Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

ন

শ্রী প্রভাতরঞ্জন সরকার

নিরুক্ত ঃ মানে যা ৰলা হয়েছে তৎসংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ জ্ঞান৷ ঠিক অভিধান নয়, কতকটা এনসাইক্লোপিডিয়া (জ্ঞানকোষ) জাতের জিনিস৷ প্রাচীন বৈদিক যুগে অক্ষরজ্ঞান না থাকায় ভাষার কোন লেখ্য রূপ ছিল না৷ যে কোন পুরানো ভাষার শব্দটি দীর্ঘ কালব্যবচ্ছেদে লোকের মন থেকে সরে যেত৷ লোকে তার অর্থ ভুলে যেত৷ তাই বিভিন্ন শব্দের অর্থ ও অন্যান্য বিশদ বিবরণ লোকে যাতে না ভোলে সেইজন্যে একটি মৌখিক শাস্ত্র (অক্ষর আবিষৃকত হবার পর এটি লিখিত শাস্ত্রের রূপ নিয়েছিল) তৈরী হয়েছিল৷ সেই শাস্ত্রটিরই নাম ‘নিরুক্ত’৷ নিরুক্তের জ্ঞান না থাকলে মন্ত্রোচ্চারণ অর্থহীন হয়ে যায় ও তা ফলদানে অসমর্থ হয়৷ তাই মন্ত্রোচ্চারণ কালে নিরুক্তের জ্ঞানও অপরিহার্য ছিল৷

নিষাদ ঃ সুরসপ্তকের অন্যতম সুর৷ ‘নিষাদ’ শব্দটি আসছে নিসদ+ ঘঞ প্রত্যয় করে৷ এই ‘নি’ উপসর্গের পরে থাকলে ‘স’ বিকল্পে ‘ষ’ হয়, অর্থাৎ নিসাদ/নিষাদ দুই ৰানানই চলৰে৷ তবে বাংলা ভাষায় ‘ষ’ দিয়ে লেখার বিধি প্রচলিত রয়েছে৷ সে বিচারে ‘ষ’ দিয়ে লেখাটাকে প্রামাণ্য বলে ধরে নেওয়া যেতে পারে৷ এই ‘নিষাদ’ শব্দটি ‘ষ’ দিয়ে লিখলে তার ঋগ্বেদীয় ও যজুর্বেদীয় দুই ধরণের উচ্চারণকে স্বীকার করে নিতে হৰে অর্থাৎ রোমান হরফে লিখতে গেলে লিখতে হৰেNISADA ওNSADA দুই ধরণের উচ্চারণই চলবে৷ অবশ্য সংগীত- চর্চাকারীদের পুরোপুরি ‘নিষাদ’ শব্দটি উচ্চারণ করার প্রয়োজন পড়ে না৷ তাঁরা ‘নিষাদ’ এর আদ্যক্ষর ‘নি’ ব্যবহার করেন৷ তাঁদের ‘নি’-তেই কাজ চলে যায়৷ 

নীর ঃ জল৷

নীহার ঃ নি-হৃ+ ঘ= নিহার৷ কিন্তু ‘পৃষীদীর্ঘঃ’ বিধি অনুযায়ী হয়ে যাবে ‘নীহার’ যার মানে নিঃশেষে অপহরণ করা, খালি করা, দেশত্যাগ করা evacuate), প্রবল হিমপাত, বা প্রচুর শিশির-সঞ্চয়৷ ‘নিহার’ লিখলে ভুল লেখা হৰে৷ 

নুড়া/নুড়ো ঃ বাসন মাজার কাজে ব্যবহৃত শুকনো পাতা, খড়কুটো, ছেঁড়া ন্যাকড়া প্রভৃতি জিনিসের সমবায়ে সৃষ্ট বস্তুবিশেষ৷ ‘মুখে নুড়ো জ্বেলে দেওয়া’ একটা পরুষ বাক্য৷

নূতন ঃ মানে ‘নব’ (‘নূতন’ আর ‘নোতুন’ এক নয়৷ সংস্কৃত ‘নবতন’ থেকে প্রাকৃতে ‘নওতন’, তার থেকে ‘নওতুন’, তার থেকে বর্তমান বাংলায় ‘নোতুন’)৷

নৃ-ধাতু ঃ পরিচালনা করা/পথনির্দেশনা দেওয়া৷ এটি একটি পরস্মৈপদী ধাতু (নৃণাতি)৷

নৃ+ ডৃণ= নৃ, মানে ভাবারূঢ়ার্থে যে পরিচালনা করে৷ জীবজগৎ ও জড়জগৎকে যে জীব পরিচালনা করে সে৷ যোগারূঢ়ার্থে ‘মানুষ’৷ ‘নৃপতি’ মানে ভাবারূঢ়ার্থে মানুষের নেতা আর যোগারূঢ়ার্থে ‘রাজা’৷

নৃ+ অল/অচ্‌ (মতান্তরে অনিট্‌) = নর, মানে ‘মানুষ’৷ মানুষের মধ্যে প্রধান এই অর্থে ‘নরপতি’ মানে রাজা৷

নেতৃ : ‘নী’ (নে)+ তৃণ্‌= নেতৃ---প্রথমার একবচনে ‘নেতা’, স্ত্রীলিঙ্গে ‘নেত্রী’৷ ‘নেতা’ মানে হচ্ছে যিনি নিয়ে যান বা যিনি পরিচালনা করেন৷ দেশকে যিনি পরিচালনা করেন তিনি দেশনেতা আর রাষ্ট্রকে যিনি পরিচালনা করে তিনি রাষ্ট্রনেতা৷ এর পূর্বে ‘প্র’ উপসর্গ দিয়ে হয় ‘প্রণেতা’, স্ত্রীলিঙ্গে ‘প্রণেত্রী’৷ ‘প্রণেতা’ মানে যিনি প্রণয়ন করেন৷ এর পূর্বে ‘অভি’ উপসর্গ যোগ করলে হয় ‘অভিনেতা’ যার মানে যিনি অভিনয় করেন’৷ ‘অভিনেতা’ শব্দের স্ত্রীলিঙ্গে ‘অভিনেত্রী’৷

                 (শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকারের লঘুনিরক্ত থেকে সংগৃহীত)

 

Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved