সারা পৃথিবীর জীব জন্তু গাছপালার মুলত বেঁচে থাকার যে প্রবণতা বৃহৎ অর্থে তাকেই ধর্ম বলে৷ এটা এক ধরনের গুরুত্বপূর্ণ মানসিকতা যা না থাকলে জীব জগৎ সুখ নেই৷ বাঁচতেই পারবে না৷ তবে মূলত এর প্রধান অর্থ সেই জগত যেথা থেকে যে সৃষ্টি হয়েছে তাকে পেতে ধর্মকথাটি ব্যবহৃত হয়, সর্ব জিনিসের ধর্ম, আছে, জীবের ধর্ম, জলের ধর্ম, আগুনের ধর্ম ইত্যাদি৷ ধর্ম শব্দটির ব্যুৎপত্তিগত অর্থ হল সৃষ্টি এটি ছাড়া কোন শব্দই এত বৃহৎ অর্থে ব্যবহৃত হয় না আবার সেই ধর্ম থেকেই নানা ধর্মমতের সৃষ্টি৷ হিন্দু মুসলমান খ্রীষ্টান ইত্যাদি৷ শব্দের অর্থ সৃষ্টি হয়েছে৷ তাই বৈচিত্র্যে ভরা এই পৃথিবী একে নিয়ে যত ভেদাভে তো মতবিরোধ এই মহান ভারতবর্ষেই হলো একটি বৃহৎ উপমহাদেশ৷ এই ভূমিতে যারা শুধু অতীতে জন্ম নেন তারাই হলেন মুনি ঋষি যারা মহামানব তাই তারাই তৈরি করেন এই শব্দটি, তাই তারা বলছেন সেই সারা পৃথিবী সর্বশ্রেষ্ঠ প্রাণী মানুষকে ---হে অমৃতের সন্তানগন শ্রবণ করো সেই ভূমাকে লাভ করাই হল অনন্ত সুখ লাভ হল তাছাড়া কিছুতেই ভূমা হলো সেই কসমিক সেই ভূমা বলে সেই মহান ঈশ্বর, গড, আল্লাহ ইত্যাদি শব্দের উৎপত্তি হয়েছে সেই শব্দটি ভিন্ন ভিন্ন ভাষায় ব্যবহৃত হয়৷ তাই মানুষের ভাষা জগতে ওই তিন ও অন্য ভাষায় আরো নাম আছে সেটাকে মান্যতা অবশ্যই দিতে হবে আজকের গতিশীল জগতের মানুষকে তবেই সভ্যতার সার্থকতা নচেৎ নয়৷ এই জগত হয়ে যাবে নরকের সমান দুর্বিষহ যন্ত্রনারী কারণ তখন ওই সাম্প্রদায়িকতা ও মারামারি কাটাকাটি অত্যন্ত বিদ্বেষ ও হিংসার উৎপত্তি হতে বাধ্য৷ তাই নামে মনুষ্য সভ্য কিন্তু সেই মানসিকতার দিক থেকে কুসংস্কার আচ্ছন্ন হয়ে অন্ধবিশ্বাসের শাসক হবে চরম স্বেচ্ছাচারী অসহিষ্ণু ও অত্যাচারী৷ যুদ্ধ যুদ্ধ খেলায় মেতে থাকবে শাসকগণ৷ আজ নাকি সভ্যতার চরম অগ্রগতি হয়েছে! মানুষ জাত পাতের ঊধের্ব উঠেছে তাই দালাতন্ত্র রাজতন্ত্রকে ছেড়ে এসে সেই জনগণতন্ত্রে এসে পৌঁছেছেন সুসভ্য শাসকের গণতান্ত্রিক সরকার৷ কিন্তু বিরাট এই মহামানবের সাগরতীর ভারত যুক্তরাষ্ট্রের দশাটা কি সেটা বলতেও লজ্জা হয়৷ মানুষের মানুষে কত ভেদাভেদ বেঁচে থাকার কোন পথ নেই এদেশের কোটি কোটি নাগরিকদের আর কিছু ধনী লুটে পুটে খাচ্ছে৷ দেশটিদের গণতান্ত্রই তখন সার্থক যখন বেঁচে থাকার নূ্যনতম প্রয়োজনটুকু পেয়ে ও নিরাপত্তার মধ্যে বাঁচবে৷ তবেই নাগরিক শব্দটার সার্থকতা৷ সেটা বর্তমানে সেই ৭৯ বছরে কি হয়েছে হয়নি কিন্তু দেশের শাসকগণ সেটাকে কি মান্যতা দেন৷ অপ্রিয় সত্য কথা হলো সেটার তো অভাব এই গণতান্ত্রেই শাসকগণ জরুরি অবস্থা জারি করে দেশটাকে কারাগারে বন্দী করে গদি ছাড়লেন৷ এই দেশের দলছুট শাসকগণ দলীয় স্বার্থে সংবিধানকে অস্বীকার করে বীর দর্পে এগিয়ে চলিয়ে দলীয় সার্থকে প্রাধান্য দেয় গণতন্ত্রকে বিরোধী দলের মতামত ও ধৈর্যের সঙ্গে শুণে মিলিতভাবেই শাসক চালাতে হয় না বিরোধী শূন্য হয়ে গেছে নানা কারণে একদলীয় শাসন কায়েম করার প্রস্তুতি চলছে৷
এই প্রবণতা ভারতের সমূহ সর্বনাশ করবে৷ আগেও এরকম দেখা গেছে৷ তার ফল মারাত্মক হয়েছে৷ তাই এব্যাপারে শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তি নির্দেশিত পথেই বিকেন্দ্রিত আর্থিক ব্যবস্থার মাধ্যমে জনগণের সুস্থভাবে বাঁচার ব্যবস্থা করতে হবে৷ সেটাই সরকারের প্রাথমিক কর্তব্য৷
- Log in to post comments