Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

মঙ্গলগ্রহের মাটিতে তৈরি করা হয়েছে অক্সিজেন

পি.এন.এ.
Sat, 04-07-2026

মঙ্গলগ্রহের মাটিতে মানুষের শ্বাস নেওয়ার মতো অক্সিজেন তৈরি করে ফেলেছেন বিজ্ঞানীরা৷ একটি নির্দিষ্ট যন্ত্রের মাধ্যমে মঙ্গলে তৈরি হয়েছে ১২২ গ্রাম অক্সিজেন৷ পরীক্ষামূলক এই প্রক্রিয়া ভবিষ্যতে মঙ্গল নিয়ে একাধিক সম্ভাবনার দুয়ার উন্মুক্ত করে দিয়েছে, মত বিজ্ঞানীদের৷ পৃথিবী থেকে পাঠানো ওই যন্ত্র মঙ্গলের মাটিতে দাঁড়িয়ে সেখানকার বায়ুমণ্ডল থেকে সংগ্রহ করা উপাদান দিয়েই অক্সিজেন তৈরি করেছে৷ সেই অক্সিজেন আরও বেশি পরিমাণে উৎপন্ন করা গেলে মঙ্গলে শ্বাসকার‌্য চালাতে মহাকাশচারীদের আর কোনও অসুবিধা হবে না৷ ভবিষ্যতে মঙ্গল অভিযান থেকে ফেরার জন্য পৃথিবী থেকে আলাদা করে বাড়তি অক্সিজেন নিয়েও যেতে হবে না৷

আমেরিকার ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির (এমআইটি) বিজ্ঞানীরা মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার সঙ্গে সহযোগিতায় অক্সিজেন তৈরির যন্ত্র পাঠিয়েছিল মঙ্গলে৷ সেই যন্ত্রের নাম দেওয়া হয় ‘মক্সি’, যার পুরো কথা হল মার্স অক্সিজেন ইন-সিটু রিসোর্স ইউটিলাইজেশন এক্সপেরিমেন্ট৷ ২০২১ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি নাসার প্রিজারভেন্স রোভারে চেপে এই যন্ত্র মঙ্গলগ্রহে পৌঁছোয়৷ এমআইটি-র বিশেষজ্ঞ মাইকেল হেচ এবং জেফরি হফম্যানের নেতৃত্বে গবেষকেরা এই যন্ত্র তৈরি করেছিলেন৷ ২০২১-এ স্পেস সায়েন্স রিভিউজ-এ তার বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশিত হয়৷ মক্সি সক্রিয় ছিল ২০২৩ সালের ৭ অগস্ট পর্যন্ত৷

যন্ত্রটির ওজন ১৫ কিলোমিটার৷ নাসা আনুষ্ঠানিক ভাবে একে মাইক্রোওভেনের আকারের যন্ত্র বলে উল্লেখ করলেও এর সঙ্গে কেউ কেউ ছোট টোস্টারের সাদৃশ্য পান৷ এর নকশার নথিতে বলা হয়েছিল, মক্সি প্রতি ঘণ্টায় ৬ গ্রাম করে অক্সিজেন তৈরি করতে সক্ষম৷ সেই অক্সিজেন ৯৮ শতাংশ বিশুদ্ধ৷ প্রাথমিক ভাবে মক্সি-র উদ্দেশ্য ছিল মঙ্গলে উপস্থিত উপাদান কাজে লাগিয়েই অক্সিজেন তৈরি করা৷ পৃথিবী থেকে নিয়ে যাওয়া উপাদান যাতে কম ব্যবহার করা যায়, তা নিশ্চিত করতে চেয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা৷ তবে আদৌ এই কাজ সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে ধন্দ ছিল৷ কারণ এর আগে পৃথিবীর বাইরে সেখানকার উপাদান দিয়ে কখনও শ্বাসবায়ু তৈরি করেনি মানুষ৷

মঙ্গলের বায়ুমণ্ডলের ৯৫ শতাংশ কার্বন ডাই অক্সাইড৷ তবে তার ভরের সিংহভাগই অক্সিজেন৷ কার্বন ডাই অক্সাইড থেকে অক্সিজেনকে আলাদা করার প্রক্রিয়া পৃথিবীতে নতুন নয়৷ কিন্তু মঙ্গলগ্রহে তা সম্ভব কি না, সেটাই দেখতে চেয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা৷ ২০২১ সালের শেষ দিকের তথ্য বলছে, মক্সি মঙ্গলগ্রহে ঘণ্টায় ৬ গ্রাম করে অক্সিজেন তৈরি করেছে৷ সকাল কিংবা রাত, মঙ্গলের ভিন্ন ভিন্ন ঋতুতেও এই অক্সিজেন তৈরি হয়েছে৷ ওই বছরের পর যন্ত্রের সক্রিয়তা আরও বাড়িয়ে দেয় নাসা৷ চূড়ান্ত মিশনের ঘোষণার সময় অর্থাৎ, ২০২৩ সালে মক্সি থেকে ঘণ্টায় ১২ গ্রাম করে অক্সিজেন তৈরি হয়েছে, বিজ্ঞানীদের মূল লক্ষ্যের দ্বিগুণ৷

 

Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved