সংবাদ দর্পণ

যদুলাল দেবনাথের মাতৃবিয়োগ

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

দক্ষিণ ত্রিপুরার গুয়াচাঁদের বিশিষ্ট আনন্দমার্গী যদুলাল দেবনাথের মাতৃদেবী বিরজা সুন্দরী দেবী গত ১১ই এপ্রিল নিজ বাসভবনে পরলোক গমন করেন৷ মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১০৭ বছর৷ বেশ কিছুদিন তিনি বার্দ্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন৷ তিনি  পাঁচপুত্র ও এক কন্যা সন্তানের জননী ছিলেন৷ তাঁর দুই পুত্র ও কন্যা আগেই গত হয়েছেন৷ ওইদিন অপরাহ্ণে পারিবারিক সমাধিক্ষেত্রে মার্গীয় বিধিতে তাঁর শবদেহের সৎকার্য সম্পন্ন  হয়৷

আনন্দমার্গের সেমিনার

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

গত ১১ই এপ্রিল উত্তর ২৪ পরগণার কাঁকিনাড়া আনন্দমার্গ স্কুলে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়৷ উক্ত আলোচনা সভায় আনন্দমার্গ দর্শনের আধ্যাত্মিক ও সামাজিক বিষয়ের ওপর আলোচনা করেন আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত৷ আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন স্থানীয় মার্গী ভাইবোনেরা৷ সমগ্র অনুষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনায় ছিলেন আচার্য বাণীব্রত ব্রহ্মচারী,পার্থ মুখার্জী, গৌতম মণ্ডল, সাগরিকা পাল প্রমুখ৷

চুঁচুড়ায় সেমিনার ঃ  গত ১১ই এপ্রিল হুগলী জেলার চুঁচুড়া আনন্দমার্গ স্কুলে একটি আলোচনা সভায় আনন্দমার্গ দর্শনের সামাজিক অর্থনৈতিক আধ্যাত্মিক বিষয়ের ওপর আলোচনা করেন শ্রী প্রভাত খাঁ৷ বর্তমান সামাজিক অর্থনৈতিক সমস্যা ও সমাধানের পথ বিষয়ের ওপর আলোচনা করেন শ্রী জ্যোতিবিকাশ সিন্‌হা৷ সমগ্র অনুষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনায় ছিলেন ভুক্তি প্রধান ডাঃ মৃণালকান্তি রায়৷

গুজরাটে চিকিৎসার অভাবে মৃত্যু  বাঙালী অধ্যাপিকার

সংবাদদাতা
পি.এন.এ.
সময়

xগান্ধীনগর কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপিকা ইন্দ্রাণী বন্দ্যোপাধ্যায় করোনায় আক্রান্ত হন৷ গত ৯ই এপ্রিল শ্বাসকষ্ট শুরু হওয়ায় তাঁকে গান্ধীনগরে একটি কোভিড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়৷ কিন্তু বেডের অভাবে ভর্তি হতে পারেন নি৷ সেখান থেকে বেসরকারী হাসপাতালে নিয়ে গেলেও সেখানেও ভেন্টিলেটারের অভাবে চিকিৎসা হয়নি৷ এরপর আমেদাবাদ পুরসভার  কোভিড হাসপাতাল ফিরিয়ে দেয় চিকিৎসা না করে৷ কারণ এম আর আই ১০৮ অ্যাম্বুলেন্স রোগীকে আনা হয়নি৷ অবশেষে ওখান থেকে আবার গান্ধীনগর হাসপাতালে ফেরা৷ কিন্তু আর চিকিৎসার প্রয়োজন হয়নি৷

সোনার বাঙলার স্বরূপ ফাঁস করলেন সুশীল মোদি

সংবাদদাতা
পি.এন.এ.
সময়

নির্বাচনী প্রচারে সোনার বাঙলা গড়ার আবাজ তুলেছে প্রধানমন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থেকে শুরু করে বিজেপির বঙ্গীয় নেতারা৷ কিন্তু  সম্প্রতি বিহারের বিজেপি নেতা ও উপমুখ্যমন্ত্রী সুশীল মোদি দাবী করেছেন প্রতিবেশী রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় এলে লক্ষ লক্ষ বিহারের ভূমিপুত্র ওই রাজ্যে কাজ পাবে৷ সুশীল মোদীর কথায় স্পষ্ট সোণার বাঙলা নয়, বঙ্গাল গড়বে বিজেপি৷ এও স্পষ্ট বিহারের ডবল ইঞ্জিন সরকার বিহারের মানুষের রুটিরুজির ব্যবস্থা করতে পারছে না৷ তাই তারা প্রতিবেশী রাজ্যের দিকে তাকিয়ে আছে৷

ম্যারাথন নির্বাচন ও মানুষের নির্বুদ্ধিতায় করোনার করাল গ্রাসে বাঙলা

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

দেশের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রাজ্যেও করোনা ভয়াল রূপ ধারণ করছে৷ ১৫ই এপ্রিল পর্যন্ত সারা দেশে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা দু-লাখ ছুঁই ছুঁই৷ পশ্চিমবঙ্গেও দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ৬ হাজার স্পর্শ করেছে৷ চিকিৎসকদের আশঙ্কা দেশজুড়ে অতিমারির দ্বিতীয় সংক্রমণ ভয়ঙ্কর চেহারা নেবে৷

পশ্চিমবঙ্গেও দৈনিক সংক্রমণ আগের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে৷ কেন্দ্রীয় শাসকদলের মর্জিমাফিক চলতে গিয়ে করোনার বিড়ম্বনা আরও  বাড়িয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন৷ এমনটাই বিরোধীদের অভিযোগ৷ মুখমন্ত্রী প্রশ্ণও তুলেছেন--- করোনার মধ্যে আটদফার নির্বাচন কেন? শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে এত দীর্ঘ সময় ধরে ভোট, এত বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী সবই ভস্মে ঘি ঢালা হয়েছে৷ এতসবের পরেও যেভাবে নির্বাচন কমিশন খেয়াল খুশিমত বুথ এজেন্ট নিয়োগের নিয়ম বদলে, প্রচারের সময় পাল্টে তুঘলগিপণা করছে তাতে নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষ ভূমিকা নিয়েই প্রশ্ণ উঠছে৷ পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ বাহিনীর বিরুদ্ধেও৷ শীতলকুচিতে অকারণে গুলি চালিয়ে চারজন নাগরিককে খুন করেছে সেনাবাহিনী৷ বিরোধীদের অভিযোগ কেন্দ্রীয় শাসকদলের ইচ্ছার দাস নির্বাচন কমিশন৷ শাসকদলের নির্দেশেই একের পর এক অগণতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন নির্বাচন কমিশন৷

মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেছেন বহিরাগতরা এসে  করোনা বাড়িয়ে পালিয়ে যাচ্ছে৷ তিনি জনগণের উদ্দেশ্যে বলেন---একটু সাবধানে থাকবেন৷ সারা দেশে করোনা বাড়ছে বাইরে থেকে লোক আসছে৷ মুম্বাই, দিল্লী, গুজরাট থেকে কেউ বাগডোগরা, কেউ দমদম কেউবা অন্ডালে নাবছেন প্লেন থেকে৷ এতে করোনা ছড়িয়ে পড়ছে৷

বাঙালী ছাত্র-যুবসমাজের নেতা তপোময় বিশ্বাস বলেন--- সারা দেশের সামনে বাঙালীর ভাবমূর্তি কালিমা লিপ্ত করতে, বাঙলাকে হেয় করতে বাঙালী বিদ্বেষী কেন্দ্রীয় শাসক দলের নির্দেশে চলছে নির্বাচন কমিশন৷ ব্যষ্টিত্বহীন নির্বাচন কমিশনের জন্যই গণতন্ত্র রক্তাক্ত করোনাক অতি সংক্রমণ৷ তিনি রাজ্যে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার জন্যেও নির্বাচন কমিশনকেই দায়ী করেন৷ তিনি বলেন রাজ্যে আট দফা নির্বাচনের কোন প্রয়োজন ছিল না৷ যত দফার নির্বাচন তত বেশী অশান্তি, তত বেশী সংক্রমণ৷ বাঙলাকে গ্রাস করার শাসকদলের দুর্বুদ্ধি ও সাধারণ মানুষের নির্বুদ্ধিতার কারণে রাজ্যে করোনা ভয়ালরূপ নিতে চলেছে৷ বোট শেষ হলে নির্বাচন কমিশন পরিযায়ী নেতারা কেউ আর বাঙলার খোঁজ নেবে না৷ অবহেলিত বাঙলা করোনায় জর্জরিত হয়ে পড়বে৷

বাতিল পরীক্ষা ঃ করোনার দ্বিতীয় ঢেউ ভয়াল রূপ নেওয়ায় সিবিএসসি দশম শ্রেণীর বোর্ড পরীক্ষা বাতিল করে দেয়৷ উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষাও আপাতত স্থগিত৷ আগামী জুন মাসে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে৷

 

নববর্ষের শপথ

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

বাঙালীর জীবন থেকে চলে গেল মূল্যবান একটা বছর৷ ১৪২৮ এর নববর্ষকে বরণ করার কত আয়োজন৷ সূর্যটা কিন্তু আর পাঁচটা দিনের মতই উদয় হয়েছে৷ দিনের শেষে অস্ত যাবে প্রকৃতির চিরকালীন নিয়মে৷ চির নোতুন প্রকৃতির বিশেষ কোন নববর্ষ নেই৷

কিন্তু মানুষের জীবনে নববর্ষের বিশেষ তাৎপর্য আছে৷ বড় অল্প সময়ের জন্যে মানুষ পৃথিবীতে আসে৷ মানব আধারে জন্ম নিলেও মনুষ্যত্ব অর্জন সহজে হয় না৷ দুঃসাধ্য সাধনায় মানুষকে মনুষ্যত্ব অর্জন করতে হয়৷ তাই মানুষের জীবনে প্রতিটি মুহূর্ত অতিব মূল্যবান৷ সেই মূল্যবান মুহূর্তের একটি বছর চলে গেল৷ কি হারালাম,কি পেলাম---সেই হিসাব মেলাবার দিন আজ৷ বাঙালীর জীবনে সময়টা মোটেই ভালো নয়৷ নির্বাচনের নামে বাঙলায় এখন চলছে গণতন্ত্রের প্রহসন৷ ফ্যাসিষ্ট শক্তির ফোঁস ফোঁস হুংকারে বিষাক্ত বাতাস, বুলেটে বিধবস্ত গণতন্ত্র, প্রিয়জন হারানোর বেদনায় আকাশ ভারাক্রান্ত৷

৮০ বছর আগে রবীন্দ্রনাথ সুভাষচন্দ্রকে একপত্রে লিখেছিলেন--- হিংস্র দুঃসময়ের পিঠের ওপর চড়ে বাঙালীকে বিভীষিকার পথ অতিক্রম করতে হবে৷’’ সেই হিংস্র দুঃসময় বাঙলার দুয়ারে এসেছে গণতন্ত্রের মুখোসে৷ বাঙলাকে গ্রাস করেছে পশ্চিমি অসংস্কৃতি৷ ফ্যাসিষ্ট শক্তির হাত ধরে জালিয়ানওয়ালাবাগের ইতিহাস জেগে উঠলো শীতলকুচিতে৷ মদগর্বী শাসকের হুংকার---‘আরো হবে শীতলকুচি!’ আতঙ্ক বেদনা-বিষাদে আচ্ছাদিত এবারের নববর্ষ৷ সুভাষচন্দ্রকে ওইপত্রে আশার বাণী শুণিয়েছেন বিশ্বকবি---‘‘অদৃষ্ট কর্তৃক অপমানিত হয়ে বাঙালী মরবে না৷ প্রচণ্ড মার খেয়েও মারের ওপর মাথা তুলে দাঁড়াবে বাঙালী৷’’

মাথা তুলে দাঁড়াবার এটাই উপযুক্ত সময়---বিশ্বকবির ভাষায় বলি---‘‘মানুষের নববর্ষ আরামের নববর্ষ নয়, সে এমন শান্তির নববর্ষ নয়--- পাখির গান তার গান নয়, অরুণের আলো তার আলো নয়৷ তার নববর্ষ সংগ্রাম করে আপন  অধিকার লাভ করে৷ আজ শান্তি  নয়, আরাম নয়, সংগ্রাম---আপন অধিকার অর্জনের সংগ্রাম৷ এই দুঃসময়ে বাঙালীর মহৎকাজ দুটি---মনুষ্যত্ব লাভের দুঃসাধ্য সাধনা, সংগ্রাম করে আপন অধিকার অর্জন৷ অনেকটা সময়---অনেক বছর  হারিয়ে গেছে৷ এবার তো বাঙালী নিজেই হারিয়ে যাবে যদি ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে না পারে!

তাই আসুন নববর্ষের সুপ্রভাতে  ঐক্যবদ্ধ বাঙালীর শপথ ---

‘‘মুষ্টি বদ্ধ হাত আকাশে তুলে

হিন্দু-মুসলমান বিভেদ ভুলে

লক্ষ কন্ঠে তোল একটি আওয়াজ

এ মাটি আমার, এ দেশ আমার

আমি বাঙলার, বাঙলা আমার৷’’

মার্গীয় বিধিতে বিবাহ অনুষ্ঠান

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

গত ২১শে মার্চ বোকারো ঝাড়খণ্ড নিবাসী রাজকিশোর কপরদার ও শকুন্তলা কপরদায়ের কন্যা কল্যাণীয়া মনিষার সহিত রাঁচি ঝাড়খণ্ড নিবাসী রামপ্রকাশ মণ্ডল ও অর্চনা মণ্ডলের পুত্র কল্যাণীয় সুশান্তর শুভবিবাহ অনুষ্ঠিত হয় আনন্দমার্গে চর্যাচর্য বিধিমতে৷ অনুষ্ঠানে পৌরহিত্য করেন পাত্রপক্ষে আচার্য মুক্তানন্দ অবধূত ও পাত্রীপক্ষে অবধূতিকা আনন্দ সুমিতা আচার্র্য৷ অনুষ্ঠানে আনন্দমার্গের সমাজশাস্ত্র ও বৈপ্লবিক বিবাহ সম্বন্ধে মূল্যবান বক্তব্য রাখেন আচার্য মোহনানন্দ অবধূত৷

বিভিন্ন কেন্দ্রে নির্বাচনী প্রচারে আমরা বাঙালী

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

প্রথম দফার নির্বাচনে প্রচার শেষ করলেন ‘আমরা বাঙালী’র প্রার্থীরা৷ প্রথম দফার নির্বাচনে জঙ্গলমহল ও পূর্বমেদিনীপুরে  দশটি কেন্দ্রে ‘আমরা বাঙালী’ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে৷ কেন্দ্রীয় সচিব শ্রী বকুলচন্দ্র রায় জানান ‘আমরা বাঙালী’র লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে মানুষকে অবগত করতেই বিভিন্ন কেন্দ্রে প্রার্থী দিয়ে প্রচারে নেমেছেন৷

কোচবিহার জেলার  আট কেন্দ্রে ‘আমরা বাঙালী’ প্রার্থী

১ নং মেঘলীগঞ্জ (তপঃ) কেন্দ্রে শ্রীমতী চীনু রায় বর্মন৷

২ নং মাথাভাঙ্গা (তপঃ) কেন্দ্রে রতন বর্মন৷

৩ নং কোচবিহার উত্তর (তপঃ) কেন্দ্রে  গোপাল রায়৷

৪ নং কোচবিহার দক্ষিণ কেন্দ্রে বাবলা দেব৷

৫ নং শীতলকুচি (তপঃ) কেন্দ্রে কমল বর্মন৷

৬ নং সিতাই  (তপঃ) কেন্দ্রে প্রসন্নকুমার রায়৷

৮ নং নাটাবাড়ী কেন্দ্রে দলেন্দ্রনাথ রায়৷

৯ নং তুফানগঞ্জ কেন্দ্রে জীবন কুমার সাহা৷

 

নারায়ণ পল্লীতে স্বাস্থ্য শিবির

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

গত ২৪শে মার্চ কলকাতার নারায়ণপল্লীতে আনন্দমার্গ ইয়ূনিবার্র্সল রিলিফ টিমের মহিলা শাখার  পক্ষ থেকে একটি চিকিৎসা শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল৷ ওই শিবিরে প্রায় ৮০ জন দুঃস্থ মানুষের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয় অভিজ্ঞ চিকিৎসকের দ্বারা ও প্রয়োজনীয় ঔষধও দেওয়া হয়৷

 

বোলপুরে অখণ্ড কীর্ত্তন

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

গত ২১শে মার্চ বোলপুর নিবাসী বিশিষ্ট আনন্দমার্গী রাধারাণী পালের বাসগৃহে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত তিনঘন্টা অখণ্ড ‘বাবা নাম কেবলম্‌’ মহামন্ত্র কীর্ত্তন অনুষ্ঠিত হয়৷ এই কীর্ত্তন উপলক্ষ্যে রাধারাণী পালের বাসগৃহে বীরভূম জেলার বিভিন্ন প্রান্তের মার্গী ভাই-বোনেরা সমবেত হয়েছিলেন৷ কীর্ত্তন শেষে মিলিত ঈশ্বর প্রণিধানের পর মার্গগুরুদেবের রচনা পাঠ করে শোনানো হয় উপস্থিত ভক্তমণ্ডলীদের৷ এরপর কীর্ত্তন মাহাত্ম্য ও আনন্দমার্গ দর্শনের ওপর আলোচনা করেন ভুক্তিপ্রধান কেশব সিন্‌হা, জিতেন্দ্রনাথ মণ্ডল, শিউড়ি ডিট.এস আচার্য দেবপমানন্দ অবধূত, আচার্য কমের্র্শনন্দ অবধূত ও আচার্য মিতক্ষরানন্দ অবধূত৷

কীর্ত্তনশেষে সমস্ত মার্গী-ভাইবোন ও দাদা দিদিরা একটি কীর্ত্তন শোভাযাত্রা প্রান্তিকের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে৷