Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

সংবাদ দর্পণ

রাস্তার ঝাঁকুনিতে প্রাণ ফিরে পেল মৃতপ্রায় মহিলা

পি.এন.এ.
Fri, 27-03-2026

চিকিৎসকেরা আশা ছেড়ে দিয়েছিলেন৷ ‘জবাব’ দিয়ে দিয়েছিল হাসপাতাল৷ তাই ‘নিথর’ স্ত্রীকে নিয়ে কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি ফিরছিলেন কুলদীপ শুক্ল৷ বাড়িতে ফোন করে দুঃসংবাদ দিয়ে দিয়েছিলেন৷ এমনকি, শেষকৃত্যের আয়োজনও শুরু হয়ে গিয়েছিল৷ কিন্তু বরেলী-হরিদ্বার ৭৪ নম্বর জাতীয় সড়কে গাড়ি উঠতেই হল অলৌকিক কাণ্ড! জেগে উঠলেন ‘মৃত’!

৫০ বছর বয়সি বিনীতা শুক্ল বরেলীর হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন৷ গত ২৪ ফেব্রুয়ারি চিকিৎসকেরা তাঁর ‘ব্রেন ডেড’ ঘোষণা করেন৷ হৃদ্যন্ত্র সচল ছিল বটে, কিন্তু সুস্থ হয়ে ফেরার আর কোনও আশা ছিল না৷ তাই হাসপাতাল থেকেও তাঁকে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়৷ অ্যাম্বুল্যান্সে করে স্ত্রীকে নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন কুলদীপ৷ আচমকা জাতীয় সড়কের উপর একটি গর্ত পেরোতে গিয়ে লাফিয়ে ওঠে অ্যাম্বুল্যান্স৷ বেশ খানিকটা ঝাঁকুনির পর কুলদীপ লক্ষ্য করেন, তাঁর স্ত্রী ‘বেঁচে’ উঠেছেন৷ আবার স্বাভাবিক হয়েছে তাঁর শ্বাসপ্রশ্বাস!

দ্রুত হাসপাতালের দিকে অ্যাম্বুল্যান্স ঘোরান কুলদীপ৷ আরও কিছু দিন চিকিৎসা চলে৷ সোমবার মহিলাকে সম্পূর্ণ সুস্থ অবস্থায় বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে৷ তাঁর স্বামী বলেছেন, ‘‘ডাক্তার বলেছিলেন, কোনও আশা নেই৷ আমি বাড়িতে ফোন করে শেষকৃত্যের প্রস্তুতি শুরু করতে বলে দিয়েছিলাম৷ হাফিজগঞ্জের কাছে আমাদের অ্যাম্বুল্যান্স একটা গর্তে পড়ে খুব জোরে লাফিয়ে ওঠে৷’’ তার পরেই স্ত্রীকে ফিরে পান কুলদীপ৷ তাঁর কথায়, ‘‘আমার স্ত্রীর শ্বাসপ্রশ্বাস আবার স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছিল৷ দেখেই আমি পরিবারকে জানাই এবং আবার হাসপাতালে নিয়ে যাই৷ ও মৃত্যুকে জয় করল!’’ বাড়ি ফিরে ওই মহিলা স্বাভাবিক ভাবে কথাবার্তাও বলছেন বলে জানিয়েছে তাঁর পরিবার৷

দ্বিতীয় বার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর যে চিকিৎসক মহিলাকে দেখেছিলেন, সেই রাকেশ সিংহ টাইম অফ ইন্ডিয়াকে জানান, বরেলীর হাসপাতালে মহিলার মস্তিষ্কের সাড় (ব্রেনস্টেম রিফ্লেক্স) পাওয়া যাচ্ছিল না৷ গ্লাস্গো কোমার মাত্রাও তিন পয়েন্টে নেমে গিয়েছিল৷ স্বাভাবিক অবস্থায় যা ১৫ পয়েন্টে থাকার কথা৷ ফলে মহিলার কোনও সাড় পাওয়া যায়নি৷ তাঁর চোখের পরীক্ষা থেকেও ‘মস্তিষ্কের মৃত্যু’র ইঙ্গিত মিলেছিল৷ তবে তার পর যা হয়েছে, তা অস্বাভাবিক, মেনে নিয়েছেন চিকিৎসকও৷

 

মার্চের শুরুতেই দিল্লিতে তাপমাত্রার বৃদ্ধি

পি.এন.এ.
Fri, 27-03-2026

মার্চের শুরুতেই তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে গেল দিল্লিতে৷ যা স্বাভাবিকের থেকে ৭.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি৷ মৌসম ভবন জানিয়েছে, গত ১৫ বছরের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয় বার মার্চের শুরুতেই তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি ছাড়াল৷ মার্চের শুরুতেই তাপমাত্রার এই প্রবণতাকে খুব একটা ভাল সঙ্কেত বলে মনে করছেন না অনেকেই৷

মৌসম ভবন জানিয়েছে, শনিবার দিল্লির সর্র্বেচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস৷ ২০১১ সালে এই সময়ে তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি ছাড়িয়েছিল৷ মাঝে কেটে গিয়েছে ১৪ বছর৷ এই প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়নি৷ তবে এ বছর এত আগে থেকেই রাজধানীর তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করতেই আগামী দিনগুলির কথা ভেবে অনেকেই আঁতকে উঠছেন৷

এর আগে মার্চের দ্বিতীয় কিংবা তৃতীয় সপ্তাহ থেকে তাপমাত্রা বেড়েছে৷ ৩৫ ডিগ্রি ছাড়িয়েছে৷ কিন্তু এ বছর মার্চের প্রথম সপ্তাহেই ৩৫ ডিগ্রি ছাড়িয়ে গেল৷ যা গত ১৫ বছরে দ্বিতীয় বার৷ তার পরেও ২০২১ সালে ১১ মার্চ দিল্লিতে তাপমাত্রা ছিল ৩৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস৷ ২০২৪ সালের ২৭ মার্চ ৩৭ ডিগ্রি এবং ২০২৫ সালের ১৪ মার্চ সর্র্বেচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস৷

আবহবিদেরা এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী করছেন হিমালয় অঞ্চলে কম তুষারপাত, অপর্যাপ্ত বৃষ্টি এবং গরম হাওয়াকে৷ যার জেরে মার্চের শুরু থেকেই রাজধানীর তাপমাত্রার পরাদ চড়তে শুরু করেছে৷ শুধু তা-ই নয়, এই কারণের জন্যই আবহাওয়ার চরিত্রের বদল ঘটছে বলেও মনে করছেন আবহবিদেরা৷ মার্চের প্রথম দিন থেকেই দিনের সর্র্বেচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকেই বেশি রয়েছে৷ তবে আগামী কয়েক দিন সর্র্বেচ্চ তাপমাত্রা ৩৪ থেকে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাফেরা করবে৷

 

বন্ধ হয়ে গেল ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি

পি.এন.এ.
Fri, 27-03-2026

বণিকের মানদণ্ড দেখা দেখা দিল রাজদণ্ড রূপে৷ বাংলা তথা ভারতে বণিক থেকে শাসক হয়ে ওঠার যাত্রা৷ দেশে ব্রিটিশ উপনিবেশ স্থাপনের নেপথ্যে ছিল এই দ্য ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি৷ একসময়ে ক্ষমতার শিখরে ছিল সংস্থাটি৷ সময়ের ফেরে আজ ম্লান সেই প্রভাব-প্রতিপত্তি৷ সালটা ১৮৫৭৷ মহাবিদ্রোহের সময় ভারতবাসীর আন্দোলনের মুখে পাততাড়ি গোটাতে হয়েছিল ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে৷ সেই ক্ষত সারিয়ে ২০১০ সালে এক ভারতীয়র হাতেই ফের মাথা তুলে দাঁড়িয়েছিল সংস্থাটি৷ কিন্তু শেষরক্ষা হল না৷ ১৭০ বছর পর অভিশপ্ত ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি৷ দেউলিয়া ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি৷ ফের বন্ধ হয়ে গেল বিশ্বখ্যাত এই বাণিজ্যিক সংস্থা৷ ১৬০০ সালে পথ চলা শুরু৷ নীল, মশলা, চা, রেশমের সামগ্রীর ব্যবসা দিয়েই বাজারে জাঁকিয়ে বসে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি৷ ধীরে ধীরে ভারতে আধিপত্য বিস্তার করতে শুরু করে৷ কিন্তু মহাবিদ্রোহের পর ব্যবসা গুটিয়ে নিতে বাধ্য হয় তারা৷ ইতিহাস বলছে,  ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনে ভারতে বিশেষ করে বাংলায় করুণ পরিস্থিতি তৈরি হয়৷ দুর্ভিক্ষে প্রাণ যায় বহু মানুষের৷ এর জেরেই তাদের সরে যেতে হয়৷ এভাবেই কেটে যায় ১৫২ বছর৷ ২০১০ সাল৷ বন্ধ থাকা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি জীবন পায় এক ভারতীয়র হাতেই৷ সঞ্জীব মেহতা৷ কোম্পানির স্বত্ত্ব কিনে উচ্চমানের চা ও খাবারের ব্যবসা শুরু করেন তিনি৷ 

লন্ডনের মেফেয়ারে ৯৭ নিউ বন্ড স্ট্রিটে ২০০০ বর্গফুটের বিলাসবহুল স্টোর খোলা হয়৷ কিন্তু ১৫ বছরের মধ্যেই লাটে উঠল ব্যবসা৷ ব্রিটিশ সংবাদপত্র দ্য সানডে টাইমস সূত্রে জানা গিয়েছে, ঋণে জর্জরিত হয়েই এই দশা৷ বেতন না দিতে পারায় কর্মী অসন্তোষও সামনে এসেছে৷ বর্তমানে কোম্পানির ওয়েবসাইট বন্ধ রয়েছে৷ ফাঁকা পুরো স্টোর৷ শোনা যাচ্ছে, দালালরা আশপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে৷ জায়গাটি ভাড়া দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে৷ বর্তমানে ঋণের বোঝা ৬ কোটি ৩০ লক্ষ টাকা৷ কর বাবদ বাকি ২ কোটি ৩ লক্ষ টাকা৷ কর্মীদের বেতন বাকি রয়েছে ১ কোটি ৭১ লক্ষ টাকা৷ ব্যবসা বন্ধ করা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই৷ একসময় যার প্রভাব-প্রতিপত্তি, শাসনই ছিল শেষকথা৷ আজ সে নিঃস্ব৷ এটাই বোধহয় সময়ের রসিকতা৷

 

যুদ্ধ পরিস্থিতিতে পশ্চিম এশিয়ায় লোকসানের  মুখ দেখতে পারে অন্য পাঁচ ব্যবসা

পি.এন.এ.
Fri, 27-03-2026

যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে পশ্চিম এশিয়া৷ একাধিক আরব রাষ্ট্রে ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান৷ শুধু তা-ই নয়, পারস্য ও ওমান উপসাগরের সংযোগকারী হরমুজ প্রণালী ‘বন্ধ’ করে পণ্যবাহী জাহাজ ধবংসের হুঁশিয়ারিও দিতে শোনা গিয়েছে তেহরানকে৷ সব মিলিয়ে পশ্চিম এশিয়ার আকাশে এখন বারুদের গন্ধ৷ সেই গন্ধ ছড়িয়েছে অন্য একাধিক দেশে৷ তবে খামেনেইয়ের মৃত্যু নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও বিবৃতি দেয়নি নয়াদিল্লি৷ জটিল ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে যথেষ্ট সাবধানি বিদেশ মন্ত্রক৷ আপাতত পশ্চিম এশিয়ায় আটকে পড়া ভারতীয়দের উদ্ধারে বেশি উদ্যোগী হচ্ছে কেন্দ্র৷ পাশাপাশি, যুদ্ধের জেরে উদ্ভূত জ্বালানিসঙ্কটের দিকে কড়া নজর রেখেছে সরকার৷ ইরানে আমেরিকা-ইজরায়েলের হামলা ও তেহরানের পাল্টা আক্রমণে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে আমদানি-রফতানি ঘিরে৷ বিশেষত ভারত থেকে পশ্চিম এশিয়া, ইউরোপে পণ্য কী ভাবে সরবরাহ করা হবে তা নিয়ে বাড়ছে চিন্তা৷

যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘ দিন চললে তেলের সরবরাহে সমস্যা দেখা দিতে পারে৷ এই পরিস্থিতিতে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি পেলে তা মুদ্রাস্ফীতির দিকে চালিত করতে পারে ভারতকে, যা প্রত্যক্ষ ভাবে প্রভাব ফেলবে দেশের অর্থনীতিতে৷

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি তেলের সঙ্গে সঙ্গে চিন্তা বাড়াচ্ছে রান্নার গ্যাস (এলপিজি) থেকে গাড়ি, কলকারখানায় ব্যবহৃত গ্যাসের জোগান নিয়েও৷ ইরানের হামলার কারণে ‘কাতার এনার্জি’ তরল প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে৷ এর ফলে ভারত-সহ সারা বিশ্বে এই গ্যাসের সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে৷

মঙ্গলবার থেকে দেশে বিভিন্ন সংস্থা সরবরাহ কমিয়েছে ৪০ পর্যন্ত৷ সরকারের তরফে চাহিদামাফিক গ্যাসের জোগান নিয়ে আশ্বস্ত করা হয়েছে৷ দেশের বাজারে গ্যাস বুকিং-এর পরে ২-৩ দিনের মধ্যে তা পাওয়াও যাচ্ছে৷ তবে সংশ্লিষ্ট মহলের আশঙ্কা, যুদ্ধের এই অবস্থা আরও দিন সাতেক বহাল থাকলে পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যেতে পারে৷ সরকারি সূত্র অবশ্য জানাচ্ছে, ভারতে বর্তমানে ৩০ দিনের মতো এলপিজি মজুত রয়েছে৷ আর এলএনজি রয়েছে ২০ দিনের মতো৷ তবে সেই সংখ্যাটা কতটা ঠিক, তা নিয়েও বিতর্ক রয়েছে৷

তেহরানের সঙ্গে তেল আভিভ এবং ওয়াশিংটনের সংঘাতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য পণ্য পরিবহণ এবং বিমা ব্যয়বহুল হয়ে ওঠতে পারে৷ ফলে লাভের গুড় খুব একটা বেশি আসবে না, যা প্রভাব ফেলবে দেশের অর্থনীতিতে৷

আমদানি ব্যয়বহুল হওয়ার কারণে মার্কিন ডলারের তুলনায় ভারতীয় রুপির দাম আরও কমতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ৷ পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাতের পরিস্থিতিতে দেশ জুড়ে অনেক বিমান বাতিলের আশঙ্কা করা হচ্ছে৷ ব্যবসায়িক ভ্রমণ কমে যাওয়ার ফলে অর্থনীতির উপর সরাসরি প্রভাব পড়বে বলেও মনে করা হচ্ছে৷ প্রবাসী ভারতীয়দের থেকে রেমিট্যান্স বৃদ্ধি পেলেও গৃহস্থালির খরচ কমতে পারে৷ সে ক্ষেত্রেও বাণিজ্য কম হওয়ার কারণে দেশের অর্থনীতিতে কুপ্রভাব পড়তে পারে৷

তেল এবং বিমান পরিবহণ খাতে দেশের অর্থনীতি ইতিমধ্যেই সরাসরি প্রভাবিত হচ্ছে বলে বিশেষজ্ঞেরা যেমন মনে করছেন, তেমনই মনে করছেন, আমেরিকা-ইজরায়েল এবং ইরানের সংঘাতের কারণে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে কিছু ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞেরা

 

কান্দিতে আনন্দমার্গের সেমিনার ও প্রকাশ্য সভা

নিজস্ব সংবাদদাতা
Fri, 27-03-2026

গত ৬,৭,৮ই মার্চ কান্দিতে আনন্দমার্গ স্কুলে তিনদিনের একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়৷ তিন দিনের এই সেমিনারে আলোচ্য বিষয় ছিল---‘সাধনা’ মন  ও তার সদুপযোগ, ভক্তিতত্ত্ব ও নব্যমানবতাবাদ ও মানব সমাজকে কিভাবে একতাবদ্ধ করা যাবে৷ তিন দিনের এই সেমিনারে প্রশিক্ষক ছিলেন আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত৷ সেমিনারে নদীয়া ও মুর্শীদাবাদের মার্গী ভাইবোনেরা অংশগ্রহণ করেন৷ সেমিনারে প্রত্যহ সকালে ৰাৰা নাম কেবলম্‌ কীর্ত্তন সহ প্রভাত ফেরী হয়৷ এছাড়া তাণ্ডব ও কৌশিকী নৃত্য প্রতিযোগিতা হয়৷ ৭ই মার্চ অপরাহ্ণে কান্দিতে একটি প্রকাশ্য সভা অনুষ্ঠিত হয়৷ শতাধিক মার্গী ভাইবোন শোভাযাত্রা সহ শহর পরিক্রমা করে কান্দি বাসস্ট্যাণ্ডে সমবেত হন৷ সেখানে প্রকাশ্য সভায় বক্তব্য রাখেন এক আনন্দমার্গী দিদি ও দিব্যেন্দু চৌধুরী ও আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত৷

 

করিমগঞ্জে ডিট লেবেল সেমিনার

নিজস্ব সংবাদদাতা
Fri, 27-03-2026

 করিমগঞ্জ ডিটের ---বালি পিপলা ইয়ূনিটে ডিট লেভেল সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়৷ ৩রা মার্চ,২৬ সেমিনারের শুভ সূচনা হয় তিনঘন্টা ব্যাপী অখণ্ড কীর্ত্তন ও দোলযাত্রা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে৷ এই  সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন করিমগঞ্জ, সাদারাশি, রাঙ্গামাটি ও বালিপিপলার মার্গী ভাই-বোনেরা৷ ঐ সেমিনারে প্রশিক্ষক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন আচার্য অমৃতবোধানন্দ অবধূত৷ তিনি সেমিনারে খুব সুন্দরভাবে ক্লাস নিয়েছিলেন সেমিনারে প্রভাত ফেরি হয় ও নারায়ণ সেবাও হয়৷ সেমিনারে আয়োজক ছিলেন শঙ্কর রায়, সানু দাস ও আচার্য ব্রতনিষ্ঠানন্দ অবধূত৷

 

গার্লস প্রাউটিষ্টের আন্তর্র্জতিক নারীদিবস পালন

নিজস্ব সংবাদদাতা
Fri, 27-03-2026

গত ৮ই মার্চ কলিকাতায় গার্লস প্রাউটিষ্টদের পক্ষ থেকে বিপুল উৎসাহের সঙ্গে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন করা হয়৷ ওই দিন ভি.আই.পি বাজার গার্লস প্রাউটিষ্ট কার্যালয় থেকে একটি সুসজ্জিত শোভাযাত্রা দক্ষিণ ও উত্তর কলিকাতার বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে উত্তর কলকাতার বিবেকানন্দের বাসভবন হয়ে শ্যামবাজার পাঁচমাথার মোড়ে মেট্রো ষ্টেশনের সামনে সমবেত হয়৷

শতাধিক গার্লস প্রাউটিষ্ট সদস্যা মেটাডোর সহযোগে  যাত্রা শুরু করে প্রথমে রুবি মোড়ে একটি পথসভা করেন, এরপর গড়িয়াহাট,পার্কসার্কাসে সেভেন পয়েন্ট, মৌলালী, মানিকতলা ও বিবেকানন্দের বাসভবন হয়ে শ্যামবাজারে পৌঁছায়, প্রতিটি স্থানেই পথ সভা অনুষ্ঠিত হয় ও মূল সভাটি হয় শ্যামবাজার মেট্রো ষ্টেশনের সামনে৷ এইসব সভায় বক্তব্য রাখেন অনিতা চন্দ, গোপা শীল, নমিতা দেবী, অবধূতিকা আনন্দরসধারা আচার্যা, অবধূতিকা আনন্দ অদ্বৈতা আচার্যা, তনিমা বৈরাগী প্রমুখ৷ বক্তারা বর্তমান আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতিতে নারীর সমস্যাগুলি তুলে ধরেন ও প্রাউট প্রবক্তা তাঁর প্রাউটতত্ত্বে ওই সব সমস্যা সমাধানের যে পথ দেখিয়েছে তা বাস্তবায়িত করার আহ্বান জানান৷ সমাজে নারী নির্যাতন বৃদ্ধি পাওয়ায় গার্লস প্রাউটিষ্টের নেতৃবৃন্দ উদ্বেগ প্রকাশ করেন৷ প্রশাসনকে এ ব্যাপারে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী জানায়৷ নতুবা গার্লস প্রাউটিষ্ট সদস্যরা ব্যাপক আন্দোলনে নামবে৷ গার্লস প্রাউটিষ্টের দাবী সামাজিক অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে যে সব বৈষম্য ও বিভেদ আছে তা অবিলম্বে দূর করতে হবে৷ 

এইদিন আনন্দনগরেও সাড়ম্বরে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন করা হয়৷ ডামরুঘুটু উমা নিবাস খটঙ্গা হয়ে গার্লস প্রাউটিষ্ট কার্যালয় পগড়োতে সমবেত হয়৷ সেখানে এক সভায় বক্তব্য রাখেন অঞ্জলি মণ্ডল, পুষ্পা মাহাত, অবধূতিকা আনন্দরুনীমা আচার্যা, সঙ্গীতা টুডু প্রমুখ৷ এদিন গোড্ডা, মেদিনীপুর, শিলিগুড়ি, শিলচর আগরতলা প্রভৃতি স্থানেও গার্লস প্রাউটিষ্টের পক্ষ থেকে  আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন করা হয়৷

 

গ্যাস সংকট---কেন্দ্রের তৈরী

নিজস্ব সংবাদদাতা
Fri, 27-03-2026

গ্যাসের জন্যে ২৫দিন আগে আবেদন করতে হবে৷ কেন্দ্রীয় সরকারের এই আকস্মিক পরিকল্পনাহীন ঘোষনায় কালোবাজারীরা সুবিধা নেবে৷ ইতি মধ্যেই গ্যাসের জন্যে হাহাকার পড়েছে৷ যেখানে বুকিং-এর দুদিনের  মধ্যেই গ্যাস পাওয়া যাচ্ছিল সেখানে অকস্মাৎ ২৫ দিনের ঘোষনায় অনেক গৃহস্থ সংকটে পড়েছে৷ মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি রান্নার গ্যাস সহ জ্বালানীর একটা সংকট তৈরী হয়েছে৷ এই অবস্থায় এই ঘোষনার কিছু কালোবাজারী সুবিধাবাদীরা  সুবিধা নেবেই৷ বিষয়টা কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়ম দপ্তরের৷ তাই কেন্দ্রীয় সরকারের উচিত ছিল পরিকল্পনা করে গৃহস্থকে সময় দিয়ে এই ঘোষনা কার্যকর করা৷ কিন্তু ঘোষনার সঙ্গে সঙ্গে গ্যাস ডিলাররা তা কার্যকর করায় গৃহস্থ সংকটে পড়েছে৷ অধিক দাম দিয়ে কালো পথে গ্যাস নিতে বাধ্য হচ্ছে৷

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বলেন---এই মুহূর্তে কালোবাজারী হচ্ছে বলছি না, কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার এটা করার সুযোগ করে দিচ্ছে৷ তবে মুখ্যমন্ত্রী বলুন, নাই বলুন গ্যাস নিয়ে যে কালোবাজারী শুরু হয়েছে তা শহরের অলিগলিতে চোখ রাখলেই ধরা পড়বে৷ 

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গ্যাস ডিলারদের সঙ্গে জরুরী বৈঠক করে নির্দেশ দেন--- রাজ্যের উৎপাদিত রান্নার গ্যাস রাজ্যের বাইরে পাঠানো চলবে না৷ ২৫দিনের আগে গ্যাস পাওয়া যাবে না বলে আতঙ্ক ছড়ানো চলবে না৷ সাধারণ গৃহস্থরা যাতে গ্যাসের অভাবে সমস্যায় না পড়ে৷ হাসপাতাল, মিড-ডে-মিল রান্নার মতো জরুরী সংস্থায় যেন গ্যাস সংকট না হয়৷ মুখ্যমন্ত্রী বলেন দেশে গ্যাসের মজুত কত আছে তার হিসেব নিয়ে ঘোষনা করা উচিত ছিল কেন্দ্রের৷ প্রত্যেকটি পেট্রোল পাম্পে মোদির ছবি থাকে৷ আমেরিকার কথায় রাশিয়ার তেল কিনতে যাচ্ছে অথচ দেশে পেট্রোলিয়াম সংকট মানুষের সমস্যার দিকে খেয়াল নেই৷ যাঁরা এস.আই.আরের মতো বিষয়ে চটজলদি সিদ্ধান্ত নিয়ে মানুষের নাম কাটতে পারে৷ তাঁরা এই যুদ্ধকালীন সংকটে ব্যবস্থা নেয়না কেন! তিনি আরও বলেন, অবৈধ মজুত ও কালোবাজারীদের বরদাস্ত করা হবে না৷ প্রশাসনকে মানুষের পাশে থাকার কথা বলা হয়েছে৷ সরবরাহ ব্যবস্থা যেন স্বচ্ছ থাকে৷ সার্ভার বন্ধ থাকায় বুকিং-এ সমস্যা হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রী সার্ভার ব্যবস্থা দ্রুত চালু করার কথা বলেছেন৷

 

দানবীয় হিংস্রতা পৃথিবীকে গ্রাস করেছে প্রাউট ও নব্যমানবতাবাদ মুক্তির পথ দেখাবে

নিজস্ব সংবাদদাতা
Fri, 27-03-2026

বর্তমান পৃথিবী মানব আধারে দানবের জিঘাংসার কাছে আত্মসমর্পণ করেছে৷ মনুষ্যত্বহীন দ্বিপদ দানবেরা রাষ্ট্রে রাষ্ট্রে ক্ষমতার উচ্চ আসনে বসে হিংসার উৎসবে মেতে উঠেছে৷ মানবরূপী এই দানবদের কৃপার ওপর মানুষের বাঁচা-মরা নির্ভর করছে৷ পুঁজিবাদের সর্বগ্রাসী ক্ষুধা, ধর্মান্ধদের হিংস্র সাম্প্রদায়িকতা, স্বৈরাচারী ফ্যাসিষ্ট শাসকের আস্ফালন পৃথিবীকে নরক করে তুলেছে৷ পৃথিবী মনুষ্য বাসের অযোগ্য হয়ে উঠছে৷

গত ৯ই মার্চ শ্রীরামপুরে এক আলোচনায় প্রবীন প্রাউট তাত্ত্বিক শ্রীপ্রভাত খাঁ বলেন--- পৃথিবীর এই দুরাবস্থার কারণ পুঁজিবাদী নিয়ন্ত্রিত কেন্দ্রীত অর্থনীতি ও ধর্মান্ধ মৌলবাদী শাসকের যুগল সমন্বয়ে মানুষের সমাজ এই বিপর্যয়ের সম্মুখীন৷ মানুষ নিজেকে শুধু রাজনৈতিক অর্থনৈতিক জীব বলেই মনে করছে৷ তার যে  সাংস্কৃতিক জীবন আছে, আধ্যাত্মিক জীবন আছে মানুষ ভুলেই গেছে৷ মানুষ তার জীবনের স্বাভাবিক গতির বিপরীতে ছুটে চলেছে ভ্রান্ত দর্শনের প্রভাবে৷ মানুষকে কেউ ভাবতে শিখিয়েছে অর্থনৈতিক জীব হিসেবে, কেউ বা মানুষকে বিচারশীল পশু আখ্যা দিয়েছে৷ এই ভ্রান্ত দর্শনের প্রভাবেই মানুষের এই মানবিক মূল্যবোধহীন পাশবিক আচরণ৷

শ্রী খাঁ বলেন মানুষকে এই জটিল পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে হলে মহান দার্শনিক শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকারের সামাজিক অর্থনৈতিক তত্ত্ব প্রাউট ও নব্যমানবতাবাদের আদর্শ অনুসরণ করতে হবে৷ প্রাউটের অর্থনৈতিক পরিকল্পনায় বর্তমান কেন্দ্রীত অর্থনীতির মূলচ্ছেদ করে সর্বশ্রেণীর মানুষের তথা সর্বজীবের সার্বিক বিকাশ ঘটাতে এক বিকল্প বিকেন্দ্রিত আর্থিক ব্যবস্থা গড়ে উঠবে৷ পাশাপাশি নব্যমানবতাবাদের শিক্ষা সবরকম ভেদ-বিদ্বেষ দূর করে এক মানব সমাজ গড়ে তুলবে৷ যেখানে ছোট-বড় উঁচু-নীচু কোন প্রকারে বিভেদমূলক ভাবনা থাকবে না৷ তাই মানুষকে যেমন বিজ্ঞানের সাহায্য নিয়ে একটা সুদৃঢ় আর্থিক বুনিয়াদ গড়ে  তুলতে হবে---যাতে প্রতিটি মানুষ জীবন ধারণের প্রাথমিক প্রয়োজন-অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসার নিশ্চিততা পায় ও মানসিক ও আধ্যাত্মিক বিকাশের সুযোগ পায়৷ বর্তমানে এক ধরণের হীনরুচির শিল্প, সাহিত্য,চলচ্চিত্র, গান মানুষকে বিশেষ করে যুব সমাজকে অধঃপতে ঠেলে দিচ্ছে৷ তাই নতুন করে সাহিত্য রচনা করে সাংস্কৃতিক জগতেও পরিবর্তন আনতে হবে৷ অপরদিক মানুষকে তার পরমলক্ষ্যে পৌঁছতে হলে আধ্যাত্মিক অনুশীলনের মাধ্যমে নব্যমানবতাবাদে প্রতিষ্ঠিত হবে৷তাই প্রাউটিষ্টদের এই প্রাউট ও নব্যমানবতাবাদের আদর্শকে মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে হবে৷

 

নোতুন পৃথিবী নোতুনের বার্র্তবহ

নিজস্ব সংবাদদাতা
Fri, 27-03-2026

আনন্দমার্গ দর্শন প্রণেতা পরম শ্রদ্ধেয় শ্রীশ্রী আনন্দমূর্ত্তিজী লৌকিক জগতে যিনি শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকার নামে পরিচিত তিনি তাঁর প্রবর্তিত দর্শনে যেমন আধ্যাত্মিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে যুক্তি ও বিজ্ঞানসম্মত নতুন দৃষ্টিভঙ্গির স্বাক্ষর রেখেছে তেমনি তাঁর দর্শনের আধ্যাত্মিক তত্ত্বের সঙ্গে তিনি দিয়েছেন---সামাজিক অর্থনৈতিক তত্ত্ব প্রাউট (প্রগতিশীল উপযোগ তত্ত্ব)৷ তাঁর সামাজিক অর্থনৈতিক তত্ত্ব আজকের পৃথিবীর বঞ্চিত, নিপিড়িত শোষিত মানুষের কাছে স্বচ্ছল ও আদর্শ জীবন যাপনের নতুন এক সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে৷ তাঁর প্রবর্তিত নতুন দর্শনের নাম আনন্দমার্গ৷

আনন্দমার্গ দর্শন পৃথিবীর সর্বশ্রেনীর মানুষেরতথা সর্বশ্রেণীর জীব ও সর্ব অস্তিত্বের সার্বিক বিকাশের সকলরকম সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে যা তথাকথিত ধর্মীয় মৌলবাদ, ধনকুবের শোষক, রাজনৈতিক ভ্রষ্টাচারদের চোখের ঘুম কেড়ে নিয়েছে৷ স্বভাবতই এই অশুভ ত্রিশক্তি আনন্দমার্গকে নিশ্চিহ্ণ করার সবরকম প্রয়াস করেছে৷ অর্থ রাষ্ট্রশক্তি ও ক্ষমতার আস্ফালন ব্যর্থ করে আনন্দমার্গ ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বের দেশে দেশে মানুষের ঘরে ঘরে অশুভশক্তির বাধা অতিক্রম করে আনন্দমার্গের এই যাত্রা পথ মোটেই সহজ সাধ্য নয়৷ আনন্দমার্গের সর্বত্যাগী কর্মী নিষ্ঠাবান আদর্শপরায়ণ মার্গী ভাইবোনদের ত্যাগ-তিতিক্ষা আনন্দমার্গকে আজ বিশ্ব সংঘটনে পরিণত করেছে৷

আনন্দমার্গের মহান আদর্শকে মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে, তাঁর সমাজ সেবা ও কল্যাণাত্মক কর্মের বার্র্ত মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে, পুঁজিবাদ নিয়ন্ত্রিত ও রাষ্ট্রশক্তির মদতে পরিচালিত গণমাধ্যম কখনই এগিয়ে আসেনি৷ তাই শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকার তাঁর আদর্শের প্রচার প্রসার, সংঘটনের কল্যাণাত্মক কর্মের বার্তা মানুষের কাছে  পৌঁছে দিতে বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় সংঘটনের নিজস্ব পত্র-পত্রিকা প্রকাশের নির্দেশ দেন৷ তাঁর সামাজিক অর্থনৈতিক তত্ত্ব প্রাউটের প্রচারে ও সংঘের বিভিন্ন বার্র্ত মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে কলিকাতা থেকে ১৯৬৪ সাল থেকে প্রকাশিত হচ্ছে বাংলায় নোতুন পৃথিবী পত্রিকা৷

১৯৭৯ সালের ১১ই মার্চ প্রাউট তত্ত্বের প্রবক্তা শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকার স্বয়ং নোতুন পৃথিবী কার্যালয় পরিদর্শনে আসেন কাজকর্ম দেখতে ও কর্মীদের সুখ-সুবিধার খবরা-খবর নিতে৷ তাঁর মহাপ্রয়াণের পর প্রতি বছর ১১ই মার্চ নোতুন পৃথিবী কার্যালয় ওই দিনটির স্মরণে পদার্পন দিবস পালন করা হয়৷ ওই দিন সকাল থেকেই নোতুন পৃথিবী কার্যালয় ও ভবন রকমারী ফুল ও  রঙিন বস্ত্রে সুসজ্জিত করা হয়৷ সকাল ৮-৩০ মিনিট থেকে অনুষ্ঠান শুরু হয়৷ প্রথমে প্রভাত সঙ্গীত পরিবেশন ও সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত তিনঘন্টা অখণ্ড বাবা নাম কেবলম্‌ কীর্ত্তন অনুষ্ঠিত হয়৷ কীর্ত্তন ও মিলিত সাধনা শেষে ওই দিনটির স্মরণে বক্তব্য রাখেন  আচার্য অভিব্রতানন্দ অবধূত৷ তিনি সেই দিন নোতুন পৃথিবী কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন৷ এরপর বক্তব্য রাখেন নোতুন পৃথিবী পত্রিকার সঙ্গে প্রথম দিন থেকে জড়িত নববই উত্তীর্ণ প্রবীন মার্গী ও প্রাউটতাত্ত্বিক শ্রীপ্রভাত খাঁ৷ তিনি তাঁর বক্তব্যে বর্তমান আর্থ সামাজিক সমস্যা ও সংকটের  কথা তুলে ধরেন৷ তিনি বলেন--- একমাত্র প্রাউটের বিকেন্দ্রিত আর্থিক পরিকল্পনা রূপায়নের মাধ্যমেই সব সমস্যার সমাধান সম্ভব৷ এরপর নোতুন পৃথিবীর সম্পাদক আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষনা করেন৷ অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রভাত সঙ্গীত পরিবেশন করেন জয়দীপ হাজরা, স্বপন সাহা কালীচরণ পড়িয়া প্রমুখ৷ এরপর শুরু হয় অখণ্ড কীর্ত্তন৷ কীর্ত্তন পরিবেশনে ছিলেন কালীচরণ পড়িয়া, স্বপন সাহা, আচার্য ভাবপ্রকাশানন্দ অবধূত, অবধূতিকা আনন্দ অভীষা আচার্যা, আচার্য শুভরঞ্জনানন্দ অবধূত প্রমুখ৷ সমগ্র অনুষ্ঠানটি সুচারূরূপে পরিচালনা করেন নোতুন পৃথিবীর ম্যানেজার আচার্য প্রমথেশানন্দ অবধূত৷

 

Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved