Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

পথ চলতে ইতিকথা

[জ্ঞানের মহাসমুদ্র পরম শ্রদ্ধেয় শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকার, যিনি একাধারে ধর্মগুরু, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ, ইতিহাসতত্ত্ববিদ, ভাষাবিজ্ঞানী, চিকিৎসা বিজ্ঞানী, সঙ্গীতকার ও তার সঙ্গে সঙ্গে যুগান্তকারী সামাজিক–র্থনৈতিক দর্শন–প্রাউটের প্রবক্তা, তিনি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কথা প্রসঙ্গে কত যে বিচিত্র ইতিহাস অনর্গল বলে চলতেন–তা ভাবলে বিস্ময়ের সীমা থাকে না৷ এ থেকে পাঠকের বুঝতে অসুবিধা হবে না যে, তিনি জ্ঞানের অসীম মহাসমুদ্র৷ তাঁর বলা সেই সব বিচিত্র ইতিহাসের কিছু কিছু নোতুন পৃথিবীর পাঠকদের এই কলমে উপহার দিচ্ছি৷ আমরা নিশ্চিত যে এ থেকে পাঠকবৃন্দের জ্ঞানভাণ্ডার অনেক সমৃদ্ধ হবে৷ ]  –সম্পাদক, ‘নোতুন পৃথিবী’

গাছ/বৃক্ষ, খোয়া, কমলা/নারাঙ্গী প্রভৃতি প্রসঙ্গে

অনেকে মনে করে থাকেন যে, ‘গ্রৎস’ শব্দটি থেকে ‘গাছ’ কথাটি এসেছে আর ‘গ্রৎস’ মানে হচ্ছে, চলা যার স্বভাব৷ কিন্তু এ ধরনের মানে নেওয়া চলে না, কারণ গাছ কি কখনও চলাফেরা করে এটি এক ধরনের বিপরীত অলঙ্কার হয়ে গেল৷ এ যেন সেই হাতে মল, পায়ে চুড়ি, কাণে নাকছাবি৷ এ প্রসঙ্গে কবীরের একটি উক্তির কথা মনে পড়ছে৷ সেখানে উল্টো কথা বলা হয়েছে৷ তবে তা’ আসলে উল্টো নয়–

‘‘চলতী কো সব গাড়ী কহে, জ্বলতী দুষকো খোয়া, 

রঙ্গীকো নারঙ্গী কহে, যহ্ কবীর কা দোঁহা৷৷’’

  • Read more about গাছ/বৃক্ষ, খোয়া, কমলা/নারাঙ্গী প্রভৃতি প্রসঙ্গে

প্রাউট জ্যোতি

‘‘যারা কেবল উদর-উপস্থ-জীবী অন্যের সাথে কেবল তাদের স্বার্থেরই সংঘাত হয়৷ অন্যের কাছে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের কোন যোগ্যতাই তাদের থাকে না৷ পৃথিবীতে কোটি কোটি উদর-উপস্থ-জীবী মানুষ রয়েছে, তারা জন্মায়, তারা খায়, তারা বংশ রক্ষা করে, তারা নিজের স্বার্থে সন্তান প্রতিপালন করে, তারা ভোগের দৃষ্টিতে প্রতিটি বস্তুকে দেখে, লোভের দৃষ্টি নিয়ে সৰাইকার কাছে ছুটে যায়৷ তাদের অতীতও অন্ধকার, ভবিষ্যৎও অন্ধকার আর বর্তমানের আলোককে তারা ক্ষুদ্র স্বার্থের কালিমায় ঢেকে অন্ধকার করে দেয়---তারাই শূদ্র৷ তারা অজান্তে এসে অজান্তে চলে যায়৷ অজান্তেই জীবনের ভার বহন করে বেড়ায়৷ মানুষের সামগ্রিক সত্তার কাছে এদের জন্মানো, থাকা ও মরা কোনট

  • Read more about প্রাউট জ্যোতি

পাপ, অপরাধ ও আইন

তোমরা নিশ্চয়ই জান যদিও সাধারণভাবে আমরা ধর্ম ভৌমিক ত্রুটিকে পাপ(sin) ও সামাজিক বিধানগত ত্রুটিকে অপরা (guilt ব crime) ৰলি, ‘পাপ’ শব্দটি সাধারণ অর্থেও ব্যবহৃত হয়, বিশেষ অর্থেও ব্যবহৃত হয়৷ সাধারণ অর্থে পাপা ৰলতে পাতককে ৰোঝায়৷ ‘পাতক’ মানে ধর্মভৌমিক ত্রুটি(sin)৷ এই পাতকের মুখ্যতঃ দুই শাখা---একটি শাখার নাম পাপ৷ যা অকরণীয় তা করাকে পাপ ৰলে, আর যা করণীয় তা না করাকে প্রত্যবায় ৰলা হয়৷ পাপ ও প্রত্যবায় দু’টিই অবাঞ্ছনীয় জিনিস৷ তবে প্রাচীনকালের মুনিঋষিরা ৰলতেন যে পাপের চেয়েও প্রত্যবায় বেশী নিন্দনীয়৷ পাতকের তিনটে মাত্রাভেদ রয়েছে---১) পাতক, ২) অতিপাতক ও ৩) মহাপাতক৷

  • Read more about পাপ, অপরাধ ও আইন

মিথিলা

গল + লা+ ড = গল্প৷ ‘লা’ ধাতুর অর্থ হ’ল ধারণ করা to contain) অথবা ধৃত হওয়া to be contained)৷ ‘লা’ ধাতু + ‘ড’ প্রত্যয় করে ‘ল’ শব্দ পাচ্ছি৷ যে দেশ ‘কের’ অর্থাৎ নারিকেল বা নালিকেরকে ধারণ করে সে হ’ল কের+ ল + ড = কেরল৷ রাজা মিথি যে দেশকে ধারণ করেছিলেন, অথবা যে ভূমি রাজা মিথিকে ধারণ করে রেখেছিল তা মিথিলা৷ তোমরা রাজা মিথির নাম নিশ্চয় শুণেছ৷ প্রাচীনকালে আর্যাবর্তের যে অংশ গঙ্গার উত্তরে অবস্থিত তার পূর্ব-সীমানা ধরা হত গণ্ডকী নদীকে (নারায়ণী গণ্ডকী) আর যে অংশ গঙ্গার দক্ষিণে অবস্থিত তার পূর্ব প্রত্যন্তকে ধরা হত শোণক বা শোণ নদকে৷ নারায়ণী গণ্ডকের পূর্বদিকে গঙ্গার উত্তরে হচ্ছে মিথিলা বা বিদেহ৷ আর গঙ্গার দক

  • Read more about মিথিলা

বিহারের ইতিকথা

‘বিহার’ শব্দটি নিষ্পন্ন হয়েছে ‘বি’ --- হৃ ঘঞ্‌ প্রত্যয় করে৷ ‘বি’ এখানে উপসর্গ৷ উপসর্গের ‘ব’ কখনও বর্গীয় ‘ৰ’ (ba) হয় না৷ সর্বত্রই অন্তস্থ ‘ব’ (va) হয়, এমন কি ‘wa’-ও নয়৷

‘বিহার’ কথাটির ইংরেজী বানান লিখতে হবে ‘v’ দিয়ে অর্থাৎ বানান হবে Vihar৷ অথচ শতকরা নিরানববই ভাগ লোক লেখেন Behar ঊ ইংরেজরা লিখতেন Bihar৷ সেটিও ভুল৷

  • Read more about বিহারের ইতিকথা

দালমালিপি–একটি নোতুন আবিষ্কার

সম্প্রতি সিংভূম জেলার পটমদা থানার ভূলা–পাবনপুর গ্রামে ও তার পাশেই কমলপুর থানার বাঙ্গুরদা গ্রামে ও তার দক্ষিণ–পশ্চিম দিকে চাণ্ডিল থানার জায়দা গ্রামে জৈন যুগের বেশ কিছু নিদর্শন পাওয়া গেছে৷ তার সঙ্গে পাওয়া গেছে সেই যুগের বেশ কিছু ৰাংলা লিপি৷ এই লিপি অবশ্যই ১৭০০ বছর বা তার চেয়েও কিছু অধিক পুরোনো কারণ ওই সময়টাতেই রাঢ়ে শৈবাশ্রয়ী জৈনধর্মের স্বর্ণযুগ গেছে৷ ভগ্ণ মূর্তিগুলিও সমস্তই দিগম্বর জৈন দেবতাদের৷ যে লিপিমালা পাওয়া গেছে তা শুশুনিয়া লিপির চেয়ে পুরোনো তো বটেই, হর্ষবর্দ্ধনের শীলমোহরে প্রাপ্ত শ্রীহর্ষ লিপির চেয়েও পুরোনো হতে পারে৷ এই লিপি শ্রীহর্ষ লিপির স্বগোত্রীয় কিন্তু শ্রীহর্ষের চেয়েও বেশ পুরোনো৷

  • Read more about দালমালিপি–একটি নোতুন আবিষ্কার

‘কান্দি’ আর ‘কাঁথি’ এক নয়

কাঁদির সঙ্গে কাঁথি নামের কোন সম্পর্ক নেই৷ কাঁথি নামটা এসেছে ‘কান্থিক’ থেকে যার মানে চাদর বা আবরণ৷ ‘চাদর’ শব্দটা কিন্তু ফার্সী৷ উর্দুতে ‘চাদর’ স্ত্রীলিঙ্গবাচক শব্দ অর্থাৎ ‘মেরা চাদর’ নয়, হবে ‘মেরী চাদর’৷ মুর্শিদাবাদ জেলার কাঁদি আর মেদিনীপুরের কাঁথি দু’টোর উচ্চারণ ইংরেজদের কাছে খুবই কাছাকাছি, তাই তাঁরা কাঁথির জন্যে ‘কণ্টাই’ Contai) শব্দ ব্যবহার করতেন৷ কাঁথি এই নামকরণের পেছনে দু’টো কারণ নিহিত রয়েছে৷ একটা হচ্ছে কাঁথির নামজাদা বস্ত্রশিল্প---বস্ত্র অর্থাৎ আবরণ৷ এক কালে কাঁথির তাঁত বস্ত্র বর্হিভারতে রপ্তানী হত৷ দ্বিতীয় কারণ হচ্ছে কাঁথির বৈদুষ্যের খ্যাতি (বৈদষ্য একটি আবরণ)৷ এককালে কাঁথি বিদ্যাচর্চা

  • Read more about ‘কান্দি’ আর ‘কাঁথি’ এক নয়

ছড়া-গুচ্ছ-কান্দি

একসঙ্গে অনেকগুলো একককে নিয়ে, তৈরী হয় একটি ‘গুচ্ছ’৷ এই গুচ্ছকে বাংলায় বলে ‘ছড়া’৷ যা’ ছড়িয়ে দেওয়া হয় তাকেও বলে ‘ছড়া’৷ পাড়াগাঁয়ের মেয়েরা উঠোনের দোরগোড়ায় গোবর জলের ছড়া দেয়৷ অনেকগুলো গুচ্ছ বা ছড়াকে নিয়ে তৈরী হয় একটি কান্দি বা কাঁদি (এই ছড়া বা কাঁদি, এরা হ’ল খাঁটি বাংলা দেশজ শব্দ)৷ যেমন-কলার কাঁদি, তালের কাঁদি, নারকোলের কাঁদি, সুপুরির কাঁদি৷ এক কাঁদি কলায় অনেক ছড়া কলা থাকে৷ অনেকগুলো গ্রামও তেমনি গুচ্ছাকারে থাকলে তাঁকে বলে ‘ছড়া’---উত্তর বাংলায় বলে ‘গুড়ি’৷ যেমন লক্ষ্মীছড়া, দুর্লভছড়া প্রভৃতি৷ ছড়ার মত কান্দি বা কাঁদি দিয়েও গ্রামের নাম রাখা হয় ওই একই কারণে৷ যেমন---ছাতিনাকাঁদি, কাঁদি, জেমোকাঁদি (মুর্শি

  • Read more about ছড়া-গুচ্ছ-কান্দি

ওঁম্‌-কারের মাহাত্ম্য

যেখানে ক্রিয়া রয়েছে সেখানে ক্রিয়াত্মক স্পন্দন রয়েছে তথা স্পান্দনিক ধবনিতরঙ্গ রয়েছে৷ তরঙ্গোত্থিত এই ধবনিকেই বীজমন্ত্র বলা হয়৷ ওঁম্‌-কার ধবনি হ’ল সমগ্র সৃষ্টিক্রিয়ার বীজমন্ত্র৷ সমগ্র বিশ্বব্রহ্মাণ্ড এই ধবনি থেকেই উৎসারিত৷ সৃষ্টি-স্থিতি-লয় এতেই বিধৃত৷ এই ধবনিই পর ও অপর ব্রহ্মের দ্যোতক৷ ওম-কারের প্রতীকীকরণ নানান জন নানান ভাবে ব্যাখ্যা করে থাকলেও এর দর্শনসমর্থিত তথা মননগ্রাহ্য রূপটি এইরকম-

  • Read more about ওঁম্‌-কারের মাহাত্ম্য

হিন্দোস্তান--- হিন্দুস্তান---হিন্দু

বিভিন্ন ধর্মমতের প্রবক্তা ছিলেন এক একজন মহাপুরুষ বা পয়গম্বর (ঈশ্বর আদেশবাহক দূত ঃ ‘পয়গম্‌’ মানে বাণী, ‘পয়গম্বর’ মানে যিনি বাণী এনেছেন)৷ কিন্তু যে বৈদিক ধর্ম তার কোন প্রবক্তা বা প্রবর্তক নেই৷ অনেক ঋষিতে মিলে বেদ রচনা করে গেছেন, রচনা করে গেছেন, বৈদিক ধর্মকরে গেছেন বিশ্বমানবের প্রথম ধর্মানুভূতির ভাবাভিব্যক্তি৷ তাই বৈদিক ধর্মকে বিশ্বের পরিচিত অন্য কোন ধর্মের সঙ্গে সমপদবাচ্য করা চলে না৷ কোনো একজন ঋষিকে এজন্যে কোন বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া যায় না৷ এইজন্যে প্রাচীনকাল থেকে বৈদিক ঋষিদের প্রবর্তিত ধর্মের নাম হচ্ছে আর্ষধর্ম (ঋষি + অণ্‌ = আর্ষ) : ‘হিন্দুধর্ম’ শব্দটি অত্যাধুনিক৷ ভারতে যখন ৰৌদ্ধধর্ম চলছিল তখনও

  • Read more about হিন্দোস্তান--- হিন্দুস্তান---হিন্দু
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য প্রসূনানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য প্রসূনানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved