Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

পথ চলতে ইতিকথা

[জ্ঞানের মহাসমুদ্র পরম শ্রদ্ধেয় শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকার, যিনি একাধারে ধর্মগুরু, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ, ইতিহাসতত্ত্ববিদ, ভাষাবিজ্ঞানী, চিকিৎসা বিজ্ঞানী, সঙ্গীতকার ও তার সঙ্গে সঙ্গে যুগান্তকারী সামাজিক–র্থনৈতিক দর্শন–প্রাউটের প্রবক্তা, তিনি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কথা প্রসঙ্গে কত যে বিচিত্র ইতিহাস অনর্গল বলে চলতেন–তা ভাবলে বিস্ময়ের সীমা থাকে না৷ এ থেকে পাঠকের বুঝতে অসুবিধা হবে না যে, তিনি জ্ঞানের অসীম মহাসমুদ্র৷ তাঁর বলা সেই সব বিচিত্র ইতিহাসের কিছু কিছু নোতুন পৃথিবীর পাঠকদের এই কলমে উপহার দিচ্ছি৷ আমরা নিশ্চিত যে এ থেকে পাঠকবৃন্দের জ্ঞানভাণ্ডার অনেক সমৃদ্ধ হবে৷ ]  –সম্পাদক, ‘নোতুন পৃথিবী’

নয়াবসানের কথা

কোন জায়গায় নোতুন প্রজা বন্দোবস্ত হলে অর্থাৎ নোতুনভাবে প্রজা বসানো হলে সেই জায়গাগুলোর নামের শেষে ‘বসান’ যুক্ত হয়৷ যেমন–রাজাবসান, নবাববসান, মুকুন্দবসান, নুয়াবসান (অনেকে ভুল করে ‘নয়াবসান’ বলে থাকেন–সেটা ঠিক নয়৷ দক্ষিণী রাঢ়ী ও উত্তরী ওড়িয়ায় নোতুনকে ‘নুয়া’ বা ‘নোয়া’ বলা হয়৷ ‘নয়া’ হচ্ছে হিন্দী শব্দ৷ বিহারের ভাষায় ‘নয়া’র পর্যায়বাচক শব্দ হচ্ছে ‘নয়্কা’ বা ‘নব্কা’৷ মেদিনীপুর জেলার নোয়াগ্রাম শহরটিকে আজকাল অনেকে ভুল করে নয়াগ্রাম বলে থাকে)৷ 

  • Read more about নয়াবসানের কথা

ঐরাবত

বৈদিক ভাষায় ‘ইর’ ধাতুর মানে হচ্ছে নড়াচড়া করা৷ ‘ইর্‌’ ধাতুর উত্তর ‘অল’ প্রত্যয় করে আমরা ‘ইর্‌’ শব্দ পাচ্ছি (স্ত্রীলিঙ্গে ‘ইরা’) যার ভাবারূঢ়ার্থ হচ্ছে যা নড়াচড়া করে,আর যোগারূঢ়ার্থ হচ্ছে ‘জল’৷ এই ‘ইর’ বা ‘ইরা’ যাতে আছে এই অর্থে ইর+ মতু+প্রথমার একবচনে ‘ইরাবান্‌’ স্ত্রীলিঙ্গে ‘ইরাবতী’৷ ‘ইরাবৎ’ বা ইরাবতী শব্দের ভাবারুঢ়ার্থ হ’ল বৃহৎ জলাশয়৷ যোগারূঢ়ার্থ ‘ইরাবৎ’ মানে সমুদ্র আর ‘ইরাবতী’ মানে ৰড় নদী৷ পঞ্জাবে ‘ইরাবতী’ নামে একটি প্রসিদ্ধ নদী আছে, ইংরাজীতে যাকে ‘রাবি’ Ravi) ৰলা হয়ে থাকে৷ ব্রহ্মদেশেরও সর্বপ্রধান নদীটির নাম ইরাবতী ৷ রেঙ্গুন শহর এই ইরাবতীর ৰ-দ্বীপেই অবস্থিত৷ পৌরাণিক কথা অনুযায়ী সমুদ্র বা ইরা

  • Read more about ঐরাবত

প্রাচীন বাঙলার খাদ্যাভাস প্রসঙ্গে

ৰাংলায় ‘গাছা’, ‘গাছি’, ‘গাছিয়া’, (‘গেছে’)–এইসব নামে প্রচুর স্থান রয়েছে৷ ৰাংলা ভাষায় এই ‘গাছ’ কথাটার উৎস জানা দরকার৷ গাছের সংস্কৃত প্রতিশব্দ ‘বৃক্ষ’ কিন্তু তাই বলে ৰাংলা ‘গাছ’ শব্দটা সংস্কৃত ‘বৃক্ষ’ থেকে আসে নি বা ‘গাছ’ শব্দটার মূল কোন সংস্কৃত শব্দ নেই৷ ‘গাছ’ শব্দটা এসেছে মাগধী প্রাকৃত ‘গ্রৎস’ শব্দ থেকে৷ ‘গ্রৎস’ মানে যে নড়াচড়া করে না৷ গ্রৎসঞ্ছর্দ্ধমাগধ্ ‘গচ্ছ’ঞ্ছপুরোনো ৰাংলায় ‘গচ্ছা’ঞ্ছবর্তমান ৰাংলায় ‘গাছ’৷ বারশ’ বছরের পুরোনো ৰাংলা কবিতায় আছে–

‘‘ওগগ্র ভত্তা রম্ভা পত্তা গাইক্ক ঘিত্তা দুগ্ধ সজত্তা৷

নালি গচ্ছা মুল্লা মচ্ছা দীজ্জই কন্তা খাএ পুণ্যবন্তা৷’’

  • Read more about প্রাচীন বাঙলার খাদ্যাভাস প্রসঙ্গে

নারকোল

নারকোল পৃথিবীর বিষুবরেখীয়, কর্কটক্রান্তীয় ও মকরক্রান্তীয় এলাকায় জন্মায়৷ নারকোলের প্রজাতি আছে অনেক রকমের৷ তবে বয়স–সীমা ও উচ্চতার বিচারে ভারতীয় নারকোল মুখ্যতঃ দু’টি শাখায় বিভক্ত৷ কনিষ্ঠ প্রজাতির নারকোল আন্দাজ ৭ বছর বয়সে ফল দেয়, দেয়ও মাঝারি পরিমাণে বাঁচে আন্দাজ ৪০ বছর৷ গরিষ্ঠ প্রজাতির নারকোল ফল দেয় আন্দাজ ৯ বছর বয়সে বাঁচে আন্দাজ ৭৫ বছর, ফল দেয় যথেষ্ট পরিমাণে৷ আজকালকার অধিক ফলনশীল নারকোল* তিন বৎসর বয়সে ফল দিতে শুরু করে৷ নারকোল উৎপাদনে পৃথিবীর প্রধান পাঁচটি দেশ হচ্ছে ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপিন্স, মালয়েশিয়া, শ্রীলঙ্কা ও ভারত৷ ভারতের নারকোল গাছ ও ফলের সকল অংশই কোন না কোন কাজে লাগে৷ সেজন্যে সংস্কৃত ভাষায়

  • Read more about নারকোল

বেগুন     

অনেকেই ‘বেগুন’ শব্দটির কষ্টকল্পিত অর্থ করেন–ৰে–গুণ অর্থাৎ যার গুণ নেই৷ এখানে বলে রাখা ভাল যে বেগুনের নাম গুণরাহিত্য হেতু হয়নি, বা তা আদৌ ‘ডিসকোয়ালিফিকেশন’ নয়৷ বেগুন একটি সংস্কৃতজাত তদ্ভব শব্দ৷ সংস্কৃত ‘ব্যাঙ্গন’ শব্দ থেকেই ৰাংলায় বেগুন, বাইগন, বাইগুন হিন্দীতে বৈগন শব্দগুলো এসেছে৷ বেগুনের পর্যায়বাচক অন্য সংস্কৃত শব্দ হচ্ছে বার্তাকু, বার্তাকী, বার্তিকী, ৰৃহতী, বৃন্তাক প্রভৃতি৷ সরু লম্বা বেগুনকে (কুলী বেগুন) সংস্কৃতে ৰৃহতী বলে৷ ৰাংলায় প্রচলিত ‘মুক্তকেশী’ বেগুনের সংস্কৃত ‘বার্ত্তাকু’৷ পঞ্জাবীতে বেগুনকে ‘বাতায়ু’ বলে–এসেছে সংস্কৃত ‘বার্ত্তাকু’ থেকে৷ সব বেগুনেরই ভাল ইংরেজী হচ্ছে ‘ৰ্রিঞ্জাল’ (Brinj

  • Read more about বেগুন     

আইনা/আয়না

শব্দটি মূলতঃ ফার্সী, ৰাংলা ভাষায় এসেছে মোগল যুগের গোড়ার দিকে--যার মানে ইংরেজীতে mirror, কাচ অর্থেও ‘আয়না’ শব্দের ব্যবহার উর্দু, ফার্সী, পঞ্জাৰী, ডোগরী, কশ্মীরী, পশ্‌তু ভাষায় রয়েছে৷ ‘আয়না’-র খাঁটি ৰাংলা শব্দ হচ্ছে ‘আরশী’ (আরশী একটি খাঁটি তদ্ভব শব্দ, এসেছে মূল শব্দ ‘আদর্শী’ থেকে৷ হিন্দতেও ‘আরসী’, মারাঠীতেও আরসী/আরসা৷ উত্তর ভারতে আরসীপ্রসাদ নামে লোক বিরল নয়৷ মাইকেল মধুসূদন দত্ত লিখেছেন--‘‘সরসী আরশী মোর’’৷ 

  • Read more about আইনা/আয়না

হিন্দু

স্পষ্ট কথা প্রাচীনকালে ‘হিন্দু’ শব্দটি ছিল না৷ ‘হিন্দু’ শব্দটি হচ্ছে একটি ফার্সী শব্দ, যার মৌল অর্থ হচ্ছে সিন্ধু নদীর অববাহিকা অথবা তৎসন্নিহিত এলাকায় যে জনগোষ্ঠী বাস করে থাকেন৷ তা’ তাঁরা যে কোন ধর্মমতাবলম্বী হউন না কেন, তাঁরা সবাই হিন্দু৷ অর্থাৎ ‘হিন্দু’ শব্দটি সম্পূর্ণতই একটা দেশবাচক শব্দ৷ আজকাল যাঁদের হিন্দু বলি তাঁরা দেশবাচক অর্থে হিন্দু তো বটেই, ধর্মগত কারণে ‘আর্ষ’ মতাবলম্বী৷ কিন্তু বর্ত্তমানে যেহেতু আর্ষ মতের বদলেও ‘হিন্দু’ শব্দটা ব্যবহূত হচ্ছে তাই আজ যাঁরা তথাকথিত হিন্দু তাঁরা দেশবাচক অর্থেও হিন্দু মতগত বিচারেও হিন্দু৷ কিন্তু ভারতে যাঁরা তথাকথিত অন্যান্য সম্প্রদায়ের লোক রয়েছেন তাঁর দে

  • Read more about হিন্দু

ব্রাহ্মণ / বিপ্র

 

 ‘ব্রাহ্মণ ’ শব্দটির নানান ব্যাখ্যা দেওয়া হয়ে থাকে৷ তবে মুখ্যতঃ এর অর্থ হ’ল ব্রহ্মজ্ঞ৷ মনে রাখা উচিত, বিপ্র ও ব্রাহ্মণ  এক শব্দ নয়৷ ‘বিপ্র’ মানে ৰুদ্ধিজীবী (intellectua) আর ‘ব্রাহ্মণ’ শব্দের ব্যাখ্যায় ৰলা হয়েছে–      

 ‘‘জন্মনা জায়তে শূদ্রঃ সংস্কারাৎ দ্বিজ উচ্যতে৷

বেদপাঠাৎ ভবেৎ বিপ্রঃ ব্রহ্ম জানাতি ব্রাহ্মণ ঃ’’৷৷

  • Read more about ব্রাহ্মণ / বিপ্র

ঋষি / মুনি

‘ঋষ্’ ধাতুর অনেকগুলি অর্থের মধ্যে একটি অর্থ হচ্ছে ঊধর্বগতি অর্থাৎ ওপরের দিকে ওঠা৷ কোন বাড়ীর একতলা থেকে ওপরে ওঠার জন্যে এই ‘ঋষ্’ ধাতু ব্যবহূত হয়৷ ‘ঋষ্’ ধাতুূ‘ইন্’ করে ‘ঋষি’ শব্দ পাচ্ছি যার ভাবারূঢ়ার্থ হচ্ছে যিনি ওপরের দিকে ওঠেন আর যোগারূঢ়ার্থ হচ্ছে উন্নতমানস.....উন্নতধী.....উন্নত ভাবনার পুরুষ৷ ‘ঋষি’ শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ রূপ ‘ঋষ্যা’ হলেও অভিন্নলিঙ্গ (common gender) ‘ঋষি’ শব্দটিও চলতে পারে৷ অর্থাৎ কোন পুরুষকে যেমন ‘ঋষি’ বলা যায় কোন নারীকেও তেমনি ‘ঋষি’ বলা যেতে পারে আবার ‘ঋষ্যা’ তো চলতেই পারে উন্নত চেতনার মানুষদের ঋগ্বেদীয় যুগ থেকে ‘ঋষি’ বলে আসা হয়েছে৷ প্রতিটি মন্ত্র যেমন একটি ছন্দে রচিত, অধিকাংশ

  • Read more about ঋষি / মুনি

(তণ্ডুল), ভাত ওদনম্) প্রভৃতি৷

তোমরা যারা ব্যাকরণ ভাল জানো তারা নিশ্চয়ই জানো, যে সমাসে অনেক ভাবের খোরাক রয়েছে তাকে বলে বহুব্রীহি সমাস অর্থাৎ বহুপ্রকারের খাদ্য তাতে মজুদ রয়েছে৷ বহুব্রীহি সমাসের ব্যাসবাক্যে থাকে ‘যাহার’ বা ‘যাহাতে’, সংস্কৃতে ‘যস্য’ বা ‘যস্মিন’৷ আর্যরা দেশটাকে ভালবেসে ফেললেন৷ তোমরা কোন দেশকে ভাসবাস কখন যদি দেখ সেখানকার পরিবেশটা ভাল, আবহাওয়া ভাল, নৈসর্গিক দৃশ্য ভাল, তার সঙ্গে খ্যাটনের ব্যবস্থাটাও ভাল–তাই নয় কি!

  • Read more about (তণ্ডুল), ভাত ওদনম্) প্রভৃতি৷
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved