গত ১৯শে আগষ্ট থেকে মেঘালয়ে উগ্র আঞ্চলিকতাবাদী ছাত্র সংঘটন খাসি স্টুডেন্ট ইউনিয়ন পাঁচ দফা দাবীর ভিত্তিতে আন্দোলন শুরু করে৷ আন্দোলনের নামে শিলং শহরে বাঙালী ও অন্যান্য অ-খাসি জনগোষ্ঠীর ওপর আক্রমণ হয় এমনকি শিলং ঘুরতে যাওয়া ভ্রমণবিলাসী বাঙালী পর্যটকদের ওপরও আঘাতহানা হয়৷ উগ্রছাত্ররা স্বাধীনতা সংগ্রামের আপসহীন সংগ্রামী দেশনায়ক সুভাষচন্দ্র বসুর মুর্ত্তি ভাঙচুর করে ও বিবেকানন্দের মূর্তির অবমাননা করে৷
১৯শে আগষ্ট এক প্রতিবাদী সভায় নেতাজী গবেষকও লেখক নীহাররঞ্জন পাল খাসি ছাত্রদের উগ্রও বিদ্বেষপূর্ণ মানসিকতার তীব্র নিন্দা করেন৷ আমরা বাঙালীর রাজ্য সচিব সাধন পুরকায়স্থ বলেন গণতান্ত্রিক উপায়ে আন্দোলন করার অধিকার সবার আছে৷ কিন্তু আন্দোলনের নামে অ-খাসি নিরীহ লোকজনের আক্রমণ ও মনীষীদের অপমান গ্রহণযোগ্য হতে পারেনা৷ তিনি বলেন এই ধরণের কাপুরুষোচিত আক্রমণ আমরা বরদাস্ত করবো না৷ সভায় আরও বক্তব্য রাখেন কবি লেখক দীপর সেনগুপ্ত, সুব্রত ভট্টাচার্য, কৃষ্ণাদেব, মজনুল হক মজুমদার, সুবীর দেব, নেতাজী চর্র্চ সমিতির সুব্রত চন্দ্রনাথ ও আরও অনেকে৷
২২শে আগস্ট শিলচর ক্লাব রোডে শহীদ ক্ষুদিরাম বসু মূর্তি পাদদেশে সম্প্রতি ঘটে চলা মেঘালয় রাজধানী শিলং এ নেতাজি মূর্তি ভাঙচুর এবং স্বামীজীর প্রতিমূর্তি অবমাননা করা কে কেন্দ্র করে সমাবেশ ও মিছিল করা হয়৷ বিভিন্ন বক্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এবং বক্তব্য উপস্থাপন করেন আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন অবসরপ্রাপ্ত উপাচার্য ডঃ তপোধীর ভট্টাচার্য, আমরা বাঙালী নেতা সাধন পুরকায়স্থ, নাগরিক স্বার্থ সুরক্ষা সংগ্রাম পরিষদের অন্যতম ব্যক্তিত্ব হরিদাস দত্ত,অজয় রায় প্রমুখ৷ এ ধরনের ঘটনা যে ঘটেছে এর তীব্র নিন্দা বিগত কয়েকদিন থেকেই বিভিন্ন সভা সমিতির মধ্য থেকে জানানো হয়েছে এদিনও তাই লক্ষ্য করা যায়৷তাছাড়া, উপযুক্ত পদক্ষেপ চেয়ে বিচার চেয়েছেন তাঁরা৷