তিববতের দিক থেকে আচমকাই বিপুল জলরাশি ধেয়ে আসে নেপালের ভোতেকোশি নদীতে৷ মুহূর্তে যা ভয়াবহ আকার নেয়৷ জলের তোড়ে ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে যায় একের পর এক বাড়ি দোকান, সেতু৷ ভেসে গেছে বহু গাড়ি৷
গত কয়েকদিন ধরে তীব্র বৃষ্টি চলছে তিববতে৷ আর তার জেরেই এ বিপুল জলরাশি আজ ধেয়ে আসে নেপালে৷ সব থেকে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে নেপালের রসুয়া জেলার টিমুরে, স্যাফ্রুবেশি, মাইলং, সাল্লেতার, শান্তি বাজার, খালতি বস্তি, শোলে সহ ভোতেকোশি নদীর তীরবর্তী এলাকা৷ রসুয়া এবং নুয়াকোটের মধ্যে একাধিক এলাকার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে৷ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রসুয়ার একটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প৷ কাঠমান্ডু থেকে প্রায় ১২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত রসুয়া৷ হড়পা বানের জেরে প্রায় ১০০০ এর উপর মানুষ নিখোঁজ৷ আরো বাড়বে বলে আশঙ্কা নেপাল প্রশাসনের৷
ইতিমধেই নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহ সেনা ও প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক সেরেছেন৷ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা গুলোতে উদ্ধারকাজের জন্য পাঠানো হয়েছে সেনাবাহিনী৷ তবে বিপর্যস্ত এলাকায় উদ্ধারকাজও রীতিমতো ব্যাহত হচ্ছে৷ রসুয়ার হেলিপ্যাড হড়পা বানের জলের তলায় থাকায় উদ্ধারকারী হেলিকপ্ঢার অবতরণে সমস্যা তৈরি হয়েছে৷
তিববত থেকে আসা এই ভোতেকোশি নদী নেপাল হয়ে ভারতের বিহারে প্রবেশ করেছে৷ সেখানে তার নাম গন্ডক৷ এই নদীর তীরবর্তী অঞ্চলগুলিকেও সতর্ক করা হয়েছে৷ অন্যদিকে, কাজের সূত্রে নেপালে যাওয়া পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা এবং পর্যটকদের খোঁজখবর নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে নবান্ন৷ দিল্লির রেসিডেন্ট কমিশনারের অফিসকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷ রেসিডেন্ট কমিশনার অফিসকে সজাগ থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷