Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

শিব প্রসঙ্গে

শিবের সময় উত্তর-পশ্চিম কোণ দিয়ে ভারতে আর্যদের আগমন শুরু হয়ে গেছল৷ অনেকেই এসেছিলেন, অনেকে আসছিলেন, অনেকে আবার আসবার জন্যে প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন৷ যাঁরা এসেছিলেন তাঁদের সেই বৈদিক ভাষার প্রভাব তৎকালীন ভারতের ভূমিসন্তান ‘কশ, ‘সিথিয়ান’, ‘ইউ-চি’, ‘দক্ষিণ কুষাণ’’ প্রভৃতিদের কথ্য ভাষার ওপর ব্যাপকভাবে পড়েছিল৷ ভারতের তৎকালীন জনভাষা সংস্কৃতের ওপর বৈদিক ভাষার প্রভাবও অবশ্যই পড়েছিল৷ তবে সে প্রভাবটা একতরফা নয় অর্থাৎ সংস্কৃত ভাষার প্রভাবও বৈদিকে পড়েছিল৷

  • Read more about শিব প্রসঙ্গে

মিষ্টিসিজম্ ও যোগ

সূক্ষ্ম নন্দনতত্ত্বের ওপর আধারিত নান্দনিক অভীপ্সা যখন একটা নির্দিষ্ট উচ্চ মানে পৌঁছে যায় তাকে বলে মিষ্টিসিজম্৷ আর এই মিষ্টিসিজম্ যখন মানবীয় গরিমা মহিমার শীর্ষে বা শ্রেষ্ঠত্বের পর্যায়ে চলে আসে তাকে বলে আধ্যাত্মিকতা (spirituality) ৷ এখন মিষ্টিসিজম্ কী মিষ্টিসিজম্ হ’ল সীমার সঙ্গে অসীমের, ক্ষুদ্র ‘আমি’র সঙ্গে ৰৃহৎ ‘আমি’র বা আত্মার সঙ্গে পরমাত্মার সম্পর্ক নির্ণয়ের এক নিরন্তর প্রয়াস৷

  • Read more about মিষ্টিসিজম্ ও যোগ

সৎসঙ্গেন ভবেন্মুক্তি

    ভগবান শংকরাচার্য বলেছিলেন–

    ‘‘ত্যজ দুর্জনসংসর্গং ভজ সাধু সমাগমম্৷

    কুরুপুণ্যম্ অহোরাত্রম্ স্মরনিত্যম্ অনিত্যতাম্৷৷’’

  • Read more about সৎসঙ্গেন ভবেন্মুক্তি

ত্রিভুবনের পরিভাষা

পরমপুরুষের পরম রচনাত্মক শক্তি নিজ আন্তরিকতা তথা ভূমামনের চেতনাশক্তির সাহায্যে ভৌতিক জগতের জড় অথবা জীব সত্তার বিভিন্ন রূপ প্রদান করে থাকে৷ প্রত্যেক বস্তু তাঁরই রচনা, প্রত্যেক বস্তু তাঁরই দ্বারা সংরক্ষিত ও পালিত হয়ে থাকে৷ শেষ পর্যন্ত তাঁরই কারণে বিরাট ভূমামনে সমস্ত জাগতিক সত্তার অন্তিম পরিণতি ঘটে যায়৷ অর্থাৎ পরমসত্তার মানসিক আধার ভূমিতে সব কিছুর লয় হয়ে যায়৷ এই কারণে আমি বলি কোন বস্তুই ক্ষুদ্র নয়, কোন বস্তুই অনাবশ্যক নয়৷ যদি অগুন্তি প্রোটোপ্লাজম দ্বারা এই সামূহিক শরীর তৈরী হয়ে থাকে, তাহলে তোমার মনও একটি সামূহিক মন৷ এছাড়া প্রত্যেক প্রোটোপ্লাজম একটি জীবিত সত্তা৷ আর এই কারণে প্রত্যেক জীবিত সত্তার

  • Read more about ত্রিভুবনের পরিভাষা

পরমপুরুষের কাছে কিছু না চাওয়াই ভাল

পরমপুরুষের কাছ থেকে কোন কিছু প্রার্থনা করা উচিত কি লোকে বলে–

‘‘মাঙ্না মরণ সমান হ্যায় 

মৎ কোই মাঙো ভিখ্৷

বিন মাঙে মোতি মিলে, 

মাঙে মিলে না ভিখ৷৷’’

  • Read more about পরমপুরুষের কাছে কিছু না চাওয়াই ভাল

মানুষ বিশ্বৈকতাবাদী হবে

গতরাতে আমি এই পরিদৃশ্যমান জগতে বিভিন্ন সম্ভাবনাপুর্ণ অস্তিত্ব, যেমন---অণু মানসসত্তা ও চিতিসত্তা সম্পর্কে বলেছিলুম৷ পরম চিতিশক্তির যে অন্তর্মুখী গতি (বহির্মুখী গতিতে পঞ্চভৌতিক জগতের উৎপত্তি) তারই এক স্তরে মানুষের সৃষ্টি৷ এই অন্তর্মুখী গতিতে পঞ্চভৌতিক জগতের উৎপত্তি) তারই এই স্তরে মানুষের সৃষ্টি৷ এই অন্তর্মুখী গতি পরম চিতিশক্তিতে ফিরে আসার জন্যে৷ 

  • Read more about মানুষ বিশ্বৈকতাবাদী হবে

সংশ্লেষণের মহত্ত্ব

সংকোচনেই দুঃখ, আর ব্যাপ্তিতে পাওয়া যায় সুখ৷ মানুষ যখন ক্ষুদ্র ৰুদ্ধি তথা ক্ষুদ্র ভাবনার দ্বারা প্রেষিত হয়ে কাজ করে তখন সে ছোট হয়ে যায়, দুঃখ পায়, আর ৰৃহৎ ভাবনা নিয়ে কাজ করলে আনন্দ পায়, শান্তি পায়৷ যে মানুষ ক্ষুদ্র ভাবনা নিয়ে কাজ করে তার কী হয় তার পথই বা কী তার পথ বিশ্লেষণের পথ৷ এককে খণ্ড খণ্ড করার পথ৷ আর যে ৰৃহৎ ভাবনা নিয়ে কাজ করে, সে কী করে সে অনেককে এক করে৷ তার পথ সংশ্লেষণের৷ তাই, সংশ্লেষণই জীবন (synthesis is life) সংশ্লেষণেই শান্তি (synthesis is peace) আর বিশ্লেষণ মানে মৃত্যু (analysis is death)৷ 

‘‘পিতা কস্য মাতা কস্য কস্য ভ্রাতা সহোদরাঃ৷

  • Read more about সংশ্লেষণের মহত্ত্ব

‘কৃষ্ণ’ নামের একাধিক ব্যাখ্যা

আজ গীতার একটা শ্লোক নিয়ে আলোচনা করব৷ শ্লোকটাকে গাইডিং বা কন্ড্রোলিং শ্লোকও বলতে পার৷ ব্যাখ্যাটা বিস্তৃতভাবেই করব৷ ধৃতরাষ্ট্রঃ উবাচ (ধৃতরাষ্ট্র বললেন) –

‘‘ধর্মক্ষেত্রে কুরুক্ষেত্রে সমবেতা যুযুৎসবঃ৷

মামকাঃ পাণ্ডবাশ্চৈব কিমকুর্বত সঞ্জয়৷৷’’

  • Read more about ‘কৃষ্ণ’ নামের একাধিক ব্যাখ্যা

মনকে ভারমুক্ত রাখ

ৰুদ্ধির মান অনুযায়ী জীবকে তিনটি শ্রেণীতে ভাগ করা যেতে পারে–পশু, মানব আর দেবতা । আমাদের মানব সমাজেও আমরা পাই মানবীয় আধারে পশু, মানবীয় আধারে মানব আর মানবীয় আধারে দেবতা ।

  • Read more about মনকে ভারমুক্ত রাখ

অষ্টকমল

আমাদের শরীরে আটটি চক্র আছে৷ মূলাধার, স্বাধিষ্ঠান, মণিপুর, অনাহত ও বিশুদ্ধ– এই পাঁচ চক্র আর এর ওপর আজ্ঞাচক্র, গুরুচক্র ও সহস্রারচক্র*৷ এই হ’ল অষ্টকমল৷ পরমাত্মার লীলা এই অষ্টকমলকে নিয়ে৷

সাধনায় যখন মানুষ এগিয়ে যায় তখন কী হয়

‘‘সর্বতঃ পাণিপাদং 

তৎ সর্বতোক্ষিশিরোমুখম্৷

সর্বতঃ শ্রুতিমল্লোঁকে সর্বসাবৃত্য তিষ্ঠতি৷৷’’

এই অষ্টকমল যখন ফোটে, তা কেমন করে ফোটে মানুষ যখন মনের সমস্ত ভাবনা নিয়ে পরমপুরুষেরই উপাসনা করে তখন সমস্ত ভাবনা, সমস্ত আকুতি একের দিকেই ছুটে যায়৷ 

  • Read more about অষ্টকমল
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved