Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

স্বাস্থ্য বিজ্ঞান

ফোঁড়া ও তার নিরাময়

ফোঁড়া কেন হয় ঃ

  • Read more about ফোঁড়া ও তার নিরাময়

শ্বিত্র (শ্বেত কুষ্ঠ বা ধবল)

লক্ষণ ঃ শ্বিত্র রোগটি কুষ্ঠের অন্তর্ভুক্ত হলেও জীবনীশক্তির পক্ষে ততটা ঘাতক নয় ও রসস্রাবী নয় বলে সংক্রামকও নয়৷ সপ্ত ধাতুর বিকৃতির ফলে যে কুষ্ঠ সৃষ্ট হয় তা’ মানুষের শরীর ও মনে অল্প কালের মধ্যেই মারাত্মক প্রভাব বিস্তার করে, কিন্তু এই শ্বেত কুষ্ঠ বা শ্বিত্রে সাধারণতঃ রক্ত, মাংস ও মেদ কেবলমাত্র এই তিনটি ধাতুই বিকৃতিপ্রাপ্ত হয়৷ 

  • Read more about শ্বিত্র (শ্বেত কুষ্ঠ বা ধবল)

শিশুর অপুষ্টিজনিত রোগ কোয়াশিয়রকর

যোগাচার্য

দেখা যায়, এশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার বহু দেশের মত ভারতেরও বেশীর ভাগ মানুষ অপুষ্টিতে ভোগে৷ সবচেয়ে বেশী শিকার শিশুরা৷ আমাদের দেশের জনসংখ্যার একটা বড় অংশ পাঁচ বছর বা তার কম বয়সের শিশু৷ অনেক শিশু পাঁচ বছর পূর্ণ করার আগেই মারা যায়৷ এর বড় কারণ হ’ল অপুষ্টি৷

পুষ্টির ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ও ব্যাপক সমস্যা হচ্ছে শিশুদের ‘প্রোটিন–ক্যালরির অভাবজনিত অপুষ্টি’৷ যাকে বলে ‘প্রোটিন–এনার্জি ম্যালনিউট্রিশন’ বা প্রোটিন ক্যালরির অপুষ্টি৷ এই অপুষ্টির প্রাদুর্ভাব বাঙলাদেশ সহ ভারত, দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়া, আফ্রিকা, দক্ষিণ ও মধ্য আমেরিকায় বেশী৷ কোটি কোটি শিশু এ রোগের শিকার৷ 

  • Read more about শিশুর অপুষ্টিজনিত রোগ কোয়াশিয়রকর
  • Log in to post comments

তৃণভোজী জীব, মাংসাশী জীব, মানুষ                   

তোমরা জান জীবজন্তুরা মুখ্যতঃ তৃণভোজী (graminivorous) ও মাংসভোজী (carnivorous) –এই দু’টি মুখ্য শাখায় বিভক্ত৷ তৃণভোজীদের দাঁতগুলো থাকে মুক্তোর মত ধবধবে শাদা ও সাজানো৷ যারা মাংসভোজী জীব তাদের দাঁতগুলি হয় খোঁচা খোঁচা, ঈষৎ হল্দেটে অথবা লালচে মেশানো হলদেটে৷ মুখের দুই পাশে থাকে মাংস কাটবার কর্ত্তন দন্ত (canine teeth) ৷

  • Read more about তৃণভোজী জীব, মাংসাশী জীব, মানুষ                   

বধিরতার নিরাময়

লক্ষণ ঃ এই রোগে আক্রান্ত হবার প্রথমের দিকে রোগী কাণে ভোঁ–ভোঁ শব্দ শোণে ও ক্রমশঃ অনান্য সমস্ত শব্দই রোগীর কাছে অস্পষ্ট হয়ে যেতে থাকে৷

কারণ ঃ জন্মগত কারণ ব্যতিরেকে বধিরতা নিজে কোন রোগ নয়–অন্য রোগের প্রতিক্রিয়া মাত্র৷ তাই এ রোগের অজস্র কারণ থাকতে পারে৷

১) অতিরিক্ত কুইনাইন বা অন্য কোন বিষ ঔষধ রূপে দীর্ঘকাল ব্যবহার করলে শ্রবণশক্তি হ্রাসপ্রাপ্ত হয় বা স্তম্ভিত হয়ে যায়৷

২) পুষ্টিকর খাদ্যের অভাবে পৌঢ়ত্বে বা বার্দ্ধক্যে অনেক লোকের শ্রবণযন্ত্রের স্নায়ুপুঞ্জ দুর্বল হয়ে পড়ে ও তার ফলে বধিরতা দেখা দেয়৷

  • Read more about বধিরতার নিরাময়

কৃশতা

কারণ ঃ শারীরিক কৃশতার কারণ নানাবিধ ঃ

১) দুর্বল বা অসুবস্থ পুং বা স্ত্রীবীজ থেকে যে সকল শিশুর দেহ সৃষ্টি হয়েছে, তারা স্বভাবতই শক্তিহীন ও কৃশকায় হয়ে থাকে৷ 

২) শিশু যদি যথেষ্ট পরিমাণে মাতৃস্তন্য না পায় সেক্ষেত্রেও সে সাধারণতঃ কৃশকায় হয়ে থাকে৷

৩) দারিদ্র্য নিবন্ধন যে সকল পিতা–মাতা সন্তান–সন্ততিদের জন্যে যথেষ্ট পরিমাণে দুগ্ধের ব্যবস্থা করতে পারেন না ও অল্প বয়স থেকে তদের জন্যে ভাত, ডাল বা সাবু–বার্লি দেওয়া হয়, তাদের যকৃৎ ও পরিপাক যন্ত্রগুলি দুর্বল হয়ে পড়ে ও অধিকাংশ ক্ষেত্রে তারা কৃশকায় হয়ে পড়ে৷ 

  • Read more about কৃশতা

গরমে রোগ–ব্যাধি ও নানা সমস্যা

নিজস্ব প্রতিনিধি

গ্রীষ্মকাল মানেই গরমকাল৷ গরমে শারীরিক অস্বস্তি ও নানান রোগ–ব্যাধি দেখা দেয়৷ বলতে গেলে ছয় ঋতুর প্রভাব এই পশ্চিমবঙ্গে দেখা যায়৷ আর প্রতিটি ঋতুর আগমনই আমাদের কাছে আনন্দদায়ক৷ তবে প্রতিটি ঋতুর মত গ্রীষ্মেরও ভাল ও মন্দ দু’দিক রয়েছে৷ একটু সচেতন থাকলে গ্রীষ্মের এই মন্দ অর্থাৎ রোগ–ব্যাধি থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব বলে চিকিৎসকদের অভিমত৷ এই গরমে চলতে ফিরতে সকলের অসুবিধা হয় ও আমরা সবাই কম বেশী শারীরিক ও মানসিক ভাবে দুর্বল হয়ে পড়ি৷ সময়মত সচেতন না হলে অনেক সময় তা মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে৷ সাধারণত অতিরিক্ত গরমে যে সব সমস্যা দেখা দিতে পারে, সেগুলির কারণ ও প্রতিকার সম্পর্কে এখানে আলোচনা করা হ’ল–

  • Read more about গরমে রোগ–ব্যাধি ও নানা সমস্যা
  • Log in to post comments

প্রাকৃতিক চিকিৎসা উপবাস

কেবল মানুষেরই নয়, মনুষ্যেতর অনেক প্রাণীরও ঔষধের সঙ্গে অল্পস্বল্প পরিচয় আছে৷ তবে মনুষ্যেতর অনেকগুলি প্রাণী প্রাচীনকাল থেকেই তাদের স্বাভাবিক ঔষধ হিসেবে মেনে চলেছে উপবাস বা স্বেচ্ছা–নশনকে৷ তোমরা দেখে থাকবে, কুকুর ও আরও কয়েকটি জীব একটু অসুস্থতা ৰোধ করলেই আহারে বিরতি দেয়৷ তোমাদেরও যদি কখনও কিছুটা শারীরিক অস্বস্তি ৰোধ আসে তখন খাবার ইচ্ছে থাকে না৷ আজকালকার কিছু কিছু চিকিৎসক খাবার ইচ্ছে না থাকলেও রোগীকে জোর করে খাবার পরামর্শ দেন ও চাপ দেন৷ এটা কিন্তু প্রাকৃতিক রীতি–বিরুদ্ধ৷ অসুস্থ জীবের পক্ষে খেতে না চাওয়াটাই স্বাভাবিক যদি তার অসুস্থতাটা অতি–ক্ষুধা রোগ না হয়৷ আহার ৰন্ধ রাখলে শরীরের কয়েকটি যন্ত্র সা

  • Read more about প্রাকৃতিক চিকিৎসা উপবাস

সর্দিগর্মীতে চূর্ণ–নিম্বু ও আমপোড়ার শরৰৎ

সর্দিগর্মীর ঔষধ (হ’ল) চূর্ণ–নিম্বু (চূর্ণ–নেৰু)৷ আগে বলা হয়েছে কোন একটা পাত্রে খানিকটা চূণ তার দ্বিগুণ জলে ভালভাবে গুলে নিতে হয়৷ তারপর তাকে থিতিয়ে যেতে দিতে হয় অর্থাৎ তাকে থিতু (‘থিতু’ শব্দ ‘স্থিতু’ শব্দ থেকে আসছে) অবস্থায় খানিকক্ষণ থাকতে দিতে হয়৷ চূণের জল থিতিয়ে গেলে চামচে করে ওপরের চূর্ণ–রহিত জল আস্তে আস্তে তুলে একটা পাত্রে ঢ়েলে নিতে হয়৷ এই চূণের জলে পাতিনেবুর ট্যাবা নেৰুর রস মিশিয়ে খুব অল্প মিছরি (নামে মাত্র) গুঁড়ো দিয়ে খেলে সর্দি–গর্মী ঙ্মগরমকালে ‘লু’ লেগে যাওয়া বা হঠাৎ হঠাৎ ঠাণ্ডা–গরমে জ্বর হয়ে গায়ের তাপমাত্রা এক লাফে চরমে উঠে যাওয়াৰ প্রশমিত হয়৷ তাছাড়া কাঁচা ৰেলের শরৰৎ, আমপোড়ার শরৰৎ সর

  • Read more about সর্দিগর্মীতে চূর্ণ–নিম্বু ও আমপোড়ার শরৰৎ

চশমা কেন প্রয়োজন

ডাঃ আলমগির

কোন কারণে দৃষ্টির পরিমাণ স্বাভাবিকের চেয়ে যদি কম হয়, কিন্তু দৃশ্যমান কোনও গঠনগত পরিবর্তন বা কোনও রোগ যদি না থাকে সে ক্ষেত্রে চশমা দিয়ে সে দৃষ্টির উন্নয়ন সম্ভব৷ তখন একে রিফ্রাকটিভ এরর বা পাওয়ার জনিত দৃষ্টি স্বল্পতা বলা হয়৷ এটি সাধারণত চার ধরনের হয়৷ 

  • Read more about চশমা কেন প্রয়োজন
  • Log in to post comments
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved