Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

পথ চলতে ইতিকথা

[জ্ঞানের মহাসমুদ্র পরম শ্রদ্ধেয় শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকার, যিনি একাধারে ধর্মগুরু, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ, ইতিহাসতত্ত্ববিদ, ভাষাবিজ্ঞানী, চিকিৎসা বিজ্ঞানী, সঙ্গীতকার ও তার সঙ্গে সঙ্গে যুগান্তকারী সামাজিক–র্থনৈতিক দর্শন–প্রাউটের প্রবক্তা, তিনি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কথা প্রসঙ্গে কত যে বিচিত্র ইতিহাস অনর্গল বলে চলতেন–তা ভাবলে বিস্ময়ের সীমা থাকে না৷ এ থেকে পাঠকের বুঝতে অসুবিধা হবে না যে, তিনি জ্ঞানের অসীম মহাসমুদ্র৷ তাঁর বলা সেই সব বিচিত্র ইতিহাসের কিছু কিছু নোতুন পৃথিবীর পাঠকদের এই কলমে উপহার দিচ্ছি৷ আমরা নিশ্চিত যে এ থেকে পাঠকবৃন্দের জ্ঞানভাণ্ডার অনেক সমৃদ্ধ হবে৷ ]  –সম্পাদক, ‘নোতুন পৃথিবী’

হিন্দু

স্পষ্ট কথা প্রাচীনকালে ‘হিন্দু’ শব্দটি ছিল না৷ ‘হিন্দু’ শব্দটি হচ্ছে একটি ফার্সী শব্দ, যার মৌল অর্থ হচ্ছে সিন্ধু নদীর অববাহিকা অথবা তৎসন্নিহিত এলাকায় যে জনগোষ্ঠী বাস করে থাকেন৷ তা’ তাঁরা যে কোন ধর্মমতাবলম্বী হউন না কেন, তাঁরা সবাই হিন্দু৷ অর্থাৎ ‘হিন্দু’ শব্দটি সম্পূর্ণতই একটা দেশবাচক শব্দ৷ আজকাল যাঁদের হিন্দু বলি তাঁরা দেশবাচক অর্থে হিন্দু তো বটেই, ধর্মগত কারণে ‘আর্ষ’ মতাবলম্বী৷ কিন্তু বর্ত্তমানে যেহেতু আর্ষ মতের বদলেও ‘হিন্দু’ শব্দটা ব্যবহূত হচ্ছে তাই আজ যাঁরা তথাকথিত হিন্দু তাঁরা দেশবাচক অর্থেও হিন্দু মতগত বিচারেও হিন্দু৷ কিন্তু ভারতে যাঁরা তথাকথিত অন্যান্য সম্প্রদায়ের লোক রয়েছেন তাঁর দে

  • Read more about হিন্দু

ব্রাহ্মণ / বিপ্র

 

 ‘ব্রাহ্মণ ’ শব্দটির নানান ব্যাখ্যা দেওয়া হয়ে থাকে৷ তবে মুখ্যতঃ এর অর্থ হ’ল ব্রহ্মজ্ঞ৷ মনে রাখা উচিত, বিপ্র ও ব্রাহ্মণ  এক শব্দ নয়৷ ‘বিপ্র’ মানে ৰুদ্ধিজীবী (intellectua) আর ‘ব্রাহ্মণ’ শব্দের ব্যাখ্যায় ৰলা হয়েছে–      

 ‘‘জন্মনা জায়তে শূদ্রঃ সংস্কারাৎ দ্বিজ উচ্যতে৷

বেদপাঠাৎ ভবেৎ বিপ্রঃ ব্রহ্ম জানাতি ব্রাহ্মণ ঃ’’৷৷

  • Read more about ব্রাহ্মণ / বিপ্র

ঋষি / মুনি

‘ঋষ্’ ধাতুর অনেকগুলি অর্থের মধ্যে একটি অর্থ হচ্ছে ঊধর্বগতি অর্থাৎ ওপরের দিকে ওঠা৷ কোন বাড়ীর একতলা থেকে ওপরে ওঠার জন্যে এই ‘ঋষ্’ ধাতু ব্যবহূত হয়৷ ‘ঋষ্’ ধাতুূ‘ইন্’ করে ‘ঋষি’ শব্দ পাচ্ছি যার ভাবারূঢ়ার্থ হচ্ছে যিনি ওপরের দিকে ওঠেন আর যোগারূঢ়ার্থ হচ্ছে উন্নতমানস.....উন্নতধী.....উন্নত ভাবনার পুরুষ৷ ‘ঋষি’ শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ রূপ ‘ঋষ্যা’ হলেও অভিন্নলিঙ্গ (common gender) ‘ঋষি’ শব্দটিও চলতে পারে৷ অর্থাৎ কোন পুরুষকে যেমন ‘ঋষি’ বলা যায় কোন নারীকেও তেমনি ‘ঋষি’ বলা যেতে পারে আবার ‘ঋষ্যা’ তো চলতেই পারে উন্নত চেতনার মানুষদের ঋগ্বেদীয় যুগ থেকে ‘ঋষি’ বলে আসা হয়েছে৷ প্রতিটি মন্ত্র যেমন একটি ছন্দে রচিত, অধিকাংশ

  • Read more about ঋষি / মুনি

(তণ্ডুল), ভাত ওদনম্) প্রভৃতি৷

তোমরা যারা ব্যাকরণ ভাল জানো তারা নিশ্চয়ই জানো, যে সমাসে অনেক ভাবের খোরাক রয়েছে তাকে বলে বহুব্রীহি সমাস অর্থাৎ বহুপ্রকারের খাদ্য তাতে মজুদ রয়েছে৷ বহুব্রীহি সমাসের ব্যাসবাক্যে থাকে ‘যাহার’ বা ‘যাহাতে’, সংস্কৃতে ‘যস্য’ বা ‘যস্মিন’৷ আর্যরা দেশটাকে ভালবেসে ফেললেন৷ তোমরা কোন দেশকে ভাসবাস কখন যদি দেখ সেখানকার পরিবেশটা ভাল, আবহাওয়া ভাল, নৈসর্গিক দৃশ্য ভাল, তার সঙ্গে খ্যাটনের ব্যবস্থাটাও ভাল–তাই নয় কি!

  • Read more about (তণ্ডুল), ভাত ওদনম্) প্রভৃতি৷

ককেশিয়ান আর্য, প্রাচীন ইরান ও গমের ইতিকথা

আজ ককেশীয় রক্ত ও মঙ্গোলীয় রক্তের মিশ্রণ ঘটায় তাঁদের গাত্রবর্ণে পরিবর্তন অবশ্যই এসেছে, আকারে প্রকারে তফাৎ অবশ্যই এসেছে৷ কিন্তু মুখ্যতঃ আকারে রাঢ়ী৷ জাত–বাঙাঙ্গলীরা যদি হয় খাঁটি সোণা, তা হলে তথাকথিত উচ্চ–বর্ণীয়েরা বিশেষ করে কায়স্থরা সেই সোণার ওপর একটি চক্চকে ধরনের মিনের কাজ (enameled gold)৷

  • Read more about ককেশিয়ান আর্য, প্রাচীন ইরান ও গমের ইতিকথা

আম সম্পর্কে

সংস্কৃত আম্র > প্রাকৃতে, আম্ব/অম্বা৷ এর থেকে

  • Read more about আম সম্পর্কে

লিচুরও ইতিকথা আছে

লিচু ভারতে এসেছিল সম্ভবতঃ বৌদ্ধযুগে৷ ভারত ও চীন উভয়েরই দেশজ ফল হচ্ছে অংশুফলম৷ ফলটির অনেক নামের মধ্যে একটি নাম হচ্ছে অংশুফল্৷ এই আঁশফল গাছের পাতা দেখতে লিচু পাতার মত নয়–কিছুটা গোলাকার.......লিচুর চেয়ে একট ছোটও৷ গাছ কিন্তু লিচু গাছের চেয়ে অনেক বড় হয়.....বট, পাকুড়, অশ্বত্থের মত হয়ে যায় বীজ লিচুর চেয়ে কিছুটা ছোট কিছুটা চ্যাপ্ঢা হয়৷ ফল মিষ্টি হলেও তাতে উৎকট ঝাঁঝ ও গন্ধ থাকে৷ ছোটরা ভালবেসে খেলেও বড়রা পছন্দ করেন না৷ এই আঁশফল বাংলার একটি সাবেকি ফল–ব্যাঞ্জালাইটিস বর্গীয়৷ চীন এই আঁশফল নিয়ে চর্চা বা গবেষণা করে তৈরী করেছিল লিচু৷ বর্তমান পৃথিবীতে চীনের লিচুই সবচেয়ে বড় আকারের, অধিক রসযুক্ত ও সুস্বাদু৷ চী

  • Read more about লিচুরও ইতিকথা আছে

‘দুলিক’ / কচ্ছপ

প্রাচীন বাংলার সৈনিকদের একাংশ এই রণপায়ে চড়ে লড়াই করত৷ তাদের পরিধানে থাকত হাঁটুর ওপরে মালকোঁচা করে পরা একটা ধুতি, গায়ে ছোট আকারের ফতুয়া যাতে কাপড়ের বোতাম লাগানো থাকত, মাথায় বাঁধা থাকত বড় আকারের অর্থাৎ প্রমাণ সাইজের একটা গামছা যে গামছা তারা যুদ্ধকালে স্নানের সময়ও ব্যবহার করত, কোমরে বাঁধা থাকত লম্বা সাইজের হালকা খাঁড়া বা দাও বা রামদাও, সামনে পেছনে বাঁধা থাকত ঢ়াল৷ ঢ়ালগুলি তৈরী হত সাধারণতঃ বড় আকারের কচ্ছপের খোলাকে পাতলা লোহার আবরণীতে মুড়ে৷ সংস্কৃতে ‘দুলিক’ মানে কচ্ছপ৷ এই ‘দুলিক’ প্রাচীন বাংলায় হয়ে গেল ‘দুলি’৷ বাংলার যে সকল স্থান থেকে বড় বড় আকারের কচ্ছপ পাওয়া যেত সেই স্থানগুলিকে সেকালের বাংলায় বল

  • Read more about ‘দুলিক’ / কচ্ছপ

বাংলার সেনা

‘‘আমাদের সেনা যুদ্ধ করেছে সজ্জিত চতুরঙ্গে 

দশাননজয়ী রামচন্দ্রের প্রপিতামহের সঙ্গে৷’’

  • Read more about বাংলার সেনা

গঞ্জ

যেখানে গ্রাম আছে, আর সেই সঙ্গে বেচাকেনার জন্যে জমজমাটী বাজারও আছে তাকে বলে ‘গঞ্জ’ (গন্জ্–)৷ ইংরেজরা এর বিকৃত উচ্চারণ করতেন ‘গন্জ্’ (ganje)৷ এইভাবে বেলী সাহেবের নাম থেকে এসেছে বালীগঞ্জ, টলী সাহেবের নাম থেকে এসেছে টালীগঞ্জ৷ আসল উচ্চারণ এর হওয়া উচিত বালীগঞ্জ, টালীগঞ্জ৷ পূর্ব বাঙলার সাধারণ মানুষেরাও নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ বলে থাকেন৷ তাঁরাই ঠিক উচ্চারণ করেন৷ কেউ যদি ভুল উচ্চারণ করে বসেন, আমরাও কি তাঁদের লেজুড় হয়ে বসবো নাকি, না তাঁদের ত্রুটিটাই চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দোব তোমরাই বল না!

 

  • Read more about গঞ্জ
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved