Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

পথ চলতে ইতিকথা

[জ্ঞানের মহাসমুদ্র পরম শ্রদ্ধেয় শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকার, যিনি একাধারে ধর্মগুরু, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ, ইতিহাসতত্ত্ববিদ, ভাষাবিজ্ঞানী, চিকিৎসা বিজ্ঞানী, সঙ্গীতকার ও তার সঙ্গে সঙ্গে যুগান্তকারী সামাজিক–র্থনৈতিক দর্শন–প্রাউটের প্রবক্তা, তিনি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কথা প্রসঙ্গে কত যে বিচিত্র ইতিহাস অনর্গল বলে চলতেন–তা ভাবলে বিস্ময়ের সীমা থাকে না৷ এ থেকে পাঠকের বুঝতে অসুবিধা হবে না যে, তিনি জ্ঞানের অসীম মহাসমুদ্র৷ তাঁর বলা সেই সব বিচিত্র ইতিহাসের কিছু কিছু নোতুন পৃথিবীর পাঠকদের এই কলমে উপহার দিচ্ছি৷ আমরা নিশ্চিত যে এ থেকে পাঠকবৃন্দের জ্ঞানভাণ্ডার অনেক সমৃদ্ধ হবে৷ ]  –সম্পাদক, ‘নোতুন পৃথিবী’

বিহারের ইতিকথা

‘বিহার’ শব্দটি নিষ্পন্ন হয়েছে ‘বি’ --- হৃ ঘঞ্‌ প্রত্যয় করে৷ ‘বি’ এখানে উপসর্গ৷ উপসর্গের ‘ব’ কখনও বর্গীয় ‘ৰ’ (ba) হয় না৷ সর্বত্রই অন্তস্থ ‘ব’ (va) হয়, এমন কি ‘wa’-ও নয়৷

‘বিহার’ কথাটির ইংরেজী বানান লিখতে হবে ‘v’ দিয়ে অর্থাৎ বানান হবে Vihar৷ অথচ শতকরা নিরানববই ভাগ লোক লেখেন Behar ঊ ইংরেজরা লিখতেন Bihar৷ সেটিও ভুল৷

  • Read more about বিহারের ইতিকথা

দালমালিপি–একটি নোতুন আবিষ্কার

সম্প্রতি সিংভূম জেলার পটমদা থানার ভূলা–পাবনপুর গ্রামে ও তার পাশেই কমলপুর থানার বাঙ্গুরদা গ্রামে ও তার দক্ষিণ–পশ্চিম দিকে চাণ্ডিল থানার জায়দা গ্রামে জৈন যুগের বেশ কিছু নিদর্শন পাওয়া গেছে৷ তার সঙ্গে পাওয়া গেছে সেই যুগের বেশ কিছু ৰাংলা লিপি৷ এই লিপি অবশ্যই ১৭০০ বছর বা তার চেয়েও কিছু অধিক পুরোনো কারণ ওই সময়টাতেই রাঢ়ে শৈবাশ্রয়ী জৈনধর্মের স্বর্ণযুগ গেছে৷ ভগ্ণ মূর্তিগুলিও সমস্তই দিগম্বর জৈন দেবতাদের৷ যে লিপিমালা পাওয়া গেছে তা শুশুনিয়া লিপির চেয়ে পুরোনো তো বটেই, হর্ষবর্দ্ধনের শীলমোহরে প্রাপ্ত শ্রীহর্ষ লিপির চেয়েও পুরোনো হতে পারে৷ এই লিপি শ্রীহর্ষ লিপির স্বগোত্রীয় কিন্তু শ্রীহর্ষের চেয়েও বেশ পুরোনো৷

  • Read more about দালমালিপি–একটি নোতুন আবিষ্কার

‘কান্দি’ আর ‘কাঁথি’ এক নয়

কাঁদির সঙ্গে কাঁথি নামের কোন সম্পর্ক নেই৷ কাঁথি নামটা এসেছে ‘কান্থিক’ থেকে যার মানে চাদর বা আবরণ৷ ‘চাদর’ শব্দটা কিন্তু ফার্সী৷ উর্দুতে ‘চাদর’ স্ত্রীলিঙ্গবাচক শব্দ অর্থাৎ ‘মেরা চাদর’ নয়, হবে ‘মেরী চাদর’৷ মুর্শিদাবাদ জেলার কাঁদি আর মেদিনীপুরের কাঁথি দু’টোর উচ্চারণ ইংরেজদের কাছে খুবই কাছাকাছি, তাই তাঁরা কাঁথির জন্যে ‘কণ্টাই’ Contai) শব্দ ব্যবহার করতেন৷ কাঁথি এই নামকরণের পেছনে দু’টো কারণ নিহিত রয়েছে৷ একটা হচ্ছে কাঁথির নামজাদা বস্ত্রশিল্প---বস্ত্র অর্থাৎ আবরণ৷ এক কালে কাঁথির তাঁত বস্ত্র বর্হিভারতে রপ্তানী হত৷ দ্বিতীয় কারণ হচ্ছে কাঁথির বৈদুষ্যের খ্যাতি (বৈদষ্য একটি আবরণ)৷ এককালে কাঁথি বিদ্যাচর্চা

  • Read more about ‘কান্দি’ আর ‘কাঁথি’ এক নয়

ছড়া-গুচ্ছ-কান্দি

একসঙ্গে অনেকগুলো একককে নিয়ে, তৈরী হয় একটি ‘গুচ্ছ’৷ এই গুচ্ছকে বাংলায় বলে ‘ছড়া’৷ যা’ ছড়িয়ে দেওয়া হয় তাকেও বলে ‘ছড়া’৷ পাড়াগাঁয়ের মেয়েরা উঠোনের দোরগোড়ায় গোবর জলের ছড়া দেয়৷ অনেকগুলো গুচ্ছ বা ছড়াকে নিয়ে তৈরী হয় একটি কান্দি বা কাঁদি (এই ছড়া বা কাঁদি, এরা হ’ল খাঁটি বাংলা দেশজ শব্দ)৷ যেমন-কলার কাঁদি, তালের কাঁদি, নারকোলের কাঁদি, সুপুরির কাঁদি৷ এক কাঁদি কলায় অনেক ছড়া কলা থাকে৷ অনেকগুলো গ্রামও তেমনি গুচ্ছাকারে থাকলে তাঁকে বলে ‘ছড়া’---উত্তর বাংলায় বলে ‘গুড়ি’৷ যেমন লক্ষ্মীছড়া, দুর্লভছড়া প্রভৃতি৷ ছড়ার মত কান্দি বা কাঁদি দিয়েও গ্রামের নাম রাখা হয় ওই একই কারণে৷ যেমন---ছাতিনাকাঁদি, কাঁদি, জেমোকাঁদি (মুর্শি

  • Read more about ছড়া-গুচ্ছ-কান্দি

ওঁম্‌-কারের মাহাত্ম্য

যেখানে ক্রিয়া রয়েছে সেখানে ক্রিয়াত্মক স্পন্দন রয়েছে তথা স্পান্দনিক ধবনিতরঙ্গ রয়েছে৷ তরঙ্গোত্থিত এই ধবনিকেই বীজমন্ত্র বলা হয়৷ ওঁম্‌-কার ধবনি হ’ল সমগ্র সৃষ্টিক্রিয়ার বীজমন্ত্র৷ সমগ্র বিশ্বব্রহ্মাণ্ড এই ধবনি থেকেই উৎসারিত৷ সৃষ্টি-স্থিতি-লয় এতেই বিধৃত৷ এই ধবনিই পর ও অপর ব্রহ্মের দ্যোতক৷ ওম-কারের প্রতীকীকরণ নানান জন নানান ভাবে ব্যাখ্যা করে থাকলেও এর দর্শনসমর্থিত তথা মননগ্রাহ্য রূপটি এইরকম-

  • Read more about ওঁম্‌-কারের মাহাত্ম্য

হিন্দোস্তান--- হিন্দুস্তান---হিন্দু

বিভিন্ন ধর্মমতের প্রবক্তা ছিলেন এক একজন মহাপুরুষ বা পয়গম্বর (ঈশ্বর আদেশবাহক দূত ঃ ‘পয়গম্‌’ মানে বাণী, ‘পয়গম্বর’ মানে যিনি বাণী এনেছেন)৷ কিন্তু যে বৈদিক ধর্ম তার কোন প্রবক্তা বা প্রবর্তক নেই৷ অনেক ঋষিতে মিলে বেদ রচনা করে গেছেন, রচনা করে গেছেন, বৈদিক ধর্মকরে গেছেন বিশ্বমানবের প্রথম ধর্মানুভূতির ভাবাভিব্যক্তি৷ তাই বৈদিক ধর্মকে বিশ্বের পরিচিত অন্য কোন ধর্মের সঙ্গে সমপদবাচ্য করা চলে না৷ কোনো একজন ঋষিকে এজন্যে কোন বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া যায় না৷ এইজন্যে প্রাচীনকাল থেকে বৈদিক ঋষিদের প্রবর্তিত ধর্মের নাম হচ্ছে আর্ষধর্ম (ঋষি + অণ্‌ = আর্ষ) : ‘হিন্দুধর্ম’ শব্দটি অত্যাধুনিক৷ ভারতে যখন ৰৌদ্ধধর্ম চলছিল তখনও

  • Read more about হিন্দোস্তান--- হিন্দুস্তান---হিন্দু

নয়াবসানের কথা

কোন জায়গায় নোতুন প্রজা বন্দোবস্ত হলে অর্থাৎ নোতুনভাবে প্রজা বসানো হলে সেই জায়গাগুলোর নামের শেষে ‘বসান’ যুক্ত হয়৷ যেমন–রাজাবসান, নবাববসান, মুকুন্দবসান, নুয়াবসান (অনেকে ভুল করে ‘নয়াবসান’ বলে থাকেন–সেটা ঠিক নয়৷ দক্ষিণী রাঢ়ী ও উত্তরী ওড়িয়ায় নোতুনকে ‘নুয়া’ বা ‘নোয়া’ বলা হয়৷ ‘নয়া’ হচ্ছে হিন্দী শব্দ৷ বিহারের ভাষায় ‘নয়া’র পর্যায়বাচক শব্দ হচ্ছে ‘নয়্কা’ বা ‘নব্কা’৷ মেদিনীপুর জেলার নোয়াগ্রাম শহরটিকে আজকাল অনেকে ভুল করে নয়াগ্রাম বলে থাকে)৷ 

  • Read more about নয়াবসানের কথা

ঐরাবত

বৈদিক ভাষায় ‘ইর’ ধাতুর মানে হচ্ছে নড়াচড়া করা৷ ‘ইর্‌’ ধাতুর উত্তর ‘অল’ প্রত্যয় করে আমরা ‘ইর্‌’ শব্দ পাচ্ছি (স্ত্রীলিঙ্গে ‘ইরা’) যার ভাবারূঢ়ার্থ হচ্ছে যা নড়াচড়া করে,আর যোগারূঢ়ার্থ হচ্ছে ‘জল’৷ এই ‘ইর’ বা ‘ইরা’ যাতে আছে এই অর্থে ইর+ মতু+প্রথমার একবচনে ‘ইরাবান্‌’ স্ত্রীলিঙ্গে ‘ইরাবতী’৷ ‘ইরাবৎ’ বা ইরাবতী শব্দের ভাবারুঢ়ার্থ হ’ল বৃহৎ জলাশয়৷ যোগারূঢ়ার্থ ‘ইরাবৎ’ মানে সমুদ্র আর ‘ইরাবতী’ মানে ৰড় নদী৷ পঞ্জাবে ‘ইরাবতী’ নামে একটি প্রসিদ্ধ নদী আছে, ইংরাজীতে যাকে ‘রাবি’ Ravi) ৰলা হয়ে থাকে৷ ব্রহ্মদেশেরও সর্বপ্রধান নদীটির নাম ইরাবতী ৷ রেঙ্গুন শহর এই ইরাবতীর ৰ-দ্বীপেই অবস্থিত৷ পৌরাণিক কথা অনুযায়ী সমুদ্র বা ইরা

  • Read more about ঐরাবত

প্রাচীন বাঙলার খাদ্যাভাস প্রসঙ্গে

ৰাংলায় ‘গাছা’, ‘গাছি’, ‘গাছিয়া’, (‘গেছে’)–এইসব নামে প্রচুর স্থান রয়েছে৷ ৰাংলা ভাষায় এই ‘গাছ’ কথাটার উৎস জানা দরকার৷ গাছের সংস্কৃত প্রতিশব্দ ‘বৃক্ষ’ কিন্তু তাই বলে ৰাংলা ‘গাছ’ শব্দটা সংস্কৃত ‘বৃক্ষ’ থেকে আসে নি বা ‘গাছ’ শব্দটার মূল কোন সংস্কৃত শব্দ নেই৷ ‘গাছ’ শব্দটা এসেছে মাগধী প্রাকৃত ‘গ্রৎস’ শব্দ থেকে৷ ‘গ্রৎস’ মানে যে নড়াচড়া করে না৷ গ্রৎসঞ্ছর্দ্ধমাগধ্ ‘গচ্ছ’ঞ্ছপুরোনো ৰাংলায় ‘গচ্ছা’ঞ্ছবর্তমান ৰাংলায় ‘গাছ’৷ বারশ’ বছরের পুরোনো ৰাংলা কবিতায় আছে–

‘‘ওগগ্র ভত্তা রম্ভা পত্তা গাইক্ক ঘিত্তা দুগ্ধ সজত্তা৷

নালি গচ্ছা মুল্লা মচ্ছা দীজ্জই কন্তা খাএ পুণ্যবন্তা৷’’

  • Read more about প্রাচীন বাঙলার খাদ্যাভাস প্রসঙ্গে

নারকোল

নারকোল পৃথিবীর বিষুবরেখীয়, কর্কটক্রান্তীয় ও মকরক্রান্তীয় এলাকায় জন্মায়৷ নারকোলের প্রজাতি আছে অনেক রকমের৷ তবে বয়স–সীমা ও উচ্চতার বিচারে ভারতীয় নারকোল মুখ্যতঃ দু’টি শাখায় বিভক্ত৷ কনিষ্ঠ প্রজাতির নারকোল আন্দাজ ৭ বছর বয়সে ফল দেয়, দেয়ও মাঝারি পরিমাণে বাঁচে আন্দাজ ৪০ বছর৷ গরিষ্ঠ প্রজাতির নারকোল ফল দেয় আন্দাজ ৯ বছর বয়সে বাঁচে আন্দাজ ৭৫ বছর, ফল দেয় যথেষ্ট পরিমাণে৷ আজকালকার অধিক ফলনশীল নারকোল* তিন বৎসর বয়সে ফল দিতে শুরু করে৷ নারকোল উৎপাদনে পৃথিবীর প্রধান পাঁচটি দেশ হচ্ছে ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপিন্স, মালয়েশিয়া, শ্রীলঙ্কা ও ভারত৷ ভারতের নারকোল গাছ ও ফলের সকল অংশই কোন না কোন কাজে লাগে৷ সেজন্যে সংস্কৃত ভাষায়

  • Read more about নারকোল
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved