Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

মানুষের মস্তিষ্কের ওজন বৃদ্ধিতে চিনির ভূমিকা অনস্বীকার্য

পি.এন.এ.
Wed, 02-09-2026

গবেষণা বলছে, ৪০ লক্ষ বছরে মানুষের মস্তিষ্কের আকার অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে৷ প্রাক-মানবের মাথার ওজন ছিল প্রায় ৩০০ গ্রাম৷ আধুনিক মানবের মস্তিষ্কের ওজন প্রায় ১,৫০০ গ্রাম৷ মানুষের মস্তিষ্কের আকার যত বড় হয়েছে, তত তার শর্করা বা গ্লুকোজের চাহিদাও বেড়েছে৷ এই বৃদ্ধির জন্য মস্তিষ্কের যে শক্তির প্রয়োজন হয়, তা জুগিয়েছিল মিষ্টি জাতীয় খাবারদাবার, যেমন মধু, ফলমূল৷ মনে রাখতে হবে, সে সময় রান্নাবান্নার প্রচলন হয়নি৷ মানুষ তখনও দানাশস্য সহজে হজম করতে পারত না৷ সেই সময় এই ফলমূল, মধুর একটা বড় ভূমিকা ছিল মানুষের জীবনে, খাদ্যতালিকায়৷ সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টিবিদ জেনি ব্র্যান্ড-মিলার এই গবেষণায় নেতৃত্ব দিয়েছিলেন৷ তিনি জানান, কাঁচা স্টার্চ (শ্বেতসার) থেকে গ্লুকোজ তৈরি হয় না৷ তাই তাঁর মতে, দানাশস্য যখন মানুষের রোজের খাদ্যতালিকায় স্থান পায়নি, তখন তারা এনার্জি বা শক্তির জন্য মিষ্টি জাতীয় খাবারের উপরই নির্ভর করত৷ গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ের কারেন হার্ডির মতে, বিবর্তনের জন্য খাদ্যতালিকায় মাংস এবং প্রোটিনের প্রয়োজনীয়তা কতটা, বরাবর সেই নিয়ে গবেষণা চলেছে৷ কিন্তু মনে রাখতে হবে, সেই বিবর্তনের জন্য এনার্জির প্রয়োজন রয়েছে৷ সেই এনার্জি বা শক্তি জোগায় উদ্ভিজ গ্লুকোজ বা শর্করা৷ বিজ্ঞানীদের মতে, কেন আমাদের মিষ্টি খাবার খেতে ইচ্ছা করে, তা বুঝতেও কিছুটা সাহায্য করেছে নতুন গবেষণা৷ তাঁদের একাংশের মতে, এই এনার্জির জন্যই মানুষ মিষ্টির দিকে ঝোঁকে৷

৪০ লক্ষ বছর ধরে মানুষের মস্তিষ্কের বিবর্তন বোঝার জন্য একটি মডেল ব্যবহার করেন বিজ্ঞানীরা৷ তাঁরা দেখতে চেয়েছিলেন, মস্তিষ্কের গ্লুকোজের যে চাহিদা রয়েছে, তা কতটা মেটাতে পারে খাবারের শর্করা৷ তা বুঝতে গিয়ে তাঁরা ‘প্রয়োজনীয় গ্লুকোজের চাহিদা’ খতিয়ে দেখেন৷ মস্তিষ্কের পাশাপাশি লোহিত রক্তকণিকা, কিডনি, প্রজনন কোষ, প্ল্যাসেন্টার জন্য কতটা গ্লুকোজ প্রয়োজন, তা-ও দেখেন তাঁরা৷ তার সঙ্গে তাঁরা মিলিয়ে দেখেন, বিবর্তনের বিভিন্ন স্তরে মানুষ কী খেত৷

হোমো হেলিসিবিস এবং হোমো ইরেকটাস শর্করাসমৃদ্ধ খাবার যেমন ফলমূল বেশি খেত৷ তার পরে ক্রমে আগুনের ব্যবহার শেখে মানুষ৷ রান্নাবান্না শুরু করে৷ তখন তারা ওল, কচু অনেক বেশি করে খেতে শুরু করে৷ সে সময় সেগুলিই মানুষের গ্লুকোজের চাহিদা পূরণ করত৷ আর সেই গ্লুকোজই শক্তি জোগাত মানুষকে৷ তার জেরেই ক্রমে বিবর্তিত হয়েছে মানুষের মস্তিষ্ক৷ বেড়েছে তার আকার৷ জেনির মতে, মানুষ দানাশস্য খেতে শুরু করে অনেক পরে৷ তাঁর কথায়, ‘‘কার্র্বেহাইড্রেট বললে সকলে ভাবেন দানাশস্য, পাউরুটি৷ কিন্তু বিবর্তনের সময় মানুষের কাছে শর্করার উৎস ছিল ফল, মধু৷’’ সেগুলি খেয়েই বিবর্তনের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি পেয়েছে মস্তিষ্ক৷ বিজ্ঞানীরা এ-ও দেখেছেন, অন্তঃসত্ত্বা মানুষের ক্ষেত্রের বরাবরই এই গ্লুকোজের চাহিদা অনেক বেশি৷

 

Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved