Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

ম

শ্রী প্রভাতরঞ্জন সরকার

(৩) ‘মা’ ধাতুর অর্থ মাপা, গ্রহণ করা, ধারণ করা৷ যিনি গর্ভে ধারণ করেন এই অর্থে ‘মা + ‘তৃচ’/তৃণ প্রত্যয় করে আমরা ‘মাতৃ’ শব্দ পাই --- যার ভাবারূঢ়ার্থ হচ্ছে ‘‘যিনি ধারণ করেন’’, যোগারূঢ়ার্থে ‘মাতা’৷ ঠিক তেমনি জীবকে লালন-পালনের দায়িত্ব যিনি গ্রহণ করেন, জীবের জন্মের পূর্ব থেকেই ভবিষ্যতের রসদের ব্যবস্থা করে রাখেন তাঁর জন্যেও ‘মা’ ধাতুর ব্যবহার হয়৷ মনে রাখতে হৰে, পরমপুরুষের পালিকা শক্তি জীবের জন্যে প্রয়োজন মত আগে থেকেই সব কিছু দিয়েছেন৷ মানুষ নিজের বুদ্ধির দোষে অথবা লোভের বশবর্তী হয়ে অধিক পরিমাণ বস্তু একের বা গোণাগুণতি কয়েক জনের কুক্ষিগত করে রেখে কৃত্রিম অভাব সৃষ্টি করে কোটি কোটি মানুষকে ক্লেশ দিয়ে থাকে৷ এর জন্যে পরমপুরুষের পালনকারী শক্তি দায়ী নয়৷ তাই ‘মা’ ধাতু+ ‘ড’ প্রত্যয় করে যে ‘ম’ শব্দ পাচ্ছি তার একটি অর্থ হচ্ছে ব্রহ্মের পালনকারী সত্তা বা বিষ্ণু৷

(৪) পৃথিবীতে অনন্তকাল ধরে কেউ আসে না৷ সবাই আসে একটি সীমিত কালখণ্ডে৷ সেই কালখণ্ড উৎক্রান্ত হয়ে যাবার সঙ্গে সঙ্গে তার অস্তিত্বের অনবস্থা এসে যায়৷ পরমপুরুষের যে বিধান এই কালখণ্ডের ওপর নিয়ন্ত্রণ রেখে চলেছে অর্থাৎ জীব নির্দিষ্ট সময়ে আসছে, নির্দিষ্ট সময় গর্ভে থেকে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত বর্ধিত হচ্ছে, তার পরে ক্ষয়প্রাপ্ত হতে হতে আবার হারিয়ে যাচ্ছে---এটা দেখাশোণা করা যে শক্তির কাজ তারই নাম ‘নিয়তি’৷ একে অন্য ভাষায় ৰলা হয় ‘যম’৷ বিভিন্ন জীবের গুণ ও আধার অনুযায়ী তাদের আয়ুঃ নির্ধারিত হয়৷

‘‘নরা গজা বিশে শ’য় তার অর্ধেক ৰাঁচে হয়

ৰাইশ ৰলদা তের ছাগলা বলে গেল ৰরা পাগলা৷’’

মানুষ ও হাতী মোটামুটি বিচারে ১২০ বছর বাঁচতে পারে, ঘোড়া কম-ৰেশী ৬০ বছর বাঁচতে পারে ৰলদ কম-বেশী ২২ বছর, আর ছাগল বাঁচে কম-ৰেশী ১৩ বছর৷ শোণা যায় আমিষভোজী জলের কচ্ছপ বাঁচে ৩০০ বছর, আর তৃণভোজী ডাঙ্গার কচ্ছপ ৰাঁচে ৫০০ বছর৷ এই যে জীববিশেষের আয়ুঃ নির্দ্ধারণ করা---পরিমাপ বেঁধে দেওয়া যে সত্তার কাজ তাকে বলা হয় যম৷ যম কোন ব্যষ্টিবিশেষ নয়, নরকের রাজা যম অথবা pluto-র কল্পনা পৌরাণিক জিনিস৷

(৫) ‘মৃ’ ধাতুর অর্থ ঝরে যাওয়া/শুকিয়ে যাওয়া/ম্লান হওয়া/মরা৷ সর্পবিষ অধিকাংশ ক্ষেত্রেই প্রাণঘাতী জিনিস৷ অর্থাৎ সর্পবিষের সঙ্গে মৃত্যু অর্থে ‘মৃ’ ধাতুর নিকট সম্পর্ক৷ তাই ‘মৃ’ ধাতু+ ‘ক’ প্রত্যয় করে যে ‘ম’ শব্দ পাচ্ছি তার একটি মানে ‘সাপ’৷

(৬) সর্পবিষ প্রাণঘাতক জিনিস৷ তাই মৃ+‘ক’ প্রত্যয় করে ‘ম’ শব্দের আর একটি মানে ‘সর্পবিষ’৷

প্রাচীনকালে মানুষ আফিংকে বিষবৎ মনে করত৷ তাই আফিংকে ৰলা হয় অহিফেন (যার থেকেopium শব্দ এসেছে) বা ফণীফেন অথবা সাপের ফেনা৷

(৭) বিষ মাত্রেই কেউ অল্প কেউ অধিক পরিমাণ শরীরে প্রবেশ করলে প্রাণঘাতী হয়৷ তাই যে কোন বিষের জন্যে ‘ম’ শব্দের ব্যবহার প্রাচীনকাল থেকেই চলে আসছে৷ মনে রেখে দাও, এ পর্যন্ত বিভিন্ন ‘অর্থে’ যতগুলি ‘ম’ শব্দ ব্যবহার করলুম তারা সকলেই পুংলিঙ্গ বাচক৷               (শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকারের লঘুনিরক্ত থেকে সংগৃহীত)

 

Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved