Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

সামাজিক–অর্থনৈতিক বিকেন্দ্রীকরণ

সভ্যতার উন্মেষের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের মনে জেগেছিল শিল্প সৃষ্টির এষণা ও প্রেষণা৷ এষণাই প্রেষণাকে ডেকে আনে৷ সভ্যতার প্রথম ধাপে শিল্পমাত্রই ছিল কুটির শিল্প৷ নারী–পুরুষ–বালক–ব্ নির্বিশেষে সবাই শিল্প রচনায় হাত লাগাত৷ পরে দেখা গেল কিছু শিল্প গ্রামে গ্রামে করা যায় না.....করতে হয় কিছু সংখ্যক গ্রাম নিয়ে৷ তা না হলে তাদের একদিকে যেমন বাজারের ঘাটতি পড়ে, অন্যদিকে তেমনি শিল্পীর সংখ্যাতেও অভাব দেখা দেয়৷ তখন মানুষ প্রথম শিল্পায়োগ বা কারখানায়* যেতে শুরু করল৷ এখানে প্রসঙ্গতঃ একটা কথা বলে’ রাখি৷ শিল্প যত বেশী কুটীর–শিল্প হয়, শিল্প যত বিকেন্দ্রীকৃত হয়, মানুষের সুবিধা তত বেশী৷ এতে যে শুধু আর্থিক সামর্থ্যকে চারিদ

  • Read more about সামাজিক–অর্থনৈতিক বিকেন্দ্রীকরণ

তোমাদের জীবনব্রত

মানুষ শুধুমাত্র তার জ্ঞান, ৰুদ্ধি অথবা সামাজিক মর্যাদা দিয়ে একটা মহান আদর্শকে প্রতিষ্ঠা করতে পারে না৷ একমাত্র নিজের আচরণের মাধ্যমেই সে এটা করতে পারে৷ আধ্যাত্মিক সাধনার দ্বারাই মানুষের আচরণের পরিশুদ্ধতা আসে৷ এর জন্যে তার তথাকথিত উঁচু বংশে জন্মগ্রহণ করার বা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রী নেবার দরকার নেই৷ এতে বরং তার মনে একটা মিথ্যা অহংৰোধ তৈরী হতে পারে যা শেষপর্যন্ত তার আচরণের পরিশীলনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে৷ 

  • Read more about তোমাদের জীবনব্রত

জাতি, ভাষা, ধর্মমত ও সংস্কৃতিতে বিশ্বজনীনতা

আজকের আলোচ্য বিষয়বস্তু হল ‘‘জাতি race), ভাষা, ধর্মমত ও সংস্কৃতিতে বিশ্বজনীনতা৷’’যদিও মানুষের ভাষা, বর্ণ ইত্যাদির ক্ষেত্রে কিছু আপাতঃ বৈষম্য রয়েছে তথাপি মানুষের এই সকল অপরিহার্য বিষয়গুলি কিন্তু এসেছে একই উৎস থেকে- সবই এসেছে সেই একক সত্যা পরমপুরুষ থেকে৷ ভাষাগত বৈষম্য বর্ণগত বৈষম্য, জাতিগত বৈষম্য আছে ঠিকই কিন্তু এসবই বাহ্য আপাতঃদৃষ্ট৷ মুখের ভাষা নয়, আসলে হৃদয়ের ভাষা সেন্টিমেন্টের ভাষায় শুণতে হবে৷ 

  • Read more about জাতি, ভাষা, ধর্মমত ও সংস্কৃতিতে বিশ্বজনীনতা

বিশ্বায়নের লক্ষ্যে আঞ্চলিক শ্রীবৃদ্ধি

বর্তমানে ছোট ছোট রাষ্ট্র অস্তিত্ব রক্ষার জন্যে সংগ্রাম করে’ চলেছে৷ মানুষ ছোট ছোট রাষ্ট্র অপেক্ষা বড় বড় সামাজিক–র্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে’ তুলে সকলের কল্যাণ নিশ্চিত করতে আগ্রহী৷ সংকীর্ণ সেণ্টিমেণ্ট ধীরে ধীরে সরে’ যাচ্ছে৷ মানুষের মনে বিশ্বৈকতাবাদী ভাবধারার উদয় হচ্ছে৷ যে সমস্ত অন্ধ বিশ্বাস ও ভাবজড়তা এতদিন সমাজের অনেকের শ্বাসরুদ্ধ করে’ রেখেছিল আজ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিদ্যার বিকাশ তাদের মুখোশ খুলে দিয়েছে৷ যুক্তি–বিচার ও ‘সর্বজনহিতায়’ ভাবনাকে মানবতা এখন গুরুত্ব দিতে শুরু করেছে৷ তাই প্রাউট বর্তমান পৃথিবীর সামাজিক–র্থনৈতিক প্রবণতা অনুসারে সর্বত্র স্বয়ং–সম্পূর্ণ অঞ্চল ব্ভুন্ব্ধগ্গ গড়ে’ তোলার নীতিতে বিশ্বাসী

  • Read more about বিশ্বায়নের লক্ষ্যে আঞ্চলিক শ্রীবৃদ্ধি

কৃষি জমিতে সারের ব্যবহার প্রসঙ্গে

সুদূর অতীতে অতিকায় জানোয়ারেরা মৃত্যু সন্নিকট ৰুঝলে পূর্ব নির্দিষ্ট স্থানে চলে যেত৷ বন্য হাতীর এখনও এই স্বভাব আছে৷ এইসব স্থানে সঞ্চিত পশুর হাড় কালের বিবর্ত্তনে ক্যালসিয়াম সালফেট বা ক্যালসিয়াম কার্বোনেটে রূপান্তরিত হয়েছে৷ যেখানে যেখানে ক্রেটাসিয়াস যুগের বৃহৎ জানোয়ারেরা যূথৰদ্ধভাবে বাস করত সেখানে চুণাপাথর পাওয়া যাবে৷ উদাহরণস্বরূপ অসমে চুণাপাথর ও পেট্রোলিয়াম পাওয়া যাবে৷ এই বিশাল আকৃতির জানোয়ারের দেহের চর্বি পেট্রোলিয়ামে আর হাড় চুণাপাথরে রূপান্তরিত হয়েছে৷ চুণাপাথর দিয়ে যেমন ভালজাতের সিমেণ্ট তৈরী হবে তেমনি জমিতে এর ব্যবহার করলে কমলানেবুর মিষ্টত্ব ৰেড়ে যাবে৷ রাঢ়ের ঝালদা, জয়পুর অঞ্চলে এই চুণাপাথর দ

  • Read more about কৃষি জমিতে সারের ব্যবহার প্রসঙ্গে

শিক্ষা প্রসঙ্গে কিছু বক্তব্য

শিক্ষার পদ্ধতি

শিক্ষাদানের পদ্ধতি কীরকম হওয়া উচিত তা চিরকালেরই এক জটিল প্রশ্ণ৷ মানুষের মনের ওপর পরিবেশের প্রভাব অপরিসীম৷ যে পরিবেশে একজন জন্মায়, বেড়ে ওঠে, তার প্রভাব জীবনের শেষক্ষণ পর্যন্ত সেই মানুষটির ওপর কার্যকরী থাকে৷ একজন যেভাবে শিক্ষা পেল সেই অনুযায়ী তার মানসিক সংরচনাও তৈরী হয়৷ আর মানুষের জীবনে শারীরিক সামর্থ্যের চেয়ে মানসিক ক্ষমতার প্রভাব অনেকগুণ বেশী শক্তিশালী৷

  • Read more about শিক্ষা প্রসঙ্গে কিছু বক্তব্য

সমানম্ এজতি ইতি সমাজঃ

‘‘সমানম্ এজতি ইতি সমাজঃ’’ অর্থাৎ সবাই মিলে যখন ঠিক করলে যে তারা একসঙ্গে চলবে, সুখে–দুঃখে একসঙ্গে থাকবে তখন তাদের মিলিত নাম হলো সমাজ৷ কেউ হয়তো অনেকটা এগিয়ে গেছে, কেউ বা পেছিয়ে পড়েছে, কারো পা ব্যথা করছে বলে হাঁটতে পারছে না, কেউ বা মুখ থুবড়ে পড়ে গেছে৷ তাদের দিকে না তাকিয়ে যে চলে গেল সে সমাজের লোক নয়৷ সমাজকে সঙ্গে নিয়ে চলতে হবে, আর তাদিকে নিয়ে চলতে গেলে একটা বাড়তি দায়িত্ব এসে পড়ে৷ যেমন যে লোকটা চলতে পারছে না৷ তাকে তুলে নিতে হবে যাতে চলার ছন্দ এক হয়৷ এখন আমাদের গোটা বিশ্বের পরিপ্রেক্ষিতে সব কিছু দেখতে হবে৷ গোটা বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিতে নাই বা পারি কিন্তু এই সৌর জগৎটাকে একভাবে দেখে দেখিয়ে

  • Read more about সমানম্ এজতি ইতি সমাজঃ

সম-সমাজ তত্ত্ব

চলা জগতের ধর্ম৷ চলে চলেছে বলেই এই পৃথিবীর নাম জগৎ৷ ‘গম’ ধাতুর উত্তর ক্কিপ্‌ প্রত্যয় করে ‘জগৎ’ শব্দ নিষ্পন্ন যার মানে হ’ল---চলা যার স্বভাব৷ ব্যষ্টিগত জীবনে যেমন চলতে হয় সমষ্টিগত তথা সামূহিক জীবনেও তেমনি চলতে হয়৷ কিন্তু এই যে চলা, এই চলার জন্যে তিনটে জিনিসের প্রয়োজন আছে৷ একটা হচ্ছে---চলার জন্যে একটা সম্প্রেষণ, পেছন থেকে একটা ধাক্কা৷ যখন চলাটা বন্ধ হয় তখন ধাক্কা দিয়ে বলতে হয় চল চলতে হবে৷ দ্বিতীয়তঃ নিজে যে চলবে তার চলার সামর্থ্য থাকা চাই অর্থাৎ চলার উপযুক্ত রসদ তার থাকা চাই৷ নইলে সে চলবে কী করে? আর তৃতীয় হচ্ছে ঃ চলছে একটা লক্ষ্যের দিকে৷ এই তিনটে জিনিস চাই৷ 

  • Read more about সম-সমাজ তত্ত্ব

রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক শোষণ

রাজনৈতিক শোষণ

  • Read more about রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক শোষণ

বাঙলার উন্নয়ন

প্রাচীন ৰাঙলা পাঁচটি অঞ্চলে বিভক্ত ছিল– রাঢ়, সমতট, ৰঙ্গ, ৰরেন্দ্র ও মিথিলা। মিথিলা বর্তমানে বিহারের অঙ্গভূত। বঙ্গোপসাগরের বিশাল উপকূল এলাকা যাতে কোনো পাহাড়–পর্বত নেই কিন্তু যা পদ্মা ও ভাগীরথী নদীর বালুযুক্ত দোয়াঁশ মাটি দিয়ে তৈরী, ও যার মধ্যে অজস্র জলাশয়, যা খাল–বিল আর শাখানদীতে সমৃদ্ধ, সংস্কৃতে সেই অঞ্চলকে বলে ‘সমতট’, কথ্য ৰাংলায় বলে ‘বাগড়ী’। এই অঞ্চল প্রাকৃতিক সম্পদ আর সমৃদ্ধ কৃষিসম্পদে পূর্ণ । এইজন্যে সমতটকে বলা হত ‘‘সোণার ৰাঙলা’’, যে কারণে বিখ্যাত ঔপন্যাসিক বঙ্কিমচন্দ্র লিখেছিলেন– ‘‘সুজলাং সুফলাং মলয়জ শীতলাং মাতরম্’’।

  • Read more about বাঙলার উন্নয়ন
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য প্রসূনানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য প্রসূনানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved