Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

পরমপুরুষই একমাত্র আলম্বন

পরমপুরুষের গুণ বর্ণন করা সম্ভব নয়৷ তবুও মানুষ আত্মতৃপ্তির জন্যে কিছু বলার, কিছু বর্ণনা করার চেষ্টা করে থাকে৷ বলা হয়েছে –– 

‘‘প্রভুমীশমনীশমশেষ্ গুণহীনমহেশ গণাভরণম্৷’’

পরমপুরুষের গুণের আর শেষ নেই৷ আর মানুষের ক্ষুদ্র মন, ক্ষুদ্র কণ্ঠ সেই অশেষ গুণের বর্ণনা করবে কী করে কবি পদ্মদন্ত পরমপুরুষের গুণের বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছেন –– 

‘‘অসিতগিরিসমং স্যাৎ কজ্জ্বলং সিন্ধুপাত্রে

 সুরতরুবরশাখা লেখনীপত্র মুর্বী৷

 লিখতি যদি গৃহীত্বা সারদা সর্বকালং

 তথাপি তব গুণানামীশ পারং ন যাতি৷৷’’

  • Read more about পরমপুরুষই একমাত্র আলম্বন

সর্বে চ পশবঃ সন্তি তলবদ ভূতলে নরাঃ

সর্বে চ পশবঃ সন্তি তলবদ ভূতলে নরাঃ 

                  তেষাং জ্ঞান প্রকাশায় বীরভাবঃ প্রকাশিতঃ৷ 

                  বীর ভাবং সদা প্রাপ্য ক্রমেণ দেবতা ভবেৎ৷৷

                              (রুদ্রযামল তন্ত্র)

  • Read more about সর্বে চ পশবঃ সন্তি তলবদ ভূতলে নরাঃ

শ্রাবণীপূর্ণিমা

পাঞ্চভৌতিক উপাদানে তৈরী এই জড় জগতটাকে যেমন উপেক্ষা করা যায় না, মানুষের মন যা চৈত্তিক ধাতু (Ectoplasmic stuff) দিয়ে তৈরী, তাকেও তেমনি উপেক্ষা করা যায় না৷ ঘর্ষণে প্রতিঘর্ষণে জড়জগৎ থেকেই মনের উদ্ভব হয়৷ আবার ঘর্ষণে প্রতিঘর্ষণে মানসিক অনুশীলনে মন থেকেই আত্মার বিস্তৃতি ঘটে৷ এই কারণে মানসিক অনুশীলনকেও উপেক্ষা করা যায় না৷ আর মানসিক অনুশীলনের পরে যখন মানুষের সত্তা অধিকতর আত্মিক স্তরে উন্নীত হতে থাকে তখন স্বাভাবিক নিয়মেই সে পরমপুরুষের সঙ্গে মিলে যেতে চায়, মিশে যেতে চায়৷ ক্ষুদ্রত্বকে ৰৃহত্ত্বে পর্যবসিত করতে চায়, কারণ বিস্তারিত হওয়া একটা মানবধর্ম–এটা একটা ভাগবৎ ধর্ম৷

  • Read more about শ্রাবণীপূর্ণিমা

খণ্ডজীবন ও পূর্ণজীবন

কিছুদিন আগে ‘মানসাধ্যাত্মিক সাধনার স্তরবিন্যাস’ পুস্তকে বলা হয়েছে যে মানুষের অগ্রগতির চারটে স্তর রয়েছে–যতমান, ব্যতিরেক, একেন্দ্রিয় ও বশীকার৷ এই চারটে স্তরের ভেতর দিয়ে মানুষকে এগিয়ে চলতে হয়৷ এ সম্বন্ধে যা বক্তব্য তা ওই বইয়ে স্পষ্ট ভাষায় লিখে দিয়েছি৷ এখন, মানুষের জীবনটা কী রকম! কোথা থেকে তার শুরু, কোথায় বা তার শেষ

  • Read more about খণ্ডজীবন ও পূর্ণজীবন

জ্ঞানং যোগাত্মকং বিদ্ধি যোগাঙ্কাষ্টাঙ্গ সংযতম্‌৷

জ্ঞানং যোগাত্মকং বিদ্ধি যোগাঙ্কাষ্টাঙ্গ সংযতম্‌৷

সংযোগঃ যোগ ইত্যুক্তো জীবাত্মা পরমাত্মনোঃ৷৷

----(যোগী যাজ্ঞবল্ক)

Ánanda Vacan´amrtam)

                  ‘‘যোগশ্চিত্তবৃত্তির্নিরো’’---পতঞ্জলি

                  ‘‘সর্বচিন্তা পরিত্যাগঃ নিশ্চিন্তো যোগ উচ্যতে’’--- যোগশাস্ত্র

  • Read more about জ্ঞানং যোগাত্মকং বিদ্ধি যোগাঙ্কাষ্টাঙ্গ সংযতম্‌৷

সৎসঙ্গেন ভবেন্মুক্তি

      ভগবান শংকরাচার্য বলেছিলেন–

      ‘‘ত্যজ দুর্জনসংসর্গং ভজ সাধু সমাগমম্৷

      কুরুপুণ্যম্ অহোরাত্রম্ স্মরনিত্যম্ অনিত্যতাম্৷৷’’

  • Read more about সৎসঙ্গেন ভবেন্মুক্তি

ভক্তির সর্ব্বোচ্চ ধাপ

‘আমি পরমপুরুষের দাসানুদাস, তাঁর কাজ তিনিই করছেন, আমি তাঁর যন্ত্রমাত্র’–এই যে মানসিকতা একেই বলে ‘প্রপত্তি’৷ ‘প্রপত্তি’ শব্দের ব্যুৎপত্তি হ’ল ঃ প্র–পত্+ক্তিন্ = প্রপত্তি৷ প্রপত্তিভাবের সাধক দুঃখকে দুঃখ, সুখকে সুখ বলে আদৌ মনে করেন না বস্তুতঃ সুখ–দুঃখকে তিনি সমভাবে প্রসন্নচিত্তে গ্রহণ করেন৷

  • Read more about ভক্তির সর্ব্বোচ্চ ধাপ

সমস্ত মলিনতা থেকে মনকে মুক্ত রাখো

গতরাতে আমি মানুষ জীবনের বিভিন্ন স্তরে, বিভিন্ন দিশায় যে চলে সে সম্বন্ধে কিছু ৰলেছিলুম৷ এখন, জীবনের সফলতা লাভের প্রসঙ্গে এক চিরন্তর প্রশ্ণ আছে৷ কিছু মানুষ অনেক কিছু করেও শেষপর্যন্ত ব্যর্থ হয়, আবার কিছু মানুষ অল্প সময়ের জন্যে কিছু করে আর সাফল্যের শিরোপায় ভূষিত হয়৷ এর পিছনে রহস্যটি কী? কেন একজন সফল হয়, আর একজন তা হয় না?

  • Read more about সমস্ত মলিনতা থেকে মনকে মুক্ত রাখো

পরমপুরুষ সবার মধ্যে রয়েছেন

প্রতিটি কাজেই তোমাদের জানা উচিত কোন্টা কী ও কীজন্যে, কেন কেন এটা করছ, কেন ওটা করছ না৷ অতীতে আমি অনেকবারই বলেছি যে মানবসমাজ একটা একক সত্তা৷ এটা অবিভাজ্য, এটাকে নানান টুকরোয় বা অংশে ভাগ করা যায় না, কারণ মূলতঃ মানবতা এক৷ 

  • Read more about পরমপুরুষ সবার মধ্যে রয়েছেন

ভক্তের আনন্দ

সংস্কৃত ‘নার’ শব্দের কয়েকটিই মানে হয়৷ একটা মানে হ’ল ‘জল’ আরেকটা মানে হ’ল ‘পরমাপ্রকৃতি’–সৃষ্টির আদি মাতৃকা অপর অর্থ হ’ল ‘ভক্তি’৷

সাধক মাত্রেরই মুখ্য তথা চরম লক্ষ্য থাকে এই যে, সে নিজেই যে ভক্তিসুধা পান করবে তা নয়, বরং অন্যেও যাতে সেই ভক্তিরসামৃতের অংশ পায় সে দিকেও তাঁর বেশী আগ্রহ থাকে৷ সাধক নিজে যে আনন্দ উপভোগ করছে সেটা সে অন্যের সঙ্গেও ভাগ–বাঁটোয়ারা করতে চায়৷

  • Read more about ভক্তের আনন্দ
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য প্রসূনানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য প্রসূনানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved