প্রভাতসঙ্গীতের ৪৪ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা—২০২৬
সময়ঃ প্রাচূড়ান্ত (Pre-final) ও চূড়ান্ত (Final) প্রতিযোগিতা ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬
স্থানঃ ‘রাওয়া’/আনন্দমার্গ আশ্রম, ভি.আই.পি. নগর, তিলজলা, কলকাতা-১০০
(১) প্রতিযোগিতা ত্রিস্তরীয়— প্রারম্ভিক, প্রাকচূড়ান্ত ও চূড়ান্ত (Final)। প্রারম্ভিক প্রতিযোগিতায় যাঁরা ৬০ বা তার ঊর্ধ্বে নম্বর পেয়ে প্রথম ও দ্বিতীয় হবেন তাঁরা পুরস্কৃত হবেন, অভিজ্ঞান পত্র পাবেন ও প্রাচূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। তৃতীয় স্থানাধিকারী শুধু পুরস্কৃত হবেন ও অভিজ্ঞানপত্র পাবেন।
(২) প্রারম্ভিক প্রতিযোগিতায় সমবেত সঙ্গীত ও সমবেত নৃত্যে যে সংস্থা শতকরা ৬০ বা তার বেশী নম্বর পেয়ে প্রথম হবে সেই সংস্থা সরাসরি চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবে। চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় ৬০ বা তার বেশী পেয়ে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় হলে সেই প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার ও অভিজ্ঞানপত্র দেওয়া হবে।
(৩) প্রাক চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা তিনটি বিভাজনে অনুষ্ঠিত হবে : কলিকাতা, উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগণা, নদীয়া, মুর্শিদাবাদ, হাওড়া, হুগলী, বর্ধমান ও বীরভূম জেলার প্রারম্ভিক প্রতিযোগী X বিভাজনের অন্তর্ভুক্ত। উত্তরবঙ্গ, উত্তরপূর্ব প্রদেশ সমূহ ও বাঙলাদেশের প্রতিযোগী Y বিভাজন, অন্যান্য প্রারম্ভিক কেন্দ্রের প্রতিযোগী Z বিভাজনের অন্তর্ভুক্ত। এই বিভাজনগুলি থেকে প্রাক-চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় যাঁরা ৬০ বা তার বেশী নম্বর পেয়ে প্রথম তিনের মধ্যে থাকবেন তাঁরা (অর্থাৎ তিন বিভাজনের মোট ১-জন) চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জন করবেন, ও চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় ৬০ শতাংশ বা তার বেশী নম্বর পেলে ‘নবরত্ন' উপাধিতে ভূষিত হবেন। চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় যিনি ১ম হবেন তাঁকে ‘রাওয়া রত্ন’ ও ২য়, ৩য় প্রতিযোগীকে ‘ত্রিরত্ন' উপাধিতে ভূষিত করা হবে ও পুরস্কৃত করা হবে। অঙ্কন প্রতিযোগিতায় প্রাকচূড়ান্ত ও চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা একই সঙ্গে হবে, বিভাজন অনুযায়ী নবরত্নও ঘোষিত হবে।
(৪) কোন প্রতিযোগী একাধিক প্রারম্ভিক কেন্দ্রে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।
(৫) প্রারম্ভিক স্তরের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের প্রবেশ মূল্য প্রতি বিভাগে........টাকা, সমবেত প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে....... টাকা । প্রাক্-চূড়ান্ত স্তরের প্রবেশ মূল্য ৪০০ টাকা, সমবেত সঙ্গীত ও সমবেত নৃত্যের প্রবেশ মূল্য ১০০০ টাকা। সমবেত প্রতিযোগিতার প্রতিযোগী ন্যূনতম ৫ জন ও ঊর্ধ্বে ৭ জন হতে পারবেন ।
(৬) প্রারম্ভিক কেন্দ্রের প্রতিযোগিতার ৭দিন আগে প্রতিযোগীদের প্রবেশমূল্য ও জন্ম তারিখের অভিজ্ঞানপত্রের ফটোকপি ও ফোন নম্বর সহ আবেদন পত্র প্রারম্ভিক কেন্দ্রে জমা দিতে হবে। সর্বস্তরের প্রতিযোগিতার সময় জন্ম তারিখের অভিজ্ঞানপত্র সঙ্গে রাখতে হবে।
(৭) প্রতি স্তরের প্রতিযোগিতায় বিচারকের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।
(বিঃ দ্রঃ শুধুমাত্র গানে যারা রাওয়া রত্ন হবেন অর্থাৎ প্রথম হবেন ও অডিশন টেস্টে উত্তীর্ণ হবেন তারা প্রভাতসঙ্গীত রেকর্ডিং-এ কন্ঠ দেওয়ার সুযোগ পাবেন।)
প্রতিযোগীদের প্রতি নির্দেশ
মূল্যায়নের বিষয়াবলী
প্রভাতসঙ্গীত প্রতিযোগিতা (কণ্ঠ)
১) বাণী / উচ্চারণঃ (ক) গানের বাণী বহির্ভূত শব্দের ব্যবহার করলে ত্রুটির সংখ্যার অনুপাতে নম্বর বাদ যাবে। (খ) বাণী দেখে গাইলে ১০ নম্বর বাদ যাবে।
২) সুর / স্বরমাধুর্য্যঃ (ক) যে সুরে গানটি গাওয়া হয়েছে ও কলিগুলির পুনরাবৃত্তি যেভাবে করা হয়েছে সেই ভাবে গাইতে হবে। (খ) প্রিলিউড ও ইন্টারলিউড মিউজিক অডিও অনুযায়ী না করে কেবল স্থায়ী সুরটি বাজাতে হবে নতুবা নম্বর বাদ যাবে।
৩) তাল, লয়, ছন্দঃ (ক) অডিওতে গীত নির্দিষ্ট তাল, লয় ও ছন্দে গাইতে হবে (খ) তাল, লয় ও ছন্দের বিচ্যুতি অনুযায়ী নম্বর বাদ
যাবে।
৪) ভাবঃ ভাবের গভীরতা অনুযায়ী গানের ভাবের সঙ্গে একাত্ম হয়ে নির্দিষ্ট ভাবের প্রতিফলন ঘটাতে হবে।
৫) সামগ্রিক মূল্যায়নঃ (ক) মাঝপথে বা অসম্পূর্ণ অবস্থায় শেষ করলে প্রতিযোগিতার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে। (খ) গান অবশ্যই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ করতে হবে। অনাবশ্যক ও অপ্রয়োজনীয়ভাবে দীর্ঘ করলে নম্বর বাদ যাবে ।
একক ও সমবেত গানঃ (ক) প্রতিযোগিতায় শুধু হারমোনিয়াম/তানপুরা ও তবলার ব্যবহার করতে হবে। (খ) সমবেত প্রতিযোগিতায় প্রতিযোগীর সংখ্যা ৫ থেকে ৭ এর মধ্যে হবে। (গ) মাইক্রোফোনের ব্যবহার আবশ্যিক নয়। এটি প্রতিযোগীর সংখ্যা ও বিচারক বৃন্দের শ্রবণসাধ্যতার ওপর নির্ভর করে।
নৃত্য প্রতিযোগিতা
১) শুরু ও শেষঃ নৃত্যের শুরু ও শেষ করার মধ্যে মুন্সীয়ানা অনুযায়ী নম্বর পাবেন ।
২) তালঃ নৃত্যে তাল কেটে গেলে সেই বিচ্যুতি অনুযায়ী নম্বর বাদ যাবে।
৩) পোষাকঃ গানের ভাব অনুযায়ী রুচি সম্মত ও শিষ্টাচার সম্মত পোষাক হতে হবে।
৪) মুদ্রা ও অভিনয়ঃ প্রভাত সঙ্গীত ভাব প্রধান তাই অভিনয়ের মাধ্যমে ভাবটাকে ফোটাতে হবে। ভাব অনুযায়ী মুদ্রার শৈলী প্রদর্শন করতে হবে। অপ্রাসঙ্গিক জিনিসপত্রের ব্যবহার (যেমন তালা,প্রদীপ, ফুল প্রতিকৃতি ইত্যাদি) বাঞ্ছনীয় নয়।
৫) কোরিওগ্রাফঃ কত্থক, ভরতনাট্যম, ওড়িশী প্রভৃতি বিশেষ নৃত্যশৈলীকে গুরুত্ব না দিয়ে নৃত্যের মাধ্যমে বা কোরিওগ্রাফির মাধ্যমে কতটা ভাব ফুটেছে তাই বিচার্য।
সমবেত নৃত্য : সমবেত নৃত্যে প্রতিযোগীর সংখ্যা ৫ থেকে ৭ এর মধ্যে হতে হবে।
অঙ্কন প্রতিযোগিতা
১) বিষয়বস্তুঃ গানের বিষয় ও ভাবকে কতটা অঙ্কনের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলতে পারছে তা দেখতে হবে। বিষয়বস্তু ঠিক না হলে
দক্ষতা কোনও মূল্য বহন করবে না।
২) অঙ্কন দক্ষতাঃ ভাবকে ফোটাতে রঙের কাজ, তুলির টান, প্রভৃতিতে কতখানি দক্ষতা ও শিল্পসৌন্দর্যের প্রদর্শন করতে পারছে
তা দেখতে হবে। রঙের বিভিন্ন মাধ্যমের মিশ্রণ চলবে না। করলে অযোগ্য বলে ধরা হবে।
প্রাকচূড়ান্ত ও চূড়ান্ত প্রতিযোগিতার তথ্য
(১) ব্যবস্থাপনার সুবিধার জন্যে কতজন প্রতিযোগী ও কতজন সঙ্গী আসছেন তা ১৩ই সেপ্টেম্বরের মধ্যে অবশ্যই স্থানীয় সংগঠককে ও চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা কেন্দ্রে এই নম্বরের মাধ্যমে 8617034199- Whatsapp করে জানাতে হবে।
(২) হাওড়া থেকে CTC –র বারুইপুর, কামালগাজী অথবা পাটুলী গামী বাস, CSTC 24 নম্বর বাস, দেজ মেডিক্যাল মিনি বাস, শিয়ালদহ থেকে 39A, C-12 বাস ধরে ভি. আই. পি. বাজার ষ্টপেজে নাবতে হবে।
(৩) প্রারম্ভিক প্রতিযোগিতায় পাওয়া সার্টিফিকেটের ফটো কপি অবশ্যই নিয়ে আসতে হবে ও তা Registration Counter- এ দেখিয়ে একক প্রতিযোগিতার জন্যে ৪০০ টাকা ও সমবেত প্রতিযোগিতার জন্যে ১০০০ টাকা জমা দিয়ে Qualified candidate's Identity Card সংগ্রহ করতে হবে।
(৪) প্রতিযোগিতার দিন Registration Counter সকাল ৮টা থেকে ৯-৩০ পর্যন্ত খোলা থাকবে। প্রতিযোগিতার আগের দিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৮টা পর্যন্ত Registration Counter খোলা থাকবে।
(৫) প্রতিযোগিতার আগের রাতে আহারের, ও প্রতিযোগিতার দিন প্রাতঃরাশের ও দুপুরের আহারের ব্যবস্থা থাকবে। রাত ৯-টার মধ্যে ও দুপুর ২-টোর মধ্যে আহার করতে হবে। প্রতিযোগিতার দিন সকাল ১০-টার পর প্রাতঃরাশ সরবরাহ করা হবে না। ব্যষ্টিগত প্রতিযোগিতার প্রতিযোগী ও আর একজন বিনামূল্যে আহারের কূপন পাবেন। ব্যষ্টিগত প্রতিযোগিতার প্রতিযোগী একাধিক বিষয়ে অংশগ্রহণ করলেও কূপন পাবেন একটি + অতিরিক্ত একটি। অর্থাৎ কূপন বিষয় ভিত্তিক নয়— প্রতিযোগী ভিত্তিক। সমবেত প্রতিযোগিতায় প্রতিযোগীরা ও সংস্থার একজন বিনামূল্যে কূপন পাবেন। অতিরিক্তদের জন্যে টাকা দিয়ে আহারের কূপন সংগ্রহ করতে হবে।
(৬) ২০শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল ৯-৩০ মিনিটে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয়ে প্রতিযোগিতা শুরু হবে।
(৭) প্রতিযোগিতা চলাকালীন নাম ডাকা সত্ত্বেও অংশগ্রহণ না করলে আর সুযোগ থাকবে না।
(৮) যাঁদের একাধিক বিষয়ে নাম আছে তাঁদের রেজিষ্ট্রেশনের সময় জানাতে হবে কোন প্রতিযোগিতায় তিনি আগে অংশগ্রহণ করবেন।
(৯) অঙ্কন প্রতিযোগিতায় সকাল ৮-টায় অথবা ১০-টায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। যাদের অঙ্কন ছাড়াও অন্য প্রতিযোগিতা আছে তাদের অঙ্কন প্রতিযোগিতা শুরু হবে সকাল ৮টায়। অঙ্কনের চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় হ্যাণ্ড মেড্ ড্রইং শিট সরবরাহ করা হবে।
(১০) যাঁদের সমবেত প্রতিযোগিতা ছাড়াও একক প্রতিযোগিতা থাকবে তাঁদের সমবেত প্রতিযোগিতায় আগে অংশগ্রহণ করতে হবে।
(১১) Reception / Enquiry বিভাগ সর্বদা আপনাদের সহযোগিতার জন্যে প্রস্তুত। মো : 8240136991/8617034199
প্রতিযোগিতার বিষয়
ক বিভাগ : জন্ম তারিখ : ১-১-২০১৬ বা তার
প্রভাতসঙ্গীতঃ
কোন্ তিমিরের পার হতে ফুটে উঠেছো মোর জীবনের ধ্রুবতারা!
কোন্ অমরার লোক হতে বয়ে এনেছো বসুধার সুধাধারা।।
এসো প্রভু প্রাণের ধূপে, এসো প্রভু মনের দীপে,
এসো প্রভু হৃদয়ের নীপে, সুরভিত করো এই ধরা।।
এসো প্রভু প্রাণের তানে, এসো প্রভু মনের গানে,
এসো প্রভু হৃদয়ের ছন্দে, জাগাও ঘুমায়ে আছে যারা ।।
—প্রভাত সঙ্গীত (৩১)
স্বরলিপি ও গানের ফাইল
প্রভাতসঙ্গীত অবলম্বনে নৃত্যঃ
মায়ামুকুরে কে কী ভাবে কী করে সবই জানো ওগো দেবতা ।
প্রাণের স্পন্দন যুগবিবৰ্ত্তন সবই শোণো গোপন কথা ৷ ৷
তোমারে লুকায়ে কী করিতে পারি, তোমারে ভুলায়ে কী ভাবিতে পারি।
সকল বিকাশ মাঝে তুমি আছো সব কাজে নীরব মধুরতা ।।
—প্রভাত সঙ্গীত (১০)
গানের ফাইল
প্রভাতসঙ্গীতাংশ অবলম্বনে অঙ্কনঃ
অরুণ এসেছে, রঙ ভেসেছে, ফুল হেসেছে গুলবাগিচায় । -- প্রঃসঃ(৪৭৭৮)
খ বিভাগ : জন্ম তারিখ : ১-১-২০১১ থেকে ৩১-১২-২০১৫
প্রভাতসঙ্গীতঃ
গীতিবিতানে বিশ্বপ্রাণে সম্বিৎ ঢেলে' দিয়েছ।
কে আপন-পর কে বাহির-ঘর সবারে নিকটে টেনেছ।।
আজ প্রভাতে দেখি চেয়ে আমি শুধু তোমায় নিয়ে।
তোমার নামে তোমার গানে মোর পরিচয় লিখেছ।।
আমিও পিছে থাকব নাকো, আমার কিছুই ভাবব নাকো।
যা ছিল আছে যা গেল গেছে, কেন না নিয়ে নিয়েছ।।
—প্রভাত সঙ্গীত (৪০৫৮)
স্বরলিপি ও গানের ফাইল
প্রভাতসঙ্গীত অবলম্বনে নৃত্যঃ
তুমি কাছে এসে’ কাণে কয়েছিলে আসব জেনো সেই মধুমাসে,
মধুমাসে গো মধুমাসে, রঙীন মধুমাসে কিশলয়ের মাসে।।
হয়তো বাতায়নে বসে' পথের পাশে থাকবে তুমি আমারই আশে।
আসবে ফাগুনে আবার অলির গুণ্গুণ্
গাইবে পিক-কেকায় রাগে নোতুন
এক সে রূপকার যে লীলায় নিপুণ ভাসাবে ভালবাসাবে রাসে।।
সেদিন অনেক দূরে গেল চলে রবী-শশী তারা গেছে ভুলে।
সে সুর আজও মর্ম দেউলে স্পন্দিত করে মোর চিদাকাশে।।
—প্রভাত সঙ্গীত (৪৬০৩)
গানের ফাইল
প্রভাতসঙ্গীতাংশ অবলম্বনে অঙ্কনঃ
বুলবুলি নাচে গুলবাগিচাতে পাপিয়া গান গায় ৷ -- প্রঃসঃ (১৫৪৬)
গ বিভাগ : জন্ম তারিখ : ১-১-২০০৬ থেকে ৩১-১২-২০১০
প্রভাতসঙ্গীতঃ
এক ফালি চাঁদ শুধু আকাশে, তাতেই ধরা আলোতে ভাসে ৷
পূর্ণ চন্দ্র তুমি পূর্ণ রূপে এসো, জ্যোৎস্নায় ভরো মোর চিদাকাশে ।।
অখণ্ড চেতনায় তুমি জ্যোতিসিন্ধু,
তোমাতে উদ্ভাসিত আছে যত বিন্দু ।
তোমাকে ভোলা যায় না, মেঘ যায় আর আসে।।
জেনে' বা না জেনে' সবাই তোমারে চায়,
প্রীতিডোরে তোমারে সবাই কাছে পায় ।
তুমি আছ তাই আছি তব সুধারসে।।
—প্রভাত সঙ্গীত (২০৩৬)
স্বরলিপি ও গানের ফাইল
প্রভাতসঙ্গীত অবলম্বনে নৃত্যঃ
বেণু বাজিয়ে চলো শ্যাম ।
বেণুর রেশে ভালৰেসে’ তোমায় আমি ভাবি অবিরাম ৷
নাচো মনোবৃন্দাবনে গোষ্ঠে গোষ্ঠে ধেনুর সনে।
রাখাল বেশে সঙ্গোপনে গোপী জানায় আভূমি প্ৰণাম ৷৷
ব্রজভূমি অন্তরেতে সেই তো গোলোক ৰোধিচিতে।
ভাসছ অণু চিত্তাণুতে লীলা ভরে' হে অভিরাম।।
—প্রভাত সঙ্গীত (৪৯৭৬)
গানের ফাইল
প্রভাতসঙ্গীতাংশ অবলম্বনে অঙ্কনঃ
আঁধার সাগর তীরে বসে বসে ভাবছি তুমি আসো যদি।
আলোর নৌকো নিজ হাতে বেয়ে পার হয়ে ওই মহোদধি।। -- প্ৰঃসঃ (৮৩৯)
ঘ বিভাগ : জন্ম তারিখ : ১-১-২০০৬-র আগে
প্রভাতসঙ্গীতঃ
ছেয়ে নভঃঘন নীল গগনে তুমি এলে আজি।
মেখে কেতকী-পরাগ, পরাণে শিখি উঠিল নাচি' ।।
সৌরভে যূথিকার বাতাস ভরিয়া গেছে,
বনবীথিকার মৃগ আকাশে চাহিয়া আছে ।
ভেবে' তাদের কথা মননে বীণা উঠিল ৰাজি ৷ ৷
কদম্বকেশরে পুলক ছড়িয়ে গেছে, বিন্দু বিন্দু উদক্, তাতে আঁকা আছে ।
দেখে নীপের শোভা নয়নে, ধরা উঠিল সাজি ।।
—প্রভাত সঙ্গীত (৩২২৮)
স্বরলিপি ও গানের ফাইল
অথবা
আঁখিয়াঁ তুম্হীকো চাহ্তী হ্যাঁয়, পানেকো প্যাসী হ্যাঁয়।
বৃন্দাবন কে বন বন মেঁ, ব্রজবাসী কে মন মন মে।
যুমনা কে কালে নীর মেঁ, এক মোহন হী রমতা হ্যায়।।
ধেনু চলে তুম্হারী খোজ মেঁ, বেণু বোলে তুম্হারী আমে।
কোয়েল রোয়ে খোনে কী লাজমে বিনা চাঁদ অন্ধেরা হ্যায়।।
--প্রভাত সঙ্গীত (৪৭৩৩)
গানের ফাইল
প্রভাতসঙ্গীত অবলম্বনে নৃত্যঃ
দূরবাসী বঁধু ঘুম ভাঙ্গায়ো কাছে আসি'।
যদি গো কুহেলীমায়ায় অকূলেতে ভাসি ।।
দিন গেল বৃথা খেলায়, সন্ধ্যা আসে বুঝি অসময় ।
প্রতি পলে হয় বৃথা আয়ুক্ষয়, ইশারায় কয় কালনিশি।।
শুণি আছো ওতঃপ্রোতে দুঃখে সুখে ভাবের স্রোতে।
অনাদি হতে অনন্তে, এই ভরসায় কাঁদি হাসি ।।
—প্রভাত সঙ্গীত (৪৪৬৪)
গানের ফাইল
প্রভাতসঙ্গীতাংশ অবলম্বনে অঙ্কন
ব্রজের কানু বাজিয়ে বেণু আজকে তুমি কেন এলে। -- প্ৰঃসঃ (৩২৯৮)
সমবেতঃ যে কোন প্রতিষ্ঠানের পাঁচ থেকে সাত জন
প্রভাতসঙ্গীতঃ
আলোর সাগর পেরিয়ে দেখি, আরো কাছে আলো,
দেখি আলোর পরেও আলো ।
মন্দ সে দেশে নয় কেহই, ভালোর পাশে ভালো ।।
তরুলতা ফুলে ফলে মলয় বাতে দোদুল দোলে।
মিষ্টি মানুষ মিষ্টি বলে শুধায় কী চায় বলো ।।
নেইকো সেথায় জলবিদূষণ, হয়নি হাওয়া বিষে ভীষণ।
কলের ধোঁয়ায় গাছপালারা হয়নি সেথায় কালো ৷৷
মানব মনের নেইকো কলুষ, গ্লানিতে নয় নত পুরুষ।
নারীর কথাও ভাবে সমাজ, ৰলে সামনে চলো।।
—প্রভাত সঙ্গীত (৩৯৯৩)
স্বরলিপি ও গানের ফাইল
প্রভাতসঙ্গীত অবলম্বনে নৃত্যঃ
মানুষ, মানুষ, হারায়ে হুঁশ কোথায় চলেছ তুমি ।
আকাশ বাতাস বিষিয়ে দিয়ে নরক করে' মর্ত্ত্যভূমি।।
বলে' থাক তুমি সেরা, পশুপাখী-উদ্ভিদেরা
তোমার চেয়ে ছোট, তুমি চল অভ্র চুমি'।
দেখছ না কালের ছায়া আসে গতি উৎক্রমি’
তোমার সকল দ্রুতি দমি’।।
বিধির বলে শ্রেষ্ঠ দেহী, বুদ্ধিবলে আকাশ বাহি
ছুটে চল তারায় তারায় বাধাতে না থামি’।।
—প্রভাত সঙ্গীত (১১৯০)
গানের ফাইল