Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর অতিরিক্ত নির্ভরতার কারণে নিজের কোডই ভুলে গেলেন ইঞ্জিনিয়ার

পি.এন.এ.
Sun, 18-10-2026

তিন বছর ধরে কাজের অভিজ্ঞতা৷ কিন্তু, নিজেই নিজের কোড বুঝতে পারছেন না ইঞ্জিনিয়ার৷ আর তার জন্য তিনি দায়ী করেছেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর অতিরিক্ত নির্ভরতা৷ একটি পোস্টে ওই সফয়্যার ইঞ্জিনিয়ার স্বীকার করেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার পর তিনি আর নিজের কোডই বুঝতে পারছেন না৷ যদিও সেই তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী জানান, তিনি কলেজ শেষ করেই সরাসরি কর্র্পেরেট জগতে প্রবেশ করেছিলেন৷ প্রায় সেই সময়েই বিশ্ব জুড়ে লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল (এলএলএম) জনপ্রিয় হয়ে উঠছিল৷ তার পর থেকে তাঁরা প্রায় সব কিছুর জন্যই এআই-এর উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছিলেন বলে জানিয়েছেন ওই পোস্টে৷ এর শুরুটা হয়েছিল ছোটোখাটো বাগ বা সাধারণ ফিচার ঠিক করার মধ্যে দিয়ে, যেখানে তাঁরা যুক্তিটা বুঝতে পারতেন৷ কিন্তু কাজের পরিধি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি এবং অন্যান্য ইঞ্জিনিয়ারেরা সেটি বোঝার বিষয়ে পিছিয়ে পড়তে শুরু করেন বলে দাবি করেছেন৷

পোস্টে প্রযুক্তিবিদ লিখেছেন, ‘‘আমার কাজ শুধু ক্লডে প্রয়োজনীয়তাগুলো দেওয়া, এটি যা আউটপুট দেয় তা গ্রহণ করা এবং পুশ করা৷ অনেক সময়, আমি এর আর্কিটেকচার বা এটি যে কোড তৈরি করেছে তা পুরোপুরি বুঝিও না৷’’ তিনি বলেন, ‘‘যখন সিনিয়রেরা কোড নিয়ে প্রশ্ণ করেন, তখন আমাদের পেটটা কেমন যেন করে ওঠে৷ কারণ, এলএলএম-এ পুনরায় প্রশ্ণগুলি না জানিয়ে আমরা তার ব্যাখ্যা করতে পারি না৷’’

হতাশার সুরে তিনি বলেছেন, ‘‘বিষয়টা হল, আমার মাথাটা যেন পুরোপুরি অকেজো হয়ে গিয়েছে৷ তাই এই পোস্টটা ঠিক ভাবে গুছিয়ে লিখতেও আমি এআই ব্যবহার করছি৷ আমার মনোযোগ নষ্ট হয়ে গিয়েছে, বিচার-বিশ্লেষণের ক্ষমতা লোপ পেয়েছে বলে মনে হচ্ছে৷ এখন আমি আর শান্ত হয়ে বসে ডকুমেন্টেশন পড়তে বা নিজে হাতে কোড বিশ্লেষণ করতে পারছি না৷ নিজেকে পুরোপুরি অকেজো, ভণ্ড এবং ভয়ঙ্কর ভাবে প্রতিস্থাপনযোগ্য মনে হচ্ছে৷ কাল যদি এআই সরিয়ে নেওয়া হয়, আমার মনে হয় আমি প্রথম সেমেস্টারের একজন নতুন ছাত্রের মতো কোড করব৷ আমার কি সর্বনাশ হয়ে গিয়েছে? আর কেউ কি এই গর্তে পড়েও শেষ পর্যন্ত উঠে আসতে পেরেছেন?’’

এক সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারী বলেন, ‘‘আজকাল এটা খুবই স্বাভাবিক৷ ডেডলাইনের চাপ এতটাই বেশি থাকে যে বিষয়গুলি বোঝার জন্য খুব কম সময় পাওয়া যায়৷’’ আরও এক জন লেখেন, ‘‘আমার সঙ্গেও এমনটা হচ্ছে৷ আমি এআই-এর ব্যবহার কমিয়ে দিয়েছি৷ আমি একে কোড করতে ও টেস্ট লিখতে দিই, কিন্তু পুশ করার এবং পিআর তৈরি করার আগে আমি কোডটি যাচাই করে নিই৷ ডেভ টেস্টিং সব সময় ডিবাগিং-সহ ‘ম্যানুয়ালি’ করা হয়, তাই আমি জানি কোডটি কী কাজ করে৷’’ অপর এক জন মন্তব্য করেছেন, ‘‘এলএলএম-এর অতিরিক্ত ব্যবহারের অন্যতম বড় ঝুঁকি হল জ্ঞানের ঋণ৷ গত তিন মাসে, আমি চারটি কোম্পানিতে তাদের প্রযুক্তি পণ্য বাঁচানোর জন্য চুক্তিবদ্ধ ছিলাম৷ সমস্যাগুলি একই ছিল৷ শত শত বাগ ও রিগ্রেশন, কারণ তাঁরা কী লিখছেন সে সম্পর্কে কারও কোনও ধারণাই ছিল না৷’’

 

Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য প্রসূনানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য প্রসূনানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved