Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

পথ চলতে ইতিকথা

[জ্ঞানের মহাসমুদ্র পরম শ্রদ্ধেয় শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকার, যিনি একাধারে ধর্মগুরু, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ, ইতিহাসতত্ত্ববিদ, ভাষাবিজ্ঞানী, চিকিৎসা বিজ্ঞানী, সঙ্গীতকার ও তার সঙ্গে সঙ্গে যুগান্তকারী সামাজিক–র্থনৈতিক দর্শন–প্রাউটের প্রবক্তা, তিনি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কথা প্রসঙ্গে কত যে বিচিত্র ইতিহাস অনর্গল বলে চলতেন–তা ভাবলে বিস্ময়ের সীমা থাকে না৷ এ থেকে পাঠকের বুঝতে অসুবিধা হবে না যে, তিনি জ্ঞানের অসীম মহাসমুদ্র৷ তাঁর বলা সেই সব বিচিত্র ইতিহাসের কিছু কিছু নোতুন পৃথিবীর পাঠকদের এই কলমে উপহার দিচ্ছি৷ আমরা নিশ্চিত যে এ থেকে পাঠকবৃন্দের জ্ঞানভাণ্ডার অনেক সমৃদ্ধ হবে৷ ]  –সম্পাদক, ‘নোতুন পৃথিবী’

আইনা/আয়না

 শব্দটি মূলতঃ ফার্সী, ৰাংলা ভাষায় এসেছে মোগল যুগের গোড়ার দিকে--যার মানে ইংরেজীতে mirror, কাচ অর্থেও ‘আয়না’ শব্দের ব্যবহার উর্দু, ফার্সী, পঞ্জাৰী, ডোগরী, কশ্মীরী, পশ্‌তু ভাষায় রয়েছে৷ ‘আয়না’-র খাঁটি ৰাংলা শব্দ হচ্ছে ‘আরশী’ (আরশী একটি খাঁটি তদ্ভব শব্দ, এসেছে মূল শব্দ ‘আদর্শী’ থেকে৷ হিন্দতেও ‘আরসী’, মারাঠীতেও আরসী/আরসা৷ উত্তর ভারতে আরসীপ্রসাদ নামে লোক বিরল নয়৷ মাইকেল মধুসূদন দত্ত লিখেছেন--‘‘সরসী আরশী মোর’’৷ 

  • Read more about আইনা/আয়না

হোগ্লা/বেরা/দিন্দা

দক্ষিণ বাংলায় প্রাচীনকালে হোগ্লা দিয়েই ম্যাড়াপ তৈরী করা হত৷ দক্ষিণ বাংলার নোনা জলে এককালে আপনা থেকেই প্রচুর হোগ্লা গাছ জন্মাত৷ ইংরেজরা যখন এদেশের দখল নিয়েছিলেন তখন দক্ষিণ বাংলায় বিশেষ করে খুলনা (তখন যশোরের অন্তর্গত ছিল), ২৪ পরগণা (তখন নদীয়ার অন্তর্ভুক্ত ছিল) ও মেদিনীপুর (তখন নাম ছিল হিজলী) হোগলা ও গোল গাছে ভর্ত্তি ছিল৷ ওই হোগ্লা ও গোলপাতা দিয়ে কেবল যে ম্যাড়াপ বা মণ্ডপ তৈরী হত তাই–ই নয়, দরিদ্র মানুষের ঘরও তৈরী হত৷ দক্ষিণ বাংলার নাবিকেরা যখন সমুদ্র যাত্রা করতেন তখন যেমন তাঁরা সঙ্গে করে জালা–ভর্ত্তি মিষ্টি জল নিয়ে যেতেন তেমনি নিয়ে যেতেন হোগলার স্তুপ যা শুধু নৌকোতেই নয় ভিন্ন দেশের, ভিন্ন মাটিতে

  • Read more about হোগ্লা/বেরা/দিন্দা

ডায়মণ্ডহারবার

‘পোতক’ শব্দের অর্থ হল চিহ্ণিত বা নির্দিষ্ট স্থান৷ প্রাচীন কালে পোত বা জাহাজ ভেড়াবার জন্যে যে চিহ্ণিত বা নির্দিষ্ট স্থান থাকত তাকে বলা হত পোতক৷ পরবর্তীকালে ভারতে কথ্য প্রচলিত ভাষাগুলি থেকে ‘পোতক’ শব্দ প্রায় বর্জিত বা নির্বাসিত হয়ে যায়৷ ‘পোতক’ শব্দের বদলে লোকে ব্যবহার করতে শুরু করে আরবী ‘বন্দর’ শব্দটি...........

  • Read more about ডায়মণ্ডহারবার

আলিপুরদুয়ার

গৃহদ্বার ঃ সোজা ভাষায় ‘গৃহদ্বার’ মানে গৃহের দরজা কিন্তু যোগারূঢ়ার্থে ‘গৃহদ্বার’ ৰলতে বোঝায় বাড়ীর প্রধান দরজার বা সদর দরজার সামনেকার নাচ৷ সংস্কৃত ‘দ্বার’ শব্দ থেকে রাঢ়ী বাংলায় ‘দুয়ার’’ শব্দটি এসেছে৷ দুয়ার মানে দরজার সামনেকার অংশটুকু৷ হিমালয়ের সামনেকার অংশ টুকুকেও ‘দুয়ার’ ৰলা হয়...... ...আলিপুরদুয়ার এই অর্থে বিহারেও ‘দুয়ার’ শব্দটি চলে৷ দুয়ারের যে অংশটি দরজার ঠিক সামনে মেয়েরা যে অংশটাকে গোবর-জল দিয়ে ভোরে নিকিয়ে দেয় ওই অংশটুকুকে ‘নাচ’ বলা হয়৷

‘‘আপনাতে আপনি থেকো মন যেয়ো নাকো কারোঘরে৷

যা চাবি তা বসে’ পাবি খোঁজ নিজ অন্তঃপুরে৷৷

পরম ধন যে পরশমণি যা’ চাবি তা দিতে পারে, 

  • Read more about আলিপুরদুয়ার

কংশ/কংস

 ‘কন্‌শ্‌’ ধাতু/ ‘কন্‌স্‌’ ধাতুর অর্থ প্রচণ্ডভাবে কামনা করা৷ এই অর্থে কন্‌স্‌+ অচ= কংশ (কনস+অচ্‌= কংস)শব্দ আমরা পাচ্ছি৷ একই অর্থে দু’টি ৰানানই চলৰে৷ ‘কংশ’ শব্দের ভাবারূঢ়ার্থ হচ্ছে ‘যে প্রচণ্ডভাবে কামনা-বাসনা করে, যোগারূঢ়ার্থে ‘কংশ’ ছিলেন কৃষ্ণের মাতুল তথা তৎকালীন শূরসেন রাজ্যের রাজা৷ তখন মথুরা ছিল শুরসেনের রাজধানী (এই শূরসেনের নাম আর একটা কারণে প্রসিদ্ধ হয়ে রয়েছে, তা হচ্ছে শৌরসেনী প্রাকৃত ভাষার জন্যে৷ বৈদিক ভাষার তিরোভাবের পর যে সাতটি প্রাকৃত ভাষার উদ্ভব হয় তার অন্যতম শৌরসেনী প্রাকৃত৷ বর্তমান উত্তর প্রদেশের পশ্চিমাংশে (এলাহাৰাদের পশ্চিমে), হরিয়াণা ও মধ্য প্রদেশের উত্তর-পশ্চিমাংশে এই শৌ

  • Read more about কংশ/কংস

প্রাচীন বাদ্যযন্ত্র প্রসঙ্গে

প্রাচীনকালে মানুষ গান গেয়েছিল বিহঙ্গের কাকলির অনুরণনে৷ মানুষের জন্মেতিহাসের প্রথম উষাতেই অর্থাৎ যে অরুণ রাগে মানুষ এই পৃথিবীতে এসেছিল সেই অরুণ রাগেই এসেছিল গানের রাগ........না–জানা সুরসপ্তকের সিঞ্জিনের মঞ্জুষিকা৷ সেই নাম–না–জানা রাগের সঙ্গে তাল মেশাবার জন্যে মানুষ বস্তুতে বস্তুতে ঠোকাঠুকি করত....জন্ম নিল সংঘাত–সঞ্জাত বাদ্যযন্ত্র৷ মৃদঙ্গ, তবলা, খোল, ঘটম্–এদের আদি রূপ এসেছিল৷ তারপর মানুষ এই ঠোকাঠুকি থেকে উদ্ভুত বাদ্যযন্ত্র থেকে নিজেদের মন ভরাবার জন্যে তৈরী করে রৈক্তিক সম্পদ৷ শূন্যতাকে আচ্ছাদন দিল চর্মের বা অন্য কোন মৃদু আবেষ্টনের.....এল বিভিন্ন ধরণের তালসৃষ্টিকারী বাদ্যযন্ত্র৷ মানুষের মন এতেও

  • Read more about প্রাচীন বাদ্যযন্ত্র প্রসঙ্গে

জ্যামিতির কোণ বিজ্ঞান আবিষ্কার করেছিলেন মহর্ষি কপিল

‘কুণ্’ ধাতুূঘঞ্ প্রত্যয় করে আমরা ‘কোণ’ শব্দ পাচ্ছি৷ ‘কোণ’ শব্দের অর্থ হ’ল দুই বা ততোহধিকের মাঝখানে চাপা পড়ে যে ঠিক ভাবে ধবনি দিতে পারছে না.......যথাযথ ভাবে অভিব্যক্ত হচ্ছে না৷ যোগারূঢ়ার্থে ‘কোণ’ বলতে বুঝি দুইটি বাহু (side) যেখানে অভিন্ন (common) বিন্দুতে মিলছে সেখানে ওই অভিন্ন বিন্দুকে ছুৃঁয়ে যে ভূম্যংশ (angle) তৈরী হচ্ছে তা’৷ জ্যামিতির কোণ–বিজ্ঞান আবিষ্কার করেছিলেন আদি বিদ্বান প্রথম দার্শনিক মহর্ষি কপিল৷ তিনিই প্রথম বলেছিলেন একটি সমকোণী ত্রিভুজে মোট ১৮০ ডিগ্রী কোণ আছে ও সমত্রিকোণী ত্রিভুজে কোণগুলি ৬০ ডিগ্রী হয়ে থাকে৷ এ নিয়ে তিনি অতিরিক্ত কিছু বলেননি–হয়তো বা দার্শনিক গূঢ়তত্ত্ব নিয়ে অত্যধিক

  • Read more about জ্যামিতির কোণ বিজ্ঞান আবিষ্কার করেছিলেন মহর্ষি কপিল

ঐরাবত

 বৈদিক ভাষায় ‘ইর’ ধাতুর মানে হচ্ছে নড়াচড়া করা৷ ‘ইর্‌’ ধাতুর উত্তর ‘অল’ প্রত্যয় করে আমরা ‘ইর্‌’ শব্দ পাচ্ছি (স্ত্রীলিঙ্গে ‘ইরা’) যার ভাবারূঢ়ার্থ হচ্ছে যা নড়াচড়া করে, আর যোগারূঢ়ার্থ হচ্ছে ‘জল’৷ এই ‘ইর’ বা ‘ইরা’ যাতে আছে এই অর্থে ইর+ মতু+প্রথমার একবচনে ‘ইরাবান্‌’ স্ত্রীলিঙ্গে ‘ইরাবতী’৷ ‘ইরাবৎ’ বা ইরাবতী শব্দের ভাবারুঢ়ার্থ হ’ল বৃহৎ জলাশয়৷ যোগারূঢ়ার্থ ‘ইরাবৎ’ মানে সমুদ্র আর ‘ইরাবতী’ মানে ৰড় নদী৷ পঞ্জাবে ‘ইরাবতী’ নামে একটি প্রসিদ্ধ নদী আছে, ইংরাজীতে যাকে ‘রাবি’ Ravi) ৰলা হয়ে থাকে৷ ব্রহ্মদেশেরও সর্বপ্রধান নদীটির নাম ইরাবতী ৷ রেঙ্গুন শহর এই ইরাবতীর ৰ-দ্বীপেই অবস্থিত৷ পৌরাণিক কথা অনুযায়ী সমুদ্র

  • Read more about ঐরাবত

হরিয়াণা

এর পরে আর্যরা চললেন আরও পূর্বে৷ ক্রমশঃ বেড়ে চলল শ্যামলিমা–বাড়তে থাকল সবুজের সমারোহ৷ এত সবুজ তাঁরা ইতোপূর্বে কখনও দেখেন নি৷ বৈদিক ভাষায় ‘ধান্য’ মানে গাছপালা (green vegetation)৷ তাই সপ্তসিন্ধু পেরিয়ে এসে পূর্ব দিকের নোতুন স্থানটির তাঁরা নাম দিলেন ‘হরিৎধান্য’ যা শৌরসেনী প্রাকৃতে হয়ে দাঁড়াল ‘হরিহান্ন’ > অর্ধ্ব শৌরসেনীতে ‘হরিহানা’ > বর্ত্তমান হরিয়ানবী ভাষায় (যা হিন্দীর অতি নিকট জ্ঞাতি) ‘হরিয়াণা’৷ 

অনুরূপ ভাবে এসেছে ‘লুধিয়ানা’ শব্দটি৷ প্রাচীনকালে আর্যরা লোধ্র নামে এক আরণ্য বৃক্ষের ফুলের রেণু প্রসাধনে ব্যবহার করতেন৷

‘‘ধারাযন্ত্রে স্নানের শেষে ধূপের ধোঁয়া দিত কেশে, 

  • Read more about হরিয়াণা

পাটলিপুত্র/পটনা

আগেই আমরা কুসুমপুর নিয়ে আলোচনা করেছি৷ বিম্বিসারের সময় অর্থাৎ ৰুদ্ধের সময় রাজগিরি বা গিরিব্রজ ছিল মগধের রাজধানী৷ সেখানে ছিল জলাভাব৷ রাজধানীতে জলের প্রাচুর্য থাকা দরকার৷ সেকালে গঙ্গা ও শোণ নদী যেখানে মিলত, ৰুদ্ধ সেখানে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন–এই স্থানটিতে মগধের রাজধানী হলে সব দিক দিয়ে সুবিধা হয়৷ সেখানে ৰুদ্ধের শিষ্যদের মধ্যে পাটলীপুত্র নামে এক বণিক উপস্থিত ছিলেন৷ সেকালে মগধে নামকরণে পিতৃগত ও মাতৃগত কুলের একটা সমন্বয় ঘটেছিল৷ মায়ের নাম রূপসারি, তাই ছেলের নাম সারিপুত্ত মায়ের নাম মহামৌদগলী (মহামগ্গলি), তাই ছেলের নাম মহামৌদগ্ল্লন অরহণ (মহামগ্গল্লন)৷ তেমনি মায়ে ন

  • Read more about পাটলিপুত্র/পটনা
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved