Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

গণহনন

গণহনন’ শব্দটির অর্থ হ’ল এক সঙ্গে অনেক মানুষকে হত্যা করা (mass murder or massacre) ৷ যদি একসঙ্গে অনেক অপরাধীকে হত্যা করা হয় তাকেও ‘গণহনন’ বলা হয়৷ কারণ বিশুষ্ক সৈদ্ধান্তিক বিচারে কে অপরাধী, কে নিরপরাধ তা যাচাই করে’ দেখা এক দুরূহ ব্যাপার৷ অনেক সময় কাগজে–কলমে দলিল–দস্তাবেজে ভুল তথ্য থেকে যায় যার ফলে নিরীহ মানুষের ওপর নেবে আসে কঠোর দণ্ডব্যবস্থার খড়গাঘাত৷ অনেক সময় বিচারকের বিচারেও ভ্রান্তি–দোষ থাকতে পারে বা থাকেও, সেক্ষেত্রে নিরপরাধকে হত্যা করা হয়৷ অনেক সময় বিচারের নামে প্রহসন ঘটিয়ে নির্দোষকে বা অল্প দোষীকে হত্যা করা হয়৷ সেগুলো কোনমতেই সমর্থনযোগ্য নয়৷ সক্রেটিসকে হত্যা করা সমর্থন করা যায় না, মহারা

  • Read more about গণহনন

ভাবজড়তা থেকে সাবধান

সংরচনাগত অখণ্ডতার ব্যাপারে ৰলা যেতে পারে, সর্বোৎকৃষ্ট আকৃতি হচ্ছে ডিম্বাকৃতি৷ লাতিন ‘ওবাম’ শব্দটির অর্থ হচ্ছে ডিম৷ তাই ‘ওবাল’ শব্দের অর্থ ডিমের মত অর্থাৎ পুরোপুরি না হলেও কিছুটা ডিমের মত৷ পুরোপুরি ডিম্বাকৃতি নয়, তৰে প্রায় ডিম্বাকৃতি৷ সকল জ্যোতিষ্কই এই আকৃতির৷ সংস্কৃতে তাই বিশ্বকে ৰলা হয়  ব্রহ্মাণ্ড৷ ‘অণ্ড’ মানে ডিম৷ সংস্কৃত ‘অণ্ড’ শব্দ থেকে উর্দু ‘অল্ডা’ শব্দটি এসেছে৷ এখন, আমাদের এই বিশ্বটা খুৰই বড় কিন্তু অনন্ত নয় ও এর আকৃতিটা দেখতে ডিম্বাকার, অর্থাৎ এর একটা সীমারেখা আছে৷

  • Read more about ভাবজড়তা থেকে সাবধান

বসন্তোৎসব

বসন্তোৎসব সারা ভারতের উৎসব–উত্তর ভারতে ‘হোলি’, বিহার অঞ্চলে ‘ফাগুয়া’ ও বাংলায় ‘দোলযাত্রা’৷ আদিতে এই উৎসব ছিল মূলতঃ আর্যদের৷ প্রাচীন আর্যদের বাসভূমি ছিল মধ্য এশিয়ায়৷ এই অঞ্চলটা ছিল ভীষণ ঠাণ্ডা৷ সারা শীতকাল কেবল বরফ পড়তো, এটা ছিল আর্যদের দুঃসহ কষ্টের কাল৷ নিদারুণ ঠাণ্ডায় মানুষ জবু–থবু হয়ে মরার মত পড়ে থাকতো, কোন কাজকর্ম করতে পারতো না৷ এই শীতকালটা যখন বিদায় নিত, আর্যরা তখন আনন্দে উৎসবে মেতে উঠতো৷ ‘উৎ’ মানে আনন্দে লাফিয়ে ওঠা আর ‘সব’ মানে ‘জন্মগ্রহণ করা’৷ আক্ষরিক অর্থেই বসন্তের আগমনে আর্যরা প্রাণচঞ্চল হয়ে উঠতো, হৈ–হুল্লোড় ও কর্মচাঞ্চল্যে মেতে উঠতো৷

  • Read more about বসন্তোৎসব

দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলো

এই পৃথিবীতে সারা বিশ্বে হাওয়া আমাদের অনুকূলে৷ বর্ত্তমান ও ভবিষ্যৎ মানবতার জন্যে কোনো কিছু করার এটাই উপযুক্ত সময়৷ এই সন্ধিক্ষণে এক মুহূর্ত একশত বৎসরের সমান৷ তাই বর্তমান পরিস্থিতিকে কাজে লাগাও৷ প্রবল উৎসাহের সঙ্গে তোমার কর্তব্য করে যাও৷ তোমাদের কাজের গতিকে দ্রুততর করতেই হবে৷

ৰুদ্ধি আর জাগতিকতা–এই দু’টির মধ্যে অচ্ছেদ্য সম্পর্ক একটি ছাড়া আর একটির অস্তিত্ব থাকতেই পারে না৷ আরকোনো জড় বস্তু যেমন জল, তার নিজস্ব ৰুদ্ধি নেই৷ জড়বস্তু ভূমাসত্তার ইচ্ছায় পরিচালিত হয়৷ কিন্তু প্রতিটি জীবিত সত্তার অণুমন আছে৷ তাই মানুষ পরমপুরুষ ছাড়া থাকতে পারেনা৷ 

  • Read more about দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলো

নন্দন বিজ্ঞান ও সঙ্গীত

নন্দনবিজ্ঞান মোটামুটি তোমরা জান Aesthetic Seience৷ কোন একটা জিনিসকে অভিব্যক্ত করা হচ্ছে স্বাভাবিক ভাষায় নয়, সূক্ষ্মতর অনুভূতিকে সূক্ষ্মতম ব্যক্তিকরণের মাধ্যমে৷ কোন একটা জিনিস আপাততঃ দেখলুম, ভালো লাগল৷ সেই যে ভালোলাগা, সেই ভালো লাগার পেছনে যে ভাবটুকু রয়েছে, কেন ভালো লাগল, সেইটাকে মাধুর্যপূর্ণ সূক্ষ্ম ভাষায় যেখানে অভিব্যক্ত করা হ’ল সেটা হ’ল ‘নন্দনবিজ্ঞান’৷ 

  • Read more about নন্দন বিজ্ঞান ও সঙ্গীত

সামাজিক–অর্থনৈতিক গোষ্ঠীবদ্ধতা

বর্তমানে ছোট ছোট রাষ্ট্র অস্তিত্ব রক্ষার জন্যে সংগ্রাম করে’ চলেছে৷ মানুষ ছোট ছোট রাষ্ট্র অপেক্ষা বড় বড় সামাজিক–অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে’ তুলে সকলের কল্যাণ নিশ্চিত করতে আগ্রহী৷ সংকীর্ণ সেণ্টিমেণ্ট ধীরে ধীরে সরে’ যাচ্ছে৷ মানুষের মনে বিশ্বৈকতাবাদী ভাবধারার উদয় হচ্ছে৷ যে সমস্ত অন্ধ বিশ্বাস ও ভাবজড়তা এতদিন সমাজের অনেকের শ্বাসরুদ্ধ করে’ রেখেছিল আজ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিদ্যার বিকাশ তাদের মুখোশ খুলে দিয়েছে৷ যুক্তি–বিচার ও ‘সর্বজনহিতায়’ ভাবনাকে মানবতা এখন গুরুত্ব দিতে শুরু করেছে৷ তাই প্রাউট বর্তমান পৃথিবীর সামাজিক–অর্থনৈতিকপ্রবণতা

  • Read more about সামাজিক–অর্থনৈতিক গোষ্ঠীবদ্ধতা

অর্থনীতিতে গতিতত্ত্ব

এই মহাবিশ্বে চলমানতা মাত্রই সংকোচ–বিকাশী৷ জগতের কোনো কিছুই সরলরেখা ধরে’ চলে না৷ সংকোচ–বিকাশী গতিধারার জন্যেই প্রতিটি সত্তায় আভ্যন্তরীণ সংঘর্ষ ও সমিতি সংঘটিত হয়ে চলেছে৷ এই সংকোচ–বিকাশী নীতির ফলেই সামাজিক–র্থনৈতিক জীবনের বিভিন্ন পর্বে (অধ্যায়ে/যুগে) ঘটে চলেছে উত্থান ও পতন৷ গতিধারার সংকোচন বা বিরতির স্তরটা যদি বেশী দীর্ঘায়ত হয়, তবে সমাজকেও প্রলম্বিত এক গতিহীনতার স্তর অতিক্রম করে’ এগোতো হয়৷ এক্ষেত্রে এমনও ঘটতে পারে যে, সমাজ তার গতিশীলতা একেবারেই খুইয়ে ফেলেছে, বা তার মৃত্যু ঘটেছে৷ বিরতির স্তরে যদি সমাজের অভ্যন্তরে গতিশক্তির অভাব ঘটে, তবে পরবর্ত্তী স্তরে তার স্বাভাবিক গতিধারা ক্রিয়াশীল নাও হতে পা

  • Read more about অর্থনীতিতে গতিতত্ত্ব

তিন প্রকারের জীবিকা

মানুষের রয়েছে তিন ধরনের জীবিকা –– শারীরিক, মানসিক ও আধ্যাত্মিক জীবিকা৷ কিন্তু পশুদের জীবিকা হ’ল কেবল একটি –– শারীরিক জীবিকা৷ তাই পশুদের যদি খাবার জুটে গেল তো তারা দিব্যি খুশীতে দিন কাটিয়ে দেয়৷ কিন্তু মানুষের তেমনটি হয় না, মানুষ কেবল দু’মুঠো খাবার পেলে অর্থাৎ তার দৈহিক জীবিকার পূর্ত্তি ঘটলেই সে তৃপ্ত হতে পারে না৷ মানুষ চায় তার মনের জীবিকা পূরণ করতে, আধ্যাত্মিক ক্ষুধার আত্যন্তিকী নিবৃত্তি বা আত্মিক জীবিকারও পূর্ত্তি ঘটাতে৷ মানসিক জীবিকা বলতে এখানে কি ৰোঝান হচ্ছে মানসিক জীবিকা হ’ল সেই সব মানসিক কর্ম যা মানুষের মনকে বিষয়ভাবে নিযুক্ত করে চলেছে৷ আর আধ্যাত্মিক বা ধার্মিক জীবিকা বলব তাকেই যা মানব ম

  • Read more about তিন প্রকারের জীবিকা

জীবনধারণের ন্যূনতম প্রয়োজনপূর্ত্তি ও ক্রয়ক্ষমতার ক্রমবৃদ্ধির নিশ্চিততা

প্রত্যেকটি মানুষকে বোঝাতে হবে যে পৃথিবীর সমস্ত সম্পদ প্রত্যেকের সাধারণ সম্পত্তি৷ সবারই একে ভোগ করার জন্মগত অধিকার রয়েছে৷ এ অধিকারে হস্তক্ষেপ করা কখনোই চলবে না৷ তাই প্রত্যেককেই জীবনযাত্রার নিম্নতম মান দিতেই হবে৷

মানুষের যা সর্বনিম্ন প্রয়োজন তার ব্যবস্থা সবাইকার জন্যেই করতে হবে৷ অর্থাৎ অন্ন, বস্ত্র, চিকিৎসা, বাসগৃহ, শিক্ষা এগুলির ব্যবস্থা সবাইকার জন্যেই করা অবশ্য কর্ত্তব্য৷ যে যুগের যেটা সর্বনিম্ন প্রয়োজন সেটার ব্যবস্থা অবশ্যই করতে হবে৷৫ জীবনধারণের জন্যে নূ্যনতম প্রয়োজন–পূর্ত্তির নিশ্চিততাই মৌল জনস্বার্থ৷

  • Read more about জীবনধারণের ন্যূনতম প্রয়োজনপূর্ত্তি ও ক্রয়ক্ষমতার ক্রমবৃদ্ধির নিশ্চিততা

অর্থনৈতিক মন্দা প্রসঙ্গে

শোষণ যখন চরম বিন্দুতে গিয়ে পৌঁছায়, সমাজের গতিশীলতা ও গতিবেগও তখন প্রায় শূন্যাঙ্কে পৌঁছে যায়৷ এমন পরিস্থিতিতে, শোষণের সেই চরমাবস্থায় সমাজের বুকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিস্ফোরণ সংঘটিত হয়৷ ভৌতিক জগতের ক্ষেত্রে এই বিস্ফোরণটা হয় জড়াত্মক, আর মানসিক অধিক্ষেত্রে বিস্ফোরণটা হয় মানসিক বা ভাবাত্মক৷ এ ভাবেই অবস্থাভেদে বিস্ফোরণগুলি ঘটে চলে৷ এই যে মন্দা এটা আসলে সমাজের বুকে শোষণ বা দমন–প্রদমন–ব ফলশ্রুতি৷ সমাজতান্ত্রিক দেশ বা পুঁজিবাদী দেশ উভয় রাষ্ট্রেরই অর্থনৈতিক পরিভূতে মন্দা আসতে বাধ্য–কারণ উভয় দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থার মধ্যেই অন্তর্নিহিত রয়েছে এক গভীর জড়তা৷ 

  • Read more about অর্থনৈতিক মন্দা প্রসঙ্গে
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved