Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

সম-সমাজ তত্ত্ব

চলা জগতের ধর্ম৷ চলে চলেছে বলেই এই পৃথিবীর নাম জগৎ৷ ‘গম’ ধাতুর উত্তর ক্কিপ্‌ প্রত্যয় করে ‘জগৎ’ শব্দ নিষ্পন্ন যার মানে হ’ল---চলা যার স্বভাব৷ ব্যষ্টিগত জীবনে যেমন চলতে হয় সমষ্টিগত তথা সামূহিক জীবনেও তেমনি চলতে হয়৷ কিন্তু এই যে চলা, এই চলার জন্যে তিনটে জিনিসের প্রয়োজন আছে৷ একটা হচ্ছে---চলার জন্যে একটা সম্প্রেষণ, পেছন থেকে একটা ধাক্কা৷ যখন চলাটা বন্ধ হয় তখন ধাক্কা দিয়ে বলতে হয় চল চলতে হবে৷ দ্বিতীয়তঃ নিজে যে চলবে তার চলার সামর্থ্য থাকা চাই অর্থাৎ চলার উপযুক্ত রসদ তার থাকা চাই৷ নইলে সে চলবে কী করে? আর তৃতীয় হচ্ছে ঃ চলছে একটা লক্ষ্যের দিকে৷ এই তিনটে জিনিস চাই৷ 

  • Read more about সম-সমাজ তত্ত্ব

রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক শোষণ

রাজনৈতিক শোষণ

  • Read more about রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক শোষণ

বাঙলার উন্নয়ন

প্রাচীন ৰাঙলা পাঁচটি অঞ্চলে বিভক্ত ছিল– রাঢ়, সমতট, ৰঙ্গ, ৰরেন্দ্র ও মিথিলা। মিথিলা বর্তমানে বিহারের অঙ্গভূত। বঙ্গোপসাগরের বিশাল উপকূল এলাকা যাতে কোনো পাহাড়–পর্বত নেই কিন্তু যা পদ্মা ও ভাগীরথী নদীর বালুযুক্ত দোয়াঁশ মাটি দিয়ে তৈরী, ও যার মধ্যে অজস্র জলাশয়, যা খাল–বিল আর শাখানদীতে সমৃদ্ধ, সংস্কৃতে সেই অঞ্চলকে বলে ‘সমতট’, কথ্য ৰাংলায় বলে ‘বাগড়ী’। এই অঞ্চল প্রাকৃতিক সম্পদ আর সমৃদ্ধ কৃষিসম্পদে পূর্ণ । এইজন্যে সমতটকে বলা হত ‘‘সোণার ৰাঙলা’’, যে কারণে বিখ্যাত ঔপন্যাসিক বঙ্কিমচন্দ্র লিখেছিলেন– ‘‘সুজলাং সুফলাং মলয়জ শীতলাং মাতরম্’’।

  • Read more about বাঙলার উন্নয়ন

পুঁজিবাদ ও সাম্যবাদ (কম্যুনিজম)–এদের মূলগত ত্রুটি

সাম্যবাদ ও পুঁজিবাদ মূলতঃ জড়বাদী দর্শন৷ উভয়েই জাগতিক আসক্তির মানসিকতাকে বাড়িয়ে দেয়৷ যার ফলে মানুষ অন্ধভাবে অর্থ, নাম, যশ, ক্ষমতা, প্রতিষ্ঠা ও প্রভাব–প্রতিপত্তির জন্যে ক্ষ্যাপা কুকুরের মত ছুটে চলে৷ 

  • Read more about পুঁজিবাদ ও সাম্যবাদ (কম্যুনিজম)–এদের মূলগত ত্রুটি

কেন প্রাউট

মানুষের তিনটি দুঃখ– জাগতিক, মানসিক ও আধ্যাত্মিক অথবা আধিভৌতিক, আধিদৈবিক ও আধ্যাত্মিক৷ 

ভৌতিক* জগতের যা কিছু দুঃখ–অন্নের অভাব, বস্ত্রের অভাব, এগুলি হ’ল আধিভৌতিক দুঃখ৷ যার সাহায্যে (এই) দুঃখের নিবৃত্তি ঘটে তাকে বলি ‘অর্থ’৷ বস্ত্র নেই, শীত করছে, পয়সা থাকলে বস্ত্র কেনা যাবে অন্ন নেই, ক্ষুধা পাচ্ছে, পয়সার সাহায্যে অন্ন ক্রয় করে’ ক্ষুণ্ণিবৃত্তি করা যাবে দুঃখটা দূর হবে৷ তাই যার দ্বারা (এই) দুঃখ দূর হয় তাকে বলি ‘অর্থ’৷ মূল কথা হ’ল ক্রয় ক্ষমতা চাই৷ ক্রয় ক্ষমতাটা যদি মানুষের এসে যায়, তাহলে আর আধিভৌতিক দুঃখটা থাকছে না৷

  • Read more about কেন প্রাউট

প্রাউট ও নব্যমানবতাবাদ

মানুষ জড়জগতের ঠিকমত যত্ন নেয় নি৷ যেমন মানুষ অনেক পাহাড় ও পর্বতের ক্ষতি ও ধ্বংসসাধন করেছে৷ তোমরা অবশ্যই পাহাড়–পর্বত ধ্বংস করবে না৷ নচেৎ বৃষ্টিপাত বিঘ্ণিত হবে৷ তোমরা ভূ–গর্ভস্থ জল ব্যবহার করবে না বা গভীর–গভীর নলকূপ ব্যবহারে উৎসাহ দেবে না কারণ এই ধরনের কূপের ওপর অতিনির্ভরতার ফলে জলের স্তর একদম নীচে নেবে যাবে ও তার ফলে ওপরের মৃত্তিকা স্তর শুষ্ক হয়ে গাছপালার মৃত্যু ঘটাবে৷ বৃষ্টির জল ও নদীর জল ব্যবহার করা সবচাইতে ভাল৷ ভূ–গর্ভস্থিত জল ব্যবহার না করে জলাধারে সঞ্চিত বৃষ্টির জল ব্যবহার করা উচিত৷ দৃষ্টান্ত হিসেবে বলছি, পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলায় গত কয়েক বৎসরে ভূ–গর্ভস্থ জল ১৫ ফুটের মত নীচে নেবে গেছে৷ যদ

  • Read more about প্রাউট ও নব্যমানবতাবাদ

নূ্যনতম প্রয়োজন ও সর্বাধিক সুখ–সুবিধা

আমাদের এই সমাজের অসংখ্য আকর্ষণ, আর সেই আকর্ষণে আকর্ষিত হওয়াই মানুষের স্বভাব৷ মানুষের এই স্বভাবকে প্রশ্রয় দিয়ে কম্যুনিজম সবাইকে সমান সম্পদ দেবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে৷ কিন্তু এই বিশ্বের জাগতিক সম্পদ সীমিত৷ তাই সকলকে কি সম পরিমাণ সম্পদ দেওয়া সম্ভব সম্ভব নয়৷ আর শুধু তাই নয়, সেই প্রচেষ্টাও আপাতদৃষ্টিতে মনোরঞ্জক এক ভণ্ডামি৷ এখন কম্যুনিজম মৃত্যুশয্যায়৷ কম্যুনিজম ছিল এক ‘ইজম্’ (মতবাদ)–বাগাড়ম্বরপূর্ণ ভাষার ফুলঝুরি৷

  • Read more about নূ্যনতম প্রয়োজন ও সর্বাধিক সুখ–সুবিধা

চারটি মনস্তত্ত্বের আধিপত্যের যুগ–বৈশিষ্ট্য

অর্থাৎ বৈশ্য–যুগেই বস্তুর বৈবহারিক মূল্য সবচাইতে কমে’ যায়। বস্তু স্ব–ভাবে বা টাকার অঙ্কে ক্রমশঃ স্থানু হয়ে পড়তে থাকে। বৈশ্য যুগে এইটেই সব চেয়ে বড় অভিশাপ। কারণ ভোগ্য বস্তুর গতিশীলতা যেখানে যত কম, বা অন্য ভাষায় বলতে গেলে, বিশেষ বিশেষ প্রকোষ্ঠে তার স্থিতিশীলতা যত বেশী, ততই তা জনসাধারণের পক্ষে অধিকতর ক্ষতির কারণ হতে থাকে।

  • Read more about চারটি মনস্তত্ত্বের আধিপত্যের যুগ–বৈশিষ্ট্য

নেতৃত্বের অভ্যুদয়

সমাজ–চক্রের পরিঘূর্ণনে, একটা বিশেষ যুগে তার পরবর্ত্তী যুগ আসার আগে একটা বিশেষ শ্রেণীর আধিপত্য থাকে, গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে৷ এই বিশেষ শ্রেণী যখন রাজনৈতিক ক্ষমতায় থাকে, তাদের দ্বারা সমাজে শোষণ চলার সমূহ সম্ভাবনা থেকে যায়৷ ইতিহাসের শিক্ষা এই যে, শোষণের সম্ভাবনাই শুধু নয়, যুগে যুগে এই শোষণের পুনরাবির্ভাব ঘটেছে৷ 

  • Read more about নেতৃত্বের অভ্যুদয়

গণহনন

গণহনন’ শব্দটির অর্থ হ’ল এক সঙ্গে অনেক মানুষকে হত্যা করা (mass murder or massacre) ৷ যদি একসঙ্গে অনেক অপরাধীকে হত্যা করা হয় তাকেও ‘গণহনন’ বলা হয়৷ কারণ বিশুষ্ক সৈদ্ধান্তিক বিচারে কে অপরাধী, কে নিরপরাধ তা যাচাই করে’ দেখা এক দুরূহ ব্যাপার৷ অনেক সময় কাগজে–কলমে দলিল–দস্তাবেজে ভুল তথ্য থেকে যায় যার ফলে নিরীহ মানুষের ওপর নেবে আসে কঠোর দণ্ডব্যবস্থার খড়গাঘাত৷ অনেক সময় বিচারকের বিচারেও ভ্রান্তি–দোষ থাকতে পারে বা থাকেও, সেক্ষেত্রে নিরপরাধকে হত্যা করা হয়৷ অনেক সময় বিচারের নামে প্রহসন ঘটিয়ে নির্দোষকে বা অল্প দোষীকে হত্যা করা হয়৷ সেগুলো কোনমতেই সমর্থনযোগ্য নয়৷ সক্রেটিসকে হত্যা করা সমর্থন করা যায় না, মহারা

  • Read more about গণহনন
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved