Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

সংবাদ দর্পণ

পরলোকে আমরা বাঙালীর সমাজ আন্দোলনের দীর্ঘ দিনের সাথী তারাপদ বিশ্বাস

নিজস্ব সংবাদদাতা
Mon, 25-05-2026

আমরা বাঙালী সংঘটনের প্রবীন নেতা তারাপদ বিশ্বাস গত ১৪ই এপ্রিল কলিকাতার একটি বেসরকারী হাসপাতালে পরলোক গমন করেন৷ মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৩ বৎসর৷ তিনি স্ত্রী দুই পুত্র ও পুত্রবধূ রেখে গেছেন৷ বেশ কিছুদিন তিনি অসুস্থ ছিলেন৷ গত ৯ই এপ্রিল তাঁকে কলিকাতায় একটি বেসরকারী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়৷ সেখানে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন ১৪ই এপ্রিল অপরাহ্ণ ৫-৪০ মিনিটে৷

তারাপদ বিশ্বাস আমরা বাঙালী আন্দোলনে সঙ্গে দীর্ঘদিন জড়িত ছিলেন৷ তিনি একজন বাগ্মী ও তাত্ত্বিক নেতা ছিলেন৷ গোর্খাল্যাণ্ড প্রসঙ্গে ও এন.আর.সি, সিএএ, সাম্প্রতিক এস.আই.আর নিয়ে তাঁর তথ্যনিষ্ঠ ও যুক্তিপূর্ণ আলোচনা কর্মীদের সমৃদ্ধ করেছে৷ তাঁর প্রয়াণে আমরা বাঙালী একজন দক্ষ তাত্ত্বিক নেতাকে হারালো৷

আমরা বাঙালীর প্রাক্তন কেন্দ্রীয় সচিব বকুলচন্দ্র রায় বলেন---তারাপদ দার অকস্মাৎ প্রয়াণে সমাজ আন্দোলনের কর্মীরা একজন যোগ্য সাথীকে হারালো৷ বিশেষ করে এইসময় যখনপশ্চিমবঙ্গের এককোটি বাঙালী রাষ্ট্রহীন হবার আতঙ্কে ভুগছে তখন সমাজ আন্দোলনে তারাপদদার মতো মানুষের খুব প্রয়োজন ছিল৷ কর্মীরা তাঁর অভাব অনুভব করবে৷

 

আনন্দমার্গীয় পদ্ধতিতে গৃহপ্রবেশ অনুষ্ঠান

নিজস্ব সংবাদদাতা
Mon, 25-05-2026

উত্তর ২৪পরগণা জেলার সোদপুব নাটাগড়ে শ্রীসীম দাসের নবনির্মিত গৃহের গৃহপ্রবেশ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়৷ ১লা বৈশাখ সকাল ৮ ঘটিকায়৷ প্রথমে বাড়ীর কর্তী রিতা দাস ও আত্মীয় মহিলারা ও মার্গী দাদারা সন্ন্যাসী-দাদারা কীর্ত্তন, শঙ্খধবনীতে উলুধবনী করতে করতে গৃহের মধ্যে প্রবেশ করেন৷ সকলে প্রভাত সঙ্গীত কীর্ত্তন ও সাধনা করেন৷ অনুষ্ঠানে পৌরহিত্য করে আচার্য প্রমথেশানন্দ অবধূত৷ এই উপলক্ষ্যে সকাল ১০টা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত ৩ ঘন্টাব্যাপী অখণ্ড কীর্ত্তন অনুষ্ঠিত হয়৷ কীর্ত্তনের পরে সাধনা ও স্বাধ্যায় হয় ও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন আচার্য প্রমথেশানন্দ অবধূত৷ সোদপুর, ব্যারাকপুর,বারাসাত,নিউব্যারাকপুর,শ্যামনগর, বামনগাছি, ও কলিকাতা বিভিন্ন ইউনিট থেকে মার্গী ভাই বোনেরা উপস্থিত হয়েছিলেন এই অনুষ্ঠানে কীর্ত্তন পরিবেশন করেন আচার্য হরিশ ব্রহ্মচারী, অনুপম দাস ও প্রমথেশ দাস, অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আচার্য প্রমথেশানন্দ অবধূত৷

 

প্রাকৃতিক উপায় তৈরি হচ্ছে সোনা! খোঁজ পেলেন বিজ্ঞানীরা

পি.এন.এ.
Mon, 25-05-2026

 অবিশ্বাস্য মনে হলেও এটি বাস্তব৷ সমুদ্রের গভীরে সত্যিই জমছে হলুদ ধাতু৷ যুগ-যুগান্ত ধরে সেই প্রাকৃতিক ধাতু জমে কালক্রমে গড়ে উঠেছে ‘গোল্ড ফ্যাক্টরি’ বা সোনার কারখানা৷ বিজ্ঞানীরা যা আবিষ্কার করেছেন তা আক্ষরিক অর্থে কোনও কারখানা নয়৷ এটি একটি স্বর্ণ প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র৷ মহাসমুদ্রের তলদেশ ঘিরে গড়ে উঠেছে এই সোনা তৈরির কারখানা৷

একটি নতুন গবেষণা এই প্রাকৃতিক সোনা উৎপাদনের সুস্পষ্ট উত্তর দিয়েছে৷ গবেষকেরা প্রমাণ পেয়েছেন যে জলের নীচের নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চল প্রাকৃতিক ‘সোনার কারখানা’র মতো কাজ করে৷ সেখানে উপযুক্ত পরিবেশে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সোনা জমতে সাহায্য করে৷

নিউ জিল্যান্ডের উত্তর-পূর্ব উপকূলে অবস্থিত কারমাডেক আর্ক৷ এই অঞ্চলের সমুদ্রপৃষ্ঠের গভীরে বিজ্ঞানীরা এমন একটি প্রাকৃতিক সোনার খনির সন্ধান পেয়েছেন যা তাক লাগিয়ে দিয়েছে গোটা বিশ্বকে৷ মহাসাগরের বিশাল বিস্তৃতির নীচে, দৃষ্টির আড়ালে সঞ্চিত হচ্ছে বিপুল পরিমাণ হলুদ ধাতু৷ বিজ্ঞানীরা সমুদ্রের গভীরে অসংখ্য হাইড্রোথার্মাল ভেন্ট বা উষ্ণ প্রস্রবণ খুঁজে পেয়েছেন৷ গবেষকদলের প্রধান টিম জানিয়েছেন, তাঁরা প্রাথমিক ভাবে ধরে নেন যে সাবডাকশন জোন থেকে নির্গত জল সরাসরি সোনার উপস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে৷ পরে আরও নিবিড় গবেষণায় তাঁরা বুঝতে পারেন সমুদ্রের জল মূলত ম্যান্টলের গলনে সহায়তা করে৷ এই বিক্রিয়ায় সোনার রাসায়নিক রূপও একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে৷ টিম ব্যাখ্যা করেন, ম্যান্টলে থাকা সোনা সাধারণত সালফাইড খনিজের মধ্যে আবদ্ধ থাকে৷ উচ্চ মাত্রার গলনের ফলে এই খনিজগুলি ভেঙে যায় এবং সোনাকে সম্পূর্ণ রূপে গলিত মিশ্রণে উন্মুক্ত করে দেয়৷ দলটি কেবল সোনার ওপর ভিত্তি করে গবেষণাটি করেনি৷ বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে ভূমধ্যসাগর, আটলান্টিক ও উত্তর প্রশান্ত মহাসাগর মূলত এই তিনটি অঞ্চলে জমা হয়েছে ‘সোনার আকর’৷ বর্তমান দাম অনুযায়ী, এক টন সোনার মূল্য আনুমানিক ১০ কোটি ৬০ লক্ষ ডলার৷ যদি সমুদ্রে সত্যি ২০ কোটি টন সোনা থাকে, তা হলে এই সোনার মোট মূল্য প্রায় ২১৩০০০০০ কোটি ডলার হতে পারে, যা সমগ্র বিশ্বের অর্থনীতির তুলনায় অনেক বেশি৷

 

চন্দ্রাভিযান সেরে নাসার চার মহাকাশচারী ফিরলেন!

পি.এন.এ.
Mon, 25-05-2026

১০ দিন মহাকাশে কাটানোর পর শনিবার সকালে (ভারতীয় সময়) নাসার মহাকাশচারীরা পৃথিবীতে অবতরণ করেছেন৷ দক্ষিণ ক্যালিফর্নিয়ার উপকূলে প্রশান্ত মহাসাগরে নির্বিঘ্নেই নেমেছে ক্যাপসুল৷ আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার চার নভশ্চর পৃথিবীতে ফিরে এলেন চাঁদের চারপাশ ঘুরে৷ ১০ দিন মহাকাশে কাটানোর পর শনিবার সকালে (ভারতীয় সময়) তাঁরা পৃথিবীতে অবতরণ করেছেন৷ দক্ষিণ ক্যালিফর্নিয়ার উপকূলে প্রশান্ত মহাসাগরে নির্বিঘ্নেই নেমেছে নাসার ক্যাপসুল৷ তার ভিতর থেকে ধীরে ধীরে চার জনকে উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসা হয়েছে৷ নাসা এই চন্দ্রাভিযানের নাম দিয়েছিল ‘আর্টেমিস’৷ এটি তার দ্বিতীয় ধাপ৷ ২০২৮ সালে এই অভিযানের তৃতীয় ধাপেই চাঁদে ফের মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে মার্কিন সংস্থার৷ নাসার মহাকাশচারীরা পৃথিবীতে অবতরণ করতেই আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁদের শুভেচ্ছা জানিয়ে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছেন৷ সেই সঙ্গে বেঁধে দিয়েছেন নতুন লক্ষ্যও৷ গত ২ এপ্রিল ভোরে (ভারতীয় সময়) চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি দিয়েছিল নাসার মহাকাশযান৷ তাতে ছিলেন কমান্ডার রিড ওয়াইসম্যান (প্রাক্তন নৌসেনা পাইলট, ১৬৫ দিন মহাকাশে কাটানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে), পাইলট ভিক্টর গ্লোভার (নাসার ক্রু-১ অভিযানে শামিল হয়েছিলেন), অভিযান বিশেষজ্ঞ ক্রিস্টিনা কচ (মহিলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি সময় স্পেসফ্লাইট চালিয়েছেন) এবং জেরেমি হানসেন (কানাডার মহাকাশচারী, প্রথম বার মহাকাশে)৷ প্রায় ১০ দিন পৃথিবীর বাইরে কাটিয়ে চাঁদের কাছ থেকে ঘুরে আবার তাঁরা ফিরে এলেন৷ ‘আর্টেমিস ২’-এর লক্ষ্য চাঁদের মাটিতে পা রাখা নয়৷ বরং চাঁদের সামনে থেকে ঘুরে আসা৷ সব কিছু ঠিক থাকলে ২০২৮ সালে অভিযানের তৃতীয় ধাপে চাঁদে নামবে মানুষ৷

দীর্ঘ পাঁচ দশক পরে চাঁদে মানুষ পাঠাচ্ছে নাসা৷ ১৯৬৯ সালে আমেরিকার এই সংস্থার অ্যাপোলো অভিযানেই চাঁদে প্রথম নেমেছিল মানুষ৷ ১৯৭২ সালে সেই অভিযান শেষ হয়৷ ৫৩ বছর পর ফের ‘আর্টেমিস’ অভিযানের হাত ধরে চাঁদ ছুঁতে চাইছে আমেরিকা৷ চার মহাকাশচারীকে নিয়ে নাসার মহাকাশযান ১১ লক্ষ ১৭ হাজার ৫১৫ কিলোমিটার পাড়ি দিয়েছে৷ পৃথিবীর দু’টি কক্ষপথ পেরিয়ে চাঁদের সামনে থেকে ঘুরে এসেছেন মহাকাশচারীরা৷ ক্যালিফর্নিয়ার উপকূলে সূর্যাস্তের ঘণ্টা দুয়েক আগে তাঁদের অবতরণের সরাসরি সম্প্রচার করেছে নাসা৷

 

আয়কর দিতে হয় কেন? শেখাতে সিবিএসসি-এর বিশেষ উদ্যোগ

পি.এন.এ.
Mon, 25-05-2026

সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন (সিবিএসই) এবং আয়কর বিভাগের তরফে কর ব্যবস্থার খুঁটিনাটি বোঝাতে বিশেষ বইপ্রকাশ করা হয়েছে৷

আয়কর সম্পর্কে স্কুল পড়ুয়ারদের সচেতন করতে বিশেষ কমিক বইপ্রকাশ করল সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন (সিবিএসই)৷ আয়কর দফতরের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ওই বইটি তৈরি করা হয়েছে৷ জানা গিয়েছে, ওই বইয়ে এক বিশেষ চরিত্র রয়েছে ‘মধুকর’৷ ১ এপ্রিল থেকে চালু হওয়ার নতুন আয়কর আইন, ২০২৫ সম্পর্কে বোঝাবে ওই মৌমাছি৷

নতুন আইনে ২০২৭ অর্থবর্ষে কর জমা দেবেন সাধারণ করদাতারা৷ ওই আইনে আয়করের হারে কোনও পরিবর্তন না করা হলেও শেয়ারের আগাম লেনদেনের উপর করের হার বৃদ্ধি পেয়েছে৷ সেই সংক্রান্ত বিষয়গুলি কমিক্স-এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট বইয়ে ব্যাখ্যা করা হয়েছে৷ কী ভাবে কর জমা দিতে হবে, ‘ট্যাক্স ইয়ার’ কী? সেই বিষয়গুলির উল্লেখও থাকছে ওই বইতে৷

বড়দের সঙ্গে ছোটরাও যাতে আয়কর সংক্রান্ত বিষয়ে স্কুলস্তর থেকেই জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পায়, সেই কারণেই সংশ্লিষ্ট বইটি প্রকাশ করা হয়েছে৷ পড়ুয়াদের এই বিষয়ে আগ্রহ বৃদ্ধি করতে ইংরেজি এবং হিন্দি ভাষায় এই কমিক বইটি লেখা হয়েছে৷ অনলাইন মাধ্যমে ওই বইটি পড়ার সুযোগ পাবে স্কুলপড়ুয়ারা৷ এর জন্য সিবিএসই কিংবা আয়কর দফতরের ওয়েবসাইট থেকে বইটির পিডিএফ ডাউনলোড করে নিতে হবে৷

 

সংবিধান সংশোধন ও অর্থনৈতিক গণতন্ত্রের দাবী নিয়ে নির্বাচনী প্রচারে আমরা বাঙালী

নিজস্ব সংবাদদাতা
Mon, 25-05-2026

 আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনী রাজ্যে ৩৫টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে আমরা বাঙালী৷ কেন্দ্রে কেন্দ্রে প্রচারেও নেমে পড়েছে প্রার্থীরা৷ লিফলেট, পোষ্টারিং ছাড়াও ঘরে ঘরে যাচ্ছে আমরা বাঙালী প্রার্থীরা৷ বনগাঁ উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের আমরা বাঙালী প্রার্থী আনন্দ বিশ্বাস বলেন- মানুষ আমাদের কথা বুঝছে, আমাদের দাবীর যৌক্তিকতা মেনে নিচ্ছে, তবে ইভিএম মেশিনে তা কতটা প্রতিফলিত হবে এখনি বলতে পারব না৷ শ্রী বিশ্বাস বলেন স্বাধীনতার পর থেকে শতাধিকবার সংবিধান সংশোধন হয়েছে৷ কিন্তু তা সংকীর্ণ রাজনৈতিক স্বার্থে সাধারণ মানুষের কল্যাণের জন্যে নয়৷ আমরা বাঙালী চায় সংবিধান সংশোধন করে অর্থনৈতিক গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা, যাতে আর্থিক ক্ষমতা স্থানীয় মানুষের হাতে থাকে৷ প্রতিটি মানুষের হাতে ক্রয় ক্ষমতা থাকে৷ তবেই আর্থিক দুর্নীতি বন্ধ হবে ও সুস্থ সমাজ ব্যবস্থা গড়ে উঠবে৷ পুঁজিবাদী অর্থনৈতিক ব্যবস্থা ও দুর্নীতিগ্রস্ত শাসনব্যবস্থা একে অপরের পরিপূরক৷ পুঁজিবাদ থাকলে দুর্নীতিও থাকবে৷ পুঁজিবাদ উচ্ছেদ না হলে কোন পরিবর্তনেই মানুষের কল্যাণ হবে না৷ তিনি বলেন আমরা বাঙালী প্রাউটের বিকেন্দ্রিত আর্থিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা চায়৷ ১০০ শতাংশ মানুষের কর্মসংস্থান ও প্রতিটি মানুষের ক্রয় ক্ষমতা সাংবিধানিক অধিকারের মধ্যে থাকবে৷ তার জন্যে আমরা বাঙালী ভারতীয় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি অঞ্চলে একটি করে স্বয়ং সম্পূর্ণ সামাজিক অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলতে হবে৷ মানুষের ভাষা-কৃষ্টি সংস্কৃতি নৃতাত্ত্বিক পরিচয় ভৌগোলিক অবস্থান বিচার করে অর্থনৈতিক অঞ্চল নৃতাত্ত্বিক পরিচয় বিচার করে অঞ্চলগুলি তৈরী হবে৷ আমরা বাঙালীর প্রথম কাজ হবে মানুষের মধ্যে সামাজিক অর্থনৈতিক রাজনৈতিক চেতনা জাগিয়ে তোলা৷

 

ভারতে গণতান্ত্রিক কাঠামোকে ধবংসের চেষ্টা চলছে

নিজস্ব সংবাদদাতা
Mon, 25-05-2026

গত ১২ই এপ্রিল কলিকাতায় প্রেসক্লাবে দি এডুকেশনিষ্ট ফোরাম ওয়েষ্ট বেঙ্গলের উদ্যোগে একটি সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়৷ সম্মেলনে বিশিষ্ট জনেরা উপস্থিত থেকে এস.আই.আরের নামে কিভাবে বিজেপি সরকার দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামো ধবংস করছে তা তুলে ধরেন৷

সমাজের বিভিন্ন স্তরের বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত থেকে সাংবাদিক সম্মেলনে এস.আই.আর নিয়ে বিজেপির রাজনৈতিক অপকৌশলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন৷ আলোচনার বিষয় ছিল---এস.আই.আর ইন ওয়েষ্ট বেঙ্গল, ইউনাইটেড অ্যাণ্ড ফাইট ম্যানিপুলেশন অফ ইলেক্টরাল ম্যাণ্ডেট৷ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনের স্বামী অর্থনীতিবিদ ডঃ পরকলা প্রভাকর, সমাজকর্মী যোগেন্দ্র যাদব, অধ্যাপক দেব নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়, আইনজীবী প্রশান্তভূষন, অধ্যাপক ওম প্রকাশ মিশ্র, অধ্যাপক অখিল স্বামী প্রমুখ৷

পরকলা প্রভাকর বলেন---ভয়ঙ্কর কিছু হতে যাচ্ছে৷ দেশের সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশকে নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে৷ কে ভোটার, কে ভোটার নয় ঠিক করছে নির্বাচন কমিশনার৷ কেন্দ্রে যারা ক্ষমতায় রয়েছে তারা দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোকে ধবংস করার চেষ্টা করছে৷ অধ্যাপক দেবনারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন কেন্দ্রের শাসক কৌশলে ধর্মের মধ্যে বিভেদ আনছে দলীয় স্বার্থ রক্ষার জন্যে৷ অধ্যাপক অখিল স্বামী বলেন ধর্মের ভিত্তিতে আবার ভারত ভাগের চেষ্টা হচ্ছে ২০১৪ সাল থেকে৷ এছাড়াও প্রশান্তভূষণ, যোগেন্দ্র যাদব প্রমুখ এস.আই.আর নিয়ে বিজেপির অপকৌশলের নানা দিক তুলে ধরেন৷ অধ্যাপক ওমপ্রকাশ মিশ্র বিজেপির বিরুদ্ধে সকলকে এক জোট হওয়ার কথা বলেন৷ পরকলা প্রভাকর প্রস্তাব দেন---যারা বাদ গেছে তাদের নিয়ে একটি ফোরাম গঠিত হোক৷ ওমপ্রকাশ মিশ্র প্রভাকরের প্রস্তাব সমর্থন করেন৷ সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত সকলেই জোর দেন যারা ভোটাধিকার হারিয়েছে তারা যেন ভোটাধিকার ফিরে পান৷

এই দিন দক্ষিণ কলিকাতায় নাগরিক মঞ্চের পক্ষ থেকে একটি মিছিল ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়৷ নেতাজী ভবন ষ্টেশন থেকে ভবানীপুর পর্যন্ত এই মিছিলটি হয়৷ পথ সভায় বিভিন্ন স্তরের সমাজ কর্মী ও বিশিষ্টজনেরা বক্তব্য রাখেন৷ তাঁরা রাজ্যে বিজেপির ভয়ঙ্কর বিপজ্জনক রাজনীতি থেকে মানুষকে দুরে থাকার আহ্বান জানান৷

 

বাঙালীর বর্ষবরণের উৎসবে বিষন্নতার সুর

নিজস্ব সংবাদদাতা
Mon, 25-05-2026

১লা বৈশাখ বাঙালীর বর্ষবরণের উৎসব উদ্‌যাপনে আলাদা একটা বৈশিষ্ট্য থাকে৷ বাঙালীর নিজস্ব পোষাকে সজ্জিত হয়ে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় সামিল হয় বাঙলার সব শ্রেণীর মানুষ৷ খাবারেও থাকে বাঙালীয়ানার ছাপ৷ এবার সামনে নির্বাচন থাকায় রাজনৈতিক নেতাদের আলাদা করে বাঙালী অস্মিতায় ধার দিতে দেখা গেলো৷ ভোটের বাজারে বাঙালী বিদ্বেষী বিজেপিকেও দেখা গেলো বাঙালী সাজতে৷ এই নিয়ে অবশ্য তৃণমূল, সিপিএমের মত দলগুলির নেতারা বিজেপিকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি৷

১লা বৈশাখ সকাল থেকে ধূতি-পাঞ্জাবী, লাল পাড় শাড়ির ঝলমলে সাজে, কন্ঠে রবীন্দ্র সঙ্গীতের সুর ছড়িয়ে শোভাযাত্রায় সামিল হয়েছিল সব বয়সের ছেলেমেয়েরা৷ নববর্ষ উৎসব উদ্‌যাপনের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক দলগুলি তাদের প্রচার কর্ম সেরে নেয়৷ তবে উৎসবের মাঝেও ছিল একটা বিষন্নতার সুর৷ বহু বাঙালী এবার বর্ষবরণ উৎসবে সামিল হতে পারেনে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ায় রাষ্ট্রহীন হওয়ার আতঙ্কে৷

আনন্দমার্গকে কেন্দ্রীয় আশ্রমে বর্ষবরণঃ--- পয়লা বৈশাখে কলিকাতা ভি.আই.পি নগর আনন্দমার্গের কেন্দ্রীয় আশ্রমে বাঙলা নববর্ষবরণ উৎসব পালিত হয়, সকাল থেকে কলিকাতা ও পাশ্ববর্তী জেলার আনন্দমার্গী ভাইবোন ও সমাজকর্মীরা উপস্থিত হয়৷ সকাল ৬-১৫ মিনিট থেকে প্রভাত সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়৷ ৬টা ৩০ মিনিট থেকে তিনঘন্টা ৰাৰা নাম কেবলম্‌ কীর্ত্তন পরিবেশন ও মিলিত সাধনা, স্বাধ্যায় ইত্যাদির মধ্য দিয়ে প্রাথমিক পর্বের অনুষ্ঠান শেষ হয়৷ শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তিজী রচিত ‘বাংলা নববর্ষ’ পাঠ করেন৷ আচার্য নিত্যসত্যানন্দ অবধূত৷ এরপর সমাজ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত নেতৃবৃন্দ নববর্ষ উৎসব উদ্‌যাপনের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করে বক্তব্য রাখেন৷ শেষ পর্বে ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান৷ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অংশগ্রহণ করেন কলিকাতা রাওয়া শিল্পিবৃন্দ৷ প্রভাত সঙ্গীত অবলম্বনে নৃত্যপরিবেশন করেন নরেন্দ্রপুর আনন্দমার্গ আশ্রমের মেয়েরা৷

 

দুর্দিনে পথ দেখাচ্ছে রান্নার গ্যাসে আত্মনির্ভর উত্তর ভারতের গ্রাম

পি.এন.এ.
Thu, 23-04-2026

পঞ্জাবের হশিয়ারপুর জেলার লম্ব্রা কাঙ্গরী গ্রাম৷ বিগত দশ বছর এই গ্রামের বেশির ভাগ মানুষ এলপিজি ব্যবহারকে বয়কট করেছেন৷

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতি৷ তাতে শামিল হয়েছে আমেরিকাও৷ পশ্চিম এশিয়ায় অশান্তি মানেই বিশ্বে জ্বালানি তেলের সঙ্কটের আভাস ওঠা অবশ্যম্ভাবী৷ এরই সঙ্গে রান্নার গ্যাস বা এলপিজি নিয়েও মধ্যবিত্তের কপালে চিন্তার ভাঁজ দেখা দিচ্ছে৷ বাণিজ্যিক গ্যাসের আকালের জন্য দেশের বহু জায়গায় ছোটখাটো রেস্তরাঁর বন্ধ হয়ে যাওয়ার খবরও দেখা দিয়েছে৷

এখনও পর্যন্ত বহু জায়গাতেই সে ভাবে রান্নার গ্যাস বা জ্বালানি তেলের সমস্যা না দেখা দিলেও, ভারতে ইতিমধ্যে এলপিজির মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে৷ তারই সঙ্গে যুদ্ধ পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে তা-ও বলা যাচ্ছে না৷ এমতাবস্থায় ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগে ভোগা অস্বাভাবিক কিছু নয়৷

বর্তমান যুগে নিম্নমধ্যবিত্ত থেকে উচ্চবিত্ত, ভারতের বেশির ভাগ পরিবারই রান্নার জন্য এলপিজির উপর নির্ভরশীল৷ অর্ধেকেরও বেশি সংখ্যক বাড়িতেই বিকল্প উপায় নেই বললেই চলে৷ ইন্ডাকশন অভেনের চল থাকলেও অনেকেই এখনও সে পথে পা বাড়াননি৷

কিন্তু ভবিষ্যতে ভারতে যদি রান্নার গ্যাসের আকাল ভয়াবহ রূপেও দেখা যায়, তা-ও একটি গ্রামের মানুষজনের জীবনধারায় তার কোনও প্রভাব পড়বে না৷ তাঁদের আগেও যেমন সব চলছিল, ভবিষ্যতেও সবই তেমন দিব্য চলবে৷ রান্নার গ্যাসের না থাকা এঁদের ভাবাবে না৷

কথা হচ্ছে পঞ্জাবের হশিয়ারপুর জেলার লম্ব্রা কাঙ্গরী গ্রাম নিয়ে৷ বিগত দশ বছর ধরে এই গ্রামের বেশির ভাগ মানুষ এলপিজি ব্যবহারকে বয়কট করেছেন৷

তবে রান্নার গ্যাসের উপর রাগ করে বা অন্য কোনও নেতিবাচক কারণে সেটিকে বাদ দেননি এঁরা৷ এলপিজির বিকল্প পেয়ে যাওয়ার এঁরা আর সেটির দিকে ফিরে তাকানোর প্রয়োজন মনে করেননি৷

সাল ২০১৬৷ লম্ব্রা কাঙ্গরী মাল্টিপারপস কোপারেটিভ সোসাইটির তরফ থেকে বানানো হয়েছিল একটি জৈব গ্যাস প্ল্যান্ট৷ প্রতি দিন আনুমানিক ২৫০০ কেজি গোবর সেই প্ল্যান্টে দেওয়া হয়৷ সেখানে তৈরি হয় মিথেন, যা পাইপের সাহায্যে গ্রামের বাড়িগুলিতে পাঠানো হয়৷

গ্রামের মোট ৪৪টি বাড়ি সেই গোবরগ্যাসের সাহায্যে নিজেদের জীবন এগিয়ে নিয়ে চলেছেন৷ গত দশ বছর ধরে তাঁরা এই গ্যাসের উপর নির্ভর করেই রান্না করছেন৷

প্রতি দিন সকালে গ্রামের এই ৪৪টি বাড়ি থেকে গোবর সংগ্রহ করে এনে জৈব গ্যাসের প্ল্যান্টে ফেলা হয়৷ তার পর সেখান থেকে মিথেন উৎপন্ন হয়ে পাইপের সাহায্যে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে যায়৷ একটা রান্নার গ্যাস কিনতে যেখানে হাজার টাকার কাছাকাছি বেরিয়ে যায়, সেখানে জৈব গ্যাস উৎপাদনে মাসিক ২০০-৩০০ টাকা মতো খরচ হয়৷

লম্ব্রা কাঙ্গরীর বাসিন্দা জসবিন্দ্র সিংহ সৈনীর মাথায় সবার প্রথমে গ্রামকে পরিবেশবান্ধব করে তোলার ভাবনা ডানা মেলেছিল৷ তিনি শিক্ষামূলক ভ্রমণের সূত্রে দক্ষিণ কোরিয়া গিয়েছিলেন৷ দক্ষিণ কোরিয়ার লোকেদের বর্জ্য পদার্থ থেকে শক্তি উৎপাদনের চল নজর কাড়ে জসবিন্দ্রের৷ তিনি তখনই ঠিক করে নেন যে নিজের গ্রামে ফিরে তিনি এই ব্যবস্থা প্রয়োগের চেষ্টা করবেন৷ গ্রামে ফেরার পর জসবিন্দ্র দেখেন যে কী ভাবে শয়ে শয়ে গরুর বর্জ্য লম্ব্রা কাঙ্গরীর জলনিকাশি ব্যবস্থাকে দুর্বল করে তুলছে৷ গোবর জমে নর্দমা, খাল প্রভৃতির মুখ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে৷ জল বেরোতে পারছে না৷ তাই দেখে জৈব গ্যাস প্রকল্পের স্বপ্ণকে বাস্তবায়িত করার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠেন জসবিন্দ্র৷ তিনি লুধিয়ানায় অবস্থিত পঞ্জাব কৃষি বিদ্যালয় এবং পঞ্জাব দূষণ নিয়ন্ত্রক বোর্ডের থেকে কারিগরি সহায়তা পাওয়ার জন্য কথা বলেন৷ সেখান থেকে জসবিন্দ্রকে সাহায্যও করা হয়৷

এ ছাড়া কেন্দ্রীয় পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি মন্ত্রণালয় থেকে তিনি ২ লক্ষ টাকা সরকারি অনুদান পেয়েছিলেন৷ এরই সঙ্গে লম্ব্রা কাঙ্গরী কো-অপারেটিভ সোসাইটি জসবিন্দ্রকে বেশ বড় অঙ্কের অনুদান দেন৷ সে সবের সাহায্যে ২০১৬-তে তিনি নিজের গ্রামে জৈব গ্যাসের প্ল্যান্ট বানানোর স্বপ্ণ পূরণ করতে সফল হন৷

লম্ব্রা কাঙ্গরীর জৈব গ্যাস প্ল্যান্টটি চালনা করার জন্য আলাদা কর্মীর প্রয়োজন পড়ে না৷ গ্রামের মানুষেরাই সেটি চালনা করতে পারেন৷ সকালে সেখানে গোবর ফেলে দিলেই তাঁদের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায়৷ তার পর প্ল্যান্ট সংলগ্ণ ভূগর্ভস্থ পাইপের মাধ্যমে বাড়িগুলিতে মিথেন পৌঁছে যায়৷ কোন বাড়িতে কী পরিমাণ গ্যাস ব্যবহার করা হচ্ছে সেটি পরিমাপেরও ব্যবস্থা করা আছে৷ ৪৪টি পরিবারের প্রতিটিতে মাসিক কতটা করে জৈব গ্যাসের প্রয়োজন পড়ে সেটি হিসাব করা হয় ডিজিটাল মিটারের সাহায্যে৷ তার পর তাঁদের বাড়িতে রসিদ পৌঁছে যায়৷

 

৩০ বছর ধরে ডুবুরি বন্ধুর ঋণশোধ করছে একটি মাছ

পি.এন.এ.
Thu, 23-04-2026

 পেশাগত কারণে উপকূলবর্তী এলাকায় গিয়ে সমুদ্রে ডুব দিয়ে কাজ সারছিলেন তরুণ ডুবুরি৷ তখনই একটি আহত মাছ দেখে সমুদ্রের তলা থেকে উদ্ধার করেন তিনি৷ সেই মাছটিকে খাইয়েদাইয়ে সুস্থ করে আবার সমুদ্রে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন ডুবুরি৷ মানুষ-বন্ধুর এই উপকার ভুলতে পারেনি মাছটি৷ ৩০ বছর ধরে বন্ধুর ‘ঋণশোধ’ করতে ডুবুরির সঙ্গে দেখা করে যায় সে৷ ডুবুরিও সেই মাছটির জন্য খাবার নিয়ে যান৷ সমুদ্রের তলায় ভাসতে ভাসতে দুই বন্ধু দেখাসাক্ষাৎ সারে৷ ‘আর/মাইল্ডিইন্টেরেস্টিং’ নামের অ্যাকাউন্ট থেকে রেডিটের পাতায় একটি ভিডিয়ো পোস্ট করা হয়েছে৷ সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে যে, এক ডুবুরির সামনে বিশাল একটি মাছ ঘোরাফেরা করছে৷ ডুবুরি সেই মাছের মুখের ভিতর খাবার পুরে দিলেন৷ তার পর মাছটিকে আদর করতে শুরু করলেন তিনি৷ এই ঘটনাটি সম্প্রতি জাপানের চিবা প্রিফেকচার তাতেইয়ামা উপকূলের নিকটবর্তী শিন্তো গেটের কাছে ঘটেছে৷ ৩০ বছর আগে দৈনন্দিন নজরদারির কাজ সারতে সেই এলাকায় ডুব দিয়েছিলেন ডুবুরি হিরোউকি আরাকাওয়া৷ জাপানের বাসিন্দা তিনি৷

নজরদারি করার সময় এশীয় শিপ্সহেড র‌্যাস প্রজাতির একটি মাছকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করেন তিনি৷ মাছটিকে খাইয়েদাইয়ে সম্পূর্ণ সুস্থ করে আবার সমুদ্রে ছেড়ে দিয়েছিলেন হিরোউকি৷ ভালবেসে মাছটির নাম ইওরিকো রেখেছিলেন হিরোউকি৷ তার পর থেকে যখনই তিনি ওই এলাকায় ডুব দেন, তখনই ইওরোকি তাঁর কাছে চলে আসে৷ ডুবুরির চারদিকে পাক খেয়ে সাঁতার কাটতে থাকে সে৷ হিরোউকিও তাঁর বন্ধুর জন্য নিয়মিত খাবার নিয়ে যান৷ ৩০ বছর ধরে জলের তলায় বন্ধুত্ব বজায় রেখেছেন তিনি৷ ভিডিয়োটি সমাজমাধ্যমের পাতায় ছড়িয়ে পড়লে তা ভালবাসায় ভরিয়ে দেন নেটপাড়ার অধিকাংশ৷ এক নেটাগরিক লিখেছেন, ‘‘মাছটি তার বন্ধুর উপকার ভুলতে পারেনি৷ নিয়ম করে বন্ধুর সঙ্গে দেখা করে যায়৷ 

 

Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved