকার দরকার পড়ে না শিক্ষকের৷ কারণ, পড়ুয়া এক জনই৷ আর সেই এক জনকেই পড়াতে রোজ সকালে ঘন জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে দীর্ঘ ৫ কিলোমিটার হেঁটে স্কুলে যান সরকারি স্কুলের শিক্ষক জীবন মিঠারি৷ জেদের বশে৷

স্কুলটি জেলা পরিষদের৷ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়৷ মহরাষ্ট্রের কোলাপুরের গগনবাওয়াড়া তালুকের সিন্ধুদুর্গ সীমানার কাছে কাওয়ালটেক ধাঙ্গরওয়াড়া গ্রামের এক প্রান্তে তার ঠিকানা৷ যাতায়াতের সমস্যা তো রয়েছেই৷ জঙ্গলের রাস্তাও সহজ নয় মোটেই৷ সে পথে গাড়ি চলে না৷ বন্যপ্রাণী বেরিয়ে পড়ে মাঝেমধ্যে৷ গ্রামে চিতাবাঘের হামলার খবরও আসে প্রায়ই৷ তবু এমন স্কুল থেকে বদলি চেয়ে কখনও আবেদন করেননি জীবন৷ বন্ধ করেননি স্কুলে যাওয়াও৷

২০১৩ সালের ২৬ জুলাই খানিক জেদ করেই ওই স্কুলে শিক্ষক হিসাবে যোগদান করেন জীবন৷ তার আগে তিনি ছিলেন কোলাপুর জেলার প্রাথমিক শিক্ষকদের কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যান৷ তখনও শিক্ষকতা করতেন, তবে মফসসলের স্কুলে৷ সেখানেই বদলি বিষয়ে সহশিক্ষকদের কিছু টিপ্পনী কানে আসে তাঁর৷

জীবনের সহকর্মীরা বলছিলেন, উপর মহলে প্রভাব আছে যাঁদের, তাঁরা এমন জায়গার স্কুলে পোস্টিং পান, যেখানে সব সুযোগসুবিধা আছে৷ বাকিদের কপালে জোটে প্রত্যন্ত এলাকার স্কুল৷ সে কথা শুনেই জীবন ঘোষণা করেন, তিনি ব্যতিক্রমী হবেন৷ তিনি যাবেন প্রত্যন্ত এলাকার স্কুলে পড়াতে৷ জেদের বশেই জেলা পরিষদের স্কুলটি খুঁজে সেখানে পোস্টিং নেন৷ তার পর থেকে ১৩ বছর ধরে নিজের প্রতিশ্রুতিই পূরণ করে চলেছেন তিনি৷

শুরুর দিকে তবু স্কুলে কয়েকজন ছাত্রছাত্রী আসত৷ তবে ধীরে ধীরে তা কমতে থাকে৷ এখন এসে ঠেকেছে এক জনে৷ এখন গোটা স্কুলে পড়ুয়া বলতে তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রী৷ নাম স্বরা বোড়াকে৷ অবশ্য তার সঙ্গে তার বোনও এসে বসে ক্লাসে৷ সাড়ে চার বছরের শিশুর স্কুলে ভর্তি হওয়ার বয়স হয়নি এখনও৷ তবে তাকে অন্যত্র রাখার মতো অঙ্গনওয়াড়িও নেই গ্রামটিতে৷ আগামী বছর দিদি যখন চতুর্থ শ্রেণিতে উঠবে, তখন প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি হবে সে৷ জীবন স্যরের ক্লাসে ছাত্রী সংখ্যা বাড়বে৷ তবে তিনিও এখন ৫৫৷ ২০২৯ সালে অবসর নেবেন৷ তত দিনে তাঁর কনিষ্ঠ ছাত্রী তৃতীয় শ্রেণিতে উঠবে হয়তো৷ কিন্তু তার পড়াশোনা শেষ করানোর জন্য আর স্কুল চালানোর জন্য জেদ করে আরও এক জন জীবন স্যর আসবেন কি?

 

খয়রাতির রাজনীতি আমেরিকাতেও

পি.এন.এ.
Tue, 29-09-2026

ভোটে জিতলেই নাগরিকদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরাসরি ঢুকবে ভাতা৷ নির্বাচনী মরশুমে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে এই ধরনের প্রতিশ্রুতি এই মুহূর্তে খুবই স্বাভাবিক ঘটনা৷ যা নিয়ে সমালোচনাও কম হয়নি৷ কিন্তু এবার একই ধরনের খয়রাতির রাজনীতি মার্কিন মুলুকেও! পোশাকি নাম ‘ট্রাম্প ডিভিডেন্ট৷ আমেরিকায় মিডটার্ম ইলেকশনে রিপাবলিকানরা জিতলেই প্রত্যেক নাগরিকের অ্যাকাউন্টে ঢুকবে পাঁচ হাজার মার্কিন ডলার৷ ভারতীয় মুদ্রায় পৌনে পাঁচ লক্ষ টাকা৷ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এমনই প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন৷ 

ডালাসে রিপাবলিকানদের একটি অনুষ্ঠানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভ ও সেনেট, মার্কিন কংগ্রেসের দুই কক্ষেই রিপাবলিকানরা জিতলে প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিককে ৫ হাজার ডলার করে ডিভিডেন্ট দেওয়া হবে৷ তবে শর্ত রয়েছে৷ সেই অর্থ কেবল দেশেই খরচ করতে হবে৷’ ট্রাম্প আরও জানান, তিনি চান না ওই অর্থ কানাডা, চীন বা জার্মানিতে খরচ করা হোক৷ 

তথ্যাভিজ্ঞ মহল জানিয়েছে, ট্রাম্প ঘোষিত এই খয়রাতির বাস্তবায়িত করতে গেলে ১.৩০ ট্রিলিয়ন ডলার খরচ হবে৷ যদিও সেদেশের নিয়ম অনুযায়ী, ট্রাম্প চাইলেই ওই ভাতা দিতে পারবেন না৷ তার জন্য মার্কিন কংগ্রেসের অনুমোদনেরও প্রয়োজন হবে৷ এব্যাপারে আশ্বাস দিয়েছেন ওহিও-র রিপাবলিকান সেনেটর বার্নি মোরেনো৷ তিনি জানিয়েছেন, ‘৩ নভেম্বর নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ হলেই এই সংক্রান্ত বিল পেশ করবে রিপাবলিকানরা৷’

এধরনের খয়রাতি নিয়ে ট্রাম্পের দল রিপাবলিকানদের একহাত নিয়েছে বিরোধী ডেমোক্র্যাট শিবির৷ ওই প্রতিশ্রুতির বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ণ তুলেছে তারা৷ ডেমোক্র্যাটদের বক্তব্য, এধরনের প্রতিশ্রুতি ফাঁপা বুলি মাত্র৷ যদিও মার্কিন উপরাষ্ট্রপতি জানিয়েছেন, ধনী নাগরিকরা ট্রাম্প ডিভিডেন্টের জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন না৷ শুল্ক থেকে উপার্জিত অর্থ থেকেই এই ডিভিডেন্ট দেওয়া হবে৷ এদিকে দ্য বুলওয়ার্ক পত্রিকার সম্পাদক স্যাম স্টেইন এই ঘোষণাকে ‘রিপাবলিকানদের ভোট দেওয়ার জন্য সরাসরি ঘুষ’ বলে তোপ দেগেছেন৷

 

শঙ্খচূড়ের বিষ থেকে অ্যান্টিভেনম! ডেনমার্কের গবেষণায় সাফল্য

পি.এন.এ.
Tue, 29-09-2026

গোখরো বা শঙ্খচূড়ের মতো সাপের বিষের প্রতিষেধক আবিষ্কারে সাফল্য পেল ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স (আইআইএসসি), বেঙ্গালুরু৷ প্রতিষ্ঠানের কয়েকজন গবেষক, ডেনমার্কের টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি-র (ডিটিইউ) সঙ্গে যৌথ ভাবে তৈরি করেছে একটি রিকম্বিন্যান্ট, ন্যানোবডি-ভিত্তিক অ্যান্টিভেনম৷ এটি ভারতীয় একাধিক প্রজাতির বিষের বিরুদ্ধে কার্যকর হবে বলে মনে করা হচ্ছে৷

আইআইএসসি-র রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতে প্রতি বছর প্রায় ৫০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয় সাপের কামড়ে, যা বিশ্বের মধ্যে সর্বাধিক৷ সাপের বিষে বিভিন্ন ধরনের টক্সিন থাকে, যা স্নায়ু, রক্ত বা কলাকোষে আক্রমণ করে৷ ফলে বিভিন্ন প্রজাতির সাপের বিষের বিরুদ্ধে একসঙ্গে কার‌্যকর চিকিৎসা তৈরি করা খুব কঠিন৷

গবেষকেরা জানিয়েছেন, বর্তমানে যে সব অ্যান্টিভেনম প্রচলিত, সেগুলির কিছু প্রতিবন্ধকতা রয়েছে৷ সব ধরনের সাপের বিষে একই ধরনে অ্যান্টিভেনম কাজে আসে না, আবার তার পার্শপ্রতিক্রিয়াও এক একজন রোগীর ক্ষেত্রে এক রকম৷ তা ছাড়া, পরীক্ষা চালানোর ক্ষেত্রে অনেক প্রাণহানি (মনুষ্যেতর) ঘটে থাকে৷ গোটা পদ্ধতিটি যথেষ্ট খরচ সাপেক্ষ৷

এই সমস্যার সমাধানেই আইআইএসসি-র সেন্টার ফর ইকোলজিক্যাল সায়েন্সেস-এর সহযোগী অধ্যাপক কার্তিক সুনাগর এবং ডিটিইউ-র অধ্যাপক আন্দ্রেয়াস লাউস্টসেন বিভিন্ন ভারতীয় গোখরো প্রজাতির বিষের বিরুদ্ধে কার‌্যকর একটি অ্যান্টিবডি তৈরি করেন৷ ‘সায়েন্স ট্রান্সলেশনাল মেডিসিন’ পত্রিকায় প্রকাশিত গবেষণায় জানা যায়, বিভিন্ন ভারতীয় গোখরোর বিষের সাহায্যে উটজাতীয় প্রাণীর অ্যান্টিবডি পরীক্ষা করা হয়৷ এর আগে লাউস্টসেন ও তাঁর সহকর্মীরা বিভিন্ন আলপাকা ও লামার রক্ত থেকে অ্যান্টিবডি সংগ্রহ করে তা মাইক্রোবিয়াল কোষের সাহায্যে পরীক্ষাগারে অ্যান্টিভেনম উৎপাদন করেছিলেন৷

সাধারণ অ্যান্টিভেনমের ক্ষেত্রে ঘোড়ার মতো প্রাণীকে বারবার বিষ দিয়ে অ্যান্টিবডি তৈরি করতে হয়৷ কিন্তু এই রিকম্বিন্যান্ট অ্যান্টিবডি মাইক্রোবিয়াল এবং মানব-উপযোগী এক্সপ্রেশন সিস্টেমেও তৈরি করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে গবেষকেরা৷ আইআইএসসি-র রিপোর্ট অনুযায়ী, ইঁদুরের উপর করা এক পরীক্ষায় এই ন্যানোবডি ককটেলটি স্পেকট্যাকলড কোবরা, মনোকলড কোবরা এবং ভারতের দুই প্রজাতির কিং কোবরার বিষের বিরুদ্ধে কাজ করে তার কার‌্যকারিতা প্রমাণ করেছে৷ ন্যানোবডি ককটেলটি বিষের কার‌্যকলাপ নিষ্ক্রিয় করার পাশাপাশি বিষকে তার নির্দিষ্ট রিসেপ্ঢরের সঙ্গে যুক্ত হতেও বাধা দেয়৷ গবেষকেরা জানান, বিষ প্রয়োগের ৩০ মিনিট পরেও অ্যান্টিভেনমটি কার‌্যকর ছিল এবং পক্ষাঘাত বা স্নায়ুবিষক্রিয়ার উপসর্গ থাকা ইঁদুরগুলিকেও সম্পূর্ণ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে৷ তাঁদের দাবি, ভবিষ্যতে আরও চিকিৎসাগত ভাবে গুরুত্বপূর্ণ সাপের প্রজাতিকে সুরক্ষার আওতায় আনতে অতিরিক্ত অ্যান্টিবডি উপাদান যোগ করা যেতে পারে৷ ফলে বিভিন্ন অঞ্চল বা নির্দিষ্ট সাপের প্রজাতি অনুযায়ী রিকম্বিন্যান্ট অ্যান্টিভেনম তৈরি করা সম্ভব হতে পারে৷

 

পুজোর মুখে খাদ্য পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির হিসেব সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে মধ্যবিত্ত

নিজস্ব সংবাদদাতা
Tue, 29-09-2026

জিডিপি নিয়ে মিথ্যে প্রচারের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়ে চলেছে খাদ্য পণ্যের মূল্য৷ সম্প্রতি প্রকাশিত মূল্যবৃদ্ধি সূচকে দেখা যাচ্ছে আগস্ট মাসে খাদ্য পণ্যের মূল্য বৃদ্ধির হার ৪.৮২ শতাংশ৷ শহর অঞ্চলে মূল্যবৃদ্ধির হার ৪.৩১ শতাংশ৷ তবে শহরের তুলনায় গ্রামাঞ্চলে মূল্যবৃদ্ধির হার প্রায় এক শতাংশ বেশি৷ একইভাবে পাইকারি বাজারে জুলাই মাসের ৯.৭৮ শতাংশ মূল্য বৃদ্ধির হার আগস্টে বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে৷ ৯. ৯২ শতাংশ৷

মূল্যবৃদ্ধির গতিরোধ করতে কেন্দ্র বারবার ব্যর্থ হয়েছে৷ রিজার্ভ ব্যাংকের প্রতিবেদনে লাগাম ছাড়া মূল্যবৃদ্ধির কথা বলা হয়েছিল৷ আগস্ট মাসের মূল্য বৃদ্ধির সূচকে রিজার্ভ ব্যাংকের আশঙ্কাই সত্যি হলো৷ আগামী দিনে মূল্য বৃদ্ধির হার আরো বাড়বে৷ চাল ডাল তেল নুনের মত মধ্যবিত্তের নিত্যদিনের খাদ্যদ্রব্যের মূল্য বাড়তে থাকবে৷

 কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্যে জুলাই মাসে খাদ্যদ্রব্যের পাইকারি বাজারে মূল্য বৃদ্ধির হার ছিল ৬.৬৫ শতাংশ৷ আগস্টে বেড়ে হয়েছে ৭.০৫ শতাংশ৷ গত কয়েক মাস ধরেই এই মূল্যবৃদ্ধি ক্রমান্বয়ে বেড়ে চলেছে৷ জ্বালানি ও বিদ্যুতের ক্ষেত্রে পাইকারি মূল্যবৃদ্ধির হার ২২.৯৩ শতাংশ৷

 কেন্দ্রীয় সরকারের দাবি ইরান আমেরিকা যুদ্ধের কারণে খাদ্য পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি হচ্ছে৷ বিরোধীদের পাল্টা দাবি খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির হার যুদ্ধের অনেক আগে থেকেই হচ্ছে৷ তার কোন উত্তর দেয়নি৷

 

নেতাজী-অবমাননার প্রতিবাদে কোচবিহারে ‘আমরা বাঙালী’র বিক্ষোভ মিছিল

নিজস্ব সংবাদদাতা
Tue, 29-09-2026

গত ১৫ সেপ্ঢেম্বর নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুকে নিয়ে রাজ্যসভার সাংসদ নগেন্দ্র রায় ওরফে অনন্ত মহারাজের অবমাননাকর মন্তব্যের প্রতিবাদে সরব হল ‘আমরা বাঙালী’৷ নেতাজীর মর্যাদা রক্ষার পাশাপাশি নগেন্দ্র রায়ের সাংসদ পদ বাতিলের দাবীতে মঙ্গলবার কোচবিহারের রাজপথে বিশাল বিক্ষোভ মিছিল করে সংগঠনটি৷ একইসঙ্গে জাত-বাঙালী রাজবংশী সম্প্রদায়কে বৃহত্তর বাঙালী জনগোষ্ঠী থেকে বিচ্ছিন্ন করার প্রচেষ্টার বিরুদ্ধেও তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়৷

এদিন কোচবিহারের রাসমেলা মাঠ থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে কোচবিহার শহরের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে মিছিল পৌঁছয় জেলা শাসকের দফতরে৷ সেখানে জেলা শাসকের মাধ্যমে ভারতের মাননীয়া রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং পশ্চিমবঙ্গের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়৷

 স্মারকলিপিতে নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুকে নিয়ে করা মন্তব্যের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নগেন্দ্র রায়ের সাংসদ পদ বাতিলের দাবি জানানো হয়৷নেতাজীকে নিয়ে নগেন্দ্র রায়ের মন্তব্যের জেরে তাঁর বিরুদ্ধে FIR দায়ের হওয়ার বিষয়টিও সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে৷ স্মারকলিপি প্রদান শেষে কোচবিহারের ব্রাহ্ম মন্দির সংলগ্ণ এলাকায় প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়৷ সভায় বক্তব্য রাখেন ‘আমরা বাঙালী’র কেন্দ্রীয় সচিব জ্যোতিবিকাশ সিনহা, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সচিব তপোময় বিশ্বাস, বরেন্দ্র ভূমি সাংগঠনিক সচিব দলেন্দ্রনাথ রায়, কোচবিহার জেলা সচিব ডা. রতন বর্মন, সহ-সচিব স্বদেশ সরকার, জেলার সাংগঠনিক সচিব সুনীল রায় এবং বিশিষ্ট প্রাউটিষ্ট সুবোধ বর্মন৷ সভা পরিচালনা করেন বাঙালী যুব সমাজের সদস্য বাবলা দেব৷ বক্তারা বলেন, ‘‘নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু শুধুমাত্র একজন স্বাধীনতা সংগ্রামী ননতিনি ভারতবর্ষের স্বাধীনতা সংগ্রাম, আত্মমর‌্যাদা ও দেশপ্রেমের এক অমর প্রতীক৷ তাঁর প্রতি অবমাননাকর মন্তব্য মানেই দেশদ্রোহীতার সামিল৷এই ঘটনা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না৷’’ বক্তাদের বক্তব্য, একজন সাংসদের কাছ থেকে দেশের অন্যতম শ্রদ্ধেয় স্বাধীনতা সংগ্রামীকে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য প্রত্যাশিত নয়৷ তাই বিষয়টি যথাযথভাবে বিবেচনা করে নগেন্দ্র রায়ের সাংসদ পদ বাতিলের দাবিতে দেশের সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে৷ প্রতিবাদ সভায় নেতাজী প্রসঙ্গের পাশাপাশি জাত-বাঙালী রাজবংশী সম্প্রদায়কে বাঙালী জনগোষ্ঠীর মূলস্রোত থেকে বিচ্ছিন্ন করার প্রচেষ্টার বিরুদ্ধেও সরব হন বক্তারা৷

‘আমরা বাঙালী’র পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, রাজবংশী বাঙালীদের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক পরিচয়কে ব্যবহার করে বৃহত্তর বাঙালী সমাজের মধ্যে বিভাজন তৈরি করার চেষ্টা চলছে৷ সংগঠনের বক্তব্য, বাঙালী সমাজের অভ্যন্তরে বিভেদ সৃষ্টি করে কোনও রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির প্রচেষ্টা মেনে নেওয়া হবে না৷

বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, রাজবংশী বাঙালীদের সরলতা ও আবেগকে কাজে লাগিয়ে বিভাজনের রাজনীতি চালানো হচ্ছে৷ তাঁদের দাবি, বৃহত্তর বাঙালী জনগোষ্ঠীর ঐক্য অক্ষুণ্ণ্ রেখেই রাজবংশী বাঙালীদের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে৷সভা থেকে রাজবংশী বাঙালীদের উদ্দেশে বিভাজনের রাজনীতির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানানো হয়৷ ‘আমরা বাঙালী’র পক্ষ থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়৷ নেতাজীর মর্যাদা রক্ষা, বাঙালীর ঐক্য এবং জাত-বাঙালী রাজবংশী সমাজকে বৃহত্তর বাঙালী জনগোষ্ঠী থেকে বিচ্ছিন্ন করার যে কোনও প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে আন্দোলন আগামী দিনেও অব্যাহত থাকবে৷

 

১৪ই সেপ্ঢেম্বর তিলজলা কেন্দ্রীয় আশ্রমে পালিত হলো প্রভাত সঙ্গীত দিবস

নিজস্ব সংবাদদাতা
Tue, 29-09-2026

১৪ই সেপ্ঢেম্বর প্রভাত সঙ্গীত দিবস৷ ১৯৮২ সালের ১৪ই সেপ্ঢেম্বর প্রভাত সঙ্গীতের রচয়িতা ও সুরকার প্রাউট প্রবক্তা পরম শ্রদ্ধেয় শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকার (আধ্যাত্মিক জগতে যিনি শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তি নামে পরিচিত) দেওঘরের শান্ত-স্নিগ্দ পরিবেশে প্রথম প্রভাত সঙ্গীত দিলেন ---‘‘বন্ধু হে নিয়ে চলো....’’৷ তারপর মাত্র আট বছরের মধ্যে তিনি দিলেন ভাব-ভাষা-সুর ও ছন্দের বৈচিত্র্যে ভরা নানা ঘরানার ৮টি ভাষায় ৫০১৮টি গান, সুর সংযোজনাও তিনিই করেন৷ সেই উপলক্ষ্যে প্রতিবছর বিশ্বের প্রতিটি আনন্দমার্গ ইয়ূনিটে ১৪ই সেপ্ঢেম্বর প্রভাত সঙ্গীত দিবস পালিত হয়৷ এইদিন কলিকাতায় আনন্দমার্গ কেন্দ্রীয় আশ্রমে আনন্দমার্গ প্রচারক সংঘের সাংস্কৃতিক শাখা রেনেসাঁ আর্টিস এ্যাণ্ড রাইটার্স এ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে প্রভাত সঙ্গীত দিবস পালিত হয়৷ 

প্রভাত সঙ্গীত বর্তমান তমসাচ্ছন্ন ক্ষয়িষ্ণু সাংস্কৃতিক জগতে নতুন ঊষার বার্র্ত বহে এনেছে৷ প্রথম সঙ্গীতটির মধ্যেই সেই বার্র্ত আছে---‘বন্ধু হে নিয়ে চলো আলোর ওই ঝর্ণাধারার পাণে’ মাত্র আট বছরে তিনি মোট ৫০১৮টি সঙ্গীত রচনা করেন৷ মূলত বাংলা রচিত হলেও সংস্কৃত, ইংরাজী, হিন্দি, উর্দু ভোজপুরি প্রভৃতি বেশ কয়েকটি ভাষায় তিনি প্রভাত সঙ্গীত রচনা করেছেন৷ প্রভাত সঙ্গীত দিবস উপলক্ষ্যে বক্তব্য রাখেন আচার্য প্রিয়কৃষ্ণানন্দ অবধূত, আচার্য বিকাশানন্দ অবধূত৷ 

এই দিনের অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশনা করেন আচার্য প্রিয়শিবানন্দ অবধূত, আচার্য পূর্ণদেবানন্দ অবধূত, অবধূতিকা আনন্দ অভিষা আচার্যা প্রমুখ৷ কলিকাতা রাওয়া গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে প্রভাত সঙ্গীত অবলম্বনে নৃত্য পরিবেশন করেন বিভিন্ন শিল্পী---নরেন্দ্রপুর শিশুসদনের মেয়েরা, কলিকাতার ভুক্তিপ্রধান সুনন্দা সাহার শিল্পীগোষ্ঠী, হাওড়া রামরাজাতলার রাওয়া শিল্পী প্রমুখ৷

কলিকাতা ছাড়াও এইদিন পশ্চিমবঙ্গে জেলায় জেলায় ও অসম, ত্রিপুরা, ঝাড়খণ্ডে প্রভাত সঙ্গীত দিবস পালিত হয়৷ বর্হিঃভারতেও আনন্দমার্গের ইয়ূনিটগুলিতে সঙ্গীত, নৃত্য পরিবেশন ইত্যাদি অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে প্রভাত সঙ্গীত দিবস পালিত হয়৷ আনন্দনগরে রোটান্ডায় এই দিন প্রভাত সঙ্গীত দিবস পালিত হয়৷

 

বামুন পাড়ায় প্রভাত সঙ্গীত দিবস উদ্‌যাপন

নিজস্ব সংবাদদাতা
Tue, 29-09-2026

আনন্দমার্গ সর্বাত্মক জীবনাদর্শের প্রবক্তা ও প্রবর্তক জগদগুরু শ্রী শ্রী আনন্দমূর্ত্তিজীর শৈশব, বাল্যাবস্থা ও কৈশোরের পুণ্যস্মৃতি বিজড়িত পৈতৃক বাড়ি বর্ধমান জেলার ‘বামুন পাড়াতে’ গতকাল ১৪ই সেপ্ঢেম্বর মহাসমারোহে পালিত হল ৪৪ তম প্রভাত সঙ্গীত দিবস৷ বহু বছর পর বাবার পৈতৃক বাসভূমি বামুনপাড়ায় যাবার সুযোগ হল৷ এই অনুষ্ঠানে বর্ধমান জেলার বিভিন্ন প্রান্তের মার্গী ভাইবোন ছাড়াও বীরভূম, হাওড়া ও কলিকাতা প্রভৃতি জেলা থেকে আনন্দমার্গের বহু সদস্যবৃন্দ যোগ দেন৷

সকাল সাড়ে আটটা থেকে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয় প্রভাত সঙ্গীত দিয়ে৷ তারপর ভক্তরা সমবেতভাবে কীর্তন সাধনা ও গুরুপূজা করেন৷ এরপর শুরু হয় অনুষ্ঠানের মূল পর্ব৷

সংঘের অশীতিপর সন্ন্যাসী আচার্য কাশীশ্বরানন্দ অবধূত বলেন --- ১৯৮২ সালের ১৪ সেপ্ঢেম্বর বাঙালীস্তানের অংশ বর্তমান ঝাড়খন্ডে অবস্থিত দেওঘরে পরম পূজনীয় বাবা শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তিজী ওরফে শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকার প্রথম সঙ্গীত রচনা করেন ও তাতে সুর সংযোজনাও করেন৷ তার রচিত প্রথম গানটি হল----‘বন্ধু হে নিয়ে চলো আলোর ওই ঝর্ণাধারার পানে’৷ শ্রদ্ধেয় দাদা এরপর ওই প্রথম গানটি সবাইকে গেয়ে শোনান ও পরে বলেন ১৯৮২ সালের ১৪ সেপ্ঢেম্বর যে গানের সৃষ্টি তিনি করেছিলেন তা আট বছর পরে শেষ করেন৷ ১৯৯০ সালের ২১শে অক্টোবর তার মহাপ্রয়াণের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি গান রচনা করে গেছেন এবং এই সংগীতের তিনি নাম দেন প্রভাত সঙ্গীত৷ এরপর প্রভাত সঙ্গীতের বিশাল সম্ভার থেকে কিছু গান চয়ন করে পরিবেশন করেন যথাক্রমে শ্রীমতী ছন্দা গড়াই, মলিনা গড়াই, চয়নিকা মন্ডল, মানবেন্দ্র ঘোষাল, রাজীব সাহা, বিমল বর্মন, শঙ্করদা, আচার্য প্রসূনানন্দ অবধূত, আচার্য অভয় ব্রহ্মচারী ও আরো অনেকে৷ 

এরপর নোতুন পৃথিবী পত্রিকার সম্পাদক আচার্য প্রসূনানন্দ অবধূত বলেন---শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকার রচিত ও সুরারোপিত গান বলেই যে কেবল এগুলির নাম প্রভাত সঙ্গীত তা নয়৷ প্রভাত সঙ্গীত--- আলোর সঙ্গীত৷ প্রভাত সঙ্গীত পুঁজিবাদ ও ভাবজড়তার নাগপাশে

আষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধা তমসাবৃত মানব সমাজকে আলোকে উত্তরণ তথা আলোর দিশা দেখায়৷ মার্গগুরু বাংলা ভাষা সহ সংস্কৃত, ইংরেজী, উর্দু, হিন্দী, অঙ্গীকা, মগহী ও মৈথিলী ইত্যাদি আটটি ভাষায় মোট পাঁচ হাজার আঠারোটি বিভিন্ন আঙ্গিকের সঙ্গীত রচনা করেছেন ও সমস্ত গানেই তিনি সুর সংযোজনাও করেছেন৷ প্রভাত সঙ্গীত এর মূল উপজীব্য আধ্যাত্মিকতা৷ প্রভাত সঙ্গীত আমাদের জীবনের সমস্ত রকম হতাশা- নৈরাশ্য, দুঃখ-কষ্ট, ব্যথা- বেদনা, মলিনতা- আবিলতা, জড়তা- তামসিকতা থেকে মুক্ত করে আধ্যাত্মিকতার পরশমনির স্পর্শে আমাদের পৌঁছে দেয় আনন্দলোকে৷

প্রভাত সঙ্গীত দুরন্ত আশা বাদের প্রতীক৷ প্রভাত সঙ্গীত মানব জীবনের সমস্ত জড়তার বন্ধন ছিন্ন করে মুক্তির গান শোনায়৷ তাই প্রভাত সঙ্গীত জীবনের গান৷ প্রভাত সঙ্গীত বর্তমান সাংস্কৃতিক জগতের কুহেলিকা সম নিকষ কালো অন্ধকারের জাল ছিন্ন করে আমাদের নোতুন ভোরের -----

প্রভাতের স্নিগ্দ আলোর ঝর্ণাধারায় অবগাহন করিয়ে বলে ---- ‘চলো যাই আলোকতীর্থে’৷ 

সঙ্গীতগুরু শ্রী প্রভাত রঞ্জন সরকার তার গানের ভাষায় জগদবাসীকে আহ্বান জানান এই বলে----- 

‘আঁধার শেষে আলোর দেশে 

অরুণ ভোরের কথা শোনাবো সবায় ডেকে ডেকে’৷

 

ব্লক লেবেল সেমিনার

নিজস্ব সংবাদদাতা
Mon, 28-09-2026

অসমের শ্রীভূমি জেলার পোয়া ব্লকের বালি পিপলয়দুই দিবসীয় ব্লক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়৷ প্রথম দিনে সকাল ৯-০০ টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত তিন ঘন্টাব্যাপী অখন্ড কীর্ত্তন অনুষ্ঠিত হয়৷ কীর্ত্তনের শেষে প্রায় ২০০ জনকে নারায়ণ সেবা করানো হয়৷ এই দুই দিবসীয় সেমিনারের ক্লাস নিয়েছেন আচার্য ব্রতনিষ্ঠানন্দ অবধূত৷ আদর্শ সংবিধান ও দ্বিতীয় দিনে সভ্যতার ভবিষ্যৎ নিয়ে খুব সুন্দরভাবে আলোচনা করেন৷ এই সেমিনারে অর্গানাইজের এর দায়িত্বে ছিলেন শংকর রায় ও সনু দাস৷ রাঙ্গামাটি বালি পিপলয় ও নন্দীগ্রামের প্রায় ৫০ জন মার্গী ভাই ও বোনেরা এই সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন৷

 

Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য প্রসূনানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য প্রসূনানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved